Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসা মোরে ভিকিরি করেছে

    ওই যে মোড়ের মাথায় হলুদ রঙের বাড়িটা দেখছেন, ওই বাড়িতে আমি থাকি। আমি থাকি, আমার বউ থাকে, আমার এক ছেলে আর মেয়ে থাকে। ছেলে বড়ো আর মেয়ে ছোটো আমি ইচ্ছে করলে আমার বাড়ির বাইরে একটা মার্বেল ফলক লাগাতে পারি; তাইতে লেখাতে পারি ‘প্ল্যানড ফ্যামিলি’।

    আমি ইচ্ছে করলে আমার পরিবারের সভ্য সংখ্যা আরও অনেক বাড়াতে পারতুম। সে ক্ষমতা আমার ছিল। সাহসে কুললো না, ফলে হাম দো, হামারা দো। একটা কথা চুপি চুপি বলে রাখি, এখন যা বাজার পড়েছে, তাতে যেকোনো লোকের তিনটে ছেলে হলে ভালো হয়। একজন মাস্তান হবে, আর একজন হবে নেতা, আর একজন পুলিশ। একেবারে আদর্শ পরিবারের কাঠামো। হেসে খেলে রাজত্ব করে যাও। ব্যক্তিগত সম্পত্তির অভাব হলেও জাতীয় সম্পত্তির অভাব নেই। পার্কের রেলিং খুলে বেচে দাও। ট্রেনের কামরা থেকে আলো। পাখা, গদি আপন ভেবে খুলে নিয়ে এসো। চারদিকে নানারকম কনস্ট্রাকশান হচ্ছে, প্রচুর মালপত্র পড়ে আছে রাস্তাঘাটে। একটু কষ্ট করে তুলে আনো। এনে আবার সেইখানেই ফিরিয়ে দাও। একেই বলে লেনদেন। জমি কেনো, বাড়ি করো, গাড়ি করো। ফুরফুরে নেশা কর। এদিক-সেদিক যাও। শহরে আবার বাইজি-কালচার ফিরে আসছে। ওড়াও, ওড়াও, দু-হাতে কারেনসি নোট ওড়াও তো, এই নয়া বাতাসের পাল তুলতে পারিনি আমি। আমার পালে সেই পুরোনো বাতাস। ধর্ম নিয়ে আদর্শ নিয়ে, এক বিশ্রী অবস্থা। লোভ আছে সাহস নেই।

    আমি আমার বউকে ভীষণ ভয় পাই। সব আদর্শবাদী স্বামীই পায়, আমি একটু বেশি পাই; কারণ আমি ঝগড়াঝাঁটি ভীষণ অপছন্দ করি। আমি মনে করি কোনো ভদ্রলোকের স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করা উচিত নয়। আর স্ত্রী আর হেডমিস্ট্রেসে খুব একটা তফাত নেই। সব স্বামীই স্ত্রীদের ছাত্র। কত কী শেখার আছে! আর সেই শিক্ষা তো স্ত্রীর পাঠশালাতেই হয়। আমার স্ত্রী এই এতদিন পরেও প্রায়ই বলে, ‘কবে যে তুমি একটু মানুষ হবে!’

    ‘আমি এখন তাহলে কী?’

    স্কুলে শিক্ষকরা চিরকাল বলে এসেছেন, ‘এমন সিনসিয়ার গাধা খুব কম দেখা যায়।’

    আমার বউ স্পষ্ট মুখের ওপর বলে, ‘তুমি একটা অমানুষ।’ অর্থাৎ জন্তুর জান্তব গুণাবলী চোলাই করে ঈশ্বর আমাকে মানুষের বোতলে পুরে পৃথিবীতে ঠেলে দিয়েছেন। আর আমার স্ত্রী দয়া করে সেই বোতলটিকে তুলে নিয়েছে। কত বড় উদারতা! এই উদারতার জন্যে চিরকাল আমাকে কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। ‘সিট ডাউন’ বললে বসতে হবে। ‘গেট আপ’ বললে উঠতে হবে।

    আমি আমার ছেলে-মেয়েদের কোনোভাবেই জানতে দিতে চাই না, যে আমি প্রেম করে বিয়ে করেছি। প্রেম বাঙালির রক্তে হেমোগ্লোবিনের মতো মিশে আছে। নারী জাতির প্রতি প্রেম। বিয়ের সময় আমরা যে পণ চাই, বিয়ের পরে বধূ নিগ্রহ করি, কখনো পুড়িয়ে মারি, বা সিলিং-এ ঝুলিয়ে দিই, সেটা স্ত্রীর প্রতি বিদ্বেষ নয়, শ্বশুরমশাইকে ঘৃণা। অধিকাংশ শ্বশুরই পাকা ব্যবসাদার। কৃপণ। হাত দিয়ে জল গলে না। চোখের চামড়া নেই। ধুরন্ধর প্রকৃতির ব্যক্তি। সুন্দর সুন্দর মেয়ের পিতা হয়ে বিয়ের বাজারে লাঠি ঘোরাতে চান।

    আমি একটু বোকা ধরনের উদার প্রকৃতির মানুষ, তাই ঠকে মরেছি। আমার ভায়রাভাই, যে আমার বউয়ের বোনকে বিয়ে করেছে, সে পাকা ছেলে। আমার শ্বশুরমশায়ের কানটি মলে কম বাগিয়েছে। ভাবলে মনটা কেমন করে ওঠে! একই বউকে দ্বিতীয়বার আর বিয়ে করা যায় না। যা হয়ে গেছে, তা হয়ে গেছে। পস্তে লাভ নেই। ভালোবাসার পলস্তারা দিয়ে সব মসৃণ করতে হবে। ভালোবাসা জিনিসটা ভোরের শিশিরের মতো। সংসার সূর্যে নিমেষে উবে যায়।

    আমার হলুদ রঙের একতলা বাড়ি। সবে হয়েছে। এখনও অনেক কাজ বাকি। এই বাড়িই আমার বাঁশ হয়েছে। আমার জ্ঞানী বউয়ের পরামর্শে সব বেচেবুচে, ধারদেনা করে তৈরি হয়েছে ইটের খাঁচা। এখন বাজার করার পয়সা জোটে না। ভিকিরির অবস্থা। অফিস থেকে লোন নিয়েছিলুম। কাটতে শুরু করেছে। মাইনে হাফ হয়ে গেছে। অথচ সংসার খরচ কোনোভাবেই কমানো যাচ্ছে না। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীতে ঘনঘন বাজেট অধিবেশন হয়ে গেছে। কোনো দিক থেকেই কোনো সুরাহা হয়নি। আমরা তো আর স্টেট নই যে মদের ওপর, কি ডিজেলের ওপর, কী সিগারেটের ওপর, কী গমের ওপর ট্যাক্স বসিয়ে দেবো! এ হল ফ্যামিলি। একটাই রাস্তা, খরচ কমানো।

    দুধের খরচ কমানো যাবে না। ছেলে-মেয়ের হেলথ খারাপ হয়ে যাবে। ওরাই তো আমাদের ভবিষ্যৎ। দেশের ভবিষ্যৎ। ঠিক মতো লালনপালন করতে পারলে কত কী হতে পারে। এদেশে এখনও কেউ আইনস্টাইন হয়নি, রাসেল হয়নি। এদেশে অ্যাব্রাহাম লিংকনেরও খুব প্রয়োজন। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারে যাচ্ছেতাই। সারা ভারতে রাজনীতির চোলাই তৈরি হচ্ছে। চতুর্দিকে আড়ং ধোলাই শুরু হয়েছে। সারা বিশ্ব হিংসায় ভরে গেছে, একজন যিশু এলে মন্দ হয় না। আমার শিশুটিও যিশু হতে পারে। কে কি হবে, বলা তো যায় না! আমার বউ অবশ্য সন্দেহ করে, ‘তোমার মতো পিতার সন্তান কত দূর কী করতে পারবে সন্দেহ আছে। গাছ অনুযায়ীই তো ফল হবে।’ আমি ভয়ে বলতে পারি না যে, ‘তুমি তো জমি। বীজ ধারণ করেছিলে। সেই জমিতেও তো আমার সন্দেহ। বীজের দোষ না জমির দোষ!’ সাহস করে বলি না। বললেই দাঙ্গাহাঙ্গামা বেধে যাবে। মেয়েদের সঙ্গে ঝগড়ায় আমি পারব না; কারণ আমার মেমারি তেমন ভালো নয়। মামলা আর বউয়ের সঙ্গে ঝগড়ায় ‘পাস্ট রেফারেন্সের’ খুব প্রয়োজন হয়। দশ বছর আগে এক বর্ষার রাতে আমি কী বলেছিলুম, আমার বউয়ের মনে আছে। লিভিং রেফারেন্স ম্যানুয়েল। মাঝে মাঝে মনে হয় মেয়েদের স্মরণশক্তি বেশি, না বিয়ে হলেই স্মরণশক্তি খুলে যায়। আমার তো কালকের কথা আজ মনে থাকে না। টেপের মতো সব ইরেজ হয়ে যায়।

    বেশ, দুধ কমানো যাবে না। বোতলের সাদা জল, পলিথিনের ব্যাগে ভরা থলথলে সাদা জলে বাঙালির ধৃতি, পুষ্টি, মেধা। সারা পরিবারে ভাগ বাঁটোয়ারায় আধকাপ মাথাপিছু পেটে না গেলে মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা দেখা দেবে। গ্যাসের খরচ কমানো যাবে না। গ্যাস দিয়ে আর গ্যাস নিয়েই তো আমাদের জীবন। চাবি ঘুরিয়ে জ্বালতে জ্বালতেই বেশ কিছুটা বাতাসে পাখা মেলে উড়ে যাবে। সারা বাড়ি খুশবুতে ভরে যাবে। হাতের কাছে সব গুছিয়ে নিয়ে রাঁধতে বসার নির্দেশ থাকলেও সম্ভব হবে না। সেইটাই আমাদের চরিত্র। বিদ্যুতের বিল উত্তরোত্তর বাড়বে বই কমবে না। লোকলৌকিকতা যা ছিল তাই থাকবে। শিক্ষার খরচ দিন দিন বাড়বে। প্রতিটি বিষয়ের জন্যে এক একজন গৃহশিক্ষক। তা না হলে পরীক্ষায় গোল্লা। অশ্রু বিসর্জন করে, নাকে কেঁদে লাভ নেই। যে খেলায় যা নিয়ম। খরচ কমাবার কোনো রাস্তা নেই। শুধু বেড়ে যাও, ছেড়ে যাও, উড়িয়ে যাও, পুড়িয়ে যাও।

    ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি, ওয়েস্ট নট ওয়ান্ট নট। অপচয় বন্ধ করো, অভাব হবে না; কিন্তু স্বভাব যাবে কোথায়! মহিলাদের স্বভাব হল, তাঁরা অন্যকে উপদেশ দেবেন, সেই উপদেশের সিকির সিকি নিজেদের জীবনে পালন করবেন না। আমার স্ত্রী পাশের বাড়ির বউটিকে উপদেশ দেন, স্বামী অফিস থেকে ফেরামাত্রই অমন মেজাজ দেখাও কেন? আগে আসতে দাও, বসতে দাও, শান্ত হয়ে চা-টা খেতে দাও। তারপর যা বলার বলো। বলবে বই কী। স্বামীকে বলবে না তো কাকে বলবে! পৃথিবীতে ওই একটাই তো লোক! জীবনসাথী!

    এই উপদেশ আমি নিজের কানে শুনেছি। কিন্তু আমার বেলায় ঠিক উলটোটাই হয়। আপনি আচরি ধর্ম, এই নীতিবাক্যটি ভদ্রমহিলা হয়তো বহুবার শুনেছেন; মগজে তেমন ছাপ ফেলেনি। ঢোকার দরজার মুখে একটা পাপোশ আছে। সেইখান থেকেই শুরু হয়। ‘কী হল! ওখানে পাপোশটা কী জন্যে রাখা হয়েছে? ছাপ্পান্ন টাকা নগদ দাম দিয়ে কেনা হয়েছে কী কারণে! তোমার হাইজাম্প প্র্যাকটিশ করার জন্যে? এই নোংরা জুতো নিয়ে ছাগলের মতো লাফিয়ে আমার এমন সুন্দর মোজাইক মেঝেতে দাগ ফেলে দিলে! জান না মোজেকের মেঝে কী সাংঘাতিক সেনসিটিভ। একবার দাগ ধরে গেলে সহজে উঠতে চায় না। অকজ্যালিক অ্যাসিড ঘষতে হয়, মোমপালিশ করতে হয়। আর রাস্তার জুতো নিয়ে ভেতরেই বা আসা কেন? ন্যাস্টি হ্যাবিট!

    আমারও মেজাজ ঠিক থাকে না। জ্যাম ঠেঙিয়ে ধুলো, ঘাম, ডিজেলের ধোঁয়া গায়ে মেখে, ঘাড়ে পিঠে সহযাত্রীদের রদ্দা খেয়ে ময়ান দিয়ে ঠাসা লুচির ময়দার তালের মতো বাড়ি ফিরে দরজার মুখ থেকেই শুরু হলে কার ভালো লাগে? আমার মোজেক! তোমার মোজেক মানে! পুরো প্রোডাকশানটাই তো আমার। চিত্রনাট্য, পরিচালনা, সংগীত, গীতরচনা, সবই তো আমি করেছি। ভাদ্রমাসের রোদে পোস্টাপিসের পিয়োনের ছাতা মাথায় দিয়ে মিস্ত্রি খাটিয়েছি। নাক দিয়ে সিমেন্ট টেনেছি। পা দিয়ে মশলা দলেছি। জোগাড়ের অভাব হয়েছে যেদিন, ক্যানেস্তারা ক্যানেস্তারা জল ঢেলে ইট ভিজিয়েছি। পয়সা ছিল না; মোজেক ঘষাবার মেশিন আনতে পারিনি, নিজেই হাঁটুগেড়ে বসে পাথর দিয়ে ঘষে ঘষে দানা বের করেছি। সেই থেকে আমার হাঁটুতে কড়া, কোমরে সায়টিকা। ভাদ্রের রোদে পুড়ে জণ্ডিস। সেই থেকে চোখ দুটো ঘোলাটে হলুদ। আর এখন, সেই সাধনার পীঠস্থানে জুতোসুদ্ধ পা রেখেছি বলে ধাতানি খেয়ে মরছি!

    বেশ চড়া গলাতেই বলতে হয়, ‘জুতো তাহলে রাখব কোথায়? মাথায়?’

    ‘মাথায় তো রাখতে বলিনি; বাইরের সিঁড়ির একপাশে রাখতে পার।’

    ‘তিনদিন আগে আমার নতুন কোলাপুরির একটা পাটি কুকুরে মুখে করে নিয়ে গেছে।’

    ‘গাছে তুলে রাখো।’

    জমিটা যখন কিনি, তখন সেখানে একটা ফলসা গাছ ছিল। গাছটাকে কায়দা করে বাঁচানো হয়েছে। সেই গাছে জুতোটাকে ঝোলাবার পরামর্শ। গাছ থেকে ফল পাড়ে। ফলের বদলে রোজ সকালে জুতো পাড়ব? বলা যায় না, ডাল থেকে একটা সুদৃশ্য সিকা ঝুলিয়ে দেবে। এ তো কায়দার যুগ। রোজ জুতো সিকেয় তুলে বাড়ি ঢুকতে হবে!

    আমার স্ত্রীর একটা ম্যানিয়া মতো হয়ে গেছে। ঘুরছে ফিরছে, ঘাড় কাত করে পাশ থেকে আলোর বিপরীতে দেখছে মেঝেতে দাগ পড়েছে কি না। পড়লেই স্পেশ্যাল ন্যাতা দিয়ে, জল দিয়ে, লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করছে। আমারও রেহাই নেই। বসতে দেখলেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠছে, ‘কী বসে বসে বাসী খবরের কাগজ পড়ছ! যাও ধাপ আর মেঝের স্কাটিংগুলো একটু পরিষ্কার করো না।’

    বাড়ি করার পর একেই তো আমার চেহারাটা অষ্টাবক্র মুনির মতো হয়ে গেছে, তার ওপর চব্বিশ ঘণ্টা এই অত্যাচার। দেয়ালে পিঠ রেখে বসা যাবে না। দেওয়ালের রং চটে যাবে। মাথার পেছন লাগানা যাবে না। ছোপ ধরে যাবে তেলের। বাথরুম থেকে বেরিয়ে পাপোশে পনেরো মিনিট পা ঘষতে হবে। জল থাকলেই ঝকঝকে মেঝেতে দাগ পড়ে যাবে। কোথা থেকে একজোড়া ছেঁড়া মোজা জোগাড় করে দিয়েছে, সেই মোজা পরে রোজ সকালে সারা বাড়ির মেঝে পরিষ্কার করো। টুথব্রাশ দিয়ে গ্রিলের ভাঁজ থেকে ধুলো ঝাড়ো। ঘাড় উঁচু করে দ্যাখো সিলিং-এর কোথাও ঝুল ধরছে কিনা। এই সব করতে করতেই বেলা কাবার। না পড়া হয় সকালের কাগজ, না হয় ভালো করে খাওয়া। কোনোক্রমে নাকে মুখে গুঁজে গুঁজে অফিস। প্রায়ই দাড়ি কামানো হয় না। খোলতাই চেহারায় এক মুখ কাঁচাপাকা দাড়ি। লোকে জিজ্ঞেস করে, ‘কি হয়েছে বলুন তো আপনার?’

    ‘ভাই, বাড়ি হয়েছে।’

    ‘বাড়ি হলে এইরকম হয় বুঝি?’

    ‘অনেকে টেঁসে যায়, আমি তো তবু বেঁচে আছি।’

    একদিন সকালে বাড়ি ঢোকার মুখের মেঝেটা খারুয়া দিয়ে মুছছি আর পাশে হেলে হেলে দেখছি দাগ পড়েছে কিনা, এমন সময় আমার প্রতিবেশী আশুবাবু এসে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী রে, বিশুবাবু আছেন?’

    আমার নামই বিশুবাবু। ভদ্রলোক চিনতে পারেননি। আমি বললুম, ‘বাজার গেছেন।’

    ‘এলে তোমার বাবুকে বোলো দেখা করতে। শুধু বলবে ইনকামট্যাক্স।’

    আমি ন্যাতা ফেলে তড়াক করে লাফিয়ে উঠলুম, ‘ইনকামট্যাক্স মানে?’

    আশুবাবু থতমত খেয়ে বললেন, ‘আরে আপনিই তো বিশুবাবু! কী করছিলেন অমন করে, এমন অদ্ভুত পোশাকে?’

    ‘হাউস মেনটিনেনস। মেঝে পালিশ।’

    ‘মেঝে পালিশ না করে নিজেকে পালিশ করুন। চেহারার একী দশা! পায়ে মোজা পরেছেন কেন? শরীর গোলমাল?’

    ‘না না, এটা আমার স্ত্রীর ব্যবস্থা। মেঝেতে দাগ পড়বে না।’

    ‘কত রঙ্গই জানেন! কতরকমের পাগল আছে এই দুনিয়ায়! যাক; কাজের কথাটা বলে যাই। বাড়ি তো করলেন, ডিক্লেয়ারেশন দিয়েছেন ইনকামট্যাক্সে?’

    ‘সে আবার কী?’

    ‘সে আবার কী, বুঝিয়ে ছেড়ে দেবে। বাড়ি তো করলেন, টাকাটা এল কোথা থেকে? কত টাকার সম্পত্তি? ঠিক ঠিক জবাব দিতে না পারলে হাতে হ্যারিকেন!’

    ‘কেন, স্ত্রীর কিছু গয়না বেচেছি। ধারদেনা করেছি। কিছু জমেছিল—সব ঢুকিয়ে দিয়েছি ইটের পাঁজায়।’

    ‘দেখে তো মনে হচ্ছে লাখ দুয়েক গলে গেছে! মোজাইক মেঝে। সেগুন কাঠের জানলা-দরজা, বরফি গ্রিল। কত গয়না বেচলেন মশাই! ধারই বা পেলেন কোথায়? এই বাজারে সংসার চালিয়ে জমেই বা কত?’

    ‘মনে হচ্ছে, আপনি আমাকে সন্দেহ করছেন!’

    ‘সন্দেহ নয়, সাবধান করতে এলুম বন্ধু হিসেবে। ওই যে মোড়ের মাথায় ক্ষীরওলা বাড়ি করেছে, ওই যে সিলভার গ্রে রঙের বাড়িটা, কোন হিতৈষী বন্ধু একটি চিঠি ছেড়ে দিলে। ব্যাস, কেঁচো খুঁড়তে সাপ!’

    ‘এইরকম চিঠি ছাড়ে নাকি?’

    ‘ছাড়বে না? বাঙালিরা কত সমাজসচেতন জানা আছে আপনার? এই যে হালফিল কালীপুজো গেল; কত আনন্দ দিয়ে গেল বলুন তো! ছেলেরা অষ্টপ্রহর গান শোনাবার ব্যবস্থা করেছিল। সারারাত সারারাত, মুহুর্মুহু বোমা ফাটিয়ে শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে গেল। দু-চারজন টেঁসে গেল, মানে মোক্ষলাভ হল। ছোটো কথা কানে তোলার উপায় ছিল না। আবগারি বিভাগের রোজগারও বেড়েছিল। সকলেই মা-মাহা করছে। কানখাড়া করে আবার শুনলুম, মা নয় বলছে মাল। ইয়াং জেনারেশন একেবারে টং। বিসর্জনের প্রসেসন যাচ্ছে। একজন ধাক্কা মেরে নর্দমায় ফেলে দেয় আর কী! দেখি কেউই প্রকৃতিস্থ নয়। সকলের মুখেই চুল্লুর গন্ধ। সমাজসচেতন না হলে পারত এসব?’

    ‘আপনিও তো বাড়ি করেছেন। ডিক্লেয়ারেশান ফাইল করেছেন?’

    আমার বাড়ি তো আমি আমার বউয়ের নামে করেছি। চালাক লোকেরা তাই করে।’

    আশুবাবু দুর্ভাবনা ঢুকিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। এক কাপ পানসে চা নিয়ে ‘দেওয়ানি খাস’-এ পা ছড়িয়ে বসলুম। আগে এক-শো টাকা কেজির ফুরফুরে গন্ধঅলা চা নিয়ে বসতুম! সেই চা এখন চল্লিশ টাকায় নেমেছে। না আছে লিকার, না আছে ফ্লেভার। বাড়ি করে ‘পপার’ হয়ে গেলুম। এখন দুম করে ভারী রকমের কারোর অসুখ করলে বিনা চিকিৎসায় মরবে। সামনেই আসছে বিয়ের মাস। গোটা তিনেক নিমন্ত্রণ-পত্র আসবেই। বাড়িতে দেবার মতো যা ছিল সবই দেওয়া হয়ে গেছে। মাছের তেলে মাছ ভাজার আর উপায় নেই।

    সেই হলুদ বাড়ি থেকে কিছুক্ষণ পরেই অষ্টাবক্র মুনির মতো একটি লোক বেরিয়ে এল। হাতে একটা ঢাউস ব্যাগ। পকেটে দশটি মাত্র টাকা। সেই টাকায় আলু হবে, কপি হবে, মাছ হবে, মাংস হবে। মাথাধরার ওষুধ হবে। গায়ে মাখা সাবান হবে। দাড়ি কামাবার ব্লেড হবে। আমার বউ বলে, বাড়িওলাকে একটু কষ্ট করতে হয়। ট্যানা পরে ঘুরতে হয়। ভোলামহেশ্বরের কথা ভাবো।

    উলটো দিক থেকে বিকট শব্দ করে একটা মোটরবাইক আসছে। দেখেই বুকটা ধক করে উঠল। গ্রিলওলা এখনও অনেক টাকা পাবে। মোটাসোটা, গাঁট্টাগোট্টা এক ভদ্রলোক। আমাকে জমিয়ে একটা ঘুষি মারলে আর তিন দিন উঠতে হবে না। আমি সঙ্গেসঙ্গে পেছন ফিরে দাঁড়ালুম। পাওনাদারের কাছে পেছনও নেই সামনেও নেই। মোটরবাইক ঠিক আমার পেছনে এসে থেমে পড়ল। ভুটভুট ভুটভুট মধুর শব্দ। সেই শব্দ ছাপিয়ে গলা, ‘আপনার কাছেই যাচ্ছি। আজ কিছু দেবেন তো?’

    ঘুরে দাঁড়াতেই হল। ভেবেছিলুম সকালেই পাওনাদারের মুখ আর দেখব না। বললুম, ‘বাজারে যাচ্ছি। আপনি যান। ওসব এখন আমার স্ত্রীই দেখছেন।’

    মোটরবাইক ভটভটিয়ে বাড়ির দিকে ছুটল। কী হবে তা জানি না। মোড়ের কাছাকাছি এসে দেখি একটা সাইকেল ঢুকছে। মরেছে! ইটখোলার মালিক। বেশ ভালোই পাওনা। নগদে শুরু করেছিলুম, ধারে ফিনিশ করেছি।

    ‘এই যে বিশুবাবু, আপনার ওখানেই যাচ্ছি। আজ কিছু দেবেন তো?’

    ‘চলে যান। সব আমার স্ত্রীর কাছে।’

    সাইকেল চলে গেল। মনে পড়ল অল রোড লিডস টু রোম! হরেনের পান-বিড়ির দোকানের কাছাকাছি আর এক পাওনাদার। ফটিকবাবু। আমার কনট্র্যাকটর, নীলরঙের শার্টের বুকপকেটটা ডিমভরা ট্যাংরা মাছের পেটের মতো, প্রায় ফাটোফাটো অবস্থা। আমি জানি ওই পকেটে কী আছে! সেই মারাত্মক লোমওঠা কুকুরের মতো মলাটওলা মাঝারি মাপের নোটবুকটা আছে। যার পাতায় বর্গমিটার আর ঘনমিটারের হিসাব। আমাদের মতো চিৎ হয়ে শোয়া কুঁজোদের বধ করবার ব্রহ্মাস্ত্র। খাতা খুলেই বলবেন, লিনট্যাল, ছাজা, সানশেড, বিম, পিলার, ঢালাই বাবদ, একটু থামবেন,—তারপর এমন একটা অঙ্ক বলবেন, শোনামাত্রই শুয়ে পড়তে হবে!

    ফটিকবাবু বললেন, ‘আপনার কাছেই যাচ্ছি। আজ কিছু দেবেন তো? কিছুটা ক্লিয়ার করুন। আর কতদিন ফেলে রাখবেন?’

    একগাল হেসে বললুম, ‘যান, বাড়িতে যান না। এখন থেকে সবই আমার স্ত্রী দেখছেন।’

    ফটিকবাবু নাচতে নাচতে চলে গেলেন। দু কদম এগোতে না এগোতেই প্যাটেলের ছেলে। জানলা, দরজা, ফ্রেম, এইসব সাপ্লাই করেছিল। কত দেওয়া হয়েছে, আর কত যে পাবে, আমার কোনো ধারণা নেই। তাকেও হাসিমুখে বাড়িমুখো করে দিলুম।

    বাজার প্রায় এসে গেছে। শীতের মুখ, মানসচক্ষে দেখতে পাচ্ছি টাটকা কপি, নতুন আলু, গলদা চিংড়ি। বুকপকেটে ময়লা একটা দশটাকার নোটমাত্র সম্বল। হাতে বিশাল এক ব্যাগ। প্রথমে কিছু ইটপাটকেল ভরব। তারপর এককিলো আলু, একফালি কুমড়ো, দু বাণ্ডিল নটেশাক কিনে, একজোড়া ফুল কপি হাত দিয়ে ধরব। ধরে আদর করে ছেড়ে দেব। তারপর মাছের বাজার গিয়ে একটা বড়োসড়ো মাছের খুব কাছে গিয়ে, ফিসফিস করে বল, ‘অহো কী সুন্দর!’ তারপর তার চিকন শরীরে একটু দীর্ঘশ্বাস মাখিয়ে ফিরে আসব। আসার পথে পঞ্চাশগ্রাম কাঁচালঙ্কা কিনব। কিনব টাকায় ছটা পাতিলেবু।

    সব শেষ করে বাড়িমুখে হতে গিয়েও থেমে পড়লুম। বাড়িতে তো এখন যাওয়া যাবে না। সেখানে তো চলছে পাওনাদারদের দক্ষযজ্ঞ। ঘুপচি মতো একটা চায়ের দোকানে ঢুকে এক কাপ চায়ের হুকুম দিলুম। অনেকক্ষণ পরে একটা সিগারেট ধরাবার সুযোগ হল। যখন তখন ফুসফাস সিগারেট খাবার মতো সঙ্গতি আর নেই। ভালো বাসা মোরে ভিকিরি করেছে!

    চায়ে চুমুক দিয়ে কাপটা সবে নামিয়েছি, দোকানদারকে পয়সা দিতে দিতে মোটামতো শ্যামবর্ণ এক ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন, ‘বিশ্বনাথবাবুর বাড়িটা কোথায়?’

    ‘কে বিশ্বনাথ?’ দোকানদার যেন বিরক্ত হলেন।

    ‘নতুন বাড়ি করেছেন। এই কাছাকাছি কোথাও।’

    আমি আর থাকতে না পেরে জিজ্ঞেস করলুম, ‘বিশ্বনাথবাবুর বাড়ি খুঁজছেন কেন?’

    ‘আপনি চেনেন?’

    ‘কেন খুঁজছেন বলুন?’

    ‘আমি ইনকামট্যাক্সের লোক।’

    সঙ্গেসঙ্গে দোকানদার বললেন, ‘জানেন তো বলে দিন না!’

    ‘আমিই সেই অধম। আমার নাম বিশ্বনাথ বোস।’

    ভদ্রলোকের মুখে দেখে মনে হল অনেকদিনের এক পলাতক আসামীকে ধরে ফেলেছেন। ‘বিশ্বনাথ বোস? চলুন বাড়ি চলুন, কথা আছে।’

    বাড়ির বাইরে তখন সব সার দিয়ে বসে আছে। গ্রিলঅলা, কাঠঅলা, ইট-চুন-সুরকিঅলা, কনট্রাকটর—তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমার স্ত্রী। মুখে মোনালিসার হাসি। ইনকামট্যাক্সের ভদ্রলোককে সামনে খাড়া করে দিয়ে বললুম, ‘এই নাও, আর একজন! ইনি আরও বড়ো পাওনাদার, পাওনাদারদের মহেশ্বর, খোদ ইনকামট্যাক্স। যথাবিহিত সম্মানপুরঃ নিবেদনমিদম!’

    আমার স্ত্রী আরও মধুর হেসে বললেন, ‘ভালোই হয়েছে এসেছেন, ইনকামের জীবন্ত সব সোর্স এই সামনে লাইন দিয়ে বসে আছেন। আর আমি মা দুর্গা। কেউ আমাকে গ্রিল দিয়েছেন, কেউ দিয়েছেন কাঠ, কেউ দিয়েছেন বাঁশ, কেউ দিয়েছেন চুন-সুরকি। এই আপনার সোর্স। সবাই এখন গলায় গামছা দিয়ে পাক মারছেন। আপনিও মারুন।’

    আমার সেই মুহূর্তে মনে পড়ল গানের লাইন—ওই দেখা যায় বাড়ি আমার, চৌদিকে মালঞ্চ নয়, পাওনাদারের বেড়া!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃগয়া – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }