Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিশোরীমোহনপুরের রয়েল বেঙ্গল – প্রচেত গুপ্ত

    কিশোরীমোহনপুরের রয়েল বেঙ্গল – প্রচেত গুপ্ত

    আমি দম বন্ধ করে বললাম, ‘তারপর?’

    সায়নের ছোটোমামা একটু সময় চুপ করে থেকে বললেন, ‘তারপরই হল আসল গোলমাল। বাঘ গেল উধাও হয়ে। ভ্যানিশ হয়ে গেলও বলতে পারো। গোটা গ্রাম তন্নতন্ন করে খুঁজেও তাকে পাওয়া গেল না। সবার মাথায় হাত। কোথায় গেল, বাঘ তো পাখি নয় যে উড়ে যাবে!’

    সায়নের ছোটোমামাকে আমরাও ছোটোমামা ডাকি। মাঝে মধ্যে রবিবার করে উনি সায়নদের বাড়ি আসেন। খবর পেয়ে আমরাও চলে যাই। এখন গল্প বলার লোক একদম কমে গিয়েছে। এই মানুষটা দারুণ গল্প বলতে পারেন।

    অঙ্কুর সোফায় হেলান দিয়ে বসেছিল। সোজা হয়ে বসল। চোখ বড়ো-বড়ো করে বলল, ‘নিশ্চয়ই পালিয়ে গিয়েছে?’

    ছোটোমামা মাথা নেড়ে বললেন, ‘পালানো কঠিন। ধানখেতের খানিকটা জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। অন্যদিকে রাস্তা। সেদিকে ফরেস্ট গার্ডরা বন্দুকে ঘুমপাড়ানি গুলি পুরে বসে আছে।’

    কিংশুক বলল, ‘ছোটোমামা, বাঘটা ভূত-টুত নয় তো?’

    সায়ন ধমক দিয়ে বলল, ‘তুই চুপ কর তো। বাঘ কখনো ভূত হয়?’

    আমি মোড়ার উপর বসে মুড়ি খাচ্ছিলাম। আমরা পকোড়া খেতে চেয়েছিলাম। ছোটোমামা বলেছেন, ‘ওসব পকোড়া, স্যাণ্ডউইচ, পিৎজা আমার চলবে না বাপু। মুড়ি, আলুর চপ চাই। নইলে মাথায় গল্প আসবে না।’

    ‘আমরা গল্প শুনতে চাই,’ সবাই মুড়ি, আলুর চপের জন্য হাত তুললাম। সায়নের মা তেল-আচার দিয়ে মুড়ি মেখে দিয়েছেন। আমরা সায়নদের ড্রয়িংরুমে বসে মুড়ি, আলুর চপ আর বেগুনি খাচ্ছি। বললাম, ‘ঝোপ-জঙ্গল সব দেখা হয়েছিল তো?’

    সায়ন দাঁত খিঁচিয়ে বলল, ‘না, হয়নি। তোর জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছিল। তুই গেলে তারপর কাজ শুরু হবে।’

    ছোটোমামা বললেন, ‘আহা, রাগারাগি কেন? কিশোরীমোহনপুর গ্রামের সকলেরই তো চিন্তায় চুল খাড়া হয়ে গিয়েছে। দিন-দুপুরে একটা বাঘ গ্রামের মধ্যে ঢুকে গেলটা কোথায়?’

    রবিবারের সকাল। ছোটোমামা এসেছেন খবর পেয়ে আমি, অরণি, কিংশুক, অঙ্কুর, নন্দন চলে এসেছি সায়নদের বাড়ি। অরণি বলল, ‘এবার পুজোয় আমরা বাঘ দেখতে যাচ্ছি।’

    নন্দন মজা করে বলল, ‘বাঘ দেখতে? চিড়িয়াখানায় যাবি নাকি?’

    কিংশুক বলল, ‘চিড়িয়াখানায় যাওয়ার কী দরকার? আমি তোকে বাঘের ক-টা ভালো ফোটো মেল করে দিচ্ছি, বাড়িতে সেগুলোই দেখে নিস।’

    অরণি মুচকি হেসে বলল, ‘আমি কিছুই মনে করব না। কারণ, আমি যাচ্ছি মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড় টাইগার স্যাংচুয়ারি দেখতে। আশা করি, তোরা নাম শুনেছিস। যদি না শোনা থাকে, তাহলে আমার কাছ থেকে জেনে নে। বান্ধবগড় হল বাঘেদের রিজার্ভ ফরেস্ট। খুব বিখ্যাত। গোটা পৃথিবী থেকে টুরিস্টরা এখানে বাঘ দেখতে আসেন। জঙ্গলের ভিতর দারুণ-দারুণ সব বাংলো। রাতে বাঘের ডাকাডাকিতে ঘুম ভেঙে যায়। জানলার পরদা সরিয়ে দেখতে পাবি, গেটের বাইরে বাঘ ঘুরঘুর করছে। আবার দিনে বা রাতে জিপ নিয়ে জঙ্গলে ঘুরে-ঘুরেও বাঘ দেখা যায়।’

    অরণির কথা শুনে আমাদেরই চোখ চকচক করে উঠল। কিংশুক বলল, ‘ইস! সামনা-সামনি বাঘ দেখার মতো উত্তেজনা আর কীসে আছে?’

    ছোটোমামা এতক্ষণ চুপ করে আমাদের কথা শুনছিলেন। এবার বললেন, ‘বেড়াতে যাচ্ছ যাও, কিন্তু ও বাঘ দেখার মধ্যে আর উত্তেজনা কোথায়? ও তো প্রায় চিড়িয়াখানার মতোই হল। সুন্দরবনের বাঘের মুখোমুখি যদি পড়তে, একটা ব্যাপার ছিল। বাঘ দেখা কাকে বলে বুঝতে!’

    আমরা গল্পের গন্ধে নড়ে বসলাম। বললাম, ‘বাঘ দেখেছেন ছোটোমামা?’

    ছোটোমামা মুচকি হেসে বললেন, ‘দেখেছি, তবে জিপ গাড়ির মাথায় চড়ে নয়। একেবারে তিন হাতের মধ্যে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। ফটফটে দিনের আলোয়, তখন ক-টা বাজে? এই ধরো, সকাল ন-টা-সাড়ে ন-টা। কলকাতায় অফিস-টাইম যাকে বলে।’

    সায়ন বলল, ‘গল্পটা বলতে হবে।’

    আমরাও একসঙ্গে বলে উঠলাম, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, বলতেই হবে।’

    ছোটোমামা বললেন, ‘গল্প নয়, সত্যি ঘটনা।’

    কিংশুক বলল, ‘তা-ই বলুন।’

    ছোটোমামা বলতে শুরু করলেন, ‘তিন বছর আগের ঘটনা। আমি তখন কলকাতা থেকে বদলি হয়ে ক্যানিংয়ের কাছে একটা অফিসে বসি। অফিসের জানলা দিয়ে মাতলা নদী দেখা যায়। আমার খুব ইচ্ছে, একবার সুন্দরবন দেখে আসব। এখানে এসে সুন্দরবন দেখতে না যাওয়ার কোনো মানেই হয় না। এই সুযোগ দুম করে এসেও গেল। আমাদের অফিসে পিয়োনের কাজ করে সহদেব, ভারি ভালো ছেলে। সে একদিন ঘরে এসে বলল, ‘‘স্যার, আমার গ্রামের বাড়িতে দুটো ডাল-ভাত খেতে হবে’’।’

    আমি বললাম, ‘তোমার গ্রাম কোথায়?’ সহদেব বলল, ‘একেবারে সুন্দরবনের গায়ে, কিশোরীমোহনপুর।’

    আমি বললাম, ‘বা:, ভারি সুন্দর নাম তো!’ সহদেব বলল, ‘আমাদের গ্রামটাও সুন্দর স্যার। কাছেই নদী। নদীর নাম ঠাকুরান। নদী পেরোলেই জঙ্গল। আজমলমারি জঙ্গল। দুটো দিন যদি থাকেন, তাহলে নদী পেরিয়ে জঙ্গলের দিকটা ঘুরিয়ে আনব। ভাগ্য যদি ভালো হয়, বাঘ দেখা হয়ে যেতে পারে।’

    ‘তোমরা তো জানো, গ্রামের মানুষ কত আন্তরিক হয়! তাদের নেমন্তন্ন ফেরানো খুব মুশকিল। তা ছাড়া সুন্দরবন আর বাঘ দেখার সুযোগ কে ছাড়ে! এক শনিবার বিকেলে কিশোরীমোহনপুরে গিয়ে হাজির হলাম। সত্যি চমৎকার গ্রাম। সহদেবের বাড়িটাও চমৎকার। খিড়কির দরজা খুললেই একটা মন ভালো করে দেওয়া পুকুর। টলটলে জল। লাল সিমেন্টে বাঁধানো ঘাট। পুকুর শেষ হলে যত দূর চোখ যায়, ধানখেত চলেছে।’ সহদেব বলল, ‘ধানখেত শেষ হলেই ঠাকুরান নদী। নদীপথে কিছুটা গেলে জঙ্গল।’

    ‘জার্নিতে খুব ক্লান্ত ছিলাম। খাওয়ার পর ঠিক হল, পরদিন দুপুরে সুন্দরবন যাত্রা। সহদেব লঞ্চের ব্যবস্থা করবে। দুপুরে খাওয়ার পর রওনা হব। রাত কাটাব নদীতে। পরদিনও নদী, খাঁড়ি ধরে যতটা পারি ঘুরে ফিরে আসব সন্ধ্যের আগে।’

    ছোটোমামা চুপ করলেন। আমি আর ধৈর্য রাখতে পারলাম না। বললাম, ‘সত্যিকারের বাঘের দেখা কি পেলেন?’

    ছোটোমামা হেসে বললেন, ‘পেলাম, তবে জঙ্গলে নয়। একেবারে গ্রামের ভিতরে।’ একটু থেমে ছোটোমামা শুরু করলেন, ‘পরদিন সকালে লুচি, আলুর দম দিয়ে জলখাবার খাওয়ার পর সহদেব বলল, ‘‘স্যার, আপনি গ্রামটা একটু ঘুরে দেখুন, আমি ততক্ষণে লঞ্চের ব্যবস্থা করে ফেলি। বারোটা নাগাদ রওনা দেব’’।’

    ‘আমি বেরিয়ে পড়লাম। আগেই তো বলেছি, গ্রামটা সুন্দর। আমি গোটা গ্রামটাই প্রায় চষে ফেললাম। তারপর ফেরার জন্য ধানখেতের পাশ দিয়ে চলে-যাওয়া মেঠো পথ ধরলাম। ধানখেত ধরে গেলে একেবারে শেষ প্রান্তে সহদেবের বাড়ি।’ ছোটোমামা দম নেওয়ার জন্য চুপ করলেন।

    সায়ন বলল, ‘তারপর কী হল?’

    ছোটোমামা এবার নীচু গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘তখনই পাশের ধানখেতের খানিকটা জায়গা নড়ে উঠল যেন! কীসে নড়ল, হাওয়ায়? নিশ্চয়ই তাই হবে। তারপর খানিকটা খসখসে আওয়াজ। আওয়াজটা ঠিক ধান গাছের হাওয়ায় দোলার মতো নয়। মনে হল, কে যেন নড়ছে। মুহূর্তের জন্য বিটকেল একটা গন্ধ পেলাম। গন্ধটা কেমন চেনা চেনা। আগেও কোথাও যেন পেয়েছি। নিমেষে মনে পড়ল, চিড়িয়াখানায়। সঙ্গেসঙ্গে বাঘটাকে দেখতে পেলাম। বাঘ নয়, বাঘের মুখ। সেই মুখ ধান গাছের মাঝখান থেকে বেরিয়ে আছে। তাকিয়ে আছে আমার চোখের দিকে। রয়েল বেঙ্গল টাইগার! কী মারাত্মক! বুঝতে পারলাম, শরীরের সব রক্ত যেন আতঙ্কে জমে যাচ্ছে। মুখ ফিরিয়ে নিতে পারছি না। মাত্র তিন হাত দূরে থাকা রয়েল বেঙ্গল আমাকে সম্মোহন করে ফেলেছে। মনে হল, হঠাৎ মানুষ দেখে বাঘটাও যেন ঘাবড়েছে। ঘোর কাটতেই বিপদ বুঝতে পারলাম। আমি পালাতে পারলাম না। ভাবতে না ভাবতেই চাপা গরগর আওয়াজ তুলে সুন্দরবনের মহারাজ মুখ ফিরিয়ে নিলেন, মিলিয়ে গেলেন ধানখেতে। এরপর আমি যে কীভাবে সহদেবের বাড়ি পৌঁছেছিলাম, সে শুধু আমিই জানি।’

    ছোটোমামা থামলেন। আমরাও যেন আর কথা বলতে পারছি না। ফের গল্প শুরু হল।

    ‘বাড়ি গিয়ে ঘটনাটা বলতেই সহদেব ছিটকে বেরিয়ে পড়ল। সুন্দরবনের গ্রামে বাঘ ঢুকে পড়া নতুন কিছু নয়। এতে ভয়ংকর কান্ড হয়। গোরু, ছাগল তো মরেই, এমনকী মানুষও টেনে নিয়ে যায় জঙ্গলে।

    আধঘণ্টারও কম সময়ে গোটা গ্রাম জেনে গেল। লাঠিসোঁটা, বল্লম, যে যা পারল হাতে নিয়ে ছুটে গেল ধানখেতের দিকে। আমার তখন ভয় করতে শুরু করেছে। ভুল দেখিনি তো? তাহলে খুব বিচ্ছিরি ব্যাপার হবে! না, ভুল দেখিনি। ধানখেতে বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া গেল। ধানখেত পার হয়ে আলপথ ডিঙিয়ে সেই পায়ের ছাপ উধাও। বলতে পারো ভ্যানিশ আর তারপর শুরু রহস্য।’

    চা শেষ করে কাপ নামিয়ে রাখলেন ছোটোমামা। বললেন, ‘গ্রামের মধ্যে বাঘ ঢুকে লুকিয়ে পড়া যে কী ভয়ংকর ব্যাপার, তা কেবল সুন্দরবনের মানুষই জানেন। গ্রামের মানুষ ধানখেত ঘিরে ফেলল। খবর দেওয়া হল গোসাবার ফরেস্ট অফিসে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বিরাট দলবল নিয়ে রেঞ্জার বিমল পান্ডে চলে এলেন। সেই দলে দেখি বন্দুকও আছে, আবার ঢাক, ঢোল, পটকা, কাঁসরঘণ্টা, জালও আছে। সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের অফিসার নিলয় গুহও বন্দুক নিয়ে এসে হাজির হলেন কিছুক্ষণের মধ্যে। তিনি ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে বাঘ, ভল্লুক ঘুম পাড়াতে ওস্তাদ। অনেকে তাঁকে ঘুমপাড়ানি অফিসার নামে ডাকে। নিলয়বাবু আমাকে ধানখেতের পাশে নিয়ে গেলেন। আমি দেখিয়ে দিলাম ঠিক কোন জায়গায় বাঘটাকে আমি দেখেছি।’ নিলয়বাবু বললেন, ‘বাঘটা নিশ্চয়ই আজমলমারির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ঠাকুরান নদী পার হয়ে এসেছে।’

    ‘ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোকজন জাল দিয়ে ধানখেতের খানিকটা ঘিরে ফেলল। একদিকে গাছের উপর বন্দুক নিয়ে বসলেন অফিসার আর রেঞ্জারবাবু। তারপর তেড়ে ঢাক-ঢোল, টিনের ক্যানেস্তারা পেটানো শুরু হল। বাপরে! কান ফেটে যাওয়ার জোগাড়। সেই সঙ্গে ফাটানো হচ্ছে পটকা। ধানখেত ঘিরে ফেলা জালটিকে ধীরে-ধীরে চারপাশ থেকে ছোটো করে আনা হচ্ছে। পরিকল্পনা হল, বাঘ খোলা দিক দিয়ে পালাবে। বেরিয়ে আসবে ধানখেত থেকে। আর তখনই গুলি ছোড়া হবে। কোথায় কী? জাল গুটিয়ে গেল, বাঘ ধানখেত থেকে বেরোলো না। ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা ঘোষণা করলেন, ‘‘বাঘবাবাজি ধানখেতে লুকিয়ে নেই। তিনি অন্য কোথাও গা ঢাকা দিয়েছেন’’।’

    অরণি বলল, ‘কোথায় গা ঢাকা দিল?’

    নন্দন বলল, ‘অত বড়ো একটা চেহারা নিয়ে গা ঢাকা দেওয়া যায় নাকি?’

    কিংশুক ঢোক গিলে বলল, ‘অসম্ভব।’

    ছোটোমামা বললেন, ‘কিছুই অসম্ভব নয়। রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রাণীটি অত্যধিক বুদ্ধিমান শুনেছিলাম। কিন্তু তার বুদ্ধির পরিমাণ যে এতখানি, তা জানতাম না। সেই খবর ছড়িয়ে পড়ল যে, বাঘ ধানখেতে নেই, গ্রামের মানুষের আতঙ্ক আরও দশ গুণ বেড়ে গেল। নিলয়বাবু এবার বললেন, ‘‘গ্রামের ভিতরে ঢুকে তল্লাশি করতে হবে’’।’

    ‘তাই শুরু হল। সে এক আশ্চর্য দৃশ্য। সবার আগে বন্দুক হাতে নিলয়বাবু আর পান্ডে। পিছনে লাঠিসোঁটা, বল্লম নিয়ে একদল, তার পিছনে কয়েক-শো গ্রামের মানুষ। বাঘের টিকিও দেখা গেল না। এমনকী বাঘটা তার পায়ের ছাপটুকুও কোথাও রাখেনি। এদিকে বেলা পড়তে শুরু করেছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হব-হব করছে। রেঞ্জারবাবু বললেন, ‘‘যে করেই হোক অন্ধকার নামার আগে খোঁজ চাই। যদি বাঘ গ্রাম ছেড়ে গিয়ে থাকে, তাহলে সেই প্রমাণটাও দরকার। নইলে ধরে নিতে হবে গ্রামেই গা ঢাকা দিয়ে আছে। রাতে গোরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি যা পাবে নিয়ে যাবে। মানুষ পেলেও ছাড়বে না’’।’

    ছোটোমামার কথার মাঝে অরণি কাঁপা গলায় বলল, ‘বাঘ গ্রামে রয়ে গেল?’

    ছোটোমামা হেসে বললেন, ‘সেটাই তো এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। বাঘ কী রয়ে গেল? নাকি সবার অলক্ষ্যে অন্য কোনো পথে ফিরে গিয়েছে ঘন জঙ্গলে? নাকি এমন কোথাও ঘাপটি মেরে বসে আছে, যা কেউ কল্পনাও করতে পারে না। নিলয়বাবু বললেন, ‘‘ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। গ্রামের সবাইকে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যেতে হবে। রাতে ঘর ছেড়ে কিছুতেই বেরোনো চলবে না। যদি খুব দরকার হয়, তবে দল বেঁধে বেরোতে হবে। সঙ্গে যেন মশাল বা জোরালো আলো থাকে’’।’

    ‘ঠিক হল, বাঘের জন্য ফাঁদ পাতা হবে। দুটো ছাগল বেঁধে রাখা হবে গ্রামের দু-দিকে। একদিকে ঘুমপাড়ানি গুলির বন্দুক নিয়ে পাহারায় বসবেন রেঞ্জার বিমল পান্ডে, অন্যদিকে নিলয় গুহ। বাঘ যদি সত্যি গ্রামে থেকে যায়, তাহলে টোপ গিলতে আসবেই। তখনই গুলি করে…।’ আমি বললাম, ‘আর যদি না আসে?’ নিলয়বাবু হেসে বললেন, ‘আসবেই। আপনার বন্ধু সারাদিন কিছু খেয়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। নিশ্চয়ই তার খিদে পেয়েছে। আপনাকে দেখা দিয়ে যে বেমালুম উবে গেল, তাকে আপনার বন্ধু বলব না? মশাই, ‘‘টাইগার লাক’’ বলে একটা ব্যাপার আছে। বাঘ দেখার ভাগ্য। আপনি লঞ্চে চেপে বনে বাঘ দেখতে যাবেন ভেবেছিলেন, আর উনি নিজে এসে দেখা দিয়ে গেলেন।’

    আমি বললাম, ‘আপনাদের সঙ্গে রাত জাগতে পারি?’ পাশেই বিমল পান্ডে ছিলেন। বললেন, ‘ইমপসিবল। একটা কিছু হয়ে গেলে আমাদের কৈফিয়ত দিতে হবে। আমরা কাউকেই অ্যালাউ করব না।’

    ‘আমি জেদ ধরলাম। আমাকে সঙ্গে নিতেই হবে। যেহেতু বাঘটাকে কেবল আমিই দেখেছি, আমার থাকার অধিকার আছে।’ নিলয়বাবু খানিকটা ভেবেচিন্তে বললেন, ‘তৈরি হয়ে আসুন। গাছে মাচা বেঁধে থাকতে হবে কিন্তু!’

    ‘আমি উত্তেজনায় ফুটছি। নিজেকে জিম করবেটের মতো মনে হচ্ছে। দেরি না করে ছুটলাম সহদেবের বাড়ি। অল্প কিছু খাব। সহদেবের পুকুরে দুটো ডুব দিয়ে নেব। সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে হবে। রাত জাগতে হবে না?’

    ছোটোমামা থামলেন। আমরাও চুপ করে রইলাম, কথা বলতে পারছি না। মনে হচ্ছে, নিজেরাই সেই কিশোরীমোহনপুর গ্রামে রয়েছি। উধাও হয়ে যাওয়া বাঘকে খুঁজছি।

    সায়ন বলল, ‘তুমি সারারাত জেগে বসে রইলে?’

    ছোটোমামা বললেন, ‘দরকার হল না।’

    ছোটোমামা আড়মোড়া ভেঙে বললেন, ‘বাড়ি ফিরে সহদেবের কাছে একটা গামছা চাইলাম। বললাম, ‘‘ঝট করে অল্প কিছু খেতে দাও, আমি পুকুরে একটা ডুব দিয়ে আসি। যার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল, তার শেষ পর্যন্ত কী হল, জানতে হবে না?’’ আমি খিড়কির দরজা খুলে পুকুরের দিকে চলে গেলাম। চাঁদের আলো এসে পড়েছে বাঁধানো ঘাটে। নেমে গেলাম সিঁড়ি বেয়ে, তখনই গরগর আওয়াজ।’

    ছোটোমামা চুপ করে আমাদের সকলের দিকে তাকালেন। আমাদের চোখের পাতা কী পড়ছে? মনে হয় না।

    ছোটোমামা ফিসফিস করে বললেন, ‘পুকুরঘাটের আড়ালে সে বসেছিল চুপটি করে, গা ঢাকা দিয়ে। সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। যেন অপেক্ষা করেছিল আমারই জন্য। আমাকে দেখে উঠে দাঁড়াল। তারপর জলে লাফ দিল। আলতো আওয়াজ করে অত বড়ো শরীরটা নিয়ে নি:শব্দে সাঁতরে পার হয়ে গেল চোখের নিমেষে। জল থেকে উঠে মিশে গেল ওপারের অন্ধকারে, ধানখেতের মধ্যে। বুঝতে পারলাম, বাতাস উলটো দিকে বইছে বলে বাঘের গায়ের গন্ধও কেউ পায়নি। অথবা বুদ্ধিমান মহারাজ বাতাসের উলটো দিকেই এসে লুকিয়ে ছিল এতক্ষণ। সকালেই সহদেব আমাকে বলেছে, তার বাড়ির পিছনে ধানখেত পেরোলে জঙ্গলে যাওয়ার নদী। গভীর রাতে বাঘ নিশ্চয়ই লম্বা সাঁতার দিয়ে নিজের আস্তানায় পৌঁছে যাবে। আমি পুকুরে ক-টা ডুব দিয়ে ঘরে ফিরে গেলাম।’

    সায়নদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাঁটতে লাগলাম। সেই না-দেখা বাঘটার জন্য আমাদের মন কেমন করছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }