Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিনি যখন বাইরে – সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

    তিনি যখন বাইরে – সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

    শীতকালে এ গ্রামের সন্ধ্যে। রাতের তফাত করা যায় না। খানিক আগেই হলুদ আলোর বিকেল ছিল। এখন ঘুরঘুট্টে অন্ধকার। আজও বিদ্যুৎ পৌঁছোয়নি এখানে। অনেকক্ষণ হল হরিডাক্তারের চালাঘরের চেম্বারে পেশেন্ট নেই। ডাক্তারবাবু ভাবছেন, এবার তাহলে ঝাঁপ ফেললেই হয়। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে গল্পগাছা করবেন, রেডিয়ো শুনতে-শুনতে চা-টা খাওয়া হবে।

    ডাক্তারবাবু না থাকলে স্ত্রী বাড়িতে একা। সরকারি হাসপাতাল থেকে রিটায়ার করার পর হরিডাক্তার চলে এসেছেন গন্ডগ্রাম এই বাদাখালিতে। বড়ো শান্ত, নিস্তরঙ্গ এখানকার জীবনযাত্রা। প্রায় পনেরো বছর থাকা হয়ে গেল এই গ্রামে। মানুষের সেবার কথা ভেবেই আসা। ছেলেমেয়েরা সব কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত।

    বাদাখালির সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বিকেল চারটের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তারপর হরিডাক্তারই ভরসা। লোকাল রুগি তো আছেই। বাদাখালি ঘিরে সুন্দরবনের অসংখ্য দ্বীপ। ভুটভুটি নৌকোয় নদী পেরিয়ে হামেশাই সিরিয়াস পেশেন্ট নিয়ে আসে গ্রামের লোক। ম্যালেরিয়া, ভেদবমি, সাপে-কাটা, বাঘে থাবা-মারা, আরও কত কী! সবে সাতটা বাজে। এখনই কী চেম্বার ছেড়ে যাওয়া উচিত হবে? ভাবতে ভাবতে লণ্ঠনের আলোয় মেডিসিনের বই পড়ছিলেন ডাক্তারবাবু। এমন সময় দরজার কাছে এসে দাঁড়াল দুটি ছায়ামূর্তি। লণ্ঠনের স্তিমিত আলোতেই ডাক্তারবাবু আন্দাজ করতে পারলেন, এরা এলাকার লোক নয়, দূরের কোনো দ্বীপ থেকে এসেছে। একেবারে হতদরিদ্র গেঁয়ো চেহারা। ডাক্তারবাবু ডাকলেন, ‘এসো, ভিতরে এসো। কী হয়েছে?’

    একজনের বয়স পঁয়তাল্লিশের কম বেশি। অন্যজন কুড়ি-বাইশ হবে। বাবা আর ছেলে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। চেহারায় বেজায় মিল। ছেলেটি কেমন যেন ভ্যাবলা মেরে আছে। বাবা তার কনুই ধরে এনে বসালো চেয়ারে। নিজে বসল পাশেরটায়। টেবিলের ওপারে হরিডাক্তার এখন তাদের মুখোমুখি। ছেলেটিকে দেখিয়ে লোকটি বলল, ‘এর জন্যই আসা। আমার ছেলে, একটিই সন্তান। পাঁচদিন হয়ে গেল মুখে কোনো কথা নেই। ড্যাবডেবিয়ে চেয়ে আছে। খাইয়ে দিলে অল্প একটু খাচ্ছে। একফোঁটা ঘুমোচ্ছে না।’

    কপালে ভাঁজ পড়ল হরিডাক্তারের। তাঁর সুদীর্ঘ ডাক্তারি জীবনে এ ধরনের রুগি প্রথম দেখছেন। ছেলেটি শুধু বড়ো বড়ো চোখ করে চেয়ে আছে, তা নয়। চোখের পাতা পড়ছে অনেক দেরি করে। কোনো নির্দিষ্ট কিছু দেখছে না সে। শূন্যে ভাসছে দৃষ্টি। মুখটা আবার একটু হাঁ করে রেখেছে।

    ‘বিশেষ কোনো ঘটনার পর কী এরকম হয়ে গেল?’ জানতে চাইলেন হরিডাক্তার। আসলে বুঝতে চাইছেন ছেলেটা কোনো শক পেয়েছে কি না? গভীর দুঃখ বা ভয়ের কিছু দেখেছে কি না?

    লোকটি বলে, ‘না, ডাক্তারবাবু, এমনি হঠাৎ। উঠোনে বসে দা দিয়ে কাঠ সাইজ করছিল, ওর মা খেতে ডেকেছে, ছেলে এই চেহারায় উপস্থিত।’

    ‘তখন তুমি কোথায় ছিলে?’

    ‘আমি নদীর ধারে নৌকো থেকে জল ছেঁচছিলাম। বউ দৌড়ে এসে জানালো ছেলের অবস্থা। আমার প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। বাড়ি এসে দেখি, আজব ব্যাপার! বউ ঠিক কথাই বলেছে।’

    লোকটা থামতে হরিডাক্তার জানতে চাইলেন, ‘তারপর কী করলে?’

    ‘কী আর করব! গ্রামের মুরুব্বিদের ডাকলাম। কেউ বলল, ভূতে ধরেছে। অনেকে বলছে, বাণ মেরেছে আমার কোনো শত্রু। ছেলেটাকে হাবা বানিয়ে দিয়েছে। অনেক ওঝা-বদ্যি করলাম। জলপড়া খাওয়ানো, ঠাকুরথানে নিয়ে যাওয়া, সবই হল। কোনো উন্নতি নেই।’

    হরিডাক্তার খাঁটি বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ। ভূত, ওঝা এসবে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই। হাবা হয়ে যাওয়া ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করলেন রোগের প্রকৃত কারণ। ছেলেটার চোখে-মুখে এখনও পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন হয়নি। অভিব্যক্তি একই রয়ে গিয়েছে। বাকি দু-জনের আলাপ-আলোচনা মাথায় ঢুকছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে ওর বাবা বলছে, মা খেতে ডাকছে শুনে ছেলেটি কাজ ছেড়ে উঠে গিয়েছিল। কান তার মানে ঠিক আছে। হঠাৎ একটা সম্ভাবনার কথা মনে এল হরিডাক্তারের। লোকটির কাছে জানতে চান, ‘তোমার ছেলে বাঘটাঘ দেখেনি তো? তারপর থেকে হয়তো ভয় খেয়ে আছে।’

    ‘না-না, বাঘ দেখবে কী করে! আমাদের ন্যাজাট গ্রামে বড়োমামা কোথা থেকে আসবে? কত লোকের বসবাস!’

    সুন্দরবনের লোক বাঘকে ‘বড়োমামা’ ডাকে, কেউ বা বলে ‘বড়ে মিঁঞা’। হরিডাক্তার বললেন, ‘অশক্ত, বুড়োবাঘ তো মাঝে মধ্যে চলে আসে গ্রামে। দৌড়ে গিয়ে শিকার ধরার ক্ষমতা যে বাঘের নেই, মানুষ হচ্ছে তাদের কাছে সহজ শিকার।’

    একটু ভেবে নিয়ে লোকটি বলে, ‘তা অবিশ্যি ঠিক। তবে বড়োমামা শুধু আমার ছেলেকে ভয় দেখিয়ে পালাবে? গ্রামের আর কোনো ক্ষতি করবে না? গ্রামে বাঘ পড়া মানে তো হুলস্থূল কান্ড!’

    পয়েন্টটা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। হরিডাক্তার ছেলেটিকে বললেন, ‘হাতটা একটু দেখি।’

    ছেলেটির মুখে কোনো ভাবান্তর হল না। হাতটা কিন্তু বাড়িয়ে দিল। পালস ধরলেন ডাক্তারবাবু। সামান্য দ্রুত চলছে। ছেলেটির চোখের পাতা টেনে দেখলেন। জিভ ঢুকিয়ে নেওয়ার পর আগের মতোই সামান্য হাঁ হয়ে রইল মুখ। ডাক্তারবাবু চোয়াল ধরে নাড়ালেন, হয়তো কিছু আটকে আছে। আলতোর ভান করে বেশ জোরেই চাঁটি মারলেন গালে। ছেলেটির বাবা বোধহয় বুঝে ফেলল। বলল, ‘আমরাও অনেক মারধর করেছি ডাক্তারবাবু। কোনো ফল হয়নি।’

    হরিডাক্তার বিব্রত বোধ করলেন। ফিরে এলেন নিজের চেয়ারে। একটা প্যাড টেনে কিছু লিখতে লিখতে বললেন, ‘মনে হচ্ছে, মেন্টাল প্রবলেম। মনের রোগের চিকিৎসা আমার সাধ্যের মধ্যে নয়। কলকাতায় ভবানীপুরে আমার ভাইপোর চেম্বার। ও মনের ডাক্তার। আমি চিঠি লিখে দিচ্ছি। ছেলেকে নিয়ে গিয়ে দেখাও। ছেলের আর তোমার নাম বলো।’

    ‘আমি মাধব বেরা। ছেলে লাল্টু’, বলার পরে লোকটি হাতজোড় করে কাঁচুমাচু হয়ে বলে, ‘কলকাতার ডাক্তার মানে তো মেলা টাকার ব্যাপার। আমি দিন আনি দিন খাই। জোয়ান ছেলেটা তবু কাজে হাত লাগাত, সে এখন হাবা হয়ে বসে রইল। ওর মা কেঁদেকেটে একশা করছে। যা করার হয়, আপনিই করুন। আপনি আমাদের ভগবান।’

    চিঠির শেষটুকু লিখে হরিডাক্তার বললেন, ‘সায়ন, মানে আমার ভাইপো টাকা নেবে না। চিঠিতে লিখে দিয়েছি আমি। শুধু একটু সকাল-সকাল যেয়ো। ওর বিরাট পসার।’

    আশ্বাসে কোনো লাভ হল না। মাধব বেরা বলল, ‘দু-জনের কলকাতা যাওয়ার টাকা কোথায় পাব, বলুন। আমাদের অবস্থা আপনার চেয়ে আর কে ভালো জানে!’

    এ ক্ষেত্রে হরিডাক্তার যা করে থাকেন, তাই করলেন। পকেট থেকে এক-শো টাকার নোট বের করে চিঠিসমেত বাড়িয়ে ধরলেন মাধব বেরার দিকে। বললেন, ‘সায়নকে দেখিয়ে আমাকে একবার রিপোর্ট কোরো।’

    করুণ মুখ করে ঘাড় হেলিয়ে মাধব বেরা জিনিস দুটো জামার পকেটে ঢোকাল। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে মাথা নীচু করে নমস্কার করল ডাক্তারবাবুকে। ছেলেটিও করল। মুখের ভাব সেই একইরকম।

    ওদের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে হরিডাক্তার ভাবেন, ‘আশ্চর্য রোগ! এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা তাঁকে জানতেই হবে। আলোচনা করতে হবে ভাইপো সায়নের সঙ্গে। আচমকা একটা কথা মাথায় এল, ছেলেটা অভিনয় করছে না তো? হয়তো সাংঘাতিক কোনো অপরাধ করেছে কিংবা দেখেছে ঘটতে। তারপরই বোবা সেজে বসে গিয়েছে, যাতে কেউ ওর মুখ থেকে কথা বের করতে না পারে।’

    অভিনয়টা করেছে মাধব বেরা। ডাক্তারবাবু চেম্বার থেকে বেরিয়ে পা চালিয়েছে ঘাটের দিকে। হাবা হয়ে যাওয়া ছেলেকে বলেছে, ‘তাড়াতাড়ি পা চালা লাল্টু। নিরাপদ না আবার নৌকো ছেড়ে দেয়। অনেক কষ্টে রাজি করিয়ে এনেছি।’

    কাছাকাছি অমাবস্যা। আকাশে ফালি চাঁদ। চারপাশ নিকষ কালো। মাধব বেরার হাতে চার ব্যাটারির জ্বলন্ত টর্চ। মাটির রাস্তা ধরে নদীর দিকে যেতে যেতে নিজের ভাগ্যদেবতাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে মাধব। হরিডাক্তার তো যে-সে ডাক্তার নন, রোগটা প্রায় ধরেই ফেলেছিলেন। অথচ গ্রামের ছ-জন ছাড়া সকলের চোখেই ধুলো দিয়ে রেখেছে মাধব। আসল ঘটনা লোক জানাজানি হলে মাধবদের কপালে জেল একেবারে বাঁধা। পাঁচ দিন আগে অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছে মাধবরা। নদীতে মাছ ধরা মাধবদের পেশা। শীতকালে মাছেদের আনাগোনা কম। জালে মাছ প্রায় ওঠেই না। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা খুব খারাপ যাচ্ছিল মাধবদের। বাড়িতে হাঁড়ি না চড়ার হাল। মাধবরা পাঁচ বন্ধু মিলে ঠিক করে জঙ্গলে কাঠ কাটতে যাবে আর মধু আনতে। অবশ্যই আইনের চোখে ধুলো দিয়ে। সুন্দরবনের কিছু দ্বীপ সরকার বাঘেদের জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। সেখানে মানুষের যাওয়া মানা। কিছু দ্বীপে মানুষ যেতে পারে মধু সংগ্রহ করতে, তবে কাঠ কখনোই কাটা চলবে না। সেই সব জঙ্গলে বাঘ নেই। যেতে হয় সরকারের ঘরে টাকা দিয়ে পারমিট করিয়ে। সে দ্বীপে বাঘ তেমন নেই, মধুও তেমন পাওয়া যায় না। টাকা ওঠে না পারমিটের। মাধবদের দল ঠিক করে, লুকিয়ে বাঘেদের জন্য সংরক্ষিত দ্বীপে গিয়ে কাঠ, মধু চুরি করে আনবে। কিছুদিন হল মাধবদের দলে তার ছেলে লাল্টুও যোগ দিয়েছে। বাবা, কাকাদের সঙ্গে মাছ ধরে। মাধব ঠিক করে, ছেলেকে জঙ্গলে নিয়ে যাবে না। সেখানে পদে-পদে বিপদ। বাঘ, সাপ, অন্যান্য জীবজন্তু, তা ছাড়া জলপুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয় তো আছেই। মাধবরা অভাবে পড়ে বেশ কয়েকবার গিয়েছে কাঠ, মধু চুরি করতে। দলের দু-জন খাদ্য হয়েছে বাঘের। বাবার নিষেধ ছেলে শুনল না। যাবেই যাবে জঙ্গলে। বিপদের যে আলাদা একটা আকর্ষণ থাকে। লাল্টু হুমকি দিল, ‘তুমি যদি আমাকে না নিয়ে যাও, মাকে বলে দেব।’

    মাধবদের দলের কেউই নিজের বউকে বলে বাঘের জঙ্গলে যায় না। বললে তারা যেতে দেবে কেন? সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে কে আর নিজের প্রিয়জনকে ছাড়তে চায়! অগত্যা লাল্টুকে সঙ্গে নিতে হল। শুভদিন দেখে সাতজনের দল নৌকো করে জলপুলিশের টহলদারি এড়িয়ে পৌঁছেছিল এগারো নম্বর ব্লকে। তখন দুপুর। ওই দ্বীপে তারা আগেও গিয়েছে, বাঘের কবলে পড়তে হয়নি। বাঘ তো আর জঙ্গলে থিকথিক করে না। থাকে অনেক গভীরে। এমনিতেই পৃথিবীতে বাঘ কমে আসছে।

    শিবাই গুনিন নৌকো থেকে নেমে মন্ত্র পড়ে জঙ্গল বেঁধে দিল। এতে নাকি বাঘের আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। দলের সকলেই জানে, এটা অন্ধ বিশ্বাস। মন্ত্র পড়ার পরও বাঘের পেটে যায় মানুষ। তবু মনে একটা সান্ত্বনা থাকে, সাহস বাড়ে।

    সাতজনের দল থকথকে কাদা মাড়িয়ে ঢুকে গিয়েছিল জঙ্গলে। তাদের হাতে মোটাসোটা লাঠি, মাথার পিছনে মানুষের মুখওলা মুখোশ। বাঘকে ঠকানোর কায়দা আর কী! এতেও কাজ হয় না। সুন্দরবনের বাঘ ভীষণ চালাক, ঘাপটি মেরে অনুসরণ করে মানুষের দলকে। এগিয়ে যাওয়া লক্ষ করে মানুষের সামনে পিছন বুঝে নেয়। দলের একজনকে নিশানা করে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘাড়ে। নিমেষে টেনে নিয়ে জঙ্গলের গভীরে চলে যায়। যে মানুষটাকে বাছে, সে দলের সামনের অথবা পিছনের নাও হতে পারে। মাঝখান থেকে একজনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাই বেশি। বাঘ কী দোষ বা গুণ দেখে মানুষ বাছে, তা মাধবদের জানা নেই।

    দশ মিনিটের ওপর জঙ্গল ধরে এগিয়ে গিয়েছিল দলটা। কোথাও কোনো বিপদের গন্ধ পাওয়া যায়নি। গাছের ডাল থেকে ডালে লাফিয়ে যাচ্ছে বাঁদর। হেঁতালের ঝোপ থেকে উঠে আসছে ছোটো কোনো জন্তুর চলে যাওয়ার সরসর আওয়াজ। ভরদুপুরে বিস্তর মশা। একদম সামনে হাঁটছে বলাইদা। জঙ্গল সে সবচেয়ে ভালো চেনে। তারপরই মাধব, দু-জনের পরে লাল্টু। সবশেষে শিবাই গুনিন। তার চোখ চতুর্দিকে।

    হঠাৎ পাশের ঝোপ থেকে হুড়মুড়ে শব্দ, মুহূর্তের মধ্যে মাধব শুনতে পায় লাল্টুর গলা, ‘ও বাবা গো, মা রে…’

    মাধব ধরেই নিয়েছিল, যা সর্বনাশ হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখেছিল, এক আশ্চর্য কান্ড, শিবাই গুনিন লাঠির ঘায়ে বাঘটাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করেছে। বড়ে মিঁঞার নিশানা ছিল লাল্টুর ওপর। মাটিতে পড়ে বাঘটা দাঁত খিঁচিয়ে ফের লাফ দিয়েছিল শিবাইয়ের দিকে, এতক্ষণে যে যার লাঠি বাগিয়ে ধরে তুমুল চিৎকার করতে-করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঘের ওপর। বেসামাল হয়ে হলুদ ডোরাকাটা বিদ্যুতের মতো জঙ্গলের মধ্যে সেঁধিয়ে গিয়েছিল।

    লাল্টু তখন মাটিতে বসে জ্বোরো রুগির মতো কাঁপছে, চোখ বড়ো-বড়ো, মুখে চাপা গোঁ-গোঁ আওয়াজ। হাঁটার শক্তি ছিল না লাল্টুর। পাঁজাকোলা করে তোলা হয়েছিল নৌকোয়। তারপর দলটা নিজেদের গ্রামে ফেরার নদীপথ ধরে। নৌকোয় আসতে আসতে সকলেই প্রায় ঘটনার আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক হাসিঠাট্টায় মেতে উঠেছিল। একমাত্র লাল্টু ছিল ব্যতিক্রম। চোখ বড়ো-বড়ো করে, গুম মেরে আছে। মাধব ভেবেছিল, প্রথম অভিজ্ঞতা তো, ভয় ভাব থেকে বেরোতে একটু সময় লাগবে। নৌকোয় বসেই সকলে ঠিক করে নিল, আজকের ঘটনার কথা কাউকে জানানো হবে না। গ্রামের কেউ যদি খবরটা পুলিশের কানে তুলে দেয়, শাস্তি অনিবার্য।

    সমস্যা হল লাল্টুকে নিয়ে, হতভম্ব ভাবটা কাটছে না। ছেলেকে ওই অবস্থায় বাড়ি নিয়ে ঢুকতেই, ওর মা প্রথমে একটু থতমত খেয়ে মড়াকান্না জুড়ল, ‘এ তুমি ছেলেকে কী করে নিয়ে এলে! সুস্থ, সবল ছেলের এই হাল কেন হল?’

    মাধব বউকে মিথ্যে করে বলল, ‘পারমিট নিয়ে তিন নম্বর ব্লকে মধু ভাঙতে গিয়েছিলাম। ওই দ্বীপে কোনো বিপদ-আপদ নই। ছেলে দিব্যি এদিক-ওদিক ঘুরছিল, হঠাৎ দেখি এরকম হয়ে গিয়েছে।’

    বউ ধরে নিল লাল্টুকে ভূত বা অপদেবতায় ধরেছে। ডাকা হল ওঝা, শুরু হল ঝাড়ফুঁক। দলের সাতজন আসল ঘটনা জানে। যার মধ্যে লাল্টুও আছে। ওর মুখে কথা ফিরিয়ে আনাটাই মাধবের প্রধান কাজ। কথা ফুটলেও ঘটনাটা লাল্টু কাউকে বলবে না। বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না কথা। নৌকোয় বসে বাবা-কাকাদের আলোচনা থেকে জেনে নিয়েছে, ঘটনাটা চেপে যেতে হবে।

    হরিডাক্তারকে ভরসা করে ঘটনাটা বলতে পারেনি মাধব, যদি কোনোভাবে ফাঁস হয়ে যায়, কলকাতার ডাক্তারকেও বলবে না। সে আবার হরিডাক্তারের ভাইপো। কথাটা গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছোতে সময় লাগবে না। ডাক্তার যখন নামী, সব কিছু না শুনেও সারিয়ে দিতে পারবেন রোগ।

    যাক, এই সুযোগে কলকাতাটা আর-একবার দেখা হয়ে যাবে মাধবের। সেই কোন ছেলেবেলায় গিয়েছিল। লাল্টু তো কলকাতা দেখেইনি। কত দোকানপাট, গাড়িঘোড়া, হইচই!

    ছেলেকে নিয়ে ঘাটের কাছাকাছি চলে এসেছে মাধব, নিরাপদ এখনও আছে। নৌকোর গলুইয়ে জ্বলছে টেমির আলো।

    একসপ্তাহ কেটে গেল। বাদাখালিতে আজ হাটবার। এই দিনটাতেই বাদাখালি একটু মুখর হয়ে ওঠে। অন্য দিনগুলো একেবারে ঠাণ্ডা। মানুষজন কথা বলে আস্তে। বাতাসের শব্দ শোনা যায়। হরিডাক্তার সকালবেলা ঝোলা হাতে হাটে এসেছেন জিনিস কিনতে। এদিক-ওদিক ঘুরতে-ঘুরতে চোখ থামল দু-জনকে দেখে, মাধব বেরা ও তার ছেলে। মাটিতে বসে মাছ বেচছে তারা। ছেলে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। রীতিমতো চেঁচিয়ে, হেঁকে খদ্দের ডাকছে। ডাক্তারবাবু ভাবেন, ব্যাপার কী হল! ছেলেটার রোগ নিয়ে তিনি যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন। অনেক ভেবেছেন, পড়াশোনা করেছেন। মাধব বেরা রিপোর্ট দিচ্ছে না দেখে নিজেই ফোন করেছিলেন ভাইপোকে। সায়ন কাগজপত্র খুঁজে জানাল, গত তিনদিন আগে মাধব বেরার নাম লেখা আছে লিস্টে। নাম লেখানোর পর পেশেন্ট আর আসেনি।

    ব্যাপারটা ভারি আশ্চর্য ঠেকেছিল হরিডাক্তারের কাছে। এখন আরও অবাক লাগছে ছেলেটাকে সুস্থ দেখে। বৃত্তান্তটা কী, জানতে হবে। হরিডাক্তার এগিয়ে যান ওদের দিকে।

    হরিডাক্তারকে দেখে গদগদ হয়ে ওঠে মাধবের মুখ। বলে, ‘মাফ করে দিন ডাক্তারবাবু। আজই আপনার কাছে যেতাম। ক-দিন একদম সময় পাইনি।’

    ভাইপোর সঙ্গে কথা হওয়াটা চেপে গিয়ে হরিডাক্তার জানতে চাইলেন, ‘ছেলে তো ভালো হয়ে গিয়েছে, দেখছি। সায়নের ওষুধেই হল?’

    মাধব কিন্তু কোনো ছলনার আশ্রয় নিল না। উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘কলকাতার ডাক্তারবাবুর কাছে নাম লিখিয়েছিলাম, দেখাতে হয়নি। তার আগেই সেরে গেল ওর অসুখ।’

    ‘কীভাবে?’ বিস্ময়ের গলায় জানতে চান হরিডাক্তার।

    মাধব বলে, ‘আমার নাম লেখা হল আটচল্লিশ নম্বরে। যে দিদিমণি লিখলেন, বললেন, ‘‘ঘণ্টা দুয়েক ঘুরে আসুন। তার আগে ডাক আসবে না।’’ দিদিমণিকেই জিজ্ঞেস করলুম, ‘‘কোথায় যাওয়া যায় বলুন দিকিনি।’’ উনি বললেন, ‘‘কাছেই চিড়িয়াখানা। চলে যান’’।’

    ‘বুদ্ধি মন্দ দেননি। কখনো চিড়িয়াখানায় যাইনি আমি। লাল্টুরও যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাস্তার লোককে জিজ্ঞেস করে পৌঁছে গেলাম। চিড়িয়াখানায় গিয়েই লাল্টু সম্পূর্ণ ভালো হয়ে গেল। তারপর আর ডাক্তারবাবুর কাছে যাইনি।’

    হরিডাক্তার যেন আকাশ থেকে পড়লেন। বললেন, ‘সে কী কথা! এ আবার হয় না কি?’ একটু থেমে কপাল কুঁচকে বললেন, ‘ব্যাপারটা একটু ভেবে বলো দেখি।’

    ‘বলার মতো কিছু নয়। দুজনে মিলে ঘুরছি। যেসব পশুপাখি আমরা গ্রামে খোলা জায়গায় দেখি, খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে এরা। লোকে হামলে পড়ে দেখছে। হাসি পাচ্ছিল খুব।’

    থামল মাধব। হরিডাক্তার চোখ কুঁচকে রেখেছেন। বললেন, ‘বলে যাও।’

    মাধব ফের শুরু করে, ‘ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ দেখে লাল্টু পাশে নেই। ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম, নতুন জায়গা, হাবা ছেলে, লোকের সঙ্গে কথা বলে বাড়ি পৌঁছোতে পারবে না। ছুটোছুটি করে খুঁজতে গিয়ে দেখি, লাল্টু বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে খুব হাত-পা নাড়ছে। আমি তো অবাক! ছেলের আমার এ কী বদল! সাত-আট দিন থম মেরেছিল যে ছেলে, এখন একেবারে চনমন করছে। কাছে গিয়ে শুনি, লাল্টু কথাও বলছে। যদিও খুব খারাপ কথা। বাঘটাকে তেড়ে গালিগালাজ করছে, ভেংচি কাটছে, মারবে বলে শাসাচ্ছে। বাঘটা অবশ্য ওকে পাত্তাই দিচ্ছিল না, নিজের মতো পায়চারি করে যাচ্ছিল। লাল্টুকে টেনে নিয়ে এলাম। লাফালাফি বন্ধ হল ওর। তাই নাম লিখিয়েও কলকাতার ডাক্তারবাবুর কাছে গেলাম না। এখন একেবারে সুস্থ আছে ছেলে। ওই দেখুন না।’

    হরিডাক্তার লাল্টুর দিকে তাকালেন। সে লজ্জা-পাওয়া হাসি হাসল। চুপ করে একটু ভেবে নিয়ে ডাক্তারবাবু বললেন, ‘বুঝেছি।’

    ঘুরে গিয়ে হাঁটা দিলেন। মাধবের ছেলে দৌড়ে এসে একটা আড়মাছ ঢুকিয়ে দিল ডাক্তারবাবুর ঝোলায়। বলল, ‘খুব টাটকা, আজ সকালেই ধরেছি। নিয়ে যান।’

    হরিডাক্তার দাম দিতে গেলেন। লাল্টু কিছুতেই নিল না। ফিরে গেল নিজের জায়গায়।

    হাটের মধ্যে হাঁটতে-হাঁটতে নিজের মনে হাসছেন হরিডাক্তার। মাধবের ছেলের রোগটার সমস্ত রহস্য এখন তাঁর কাছে পরিষ্কার। তিনি প্রথমেই ঠিক ধরেছিলেন, ছেলেটা ভয়ংকর কিছু দেখে ভয় পেয়েছে। সুন্দরবন বলেই বাঘের কথা বলেছিলেন। মাধব তখন স্বীকার করেনি। সম্ভবত নিষিদ্ধ জঙ্গলে গিয়ে বাঘের মুখোমুখি হয়েছিল ছেলেটা। পুলিশের ভয়ে মাধব কথাটা চেপে গিয়েছিল। চিড়িয়াখানায় বাঘকে খাঁচার মধ্যে দেখে সাহস ফিরে পায় ছেলেটা। মনের সুখে মেজাজ দেখায়। চিড়িয়াখানায় বাঘগুলো খাঁচাবন্দি থাকে বলেই কলকাতার লোকদেরও এত হম্বিতম্বি। দু-চারটে বাঘ ছেড়ে দিলে, কলকাতাও এই এলাকার মতো শান্ত, নিরীহ হয়ে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }