Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঘের বাড়ি – রতনতনু ঘাটী

    বাঘের বাড়ি – রতনতনু ঘাটী

    অ্যানুয়াল পরীক্ষার পর-পরই তপোসুন্দরদাদু মেদিনীপুর থেকে আমাদের বাড়ি আসতেন। হিসেব করে আসতেন, না-এমনি, জানি না। তবে আমাদের অ্যানুয়াল পরীক্ষার ছুটির সঙ্গে তপোসুন্দরদাদুর আমাদের বাড়িতে আসাটা মিলে যেত। বড়োদের কাছ থেকে তখন পড়াশোনার তাড়া নেই। শুধু ছুটি আর ছুটি। সকালে ক্যারাম, বিকেলে ফুটবল, সন্ধেবেলা সাপলুডো। উনি এলে ওই সব খেলারও ছুটি হয়ে যেত। তখন শুরু হত সকাল-বিকেল আমাদের গল্প শোনার আসর।

    ওঁর ছিল সব রাজারাজড়াদের নিয়ে গল্প। মহিষাদলের রাজার গল্প, তমলুকের রাজার গল্প, ময়নার রাজার গল্প। সেবার এসে বললেন, ‘এবার তোদের বলব বিক্রমগড়ের রাজার গল্প।’

    বিক্রমগড় নামটা একদম শোনা-শোনা লাগল না। অর্ক বলল, ‘বিক্রমগড় কি মেদিনীপুরে?’

    তপোসুন্দরদাদু ভুরু দুটো নাচিয়ে বললেন, ‘বিক্রমগড় কোথায়, সে জেনে অত কাজ কী? রাজার গল্প হলেই তো হল?’

    কথাটা খুব ঠিক। আমরা তো রাজার গল্পের পোকা। আমি বললাম, ‘দেশটা কোথায় তোর জেনে কাজ কী? তুই কি সেখানে যাবি?’

    অর্ক ঘাড় নেড়ে বলল, সে যাবে না। তপোসুন্দরদাদু আবার ভুরু দুটো একবার নাচিয়ে নিলেন। উনি যখন গল্প শুরু করেন ভুরুজোড়াটা নাচিয়ে নেন।

    তপোসুন্দরদাদু বললেন, ‘বিক্রমগড় কিন্তু ধারে-কাছে না, বেশ দূর। অর্ক যেতে চাইলে পারবে না। মেদিনীপুর থেকে যদি ও বিক্রমগড় যেতে চায়, প্রথমে পড়বে একটা নদী, নাম ‘আকুলপারা’। সেই নদী পেরোলে পড়বে একটা ছোটো পাহাড়। তোরা অবশ্য তাকে পাহাড় নাও বলতে পারিস। তোরা তো টিভিতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে কথায় কথায় এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা, কেটু পাহাড় দেখিস। তোদের ওটাকে টিলা মনে হতেই পারে। পাহাড়টার নাম ‘অতিক্রমী’।’

    পাহাড়ের নামটা পছন্দ হল না টোটার। ও আমার মুখের দিকে তাকাল। আমি চোখের ইশারায় চুপ করে থাকতে বললাম।

    তপোসুন্দরদাদু বলে চললেন, ‘পাহাড়ের গায়ে একটা ঝরনা পড়বে। সেটা পেরোলে একটা খুব বড়ো বন। মহাভারতে ‘খান্ডব বন’-এর কথা শুনেছিস তো? সেরকম একটা বড়ো বন, নাম ‘গড়কান্তার’।’

    খান্ডব বনের কথা শুনে মিমি চট করে ঘাড় নেড়ে দিল, সে জানে। অন্য সময় হলে তপোসুন্দরদাদু যাচাই করে নিতেন মিমি জানে কি না। আজ আর সে পথে গেলেন না। ক্লাস টুয়ে-পড়া মিমির অজ্ঞতাও আর চাউর হয়ে গেল না বটে, তবে আমরা নিশ্চিত, মিমি খান্ডব বন কী, জানে না।

    তপোসুন্দরদাদুর গল্প শুনছি, ‘তা সেই গড়কান্তার পেরোলেই বিক্রমগড়। সেখানকার রাজারা ছিলেন তিন ভাই, বড়ো মৃগয়াকুমার, মেজো মল্লকুমার, আর ছোটো ভাই সন্তরণকুমার। নাম শুনে বুঝতে পারছিস, বড়ো রাজা শিকার করতেন, মেজো রাজা কুস্তি লড়তেন আর ছোটো রাজা ছিলেন সাঁতারু। বেশ কয়েক বছর হল ভারত স্বাধীন হয়েছে। ভারতবাসীর মনে তখন আনন্দ ধরে না। রাজা মৃগয়াকুমার ঠিক করলেন, ব্রিটিশরা পালিয়েছে, সেও তো কতদিন হল। এবার একবার জমিয়ে বাঘ শিকারে যাবেন। বাঘ শিকার নিয়ে রাজা মৃগয়াকুমারের খুবই কৌতূহল। ভারত স্বাধীন হওয়ার আগে তিনি দু-বার নৈনিতালে গিয়ে দেখা করেও এসেছেন জিম করবেট সাহেবের সঙ্গে। অবশ্য এখনকার মতো তখন তো বাঘ শিকার বন্ধ করার জন্যে আইন হয়নি।

    ‘দলবল, খাবারদাবার, মশাল জ্বালাবার সরঞ্জাম আর গুলি-বন্দুক নিয়ে রাজা মৃগয়াকুমার চললেন শিকারে। এই একটা নদী পেরোন তো এই একটা ছোটো টিলা পেরোন। এই একটা টিলা পেরোন তো এই একটা বন পেরোন। শেষে একটা ঘন বনের ভিতরে বড়ো দুটো গাছের মাথায় মাচা বাঁধা হল। একটা মাচায় বসলেন রাজা মৃগয়াকুমার এবং তাঁর শিকারের প্রধান সহকারী দিগম্বর গায়েন। অন্য মাচাটিতে রইল রাজার শিকারের দলের লোকেরা। একদিন গেল, দু-দিন গেল। বাঘের আর দেখা নেই। তখন বনের আরও গভীরে ফের মাচা বাঁধার আদেশ দিলেন রাজামশাই। লোকলশকর চলল গভীর বনে। একটা বড়োগাছ বাছা হল। তার উপর একটা মাচা বেঁধে দিল রাজার লোকজন। প্রথমে রাজা মৃগয়াকুমার উঠলেন মাচায়। তিনি ওঠার পর তাঁর পিছন-পিছন দুটো বন্দুক নিয়ে হ্যাঁচড়াতে-হ্যাঁচড়াতে মাচায় উঠল দিগম্বর।

    ‘তারপর রাজা আদেশ দিলেন আর সবাইকে, তারা যেন চলে যায় তাদের পুরোনো মাচায়। সবাই ফিরে গেল রাজার আদেশমতো। রাজামশাই বলে দিলেন, শূন্যে গুলি ছোড়ার শব্দ শুনলেই তারা যেন রাজামশাইয়ের মাচার কাছে চলে আসে। দেখতে-দেখতে সন্ধে নামল বনের মাথায়। প্রায় পূর্ণিমার মতো একটা গোল চাঁদও উঠল জ্যোৎস্না ছড়িয়ে।

    ‘রাজা মৃগয়াকুমার দিগম্বরকে বললেন, ‘চোখ খোলা রাখো দিগম্বর। তুমি চোখ রাখো পিছনের দিকে, আমি চোখ রাখি সামনের দিকে।’

    ‘পলকহীন চোখে দুজন সারারাত জাগলেন। দূরের মাচায় রাজার লোকজন বন্দুকের আওয়াজ শোনার জন্য কান খাড়া করে সারারাত জেগে ভোরের দিকে ঘুমিয়ে পড়ল। সকালবেলার আলোয় আড়মোড়া ভেঙে রাজা বললেন, ‘দিগম্বর, এ যাত্রায় বাঘের তো দেখাই মিলল না। এবার মনে হয় খালি হাতেই ফিরতে হবে।’

    ‘দিগম্বর গলা সরিয়ে বলল, ‘না মহারাজ, আর একটা-দুটো দিন তো দেখি। বাঘ ঠিক আসবেই।’

    ‘দিগম্বরের কথামতো তৃতীয় রাতে রাজা মৃগয়াকুমারকে দূরে ঘন ঝোপের পাশে চাঁদের আলোয় একটা বাঘকে দেখতে পেলেন। বাঘটা থাবা মেলে বসে আছে ঝোপের দিকে মুখ করে। মাঝে-মাঝে মুখ নীচু করে কিছু চাটছে যেন। রাজা আঙুল তুলে দেখালেন দিগম্বরকে। দিগম্বরও দেখল, হ্যাঁ, রাজামশাইয়ের কথাই ঠিক। রাজা বন্দুকটা তাক করতে-করতে ফিসফিস করে বললেন, ‘দিগম্বর, আর দেরি করা ঠিক হবে না।’

    ‘বলার সঙ্গে-সঙ্গে গর্জে উঠল রাজা মৃগয়াকুমারের বন্দুক। চাঁদের আলোয় তাঁরা দুজন মাচার উপর থেকে স্পষ্ট দেখলেন, বাঘটা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। তখন রাজা মৃগয়াকুমার গলা উঁচু করে বললেন, ‘দিগম্বর, শূন্যে গুলি ছুড়ে ওদের আসতে বলো।’

    ‘দিগম্বর শূন্যে গুলি ছুড়ল। প্রথম গুলির শব্দটা দূর থেকে ওরা আগেই শুনেছিল। এবার শূন্যে ছোড়া গুলির শব্দ শুনে মশাল জ্বালিয়ে রাজা মৃগয়াকুমারের দলবল মাচার নীচে এসে হাজির হল। মৃগয়াকুমার বললেন, ‘দিগম্বর, আগে তুমি নামো মাচা থেকে। তারপর আমি নামব।’

    ‘দিগম্বর সরসর করে নীচে নেমে এল। তারপর ধীরে-ধীরে রাজামশাই মাচা থেকে নীচে নামলেন। সবাই দেখল, মশালের আলোয় রাজামশাইয়ের মুখটা বীরত্বে চকচক করছে। বন্দুক কাঁধে নিয়ে মশালধারীদের পিছনে চললেন রাজা। তাঁর পিছনে দিগম্বর। তার পিছনে আর সব লোকজন।

    ‘বাঘটার কাছে গিয়ে দিগম্বর হেসে বলল, ‘রাজামশাইয়ের নিশানা কখনো ভুল হয়?’ আর সকলে চোখ বড়ো-বড়ো করে নিহত বাঘটাকে দেখতে লাগল। এ আর ক-জনের ভাগ্যে জোটে? সারাজীবন কত নাতিপুতি আর মানুষজনকে যে এই গল্প শোনাতে পারবে তারা!

    ‘তখনও রাজার মুখ থেকে একটাও কথা সরছে না। সকলেই অবাক। এমন সময় খুব ধীরে রাজা মৃগয়াকুমার কান্না-ভেজা গলায় বললেন, ‘এ আমি কী করলাম?’

    ‘কেউ রাজামশাইয়ের এ কথার মানে বুঝতে পারল না। এ-ওর মুখের দিকে তাকাল। দিগম্বর বলল, ‘কেন হুজুর, এ কথা বলছেন কেন?’

    ‘রাজা মৃগয়াকুমার ঝোপের পাশে আঙুল তুলে দেখিয়ে বললেন, ‘ওই দেখো। ওকে আমি মা-হারা করে দিলাম!’

    ‘সকলে তাকিয়ে দেখল, বাঘটার একটা ছোট্ট বাচ্চা থরথর করে কাঁপছে ভয়ে। মশালের আলোয় জ্বলছে তারও চোখ দুটো। রাজা মৃগয়াকুমার এগিয়ে গেলেন বাঘের বাচ্চাটার কাছে। কোলে তুলে নিলেন। সকলে দেখল, রাজামশাইয়ের চোখে টলমল করছে জল।’

    অর্ক বলল, ‘রাজা মৃগয়াকুমার বাঘের বাচ্চাটাকে নিয়ে কী করলেন?’

    তপোসুন্দরদাদু ভুরু জোড়া নাচিয়ে বললেন, ‘বাঘের বাচ্চাটাকে নিয়ে মৃগয়াকুমার ফিরতে লাগলেন বিক্রমগড়ে। শিকার করা বাঘটা রইল পড়ে। দিগম্বর একবার বাঘটার দিকে আঙুল তুলে জানতে চাইছিল। রাজামশাই নীরবে শুধু ঘাড় নেড়ে না বলে দিলেন। ফেরার পথে একটা নদীর জলে রাজামশাই বন্দুক দুটো ফেলে দিয়ে দিগম্বরকে বললেন, ‘এই আমার শিকার করা শেষ!’ কেউ তাঁর কথায় কোনো প্রশ্ন করার সাহস পেল না। এমনকী, দিগম্বরও না। বিক্রমগড়ের রাজপ্রাসাদে বড়ো হতে লাগল বাঘের বাচ্চাটা।’

    মিমি তপোসুন্দরদাদুর কথার মাঝখানে প্রশ্ন করে বসল, ‘এখনও বাঘের বাচ্চাটা রাজবাড়িতে আছে?’

    তপোসুন্দরদাদু বললেন, ‘গল্প এখানেই শেষ নয় গো মিমিদিদি। বাঘের বাচ্চাটা তো চিরদিন ছোট্টটি থাকল না। ধীরে-ধীরে সে বড়ো হতে লাগল। ইতিমধ্যে ভারত সরকারের কাছে রাজা মৃগয়াকুমার একদিন চিঠি লিখলেন, এমন আইন চালু করা হোক, যাতে ভারতে কেউ যেন বাঘ না শিকার করতে পারে। ভারত সরকারও এ নিয়ে ভাবছিলেন। বাঘ শিকার করা বন্ধের জন্যে চালু হয়ে গেল আইন।

    এদিকে রাজামশাইয়ের পোষা বাঘটা ঘুরে বেড়ায় গোটা রাজপ্রাসাদময়। রাজদরবারে যেতেও তার বাধা নেই, রাজঅন্তঃপুরেও যেতে তার বাধা নেই। মেজো রাজামশাই মল্লকুমার সুযোগ পেলেই বাঘটার মুখোমুখি হয়ে কুস্তির নকল প্যাঁচ দেখান। মুখোমুখি হলেই ছোটো রাজা সন্তরণকুমার বাঘটার সামনে নকল ফ্রি-স্টাইল, আর ব্যাকস্ট্রোক দেখিয়ে কেটে পড়েন।

    ‘কিন্তু ঝামেলা হল ছোটো রানিমা আর দাসদাসীদের নিয়ে। বাঘের বাচ্চাটা যত বড়ো হয়, ততই তাদের ভয়ও বাড়তে থাকে। এই দেখে রাজা মৃগয়াকুমার একদিন মন খারাপ করে বসেছিলেন রাজপ্রাসাদে। এই বাঘের বাচ্চাটা তো মা-হারা হয়েছিল তাঁরই বন্দুকের গুলিতে। তাকে তিনি রাজপ্রাসাদে এনে বড়ো করলেন। এখন যদি রাজবাড়ির লোকজন বাঘটাকে ভয় পায়, তাহলে কী করা যাবে? শেষে তিনি মনস্থির করলেন, বাঘটাকে বনেই ছেড়ে দিয়ে আসবেন।’

    ‘ফের জড়ো করা হল লোকলশকর। মোতায়েন করা হল বড়ো গাড়ি। বাঘটাকে পেট ভরে খাইয়েদাইয়ে গাড়ির সঙ্গে রাজা মৃগয়াকুমারও চললেন বনে। বড়ো রানিমা ঠাকুরের ফুল বাঘটার মাথায় ছুঁইয়ে মঙ্গল কামনা করলেন। মেজো রানিমা রাজদেবতার কাছে গিয়ে প্রার্থনা করে এলেন, বাঘটা বনে যেন ভালো থাকে। যে ছোটো রানিমা বাঘটাকে অত ভয় পেতেন, তাঁরও চোখ দুটো ছলছল করে উঠল বাঘটাকে নিয়ে যাওয়ার সময়।

    ‘কিন্তু বনে গিয়ে হল এক বিপত্তি। বাঘটা গাড়ি থকে কিছুতেই বনে যেতে চাইল না। সে শুধু রাজা মৃগয়াকুমারের পায়ের কাছে মুখ ঘষতে লাগল। রাজামশাই তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘যাও বাবা, বনই তো তোমার বাড়ি। এখানেই তুমি ভালো থাকবে।’

    ‘বাঘটা কিছুতেই বনে গেল না। সে শুধু রাজামশাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল। শেষে রাজা মৃগয়াকুমার বাঘটাকে নিয়ে ফিরে এলেন বিক্রমগড়ের রাজপ্রাসাদে। এসেই তিনি তাঁর রাজপ্রসাদের পাশে বেশ কয়েক বিঘে গাছপালা ঘেরা জায়গা উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেললেন। তার মধ্যে জলাশয়ও তৈরি করালেন। বনের মধ্যে তৈরি করালেন গুহার মতো দেখতে একটা ছোটো ঘর। তারপর একদিন বাঘটাকে নিয়ে বেড়াতে গেলেন সেই বনে। বেশ কিছুক্ষণ ঘোরার পর রাজামশাই তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘তোমার জন্যে এই বনটা আমি বানিয়েছি। এটা তোমার নিজের বাড়ি। এখানে তুমি থাকবে। কেউ তোমাকে মারতে পারবে না এখানে! আমি রোজ এসে তোমাকে দেখে যাব।’ বাঘটা কী বুঝল কে জানে, আর রাজপ্রাসাদে আসার জন্যে বায়না করল না। থেকে গেল সেখানে। রাজা মৃগয়াকুমার প্রাসাদে ফিরে এসে সাইনবোর্ড লেখার লোককে ডেকে পাঠালেন।’

    আমি বললাম, ‘বুঝতে পেরেছি। ওই বনটার একটা নাম দিয়ে বোর্ডে লিখে টাঙিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তো রাজামশাই?’

    তপোসুন্দরবাবু হেসে বললেন, ‘ঠিক ধরেছিস। রাজামশাই বনটার নাম দিলেন ‘বাঘের বাড়ি’। রাজা মৃগয়াকুমারের এই কনসেপ্ট থেকেই তো গোটা পৃথিবী জুড়ে এত ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি বা অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }