Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প306 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শুধুই কি দুর্ঘটনা? – সমরজিৎ কর

    দক্ষিণ পশ্চিম ভারতের গৌরিবাদানুর যেন বড়োই নির্জন। উতকামন্ড। সেখানে থেকে পাহাড়ের খাড়াই উৎরাই দিয়ে একটানা পথ। মাঝে মাঝে দু-চারটে ঘর নিয়ে এক একটি বসতি। কোথাও বা ঝরনা। পাহাড়ের গায়ে কফি বাগিচা। কোথাও গভীর অরণ্য। এরই ফাঁকে গৌরবাদানুরের এই এলাকাটা একটা খাদের মতো। চারিদিকে পাহাড়। তাদের মাঝখানে খাদ।

    বলতে পার, বনবাস। সত্যিই বনবাস। এখানে যারা বাস করেন, কয়েকজন বিজ্ঞানী এবং তাঁদের সহকর্মী-গোড়ায় এখানকার সৌন্দর্য দেখে সবাই তারা অভিভূতই হয়েছিলেন। তারপর কয়েকটা দিন যেতেই কেমন একটা বিমর্ষভাব। এক প্রান্তে কয়েকটি ঘর। তাদের মধ্যে একটিতে এক দঙ্গল কমপিউটার। বাইরে ভূকম্পন মাপার যন্ত্র। কমপিউটারের সাহায্যে ভূকম্পন মাপা—এই তো কাজ। পৃথিবী নামক বিরাট গোলকটি দুরন্ত বেগে সূর্যের চারপাশ পরিক্রমণ করছে। আর গতিশীল যে বস্তু সে তো কাঁপবেই। সেই কম্পন সমানে লিপিবদ্ধ হচ্ছে ছক আঁকা কাগজের ওপর। একটানা দেখতে দেখতে পাগল হওয়ার মতো অবস্থা।

    আর এক প্রান্তে সেই রেডিয়ো টেলিসকোপটা। ধাতব রড এবং পাত দিয়ে তৈরি—যেন একটি নৌকো। এক কিলোমিটার লম্বা। অনুচ্চ খাড়াই এর ওপর, একটি গবেষণাগার। সেখানেও পাগল করার মতো নির্জনতা। শুধু দেখে যাও, দূর মহাকাশে কী ঘটছে। টেলিসকোপে কোনো নিউট্রন নক্ষত্র, রেডিয়ো তরঙ্গের উৎস, অথবা অন্যকিছু ধরা পড়ে কিনা তার জন্যে অপেক্ষা করা। সেই পর্যবেক্ষণের কাজে কোনো বিরতি নেই। পুরো ব্যাপারটাই মাঝে মাঝে বড়ো একঘেয়ে মনে হয়। ফলে এখানকার যারা কর্মী, তাঁদের চিন্তাধারা এবং চালচলন মাঝে মাঝে বড়ো ঢিলে হয়ে পড়ে।

    এই ভাবেই চলছিল। বলতে পার, যাকে বলে নিস্তরঙ্গ জীবন। কিন্তু হঠাৎ, কোনো কিছু অনুমান করার আগেই এমন একটি ঘটনা ঘটল কেউ ভাবতেই পারেনি।

    ভূকম্পনজ্ঞাপক পরীক্ষাগারটি লম্বায় কুড়ি ফুট, চওড়ায় পনেরো ফুট। চারদিকে কাচে ঢাকা জানালা। মে মাস বাইরে যথেষ্ট গরম। ভেতরটা শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকায় খুবই আরামপ্রদ ছিল দিনটা রবিবার। দু-জন পর্যবেক্ষক বিজ্ঞানী ছাড়া সবাই বাসায়। সন্ধে সবে গড়িয়েছে। পরিষ্কার আকাশ। তার গায়ে তারাগুলি জ্বল জ্বল করছে। চাঁদ নেই। তাই অরণ্যের ওপর নেমে এসেছে অন্ধকারের পুরু চাদর।

    পর্যবেক্ষক বিজ্ঞানী বলতে রাঘবন এবং অশোক মিত্র। তাদের হাতে কফির পেয়ালা। সময়—আলোর প্রচণ্ড ঝলসানি। তারপর অদূরে, তা সাত-আট কিলোমিটার দূরে হবে, প্রচণ্ড শব্দ। পরমুহূর্তে ভূকম্পন যন্ত্রের কমপিউটারটি চঞ্চল হয়ে উঠল। যার মানে প্রচণ্ড ভূকম্পন ঘটল।

    রাঘবন এবং অশোক এক লাফে গিয়ে দাঁড়াল লেখচিত্রের সামনে।—

    কী কাণ্ড! বলল রাঘবন।

    একেবারে দশ রিখটার! যেন ভিরমি খেল অশোক। কারণ এ ধরনের অভিজ্ঞতা তার জীবনে এই প্রথম ঘটল।

    একই সময় গৌরিবাদানূরের রেডিয়ো টেলিসকোপের পর্যবেক্ষণ কক্ষেও তখন রীতিমতো নাটক। এই ঘরটির পুরোটাই মাটির নীচে। অতএব বাইরে কি হচ্ছে, সেটা কারোরই দেখার কথা নয়। রেডিয়ো অ্যাস্ট্রনমার ড. চিদাম্বরম তাঁর সহকারী নিগাভেজরকে নিয়ে সাইরাস নক্ষত্র বরাবর একটি রেডিও নক্ষত্রের ওপর পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ—

    অদ্ভুত ব্যাপার। স্ট্রং রেডিয়ো নয়েজ। কম্পিউটারের দিকে চাইতেই চোখ। যেন ছানাবড়া হয়ে উঠল ড. চিদাম্বরমের। —কী হচ্ছে, দেখ তো? পাশে অঙ্ক কষছিলেন নিগাভেজর। তাঁর ডাকে তিনি কম্পিউটারের ভিশন প্লেটটির ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। তারপর মুহূর্তের জন্যে হতবাক অবস্থায় থাকার পর তাঁর মুখে একটা শব্দই উচ্চারিত হল—’আশ্চর্য!’

    ঝানু পর্যবেক্ষক ড. চিদাম্বরমের বুঝতে অসুবিধা হল না, তাঁদের অতিকায় রেডিয়ো টেলিসকোপে বিচিত্র বেতার সংকেত ধরা পড়েছে। সেই সংকেত যে সুদূর কোনো নক্ষত্রের নয়, সে সম্পর্কে কখনোই তিনি ভুল করতে পারেন না।

    কিন্তু এর পর যা ঘটল তা আরও অবাক করার মতো। নিয়ম মতো ভূমিকম্পের খবরটা পাঠিয়ে দিলেন দিল্লির কেন্দ্রীয় দপ্তরে। জানালেন, ‘ভূকম্পনের মাত্রা খুবই মারাত্মক। তার উৎপত্তিস্থলটি আমরা ধরতে পারছি না। অদ্ভুত ব্যাপার, এখানে কোনো ক্ষয় ক্ষতিও হয়নি।

    মিনিট পনের পর দিল্লির অফিস থেকে টেলিফোনট করেছেন দপ্তরের খোদ কর্তা ড. বিশ্বনাথন। ‘হ্যালো!’ ফোন ধরলেন অশোক।

    ‘কী ব্যাপার, অশোক? দশ রিখটার স্কেলে যদি ভূকম্পন হয়, তাঁর মানে কী দাঁড়ায় জান? এতক্ষণে তোমরা তো পাথরের গর্তে তলিয়ে যেতে? অ্যাবসার্ড এমন প্রচণ্ড কম্পন, অথচ কোথাও কিছু হল না। একটা কুটির ভাঙার খবরও তো আমি পেলাম না। পাগল হলে নাকি তোমরা?’ ড. বিশ্বনাথন যে খুবই বিরক্ত হয়েছেন, তাঁর কণ্ঠস্বরেই তা বোঝা গেল।

    ‘আমাদের যন্ত্র ঠিকই আছে, ড. বিশ্বনাথন। ভুল আমাদের হয়নি।’

    কিন্তু কথা শেষ না হতেই রেডিয়ো টেলিফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।

    রাঘবন এবং অশোক তো হতভম্ব।

    তার পরক্ষণেই আর একটা টেলিফোন কল।

    ‘হ্যালো? অশোক মিত্র হিয়ার?’ রিসিভারটি তুলে নিয় কথা বললেন অশোক।

    ‘একটা অনুরোধ। ভূমিকম্পের খবরটা আপাতত চেপে যান। বিষয়টি জরুরি।’ ওপার থেকে কে কথা বলল। এবং এইটুকুই। তারপর টেলিফোনের সংযোগ কেটে গেল।

    ওদিকে রেডিয়ো টেলিসকোপের তথ্যকেন্দ্রে তখন দারুণ উত্তেজনা। এই মাত্র পাওয়া রেডিয়ো সংকেতগুলি বিশ্লেষণ করে ড. চিদাম্বরম বুঝতে পারলেন, ঘটনাটি আশপাশেই ঘটেছে। কম্পিউটারের ভিশন প্লেটে ভেসে উঠেছে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের তরঙ্গ। তারা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরছে। বলতে কী এ ধরনের অভিজ্ঞতা এর আগে তাঁর কখনো হয়নি।

    এ ক্ষেত্রেও অবাক কাণ্ড! ড. চিদাম্বরম খবরটা পাঠালেন বোম্বাই-এর জিওম্যাগনেটিক রিসার্চ ইনসটিটিউটের ডিরেক্টর ড. অরিজিৎ সরকারের কাছে। ভেবেছিলেন, খবরটা পেয়ে ড. সরকার বেশ অবাকই হবেন। আশ্চর্য! অবাক হওয়া তো দূরের কথা। বরং তিনি যেন জ্বলন্ত আগুনের উপর এক বালতি ঠান্ডা জল ঢেলে দিলেন। জানালেন : ‘ব্যাপারটা আমরা জানি ড. চিদাম্বরম। বরং আমিই এ নিয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছিলাম, এমন সময় আপনার ফোন এল। যাই হোক, আমরা পরে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আপাতত এ নিয়ে কারোর সঙ্গে আর কথা বলবেন না।’

    হাতের গ্রাহক যন্ত্রটি ক্র্যাডেলের ওপর নামিয়ে রেখে একেবারে পাথর হয়ে বসে পড়লেন ড. চিদাম্বরম। সব কেমন যেন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে।

    ড. নিগাভেজার জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কী মনে হয়, ড. চিদাম্বরম?’

    ‘একটা ধাঁধা ছাড়া কিছুই না।’ বললেন, ড. চিদাম্বরম।

    এ এক অদ্ভুত পরিস্থিতি। ভূকম্পন কেন্দ্র এবং রেডিয়ো টেলিসকোপের মানমন্দিরে সে রাতে কেউ আর ঘুমতে পারলেন না। সবাই বুঝতে পারলেন, যা ঘটেছে তার প্রচলিত চিন্তাভাবনায় ব্যাখ্যা চলে না।

    ২

    ব্যাপারটা যে এই ভাবে একেবারে নাগালের বাইরে চলে যাবে সে কথা কল্পনাও করতে পারেননি ড. জেমস অ্যান্ডার্সন। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের এই যে দ্বীপটি, আয়তনে এতই অকিঞ্চিৎকর যে মানচিত্রে কোনো স্থানই পায়নি। দৈর্ঘ্যেপ্রস্থে প্রায় এক মাইল। কুমারিকা অন্তঃরীপ থেকে কত দূরত্ব? তা হাজার দুই মাইল হবে। মাঝে মাঝে কিছু ঝোপ-ঝাড়। বেশির ভাগই ফার্ন জাতীয় গাছ।

    মনুষ্য সভ্যতা থেকে বহু দূরে নির্জন এই দ্বীপে গত তিন বছর ধরে বিচিত্র এক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মগ্ন ছিলেন জেমস অ্যান্ডার্সন। জন দশেক সহকারী নিয়ে শুরু হয়েছিল গবেষণা। কাজ কর্ম চলছিল খুব গোপনে। বাইরে থেকে তাঁদের সাহায্য করছিলেন তিন জন—ড. বাসু, জাভিয়ের সাইমন, এবং ড. করডিনি। এঁদের মধ্যে ড. বাসুই প্রবীণ। জাভিয়ের মেকসিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞানের, করডিনি অধ্যাপনা করেন মিলান বিশ্ববিদ্যালয়ে, ধাতুবিজ্ঞানী হিসেবে তাঁর প্রচুর নাম ডাক।

    বছর পাঁচ আগে এক খণ্ড উল্কাপিণ্ড পেয়েছিলেন কর্ডিনি। তাতে তিনি এমন এক ধরনের মৌলিক পদার্থের সন্ধান পান যা আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত হয়নি। জেমস তখন বার্জলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পরমাণু বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করছেন, আন্তর্জাতিক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ড. বাসু, জেভিয়ের এবং তিনি এসেছিলেন মিলানে। ওই সময় উল্কার ব্যাপারটা তাদের বলেন কর্ডিনি শুধু এলেই ক্ষ্যান্ত হননি, উল্কা পিণ্ডটি তাঁদের দেখান।

    ‘গুড গুড। এ যে সুপার হেভি!’ প্রথম দেখাতেই বুঝতে পেরেছিলেন ড. বাসু,—’করডিনি, আমার অনুরোধ এ নিয়ে আপনি হইচই করবেন না। ব্যাপারটা চেপে যান।’ বলেছিলেন তিনি। তারপর সেদিনই পুরো পরিকল্পনাটির ছক করে ফেলেন তিনি। ঠিক হয় যা কিছু করণীয় জেমসই করবেন। দূর থেকে মতলব দিয়ে তাঁকে সাহায্য করবেন ড. বাসু কারডিনি এবং জেভিয়ের।

    ড. বাসুর পরিকল্পনাটি শুনে সবাই, বিস্মিত হন, তাঁরা বুঝতে পারেন, তাঁর পরিকল্পনা যদি সফল হয় মানুষ কোনো দিন যা ভাবতে পারেনি, পৃথিবীতে সেটাই ঘটবে।

    ‘কিন্তু এ কাজে তো প্রচুর অর্থ দরকার?’ প্রশ্ন করেছিলেন জেমস।

    ‘হবে, সব হবে, জেমস!’ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন ড. বাসু।

    এর পর সব কিছুই ঘটল দ্রুত লয়ে, প্রচুর অর্থ এল, গবেষণার যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উভযান বিমান। সবই যোগালেন ড. বাসুর তিন মার্কিন শিল্পপতি বন্ধু। বছর দুই ঘুরতেই গবেষণায় পাওয়া গেল অসামান্য সাফল্য। আর তারপর থেকেই শুরু হল জটিলতা।

    ৩

    এপ্রিলের গোড়ায় সোভিয়েত দেশের একটি স্পাই উপগ্রহ বেশ নির্দেশ মতোই আকাশ-পথে পরিক্রমণ করছিল আতলান্তিক মহাসাগরের ওপর দিয়ে। বৈকানুর মহাকাশ স্টেশনের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে বসে তার ওপর নজর রাখছিলেন দ্রিমিত্রি কাজিরেং, তার সামনে কম্পিউটার যন্ত্রগুলি সচল। ভিশান প্লেটের ওপর ভেসে উঠেছে উপগ্রহটির ছবি, এমন সময় ব্যাপারটা মুহূর্তেই ঘটে গেল। প্রথমে একটি আলোর ফুলকি, তারপর বিস্ফোরণ, দিমিত্রি দেখলেন, উপগ্রহটি ধবংস হয়ে গেল।

    ভয়ে সমস্ত শরীর কাঁপতে লাগল দিমিত্রির। ‘স্যাবোটাজ?’ নিজের মনেই বলে উঠলেন তিনি। আর তাঁর পরক্ষণেই কানের পাশে বেজে উঠল টেলিফোন ‘দি মি ত্রি! কাণ্ডটা কী ঘটল লক্ষ করলে? হায় ভগবান!’ কথা বললেন, গুপ্তচর বিভাগের প্রধান মিখাইল পেত্রোভিচ। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন যেন তিনি।

    ‘কিছুই তো বুঝতে পারছি না।’ শুকনো গলায় জবাব দিলেন দিমিত্রি। স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে বৈকানুর থেকে যে খবরটা মস্কোর হেডকোয়ার্টারসে পৌঁছেছে সেটা বুঝতে তাঁর অসুবিধে হল না।

    ‘ইয়াংকিদের কাজ?’

    ‘একটু সবুর করুন, ব্যাপারটা আমি খতিয়ে দেখছি।’

    ঘন্টাখানেক কম্পিউটারের সাহায্যে নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেন দিমিত্রি, এবং শেষ পর্যন্ত….’একেবারে জট কাকে বলে’…বলেই মিখাইলের সঙ্গে টেলি সংযোগ করলেন।

    ‘কী বুঝলে?’ জিজ্ঞেস করলেন মিখাইল, তাঁর কণ্ঠে রীতিমতো উদবেগ।

    ‘না। আশেপাশে কোনো মার্কিন উপগ্রহ নেই। আমাদের অন্য একটি উপগ্রহ থেকে ছবি এসেছে। তাতে উপগ্রহটি যেখানে ধবংস হয়েছে, আকাশের সেই অংশে আমরা এক ছোপ মেঘ দেখছি….ঈষৎ হলুদ রঙের। সেখান থেকে কয়েক ঝলক গামা রশ্মি এসেছে, আমাদের গামা রশ্মি ক্যামেরায়।’ বললেন দিমিত্রি।

    দিমিত্রির এই খবর বিশেষজ্ঞদের পাঠান হল। শুরু হল জল্পনা।

    পরবর্তী কয়েক দিনে একই ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনা ঘটল। কয়েকটি সোভিয়েত এবং মার্কিন উপগ্রহ একই ভাবে ধবংস হল। এবং খুঁটিনাটি পরীক্ষা এবং উভয় দেশের বিজ্ঞানীরা পরস্পর কথাবার্তা বলে সিদ্ধান্ত করলেন ! ব্যাপারটা একান্তই নৈসর্গিক ঘটনা। প্রাকৃতিক কোনো কারণেই এমনটি ঘটেছে। কিন্তু কী সেই কারণ, সেটা কেউই ধরতে পারলেন না।

    আর ঠিক এই সময়েই পড়ল ড. বাসুর ডাক। একটি আন্তর্জাতিক কমিটি তৈরি হল। কমিটির সদস্যরা ঘটনাটি গোপনে খতিয়ে দেখতে লাগলেন।

    দেখতে দেখতে এক মাস কেটে গেল। এর মধ্যে আর কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবু অজ্ঞাত আশঙ্কা কেউ যেন মন থেকে মুছে ফেলতে পারলেন না। রহস্যটা যে কী, ধরতেই পারলেন না। এমনকী ড. বাসুর মতো ডাকসাইটের বিজ্ঞানীও না।

    ৪

    কিন্তু অবশেষে বলতে পার, কাকতলীয় ভাবেই যেন ঘটে গেল ব্যাপারটা। এবং তা ধরলেন স্বয়ং ড. বাসু। গত ছয় মাস জেমসের সঙ্গে তিনি কোনো যোগাযোগ রাখতে পারেননি। হঠাৎ জেমসের কাছ থেকে টেলিফোন। তিনি জানাচ্ছেন, পরিকল্পনা মতো সব কাজ ঠিক মতোই চলছে তিনি বুঝতে পেরেছেন, কার্টিনির সেই উল্কাপিণ্ডটি সত্যিই একটি অসাধারণ বস্তু। সেটিকে ভেঙে দশটি টুকরো করেছেন তিনি। ড. বাসুর পরিকল্পনা মতো প্রতিটি টুকরো এক একটি বিশেষ ধরনের পারমাণবিক রিঅ্যাকটারের মধ্যে রাখা হয়। তাদের মধ্যে নয়টি ইতিমধ্যেই রকেটের সাহায্যে মহাকাশে উৎক্ষেপ করেছেন তিনি প্রশান্ত মহাসাগরের সেই দ্বীপটি থেকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব কটিই মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষ ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেছে।

    ড. বাসু অস্ট্রেলিয়ার উত্তমারোয় রেডিয়ো টেলিসকোপে একটি সুপারনোভার বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করছিলেন তখন, যখন জেমসের টেলিফোন বার্তাটি পেলেন, কথা ছিল এখানকার কাজ সেরে তিনিই জেমসের ওখানে যাবেন সেখানকার ব্যাপার দেখতে। বলতে কী, তাঁর ওপর বিরক্তই হয়েছিলেন তিনি। জেমসের এই এক বাজে চরিত্র। নিজের গবেষণার ব্যাপারে মাঝে মাঝে এমন চুপচাপ থাকেন, কাউকে কিছু বলাটা সে দায়িত্ব বলে মনে করেন না। ভাবেন সাফল্য যখন হাতের মুঠোয়, সব কিছুই সেরেই সব কথা প্রকাশ করবেন, এখন নাও তার ঝক্কি সামলাও।

    জেমসের কথার ফাঁকেই প্রশ্ন করলেন ড. বাসু, ‘কী বললেন? নয়টি টুকরো এর মধ্যে আকাশে পাঠিয়েছেন?’

    ‘ঠিক তাই ড. বাসু।’ ওপার থেকে কথা বললেন জেমস।

    ‘এই তা হলে ব্যাপার!’ রেগে ফেটে পড়লেন ড. বাসু।

    ‘ভুলচুক কিছু হয়েছে, ড. বাসু?’

    ‘আমার মুণ্ডু হয়েছে। এখন বাকি টুকরোটি নিয়ে কী করছেন, বলুন দেখি?’

    ‘এই মাত্র উৎক্ষেপ করলাম।’

    ‘যাক, যোল কলা তা হলে পূর্ণ হল।’ ড. বাসু ক্ষোভে হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন।

    ‘কিছু বলছেন, ড. বাসু?’

    ‘চটপট আপনার এই শেষ উৎক্ষেপণটির বিবরণ দিন তো?’ ড. বাসুর কণ্ঠে আদেশের সুর।

    একটা গোলমাল যে হয়েছে, জেমসের বুঝতে সেটা অসুবিধে হল না, মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন পরিবেশে গবেষণার কাজটি নীরবেই চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে বুঝতে পারছিলেন, তিনি সফল হতে চলেছেন। কিন্তু সে সম্পর্কে স্থির নিশ্চয় হওয়ার আগে তিনি এ নিয়ে হইচই করতে চাননি। আসলে আত্মপ্রচারের ব্যাপারটা কোনো দিনই তিনি পছন্দ করেন না। অনেক বিজ্ঞানী যৎসামান্য সাফল্যের ইঙ্গিত পেলেই যেমন পৃথিবীময় প্রচারের বেলুন ওড়াতে থাকেন, সে দলে পড়েন না তিনি, তাই এ নিয়ে ড. বাসুর সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ রাখেননি।

    ড. বাসুর কথায় সন্ত্রস্ত হলেন জেমস। কী এমন ঘটল?

    ‘ব্যাপার কি, ড. বাসু?’ তিনি প্রশ্ন করলেন।

    ‘সে আর শুনে কী হবে। নয়টি কৃত্রিম উপগ্রহ সাবাড়। আপনার ভাগ্য ভালো, পৃথিবীর দুই মহাশক্তির মধ্যে এখনো বাধেনি। যাক যা বললাম, সেটা করুন দেখি।’ বললেন ড. বাসু।

    জেমস সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শেষ উৎক্ষেপণের বিবরণটি জানিয়ে দিলেন, বিবরণটি পড়ে ড. বাসু বুঝতে পারলেন, জেমসের বস্তুটি এবারও লক্ষ্যচ্যুত হয়েছে। তিনি আঁতকে উঠলেন, আবার কি কোনো উপগ্রহ সাবাড় হবে?

    কিন্তু সমস্যার সময় মাথাটি ঠান্ডা রাখতে জানেন ড. বাসু। কয়েকজন বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে হিসেব করে জেমসের বস্তুটি মহাকাশের কোন পথে ছুটে চলেছে, সেটা বের করতে তাঁর দেরি হল না। তারপর অনুরোধ করলেন নাসার জনৈক বিজ্ঞানীকে। তাঁকে জানালেন, বস্তুটি নিরক্ষরেখার আকাশ বরাবর বিচরণ করছে। তার কাছাকাছি রয়েছে আপনাদের লেজারবাহী কৃত্রিম উপগ্রহ। সেই উপগ্রহ থেকে 30 গিগা হার্টজ-এর বেতার তরঙ্গের সংকেত পাঠান সেই বস্তুটিতে। তাহলেই সেটি ভারতমহাসাগরের নেমে এসে বিলীন হয়ে যাবে।’ তারপর বোম্বাই এর জিয়োম্যাগনেটিক কেন্দ্রে ড. অরিজিৎ সরকারকে জানালেন, ‘নজর রাখুন একটি বস্তু পিণ্ড দক্ষিণ আকাশ থেকে প্রচণ্ড বেগে ভারতের দক্ষিণ উপকূলের কাছাকাছি নামবে। সেটি থেকে নির্গত হবে তীব্র চৌম্বক ক্ষেত্র।’ সময় এবং বস্তুটির নেমে আসার পথটিও বলে দিলেন তিনি।

    কয়েকঘন্টা অপেক্ষা মাত্র। তারপর যা ঘটল সে কথা গোড়াতেই বলেছি—গৌরিবাদানুরের ভূমিকম্প এবং বেতার ঝড়।

    ঘটনাটির তিন দিন পর ড. বাসু গৌরিবাদানুরে এলেন। সঙ্গে অরিজিৎ। সেখানে সবাই তাঁরা সঙ্গে কথা বলার জন্যে উৎকণ্ঠিত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন। দিল্লি থেকে ড. বিশ্বনাথনও এসেছেন।

    ভূকম্পন যন্ত্রের কক্ষে মিটিং বসল, ড. বাসু সেখানেই মূল রহস্যটির কথা বললেন ; আসল ব্যাপার হল, একটি উল্কাপিণ্ড, এটি মহাকাশের কোথা থেকে এসেছিল আমরা জানি না। উল্কাটির মধ্যে ছিল সুপার হেভি এলিমেন্ট। ইউরেনিয়ামকেই তো বলা হয় সব চেয়ে ভারী পদার্থ। এটি তার চেয়েও ভারী। পারমাণবিক ভর 233। এ ধরনের বস্তু পৃথিবীতে পাওয়া যায়নি। ঠিক হয়, উল্কাটি টুকরো করে এক একটি টুকরোয় ঘটান হবে পারমাণবিক বিভাজন। সেই বিভাজনের ফলে কি পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, সেটাই পরীক্ষা করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম আমরা। এর জন্যে ব্যবহার করা হয় বিশেষ ধরনের রিঅ্যাকটর। ঠিক হয় বিভাজন মহাকাশে ঘটান হবে। সেই সময় নির্গত হবে প্রচুর পরিমাণ উচ্চশক্তির ইলেকট্রন কণা এবং গামা রশ্মি। তাদের পরিমাপ করে বিভাজন শক্তি কতটা দাঁড়ায় তা জানা যাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, জেমস উল্কার যে নয়টি টুকরো এর জন্যে মহাকাশে পাঠান তার প্রতিটিই কক্ষচ্যুত হয়ে এক একটি কৃত্রিম উপগ্রহ ধবংস করে। ধবংসের ফলে সৃষ্ট হয় প্রচণ্ড উত্তাপ। প্রচুর গামা রশ্মি এবং ইলেকট্রন, প্রচণ্ড গতিশীল ইলেকট্রনের ফোয়ারাই বলতে পারেন, যা সৃষ্টি করে অত্যন্ত তেজসম্পন্ন বেতার তরঙ্গ, শেষবারের মতো ভারত মহাসাগরে যেটি ফেলার ব্যবস্থা হয়, সেটি লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে এসে পড়ে আপনাদের এই গৌরিবাদানুরের জঙ্গলে, একটি বড়ো-সড়ো পাথরে এসে আঘাত করে, ঘটে বিস্ফোরণ। সেই বিস্ফোরণই এখানে অমন আলোর ঝলকানি সৃষ্টি করেছিল, পাথরের টুকরোয় আঘাত করে সৃষ্টি করে ভূমিকম্প, সেই কম্পনও আপনার এই এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, ভূস্তরের গভীরে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটালে সেই কম্পন বহুদূরে পর্যন্ত প্রসারিত হত। সৌভাগ্য তা হয়নি। বিস্ফোরণের সময় সৃষ্টি হয় ইলেকট্রনের জোট যা প্রচণ্ড শক্তিশালী বেতার তরঙ্গ সৃষ্টি করে। এখানকার রেডিয়ো টেলিসকোপে সেই কম্পনই ধরা পড়েছিল। অরিজিৎ চৌম্বক ক্ষেত্রে আগেই ধরতে পেরেছিলেন।

    ড. বাসু বললেন, ব্যাপারটা আমার কাছেও বিস্ময়কর বলে মনে হচ্ছে, ড. বিশ্বনাথন। কিন্তু এ নিয়ে এতই জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, এ ব্যাপারে কাউকেই আমরা কিছু বলতে পারব না। বললে জটিলতা বাড়বে। তাই আমার অনুরোধ, আপাতত আপনারা মুখে কুলুপ দিয়ে থাকুন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ভৌতিক গল্পসমগ্র – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }