Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প306 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অদৃশ্য বলয় – এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়

    বিকেলের রোদ নরম হয় এসেছে। রাস্তাটা পার হতে হতে বাগচি একবার অভ্যেস-বশে সামনে তাকালেন। বিশাল আটকোনা একটি তারা যেন হঠাৎ আকাশ থেকে খসে ইট পাথর-কাচে মোড়া চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়েছে। বলছে, ‘আমায় দেখো। কী সুন্দর আমি।’

    এই বাড়িটি বাড়ি, না বলে একে বাড়ির সমষ্টি বলাই উচিত—বাগচির মানস কন্যা। এর চিন্তা, নকশা থেকে শুরু করে প্রত্যেক ধাপে ধাপে তিনি ছিলেন জড়িত। যখন লোকে ষাট-সত্তর তলার বেশি যেতে ভয় পেত, মনে করত প্রগতির চূড়ান্ত হল একশো তলা, সমর বাগচি তখন মেটিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ সদ্য পিএইচডি করে নতুন উপাদান নিয়ে আশ্চর্য, অভিনব, ভবিষ্যৎমুখী সব পরিকল্পনা করছেন।

    এইভাবে জেট ফাউন্ডেশনের ওপর জন্ম নিল আকাশছোঁয়া ঘেঁষাঘেষি আটটি বাড়ি। একটি কেন্দ্র থেকে সাইকেলের স্পোকের মতো বেরিয়ে আছে। এখানে বাস করার ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে অফিস, কলেজ, বাজার, খেলার মাঠ, ক্যান্টিন, স্টেডিয়াম, কী নেই! এমনকী, একটি চিড়িয়াখানাও। বলতে গেলে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি শহর। তাই কাজকর্মে যাবার জন্য কাউকে আর বাড়ি ছেড়ে বেরোতে হয় না।

    এইসব প্রাসাদগুচ্ছ, এমনকী, শক্তি উৎপাদনের ব্যাপারেও অন্য কারও মুখ চেয়ে নেই। সৌরশক্তি ও জৈব গ্যাস, এই দুভাবে এদের প্রয়োজন মেটাবার ব্যবস্থা এরা নিজেরাই করেছে। কাজকর্মের জন্য কাউকে বাসে ঝুলে-ঝুলে দূরে যেতে হয় না। পথঘাট তাই ফাঁকা-ফাঁকাই থাকে। ব্যক্তিগত মালিকানায় গাড়ি নেই বললেই হয়। সরকারি গাড়ি অবশ্য আছে, তা ছাড়া আছে বড়ো-বড়ো কোম্পানিদেরও নিজস্ব গাড়ি। দূরে যাবার একান্ত দরকার হলে ট্রেন, বাস, পাতাল-রেল আছে। বাড়িগুলি ওপরে উঠে যাওয়ায় এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় অনেক খালি জায়গা পাওয়া গেছে। তার মধ্যে আছে সবুজ মাঠ, পার্ক ছোটোখাটো জঙ্গল।

    বাগচি চোখ নামিয়ে আবার হাঁটা দিলেন। মনটা খুব ভালো লাগছিল না। কংক্রিটের চত্বরে ইচ্ছে করে ফুটো করা আছে যাতে ফাঁকে ফাঁকে ঘাস গজাতে পারে ঘাস মাড়িয়ে বাড়ির দিকে যেতে যেতে মনে হল, কেউ তাঁর কাজে বাগড়া দেবার চেষ্টা করছে না তো! একেই তো চৌম্বক বলয়ের জন্য এক শ্রেণির লোকে খুব চটেছে। আজ হঠাৎ তাঁর বেতার-টেলিফোন জ্যাম হয়ে গেল। অন্য শহরের এক কর্মীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন চৌম্বক বলয়ের আর একটি নতুন প্রয়োগ নিয়ে। ঠিকভাবে ডেভেলপ করতে পারলে ইস্পাতের প্রচুর সাশ্রয় হয়।

    ভাবতে ভাবতে বাড়ির আরও কাছে পৌঁছে গেছেন বাগচি। এখন আর আটকোনা তারার মতো লাগছে না, মনে হচ্ছে দৈত্যাকার একটি মৌচাক। বিকেলের পড়ন্ত রোদ জানালার কাচে-কাচে ঝলসাচ্ছে। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে তাঁর মুখ থেকে নিজের অজান্তেই বেরিয়ে এল, ‘বাঃ।’ বলতে বলতেই পায়ে কীসের ঠোক্কর খেলেন, পড়ে যেতে-যেতে সামলে নিয়ে আছাড় খাওয়া থেকে বাঁচালেন নিজেকে। রোদ-ঝলসানো জানলাগুলি থেকে মাটির দিকে দৃষ্টি ধাতস্থ হতে একটু সময় নিল। যখন ভালো করে নজর পড়ল, আঁতকে উঠে আবার স্বগতোক্তি করলেন, ‘বিষ্ণু!’

    বিষ্ণু তাঁর ছোটো ছেলে। তাকে নিয়ে বাগচি-পরিবারে মহা দুশ্চিন্তা। কারণ সে চায় এমন একটি পেশা, যা বহুদিন ভদ্রসমাজে ভালো চোখে দেখা হয় না। তাদের তেমন খাতিরও নেই। সে ছিল এককালে, আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে। এমন সব ছেলেই হতে চায় পেশাদার ফুটবলার। সেইরকম ট্রেনিং-এরও ব্যবস্থা আছে ছোটোবেলা থেকেই বিষ্ণু চায় ক্রিকেট খেলোয়াড় হতে, সুনীল গাওস্কর হতে, যার নাম জিজ্ঞেস করলে ওর বয়সের ছেলেরা মাথা চুলকে বলবে, ‘কে জানে, শিবাজির কোনো সেনাপতি-টতি হবে হয়তো। বাগচির মাথার মধ্যে নিজের কাজ ছাড়াও এই দুর্ভাবনাটা তো জমা হয়ে ছিলই, এখন দপ করে মেজাজটা চড়ে গেল। কারণ, আর কিছু নয়, যে-বস্তুটি পায়ে লেগে তিনি চিতপটাং হচ্ছিলেন, সেটি একটি লাল গোলমতো জিনিস, এক সময় যা খুবই প্রসিদ্ধ ছিল ক্রিকেট-বল নামে।

    এখনও অবশ্য একে ক্রিকেট-বলই বলে। যদিও এর গঠন ও উপাদানে কিছুটা বদল হয়েছে। একে নিয়ে ছেলেপিলেরা আব একদম মাতামাতি করে না। বলটা এখানে কোথা থেকে এল? যতই জিনিসটা হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে পরখ করতে থাকেন, ততই তাঁর ভুরু দুটো কাছাকাছি আসতে থাকে। বিষ্ণু আবার ক্রিকেটে হাত দিয়েছে বলে শুধু নয়, এই সব উঁচু বাড়িতে এখন ক্রিকেট খেলা আইন করে বারণ। প্রচণ্ড স্পিডে যে-সব খেলা হয়, যেমন হকি, টেনিস, তাও বারণ। তবে অন্য সব খেলার মাঠ এখন ছাদে। একশো আশি তলা থেকে ক্রিকেট বা হকির বল নীচে পড়লে কী হতে পারে তা চিন্তা না করাই ভালো। এখন এখানে ইনডোর কোর্ট ছাড়া খোলা ছাদে শুধু খেলা হয় ফুটবল। ফুটবল আটকাবার জন্য উঁচু রেলিং ছাড়াও আছে দুর্ভেদ্য চৌম্বক বলয়।

    আজ একবার বিষ্ণুকে পেলে হয়। রাগে জ্ঞানশূন্য হয়ে বাগচি লিফটের দিকে এগিয়ে গেলেন লম্বা-লম্বা পা ফেলে। পাশাপাশি অনেকগুলি লিফট। কোনোটা উঠছে, কোনোটা নামছে। যেটা সবচেয়ে কাছে ছিল, সেখানে গিয়ে বোতামটা টিপলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই খাঁচাটা নেমে এল, দরজা খুলে যেতেই গোটা পাঁচ-ছয় বিভিন্ন বয়সের ছেলেমেয়ে বেরিয়ে এদিক-ওদিক ছিটিয়ে গেল, একজন ছাড়া। যে ছেলেটির বয়স আট-নয়, কোঁকড়া চুল, সপ্রতিভ চেহারা, সে বাগচিকে দেখে থমকে গিযে বলল, ‘মেসোমশাই!

    ‘কী রে পিন্টু!’ অন্যমনস্কভাবে উত্তর দিয়েই বাগচি লিফটের ভেতরে ঢুকেছেন। লক্ষই করেননি যে, পিন্টুও পিছনে পিছনে আবার ঢুকছে। ‘তিপ্পান্ন তলায় চল,’ একটু রাগী-রাগী গলায় বলা সত্ত্বেও খাঁচা চুপ। এবারে স্পিকারের একটু বেশি কাছে মুখ নিয়ে আবার বললেন বাগচি, ‘কী, হল কী? তিপ্পান্ন তলা।’ প্রায় হুমকির মতো শোনাল এবার। লিফট নট-নড়ন-চড়ন। তার দোষ কী। তার কম্পিউটার মেমারিতে প্রত্যেকটি বাসিন্দার গলার প্যাটার্ন ধরা আছে। তার বাইরে কোনোও গলার আদেশে লিফট চলতে পারেই না, এমনই এর ব্যবস্থা। আজেবাজে লোক বাইরে থেকে যাতে ঢুকে না পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা।

    ক্রমশ মেজাজ চড়তে থাকে বাগচির। আজ কি সবাই মিলে তাঁর পিছনে লেগেছে! প্রথমে রেডিয়ো টেলিফোনে বিভ্রাট, তারপর এই নিষিদ্ধ বল। এখন লিফট। রেগে প্রায় বেরিয়ে আসতে যাচ্ছেন, এমন সময় পিছন থেকে একটি সরু গলা বলল, ‘দাঁড়ান মেসোমশায়, আমি বলে দিচ্ছি। তিপ্পান্ন তলায় যাব আমরা।’ গোঁগোঁ করে উঠতে লাগল খাঁচাটা।

    বাগচি বুঝলেন, তাঁর গলা বিকৃত হয়ে গিয়েছিল, তাই প্যাটার্ন মিলছিল না। একটু হাসি-হাসি মুখে তিনি এবার পিন্টুর দিকে ফিরলেন। ছেলেটিকে তিনি খুবই স্নেহ করেন। চুয়ান্ন তলার হলেও সব সময় বিষ্ণুর সঙ্গে আঠার মতো লেপটে আছে। বিষ্ণুদার ফাই-ফরমাশ ঘাটতে পেলে পিন্টু যেন হাতে স্বর্গ পায়।

    ‘এ কী, তুই আবার উঠছিস যে!’ জিজ্ঞেস করলেন বাগচি।

    ‘না, মানে, বিষ্ণুদা বলল,’ থেমে গেল পিন্টু। মিথ্যা কথা বলার অভ্যাস না থাকলে যা হয়। তার মুখ দেখে মনে হল, প্রাণপণে সে কিছুটা একটা অজুহাত ভাবার চেষ্টা করছে। কিন্তু লাগসই কিছু মনে আসছে না।

    লাল ক্রিকেট-বলটা পকেট থেকে বার করে বাগচি বললেন, ‘এটার জন্যে তো?’

    মুখ সাদা হয়ে গেল পিন্টুর। কী বলবে বুঝতে না পেরে পিন্টু বলল, ‘মানে, আমি ফিলডিং করছিলাম তো, এমন সময়…’

    ‘এমন সময় কী?’ বাগচি গলাটা গম্ভীর রাখার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু বিষ্ণুদাকে বাঁচাবার প্রাণপণ চেষ্টা দেখে মজাও লাগছিল তাঁর।

    কোনো উত্তর নেই।

    ‘এমন সময় বলটা বেড়া টপকে নীচে চলে এল?’

    বাগচি নিজের মুখেই এমন একটি অসম্ভব কথা বললেন, যার কোনো অর্থ হয় না। কারণ যে চৌম্বক বলয় দিয়ে সমস্ত ছাদের আকাশটা মোড়া আছে, তাকে ভেদ করে ধাতুর সামান্যতম ছোঁয়া আছে, এমন জিনিস বেরিয়ে আসতেই পারে না। এরই বাজারে চালু নাম বাগচি-বলয়। ছোটোবেলায় পড়া একটি কল্পবিজ্ঞানের বই থেকে। আইডিয়াটা পেয়েছিলেন তিনি, তার পরে এখনকার প্রযুক্তি ও মেটিরিয়াল বিজ্ঞানের ভেলকি যোগ করে তিনি এটিকে গ্রহণযোগ্য, কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন। এখন সমস্ত উঁচু বাড়ির ছাদে চৌম্বক বলয় থাকা বাধ্যতামূলক তবে হ্যাঁ, তার জন্য নানারকম নিত্যব্যবহার্য উপকরণে কিছু বদল আনতে হয়েছে, যেমন খেলার ব্যাট, বল, ডান্ডা, সবকিছুতেই ভেতরদিকে সূক্ষ্মভাবে লোহার একটা আস্তর থাকে। খেলোয়াড়দের জুতো ও জামাকাপড়েও তাই। বলয়টি একেবারে নিখুঁত করার জন্য প্রতিহত করার ব্যবস্থাও আছে। তার কাছাকাছি কোনো লোহার সাঁড়াশি হাতে কেউ গেলে সাঁড়াশিটি শাঁ করে বলয়ের গায়ে ছুটে গিয়ে ঝুলতে থাকবে না। তবে কেউ সাঁড়াশিটি ছুঁড়ে ছাদ থেকে ফেলে দেবার চেষ্টা করে, তা হলে ওই চৌম্বকক্ষেত্রে মৃদু শব্দ হবে, আর সাঁড়াশিটার গতি ওখানেই থেমে যাবে। সেটা পিছলে গড়িয়ে পড়বে ছাদের মেঝেতেই। এই বলয় ভেদ করে আজ অবধি কোনো ফুটবল মাটিতে পড়েনি, পড়লে সেটা হবে আপেল গাছ থেকে মাটিতে না-পড়ে আকাশে উড়ে যাওয়ার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনা।

    দুজনেই চুপ। পিন্টু যতটা না চমকে গেছে, ভয় পেয়েছে তার চেয়ে বেশি। ছাদে ক্রিকেট খেলার জন্য না জানি বিষ্ণুদার কী শাস্তি আছে কপালে। আসলে সে মোটেই খেলছিল না, বিষ্ণুদাই তাকে ছক্কা মারার একটা কায়দা দেখাচ্ছিল। এমন সময় বলটা উড়ে বাইরে চলে গেল। ছাদে তারা দুজন ছাড়া আর কেউ ছিল না। দুজনেই এই অসম্ভব ঘটনায় ভ্যাবাচ্যাকা। ছাদে তন্ন-তন্ন করে খুঁজেও যখন পাওয়া গেল না, তখন বিষ্ণুদাকে বাঁচাবার জন্য সে ইচ্ছে করেই নীচে আসছিল। কে জানত যে, যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধে হয়।

    বাগচি ভাবছিলেন অন্য কথা। চৌম্বকক্ষেত্রের দুর্ভেদ্য বর্মে কী করে ফাটল ধরল। অসম্ভব। তা হতেই পারে না। কিন্তু বলটা তা হলে…।

    লিফট ততক্ষণে তিপ্পান্ন তলায় পৌছে গেছে। তিনি একাই বেরিয়ে এলেন। করিডরে শুনলেন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে ঘোষণা হচ্ছে, ‘দয়া করে সকলে শুনুন, সদস্যদের অবহিত করা হচ্ছে যে, পূর্ব ও ঈশান ব্লকের মাঝখানের চত্বরে সরকারি দুগ্ধ-দফতরের ভ্যানটির মাথা কোনো অজানা উড়ন্ত বস্তুর আঘাতে চুরমার হয়ে গেছে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা যে যেখানে থাকেন, অতি অবশ্য যেন কমিটি-রুমে চলে আসেন। এমার্জেন্সি মিটিং-এ ডাকা হয়েছে।

    নিজের ফ্ল্যাট অবধি পৌঁছতে-পৌঁছতে বারকয়েক ঘোষণাটার পুনরাবৃত্তি হল। শেষবারে একটা বাড়তি খবর, ‘গাড়িটির ভিতরে পাওয়া গেছে দোমড়ানো অবস্থায় একটি ফুটবল। সুতরাং এ-টিমের ক্যাপটেনকেও তলব করা হয়েছে কমিটি-রুমে।’

    কোনো সন্দেহ নেই যে, অসম্ভব ঘটনাটাই সত্যি-সত্যি ঘটেছে। চৌম্বক বলয়ে ফাটল। মেঘের মতো থমথমে মুখে ফ্ল্যাটে ঢুকলেন বাগচি। সামনেই টেলিভিশনের চাবি টিপছে বিষ্ণু তার মা কিংবা দিদি কেউ ধারে-কাছে নেই। ঘোষণা অবশ্য বাড়ির মধ্যেও শোনা যাচ্ছে, বসার ঘরের স্পিকার থেকে।

    বাবাকে দেখে লাফিয়ে উঠল বিষ্ণু।

    ‘কী হল?’ ক্লান্ত, নিরাসক্ত গলা তার বাবার।

    ‘এ-টিমের ক্যাপটেনকে কমিটি রুমে ডাকছে। শুনেছ? বাগচি ভাবলেন, একেই বলে ছেলেমানুষ।

    এ-টিম আর বি-টিমের রেষারেষি এদের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। আজ যদি যুদ্ধ হয়ে সমস্ত শহর ধবংস হয়, ওরা হিসেব করতে বসবে বি-টিমের কজন মাটি-চাপা পড়েছে। গত ওলিম্পিকে ইস্ট জার্মান মেয়ে-ফুটবল-দল আর্জেন্টিনার ছেলে-ফুটবল-টিমকে হারাবার পর থেকে মেয়েদের মনোবল একেবারে তুঙ্গে। এ-টিম ছেলেদের টিম। মেয়েরা যাকে আড়ালে বলে এলেবেলে টিম। ছেলেরাও নিজেদের মধ্যে মেয়েদের বি-টিমকে বলে বোকা টিম, কেউ বলে বিচ্ছিরি টিম। আজ এ-টিমের এই বিপদে সব ছেলেই উত্তেজিত, তাদের কাছে সেটা মান-সম্মানের প্রশ্ন। এতই উত্তেজিত বিষ্ণু যে, বাবাকে দেখে লুকিয়ে পড়ার বদলে সে দৌড়ে এসে জরুরি খবরটা শুনিয়ে দিল।

    ‘হ্যাঁ, শুনলাম। কিন্তু হয়েছে কী?’

    ‘কমিটি মিটিং বসছে। নীচে কী অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে, তাই। শোনোনি? ইশ, দিদিটা যদি শুনে থাকে।’

    ‘শুনবেই। সব জায়গায়ই তো আওয়াজ পৌঁছুবে।’

    ‘ইশ!’ মুখটা কাতর হয়ে গেল বিষ্ণুর।

    ঘোষণাটা রেকর্ডের মতো চলছিল। বাগচি রিমোট বোতাম টিপে বন্ধ করলেন। তাঁর চিন্তা এখন বিষ্ণুর থেকে সম্পূর্ণ অন্য দিকে চলে গেছে। ইজিচেয়ারে হেলান দিয়ে কপালে একবার হাত বুলোলেন। চশমাটা খুলে রাখলেন। বিষ্ণু তখনও চাবি নিয়ে ঘোরাচ্ছে।

    ‘কী আছে দ্যাখ তো রান্নাঘরে। আর কফির জলটা চাপিয়ে দে।’

    বিষ্ণু উঠে গেল। ফিরে এল এক প্লেট ঘুগনি আর কফি নিয়ে। মা সব গুছিয়েই রেখে গিয়েছিলেন। ক্রিলের ঘুগনি আজকাল খুব চলছে। কুমেরু থেকে চালান আসছে। খেতে চিংড়ি মাছের মতো, দামেও সস্তা।

    এক চামচ মুখে দিলেন বাগচি অন্যমনস্ক ভাবে। মনে হল, কাগজ খাচ্ছেন।

    ‘বাবা, দ্যাখো তো টিভিতে কী হল? কোনো আওয়াজ নেই, ছবিও আসছে না।’

    ‘একটু চুপ করবি বিষ্ণু, আমি ভাবছি।’

    ‘কী ভাবছ?’

    বাবার সঙ্গে এরকমভাবেই কথা বলে সে। এর জন্য মার কাছে বকুনিও কম খায় না। বাবা যে শহরের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, তাঁর মাথায় যে-সব চিন্তা-ভাবনা ঘোরে সেগুলি যে খুব দামি, বিষ্ণুর তাতে কিছু যায় আসে না।

    ‘ভাবছি, বলটা পড়ল কী করে?’

    ‘বল!’ দারুণ চমকে গেল বিষ্ণু। ‘কোন বল?’ ঘোষণার শেষ অংশটা সে ভালো করে শোনেনি।

    ‘ফুটবল। ভ্যানের ছাদ ফুটো করে গাড়ির মধ্যে পাওয়া গেছে। পড়ল কী করে বলটা।’

    ‘বাবা।’ উঠে দাঁড়াল বিষ্ণু, ‘একটা কথা বলব?’

    ‘জানি। তোমার ক্রিকেটবল তো?’

    ‘ওটা কী করে উড়ে গেল, আমি তো ভেবেই পাচ্ছি না। তারপর এখন এই টিভিতে গড়বড়। এরকম তো কখনো হয় না।’

    আস্তে-আস্তে সোজা হয়ে বসলেন বাগচি। তারপর নিজের মনে বলে যেতে লাগলেন, যেন গল্প শোনাচ্ছেন কাউকে। ‘পিন্টুকে ফিলডিং করছে, বিষ্ণু লুফে নেবে বলে রেডি, কিন্তু হঠাৎ পাখির মতো বলয়ের জাল ছিঁড়ে বলটা উড়ে গেল। ভাগ্যিস তখন নীচে কেউ ছিল না। তবে একটু পরেই সেখান দিয়ে হেঁটে আসছিলাম আমি। বলটা আর কেউ দেখার আগেই তুলে নিই।

    চোখ দুটো গোল হয়ে থাকে বিষ্ণুর। সে তৎক্ষণাৎ প্রতিজ্ঞা করে, আর কোনোদিন ক্রিকেট ব্যাটে হাত দেবে না। আজ আর একটু হলেই তার বাবার মাথায় বলটা লাগতে পারত। উহ, চোখ বন্ধ করে ফেলে সে।

    বাগচি বলে চলেছেন, ‘ঠিক সেই সময় এ-টিমের ফুটবল প্র্যাকটিস চলছিল ঈশান ব্লকের ছাদে। একটা উঁচু ভলি, তারপর একই ঘটনা। জাল ফুটো করে, চৌম্বক টানকে কলা দেখিয়ে ফুটবল একশো আশি তলা থেকে দুধের ভ্যানের মাথায়। দুটো ঘটনা ঘটছে প্রায় একই সময়।’

    বিষ্ণু বাবাকে এরকম ভাবে বিড়বিড় করতে দেখে কেমন ঘাবড়ে যাচ্ছিল। সে তাঁর মনটা অন্যদিকে করার জন্য বলল, ‘আর ঠিক একই সময়ে উপগ্রহ থেকে টিভি ট্রান্সমিশন বিগড়ে গেল!’

    ‘আর আমার রেডিয়ো টেলিফোন চলল না।’

    ‘তার মানে কোনো চৌম্বক গোলমাল?’

    ‘চৌম্বক ঝড়।’

    মুখের চেহারা বদলে গেল বাগচির। কোঁচকানো ভুরু সোজা, গোঁফের ফাঁকে হাসি। কফির কাপ প্রায় উলটে ফেলে তিনি বিষ্ণুর হাত ধরে নাচতে লাগলেন, ‘মিল গিয়া, মিল গিয়া!’

    ফ্ল্যাটের খোলা দরজা দিয়ে কোন ফাঁকে ঢুকে পড়েছে পিন্টু। ঘরে এরকম খুশির আবহাওয়া দেখে সে ভয়ে-ভয়ে বলল, ‘কী পেয়েছেন মেসোমশাই।’

    মেসোমশাই তখন নেচে চলেছেন। সেই অবস্থায় তিনি বললেন, ‘উত্তর! উত্তর!’

    একটু পরে চেয়ারে বসে বাকি কফিটা এক চুমুকে শেষ করে তিনি বিষ্ণুর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বুঝেছিস ব্যাপারটা? এর উৎস আছে আমাদের চেয়ে অনেক অনেক দূরে…’

    বিষ্ণু বলল, ‘সোলার অ্যাকটিভিটির কথা বলছ?’

    ‘একদম ঠিক। সৌরোৎপাত। এই সময় পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে চৌম্বক ঝড় হয়, বা হতে পারে। শর্টওয়েভ রেডিয়ো যোগাযোগ এই সময় ব্যাহত হতে পারে। এবং আরও কী কী হতে পারে, সেটা আমরা আজকেই দেখলাম।’

    পিন্টু বেচাবার মাথায় এসব কিছুই ঢুকছিল না। কেবল বিষ্ণুদা যে বাবার কাছে বকুনি খাচ্ছে না তাতেই সে খুশি।

    ঠিক সেই সময় বন্ধ টিভি সেটটিকে শব্দ ফিরে এল, ফুটে উঠল ঘোষিকার মুখ।

    ‘একটি বিশেষ ঘোষণা। আবহাওয়া-অফিস থেকে এই মাত্র জানান হল যে, আজ ভারতীয় সময় বিকেল পাঁচটা বেজে পঁয়তাল্লিশ মিনিট থেকে পাঁচটা বেজে আটচল্লিশ মিনিট দশ সেকেন্ড অবধি সমস্ত পৃথিবীতে বেতার ও উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে যায়। অত্যন্ত প্রবল চৌম্বক ঝড়ই এর কারণ বলে তাঁরা জানিয়েছেন। এ-বিষয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আজ রাত আটটায় প্রচারিত হবে…’

    বাগচি পকেটে হাত ঢুকিয়ে বললেন ‘এই যে পিন্টু, তোর জন্যে টফি।’ কিন্তু হাত বার করতেই বেরিয়ে এল একটি ক্রিকেট-বল।

    পিন্টু বোকার মতো হাসল। বাগচি, দরাজ গলায় ‘হাঃ হাঃ’ করে উঠতেই বিষ্ণু কটমট করে তার ভক্তের দিকে তাকাল। বাগচি হেসে বললেন, ‘আরে, প্যাকেটটা গেল কোথায়? আচ্ছা, ততক্ষণ তুই এটা ধর তো। আমি দেখি।’

    এক ঝটকায় পিন্টুর কাছ থেকে বলটা ছিনিয়ে নিয়ে বিষ্ণু বলল, ‘বাবা, আমি আর…’

    বাগচি বললেন, ‘ও ব্যাপারে পরে কথা হবে। এখন আমি কমিটি মিটিঙে যাচ্ছি।…এই নে পিন্টু।’ ততক্ষণে হারানো টফির মোড়ক পাওয়া যাচ্ছে।

    একটু পরের ঘটনা। কমিটি-রুমের উত্তেজনা একটু কমেছে। দু-একজন কিন্তু এখনও বাগচির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন।

    তিনতলার মৈত্র বললেন, ‘সবই তো বুঝলাম, মি. বাগচি। আপনি বলছেন এটা একটা দৈব-দুর্বিপাক। রেয়ার ঘটনা। প্রত্যেক দিন ঘটার নয়।’

    বাগচি বললেন, ‘গত দুশো বছরে, মানে দুই শতাব্দীতে এই প্রথম। 1845 সাল থেকে এশিয়াটিক সোসাইটিতে যা রেকর্ড আমরা পাচ্ছি, তার মধ্যে এ-রকম প্রবল চৌম্বক ঝড়ের উল্লেখ নেই।’

    মৈত্র তবু তর্ক করে যান, ‘দুশো বছরে হয়নি। মানলাম। কিন্তু আবার যে হবে না তার গ্যারান্টি কে দেবে? আপনি দেবেন?’

    ইতিমধ্যে সিকিউরিটি থেকে খবর এসে গেছে যে, ছেলেদের টিমকে সঙ্গে নিয়ে অকুস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, বাগচির অনুমানই ঠিক। বলয়ের ফাটল আবার জুড়ে গেছে।

    হাসি-হাসি মুখে বাগচি বললেন, ‘দেখুন, বেঁচে থাকতে গেলে কিছু-কিছু ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চলতেই হয়। মনে করুন, এটাও সেরকম।’

    বাকিরা সমস্বরে বললেন, ‘যা বলেছেন?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ভৌতিক গল্পসমগ্র – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }