Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ২৫টি রোমাঞ্চকর কল্পবিজ্ঞান – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প306 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাকাতুয়া ডট কম – প্রচেত গুপ্ত

    টিকলুর মেজমামা একেবারে ভেঙে পড়েছেন। ভেঙে পড়বারই কথা। তেইশ দিন হতে চলল, ঝুঁটি একটা কথাও বলেনি। আর বলবে বলে মনেও হচ্ছে না। প্রথম প্রথম কথা শেখানোর সময় সে মুখ তুলে তাকাত। আজকাল হাই তোলা ধরনের অপমানজনক একটা ভঙ্গি করছে। তারপর ঘাড় ঘুরিয়ে নিচ্ছে।

    একেবারে শুরুতে মেজমামা ভেবেছিলেন, পরিবেশ নতুন। মানিয়ে নিতে সময় লাগছে। কিছু দিন যাক, ঠিক হয়ে যাবে।

    কিছু দিন গেল, কিন্তু কিছুই ঠিক হল না। মুখে শুধু ‘ট্যাঁ’, ‘খক’, ‘ফস’ ধরনের আবোল তাবোল আওয়াজ! মেজমামা এবার ভাবলেন, শরীরটরির খারাপ। দেখা গেল তাও নয়। সবই চলছে ঠিকঠাক। দু’বেলা পেটপুরে খাওয়া, সকালে বিকেলে ফল। দুপুরে ঠান্ডা-গরম জলে স্নান। ভোরে দাঁড়ে বসে ডিগবাজি খেয়ে আর ডানা ঝাপটিয়ে হালকা ব্যায়াম। তা হলে?

    তা হলে কী, সেটাই বুঝতে পারছেন না মেজমামা। রাগে দুঃখে হাত কামড়াতে ইচ্ছে করছে। বাড়িতে কাকাতুয়া আছে, কিন্তু সে কথা বলে না। এর চেয়ে লজ্জার আর কী থাকতে পারে?

    টিকলুর মেজমামিমা বললেন, শিক্ষা হল তো? তখনই আপত্তি করেছিলাম।

    কথাটা ঠিক, বাড়িতে কাকাতুয়া রাখার ব্যাপারে মেজমামিমার গোড়া থেকেই আপত্তি ছিল। তিনি ঠান্ডা মাথায় টিকলুর মেজমামাকে কথাটা বুঝিয়েছিলেন। বলেছিলেন, আগেকার দিনে বড়ো বড়ো বাড়ি ছিল। ছিল বড়ো বড়ো ঘর। লম্বা লম্বা বারান্দা। বিশাল উঠোন। আর ছাদগুলি চওড়ায় এমন হত যে, মাঠের বদলে অনেক সময় পাড়ার ছোটোখাটো ফুটবল ম্যাচ ছাদেই হয়ে যেত। তখন বাড়িতে খানকতক পশুপাশি পুষলে কোনে অসুবিধেই ছিল না। তখন এক-একটা বাড়িতে দশ-বারোটা বিড়াল কোনো ঘটনাই নয়। দুপুরবেলা বারান্দায় লাইন দিয়ে, লেজ গুটিয়ে বসে তারা মাছের কাঁটা খেত। আজকাল বড়ো বাড়ির ব্যাপারটাই উঠে গিয়েছে। এখন হল ফ্ল্যাট সিস্টেম। ফ্ল্যাটে সবকিছু হয় মাপমতো। খাট, চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার থেকে শুরু করে ফুলদানি, অ্যাকোয়ারিয়াম এমনকী, মানুষের পর্যন্ত আগে থেকে মাপ নিয়ে, নকশা এঁকে সব ঠিক করা থাকে। সেখানে দুম করে জীবজন্তু ঢোকানো চলে না। তা ছাড়া পাখিটাখি পোষার হবি আজকাল উঠে যেতে বসেছে। এমনকী, ছোটোরা পর্যন্ত আসল জীবজন্তুর বদলে আজকাল জীবজন্তুর রোবট পোষে। এত বড়ো একটা মানুষ পাখি পুষেছে শুনলে সকলেই হাসবে।

    এত আপত্তির একটাও টিকল না। কাকাতুয়া আনা ফাইনাল হয়ে গেল। মামিমা তখন মোক্ষম অস্ত্র ছাড়লেন। শেষ অস্ত্র। মামাকে হুমকি দিলেন। বললেন, তা হলে তুমি বেছে নাও, এই ফ্ল্যাটে কে থাকবে? আমি, না তোমার কাকাতুয়া?

    মামিমা আশা করেছিলেন, এই হুমকি শুনে মেজমামা দুঃখ-দুঃখ গলায় বলবেন, এটা তুমি কী বলছ! সামান্য একটা পাখির জন্য তুমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। না, না, এ কখনো হতে পারে না। থাক, কাকাতুয়া পুষে কাজ নেই। এত বছর যখন কাকাতুয়া ছাড়া থাকতে পেরেছি, বাকি দিনগুলও পারব।

    আশ্চর্যের বিষয়, হুমকি শোনার পর মেজমামা সেরকম কিছু বলবেন না! উলটে মুচকি হেসে বললেন, কথাটা খারাপ বলনি। ক’টা দিন বোনের বাড়িতে কাটিয়ে আসতে পারো। বল তো, আমি নিজে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসব। আর সেই ক’টা দিন আমি না হয় পাখিটাকে ট্রেনিং দেব। ফাঁকা বাড়িতে ট্রেনিং দেওয়া সুবিধে।

    মামিমা বুঝতে পারলেন, এই মানুষকে আর কিছু বলে লাভ নেই।

    আসলে টিকলুর মেজমামার কাকাতুয়ার শখ সেই ছেলেবেলা থেকে। স্কুলে পড়ার সময় ভোম্বলের পিসির বাড়িতে একবার দেখেছিলেন। সেই পাখি মেজমামাকে দেখে ঘাড় কাত করে বলল, অ্যাই ছেলে, হোমটাস্ক হয়েছে? হোমটাস্ক না করে খেলে বেড়াচ্ছ যে বড়ো?

    কাকাতুয়াটার কথার মধ্যে একটা ধমক ধমক ব্যাপার থাকলেও মেজমামা মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তখনই ঠিক করেছিলেন, তিনিও একটা কাকাতুয়া পুষবেন।

    বাবার বকুনিতে সেই শখ তখন মেটেনি। এত বছর পর মেটালেন।

    পাখি যেদিন বাড়িতে এল সেদিন মেজমামিমা সত্যি সত্যি বোনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বাড়ি ছেড়ে যাননি, গিয়েছিলেন রান্না শিখতে। তিনি মাঝেমধ্যে বোনের কাছে রান্না শিখতে যান। এক-একদিন এক-এক রকম রান্না। সেদিন শিখলেন চকোলেট কেক। এতে একটু সময় লাগে। কেক ফ্রিজে ঢুকিয়ে ঠান্ডা করার ব্যাপার আছে। তাই বাড়ি ফিরতে দেরি হয়ে গেল। পাখি আসার কথা তিনি জানতেন না। বেল টিপতে দরজা খুলল কাজের মেয়ে বুনি। একগাল হেসে বলল, বউদি, এসে গিয়েছে।

    মেজমামিমা অবাক হয়ে বললেন, এসে গিয়েছে! কে এসে গিয়েছে?

    বুনি বড়ো করে হেসে বলল, ঝুঁটিপিসি। ঝুঁটিপিসি এসে গিয়েছে।

    মেজমামিমা অবাক হলেন, ঝুঁটিপিসি! ঝুঁটিপিসি কে? ঝুঁটি নামে টিকলুর মেজমামার কোনো বোন আছে বলে তো তাঁর মনে পড়ছে না!

    তিনি ভুরু কুঁচকে ঘরে ঢুকলেন এবং ঢুকেই চমকে উঠলেন!

    বসার ঘরের ঠিক মাঝখানে বদখতভাবে একটা দড়ি টাঙানো। সেই দড়িতে ঝুলছে পিতলের দাঁড়। আর দাঁড়ে বসে আছে কাকাতুয়া! ঝলমল করছে। গায়ের রং ধবধবে সাদা। সেই সাদার মধ্যে একটা গোলাপি আভা যেন লুকোচুরি খেলছে! তাকিয়ে থাকলে চোখ জুড়িয়ে যায়। আর তার চেয়েও চোখ জুড়োনো হল মাথার ঝুঁটি! একেবারে লাল টকটক করছে যে! সেই ঝুঁটি এতই সুন্দর যে, একবার দেখলে মন ভরে না। মনে হয়, আরও একবার দেখি।

    টিকলুর মেজমামিমারও তাই মনে হল। তবু তিনি মনকে শক্ত করে মুখ ফেরালেন। দুর্বলতা দেখানো উচিত নয়।

    মামিমাকে দেখে খানিকটা নার্ভাস হয়েই মেজমামা সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। হাসিমুখে বললেন, ভেবেছিলাম দু’দিন দেরি করব। মনে হচ্ছে, করলে বড়ো একটা বোকামি হয়ে যেত। এত ভালো পাখিটা হাতছাড়া হয়ে যেত। ঠিক যেমন খুঁজছিলাম। এ হল তোমার মাল্লাকান কাকাতুয়া। ভারি ভদ্র আর বুদ্ধিমান। তার চেয়েও বড়ো কথা হল, কথা বলায় একেবারে মাস্টার। কথা একবার শুরু হলেই হল। চলতেই থাকবে, চলতেই থাকবে। তখন থামার জন্যে হাতে-পায়ে ধরতে হবে। হা হা। আনতে আনতে একটা নামও ঠিক করে ফেলেছি। ডাকনাম অবশ্য। ভালো নাম তোমার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব। ডাকনামটা শুনবে?

    মেজমামিমা ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেললেন। মানুষটা পাগল হয়ে গেলেন নাকি? মনে হচ্ছে তাই। মানুষের ডাকনাম হল, পাখির কখনো ডাকনাম হয়! তিনি গম্ভীর গলায় বললেন, না, আমি শুনব না। ভালো নাম, ডাকনাম কোনোও কিছুই শুনতে চাই না।

    মেজমামা গদগদ গলায় বললেন, আহা, শোনোই না। ডাকনাম, দিয়েছি ঝুঁটি।

    মেজমামিমা চোখ পাকিয়ে বুনির দিকে তাকালেন। ও, এই কারণে বিচ্ছু মেয়েটা বলছিল, ঝুঁটিপিসি এসেছে!

    মেজমামা গর্বিত হেসে বললেন তুমি যতই রাগ করো, ঝুঁটিকে দেখতে কিন্তু ভারি সুন্দর। তাই না?

    মামিমা নিজের ঘরের দিকে পা বাড়িয়ে বললেন, হ্যাঁ তাই। তবে তাতে কিছু এসে যায় না। সুন্দরবনের রয়াল বেঙ্গল টাইগারও দেখতে সুন্দর। তার মানে এই নয় যে, তাকে বাড়িতে নিয়ে আসতে হবে এবং সোফায় বসিয়ে খেতে খেতে গল্প করতে হবে।

    মেজমামা বললেন, আহা, তুমি তো এখন শুধু এর রূপটুকুই দেখেছ, এর গুণের পরিচয় তো এখনও পাওনি। আমি যেরকম ভেবেছি, তার আদ্দেকটাও যদি পাখিটাকে শেখাতে পারি, তা হলেই সকলে একেবারে চমকে যাবে।

    কথাটা মিথ্যে নয়। টিকলুর মেজমামা ঝুঁটিকে নিয়ে যা পরিকল্পনা করেছিলেন তা ভীষণ মারাত্মক। গুরুত্ব অনুযায়ী পরিকল্পনাগুলি সাজালে এরকম হবে—

    পরিকল্পনা : (এক) মোট আড়াইশো টেলিফোন নম্বর মুখস্থ। এর মধ্যে দেড়শো ল্যান্ড ফোনের, বাকি একশো মোবাইল ফোনের নম্বর।

    পরিকল্পনা : (দুই) বাজারদর থেকে আবহাওয়ার খবর, খেলাধুলার উপর দু’-একটা ভাষণ তৈরি করে শিখিয়ে রাখা হবে। বড়ো কিছু নয়। দশ-বারো লাইনের ছোটো ছোটো ভাষণ। এর ফলে হঠাৎ বাড়িতে কোনো অতিথি চলে এলে, তাঁর সঙ্গে অন্তত কিছুক্ষণ কথা চালাতে পারবে। এই যেমন, আলুর দাম, পৃথিবীতে গরম কেন বাড়ছে, মোহনবাগানের টিম বদল, এইসব। ট্রেনিং এমনভাবে হবে, যাতে ভাষণের মাঝখানে সে ঘাড় বেঁকিয়ে অতিথিকে জিজ্ঞেস করে, চা খাবেন? না, কফি?

    পরিকল্পনা : (তিন) রোজ সকালে খবরের কাগজ দেখে সেদিনের টিভি প্রোগ্রামের কয়েকটা কানের কাছে আওড়ে দিতে হবে। ক’টার সময় কোনো চ্যানেলে টেনিস, কোন চ্যানেলে ক্রিকেট, কোন চ্যানেলে সিনেমা। সন্ধেবেলা জিজ্ঞেস করলেই বলে যাবে গড়গড় করে।

    পরিকল্পনা : (চার) পরিকল্পনা আছে, কুইজের একটা ট্রেনিং দিতে। এটা একেবারে টিকলুর জন্য ভেবেছেন মেজমামা। টিকলু আর তার বন্ধুরা এলে ঝুঁটি হবে কুইজ মিস। কোনো সন্দেহ নেই, ব্যাপারটা দারুণ মজার হবে। তবে সমস্যা একটা আছে। প্রশ্নের জায়গায় আগে উত্তরগুলি যদি বলে ফ্যালে!

    পরিকল্পনা : (পাঁচ) কুইজের পরিকল্পনা যেমন টিকলুর জন্য, তেমনই এই পরিকল্পনাটা হয়েছে মেজমামিমার কথা ভেবে। এর জন্য ঝুঁটির ট্রেনিং হবে গোপনে। মেজমামিমা যখন বাড়িতে থাকবেন না, সেই সময়। কয়েকটি রান্নার বই আনা হবে। সেখান থেকে বাছাই করে রেসিপি মুখস্থ করানো হবে ঝুঁটিকে। রবিবার সকালে মেজমামিমা যখন রান্নাঘরে ঢুকবেন, বাইরে দাঁড়ে বসে ঝুঁটি বলবে, এবার তিন চামচ চিনি দাও। তারপর এক বাটি দুধ। একটা ডিম ফাটিয়ে…।

    পরের দিন ভোর থেকেই ট্রেনিং শুরু হয়ে গেল। মেজমামা তিন দিনের ছুটি নিয়েছেন অফিস থেকে। পাখি যার কাছ থেকে আনা হয়েছে, সে বলে দিয়েছে, শুরুটা ধীরেসুস্থে হওয়াই ভালো। একটু একটু করে। দেখবেন, প্রথমেই ঘাবড়ে না যায়। সহজ-সরল কথা শেখাবেন।

    সেইমতো প্রথম ট্রেনিংয়ের কথাটা সহজ-সরলই বাছলেন মেজমামা। কথাট এরকম, আহা! রান্না বড়ো খাসা!

    মেজমামার ইচ্ছে ছিল, মামিমাকে পাখির প্রথম বুলি হিসেবে এটাই শোনাবেন। কাকাতুয়ার মুখে রান্নার প্রশংসা শুনে মামিমার রাগ একেবারে জল হয়ে যাবে।

    কিন্তু ইচ্ছে ইচ্ছেই রয়ে গেল। এক ঘন্টা, দু’ঘন্টা, তিন ঘন্টা করে গোটা দিনটাই চলে গেল। ঝুঁটি চুপ করে রইল! একেবারে যাকে বলে স্পিকটি নট! দুপুরে ছোলা সেদ্ধ, পেঁপে, আধখানা কলা দিয়ে লাঞ্চ সেরে ঢেঁকুর তোলা ধরনের একটা ভঙ্গি করল। তারপর ঘাড় কাত করে ঘুমিয়ে পড়ল।

    মেজমামা খাঁচার সামনে টুল পেতে বিকেল পর্যন্ত বিড়বিড় করলেন, আহা! রান্না বড়ো খাসা। আহা! রান্না…

    বুনি আড়াল থেকে ঘটনা দেখে ঘাবড়ে গেল প্রচণ্ড। রান্নাঘরে গিয়ে বড়ো বড়ো চোখ করে মামিমাকে বলল, দাদার মনে হয় মাথা গরম হয়েছে। জল ঢালা দরকার বউদি।

    সত্যি সত্যি মাথা গরম হওয়ার কথা। কিন্তু মেজমামা মাথা ঠান্ডা রেখে চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগলেন। তিন দিন গেল। চার দিন গেল। একটা গোটা সপ্তাহ চলে গেল।

    ঝুঁটি মুখ ফুটে একটি কথা বলল না!

    মেজমামা অফিসের ছুটি বাড়িয়ে নিলেন। ট্রেনিংয়ের সময় বাড়ল। গোটা বাক্যের বদলে ‘হ্যাল’, ‘গুড মর্নিং’, ‘টা টা’ ধরনের কথা দিয়ে চেষ্টা চলল ক’দিন। তাতেও কিছু হল না।

    মেজমামিমা বললেন, এবার তুমি থামবে? একই কথা বলতে বলতে হয়। তুমি পাগল হয়ে যাবে, নয়তো শুনতে শুনতে আমি পাগল হয়ে যাব। কেন বুঝতে পারছ না তুমি বিরাট ঠকেছ। লোকটা তোমাকে একটা অতি গবেট এবং মূর্খ কাকাতুয়া গছিয়ে দিয়েছে। অনেক হয়েছে, এবার চুপ কর। এর মধ্যেই বুনির অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে। দেখছি, মেয়েটা সারাদিন নিজের মনে বিড়বিড় করে, ‘গুড মর্নিং’ ‘হ্যাল’ ‘টা টা’। ‘গুড মর্নিং…’ এরপর তো আমিও শুরু করব।

    ঝুঁটি আসার ঠিক বাইশ দিনের মাথায় মেজমামা রাতে একটা ভয়াবহ স্বপ্ন দেখলেন। ঝুঁটির মূর্খামি নিয়ে স্বপ্ন! স্বপ্নটা এরকম—দাঁড়ে মাথা নামিয়ে ঝুঁটি বসে আছে। তার ঠোঁটে ধরা একচিলতে কাগজ। বুনি হাত বাড়িয়ে সেই কাগজের টুকরোটা নিল। তারপর চিৎকার করে বলল, বউদি, শিগগির এস, ঝুঁটির পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে! ঝুঁটির পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে!

    মেজমামা তাড়াতাড়ি কাগজের টুকরো কেড়ে নিলেন। আরে, সত্যি তো! পরীক্ষার রেজাল্টই তো বটে! একটা বিষয়েও পাস করেনি ঝুঁটি! সব বিষয়ে লাল কালির দাগ। সবচেয়ে বেশি নম্বর যা পেয়েছে, তা হল একশোর মধ্যে সাত!

    মামা ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসে ঘাম মুছলেন নিজের মনেই বললেন, কী ভয়ংকর! কী ভয়ংকর!

    অফিস যাওয়ার পথেই মামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেল। অনেক হয়েছে, আর নয়। পাখি ফেরত যাবে। যার কাছ থেকে এনেছিলেন, ফিরিয়ে দিয়ে আসবেন তাকে। কালই দিয়ে আসবেন। কথাটা ঠিকই। আজকালকার দিনে পাখি পোষা মানায় না। ছেলেবেলার সাধ মিটল না বলে মেজমামার মনটা বেশ খারাপ হল বটে, তবে অফিসের কাজের চাপে একসময় ভুলেও গেলেন।

    মনে পড়ল সেই বাড়ি ফেরার পর।

    মামিমা চা দিতে এসে অবাক হয়ে বললেন, কী হল তোমার? ঝুঁটিকে কথা শেখাবে না?

    মেজমামা ভাবলেন, পাখি ফেরতের সিদ্ধান্তটা ঘোষণা করে ফেলা যাক। তারপর ভাবলেন থাকুক। চুপিচুপি নিয়ে এসেছিলেন, কাল ফেরতও দিয়ে আসবেন চুপিচুপি। মুখে বললেন, আজ একটুও সময় নেই। ক’দিন ছুটি নিয়ে মুশকিল হয়ে গিয়েছে। অফিসে কাজ জমে গিয়েছে। বাড়িতেও ফাইল নিয়ে এসেছি। রাত পর্যন্ত কম্পিউটারে কাজ করব। এখন আর বিরক্ত কোরো না। বুনিকে বল, ঝুঁটিকে যেন আজ রাতে ও-ই খেতে দিয়ে দেয়।

    সত্যি সত্যি টেবিলে ফাইল ছড়িয়ে কাজে বসে গেলেন মেজমামা। বাড়িতে ঝুঁটিকে আনার পর কম্পিউটারে হাত দেওয়ার সময়ই পাননি ধুলো ঝেড়ে কম্পিউটার চালু করলেন।

    একটু দূরে দাঁড়ে দোল খেতে খেতে ঝুঁটি কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে আছে। মনিটরের আবছা নীল আলোয় তার চোখ দুটো যেন জ্বলজ্বল করছে।

    মেজমামা ফিসফিস করে বললেন, একবার ওঠো। শিগগিরই ওঠো একবার।

    মেজমামিমা ধড়মড় করে উঠে বসলেন। ক’টা বাজে? এত রাতে কী হল আবার! বিপদ আপদ কিছু?

    মেজমামা ফিসফিস করে বললেন, সাংঘাতিক কাণ্ড! ওই ঘরে গিয়ে একবার দেখবে চলো, কী হয়েছে। খটখট আওয়াজ শুনে ঘুম ভেঙে গেল। দরজা খুলে পাশের ঘরে গেলাম। গিয়ে যা দেখলাম, তা মারাত্মক। আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, যা দেখলাম সেটা সত্যি নয়, আমার চোখের ভুল। তাই তোমাকে ডাকলাম।

    মেজমামিমা দেওয়ালে টাঙানো ঘড়ির দিকে তাকালেন। রাত একটা। না, পাখি পাখি করে মানুষটার মাথা সত্যি খারাপ হয়ে গিয়েছে মনে হচ্ছে।

    ঘুমঘুম চোখে তিনি পাশের ঘরে গেলেন এবং চমকে উঠলেন! এ যে অসম্ভব!

    দাঁড় থেকে নেমে টেবিলে বসে আছে ঝুঁটি! শুধু বসে নেই, তার সামনে মেজমামার কম্পিউটারটা খোলা।

    মেজমামা উত্তেজনায় কাঁপছেন। চাপা গলায় বললেন, মনে হচ্ছে ঠোঁট দিয়ে কোনোভাবে সুইচ অন করে ফেলেছে।

    দু’পা এগোতেই দেখা গেল, ঘটনা অত সহজ নয়। ঝুঁটি মুখ নীচু করে তার বাঁকানো শক্ত ঠোঁট দিয়ে কি-বোর্ডের সুইচ টিপছে। আওয়াজ হচ্ছে খট, খট, খট…।

    ও কি খেলা করছে?

    পা টিপে টিপে আরও কাছে গেলেন দু’জন। না, ঝুঁটি খেলছে না, সে লিখছে! টাইপ করার ভঙ্গিতে মানুষের আঙুলের মতো তার ঠোঁট চলছে! পরদায় ইংরেজি হরফে যা ভেসে উঠছে, তার বাংলা করলে দাঁড়ায়, তুমি কেমন আছ? আমি ভালোই আছি। এদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা অতি উৎকৃষ্ট। ভয় হচ্ছে, ওজন না বেড়ে যায়! কম্পিউটারটা খেয়াল করিনি বলে এতদিন মেল পাঠাতে পারিনি। এবার থেকে নিয়মিত মেল পাঠাব…।

    মেজমামার চোখ-মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। তিনি মামিমার কানে কানে বললেন, কিছু বুঝতে পারছ? বুঝতে পারছ কিছু? মার্ভেলাস! অসাধারণ! ঝুঁটি কম্পিউটারে চ্যাট করছে! ইস, আমারই বুঝতে ভুল হয়েছিল। ঝুঁটি এ-যুগের কাকাতুয়া কোন দুঃখে মুখে কথা বলবে? তারা কথা বলবে কম্পিউটারে।

    আমরা টিকলুকে ধরেছিলাম, শনিবার স্কুল ছুটির পর ওর মেজমামার বাড়িতে আমাদের নিয়ে যেতে হবে। আমরা ঝুঁটির কম্পিউটারে চ্যাট করা দেখব। টিকলু জানিয়েছে, সেটা সম্ভব নয। কম্পিউটার চ্যাট একটা ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা অন্য কারও দেখা উচিত নয়। তবে সে কথা দিয়েছে, আমাদের ঝুঁটির ই-মেল নম্বরটা দেবে। ইচ্ছে করলে, আমরা নিজেদের কম্পিউটার থেকে তার সঙ্গে গল্প করতে পারি।

    রাত এগারোটার পর মেজমামা নাকি নিয়ম করে ঝুঁটিকে এক ঘন্টার জন্য কম্পিউটার ছেড়ে দিচ্ছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি নতুন ভূত – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ভৌতিক গল্পসমগ্র – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }