Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টেলিফোন

    নিজেই নিজেকে বাঁশ দিয়ে বসে আছি। বাঁশ যে কত রকমের হাতে পারে ধারণা ছিল না। কেতাবে পড়েছিলাম, মুংলি, তলতা আর গেঁটে। সেসব হল কাজের। উপকারী বাঁশ। যে বাঁশ আমরা পরস্পর পরস্পরকে দিয়ে থাকি সে বাঁশ অদৃশ্য এবং তার ধরন বহু। সংস্পর্শে না এলে জাত বোঝা যায় না। যেমন আমি এখন চারটে বাঁশের পাল্লায় পড়েছি। চারটেই আছোলা এবং নগদ মূল্যে কেনা। বন্ধু ভেবেই কেনা। এখন তারা মহাশত্রুর চেহারায় গলা দিয়ে গান বের করে ছেড়েছে, গেছে সুখ গেছে শান্তি।

    বাম্বু নাম্বার ওয়ান, টেলিফোন। একটা টেলিফোন নাও হে। কত বড়ো স্ট্যাটাস সিম্বল। ইয়া মোটা একটা বইতে তোমার নাম থাকবে। কত জ্ঞানী, গুণী, সম্মানিত ব্যক্তির সঙ্গে একাসনে। অজ্ঞাতকুলশীল নও। ডাইরেক্টরিতে নাম। নামের পাশে নম্বর। এই শহরের নম্বরী কয়েদি। লোককে কেমন বড় গলায় বলতে পারবে, কাল তাহলে সকালে ফোন কোরো। তিনি তখন মুখটা করুণ করে বলবেন, আমার যে ফোন নেই। সঙ্গেসঙ্গে তুমি কত উঁচুতে উঠে যাবে। টেলিফোনের হাতে লাটাই, স্ট্যাটাসের আকাশে তুমি একটি ঘুড়ি। এক টানে চড় চড় করে তুমি সুনীল আকাশে নারকেল গাছের মাথার ওপর উঠে লাট খেতে থাকবে। এক কথায় ফ্রম ছাতুবাবু টু লাটুবাবু। মানুষের বর্তমান জাতিভেদ তো এইভাবে—আমার ফোন আছে, তোমার নেই। আমার ফ্রিজ আছে, তোমার ফ্রিজ নেই। আমার গাড়ি আছে, তোমার গাড়ি নেই। কিংবা আমার স্কুটার আছে, তোমার সাইকেল। আমার মোটর সাইকেল, তোমার মোপেড! আবার এইভাবেও হতে পারে—তুমি দোতলায় ফ্ল্যাটে থাক, আমি থাকি আটতলায়, ছ-তলায়। অবশ্য দোতলা এইভাবে ছ-তলার জাতে উঠতে পারেন, আমার যে হার্ট ভাই। তার মানে দোতলা উইথ হার্ট ইজ ইকোয়াল টু ছ-তলা উইদাউট হার্ট।

    মানুষের জাতিভেদ আবার এভাবেও হতে পারে—আমার বউ সুন্দর, তোমার বউ মাটো-সুন্দরী। আমার বউয়ের গায়ের রং দুধে আলতায়, তোমার বউ কেলে-ক্যাকটাস। অবশ্য এইভাবে কাটান দেওয়া যেতে পারে, কালো হলে হবে কী ভাই শ্বশুর বিশাল বিশাল, বিশাল বড়োলোক। তার মানে দুধে আলতার হাজব্যাণ্ড ইজ ইকোয়াল টু রিচ বাপের কালো মেয়ের হাজব্যাণ্ড।

    জাতিভেদ আবার এইভাবেও হতে পারে, আমার বাড়ির দক্ষিণখোলা, তোমার বাড়ির দক্ষিণ চাপা। আমার সাউথে বাড়ি, তোমার ন্যাস্টি নর্থে। আমার ছেলে শিবপুরের ইঞ্জিনিয়ার, তোমার ছলে যাদবপুরের। এই যখন জগত তখন তোমার উপায় থাকতে একটা ফোন নেবে না কে? তাছাড়া টেলিফোন এমারজেন্সির সময় কত কাজে লাগে জান? ধর তোমার হঠাৎ থ্রম্বোসিস হল, অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে। জাস্ট ডায়াল। কত যেন নম্বর? অ্যাম্বুলেন্স তেড়ে এলো, মাথার ওপর নীল আলো ঘোরাতে ঘোরাতে। কী অলুক্ষুণে কথা! কেন? থ্রম্বোসিস হবেই। আজ হোক, কাল হোক, হবেই হবে। হয় করোনারি, না হয় সেরিব্রাল। শোননি, জন্মিলে মরিতে হবে। তারপর ধর তোমার বউ বাথরুমে ঢুকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেশলাই কাঠি জ্বেলে দিল। সে আবার কী? একটা সম্ভাবনা। হতেই পারে। এ যুগ হল সেলফ ইমমলেশানের যুগ। সকলেরই আত্মঘাতী হবার প্রবল ইচ্ছা হিক্কার মতো গলার কাছে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। একটু উসকে দিলেই হল। ফোন থাকলে কত সুবিধে। ঝট করে ডাক্তার ডাকতে পারবে। পুলিশে খবর দিতে পারবে। বাড়িতে মাঝরাতে ডাকাত পড়তে পারে। তখন তোমার ফোন কত হেল্পফুল হবে জান। অফিস থেকে মাইনে নিয়ে ফেরার পথে তুমি ছুরিকাহত হতে পার। তখন তুমি হাসপাতলে গিয়ে খাবি খাবে। সেই সময়ে তোমার বাড়িতে ফোনে খবর দেওয়া সহজ হবে।

     

     

    ভালো দিকও আছে। ফোন হলে ক্রশ কানেকশানে প্রেমালাপ শুনবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ঝগড়াও শুনতে পাবে। টেলিফোনে স্ত্রী ঝাড়ছে বাপের বাড়ি থেকে স্বামীকে। স্বামী ঝাড়ছে শ্বশুরবাড়িতে ঘাপটি মেরে বসে থাকা উড়ু উড়ু মেজাজের বউকে। শুনতে পাবে সিনিয়ার শাসাচ্ছে জুনিয়ারকে। শুনতে পাবে ঘুষের কথা, শেয়ার মার্কেটের কথা। টেলিফোনে এত ব্যবসাদার এক ব্যবসাদারকে ভাও বলছে। কত সব গোপন কথা রিসিভার তুললেই শুনতে পাবে। কত পাগল আছে জানতে পারবে। কুকুর পাগল, ফুল পাগল, পাখি পাগল, বউ পাগল, খেলা পাগল, ঘোড়া পাগল।

    তা ছাড়া ফ্রী মেলে তুমি মাঝে মাঝে নানা রকম চিঠি চাপাটি পাবে। নতুন ম্যাগাজিন বেরিয়েছে। স্টেনলেস স্টিলের বাসন পাওয়া যাবে পোস্টে। বশীকরণের মাদুলি দিচ্ছেন বিলেত ফেরত তান্ত্রিক। ভাগ্য বলে দিচ্ছেন মিডল স্ট্রিস্টের পামিস্ট। দুর্বলতা কাটাবার ট্যাবলেট বেরিয়েছে রুপোলি মোড়কে মোড়া। হাঁপানির দাওয়াই বেরিয়েছে। পনেরো দিনে সারাবার গ্যারান্টি। ফুসফুস ক্লিয়ার। বাঁশি বাজানো যাবে ইচ্ছে করলে। ভুঁড়ি আর মেদ কমাবার গেজেট। পাকা চুল এক রাতে কাঁচা করে দেবার আয়ুর্বেদিক লোশান। যৌবন ফিরিয়ে আনার স্বপ্নদত্ত কবচ। কত কী যে তুমি পেতে থাকবে ধারণা নেই। পৃথিবী যে কত মধুময় জানতে পারবে।

     

     

    একেই বলে গ্যাস খাওয়া। সেই ফোন এসে বসল দু-দেওয়ালের কোণে চকচকে টেবিলে। আহা! কী শোভা। দ্বিতীয় তাকে রেক্সিন মলাটে ডাইরেক্টরী। যার কোন এক পাতায় পিঁপড়ের মতো খুদিখুদি অক্ষরে আমার নাম ছাপা। শ’ পাঁচেক ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে ফেলেছি। নামের তলায় ফোন নং। লেটারহেড এসে গেছে। কত বড়ো একটা ব্যাপার। জটাধারীর মতো ফোনধারী। ইউরোপ, আমেরিকা হলে কিছুই নয় । ভারতবর্ষে দিস ইজ সামথিং। পাঁচজনকে বলা চলবে। আমার কোন প্রবলেমই নেই, যেই গ্যাস ফুরোলো সঙ্গেসঙ্গে ডিস্ট্রিবিউটারকে ফোনে বলে দিলুম। ইলেকট্রিক লাইন খারাপ হয়েছে, জাস্ট এ ফোন। ডাক্তার। জাস্ট এ কল। হ্যাঁ ভালোই আছি। রিপিট প্রেসক্রিপশান। তিন নম্বর ওষুধটা বাদ। থ্যাঙ্ক ইউ। পোলাও খেয়ে পেট ছেড়েছে? অফিসে ফোনো জানিয়ে দাও, আজ আর আমি যাব না। বিকেলে তেড়ে বৃষ্টি এসেছে? অফিস থেকেই বাড়িতে ফোন হ্যালো, হ্যাঁ শোনো, খিচুড়ি লাগাও উইথ গরম গরম বেগুনি অ্যাণ্ড পাঁপড় ভাজা।

    কিন্তু এমন সম্ভাবনার কথা আমাকে আগে কেউ বলেননি তো? এই ভাদ্রমাসের ঠিকুর রোদে ছাতা মাথায় আমি চলেছি। কোথায় চলেছি! ডাক্তার ডাকতে? পোস্টাফিসে চিঠি রেজিস্ট্রি করতে? না আমার বাড়ি থেকে বত্রিশটা বাড়ি উত্তরে সোমাদির বাড়ি। আমার দিদি নয়। নারকেলেডাঙা থেকে যে যুবকটি ফোন করছে তার দিদি। যুবকটি আমাকে কাকাবাবু বলে সম্বোধন করেছে। তার মানে সোমা নামক মহিলাটি সম্পর্কে আমার কে হলেন? জানার দরকার নেই। ছেলেটির গলায় প্রচন্ড উদ্বেগ। কী জানি কোনো বিপদ আপদ কিনা! তার সোমাদিকে ডেকে দিতেই হবে। মানবিক কর্তব্য। সোমাদি বাথরুমে! সেইখানে থেকেই খুশির গলায় বলে উঠলেন, ও বুঝেছি। নাড়ু ফোন করেছে। আমার তো বাথরুম থেকে বেরোতে একটু দেরি হবে কাকাবাবু। আমি কাকাবাবু! আমি তাহলে দু-জনেরই কাকাবাবু! ভালো। কী করব তাহলে? আপনি শুধু জিজ্ঞেস করবেন, টিকিট পেয়েছে কি না। যদি বলে হ্যাঁ, তাহলে বলবেন, আমি মেট্রোর সামনে দাঁড়িয়ে থাকব। আসতে যেন দেরি না করে। বলবেন একা একা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে খুব খারাপ লাগে। তোড়ে জল পড়ার শব্দের সঙ্গে বাথরুম থেকে গান ভেসে এলো—আমি বনফুল গো-ও।

     

     

    হ্যালো! ভাইপো, আমার ভাইঝি, তোমার দিদি এখন স্নান ঘরে বনফুল। তুমি কি টিকিট পেয়েছ বাবা? হ্যাঁ পেয়েছি কাকাবাবু। তবে দুপুরের নয় বিকেলের। ওর সঙ্গে কথা ছিল দুপুরের। আপনি কাইন্ডলি সময় পরিবর্তনটা একটু বলে আসুন।

    ফোন শেষ হলেও চান শেষ হয়নি। মেয়েদের স্নান হল জলহস্তীর স্নান। চলছে চলবে! হ্যাঁ টিকিট পেয়েছে। তবে ম্যাটিনির নয়, ইভনিং শোর। ও হাউ সুইট! ছন্দে ছন্দে দুলি আনন্দে। কে সুইট, কাকাবাবু না সেই অদৃশ্য অজানা নারিকেল ভাইপো!

    সামনের বাড়ির শিখার বাবা সেদিন খুব ঝাড় দিলেন। আপনি মশয় মিটমিটে শয়তান। ভদ্রলোক উত্তেজিত হলে খুব মশয় মশয় করেন। মুদ্রা দোষ। আমার অপরাধ? ইই আর এ ক্রিমিন্যাল। ছুপা রুস্তম। সে আবার কী? হিন্দি সিনেমা নাকি? আপনি একটা ভিলেইন। ভিলেনির কী দেখলেন? আমার মেয়ে শিখা আপনার বাড়ি থেকে ফোন করে? হ্যাঁ মাঝে মাঝেই করে, রোজই করে। কেন করতে দেন? সে কী! একবার রাত ন-টার সময় আপনার কে বন্ধু মাছ ধরার চারের ফর্মুলা জানবার জন্যে ফোন করেছিলেন। সেদিন আমার জ্বর। মাথার যন্ত্রণায় ছটফট করছি। বাইরে বৃষ্টি। আপনার মেছো ফ্রেণ্ডকে বলেছিলাম, ভাই কাল সকালে ফোন করুন। সেই বন্ধু পরে আপনাকে বলেছিলেন, সামনের বাড়ির লোকটা ছোটোলোক। অসামাজিক। পাড়া থেকে দূর করে দেওয়া উচিত। সঙ্গেসঙ্গে আপনি আমাকে তেড়ে এলেন। আপনার ছেলে রাস্তায় দেখা হলেই বলতে শুরু করল, টেকো চলেছে টেকো। শালার পয়সা হয়েছে। একদিন বসার ঘরে কাদা ছিটিয়ে দিয়ে গেল। দুর্গাপুজোয় গলায় গামছা দিয়ে এক-শো টাকা চাঁদা নিয়ে গেল। অসামাজিক নির্যাতনে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠল। আপনার মত আদর্শ সামাজিক মানুষের মেয়েকে টেলিফোনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে একঘরে হতে চাই না।

     

     

    নোওও! ভদ্রলোক সকালের সাইরেনের মতো চিৎকার করে উঠলেন। বাই অ্যালাউয়িং শিখা টু ইউজ ইয়োর ফোন ইও আর এইডিং অ্যাণ্ড অ্যাবেটিং এ ক্রাইম। আপনার জানা উচিত এ বাজারে একটা আইবুড়ো মেয়ে যখন ফোন করে তখন কাকে করে? বয় ফ্রেণ্ডকে। বয় ফ্রেণ্ড মানে কি? লুটেরা। ভোমরা। ফুলে ফুলে মধু খাব কিন্তু পিঁড়েতে কভি নেহি বৈঠেগা। চোখের সামনে দেখছেন একটা মেয়ে চিটেড হচ্ছে, প্রেমের উপন্যাস আর হিন্দি ছবি দেখে ইশক ইশক বলে বলে লাফাচ্ছে, কোথাকার কে এক ডাঁশা ছেলেকে আপনারই টেলিফোনে ইনটিমেট হবার সুযোগ দিচ্ছে আর আপনি কি না যার গেল তার গেল বলে ঠ্যাঙের ওপর ঠ্যাঙ তুলে বসে আছেন? এই আত্মকেন্দ্রিকতার জন্যেই আমাদের সমাজ আজ উচ্ছন্নে যেতে বসেছে। যেহেতু আপনার মেয়ে নেই, সেই হেতু অন্যের মেয়ে সম্পর্কে আপনার কোনো ভাবনাই নেই। ব্যাট আই টেল ইউ, ওই ফোনে যখন আর একটা মেয়ে আপনার ছেলের কানে প্রেম ঢেলে আপনার খপ্পরের বাইরে নিয়ে গিয়ে গলায় মালাটি পরিয়ে আপনাকে কলাটি দেখিয়ে কেটে পড়বে তখনই বুঝবেন প্রেম কী ফেরোসাস জিনিস! যৌবন উত্তম জিনিস ততক্ষণই, যতক্ষণ বৃদ্ধদের কনন্ট্রোলে থাকে। ঘোড়ার লাগামটি গেল তো সবই গেল।

    অফকোর্স! টেলিফোন হল এমারজেন্সি। আপনার ঘরে সাজিয়ে রাখার খেলনা নয়। সকলকেই ব্যবহার করতে দিতে হবে। কিন্তু সেন্সার করে। সিনেমা, টি ভি, রেডিয়ো, কাগজ শক্তিশালী জনসংযোগ মাধ্যম। কিন্তু! দেয়ার ইজ এ বাট। ভালোও করতে পারে খারাপও করতে পারে। সেই জন্যেই সেন্সার। স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে কথা বলবে, স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে বলবে। ছেলে বন্ধু ছেলে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলবে। মেয়ে বন্ধু মেয়ে বন্ধুর সঙ্গে। কিন্তু মশয় আমার স্ত্রী অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলবে, কিংবা আপনি মশয় দুপুরে পরস্ত্রীকে খুঁচিয়ে তুলবেন, সে তো হতে পারে না।

     

     

    খুব জ্ঞান বেড়ে গেল। এবার থেকে কাউকে টেলিফোনে আর প্রেম করতে দোব না। তিনি যে-ই হোন। অপসংস্কৃতি নট অ্যালাউড। পাশের বাড়ির ওপরের ফ্ল্যাটের ছেলেটি সবে বিয়ে করে আলাদা হয়ে এখানে এসে উঠেছে। মটোরবাইক চালায়। মাস্তান মাস্তান দেখতে। তবে শুনেছি ভালো চাকরি করে। মাঝে মাঝে বউকে পিছনে বসিয়ে ভটভট করে হাওয়া খেতে বেরোয়। সেই বউটি একদিন ঝোড়ো পাখির মতো ঘরে এসে ঢুকল, জ্যাঠামশাই, জ্যাঠামশাই একটা ফোন করব। টেলিফোনের কল্যাণে বয়েস উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে, কাকাবাবু, জ্যাঠামশাই, এইবার দাদু হব।

    হ্যাঁ বা না-এর তোয়াক্কা কে করে। রিসিভার তোলো আর ডায়াল করো। গম্ভীর গলায় জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় ফোন করবে? দ্যাটস নট ইয়োর লুক আউট! কানে রিসিভার, আঙুল পাক মারছে ডায়ালে, একটা কলের চার্জ কত? দরকার হয় পয়সা বুঝে নিন বাট ডোন্ট বি সিলি। হ্যালো, সেজদি, শোন ভাই রিসিভারে হাত চাপা দিয়ে ধমকের সুরে আমাকে বললে, বাইরে গিয়ে বসুন। ইউ হ্যাভ নো কমন সেন্স। মেয়েদের কথা শুনতে খুউব ভালো লাগে, না! ও পাশের সেজদি বোধ হয় জিজ্ঞেস করেছে, কাকে বলছিস? ঘরের বাইরে যেতে যেতে শুনলুম বলা হচ্ছে, আর একটা আনম্যানারলি বুড়ো। মুখ দেখলেই মনে হয় কুচুটে। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেজদির সঙ্গে কথা হল। দু-এক টুকরো ভেসে এল। এই বয়েসেই কান গরম হয়ে ওঠে। মেয়ের সবে বিয়ে হয়েছে। পৃথিবী এখন গোলাপী।

     

     

    হারাধনবাবুর হোমিয়ো ডাক্তার গড়পারে থাকেন। হারাধনবাবুর শরীরের ওপর রোগের সাঁড়াশি আক্রমণ। রোগ মিলিয়ে এক ওষুধ এনে বসতে না বসতেই আর এক অসুখ প্রবল হয়ে ওঠে। উঠুক না, ক্ষতি কি! আমার ফোন আসায় অসুস্থ মানুষটির কত সুবিধে হয়েছে! ফোনে চিকিৎসা। রুগ্ন শরীর নিয়ে ট্রাম-বাস। বাস-ট্রাম করতে হচ্ছে না। বেঁচে থাকো বাবা; ভগবান তোমার মঙ্গল করুন।

    হ্যাললো। হ্যাঁ কে ডাক্তার মনোরঞ্জন? ডক্টর মনোরঞ্জন মুখার্জী, এম.বি.বি.এস., এইচ.এম.বি। না? যা: রং নাম্বার হয়ে গেল। তুমি একবার দেখ তো ভাই। বুড়ো মানুষ, কী ঘোরাতে কী ঘুরিয়ে ফেলেছি। বয়েস হয়ে গেলে মানুষের চলে যাওয়াই ভাল; কিন্তু যেতে যে প্রাণ চাইছে না রে ভাই। মায়া, মায়া! আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। প্রথমে ভাবলুম পুত্রবধূর মুখ দেখছি, আর কী, এবার তো গেলেই হয়। সঙ্গেসঙ্গে মনে হল, না, আর ক’টা দিন, নাতির মুখ দেখে তারপর যেখানে যেতে হয় যাব। এরপর মনে হবে নাতবউ দেখব।

    হ্যাঁ—হ্যালো। কে ডক্টর মুখার্জি। কথা বলুন।

     

     

    পেয়েছ বাবা! ফোনটাকে এমনভাবে দু-হাত চেপে ধরলেন যেন জীবনদন্ড। হারাধন বলছি। রুগী নম্বর পাঁচ পাঁচ তিন। খাতাটা খুলুন। হ্যাঁ খাতাটা খুলুন। তেইশ তারিখে ওষুধ এনেছি। হ্যাঁ হ্যাঁ তেইশ। এক পুরিয়া খেয়েছি। খেলে কী হবে!

    হারাধনবাবু ফোন তাঁর বহুবিধ অসুখের এক একটিকে ঝেড়ে-ঝুড়ে বের করতে লাগলেন। বিচিত্র সব রোগলক্ষণ। শুনলে গায়ে কাঁটা দিতে থাকে। বেঁচে থাকতে ভয় ভয় করে। বয়েস বাড়তে বাড়তে হারাধন হবার আগেই যেন হাসতে হাসতে কেটে পড়তে পারি প্রভু!

    সামনের দিকে তিনখানা বাড়ি এগোলেই এক আদুরে পরিবার আছে। আদিখ্যেতায় ভরা। কর্তা, গিন্নি, একটি ফুটবলের মতো বাচ্চা মেয়ে। দোতলার দক্ষিণ খোলা ফ্ল্যাট। কর্তা বারান্দার রেলিঙে হাতের ভর রেখে সিগারেট খান। পরনে ডোরাকাটা স্লিপিং গাউন। কোমরে ট্যাসেলের ফাঁস। শাম্পু করা বাদামী রঙের ফুরু ফুরু চুল। গোলগাল, ফুলোফালা ঘুম ঘুম মুখ। বারান্দায় কর্তার গায়ে ঠেসান দিয়ে গিন্নি দাঁড়িয়ে থাকেন। পিঠে এলোচুল। হাতকাটা গাঢ় বেগুনি ব্লাউজ। লতাপাতা আঁকা শাড়ির আঁচল বুক থেকে খুলে বারান্দার রেলিঙে শেফালী তোমার আঁচলখানি বিছাও, শারদ প্রাতের মতো লুটিয়ে থাকে। মেয়েটি থাকে দু-জনের মাঝখানে। ইংরেজিতে কথা চলে, ও, নো, নো, নো, বান্টি, সেহেব্যার্ড নট বার্ড! দ্যাটস আগলি। রাস্তার লোক মুখ তুলে চায়। রাস্তার মাথার ওপর সাইনবোর্ডের মতো ঝুলে থাকেন এই সুখী পরিবার। সিগারেট, ধোঁয়া শাড়ি, গাউন, চুল, যৌবন, চিবিয়ে চিবিয়ে কথা, সব মিলিয়ে আমাদের পথের ধারে—কপোত-কপোতী যথা উচ্চ বৃক্ষচূড়ে।

     

     

    ওই বেগুনি মহিলা হঠাৎ তাঁর আদুরী মেয়েকে নিয়ে বিকেলের দিকে হাজির। বিলাইতি সেন্টের মতো কেমন করানো গন্ধ। মিহি ছুরির মতো কথা। করাতকলের কাঠ কাঠার সময় যেমন শব্দ হয় সেইরকম শব্দ। এক্সকিউজ মি। কেন এক্সকিউজ কেন? কী করেছেন আপনি? আর কিছু করে থাকলেও আপনি করেননি, করেছেন আপনার স্বামী। ওভাবে রাস্তায় জ্বলন্ত সিগারেটের টুকরো ছোঁড়া উচিত নয়।

    ও, নো নো, সে এক্সকিউজ নয়। এ হল কথার কথা। অ্যাংলো বেঙ্গলি সমাজের রীতিই হল, কথা শুরু করার আগে এক্সকিউজ মি বলা। ধাক্কা মেরে চলে যাবার সময় বা এগিয়ে যাবার সময় এক্সকিউজ মি বলা। পা মাড়িয়ে দিয়ে, সুটকেসের খোঁচা মেরে চোখে আঙুল গুঁজে দিয়ে সরি বলা। ভদ্রসমাজের নিয়মই হল, সরি বললে সাতখুন মাফ। আমার হাত ফসকে একবার একটা ফুলগাছের টব রাস্তায় এক ভদ্রলোকের ঘাড়ে পড়ে গিয়েছিল। দোতলা থেকে পড়েছে। আমি বুঝতে পারছি ঘাড়ে পড়বে, ভীষণ লাগবে। চিৎকার করে তিনবার বললুম সরি, অ্যাম সরি, ড্যাম সরি। রাস্তায় লোক জড়ো হয়ে গেল। চিৎকার, চেঁচামেচি, সাংঘাতিক ব্যাপার। অশিক্ষিতের দেশ তো। ম্যানারস জানে না। আদব কায়দা জানে না। আমি তখন খুব রেগে গিয়ে বললুম, আন্তর্জাতিক নিয়ম জানেন না আপনারা, সরি বলার পর আর কিছু করার থাকে না। যান, ভদ্রলোককে হাসপাতালে নিয়ে যান। নেহাত অজ্ঞান হয়ে গেছেন তাই তো জ্ঞান থাকলে উনিও বলতেন, সরি, সরি। আফটার সরি দেয়ার শুড বি নো ওয়ারি। হ্যাঁ, আর একটা জিনিস জেনে রাখুন, হঠাৎ হেঁচে ফেললে সরি বলতে হয়। আমার এমন অভ্যাস হয়ে গেছে বাথরুমে হেঁচে ফেললেও সরি বলি। এটা হল সেই এক্সকিউজ মি।

     

     

    এক্সকিউজ মি?

    এ মা! কী বোকা? আপনি এক্সকিউজ মি বলবেন না। আপনি হাসি হাসি মুখে শুধু শুনে যাবেন।

    আমি মুখে হাসি মেখে শুনতে লাগলুম, তিনি বলতে লাগলেন—

    আমার এই মেয়েটা বাবাকে ছেড়ে এক মিনিটও থাকতে পারে না। কী মুশকিল বলুন তো? এক ধরনের ফাদার কমপ্লেক্স।

    তা আমাকে কী করতে হবে?

    না না, ও রকম রুডলি কথা বলবেন না। একজন মহিলার সঙ্গে নরম গলায়, হেসে হেসে, ওবলাইজিংলি কথা বলতে হয়। চোখের দৃষ্টিতে একটা সপ্রেম ঝিলিক থাকবে।

    চোখে প্রেমের ঝালর ঝুলিয়ে বললুম, বলুন কী করতে পারি?

     

     

    এই মেয়ে তিনবার আসবে, একবার বারোটার সময়, একবার তিনটের সময়, একবার ছ’টার সময়। আপনার ফোনে বাবার সঙ্গে কথা বলবে। ক-টা দিন। তারপর তো আমরা কোম্পানির দেওয়া কোয়ার্টারে চলে যাব। বান্টি। বা-আ-ন্টি? কাম হিয়ার। ওই যে ফোন। টু থ্রি ফোর নাইন। মুকার্জি প্লিজ। মুকু! এই নাও তোমার আদরের মেয়ে। কী মেয়েই যে হয়েছে বাবা! শোনো তুমি বাপু চাকরি-বাকরি ছেড়ে দাও। মেয়ে কোলে নিয়ে সারাদিন বাড়িতে বসে থাকো। আমি আর পারছি না বাবা। অ্যাঁ, কি বললে! আমার মেয়ে! আমার মতোই হবে! ও নো, নো, অসভ্যতা কোরো না।

    সেই মেয়ে! যেমন একগুঁয়ে তেমনি বায়নাদার। ফোন ধরলে আর ছাড়তে চায় না। কেড়ে নিতে গেলে চিল চেঁচায়, খ্যাঁক খ্যাঁক করে কামড়ে দেয়। বুকের কাছে দু-হাতে রিসিভার চেপে ধরে দেয়ালে পিঠ ঠেসে ঘাড় কাত করে বলে, আমার ফোন, আমার বাবা ফোন।

    এই হল আমার বাঁশ নম্বর এক। আজকাল মাঝে মাঝেই মাঝরাতে অন্ধকার বসার ঘর থেকে থেকে ফোন বাজে। আমি জানি কে? একটি বৃদ্ধ মানুষের কন্ঠস্বর ভেসে আসবে। নাম নেই ধাম নেই, যেন প্রেতকন্ঠ!

     

     

    হ্যালো! কী হল আজও ঘুম আসছে না?

    না। তুমিও তো দেখছি জেগে আছ!

    আমারও যে আসছে না।

    আসবে না ভাই, ঘুম আর আসবে না। আমাদের দিনের পাপ যত বাড়ছে রাতের বিবেক তত আসছে।

    কেমন হল?

    কী কেমন হল?

    ময়দানে খেলার নামে নরবলি। চোদ্দোটা তাজা প্রাণ চলে গেল। সংবাদ বিচিত্রায় অজয়ের বাবার আর্ত চিৎকার শুনেছ?

    শুনেছি।

    বলো, ঘুমোনো যায়? জেগে থাক, জেগে থাক। সজাগ থাক। ঘুমোলেই মরবে। নাগিনীরা ফেলিতেছে চারিদিকে বিষাক্ত নিশ্বাস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃগয়া – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }