Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প261 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আতাপুরের বাঘ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    আতাপুরের বাঘ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাধামোহনবাবুর দিন যত যাচ্ছে হ্যাপা তত বাড়ছে। এক বয়সে ভেবেছিলেন আর কী, পুত্ররা লায়েক হয়ে গেলেই তুড়ি মেরে জীবন কাটিয়ে দেবেন। খাবেন-দাবেন, দেশ ভ্রমণে বের হয়ে পড়বেন। কোনো দায় থাকবে না। পুত্রদের মানুষ করে তোলাই বড়ো কাজ। মা-বাবার আর দায় নেই। তাঁরা গত। ভাইদের থিতু করে দিতে পেরেছেন, বোনেদের সৎপাত্রে দান করে খুশিই ছিলেন, বাড়িঘর বানিয়ে নিজেও থিতু হতে গিয়ে দেখলেন, সব গড়বড় হয়ে গেছে।

    তিনি সকালে ওঠেন, কেউ সকালে ওঠে না।

    সকালে চা খাওয়ার অভ্যাস, কেউ চা করে দেয় না।

    ‘আরে, চায়ের কী হল!’

    রান্নার মেয়েটির গলায় ঝাঁজ, ‘একসঙ্গে হবে। বউদি বারণ করেছে।’

    বাড়িতে আটজন লোক, তিনজন কাজের লোক। খায়দায়, থাকে। মাইনেও কম না। আয়া থাকলে তার এক হ্যাপা, তাও তাঁর জানা ছিল না। গরিব বাবার পুত্র তিনি। স্বামী-স্ত্রীর রোজগারে বাবার সংসার, নিজের সংসার। টেনেটুনে কোনোক্রমে চলে যেত। শেষে সেই মানুষ এত বড়ো গাড্ডায় পড়ে যাবেন স্বপ্নেও ভাবেননি।

    রান্নার মেয়েটা দেশে গেছে। সঙ্গে-সঙ্গে বউমারাও পোঁটলাপুঁটলি নিয়ে বাপের বাড়ি। পড়ে থাকলেন তিনি, তাঁর গিন্নি আর পুত্ররা। নাও এবারে ঠ্যালা সামলাও। তামাশা দেখার লোকের অভাব হয় না। গিন্নি হার্টের রুগি। তিনিও এখন অকাজের। সুতরাং ফের হেঁশেলে।

    প্রতিবেশীরা দেখা হলেই বলবেন, ‘কী দাদা, বাঘারুর মা এল?’

    ‘না রে ভাই!’

    ‘কী করছিলেন? ডেকে-ডেকে সাড়া পাচ্ছিলাম না!’

    কী যে করছিলেন, না জানার কথা না। তিনি খুবই পেট-পাতলা লোক। সকলে সব জানে। বাবুদের অফিস-কাছারিতে বের হওয়ার সময় ভাত, ডাল, মাছ পাতে দিতেই হয়। তারই আয়োজনে যে ব্যস্ত হেঁশেলে, না জানারও কথা না। তাদের টিফিন। এক হাতে—ঠিকে লোকটিও যতটা পেরেছে কাজ এগিয়ে দিয়ে গেছে। তিনি এখন হেঁশেলে হাত পুড়িয়ে রান্নায় ব্যস্ত, মাথাও কম গরম না।

    ‘পরে কথা হবে।’

    পরে কী আর কথা হবে! বউমাদের কথা হবে, মুচকি হাসি। তাও তিনি টের পান। মেজাজ বিগড়ে গেলে গড়গড় করে সংসারের সব কথা বলে দেওয়ার স্বভাব।

    ‘বউমারা কী করে?’

    ‘অফিস করে, কলেজ করে আর বাড়িতে বসে উল বোনে। টিভি দেখে, বই পড়ে। নাটক, সিনেমা, রবীন্দ্রসদন আছে। কাজের অভাব! কেবল অর্ডার। এক গ্লাস জল ভরে খাবে না। কাজের লোকের কী দোষ দেব ভাই! এত ফাইফরমাশ, নিজেরা কুটো গাছটি নাড়বে না।’

    ‘আপনাকে কে খেতে দেয়?’

    ‘বাঘারুর মা।’

    ‘আপনার কাচাকাচি কে করে?’

    ‘বাঘারুর মা।’

    ‘সেই বাঘারুর মা বাড়ি গেছে। দশ দিনের কড়ারে গেছে, আজ এক মাস হয়ে গেল। চিঠিও নেই, ফেরারও নাম নেই। কাছেও না যে ঘুরে আসবেন। বাঘারুর মা আছে বলেই তিনি দু-বেলা দুটো সময়মতো খেতে পান—বাঘারুর মায়ের হাত জোড়া থাকলে ক্বচিৎ কখনো ফটাস করে একটা থালা ফেলে দিয়ে যায় কে? কোন বউমার কাজ এটি, বোঝার আগেই তিনি টের পান ভাত, ডাল, মাছ সবই এক পাতে। খা ব্যাটা।’

    ‘বাঘারুর মা আসবে তো?’

    ‘তা কী করে বলব ভাই! আমার আমলে একরকম, বউমাদের আমলে অন্যরকম। আমাকে তোয়াজ করলেই খাপ্পা। তোয়াজ করতে হবে তাদের। লোক টিকবে কেন ভাই? প্রবলেম চাইল্ড বোঝো? আয়াটি বাড়ির একটি আস্ত চালকুমড়ো। নাতি এখন চার বছরের, স্কুলে যায়। কাজটা কী বলো! তিনি দয়া করে খান আর গড়াগড়ি দেন। তিনি না থাকলে, কার কাছে রেখে যান বলো। আমরা তো বাড়ির কেউ না।’

    ‘সব ক-টাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলেই পারেন?’

    ‘পারি রে ভাই! রেগে বলেও ফেলেছিলাম—সব ক-টাকে বাড়ি থেকে বের করে দেব, সেজো পুত্র শুনে হা হা করে হাসল। ঘরে উঁকি দিয়ে বলল, সকালে বের করে দেবে, সন্ধ্যায় লণ্ঠন হাতে পুত্রদের খুঁজতে বের হবে কোথায় গিয়ে উঠল! তোমার মুখে ওসব কথা সাজে না। তোমাকে আমরা চিনি না!’

    ‘প্রবলেম চাইল্ডদের খবর কী?’

    ‘বাপের বাড়ি। বাঘারুর মা এলে তাঁরাও আসবেন।’

    ‘পোঁটলাপুঁটলি?’

    ‘সঙ্গে। আরে ভাই আমার বাবারও তো কম পোঁটলাপুঁটলি ছিল না! আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। আমার চার। ওদের তো একটাই—হয় পোঁটলা নয় পুঁটলি। তারই কত বায়নাক্কা। স্কুলে যাও, সাঁতার শিখতে যাও, গানের স্কুল, নাচের স্কুল, খেলার মাঠ, কত কী!’

    ‘তাহলে দাদা হাত পুড়িয়ে ভাত খাচ্ছেন! বাঘারুর মা না এলে আপনার সংসার ফাঁকা। যখন ফিরছে না, চিঠি দিন। না হয় কাউকে পাঠিয়ে দিন। নিজেও চলে যেতে পারেন। বয়েস হয়েছে, একদন্ড তো বসে থাকতে দেখি না। ওপরে দেখছি ঘরও তুলছেন।’

    তা প্রতিবেশীরা মিথ্যা বলে না। ওটা যে কী জ্বালা, রাধামোহনবাবু হাড়ে-হাড়ে টের পান। এ-বয়সে বাঘারুর মার খোঁজে যেতেও সাহস হচ্ছে না। কোথায় ন্যাজাত, কোথায় হাসনাবাদ, কী করে যেতে হয়, বাসে না ট্রেনে, ন্যাজাত হয়েও যাওয়া যায়, আবার হাসনাবাদ হয়েও যাওয়া যায়, তারপর ভটভটিতে—রাতে বাঘও বের হয়, লোকজনও তুলে নিয়ে যায়। অথচ সংসারে বাঘারুর মা না থাকলে যে বাঘের উপদ্রব শুরু হয়, তাতে করে ‘দুর্গা, দুর্গা’ বলে বের হয়ে যাওয়াও ঢের সুখের! বাঘের পেটে গেলে আরও সুখের, প্রবলেম চাইল্ডদের উৎপাত থেকে বাঁচা যায়!

    কত যে সংসারে ফরমাশ—বাবা টেলিফোন বিল, বাবা ইলেকট্রিক বিল, বাবা বাজার, বাবা কলে জল নেই, বাবা বাথরুমের ফ্লাশ কাজ করছে না, বাবা সব ডিম পচা, ডিম পালটে আনুন, ডিম পালটাতে পালটাতে জেরবার, বাঘারুর মা না থাকলে আরও জেরবার। কাজেই পুত্রদের ছুটির দিনে বলেই ফেললেন, ‘আমি যাচ্ছি।’

    গিন্নি তারস্বরে বলে উঠল, ‘কোথায়?’

    ‘বাঘারুর মায়ের খোঁজে।’

    ‘তোমার কি বাঘের পেটে যাওয়ার ইচ্ছে হয়েছে?’

    ‘হয়েছে মনে হয়।’

    ‘তাহলে যাও। আমার কী, আজ আছি কাল নেই। এসে দেখবে আমিও আর-এক বাঘের পেটে চলে গেছি।’

    ‘তা আমাদের যাওয়াই ভালো। ছেলেদের ছুটি আছে, আমি না থাকলেও বিশেষ ক্ষতি হবে না।’

    রাধামোহনবাবু খোঁজখবর নিয়ে জেনেছেন ন্যাজাত হয়ে গেলে বিদ্যাধরী নদী পড়বে। বিদ্যাধরী নদী কালিন্দী হয়ে রায়মঙ্গলে পড়েছে। হাসনাবাদ দিয়ে গেলে ইছামতী ধরে দক্ষিণের দিকে দেড়-দু-ভাটি পথ। তারপর আতাপুর। আতাপুরে বাঘ বের হয়। দিনে দিনে যেতে না পারলে বিপদ। বাঘ রাতের বেলা নদী পার হয়ে আসে। এসব খবর বাঘারুর মা তাঁকে দিয়েছে।

    সেই এক সন্ধ্যায় যখন বাঘারুর মা এল, কেমন এক কাকলাশ চেহারা। ক্ষীণকায়, অনাহারে, অর্ধাহারে শরীরে মেদ-মাংস আছে কী নেই, বোঝা মুশকিল। শীতের রাতে হাজির। বিনতার দিদিকে কে গছিয়ে দিয়ে গেছে। সে আবার রামমোহনবাবুকে গছিয়ে দিয়ে গেল। প্রবলেম চাইল্ডদের ফরমাশের ঠেলায় রান্নার লোক যে দু-পাঁচ মাসের বেশি থাকে না, বিনতার দিদি এটা ভালোই জানত। ওদের পছন্দ অপছন্দ খুব বেশি। রাধামোহনবাবু জেরবার, যাকে দেবে তাকেই লুফে নেবেন। সেইসব কারণেই, শীতের রাতে এসে হাজির।

    রাধামোহনবাবুর সসেমিরা অবস্থা। হাতের পাঁচ ফেলতে নেই। রেখে দিলেন।

    কোটরগত চোখ, অস্থিচর্মসার ক্ষীণাঙ্গীকে প্রশ্ন, ‘তোমার কী নাম বাছা?’

    হাঁটু গেড়ে প্রণাম। তারপরই ‘বাবা’ সম্বোধন।

    ‘আজ্ঞে বাবা, আমায় বাঘারুর মা বলে ডাকবেন।’

    ‘বাঘারুর মা! সে আবার কী!’ রাধামোহনবাবুর ভারি বিস্ময়!

    ‘বাঘারু আমার বড়ো ছেলে।’

    ‘কী করে?’

    ‘আজ্ঞে, বাঘ মারে।’

    ‘বাঘ! বলছ কী! বাঘ মারা তো বেআইনি। সরকার জানতে পারলে থানা হাজত হয়ে যাবে।’

    ‘আজ্ঞে বাবা, গোরু ছাগলের মতো মারতে মারতে বাঘকে নদীর ওপারে তাড়িয়ে দিয়ে আসে। বাঘ মারলে পাপ হয় আমরা গরিব চাষাভুষো মানুষও বুঝি। আমার বাঘারু বাঘ তাড়িয়ে দেয়, মারে না। বাঘারুর বাপ বাঘের ভয়ে দেশান্তরী।’

    ‘খোঁজ নেই!’

    ‘তা আজ্ঞে, আছে বাবা। মাঝে মাঝে আসে। দিনের বেলায় আসে। রাতে থাকে। ঘর থেকে বের হয় না। কখন বাঘে খায়!’

    ‘বাপকে বাঘে খাবে, বাঘারুকে পিঠে নিয়ে নাচবে, সে কখনো হয়!’

    ‘হয় বাবা। বাঘারু একবার লেজ ধরে বাঘকে খড়ের গাদা থেকে টেনে নামিয়েছিল, স্বচক্ষে দেখা। বাঘ তাড়া খেয়ে দৌড়োয়, বাঘারুও দৌড়োয়। গাঁয়ের লোকও দেখেছে।’

    ‘খড়ের গাদায় বাঘ! আর জায়গা পেল না!’

    ‘বাবা, বাঘের খুব শীত জানেন। শীতে কাতর, কী করবে বাবা। কোথায় যায়। তা বাঘারু যখন আছে, তার খড়ের গাদায় শুয়ে থাকাই ভালো। সে তো বাঘ মারে না। বনবিবির গোঁসা খুব কঠিন গোঁসা। তারে না ডরালে চলে! বাঘ মারলে দেবী কুপিত হন। বনবিবির বর না পেলে বাঘারু কখনো বাঘ তাড়াতে পারে?’

    ‘বাঘারু যখন আছে বাপ তার বাঘের ডরে দেশান্তরী হয় কেন? বাঘারু তাড়িয়ে দিলেই পারে!’

    ‘ওর যে বাবা আজ্ঞে কপালে লেখা আছে বাঘে খাবে। বাঘারুর ঠাউরদারে খেয়েছে। ঠাউরদার বাপকে খেয়েছে। জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে ফিরে না এলে সুবচনীর থানে হত্যে। কিন্তুক ফেরে না। তা দেবীর দোষ দিয়ে লাভ নেই বাবা। কপালে লেখা থাকলে খন্ডন করে কার সাধ্য!’

    থাকতে থাকতে আরও কত খরব দিত বাঘারুর মা।

    ওপরে চা দিতে এসে বলত, ‘বুঝলেন বাবা, একবার রাতের বেলা ফিরছি, সোত্রাগাছির মেলা খুব বিখ্যাত। গেলেই কত কিছু কিনতে ইচ্ছে করে। কাচের চুড়ি, কানের টব, ঝাঁঝরি, হাতা, খুন্তি, মাটির কলসি সব কিছু। তা ফিরতে দেরিই হয়ে গেল বাবা। আটঘড়ার বাবুদের বাড়ি সুনসান, কেউ থাকে না। বাঘের দৌরাত্ম্যে সব বাড়িছাড়া।’

    রাধামোহনবাবু বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘আরে তোমার কী হল বলো! ফিরছিলে যখন বেশ করেছ, তার আবার এত কথা কেন?’

    ‘আজ্ঞে বাবা, কথাখান ঠিক থাকে না। বাবুদের বাড়ি পার হলেই বনজঙ্গল। রাস্তা আছে। হেঁতালের ঝোপ, গরান গাছের মতো। বাতাসে নড়ানড়ি করছে।’

    বাঘারুর মায়ের এই দোষ। এক কথা বলতে বলতে লাইন পালটে ফেলে।

    ‘আজ্ঞে বাবা, তারপর যা বোঁটকা গন্ধ! জানি, মরণ লেখা। জঙ্গলের ভেতর মচমচ শব্দ। আমরা হাঁটি, তিনিও হাঁটেন। আমরা থামি, তিনিও থামেন। কার ঘাড় মটকাবে কে জানে! বুকে জল থাকে না গো বাবা। ভাগ্যিস বাঘারুর বাপ সঙ্গে ছিল না। থাকলে কী হত বলেন!’

    ‘বাঘারুর বাপকে খেত। শত হলেও কপালে লেখা।’ তারপর কী ভেবে রাধামোহনবাবু বলেছিলেন, ‘তাহলে বলতে হয় বাঘ তোমার লোক চেনে!’

    ‘কী যে বলেন গো বাবা, চিনবে না! না চিনলে বাঘারুরে বলে চিৎকার করতেই পালায়!’

    ‘বাঘারু কি স্বপ্ন দেখে?’

    ‘না গো বাবা, খেতেই পায় না, স্বপ্ন দেখবে!’

    তারপরই কী বুঝে বাঘারুর মা বলেছিল, ‘আজ্ঞে, যদি গাঁয়ে যান, বাঘারুর কথা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করবে।’

    ‘জঙ্গলে বাঘ কি উঁকি দিয়েছিল, না শুধু মচমচ শব্দই শুনেছিলে?’

    আঁধার রাতে বাঘ দেখা যায় না জানেন। আগুনে-চোখ। চোখ জ্বলে। দেখলেই হাত-পা অবশ। সবাই বনবিবির পাঁচালি সুর করে পাঠ শুরু করে দিলাম বাবা। ও মা, দেখি পা-পা করে এগোচ্ছে আর পরিত্রাহি চিৎকার, ওরে বাঘারু রে, তোর মাকে বাঘে খেল রে! হাঁড়ি, পাতিল ফেলে ছুটব কী! আবার চিৎকার, ওরে বনবিবির দোহাই মানছে না রে বাঘারু। তুই কোথায় গেলি রে বাপ! তোর মা বাঘের পেটে গেলে তুই কী খাবি রে বাপ। বিশ্বাস করেন গো বাবা, এক লাফ। লম্ফঝম্ফ বনজঙ্গলে তান্ডব। ঊর্ধ্বশ্বাসে বাঘারুর নাম শুনেই ডরে পালাচ্ছে।

    এত সব কথা রাধামোহনবাবু শুনে বলেছিলেন, ‘যাক, তোমার বাঘারু আছে। আমার তো তাও নেই বাছা। তোমার বাঘারুকে নিয়ে এসো একবার, দেখব।’

    ‘কী যে কথা বাবা বলেন গো! গাঁ থেকে তার ছুটি আছে? সে থাকে বলেই গাঁয়ে বাঘ ঢোকে না। বাঘারু বাঘের একটা মুখোশও পরে থাকে। নদী পার হয়ে চুপি চুপি বাঘ গাঁয়ে ঢুকছে শুনলেই, বাঘারু স্থির থাকতে পারে না। গাঁয়ের লোক মিলে একটা হলুদে রঙের জোব্বা বানিয়ে দিয়েছে। বাঘের মুখোশ বানিয়ে দিয়েছে। কোমরে নাকড়া বাঁধা। সে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায় আর বাদ্য বাজায়। আমার বাঘারুর বগলামুখী কবচ আছে, তারে খায় বাঘের সাধ্য কী! ওটা কোন সাধু তপস্বী তারে দিয়ে গেছে।’

    ‘বাঘারুর বয়স কীরকম?’

    ‘সেবারে বন্যা হল না! দেশ-গাঁ ডুবে গেল। আমরা পাঁচ কোশ দূরে স্কুলবাড়িতে উঠে গেলাম। মাঠে তাঁবু পড়ল। আমার বাঘারুও নেমে এল ধরায়। ওর বাপ আহ্লাদে আটখানা। আটকড়াই-এর দিন বাঘারুকে কোলে নিতেই আহ্লাদ বেড়ে গেল তার বাপের—কোলে নিয়ে সে কী কান্ড! ওগো কী নাদুসনুদুস—একেবারে বাঘের বাচ্চা!’

    এই এক দুঃস্বভাব বাঘারুর মার। কথা সহজে শেষ হয় না। কথা না বলেও পারেন না রাধামোহনবাবু। বাড়িতে কার আর অত সময় আছে তাঁর সঙ্গে বকবক করবে! সবাই যে যার মতো থাকে। বাঘারুর মার সঙ্গেই দু-চারটে তবু কথা হয়। বন্যা কবে হয়েছে, তা দিয়ে যদি বয়স ঠিক করতে হয় তবে তিনি যে নাচার। বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, ‘বন্যা তো দু-চার সাল বাদে-বাদেই হয়। ও দিয়ে কী আর বয়স ঠিক করা যায়!’

    তারপরই বলেছিল বাঘারুর মা, ‘আমার বাঘারু দুটো ছাগল পুষছে। হাট থেকে ডিম এনে বাচ্চা ফুটিয়েছে। ওর চারটে মুরগি, পাঁচটা হাঁস বাবা। বাঘারু ছাগল, হাঁস পালতে খুব ভালোবাসে।’

    বয়স কিছুতেই বলছে না। ছাগল, হাঁস দিয়েও বয়স ঠিক করা কঠিন। বাধ্য হয়ে বলেছিলেন, ‘ওর বাপ তো মাসে মাসে আসে। দু-এক রাত থেকেও যায়। দেশান্তরী মানুষ তো, টাকার কথা ভোলে না। একবার বলবে, বাঘারুকে যেন নিয়ে আসে। দেখব।’

    ‘না গো বাবা, বউদিরা কর্তা আসে বলেই প্যানপ্যান করে। বাঘারুর এসে কাজ নেই।’

    ‘কাজ আছে। তুমি বাঘারুকে নিয়ে আসতে বলবে।’

    কথা রেখেছিল। বাঘারু বয়স চোদ্দো-পনেরোর বেশি হবে না। সে পাঁচ-সাতদিন ছিল ঠিক, তবে সে তার মায়ের এত ন্যাওটা যে, একদন্ড তার মায়ের কাছছাড়া হয়নি। ডাকলে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে, ভেতরে ঢুকতে সাহস পায়নি। মনে হয়েছে খুবই গোবেচারা স্বভাবের। সুন্দরবন থেকে হঠাৎ এত বড়ো শহরে ঢুকলে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যেতেই পারে। বাঘারুর দোষ দেওয়া যায় না।

    সুতরাং বাধ্য হয়ে বাঘারুকে ডেকে বলেছিলেন তিনি, ‘ওরে বাঘারু, চোরের মতো লুকিয়ে বেড়াস কেন, কাছে আয়। আমাকে তোর ভয় কী!’

    সে মাথা নীচু করে ঠায় হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকলে তিনি বলেছিলেন, ‘তুই বাঘ তাড়িয়ে নদী পার করে দিয়ে আসিস?’

    সে কিছু বলছে না।

    ‘কী রে, চুপ কেন?’

    ‘আজ্ঞে, গুপ্ত কথা। পাঁচ কান করতে নাই।’

    ‘আচ্ছা ছেলে তো! এমনভাবে কথা বলছ যেন সে সত্যি বাঘ তাড়ায়। বাঘ তাড়াবার গুপ্ত মন্ত্র তার জানা। তোর মা যে বলে, বাঘারু আছে বলে গাঁয়ে বাঘ ঢুকতে সাহস পায় না। তোর এত হিম্মত, দেখে তো মনে হয় না!’

    ‘আজ্ঞে, সব কী দেখে বোঝা যায়! তবে মার কী দরকার ছিল বলার! আমার মা না খুব বোকা।’

    এরপর আর কী বলা যায়! তবে ছেলেটিকে দেখে তাঁর মনে হয়েছিল, খুবই নিষ্পাপ। বাড়িতে মা থাকে না, বাবা থাকে না, ভাই-বোনদের সামলায়, ছাগল, হাঁস, মুরগি পুষে সংসারের সাশ্রয় খোঁজে, সে যদি বাঘ তাড়ায়ই, দোষের কী!

    ‘তোর বগলামুখী কবচ আছে?’

    ‘তা আছে বাবু।’

    ‘যদি তোর দেশে যাই, বাঘে খাবে না তো!’

    ‘আপনি যাবেনই না। বাঘে খাবে কেন!’

    ‘গেলে খাবে বলছিস!’

    বাঘারু এমন অবজ্ঞার হাসি হেসেছিল যে, তিনি কিছুটা বেকুব। বাঘের আর খেয়েদেয়ে কাজ নেই তাঁর মতো লোককে খাওয়ার জন্য নদী পার হয়ে গাঁয়ে ঢুকবে। কিছুটা রসিকতা করার জন্যই বাঘারুর কাছে বাঘের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। বাঘ নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা সে পছন্দ করে না এটাও তিনি বুঝেছিলেন। আর তাতেই রাধামোহনবাবু কাবু। হয়তো কিছু একটা আছে বাঘারুর মধ্যে। তিনি কেন যে ভেবে ফেলেছিলেন, বনজঙ্গলে থাকতে থাকতে ছেলেটা জীবজন্তুর দুঃখ-কষ্ট টের পায়। বাঘের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকতেই পারে।

    রাধামোহনবাবু বারাসাতে গিয়ে বাসে উঠে পড়লেন। সংসারে থাকলেও বাঘের তাড়া, আর জঙ্গলে গেলেও বাঘের তাড়া। তবে সেখানে বাঘারু আছে। সংসারে তাঁর তাও নেই। বাড়ির সবার ওপর ক্ষুদ্ধ তিনি। শেষ বয়সে হাত পুড়িয়ে রান্না করা যে কত বড়ো ব্যর্থতা, কে বুঝবে! গিন্নির অনুরোধ, পুত্রদের অনুরোধ কিছুই আর কর্ণপাত করলেন না। খুব সকালে বাস ধরলে ন্যাজাত চার-পাঁচ ঘন্টার রাস্তা। সেখান থেকে ভটভটি। ভটভটিতে উঠে গাঁয়ের নাম বলতেই, একজন বলে ফেলল, ‘আরে, বাঘারুর গাঁয়ে যাবেন, চলেন। ঘাট এলে নেমে যেতে বলব।’

    ‘কখন পৌঁছোব?’

    ‘নদী ঠাণ্ডা থাকলে সন্ধ্যা হবে।’

    ‘ঠাণ্ডা না থাকলে?’

    ‘সেটা ভগবান জানেন।’

    কেমন এক গোঁ ধরে গেল। সাঁজ লাগুক, রাত হোক, তিনি যাবেনই। বাড়িঘর আর বনজঙ্গলে তাঁর কোনো তফাত নেই। যদি বাঘের দেখা পাওয়া যায়—তা আরও মজা। বাঘারুর দোহাই, বাঘারুর মায়ের দোহাই দিলেই বাঘ হয়তো রাস্তা চিনিয়ে বাড়ি দিয়ে আসবে।

    নদীনালার দেশ এমন বিচিত্র হয়, তিনি জানতেনই না। সারাটা রাস্তা বাসে দাঁড়িয়ে, বসার জায়গা নেই, ঘেমে-নেয়ে কেমন অবসাদ শরীরে মানুষ এভাবে বাঁচে, আগে তিনি যেন জানতেন না। কোলে-কাঁখে বাচ্চা, হাঁটু জুড়ে বাচ্চা, খানাখন্দ পার হয়ে, ফসলের মাঠ পার হয়ে বাস ঢেউ ভাঙতে ভাঙতে শেষপর্যন্ত ন্যাজাতে নামিয়ে দিলে একটা টুলে বসে কিছুক্ষণ হাঁফালেন, চা-পাউরুটি খেয়ে আতাপুরের ভটভটি ধরেছেন, তারপর কেমন ঠাণ্ডা-নদীর জল, দু-পারের গাছপালা, নদী ঠাণ্ডা যে নয়, তাও টের পাচ্ছেন। প্রবল বাতাসে উঠেছে ঢেউ, আছড়ে পড়ছে ভটভটিতে, ডুবে গেলেও হয়—তাঁর নিজের জন্য কোনো ভাবনাই বোধ হয় কাজ করছে না। আসলে গোটা সংসারের ওপর ক্ষোভে তাঁর মাথাও বোধ হয় ঠিক ছিল না।

    ‘আর ভাই কতদূর!’

    ‘এই এসে গেলেন বলে!’

    ‘আর ভাই কতদূর!’

    ‘ওই যে গাঁয়ে লণ্ঠন জ্বলছে, ওটাই, নদীর বাঁক শেষ হলেই ঘাট দেখতে পাবেন।’

    কিন্তু ঘাটে নেমে বুঝলেন, বেশ রাত হয়ে গেছে। গাঁয়ের কোনো চিহ্ন নেই। শুধু চারপাশে ঝোপজঙ্গল, আর ঘন হেঁতালের ঝোপ। ভটভটি থেকে ক-জন সওয়ারি নেমে নদীর পাড় ধরে হাঁটা দিলে, তাঁর কেমন সংবিৎ ফিরে এল।

    ‘শুনোন।’

    মাথায় ধানের বোঝা। সে অতিকষ্টে তাঁর দিকে তাকাল। গাঁয়ের সাদাসিধে মানুষ। গায়ে ছেঁড়া গেঞ্জি। হাঁটুর ওপর কাপড় পরা। কোমরে গামছা বাঁধা। সে তাঁর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কিছু কবেন বাবু?’

    ঘাটে শুধুমাত্র একটি হ্যাজাক জ্বলছে। ঝুপড়িমতো ঘরে কেউ একজন বসে রামপ্রসাদী গাইছে। তিনি বললেন, ‘এটা আতাপুরের ঘাট তো?’

    ‘আজ্ঞে বাবু, আতাপুরের ঘাট।’

    ‘গ্রামটা কোন দিকে?’

    ‘ও তো এক ক্রোশ পথ।’

    পড়ে গেলেন মহাফাঁপরে। ঘাটের ঝুপড়িতে বসে মনের সুখে একজন কেউ হবে রামপ্রসাদী গেয়েই চলেছে। জ্যোৎস্নায় স্পষ্ট কিছু দেখাও যায় না। এই প্রথম তিনি টের পেলেন, বড়োই বিপাকে পড়ে গেছেন। রাগের মাথায় বের হয়ে এসে ঠিক কাজ করেননি। নদীর জলে কলকল শব্দ। বিশাল নদী, পাড় কোথায় বোঝারও উপায় নেই।

    ‘তুমি কোথায় যাবে ভাই?’

    ‘পাশের গাঁয়ে।’

    ‘কতদূর?’

    ‘সামনের জঙ্গল পার হয়ে গেলেই।’

    ‘আতাপুর যাব কী করে বলতে পারো?’

    ‘কার বাড়ি যাবেন?’

    ‘বাঘারুদের বাড়ি?’

    লোকটি আর একটি কথা না বলে প্রায় ঊর্ধ্বশ্বাসে অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আচ্ছা লোক তো! বাঘারুর নাম শুনেই ভড়কে গেল, না, কোনো অশুভ ব্যাপার জড়িয়ে আছে। কী করেন! তারপরই মনে হল, সাহস সঞ্চয় করা দরকার। ঘাটে ফিরে গিয়ে ভাবলেন, রামপ্রসাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। যদি রাস্তা দুর্গম হয়, তবে না হয় ঘাটেই থেকে যাবেন।

    আর আশ্চর্য! ঘাটে নেমে দেখলেন, কেউ আর গান গাইছে না। নদী বয়ে চলেছে আপন মনে। তিনি এবার ইষ্টনাম জপ করছেন। দপদপ করে হ্যাজাকের আলো নিভে গেলে, কে সেটা বাঁশের ডগা থেকে নামিয়ে নিয়ে চলে গেল! বোধ হয় জ্ঞান হারাবার মতো অবস্থা। সুখে থাকতে ভূতে কিলোয়—এখন কী করেন! আতঙ্কে শরীর অবশ হয়ে আসছে। বোধ হয় ভিরমি খেয়ে পড়ে যেতেন, তখনই বাঘারু হাজির।

    ‘বাবু, আপনি?’

    ‘আরে তুই। যাক, বাঁচালি। তোর মা যে ডুব মারল, কোনো পাত্তা নেই! আমার ঘরবাড়ি কে দেখে! তোর মার কোনো আক্কেল নেই! সে তো জানে, না থাকলে আমার কী হেনস্থা হয়!’

    ‘আসেন বাবু।’

    বাঘারু আগে। তিনি পেছনে। বনজঙ্গলের ভেতর ঢুকে কেমন বোটকা গন্ধ।

    ‘বাঘারু, কীসের গন্ধ রে?’

    ‘আসেন বাবু। ভয় পাবেন না। সঙ্গে-সঙ্গে আসছেন। কিছু করবে না।’

    ‘তা জানি, তুই আছিস, কিছু করতে পারে।’ তারপরই রাধামোহনবাবু দেখলেন, বাঘারু হাঁটছে, আর তার সঙ্গে তিনিও হাঁটছেন।

    ‘বাবা বাঘারু, তিনি কি তোর সঙ্গে বাড়ি যাবেন? এত রাতে এঁকে আবার সঙ্গে নিলি কেন? না নিলে তোর ক্ষতি হবে?’

    ‘ক্ষতি কিছু হবে না। আপনি নতুন এয়েছেন, লোভ সামলাতে পারল না। তবে আমি আছি, কোনো ভয় নেই।’

    ‘সে জানি। তোর ওপরে ভরসা করেই দুর্গা দুর্গা বলে বের হয়ে পড়লাম। এই রে, আমার গা শুঁকছে!’

    ‘আপনি বড়ো ভীতু বাবু।’

    ‘এই রে, গা চাঁটছে। বাঘারু, বাবা বাঘারু, আর কতদূর যাবি বাপ। কখন থেকে হাঁটছি। উনি আমাদের সঙ্গে তোর বাড়ি যাবেন? না গেলে হয় না? আমার সঙ্গে তো দেখা হয়েই গেল। এখন নদী পার হয়ে তিনি জঙ্গলে চলে গেলে ভালো হয় না!’

    ‘যাবেন। সময় হলেই যাবেন।’

    ‘কখন সে সময় হবে?’

    ‘ওই তো বাবু, দেখছেন কুপি জ্বলছে উঠোনে—গিয়ে ডাকুন বাঘারুর মাকে। সাড়া পাবেন।’

    তিনি দ্রুত হাঁটা দিলেন, কে সঙ্গে আছে কে নেই মনে থাকল না। কোনোরকমে সে আলোর কাছাকাছি গেলে রক্ষা পেয়ে যাবেন। বাঘারুর মা বের হয়ে এলে প্রাণে জল আসবে। তিনি ছুটছেন।

    বাঘারু দূর থেকে চিৎকার করে বলল, ‘ছুটবেন না বাবু। ছুটলেই গপ করে গিলে ফেলবে।’

    তিনি আর পারেন! থমকে দাঁড়ালেন। আর দেখলেন বাঘারু অদৃশ্য। সব অদৃশ্য। ‘বাঘারুর মা কুপি হাতে বের হয়ে দেখল, কলকাতার বাবু দাড়িয়ে আছে না। থরথর করে কাঁপছেন।

    ‘বাবা, আপনি? কী করে এলেন! এত রাতে! এত রাস্তা!’

    ‘তোমার বাঘারু দিয়ে গেল।’

    আর সঙ্গেসঙ্গে বিলাপ, ‘ও গো বাবা, আমি যাই কী করে! বাঘারু আমার বাঘের পেটে গেছে। বাঘের পেটে গিয়েও শান্তি পায়নি। ঘাটে রাতে বসে থাকে। বিপদে-আপদে ঘাট থেকে মানুষকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। ওর স্বভাব বাঘের পেটে গিয়েও বদলাল না গো বাবা। আপনি ওর দোষ নেবেন না।’

    রাধামোহনবাবু আর পারেন! তিনি যথার্থই সংজ্ঞা হারালেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিবীণা – কাজী নজরুল ইসলাম
    Next Article মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }