Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঠাকুরদার বন্দুক – কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়

    ঠাকুরদার বন্দুক – কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়

    অফিসের ঠিকানায় গোটা-গোটা অক্ষরে আমার নাম লেখা নীল ইনল্যাণ্ড লেটারটা পেয়ে অবাকই হয়েছিলাম। আরও অবাক হয়েছিলাম, প্রেরকের নামটা দেখে। আলিপুরদুয়ারের রায়ডাক থেকে চিঠিটা পাঠিয়েছেন অমিয়ভূষণ মল্লিক। অমিয়ভূষণ নামটার সঙ্গে আমি পরিচিত এবং এই নামটা আমাদের বাড়িতে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয় না।

    এক সময় আমার ঠাকুরদা শিবনাথ লাহিড়ী আলিপুরদুয়ারে থাকতেন। সেখানে ঠাকুরদার কাঠচেরাই কলের একটা ছোটো ব্যাবসা ছিল। কিন্তু ওঁর আসল নেশা ছিল শিকার। আমার জন্মের আগেই ঠাকুরদা মারা গিয়েছিলেন। বাড়িতে যেটুকু শুনেছি, অমিয়ভূষণ ছিলেন শিকারে ঠাকুরদার ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বী। শেষ শিকারে তিনি ঠাকুরদাকে এমন ঠকিয়েছিলেন যে, ঠাকুরদা চিরদিনের মতো শিকার ছেড়ে কলকাতায় চলে এসেছিলেন। আসার আগে নিজের হাতে নষ্ট করে দিয়ে এসেছিলেন শিকার সম্পর্কিত যাবতীয় জিনিসপত্র। তাই মরা বাঘকে পায়ের নীচে রেখে বন্দুক হাতে সদর্পে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন, এরকম একটা ছবিও আমাদের কলকাতার বাড়িতে নেই।

    একটা কৌতূহল নিয়ে অমিয়ভূষণবাবুর চিঠিটা খুলে ফেললাম। উনি লিখেছেন, ‘বহু চেষ্টায় তোমার অফিসের ঠিকানা জোগাড় করে তোমাকে এই চিঠি দিচ্ছি। কারণ, তোমার বাড়ির ঠিকানায় চিঠিটা পাঠালে এই চিঠি তোমার হাতে শেষ পর্যন্ত পৌঁছোবে কি না, আমি নিশ্চিত নই। তুমি হয়তো আমার নাম এবং বদনাম দুই-ই শুনে থাকবে। নিশ্চয়ই জানো, যুবক বয়সে শিবনাথ আর আমি দু-জনেই শিকারি ছিলাম। স্পষ্ট ভাষায় বলা ভালো, শিকার নিয়ে আমাদের দু-জনের মধ্যে একটা চাপা প্রতিযোগিতাই ছিল।

    ‘ভারত যে বছর স্বাধীন হল, সেই সময়ের আশপাশে এক নরখাদক চিতাবাঘিনি আলিপুরদুয়ার দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। আমি আর তোমার ঠাকুরদা নিরন্তর চেষ্টা করেছিলাম বাঘিনিটিকে মারার জন্য। এক রাত্রে বাঘিনিটি অবশ্য মারা পড়েছিল। সেদিন তোমার ঠাকুরদা এবং আমি দু-জনেই জঙ্গলে ছিলাম। সেই ছিল তোমার ঠাকুরদার শেষ শিকারযাত্রা। কার গুলিতে বাঘিনিটি মারা গিয়েছিল, সেই নিয়ে তোমাদের পরিবারে হয়তো ভিন্ন মত আছে। তবে মৃত বাঘিনির মাথায় বেঁধা গুলিটা বের করে যখন দেখা গিয়েছিল সেটা আমার বন্দুক-নি:সৃত ছিল, নি:সন্দেহ স্বীকৃতি এবং সরকারি পুরস্কার আমার ভাগ্যেই জুটেছিল।

    বাঘিনি শিকারের সেই জঙ্গল দিনে দিনে ক্রমশ পাতলা হয়েছে। অনেক জায়গায় বসতি, গ্রাম গড়ে উঠেছে। এরকমই এক গ্রামের কিছু কাঠুরে সম্প্রতি এক জায়গায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে কিছু বাঘের হাড়গোড়ের সঙ্গে তোমার ঠাকুরদার বন্দুকটি খুঁজে পেয়েছে। এ অঞ্চলের অধিবাসীদের বন্যপ্রাণীর হাত থেকে বহুকাল রক্ষা করায় আমার যে অবদানটুকু আছে, তাতে এলাকার গ্রামবাসীদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা আছে আমার উপর। বন্দুকটি থানায় না জমা দিয়ে ওরা আমার কাছে দিয়ে গিয়েছে।

    ‘বন্দুকটা আমার হাতে আসা পর্যন্ত আমি প্রচন্ড অস্বস্তিতে আছি। জীবনের উপান্তে এসে অদ্ভুত এক মনস্তাপ হচ্ছে। মনে হচ্ছে, তোমার ঠাকুরদার শিকার ছেড়ে দেওয়ার রহস্য তার কোনো উত্তরপুরুষকে বলে না গেলে আমি মৃত্যুর পরেও শান্তি পাব না। ফোনে তোমার বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলাম। উনি আমার নাম শুনে ফোন রেখে দিয়েছিলেন। তাই তোমাকে এই চিঠিটা লিখছি, যাতে তুমি সময় নিয়ে, ধৈর্য ধরে এই চিঠিটা পড়তে পারো এবং তারপর যদি তুমি আলিপুরদুয়ারে একবার আসতে পারো, তাহলে তোমাকে ঘটনাটা বিস্তারিত বলতে পারি। আর তোমার ঠাকুরদার বন্দুকটা যাতে স্মারক হিসেবে তোমাদের পরিবারে ফেরত যায়, তাও যথাযথ হস্তান্তর করতে পারি…’।

    এক নিশ্বাসে আমি চিঠিটা পড়ে ফেললাম এবং সত্যিই ঠাকুরদার শিকারি জীবনের ইতির রহস্যটা জানবার জন্য অদম্য একটা আগ্রহ তৈরি হল। বাড়িতে আমি যা এতকাল শুনেছি, তার সঙ্গে অমিয়ভূষণবাবুর চিঠিটার বক্তব্যে অনেক মিল আছে। আমি শুনেছি, এক রাত্রে ঠাকুরদা এবং অমিয়ভূষণবাবু বাঘিনি শিকারের উদ্দেশে জঙ্গলে গিয়েছিলেন। সেই রাতে গুলিতে বাঘিনিটি মারা পড়েছিল। তবে পরের দিন সকালে অমিয়ভূষণবাবুকে যখন মৃত বাঘিনির কাছে পাওয়া গিয়েছিল এবং ঠাকুরদা জঙ্গল থেকে রক্তমাখা জামা পরে বন্দুক ছাড়াই বেরিয়ে এসেছিলেন, সকলের বদ্ধমূল ধারণা হয়েছিল যে, ঠাকুরদা বাঘিনির আক্রমণে জখম হয়ে বন্দুকটা খুইয়েছেন এবং অমিয়ভূষণ মল্লিক শুধু বাঘিনিটিকেই মারেননি, ঠাকুরদাকেও প্রাণে বাঁচিয়েছিলেন। জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ঠাকুরদা হয়ে গিয়েছিলেন এক পালটে-যাওয়া মানুষ। শুধু ঠাকুরমাকে একবারই বলেছিলেন, বাঘিনিকে উনিই মেরেছিলেন। তবে সেটা করতে গিয়ে একটা বড়ো পাপ করে ফেলেছেন। কী সেই পাপ, সেই নিয়ে অথবা শিকার নিয়ে বাকি জীবনে ঠাকুরদা আর-একটা শব্দও উচ্চারণ করেননি।

    আমরা গোটা পরিবার বিশ্বাস করি, ঠাকুরমাকে বলে-যাওয়া ঠাকুরদার কথাটা পুরো সত্যি। তাই অমিয়ভূষণ মল্লিক সম্পর্কে আমাদের বাড়িতে ধারণা এতটাই খারাপ যে, বাবাকে অমিয়ভূষণবাবুর চিঠিটার কথা বললে এক্ষুনি আমাকে কুচিয়ে ফেলে দিতে বলবেন। কিন্তু চিঠিটা আমাকে ভাবালো। বাবা-মাকে পুরো সত্যিটা জানালাম না। ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে আমার এক বন্ধু থাকে, অর্ণব। ওর কাছে বেড়াতে যাব বলে একদিন চেপে বসলাম কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে।

    অর্ণবকে অবশ্য আমি খুলে জানিয়েছিলাম সব কিছু। অর্ণবও আলিপুরদুয়ার যাওয়ার পথে ময়নাগুড়ি স্টেশনে উঠে পড়ল ট্রেনে। দু-বন্ধু মিলে ঠিক করলাম, অমিয়ভূষণবাবুর বাড়ি গিয়ে একরাত্রির আতিথেয়তা নিয়ে ঠাকুরদার গল্পটা শুনে আর বন্দুকটা নিয়ে পরের দিন লাটাগুড়িতে অর্ণবের বাড়িতে চলে আসব। অমিয়ভূষণবাবুর চিঠিতে ওঁর ফোন নম্বর ছিল। আমাদের যাওয়ার দিনক্ষণ জানিয়ে দিলাম ওঁকে। স্টেশনে উনি গাড়ি আর লোক পাঠিয়েছিলেন আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য।

    অমিয়ভূষণবাবুর বাড়িটা সাবেকি ধরনের বড়ো বাড়ি। বসার ঘরটা গোলাকৃতির। দরজার মুখে দু-দিকে দুটো বড়ো হাতির দাঁত। দেওয়ালে জায়গায়-জায়গায় বাঘ আর হরিণের স্টাফ করা মাথা ঝুলছে। কয়েক জায়গায় বড়ো-বড়ো বাঘছাল ঝুলছে। এ ছাড়া শিকারসুদ্ধ অমিয়ভূষণবাবুর বাঁধানো ছবি, বাঁধানো সরকারি সার্টিফিকেট, বিভিন্ন সংস্থার মানপত্র, শিকারে ব্যবহার করা বিভিন্ন বন্দুক ঝুলছে। ঘরে ঢুকে সোফায় বসব কী! আমি আর অর্ণব হাঁ করে ঘুরে-ঘুরে সেই সব দেখতে থাকলাম। এমন সময় ভারী চটির আওয়াজ পেলাম। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলাম, এক বৃদ্ধ লাঠি হাতে ঘরে ঢুকছেন। ইনিই যে অমিয়ভূষণ মল্লিক, পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দরকার হল না।

    অমিয়ভূষণ এগিয়ে এলেন আমার দিকে। চোখটা একটু উদাস। আমার কাঁধে হাত দিয়ে বললেন, ‘তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে, ঠিক যেন শিবনাথ এসে দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে।’ ভদ্রলোক আমাদের বসিয়ে নানান গল্প করতে লাগলেন। তবে আমরা উসখুস করছিলাম, কখন উনি ঠাকুরদার শেষ বাঘিনি শিকারের গল্পটা বলবেন আর ঠাকুরদার বন্দুকটা দেখাবেন। কিন্তু বিকেল বেলার আগে তার সুযোগ হল না।

    দুপুরে ভালো খাওয়া-দাওয়া হল, তারপর বিশ্রাম। বিকেলবেলায় অমিভূষণবাবু বাড়ির বাগানে আমাদের চা খাওয়ার জন্য ডাকলেন। চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিয়ে সরাসরি চলে এলেন শিকারের প্রসঙ্গে। গল্পটা ভূমিকা দিয়ে শুরু করে দিলেন, ‘বাঘ বা বাঘিনিরা একটা বয়স পেরিয়ে নরখাদক হয়। তখন এরা হয়ে যায় অত্যন্ত ধূর্ত। এদের শিকার করার জন্য রাতের পর রাত শিকারিদের অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে জঙ্গলে মাচায় কাটাতে হয়। তবে নরখাদক বাঘ, বাঘিনিদের চরিত্রের একটা বৈশিষ্ট্য আছে। মানুষ বা পশু, যা এরা শিকার করে, সেটাকে মেরে ফেলে বহুদূর নিয়ে যায়। যতটা পারে খায়, বাকিটা রেখে যায় পরে খাবে বলে। বাঘের খাওয়া মৃতদেহের ভুক্তাবশেষকে ‘‘মড়ি’’ বলে। মড়ি শিকারিদের কাছে একটা বড়ো টোপ।’

    ‘সেটা ১৯৪৮ সাল। গ্রীষ্মের সময় একটা চিতাবাঘিনির মানুষখেকো হয়ে ওঠার খবর প্রথম পাওয়া গেল। তখন অবশ্য বাঘিনিটির গতিবিধি আর ত্রাস রাজাভাতখাওয়া অঞ্চলে ছিল। আমি আর শিবনাথ দু-জনেই বর্ষাকালে ওই অঞ্চলে আলাদা-আলাদা করে ওকে মারতে গিয়েছিলাম। বাঘিনিটি ছিল অত্যন্ত ধূর্ত। দু-জনেই কয়েকবার অল্পের জন্য ফসকে ছিলাম। মনে হয়, বাঘিনিটি আমাদের চিনে ফেলেছিল। আমরা যেমন ওর পায়ের ছাপ চিনে নিয়েছিলাম, বাঘিনিটিও তেমনি আমাদের গায়ের গন্ধ চিনে নিয়েছিল। আর তাই বোধ হয় শিকার-শিকারির খেলা খেলতে রাজাভাতখাওয়া ছেড়ে একসময় এই অঞ্চলে চলে এসেছিল।’

    ‘সেবার দুর্গাপুজো সবে শেষ হয়েছে। এই অঞ্চলে হঠাৎ করে বাঘিনিটির উপস্থিতির কথা জানা গেল। তারপর দিনে-দিনে তার উপদ্রব ক্রমশ বেড়ে গেল। দিন-পনেরোর মধ্যে তিন-তিনটি মানুষ মেরে ফেলল। সেই সঙ্গে গোরু, ছাগল তো ছিলই। লোকে ভয়ে সূর্য ডোবার পর বাড়ির বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিল। কালীপুজোর কয়েকদিন আগে বাঘিনিটি মারল এক সরকারি অফিসারকে। প্রশাসন খুব উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল। তখনকার ম্যাজিস্ট্রেট একদিন ওঁর অফিসে আমাকে আর শিবনাথকে একসঙ্গে ডেকে পাঠিয়ে বললেন, ‘‘আমরা যেন বাঘিনিটিকে যেমন করে হোক মেরে ফেলি। যে মারতে পারবে, তাকে হাজার টাকা সরকারি পুরস্কার দেওয়া হবে’’।’

    ‘কালীপুজোর ঠিক আগের দিন জঙ্গলের এক জায়গায় একটা অর্ধভুক্ত গোরু পাওয়া গেল। শিকার খাওয়ার ধরন দেখে ততদিনে আমরা অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছি। কাছাকাছি পায়ের ছাপ দেখে বুঝতে পারলাম, গোরুটা সেই বাঘিনিটিরই শিকার। যেহেতু সেটা অর্ধভুক্ত, তাই বাকিটা খাওয়ার জন্য তার সেখানে ফিরে আসার প্রবল সম্ভাবনা আছে। আমি আর শিবনাথ নিজের-নিজের মতো পরিকল্পনা করতে থাকলাম। আমি অতিরিক্ত একটা টোপ ফেললাম। মড়ি অর্থাৎ মরা গোরুটার কাছে একটা কচি ছাগলও বেঁধে রাখার ব্যবস্থা করলাম।’

    ‘মড়িটাকে মধ্যে রেখে দু-দিকের দুটো গাছের উপর আমার আর শিবনাথের মাচা বাঁধা হল। দিনের আলো থাকতে থাকতে স্থানীয় লোকেরা আমাদের মাচায় পৌঁছে দিয়ে গ্রামে ফিরে গেল। রাতের অন্ধকারে বাঘিনির আসার অপেক্ষায় রইলাম আমরা। নীচে ছাগলছানাটা খুঁটিতে দড়ি-বাঁধা অবস্থায় ঘোরাফেরা করছে। আস্তে-আস্তে রাত ঘনিয়ে এল। ঘুটঘুটে অন্ধকার। কয়েক হাত দূরের মাচাটায় শিবনাথকে, এমনকী খুঁটিতে বাঁধা ছাগলছানাটিকেও দেখতে পাচ্ছি না। জঙ্গলে জেগে উঠল রাতের আওয়াজ। ঘড়ির কাঁটাটা যেন খুব ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। তবে রাতের পর রাত জঙ্গলে এভাবে মাচায় কাটানোর অভ্যেস আমাদের দু-জনেরই ছিল।

    ‘বাঘ বা বাঘিনি যখন আসে, তখন জঙ্গলে আওয়াজের একটা পরিবর্তন হয়। সেটা দিনে একরকম, রাতে আর একরকম। দিনের আলোয় বড়ো বড়ো গাছের মগডালে বসে-থাকা পাখি বা বাঁদরের মতো জন্তুরা অনেক দূর থেকে দেখতে পায় মহারাজ বা মহারানি আসছে। ওরা চঞ্চল হয়ে ওঠে। বার্কিং ডিয়াররা অদ্ভুত গলায় ডাকে। কিন্তু রাতে অন্যরকম। রাতের বেলায় জঙ্গল বোধ হয় তার নিজস্ব অনুভূতি দিয়ে বুঝতে পারে, সে আসছে।

    ‘সেদিনও সেরকমই এক সময় জঙ্গলের ডাক পালটে গিয়ে থমথমে হয়ে গেল। নিজেকে টানটান করে নিলাম। মনে মনে একটাই প্রতিজ্ঞা, শিবনাথকে হারিয়ে নরখাদক বাঘিনিটিকে আমি মারবই। হাতঘড়ির ডায়ালে রেডিয়ামের বিজবিজে আলোর ফুটকিতে দেখলাম, রাত সাড়ে বারোটা। মাচার উপর উপুড় হয়ে শুয়ে বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রেখে আমি নিজেকে একদম প্রস্তুত করে নিলাম। তারপর শুধুই প্রতীক্ষা।

    ‘ঘন অন্ধকারেও বুঝতে পারলাম যে, সে আমার কাছাকাছি এসে গিয়েছে। গাছের নীচ দিয়ে খসখসে একটা আওয়াজ মাচাটার কাছে এসে থামল। আমার মনে শুধু একটাই খটকা, মড়িটার কাছে বেঁধে রাখা ছাগল ছানাটার আওয়াজে কেমন যেন একটা আহ্লাদি ভাব, যেন কারো সঙ্গে খেলা করছে। আমি এক মিনিট, দু-মিনিট করে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করলাম। মনে হল ধূর্ত বাঘিনি আমাদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে গিয়েছে আর আমাদের ধন্ধে ফেলতে ছাগলছানাটার সঙ্গে খেলা করছে। আমার কাছে ছিল একটা জোরালো পেন্সিল টর্চ। ডান হাতে বন্দুক আর বাঁ হাতে টর্চটা ধরে ছাগলছানার দিকে তাক করে সুইচটা টিপতেই টর্চের ছোট্ট ফোকাসে ঝলসে উঠল হলুদের উপর সাদা ডোরাকাটা একটা চামড়া এবং প্রায় একই সঙ্গে গর্জে উঠল উল্টো দিকের মাচা থেকে শিবনাথের বন্দুক।

    আমি কপাল চাপড়ালাম। টর্চের আলো ফেলে এ যেন শিবনাথকে হাতে ধরিয়ে দেখিয়ে দিলাম কোথায় বন্দুক চালাতে হবে। হতাশ হয়ে আমি চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লাম। আর তখনই আমার চোখে পড়ল, আমি যে গাছের মাচাটায় আছি, তার মগডালে জ্বলজ্বল করছে দুটো হলদেটে চোখ। এই হলুদ চোখ আমি চিনতাম। ওই বাঘিনি ছাড়া কারও চোখ ওরকম হলুদ হয় না। চোখদুটো আমাকে সরাসরি দেখছে। যেকোনো মুহূর্তে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

    ‘বন্দুক আর টর্চটা আঁকড়ে ধরে আমি ঝাঁপ দিলাম মাচা থেকে। গুলি চালিয়ে শিবনাথও ততক্ষণে নেমে এসেছে মাচা থেকে। শিবনাথ ভেবেছিল, শেষ পর্যন্ত বাঘিনিটিকে মারতে পেরেছে। কিন্তু অচিরেই ভুলটা ভাঙল। মগডাল থেকে বাঘিনি ততক্ষণে নেমে এসেছে আমার মাচার উপর। আমাদের ছিল ওয়ান শাটার বন্দুক। শিবনাথের তখন আর সময় ছিল না নিজের বন্দুকে গুলি ভরে নেওয়ার। চকিতে ও মাটিতে পড়ে থাকা আমার বন্দুকটা তুলে নিল। বাঘিনি যে মুহূর্তে আমার শরীর লক্ষ্য করে লাফ দিল, শিবনাথের হাতে আমার বন্দুকটা গর্জে উঠল।’

    টানা এতটা গল্প বলে অমিয়ভূষণবাবু থামলেন। বাগানে বসে আমরা দু-বন্ধু রুদ্ধশ্বাসে মুগ্ধ হয়ে গল্পটা শুনছিলাম। কাজের লোক গরম-গরম ফুলকো লুচি, বেগুন ভাজা দিয়ে গিয়েছিল। গল্পের টানে সেই লুচিও চুপসে গিয়েছে। অমিয়ভূষণবাবু শান্ত গলায় বললেন, ‘খাও তোমরা।’

    লুচির প্লেটটা হাতে তুলে নিয়ে বললাম, ‘তারপর কী হয়েছিল?’

    অমিয়ভূষণবাবুর মাথাটা ঝুলে গেল। গভীর একটা শ্বাস ফেলে বললেন, ‘শিবনাথ সেদিন আমার প্রাণ বাঁচিয়েছিল। কিন্তু খ্যাতির অন্ধ লোভে এই সত্যিটা আমি কোনোদিন কারো কাছে স্বীকার করিনি। যে শিবনাথের সঙ্গে আমার শিকার নিয়ে এত রেষারেষি ছিল, সেই শিবনাথ শুধু আমার প্রাণই বাঁচায়নি, বাঘিনিকেও মেরেছে। এই সত্য জানাজানি হলে লোকসমাজে শিকারি হিসেবে আমি আর মুখ দেখাতে পারতাম না। তা ছাড়া বাঘিনির মাথায় বেঁধা গুলিটা যেহেতু আমার বন্দুকেরই ছিল, তাই বাঘিনিকে যে আমিই মেরেছিলাম, লোকে নি:সন্দেহ ছিল।’

    অর্ণব জিজ্ঞেস করল, ‘বাঘিনিকে যে শিবনাথদাদুই মেরেছিলেন এবং আপনার প্রাণও বাঁচিয়েছিলেন, এই সত্যিটা কারো কাছে কোনোদিন প্রমাণ করতে পারবেন না, এই মানসিক দুঃখেই কি উনি চিরদিনের জন্য শিকার ছেড়ে দিয়েছিলেন?’

    ‘না:!’ নীচু মাথাটা আস্তে আস্তে নাড়তে থাকলেন অমিয়ভূষণবাবু, ‘শিবনাথ গুলি করার পর আমি একটাই আওয়াজ পেয়েছিলাম, ‘ধপ!’ বাঘিনিটি গলা দিয়ে শেষ ডাক ছাড়ার অবকাশ পায়নি। আমি কোনোরকমে হাতড়ে-হাতড়ে টর্চটা খুঁজে পেলাম। টর্চটা জ্বালিয়ে দেখলাম, বাঘিনি মরে পড়ে আছে। তারপর আমি টর্চটা ঘোরালাম ছাগলটা যেখানে বাঁধা ছিল সেই দিকে। দেখলাম, ছাগলটা বহাল তবিয়তে আছে আর সেখানে পড়ে আছে একটা ছোট্ট বাঘশিশু। তার সারা শরীরটা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। তারপরেই দেখলাম, শিবনাথ এগিয়ে এল বাঘশিশুটির কাছে। হাঁটু মুড়ে বসে পরম মমতায় মৃত বাঘশিশুটিকে বুকের কাছে জড়িয়ে ধরে হাউ হাউ করে কেঁদে উঠল। আসলে শিকারি হলেও শিবনাথের মনটা ছিল বড্ড নরম। একটা নিষ্পাপ বাঘশিশু যখন একটা ছাগলছানার সঙ্গে খেলা করছিল, তখন তাকে গুলি করে মারার শোকটা ও কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। আমি দেখলাম, কাঁধে বন্দুক আর কোলে বাঘশিশুটিকে নিয়ে একটা ঘোরের মধ্যে ও গভীর জঙ্গলের দিকে চলে গেল।

    ‘মাচার থেকে পড়ে গিয়ে আমার চোট লেগেছিল। শিবনাথের পিছনে-পিছনে যাওয়ার শারীরিক ক্ষমতা ছিল না। সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে মনও অত্যন্ত অবসন্ন ছিল। আমি গাছের তলাতেই মৃত বাঘিনির পাশে আচ্ছন্নের মতো বসে থাকলাম। একসময় ভোর হল। গ্রামবাসীরা রাত্রেই জঙ্গলের মধ্যে দুটো গুলির আওয়াজ পেয়েছিল। সকালের আলো ফুটতেই কালীপুজোর ঢাকিদের নিয়ে ঢাক, ঢোল, ক্যানেস্তারা পিটিয়ে হইহল্লা করতে-করতে ওরা চলে এল মাচার কাছে। বাঘিনিটাকে পড়ে থাকতে দেখে আনন্দে আমাকে কাঁধে তুলে নিল। আনন্দের আতিশয্যে কারো মনে পড়ল না শিবনাথের কথা। লোকে বরং বাঘশিশুর রক্তে লাল-হওয়া শিবনাথের জামাটা দেখে অন্য গল্প ভাবল। কেউ জানল না, কী গভীর দুঃখে শিবনাথ বাঘশিশুর সঙ্গে নিজের বন্দুকটাও কবরে দিয়ে দিয়েছিল।’

    অমিয়ভূষণবাবু পঞ্জাবির পকেট থেকে রুমাল বের করে চশমাটা খুলে রুমালটা চোখের কোলে দিয়ে চুপ করে গেলেন। আমি আর অর্ণবও চুপ করে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যে মুড়িয়ে রাতের আকাশ কালো হয়েছে। সেখানে ঝিকিমিটি করে একটা-একটা তারা ফুটে উঠেছে। আমার মনে হল, ওই তারাদেরই কোনো একটা ঠাকুরদা। উনিও শুনছেন অমিয়ভূষণবাবুর কথা। অস্ফুটে আমি বলে উঠলাম, ‘ওটা একটা অ্যাক্সিডেন্ট ছিল ঠাকুরদা, তোমার কোনো দোষ ছিল না।’

    অমিয়ভূষণবাবুর এক কাজের লোক ব্রাউন পেপারে মোড়া ঠাকুরদার বন্দুকটা এনে আমার হাতে দিল। মোড়কটা খুলে বন্দুকটার উপর আলতো করে হাত বোলালাম। কাঠের বাঁটের উপর খোদাই করে লেখা আছে ঠাকুরদার নাম, শিবনাথ লাহিড়ী।

    অমিয়ভূষণবাবু বললেন, ‘আমি প্রয়োজনীয় সরকারি কাগজপত্র সব করিয়ে রেখেছি। বন্দুকটা তুমি নিয়ে যাও।’

    কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম। মনে পড়ল জিম করবেটের কথা। শুনেছি, ঠাকুরদার আদর্শ ছিলেন জিম করবেট। জিম করবেটও কোনোদিন নিছক শিকারের জন্য বাঘ শিকার করেননি। তিনি যদিও মনেপ্রাণে একজন খাঁটি ভারতীয় ছিলেন, কিন্তু ভারত স্বাধীন হওয়ার পর কিনিয়া চলে গিয়েছিলেন। যাওয়ার আগে ওঁর বাঘ শিকারের বন্দুকগুলো নৈনিতালের কাছে গভীর জঙ্গলের এক অজ্ঞাত জায়গায় পুঁতে দিয়ে গিয়েছিলেন।

    অমিয়ভূষণবাবুকে বললাম, ‘শিকার ছেড়ে দিয়ে ঠাকুরদা বন্দুকটা এখানকার জঙ্গলকেই উৎসর্গ করে গিয়েছিলেন। আপনি এখানকার জঙ্গলটা সবচেয়ে ভালো চেনেন। বন্দুকটা সেই জায়গাতেই রেখে দিন না, যাতে জিম করবেটের বন্দুকের মতো ঠাকুরদার বন্দুকটাও চিরকাল জঙ্গলেই থাকে।’

    কথাগুলো বলে আমি আবার আকাশের দিকে তাকালাম। সেই তারাটা যেন খুব খুশি হয়ে পিটপিট করছে। আমার চোখে জল এসে আস্তে-আস্তে ঝাপসা হয়ে গেল তারাটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }