Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভুলের ওজন পঁচিশ পাউণ্ড – নির্বেদ রায়

    ভুলের ওজন পঁচিশ পাউণ্ড – নির্বেদ রায়

    ভুল মানুষ মাত্রেই হয়ে থাকে। সেটা এমন কিছু আশ্চর্যের ব্যাপার নয়। মানুষই আবার সে ভুল শুধরে নেয়। কিন্তু উইলফ্রেড ম্যাকনিলি নামে উত্তর আয়ারল্যাণ্ডের বাসিন্দা শ্বেতাঙ্গ মানুষটির ভুলের ধরনটা হয়ে পড়েছিল একটু বেয়াড়া গোছের। সাধারণত এই ধরনের ভুল-টুল হলে খুব কম মানুষই সে ভুল শুধরে নিয়ে পৃথিবীর ওপর হেঁটে চলে বেড়াবার সুযোগ পায়। ম্যাকনিলি অবশ্য সে সুযোগ পেয়েছিল, তবে তার মুখের ওপর ভালোভাবে একটু চোখ বুলিয়ে আনলেই বোঝা যেত যে, সেই ভুলের মাশুল হিসেবে তাকেও কম খেসারত গুনতে হয়নি। তার কপালের প্রায় পুরোটা জুড়ে দুটো চোখের ওপর পর্যন্ত নেমে আসা গভীর দাগগুলো যে আসলে বীভৎস কতগুলো ক্ষতচিহ্নের স্মৃতি, সে সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ থাকে না।

    ভারতবর্ষ।

    আজকের স্বাধীন ভারত নয়, তখন ব্রিটিশ অধিকৃত উপনিবেশ। সেই সময় বিলেতে ‘কার্টার-ডাউনেস লিমিটেড’ নামে একটি কাপড়ের কল থেকে ম্যাকনিলিকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল তুলোর চাষের তদারকি করতে। বিদেশে তখন ভারতের তুলোর চাহিদা খুব বেশি। ভারত থেকে তুলো নিয়ে গিয়ে, সেই তুলোয় কাপড় তৈরি করে আবার ভারতবর্ষেই সেই কাপড় বেচে তখন রাতারাতি ফুলে-ফেঁপে ওঠে ম্যানচেস্টারের মিলগুলো। ‘কার্টার-ডাউনেস’ তারই একটা।

    মাদ্রাজে নেমে ম্যাকনিলি প্রথম দেখা করল এস. টি. মজুমদার নামে এক ভদ্রলোকের সঙ্গে। মজুমদার তাকে নিয়ে গেল উত্তর-পূর্ব ভারতের পাহাড়ের ঢালে তুলোর চাষ দেখাতে। সপ্তাহখানেক ধরে চাষবাসের তদারকি করল দু-জনে।

    অবসর সময়ে মজুমদার ঘুরে বেড়াত কাঞ্চনজঙ্ঘা আর হিমালয়ের কোল ঘেঁষে ছড়ানো বিস্তীর্ণ প্রান্তর আর বিচিত্র বর্ণময় ফুল ও লতা-পাতার ঝোপেঝাড়ে। তার নেশা ছিল উদ্ভিদতত্ত্ব। কাজের ফাঁকে সারাদিন ঘুরে ঘুরে সে তাই ছবি তুলত যত দুর্লভ লতা-পাতা আর ফুলের। অন্য দিকে সেই সময়ে ম্যাকনিলি বসে থাকত একান্ত বেকার হয়ে। অথচ এই পরিবেশে তাঁর বেকার বসে থাকার কথা নয়। বহুদিন ধরেই উইলফ্রেড ম্যাকনিলির প্রিয় নেশা—শিকার! আর শিকারের তীর্থক্ষেত্র ভারতবর্ষের অরণ্য-প্রকৃতির মাঝে এসে একজন শিকারির পক্ষে দিনের পর দিন হাত গুটিয়ে চুপচাপ বসে থাকা কী করে সম্ভব?

    যে বিরাট ভূখন্ডের বিস্তীর্ণ প্রান্তরের বুকে শিং-এর সঙিন উঁচিয়ে ঘুরে বেড়ায় বুনো মোষের পাল অথবা খড়্গধারী গন্ডার—তৃণভূমির ওপর সন্ত্রস্ত ও সদাসতর্ক হয়ে বিচরণ করে চিতল অথবা সম্বর হরিণ আর তাদের পিছনে হলুদ ঝোপের ছায়ায় ছায়ায় গা মিলিয়ে শিকারের সন্ধানে হানা দিয়ে ফেরে বাঘ অথবা লেপার্ডের দল—আকাশছোঁয়া প্রকান্ড গাছের মোটা ডাল থেকে পাক খুলতে খুলতে বিপুল দেহকে অলস মন্থর ভঙ্গিতে নামিয়ে আনে বিরাট ময়াল—নদীর পাড়ে কাদামাটিতে শুয়ে নি:সাড়ে রোদ পোহায় ক্ষুধার্ত কুমির আর গোলপাতার জঙ্গলে মৃত্যুর জাল বিছিয়ে কুন্ডলী পাকিয়ে শুয়ে থাকে যে বুকে-হাঁটা জীবগুলো, যাদের ছোবল মানেই যমের পরোয়ানা, সেসবের আস্তানা ভারতবর্ষে এসে একজন শিকারির পক্ষে একেবারে খালি হাতে দেশে ফেরা কি সম্ভব?

    প্রায় রোজ রাত্রেই তাঁবুতে ফিরে ম্যাকনিলি তাঁর বন্দুকগুলো পরিষ্কার করে তেল-টেল দিত, কিন্তু মজুমদারের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই। সে রয়েছে তার নিজের খেয়ালে—তার উদ্ভিদতত্ত্ব নিয়ে। ফলে সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করার পরে ম্যাকনিলিকে নিজেই উদ্যোগী হতে হল।

    আধুনিক যুগে আগ্নেয়াস্ত্রের অনেক উন্নতি ঘটেছে। তপ্ত সিসার মৃত্যুদংশন বহুদূর থেকে অব্যর্থ লক্ষ্যে শুইয়ে দিতে সক্ষম যেকোনো ভয়ংকর জানোয়ারকে। ফলে শিকারের বিপজ্জনক খেলা হয়ে পড়েছে আগের চেয়ে অনেকটাই নিরাপদ। কিন্তু ‘শিকার’ শব্দটি বলতেই যাদের মনে জেগে ওঠে অদ্ভুত এক রোমাঞ্চের স্বাদ, শিকার বলতে যারা শুধু নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডকেই বোঝে না, বোঝে সমান সুযোগ নিয়ে জীবন দেওয়া-নেওয়ার তীব্র আরকে ভেজানো এক খেলাকে, এ ধরনের মানুষেরা নিশ্চিন্ত নিরাপত্তার মধ্যে শিকারের আনন্দ খুঁজে পায় না। জীবনকে বাজি ধরে মরণ খেলার খেলোয়াড় হয়েই তারা খুঁজে পায় আনন্দের স্বাদ। খেলার একান্ত নিয়মেই তারা কখনো হারে, আবার কখনো জেতে। পুরষ্কার হিসাবে কখনো তাদের ভাগ্যে জোটে হিংস্র শ্বাপদের সুন্দর চামড়া কী অতিকায় তৃণভোজীর বিরাট সুদৃশ্য মাথা, আবার কখনো তাদের দুর্ভাগ্যের চিহ্ন হিসেবে অরণ্যভূমির বুকে পড়ে থাকে নখ, দাঁত অথবা শিং-এর আঘাতে ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ।

    এত সব জেনেও কিন্তু বেপরোয়া মানুষ ওইভাবেই প্রাচীন অথবা মধ্যযুগীয় প্রথায় শিকার করতে ভালোবাসে। উইলফ্রেড ম্যাকনিলি ছিল ঠিক ওই ধরনের মানুষ। তাই আফ্রিকার ‘মাসাই’ অথবা ‘নান্দি’ উপজাতির মানুষরা যেরকম সামান্য একটা হাতে তৈরি বর্শা সম্বল করে পশুরাজ সিংহের মুখোমুখি হয়, আরব দেশের মানুষ যেমন শুধুমাত্র তলোয়ার হাতে ক্ষিপ্ত বন্য হাতির মোকাবিলা করে, তেমনই সঙ্গে বন্দুক থাকলেও শিকারের জন্য ম্যাকনিলির প্রিয় হাতিয়ার ছিল তির-ধনুক। এবার ভারতে আসার সময় সে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল ‘ফাইবার-গ্লাসের’ তৈরি একটা ধনুক, যার গুণের টান ছিল পঞ্চাশ পাউণ্ড।

    একদিন সকালে বেরোবার সময় সেটাকে সঙ্গে নিয়েই বেরোলো ম্যাকনিলি। আর নিল চওড়া ফলাওয়ালা কটা তির। পথ চলতে চলতে চোখে পড়ল রং-বেরঙের পাখির ঝাঁক, একটার পর একটা, অগুণতি। কিন্তু কোনোটাকেই ঠিক তিরের আওতায় পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রমে সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়িয়ে গেল। তারা এসে পৌঁছোল ছোটো ছোটো পাথর-সাজানো একটা বাগানের মতো চত্বরে। ক্লান্তির পথচলা।

    হঠাৎ একটু দূরে একটা ঝোপের মধ্যে নড়াচড়া চোখে পড়ল ম্যাকনিলির। সঙ্গেসঙ্গে ধনুকে তির লাগিয়ে তৈরি হল সে। তারপর একটা নুড়ি তুলে নিয়ে ছুড়ে দিল ঝোপ লক্ষ্য করে। মুহূর্তের জন্য ধূসর-বাদামি রঙের একটা ধাবমান দেহ ম্যাকনিলির চোখে ধরা দিল, ভালো করে তার সঠিক রূপটাও দেখতে পেল না সে। কিন্তু শিকারির হাতের অভ্যস্ত ক্ষিপ্রতায় সাঁ করে ছুটে গেল হাতের তির। লক্ষ্য অব্যর্থ! শিকার লুটিয়ে পড়ল মাটির ওপর। একটা ‘হগডিয়ার’—ছোটো জাতের হরিণ।

    ম্যাকনিলির পাশে দাঁড়িয়ে ছিল ওনডি। তার মুখের চামড়ায় বয়সের অসংখ্য ভাঁজ পড়েছে। জাতে নেপালি। ওস্তাদ পথপ্রদর্শক। পানের ছোপওয়ালা দাঁত বের করে সে হাসল—‘সাহেব, তুমি খুব পাকা শিকারি। তবে তোমার একজন সঙ্গী থাকলে আরও ভালো হয়। তোমার আপত্তি না থাকলে আমিই তোমার সঙ্গী হতে পারি।’ এ প্রস্তাবে আপত্তির কিছু থাকতে পারে না; ম্যাকনিলিরও ছিল না।

    এদিকে ততক্ষণে মজুমদারও এসে পড়েছিল। শিকার দেখে সেও বন্ধুকে অভিনন্দন জানাল, আর সেই সঙ্গে বোধহয় এত দিন পরে একটা সোজা কথা তার বোধগম্য হল যে, তার নিজের মতো ম্যাকনিলিরও একটা শখ আছে এবং তাকেও সেই শখ মেটাবার সুযোগ দেওয়া উচিত। ফলে পরের দিন থেকে যে যার প্রয়োজনমতো জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে নিজের নিজের সুবিধামতো পথে বেরোতে শুরু করল। মজুমদারের সঙ্গে থাকত একজন কী দুজন পথপ্রদর্শক আর ক্যামেরা। ম্যাকনিলি সঙ্গে নিত তির-ধনুক আর ওনডিকে।

    চওড়া ফলার তির ম্যাকনিলির সঙ্গে খুব বেশি ছিল না। তবে যে ক-টা ছিল সেগুলোকে কাজে লাগিয়েই দিন কয়েকের মধ্যে সে শিকার করেছিল একটা সম্বর হরিণ, দুটো চিতা আর অনেকগুলো বুনো কুকুর। কিন্তু ভারতের বনে যেসব কুলীনদের বাস, তাদের মুখোমুখি হতে গেলে আরেকটু শক্তিশালী হাতিয়ারের প্রয়োজন। ম্যাকনিলি ইস্পাত আর কাঠের তৈরি দুটো মজবুত ধনুক বিলেত থেকে আনিয়ে নিল। এই দুটো ধনুকেরই গুণের টান ছিল আগেরটার তুলনায় পঁচিশ পাউণ্ড বেশি, অর্থাৎ পঁচাত্তর পাউণ্ড।

    পরের বছরের বসন্তাগত দিনগুলোতে ম্যাকনিলি ছুটি কাটাল গাড়োয়াল আর কুমায়ুনের মাঝের পর্বতমালার ঢালে। তুষারমৌলি নন্দাদেবীর কোলে শিকারের খোঁজে ঘুরে এবার তার ভাগ্যে জুটল বড়ো পাহাড়ি ভালুক আর চিতাবাঘ। সুতরাং, আর কী চাই? চাই নিশ্চয়ই—এখনও বাকি ভারতীয় অরণ্যভূমির একচ্ছত্র অধিপতির সঙ্গে মোলাকাত—ডোরাকাটা কেঁদো বাঘ!

    কিন্তু রাজদর্শন তো আর সহজে মেলে না, তার জন্য ধৈর্য ধরতে হয়। ম্যাকনিলিও সুযোগের অপেক্ষায় রইল। অবশেষে সে সুযোগ এল প্রায় ছ-সাত মাস বাদে, সে বছর নভেম্বর মাসে।

    শিকারের অপেক্ষায় একা জলাশয়ের পাড়ে পঞ্চাশ পাউণ্ডের ধনুকটায় তির জুড়ে অপেক্ষা করছিল ম্যাকনিলি। উদ্দেশ্য, যদি রাতে খাবারের টেবিলে কোনো সুস্বাদু মাংসের ব্যবস্থা করা যায়।

    এমন সময় ওনডি দৌড়োতে দৌড়োতে এসে খবর দিল—‘বাঘ, সাহেব বাঘ! ওই নালাটার মধ্যে ঢুকেছে।’

    ওনডির কথায় নেমে এসে দেখল ম্যাকনিলি। হ্যাঁ, বাঘই বটে। ভুল হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। নালার মুখে বিরাট গোল গোল নিখুঁত পায়ের ছাপগুলোর দিকে একবার তাকিয়েই অভিজ্ঞ শিকারি ম্যাকনিলির বুঝতে অসুবিধে হল না যে, বাঘটা শুধু পূর্ণবয়স্কই নয়, রীতিমতো স্বাস্থ্যবানও বটে। কিন্তু পঞ্চাশ পাউণ্ডের ধনুকে বাঘ মারা যায় না, তাঁবুতে ফিরে গিয়ে উপযুক্ত হাতিয়ার নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু ততক্ষণ বাঘটা কি আর এখানে থাকবে?

    ওনডি সেকথা জিজ্ঞাসা করতে তার মুখে আরও গোটাকয়েক ভাঁজ পড়ল। একটু চিন্তা করে সে বলল—‘আমার মনে হয় বাঘটা এখন ঘুমোবে, তাই খেয়ে-দেয়েই নালার মধ্যে ঢুকেছে।’

    ওনডির কথায় ভরসা করা যায়। দেরি না করে ম্যাকনিলি সঙ্গেসঙ্গে ছুটল তাঁবুর দিকে। হিমালয়ের ঢালে নানা রঙের বাহারি ফুলের মাঝে টানটান করে বাঁধা সাদা তাঁবু। সামনের ফাঁকা জমির ওপর দাঁড়িয়ে মজুমদার একটা হেলিকপ্টারকে হাত নেড়ে বিদায় দিচ্ছিল। এই হেলিকপ্টারটা ডাকের চিঠিপত্র দেওয়া-নেওয়া করে। ম্যাকনিলিকে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে তাঁবুর মধ্যে ঢুকতে দেখে সে একটু অবাক হল—‘কী ব্যাপার! কী হল আবার…’

    ‘একজনের সাথে জরুরি দেখা করার কথা। তাই একটু তাড়াতাড়ি করছি।’ উত্তর দিল ম্যাকনিলি।

    ‘দেখা করার কথা? এখানে? কার সাথে?’ মজুমদার বেশ কিছুটা অবাক।

    ‘মানে, ওই একটা বাঘের সঙ্গে আর কী…’ খুব স্বাভাবিক স্বরে উত্তর দেওয়ার মাঝেই কাজ করে যাচ্ছিল ম্যাকনিলি। হাতের ধনুকটা দেওয়ালে টাঙিয়ে রেখে সে পঁচাত্তর পাউণ্ডের ধনুকে গুণ পরাতে বসল। আগেই বলেছি, পঁচাত্তর পাউণ্ডের দুটো ধনুক ছিল ম্যাকনিলির। তাদের মধ্যে ইস্পাতেরটা সে আনিয়েছিল সুইডেন থেকে, আর কাঠের ধনুকটা সে বানিয়েছিল তার পছন্দমতো অর্ডার দিয়ে ইংল্যাণ্ডের এক পাকা কারিগরের থেকে। রাজদর্শনে যেতে হলে সব দিক দিয়ে প্রস্তুত হয়ে যাওয়া ভালো। তাই এখন সে তার প্রিয় কাঠের ধনুকটাই বেছে নিয়ে গুণ পরিয়ে নিল।

    নালার কাছে পৌঁছে একটা গাছের তলায় কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম করে নিল ম্যাকনিলি। এতটা পথ দৌড়ে যাওয়া-আসা করে সে হাঁপিয়ে উঠেছে। এখন কিছুটা দম নিয়ে নেওয়া দরকার। বাঘের মুখোমুখি হতে গেলে প্রথমেই দরকার ঠাণ্ডা মাথা, শান্ত স্নায়ু। উত্তেজনার লেশমাত্র যেকোনও সময়ে মারাত্মক বিপদ ঘটাতে পারে।

    দম নিয়ে তৈরি হওয়ার পর ম্যাকনিলি এবার ওনডিকে বিদায় দিল, ‘ঠিক আছে, এবার তাহলে তুমি যেতে পারো ওনডি।’

    ওনডিকে সঙ্গে না নেওয়ার কারণ আছে। পথপ্রদর্শক হিসাবে ওনডি যতখানি ওস্তাদ, বন্দুক ছোড়ায় সে ততটাই আনাড়ি। আর মজার কথা হল, ওনডি নিজেও একথাটা জানত। তাই ম্যাকনিলির কথায় কোনো প্রতিবাদ করল না সে। শিকারের সময় আনাড়ি লোক সঙ্গে রেখে অযথা বিপদের ঝুঁকি বাড়িয়ে লাভ কী?

    এবার ধীরে ধীরে নালার পাশে এসে দাঁড়াল ম্যাকনিলি। নালার দুটো পাড় খাড়া হয়ে উঠে গেছে—দু-দিকেই ঝোপঝাড় ভরতি। ফলে বাঘের পালাবার পথ বন্ধ। মুখোমুখি লড়াইয়ে তাকে নামতেই হবে।

    নালার জল বরফের মতো ঠাণ্ডা। দুরন্ত স্রোত, কিন্তু কোথাও খুব একটা গভীর নয়। পায়ের গোড়ালির বেশি ডোবে না। নালা পেরিয়ে অপর পারে গিয়ে ম্যাকনিলি একটা পাথরের টুকরো তুলে নিল। নালার প্রান্তে একটা বড়ো ঝোপ। ম্যাকনিলির বুঝতে অসুবিধা হল না যে ওই ঝোপের মধ্যেই বিশ্রামের আয়োজন করেছে বাঘ। মনে মনে প্রস্তুত হয়ে নিয়ে সে এবার পাথরের টুকরোটা ছুড়ে দিল ঝোপ লক্ষ্য করে, আর ঠিক সেই সময়ে ঝোপের দিক থেকে বয়ে-আসা একঝলক বাতাসে তার নাকে এসে লাগল বাঘের গায়ের উগ্র গন্ধ। পাথরটা গিয়ে পড়ল ঝোপের মধ্যে। ততক্ষণে পিঠের থেকে তির টেনে নিয়ে ধনুকে জুড়ে ফেলেছে ম্যাকনিলি।

    ঝোপের মধ্যে বাঘ একটু দিবানিদ্রার আয়োজন করছিল। ম্যাকনিলির ছোড়া পাথরের টুকরো তার সেই নিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। বিরক্ত হয়ে সে উঠে দাঁড়াল। তার রাজত্বে ঠিক এই ধরনের বেয়াদবি সহ্য করতে সে অভ্যস্ত নয়। মৃদু গর্জনে বিরক্ত প্রকাশ করে সে বেরিয়ে এল ঝোপের বাইরে। বেরিয়ে এসে একটা অতিকায় বেড়ালের মতো সামনের দু-পা ছড়িয়ে প্রথমে শরীরের আড়মোড়া ভাঙল, মাটি আঁচড়াল বার কয়েক, তারপর মাথা তুলে তাকাল। অত্যন্ত ধীরস্থির ভঙ্গি, চোখের দৃষ্টি বরফের মতো ঠাণ্ডা।

    আর ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাকনিলি তাকিয়ে দেখল যে ধনুকে সে ভুল তির জুড়ে বসে আছে!

    মাত্র কুড়ি গজ দূরে দাঁড়িয়ে জান্তব মৃত্যু। ম্যাকনিলি সাধারণত ওই কুড়ি গজ দূরে একটা সিগারেটের প্যাকেট রেখে তার মধ্যে দিয়ে অব্যর্থ লক্ষ্যে পরপর ছ-টা তির চালিয়ে দিতে পারে, কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা দাঁড়িয়েছে একটু অন্যরকম।

    যে তিরটা ম্যাকনিলি জুড়ে বসেছে, এটা পঞ্চাশ পাউণ্ডের ধনুক থেকে ছোড়ার পক্ষে একটা আদর্শ তির সন্দেহ নেই, কিন্তু পঁচাত্তর পাউণ্ডের ধনুক থেকে ছুড়লে এ তির ধাক্কা সহ্য করতে পারবে না; কেঁপে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে। আর এখন তির পালটাবার প্রশ্নই ওঠে না, বাঘ এসে পড়েছে কুড়ি গজের আওতায়। ম্যাকনিলির সমস্ত শরীর বেয়ে বয়ে গেল একটা আতঙ্কের শিহরন। তবু সেই আতঙ্কের মাঝেই ধনুকে আকর্ণ গুণ আকর্ষণ করল ম্যাকনিলি। তিরের ফলা চেপে বসল তার প্রসারিত বাঁ-হাতের মুঠোর ওপর, ছিলার দু-পাশ থেকে বেরিয়ে আসা লেজের পালকগুলো এসে ঠেকল তার গালের পাশে।

    বাঘের আক্রমণের ধারাটা জানা ছিল ম্যাকনিলির। পারতপক্ষে বাঘ সোজাসুজি আক্রমণ করে না, সবসময় চেষ্টা করে ঘুরে গিয়ে পিছন থেকে শত্রুকে কাবু করতে। এখানে সে সুযোগ নেই, তবু একটু ঘুরে এসে সে গুঁড়ি মেরে বসল। আক্রমণের পূর্বাভাস বলতে ওইটুকুই। আর কোনো সংকেত নেই—নেই লেজের আন্দোলিত আস্ফালন, নেই দুই ঠোঁঠের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে আসা হিংস্র দাঁতের সারি, নেই অবরুদ্ধ গলার চাপা গর্জন। এককথায়, এই বাঘটা যেন অস্বাভাবিক রকমের ঠাণ্ডা। ঠাণ্ডা মানে শান্ত নয়, পেশাদার খুনির মতোই ভাবলেশহীন।

    ম্যাকনিলিও ঘুরে গিয়ে বাঘের মুখোমুখি হল। মুহূর্তমাত্র! পরক্ষণেই হলুদ-কালোর ডোরাকাটা একটা বিদ্যুৎ উড়ে এল ম্যাকনিলির দিকে। ওই উড়ন্ত বিদ্যুৎ ঝলকের মাঝে লক্ষ্য স্থির রাখা সোজা কথা নয়। তবু ম্যাকনিলির চোখে পলকের জন্য ধরা দিল হলুদ-কালোর মাঝখানে একফালি সাদা অংশ—বাঘের বুক আর পেট! সেই অংশটুকু লক্ষ্য করেই তির ছেড়ে দিল ম্যাকনিলি, আর সেই সঙ্গে ডান দিকে ঝাঁপ দিয়ে পড়ল বাঘের উদ্যত আক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য। তবু শেষরক্ষা হল না। চকিতের জন্য ম্যাকনিলি অনুভব করল, যেন একটা কঠিন রবারের প্যাডের ওপর বসানো কয়েকটা ধারালো ছুরির ফলা তার কপাল ছুঁয়ে গেল—বাঘের থাবার স্পর্শ! ছিটকে পড়ল সে মাটির ওপর। মাটিতে শুয়ে প্রতিমুহূর্তে ম্যাকনিলি অপেক্ষা করছিল মৃত্যুর জন্য; এখনই যেকোনও সময়ে বাঘের নখ আর দাঁতের আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে তার দেহ…।

    কিন্তু কই, আঘাত তো এল না। ধীরে ধীরে মাটি ছেড়ে উঠে দাঁড়াল ম্যাকনিলি। সারা দেহ তার অক্ষত ঠিকই, কিন্তু চোখের সামনে যেন ঝুলছে একটা পরদা; পরিষ্কারভাবে কিছু দেখতে পাচ্ছে না সে। ম্যাকনিলির বুঝতে অসুবিধা হল না ওই পরদার উৎস কোথায়? বাঘের থাবা তার কপালের ওপর ক্ষতচিহ্নের সৃষ্টি করেছে।

    পরীক্ষা করার জন্য হাত দিয়ে ক্ষতস্থান স্পর্শ করতেই অসহ্য যন্ত্রণার একটা তীক্ষ্ণ আর্তনাদ বেরিয়ে এল তার কন্ঠ ভেদ করে; এক ঝটকায় মাথাটা পিছন দিকে সরিয়ে নিল সে। আর চোখের সামনে কালো পরদাটাও সরে গেল তখনি, অবশ্য দু-এক সেকেণ্ডের জন্য, তারপরই আবার নেমে এল পরদা। কিন্তু ম্যাকনিলি এবার বুঝতে পারল ক্ষতটা কী ধরনের। আসলে বাঘের থাবায় ওই অল্প একটু আঁচড়েই তার কপালের বেশ খানিকটা চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে ঝুলে পড়েছে দুটো চোখের ওপর। দাঁতে দাঁত চেপে যন্ত্রণা সহ্য করে ম্যাকনিলি সেই ঝুলে-পড়া চামড়াটাকে হাত দিয়ে চেপে ধরল যথাস্থানে। এবার পরিষ্কার দেখতে পেল সে—একটু দূরেই পড়ে আছে বাঘ—নিস্পন্দ, মৃত। কাত হয়ে পড়ে থাকা তার শরীরের মধ্যে আমূল বিঁধে রয়েছে তিরটা। শুধুমাত্র পালকগুলো ছাড়া তিরের আর কোনো অংশই দেখা যাচ্ছে না।

    ধীরে ধীরে নালাটা পার হল ম্যাকনিলি। কিন্তু বরফের মতো ঠাণ্ডা জল এবার তার মধ্যে কোনো অনুভুতিই জাগাল না—তার সমস্ত শরীর-মন জুড়ে তখন শুধু এক তীব্র যন্ত্রণার স্বাদ।

    কিছুদূর গিয়েই ওনডির দেখা মিলল। ‘বাঘটা মরে পড়ে আছে, তুমি আমার ধনুক আর তিরগুলো একটু গুছিয়ে নিয়ে এসো,’ এর বেশি আর কোনো কথা বলার মতো অবস্থা ছিল না ম্যাকনিলির।

    তাঁবুতে যখন ম্যাকনিলি ফিরল তখন হিমালয়ের কোল ঘেঁষে সন্ধ্যা নেমে আসছে। তাঁবুতে ফিরে দেখা হল মজুমদারের সঙ্গে।

    ‘শেষ পর্যন্ত তির দিয়েই বাঘটাকে মারলাম, বুঝলে মজুমদার,’ বলল ম্যাকনিলি, ‘তবে ওটা ভুল তির ছিল।’

    ওই একটিমাত্র কথা, তারপরই তার চেতনাকে লুপ্ত করে নামল মূর্ছার অন্ধকার।

    পরে নিজের জীবনের এই কাহিনি কোনো বন্ধুকে বলতে বসলে ম্যাকনিলি বলত, ‘আমার এই গল্পটা থেকে একটা শিক্ষা অন্তত নেওয়া উচিত—তা হল একান্তই যদি কখনো তির-ধনুক দিয়ে বাঘ শিকার করতে হয় তবে নিদেনপক্ষে তিরটা একবার ভালো করে পরীক্ষা করে নেওয়া বড়ো দরকার। নয়তো, চরম মুহূর্তে আমার মতো ঘটনা ঘটলে, ভাগ্য ছাড়া তোমাকে আর কেউ যে নতুন করে পৃথিবীর আলো দেখাবার বন্দোবস্ত করতে পারবে না, সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }