Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প306 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছোড়দার রেকর্ড – সিদ্ধার্থ ঘোষ

    একজন হিমশিম খাচ্ছে আর আরেকজন চরকি পাক মারছে। যে চরকি পাক মারছে সে মুখ বুজে আছে, কারণ তার মুখ নামক অঙ্গটি নেই। কিন্তু আমার কেসটা তো আর তার নয়। আসলে ওই যে লোকটা তক্তপোষের ওপর উপুড় হয়ে রয়েছে, দুর্ভাগ্যবশত ওই আমার ছোড়দা। ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার। বইয়ের মধ্যে মুখ গুঁজে রয়েছে, কিন্তু ওটা তো ভান। আসলে দৃষ্টি রয়েছে আমার ওপর…যাক গে, কিন্তু আমি ভাবছি দুনিয়ার কত রকমের পাগলই না দেখা যায়। না, ছোড়দার কথা বলছি না। তবে পাগলদের মধ্যে তারাই সবচেয়ে খারাপ জাতের যারা অন্যদেরও পাগল করে ছাড়তে পারলে বেজায় খুশি হয়। বুদাপেস্টের রুবিক সাহেব নিশ্চয় এই ধরনের লোক। বাপরে, কি বিদকুটে জিনিসটাই না বানিয়েছে। শুধু ঘোরাচ্ছি আর ঘোরাচ্ছি—এপাশ, ওপাশ, সেপাশ, ছ’পাশ—একবার একটা পিঠের সব কটা খোপই পুরো নীল হয়ে গেছল দেখে আনন্দে প্রায় লাফিয়ে উঠেছিলাম, কিন্তু তারপরেই রুবিক কিউবটা ঘুরিয়ে দেখি অন্য পাঁচটা পিঠেই রঙেরা একেবারে লন্ডভন্ড। এমন বেয়াড়া হালচাল। তুমি কর দেখি, বলে ছোড়দাকে চ্যালেঞ্জ করতেও ভরসা হচ্ছে না। এসব ব্যাপারে ওর মাথাটা বেশ পরিষ্কার। কিন্তু তা বলে ওর এ কথাটা বলা উচিত হয়নি—’রুবিক কিউব নিয়ে লড়ে যা। বুদ্ধি ধারাল হবে। অবশ্য যা নেই তাতে কখনো ধার দেয়া যায় না…’

    কলিং বেলের শব্দটা যে কত মিষ্টি লাগতে পারে এখন বুঝতে পারছি। ভাবতেও পারিনি রবিবার দুপুরে এই অসময়ে, কেউ আমায় উদ্ধার করতে আসতে পারে।

    দরজা খুলে অবাক। পেল্লাই লম্বা লোকটাকে কোথায় যেন দেখেছি! মাঝবয়সি, মাথার চুলগুলা কদমছাঁট, গায়ের রংটা তামাটে না হয়ে কালো হলে নিগ্রো মনে হত। আমায় কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে লোকটা একেবারে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। শুধু তাই নয় নিজের হাতে দরজাটাও টেনে দিয়েছে। ঘটনাটা রাত্তিরের দিকে ঘটলে নিশ্চয় ভয় পেতাম।

    ‘আই ওয়ান্ট টু মিট মিস্টার মানটু সেন।’

    কথা বলছে না তো যেন চোখ পাকিয়ে শাসানি দিচ্ছে। সাউথ ইন্ডিয়ান হতে পারে বলে মনে হয়েছিল, উচ্চারণ শুনে বুঝলাম তা নয়।

    আর কথা না বাড়িয়ে ঘরে ডেকে আনলাম। ছোড়দা তখনও তক্তপোষে। কালো সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললাম, ‘মিস্টার সেন—দেয়ার লাইয়িং—’

    ছোড়দা কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে উঠে এল। নিশ্চয় ইংরেজি উচ্চারণে কোনো ভুল খুঁজে পেয়েছে।

    সাহেব হেসে হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করল। আমার সঙ্গে এমন তেরিয়া মেজাজ দেখিয়ে এখন…

    ভালো ইংরেজি বলতে না পারি, বুঝি সব। কালো সাহেবের নাম রিচার্ড রোজ। এসেছে সিলোন থেকে। ছোড়দার সঙ্গে খুব জরুরি কথা আছে। প্রাইভেট।

    রিচার্ড আমার দিকে তাকাল। কিন্তু ছোড়দা না বললে আমি নড়ছি না। তুমি কে হে…সঙ্গে সঙ্গে রুবিক কিউবটা হাতে নিয়ে মশগুল হয়ে গেলাম। স্বীকার করতেই হবে রুবিক কিউব বুদ্ধি বাড়ায়। এতক্ষণে মনে পড়ল লোকটাকে কোথায় দেখেছি।

    ‘আসছি!’ আচমকা হাঁক ছেড়ে পাশের ঘরে উঠে এলাম। ছোড়দা নিশ্চয় বুঝবে যে আসলে কেউই আমায় ডাকেনি। ছোড়দা আসছে দেখে আরও দু’পা সরে এলাম।

    —কি রে?

    —ছোড়দা, এই লোকটাকে বুক ফেয়ারে দেখেছি। সেই যে দোকানটায় দাদার বই বিক্রি হচ্ছিল। দাদার বইটা হাতে দিয়ে কি সব খোঁজ নিচ্ছিল। যেই জিজ্ঞেস করেছি, আপনি মিস্টার সন্তু সেনকে চেনেন, ব্যাস—চোখ পাকিয়ে বইটা একেবারে ছুঁড়ে দিয়ে বেরিয়ে গেল। কিচিরমিচির করে কি সব বলেওছিল—কত চেষ্টা করলাম বলবার যে, সন্তু সেন আমার দাদা, কে কার কথা শোনে।

    —খুব ইন্টারেস্টিং। চল দেখা যাক ব্যাপারটা কী? থ্যাঙ্কস-ট্যাঙ্কস দেওয়া ছোড়দার ধাতে নেই।

    ঘরে ঢুকে দেখি রিচার্ড পায়চারি জুড়েছে। হাত দুটো কোমরের পিছনে, আঙুলে ফাঁস লাগানো। আমাদের ঢুকতে দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়ল, ‘আমি আর দশ মিনিটের বেশি কিছুতেই থাকতে পারব না। প্লিজ—

    ছোড়দা মাফ চেয়ে রিচার্ডকে বসতে অনুরোধ করল।

    চেয়ারের সামনের দিকে ঝুঁকে বসেছে রিচার্ড। চোখ দু’টো ছোটো হয়ে এসেছে, কপালে চিন্তার রেখা।

    ‘আপনার দাদা মিস্টার সেন কেপটাউনে গৃহবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। প্লিজ—ডোন্ট পুট কোয়েশ্চেনস, ট্রাই টু বিলিভ মি।’

    রিচার্ড আমাদের চমকে দিল। আমাদের চোখমুখের অবস্থা দেখে রিচার্ড মুহূর্তের জন্য থামতেই ছোড়দা বলে উঠল, ‘ও কি সাদা কালোর ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে?’

    ‘ঠিক তাই। কিন্তু আপনি জানলেন কী করে?’

    ‘আপনি তো জানেন, দাদা ‘ডিস্ট্রিক্ট সিক্স’ নামে অ্যালবার্ট রাইভের একটা উপন্যাস বাংলায় অনুবাদ করেছেন। উপন্যাসটা বর্ণ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার অ্যাপার্টথেড নীতির জন্য সেরকম কুখ্যাত…কিন্তু দাদা তো কখনো রাজনীতির মধ্যে—’

    রিচার্ড বাধা দিল, ‘মিস্টার সেন, এটা রাজনীতির প্রশ্ন নয়। কোনো বিবেকবান মানুষের পক্ষে কখনো দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারকে সমর্থন কার সম্ভব নয়। রাজনীতি করলে আপনার দাদা নিশ্চয় ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি নিয়ে কেপ টাউনে আসতেন না। বা, এলেও কখনো রাইভের উপন্যাস অনুবাদ করতেন না। শুনলে অবাক হবেন, ওনাকে গৃহবন্দি রাখার কারণ মাত্র একটি। ওই অনুবাদটাই ওঁর বিপদ ডেকে এনেছে। রাইভ বর্ণ বিদ্বেষ বিরোধী সাংস্কৃতিক কর্মী, বর্তমানে দেশছাড়া। এই উপন্যাসটা অনূদিত হয়েছে জানতে পেরে শ্বেতাঙ্গ সরকার সন্দিগ্ধ হয়ে ওঠে। আপনার দাদার সঙ্গে ওখানকার রাজনৈতিক কর্মীদের আদৌ কোনো যোগাযোগ নেই। ভালো লেগেছিল তাই অনুবাদ করেছেন। কিন্তু বড়ো একরোখা মানুষ উনি। গোয়েন্দা বিভাগের লোকদের একটিও প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি। আরো মুশকিল হল, আমাদের নিজেদের লোকেরা যখন ওনার কাছে কোনো প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছে, উনি তাদেরও বিশ্বাস করতে পারছেন না! চেনেনই না তো—

    ‘দাদা তো গভর্নমেন্ট চ্যানেলে চাকরি নিয়ে গেছে। বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্যে—’ছোড়দা কথা শেষ করার সুযোগ পেল না।

    রিচার্ডের হাসিটা দারুণ তেঁতো, আপনি দক্ষিণ আফ্রিকার হালচাল জানেন না। কোনো লাভ হবে না। কেউই প্রমাণ করতে পারবে না যে ওনাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। ‘ডিস্ট্রিক্ট সিক্স’-এর গাছটা মনে আছে? ওটাকে গল্প না বলে সত্য বলা উচিত। কেপটাউনের অশ্বেতাঙ্গ অধিবাসীরা সত্যিই ‘ডিস্ট্রিক্ট সিক্স’ নামে একটি নরককুণ্ডে বাস করে।’

    ‘হ্যাঁরে, বাবাকে ডেকে আনব নাকি?’—আমি ছোড়দাকে বললাম।

    রিচার্ড জিগ্যেস করল, ‘হোয়াট ইজ হি সেয়িং?’

    ছোড়দা আমার পরিচয় দিল।

    রিচার্ড হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ইয়ংম্যান, সেদিন তুমি আমাকে প্রায় ডুবিয়েছিলে। মনে আছে, বুক ফেয়ারে দেখা হয়েছিল। তোমাদের ঠিকানা তো ওখান থেকেই জোগাড় করেছি। দীর্ঘ চার বছর আমি দেশ ছাড়া বিশেষ নির্দেশ পেয়ে তোমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এসেছি। ঘুণাক্ষরেও…’

    ‘আপনি কি বাবার সঙ্গে…’

    ‘না, কি দরকার। তাঁর নিশ্চয় বয়স হয়েছে, দুর্ভাবনা বাড়বে।’

    ছোড়দা বলল, ‘শারীরিক নির্যাতনের ভয় আছে নাকি? মানে তেমন কিছু…’

    ‘হ্যাঁ—মাস তিনেক পরে কেপটাউনে আমরা একটা বড়ো আন্দোলন শুরু করব। তার আগে আমরা আমাদের সমর্থক বিদেশি বন্ধুদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দিতে চাইছি। ইতিমধ্যে অনেকেই চলে গেছেন।’

    ‘তার মানে দাদা যদি আপনাদের ওপর নির্ভর করতে রাজি হয়—’

    ‘তিন দিনের মধ্যে তাঁকে কলকাতা পৌঁছে দেব। আমাদের সংগঠন খুব ভালো। এমনকী যে ছ’জন পুলিশ ওঁকে সারাক্ষণ পাহারা দেয়, তাদের মধ্যেই আমাদের একজন লোক আছে। পালাবার প্রস্তাবও রাখা হয়েছিল। কিন্তু ওই যে বললাম, উনি কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না।

    ‘চিঠি দিলে কি পৌঁছবে? দিন সাতেক আগেও আমরা ওর একটা ছোট্ট চিঠি পেয়েছি।’

    ‘খুব কড়া সেন্সর। যদি এতটুকু সন্দেহজনক মনে হয়—’

    ‘বাংলা পড়ারও লোক আছে তাহলে?’ আমি জানতে চাইলাম।

    ‘সার্টেনলি!’

    ‘আচ্ছা, বাবার শরীর খুব খারাপ বলে যদি টেলিগ্রাম পাঠান যায়? বা, ভারতীয় দূতাবাসের সাহায্যে যদি সে-খবরটা—’আমি পথ খোঁজার চেষ্টা করি। রিচার্ড মাথা নাড়ে, ‘খুব একটা সুবিধে হবে না। চেষ্টা করে দেখতে পারেন।’

    ছোড়দা বলল, ‘নাঃ—বাবাকে রাজি করানো শক্ত। বাবা রাজনীতি করার বিরোধী কিন্তু ঠিক বলবেন, দাদা নিজে যখন প্রোটেস্ট করছে তখন এভাবে মিথ্যে কথা লিখে—’

    রিচার্ড উঠে দাঁড়াল, ‘আমি আর আজ দেরি করতে পারব না। চলি। আপনারা ভালো করে চিন্তা করে দেখুন, এমন একটা উপায় বার করা যায় কিনা যাতে উনি আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। ধরুন, এমন কোনোও নাম বা শব্দ, যেটা আমাদের লোকের মুখে শুনলেই উনি বুঝতে পারবেন—’

    ‘আচ্ছা, আপনাদের যে লোকটি পাহারাদারদের দলে আছে তার নাম জানেন?’ ছোড়দা জানতে চাইল।

    ‘জর্জ লেম। একটা আইডিয়া এসেছে মনে হচ্ছে?’

    ‘না, ঠিক তা নয়। একটু ভেবে দেখি। আপনার সঙ্গে কী ভাবে যোগাযোগ হবে?’

    ‘ঠিক সাত দিন পরে, নেক্সট রবিবার সকাল সাতটায় আমি ফোন করব। ফোন যদি না পাই তাহলে আসব। আমি কিন্তু তারপরের দিনই ক্যালকাটা থেকে চলে যাব। যা করার এরই মধ্যে। এখানে বেশি দিন থাকা আমার পক্ষে সেফ নয়।’

    দরজার কাছে পৌঁছে রিচার্ড বলল, ‘আপনারা আর আমার সঙ্গে এগোবেন না। চলি গুড বাই!’

    ছোড়দা ঘরে ঢুকে আবার তক্তপোষে লম্বা হল। ঘাড়ের পিছনে দু’হাত রেখে সেই খ্যাতিমান কড়িকাঠের কাছ থেকে নিশ্চয় বুদ্ধি ভিক্ষা চাইছে। দেখে কেমন কষ্ট হল। একটু হেল্প করার জন্যে বললাম, ‘বুঝলে ছোড়দা, একটা লিস্ট করা যাক—এমনিতেই তো আমরা বড়দার কাছে মাঝে মাঝে জিনিসপত্র পাঠাই, এই ধরো টিনে ভরা রসগোল্লা, বই-টই, আমসত্ত্ব—’

    ‘রুবিক কিউবের প্রবলেম সলভ হয়ে গেছে?’

    সঙ্গে সঙ্গে প্রতিজ্ঞা করলাম যে ভবিষ্যতে আর কখনো মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করব না।

    তাতেও রেহাই নেই। ঘন্টাখানেক বাদে হঠাৎ হুকুম এল, ‘গীতাঞ্জলিটা নিয়ে আয় তো শীগগির।’

    অবাক হয়েছি কিন্তু প্রশ্ন করিনি। অবাক তো হতেই হবে। দেবব্রত বিশ্বাসের গান হলেও যে মুখের সামনে থেকে ইলেকট্রনিক্সের বই নামায় না…নিশ্চয় কোনো মতলব এঁটেছে। এমন কোনো গানের রেকর্ড পাঠাতে চায় নিশ্চয় যেটা শুনে বড়দা…তা ছাড়া এও ঠিক যে আমরা প্রায়ই বড়দাকে রবীন্দ্র-সংগীতের রেকর্ড পাঠাই।

    গীতাঞ্জলি এনে দিলাম, কাগজ কলম এনে দিলাম তবু ছোড়দা স্পিকটি নট। মাঝে মাঝে খশখশ করে কী লেখে, একটু ভাবে, তার পরে আবার পাতা ওলটায়।

    ‘ব্যাস—এতেই হবে।’ ধুলো ঝাড়ার মতো সশব্দে বই বন্ধ করে ছোড়দা উঠে দাঁড়াল। সঙ্গে সঙ্গে কাগজের সঙ্গে সঙ্গে কাগজের ফালিটা চারভাঁজ করে পকেটে পুরে ফেলেছে। কয়েক মিনিট বাদেই পাশের ঘর থেকে ওর গলা শুনতে পেলাম। কান খাড়া করতেই বুঝলাম অবনি কাকুর সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। লাকিফোন রেকর্ডিং কোম্পানির মালিক অবনিকাকু। বাবার ছোটোবেলার বন্ধু। বুঝলাম, কিছু ভুল করিনি। একটা রেকর্ডই নিশ্চয় পাঠাবে বড়দার কাছে।

    রাত্তিরে সবে এসে শুয়েছি, ছোড়দা বলল, ‘ওরে, বড্ড ভুল হয়ে গেছে। অ্যালার্মটা দিয়ে রাখত ভোর পাঁচটায় উঠতে হবে।’

    ‘ক’টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট অবনিকাকুর সঙ্গে?’

    ছ’টায়। কিন্তু সেই বেলঘরিয়ায় যেতে হবে।’

    অ্যালার্মের চাবি ঘোরাতে ঘোরাতে গম্ভীর গলায় প্রশ্ন করলাম, ‘তা বেলঘরিয়া না ছুটে মেলডির দোকান থেকে কিনে নিলে হত না?’

    ‘ও রেকর্ড পাওয়া যায় না।’

    ‘কী গান সিলেক্ট করলে শুনি!’

    ‘ওই তো লিখে রেখেছি কাগজটায়। দ্যাখ না। ও কীরে, এতক্ষণ ধরে দম দিচ্ছিস কেন! ওহ হো—এটারতো অ্যালার্মের স্প্রিংটা কাটা।’

    ঠিক বলেছ। একেবারে মনে ছিল না। ঘড়ি নামিয়ে রেখে কাগজের টুকরোটা হাতে নিলাম।

    ‘তাহলে কী হবে?’ ঘুমকাতুরে ছোড়দার হাহাকার কানে এল। পরমুহূর্তে আমাকে আক্রমণ, ‘তুই যা কুম্ভকর্ণ—’

    ‘আমি না হয় কুম্ভকর্ণ, তুমি কী?’

    ‘আমি ঘুমোই অত্যধিক চিন্তা করতে হয় বলে, তুই ঘুমোস অকারণে। যাকগে তিন গেলাস জল নিয়ে আয়।’

    ‘কী!’

    ‘জল, জল। এইচ টু ও। তিন গেলাস পেটে ভরে নিলে সময়মতো বিপদ সংকেতআসবে—’

    ছোড়দা জল গিলে পাশ ফিরে শুতে কাগজটা খুললাম। দুটো রবীন্দ্রসংগীত পুরো কপি করেছে। ‘একলা আমি বাহির হলেম তোমার অভিসারে, সাথে সাথে কে চলে মোর নীরব অন্ধকারে’ এবং ‘যেতে যেতে একলা পথে নিবেছে মোর বাতি / ঝড় এসেছে, ওরে, এবার ঝড়কে পেলেম সাথী।’

    কী মিথ্যুক? এই গানের রেকর্ড কিনতে পাওয়া যায় না।

    অনেক চেষ্টা করেও ছোড়দার মুখ দিয়ে কথা বার করতে পারিনি। শুধু এইটুকু জানতে পেরেছি যে অবনিকাকুর ওখান থেকে একটা নতুন রেকর্ড করে আনতে প্রায় হাজার খানেক টাকা জলে দিয়েছে। ওনার মতে সেটাও নাকি খুব সস্তা। এখনও বড়াই করে চলেছে যে বড়দা ফিরলেই তার কাছ থেকে সুদে আসলে সব আদায় করে নেবে। গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। আমি নিজে তো শুনেছি রেকর্ডটা (যতই বুদ্ধি করে লুকিয়ে রাখুক)। ওই গান শুনে কী বুঝবে বড়দা?

    তবু রিচার্ডের ফোন আসার তক্কে ছিলাম। পরের রবিবার, ঠিক কাঁটায় কাঁটায় সাতটা, ফোনটা ঝনঝন করে উঠল।

    রিসিভার তুলে ছোড়দা বলল, ‘ব্যবস্থা একটা হয়েছে মনে হয় কাজ হবে। দাদার কাছে আমরা একটা রেকর্ড পাঠিয়েছি এয়ার মেলে। আপনাকে এবার একটা কাজ করতে হবে। ওখানে মিস্টার লেম বলে যিনি আছেন তাঁর কাছে খবর পাঠাতে হবে তিনি যেন দাদাকে রিকোয়েস্ট করে বলেন, ওই নতুন রেকর্ডটা শুধু লেফট চ্যানেলে শোনার জন্যে। খুব গোপনে বলতে বলবেন কিন্তু। হ্যাঁ—লেফট চ্যানেলে। না না, একেবারে প্লেন অ্যান্ড সিম্পল টেগোরের রেকর্ড। আচ্ছা! আচ্ছা—ওকে থ্যাঙ্ক ইউ!’

    আমার দিকে ফিরে ছোড়দা বলল, ‘এখনও বুঝলি না? সেদিন তো খুব লুকিয়ে লুকিয়ে শুনছিলি রেকর্ডটা!’

    এবার ছোড়দার মধ্যে জ্ঞান বিতরণ শুরু করার সিম্পটম গুলো প্রকাশ পাচ্ছে। হলও তাই। চেয়ারে গ্যাঁট হয়ে ঝাড়া আধটি ঘন্টা কাটিয়ে দিল স্টিরিও রেকর্ড করার কায়দাকানুন সম্বন্ধে বক্তৃতা ঝেড়ে।

    দুটো মাইক্রোফোনের সাহায্যে স্টিরিও রেকর্ড করা হয়। সে রেকর্ড বাজানোও হয় দুটো অ্যামপ্লিফায়ার ও লাউডস্পিকার দিয়ে। স্টিরিও রেকর্ডের যে খাঁজ বা গ্রুভের মধ্যে শব্দগুলোর স্পন্দনের আকৃতি ধরা থাকে তার দুটো কিনারা আছে। একটা কিনারাকে বলা হয় লেফট চ্যানেল আর অন্যটাকে রাইট চ্যানেল। লেফট চ্যানেলে থাকে বাঁ দিকে মাইক্রোফোনের শব্দ আর রাইট চ্যানেলে ডান দিকে মাইক্রোফোনেরটা। রেকর্ড বাজবার সময়েও ঠিক এইভাবেই একটা স্পিকারে লেফট চ্যানেলে রেকর্ড করা শব্দগুলো বাজে আর অন্য স্পিকারটায় রাইট চ্যনেলের শব্দগুলো। স্টিরিও রেকর্ড চালাবার সময় দু’টো চ্যানেলই একসঙ্গে বাজে। মানে, দু’টো স্পিকার থেকেই শব্দ বেরোয়। এই অবধি শুনেই তিনবার হাই উঠেছিল। নিশ্চয় সেটা চোখে পড়েছিল ছোড়দার। দুম করে টেবিলে ঘুঁষি মেরে বলল, ‘এখনও বুঝলি না? তোর দ্বারা কিসসু হবে না। রবীন্দ্রসংগীত দু’টো রেকর্ড করবার সময় লেফট চ্যানেলে শুধু বেছে বেছে কয়েকটা শব্দ রাখা হয়েছে, বাকি সব বাদ। রাইট চ্যানেলে পুরো গানটা আছে। এমনিতে শুনলে, মানে দুটো চ্যানেলই যখন বাজছে, পুরো গানটাই শোনা যাবে। তুইও তো বাজিয়েছিলি কিছু ধরতে পারিসনি তো! কিন্তু ডান দিকের স্পিকারটা বন্ধ করে শুধু বাঁ দিকের স্পিকার অন করে রাখলেই শোনা যেত লেম…তোমার…সাথে সাথে…চলে। এটা কোন গান বলত?’

    ‘একলা আমি বাহির হলেম তোমার অভিসারে, সাথে সাথে কে চলে মোর গভীর অন্ধকারে। হলেম এর হ-টা বাদ দিয়ে লেম বানান হয়েছে।’

    ‘যাক বুদ্ধিমানের মাথায় ঢুকেছে তাহলে। টিকিটিকি বাবাজিরা হাজার চেষ্টা করলেও ধরতে পারবে না, কী বল? ভাগ্যিস আমাদের দেশেও এখন স্টিরিও ফোনিক সাউন্ড রেকর্ড করা শুরু হয়েছে, না হলে কি আর দাদার কাছে রবীন্দ্র সংগীতের ফাঁকে ফাঁকে এইভাবে গোপন সংবাদ পাঠান যেত। এবার তুই বলত, দ্বিতীয় গানটা থেকে ঠিক এইভাবে কোন কোন শব্দ লেফট চ্যানেলে রাখা হয়েছে।’

    আমার বুদ্ধির প্রশ্ন তুলেছে তাই পরীক্ষায় নামতেই হল। গান লেখা কাগজটা হাতে নিয়ে তাচ্ছিল্য ভরে মুহূর্তের মধ্যে কটা শব্দের নীচে দাগ দিয়ে ছোড়দার দিকে বাড়িয়ে দিলাম—

    যেতে যেতে একলা পথে / নিয়েছে মোর বাতি / ঝড় এসেছে, ওরে, এবার / ঝড়কে পেলেম সাথী। (পথে এবার লেম সাথী)।

    ছোড়দা বোধহয় ভাবেনি এত তাড়াতাড়ি পেরে যাব। আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘জানিস, কলম্বাস একবার একটা ডিম হাতে নিয়ে বলেছিল, আপনাদের মধ্যে কেউ কি এটা সোজা করে বসাতে পারবেন? কেউ পারল না। তখন কলম্বাস যেই এক ঠোক্করে ডিমটাকে থেঁতলে বসিয়ে দিল, সবাই হইহই করে উঠল, এ আর এমনকী! যা যা, শীগগির রুবিক কিউব নিয়ে বসে যা। তোর মগজখানার অবস্থা যা…’

    এই ঘটনার এক মাস পরে মিস্টার লেমের সাহায্যে বড়দা বাড়ি ফিরে এসেছে। দারুণ একটা পেন দিয়েছে আমায় কিন্তু সবচেয়ে ভালো জিনিসটা, ক্যামেরাটা বাগিয়ে নিয়েছে মিস্টার কলম্বাস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ভৌতিক গল্পসমগ্র – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }