Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অংশীদার

    গণেশ আমার ব্যবসার পার্টনার, জ্যাঠামশাই তখন ঠিকই বলেছিলেন, দেখ জগন্নাথ, বেকার থাকা তবু মন্দের ভালো, কিন্তু পার্টনারশিপে ব্যবসা করতে যেও না, মরবে, বাঙালির পার্টনারশিপ টেঁকে না। বাঙালীর স্বভাব অতি সাংঘাতিক, দুজন বাঙালি যদি নৌকা চেপে সমুদ্র পাড়ি দিতে যায়, তো একজন যখন ঘুমোবে আর একজন তখন নৌকোর তলা ফুটো করবে। ভরাডুবি হবে জেনেও এই কাজ করবে।

    জ্যাঠামশায়ের কথা শুনিনি। না শুনে আমার আজ এই হাল। হেলেন অ্যাণ্ড এসবি কোম্পানির ফুটপাতে চোপসানো বেলুনের মতো দাঁড়িয়ে আছি, হাতে সাত হাজার টাকার বিল, নাচতে নাচতে এলুম, টাকাটা আদায় হলে লিলিকে বলেছিলুম কাশ্মীরে গিয়ে স্ফূর্তি করব। অ্যাকাউন্টেন্ট বললেন, ‘কতবার টাকা নেবেন মশাই? তিনদিন আগে আপনার পার্টনার এসে টাকা নিয়ে গেছে।’

    ‘নিয়ে গেছে মানে? এই তো বিল আমার কাছে, টাকা আমার পার্টনারের কাছে? অলৌকিক ব্যাপার!’

    ‘অলৌকিক-ফলৌকিক বুঝি না মশাই, এই দেখুন ফাইল, এই দেখুন আপনাদের কোম্পানির স্ট্যাম্প মারা রিসিটেড বিল, আমাদের চালান।’

    চোখ ছানাবড়া, ফুটপাতে দাঁড়িয়ে উদাস মুখে সিগারেট খাচ্ছি। ট্রাম যাচ্ছে, বাস যাচ্ছে, লোকের স্রোত বইছে, হাই-হিল জুতো পরে মাথায় ফুলের ছাতা মেলে হেলেদুলে এক মেমসাহেব চলেছে, কোনো কিছুই মনে ধরছে না। এই অবস্থায় আমাকে কেউ দেখলে বলত—জগন্নাথটা উল্লুকের মত দাঁড়িয়ে আছে।

    ‘হারামজাদা!’

    পাশ দিয়ে চাপ দাড়িওলা একটা গুন্ডামতো লোকে যাচ্ছিল, ততটা খেয়াল করিনি। লোকটি ঝপাত করে থেমে পড়ল, ‘আমাকে বললেন?’

    ‘আজ্ঞে না, আপনাকে এসব বলব কেন?’ মনে মনে খুব ভয় পেয়ে গেছি।

    ‘তবে কাকে বললেন?’

    ‘আজ্ঞে, আমার পার্টনার গণেশকে।’

    ‘কেন? উলটে গেছে?’

    ‘আজ্ঞে না, নিজে সোজা আছে, আমাকে উলটে দিয়েছে।’

    ‘সিগারেট আছে?’ লোকটি একটা সিগারেট চাইল, সিগারেট আর নস্যি একা ভোগ করার উপায় নেই। ভাগীদার জুটবেই। সিগারেট ধরিয়ে লোকটি বললে, ‘শালা!’

    ‘কে, আমি?’

    ‘না, না, আপনি কেন শালা হতে যাবেন? আমার রিয়েল শালা, বউয়ের ভাই পঞ্চানন।’

    ‘শালা তো শালা হবেই।’ স্বস্তির গলায় বললুম।

    ‘আরে না মশাই না, এ শালা হল সেই শালা।’ ভীষণ রেগে গেছে লোকটি। এক টানে সিগারেটের আধখানাই পড়পড় করে পুড়ে গেল।

    ‘মানে, সেই ইতর শালা?’

    ‘ইতর! চামার শালা।’

    ‘কী করেছেন পঞ্চাননবাবু?’ ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলুম।

    ‘আর বাবু বলে সম্মান করতে হবে না বলুন, পঞ্চাশালা।’

    ‘আপনার শ্যালক হলেও, আমার তো নয়, কী করে বলি বলুন?’

    ‘আরে মশাই, ও হল সব শালার শালা।’

    ‘কী করেছেন তিনি?’

    ‘তিনি আমার স্ত্রীর নেকলেস নিয়ে হাওয়া মেরেছেন।’

    ‘ছিনতাই?’

    ‘না, না, ছিনতাই নয়, চোরের ওপর বাটপাড়ি, নেকলেসটা হাত সাফাই করে ওর হাতে দিয়েছিলুম ঝেড়ে দেবার জন্যে, পৃথিবীটা শালা পালটে গেছে। কারোর মধ্যে এতটুকু সততা নেই, অনেস্টি নেই। বিশ্বাসের দাম দিতে জানে না। বিশ্বাসঘাতকের দল।’

    স্ত্রীর গয়না হাতসাফাই করাটা খুব ভালো কাজ নয় ইয়েবাবু।

    ‘ইয়েবাবু নয়, পলটুবাবু।’

    ‘হ্যাঁ পলটুবাবু। ওটা খুব নোংরা কাজ, নীচ কাজ।’

    ‘আপনাকে আর জ্ঞান দিতে হবে না! কী বাবু?’

    ‘জগন্নাথবাবু।’

    ‘হ্যাঁ, জগন্নাথবাবু। ওসব জ্ঞানের কথা প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগেই মানায়। স্ত্রীলোক গয়না পায় স্বামীর দৌলতে। আমি আমার বউকে বিয়ে করেছিলুম বলেই আমার শ্বশুরমশাই ধারদেনা করে দশভরি গয়না দিয়েছিলেন। বিয়ে না করলে মেয়েকে গয়না দিতেন! গবেট।’

    ‘কে গবেট?’

    ‘আপনি আবার কে। যাক, আলাপ যখন হয়েই গেল, তখন চলুন কোথাও বসে চা খাওয়া যাক।’

    আগেই বলে রাখছি, তিনটের পর আমি শুধু চা খেতে পারব না। মোগলাই-টোগলাই চাই। পকেটে সেরকম মালকড়ি আছে তো!’

    বেশ, মজার লোক, নিজের দুঃখে এতক্ষণ খুব কাবু কাবু লাগছিল। এই লোকটিকে পেয়ে বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছি। দুঃখ ভাগ করে দিতে পারলে, সেই প্রবাদের মতো, একের বোঝা দশের লাঠি।

    কাঠের কেবিন। ঘ্যানঘ্যান করে একটা কেবিন-ফ্যান ঘুরছে। চারটে পায়া থাকলেই যদি টেবিল হয়, তা হলে সেইরকম একটা টেবিলের দু-পাশে দুটো চেয়ার। চটচটে একটা মরিচ আর একটা নুনদানি। আবার একটা পর্দাও ঝুলছে। মেয়েছেলে ফেয়েছেলে নিয়ে কেউ এলে, ওই ময়লা পর্দাটা ঝড়াং করে টেনে দিলেই আড়াল তৈরি হবে। পাশের কেবিনটায় পর্দাটানা রয়েছে। মাঝে মাঝে চুড়ির কিনিকিনি শোনা যাচ্ছে।

    বয় এসে দাঁড়াতেই আমাকে আর অর্ডার দিতে হল না। পলটুবাবুই হুকুম জারি করলেন, দুটো মোগলাই, একটায় ডবল ডিম আর মাংসের কিমা, বেশি পেঁয়াজ আর আদা কুচি। বয় চলে গেল। পলটুবাবু বললেন, ‘আপনারটা লাইটই থাক। বলা যায় না, পেটে সহ্য হবে কি? হবে না।

    পলটুবাবু গেলাসে চুমুক দিলেন। অল্প একটু জল খেয়ে বললেন, ‘চোখের সামনে দিয়ে সিলভার অ্যারো বেরিয়ে গেল, কিছু করতে পারলুম না। ইস ইস শালা আমাকে হেল্পলেস করে দিলে।’

    ‘সিলভার অ্যারো? সেটা আবার কি?’

    ‘আরে ঘোড়া মশাই, ঘোড়া। ব্যাঙ্গালোর রেসে শনিবার দৌড়োচ্ছে। ভেবেছিলুম, ট্রিপলটোটে খেলে একটা নেকলেস দুটো করে আনব। শালা পথ মেরে দিল। সেই বউই ভালো, যে বউতে শালা নেই।’

    ‘আপনি রেস খেলেন? রেসে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়।’

    ‘তা হয়। আমিও হয়েছি। তবে জেদ চেপে গেছে। ঘোড়ার লাগাম আমিই ধরবই। করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে। কী অমন জন্তু মশাই! মেয়েছেলে নাকি? সারাজীবন ছলনা করে যাবে। মানুষ বলবে, দেবা ন জানন্তি কুতো মনুষ্যা। ওই তো চারটে পা, একটা ল্যাজ, পিঠে একটা জকি। কতকাল ছলনা করবে? আমি শেষ রাতে স্বপ্ন পেয়েছি—সিলভার অ্যারো, সিলভার অ্যারো।’

    মোগলাই এসে গেল। পলটুবাবু ছুরি কাঁটা নিয়ে ডিসের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। একটা বড়ো মাপের টুকরো মুখে পুরে বললেন, ‘আজ থেকে আপনি আমার বন্ধু, বিপদে আপদে। আপনার কেসটা কী?’

    ‘আমার কেস, ওই বাঙালির পার্টনারশিপ, একটা ব্যবসা করেছিলুম। গণেশ আমার ওয়ার্কিং পার্টনার। বেটা খুব বেগোড়বাঁই করছে। টাকা-ফাকা সরাচ্ছে। কিছু বলতে গেলেই চোখ রাঙায় ভয় দেখায়। মহা ফাঁপরে পড়ে গেছি।’

    ‘মালটাকে হাটান না, হাপিস করে দিন।’

    ‘হাপিস মানে?’

    ‘গুম করে দিন। লোকটা ছিল, লোকটা আর নেই।’

    ‘মার্ডার?’

    ‘মার্ডার-ফার্ডার জানি না, মাল লোপাট।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘ও অনেক রাস্তা আছে, আমার গুরু জানে।’

    ‘রেসের গুরু?’

    পলটুবাবু ছুরি দিয়ে প্লেটের গায়ে ট্যাং ট্যাং করে শব্দ করলেন, বয় এসে দাঁড়াল। ‘পেঁয়াজ আনো।’

    বয় চলে যেতেই পলটুবাবু বললেন, ‘গুরু আমার নাম্বার ওয়ান, আইন জানে, ক্যারাটে, কুংফু জানে, ভালো ডাক্তারের মতো ছুরি চালাতে জানে। কীরকম চোট দিয়েছে?’

    ‘এই মাত্র সাত হাজার।’

    ‘সাত হাজার? কোনো মানে হয়! সাতবার একুশটা ঘোড়া ছোটানো যেত! মালটাকে জোটালেন কোত্থেকে?’

    ‘জুটে গেল! এখন আর নামতে চাইছে না। ব্যবসা থেকে আমাকেই আউট করে দেবে দেখছি। কোর্ট-কাছারি কে করবে? আইন দিয়ে হটাতে গেলে অনেক টাকার ধাক্কা, কারবার লাটে উঠে যাবে।’

    পলটুবাবু চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, ‘কোর্ট-কাছারি ছাড়াও অন্য রাস্তা আছে। ধোলাই।’

    ‘কে ধোলাই দেবে? আমার ক্ষমতা নেই।’

    ‘কাপড় ধোলাই করার যেমন লোক আছে, মানুষ ধোলাই করারও তেমনি লোক আছে।’

    ‘তাতে তো আর টাকা ফিরবে না, জোচ্চুরিও বন্ধ হবে না।’

    ‘তাহলে মালকে পগারপার করে দিতে হবে।’

    ‘মার্ডার?’

    ‘মার্ডার আবার কী? আজকাল মার্ডার বলে কিছু নেই। যাকে পার ধরো আর মারো।’

    ‘না মশাই, ওসব ঝামেলার মধ্যে আমি নেই। সাত হাজার গেছে, আরও হয়তো যাবে। যার যাক।’

    ‘যায় যাক বলে কোনো শব্দ আমার ডিকশনারিতে নেই। ইউ আর মাই ফ্রেণ্ড। গণেশের পেট আমি ফাঁসাবই, ছুরি দিয়ে নয়, দৈব দিয়ে।’

    ‘মাদুলি ফাদুলি?’

    ‘বাণ মেরে, বাণ মেরে শুকিয়ে দেব, দিন দিন মড়া কাঠের মতো চেহারা হয়ে যাবে।’

    ‘ধ্যুস, ওসবে আমার বিশ্বাস নেই।’

    ‘বিশ্বাস নেই?’ পলটুবাবু দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে উঠলেন, ‘হিন্দুর ছেলে ঝাড়ফুঁকে বিশ্বাস নেই। কী আমার সাহেব রে!’

    ‘নেই তা কী করব?’

    ‘এখুনি বিশ্বাস হবে। এমন এক জায়গায় নিয়ে যাব, আপনি তো তুচ্ছ, আপনার বাবারও বিশ্বাস হবে।’

    রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে এসে আবার আমরা রাস্তায়। অফিস ভাঙা ভীড় বাসে ট্রামে। পলটুবাবু বললেন, ‘একটা সিগারেট ছাড়ুন। খুব খাইয়েছেন মশাই। পৃথিবীতে সাধুও যেমন আছে, শয়তানও তেমনি আছে! মিলেমিশে এই জগৎ! আপনার মনটা বেশ ভালোই।’

    সিগারেট ধরিয়ে ভুল করে খানিকটা ধোঁয়া ছাড়লেন।

    ‘নিন চলুন। শত্রুর শেষ রাখতে নেই। দু-শালাকেই যমের বাড়ি পাঠাব। পঞ্চা আর গণশা। নেকলেস, আর সাত হাজার। হজম করতে দেব না।’

    ‘কোথায় যাবেন?’

    ‘সিরিটি।’

    ‘সেটা আবার কোথায়?’

    ‘কাছেই। বাসে ঘন্টা দেড়েক লাগবে।’

    ‘সিরিটি যাব কেন?’

    ‘সেখানে আমার গুরুর আশ্রম। মহাশ্মশানের পাশে। তান্ত্রিক মন্ত্র পড়ে একটা জবাফুল মাটিতে ফেলে দেবেন, আকাশ থেকে হুড়মুড় করে প্লেন ভেঙে পড়বে, ব্রীজ থেকে ট্রেন ঝাঁপিয়ে পড়বে জলে, শোবার ঘরে খাটের তলায় দপ করে আগুন লাফিয়ে উঠবে, সিলিং থেকে ফ্যান খসে পড়বে মাথার ওপর। আলমারির তলা থেকে সাপ বেরোবে ফোঁস করে। যখন যেখানে যা দরকার, ঠিক তাই ঘটে যাবে। চলুন, চলুন, আর দেরি না।’

    গণেশের ওপর আমার ভীষণ রাগ হয়েছিল। ফ্যা ফ্যা করে ঘুরছিল। ধরে এনে ব্যবসায় ভেড়ালুম। তিন বছর না যেতেই বিয়ে করে বসল। বাঙালির ছেলে বিয়ে করে সাহেবদের মতো হনিমুনে গেল কুলু, মানালি, কত কী। তখন কী জানতুম ছাই, আমারই ট্যাঙ্ক ফুটো করে বাবুর থপথপানি। আদুরে বউকে নিয়ে দেড় মাস আদিখ্যেতা। দেখাই যাক না, কী হয়। গণেশকে একটু শিক্ষা দেওয়া দরকার। তা না হলে সারাজীবন জোচ্চুরি করে যাবে। আজ আমার সঙ্গে, কাল রামের সঙ্গে, পরশু হরির সঙ্গে।

    ভাবতে ভাবতেই বাস এসে পড়ল। পলটু ‘উঠুন’ বলে ঠেলে ঠুলে উঠিয়ে দিলেন।

    সিরিটি জায়গাটা আদি গঙ্গার ধারে। কলকাতার এত কাছে এমন একটা অদ্ভুত জায়গা আছে, আমার জানাই ছিল না। পলটুবাবুর গুরুদেবের আশ্রম একেবারে নদীর ধারে। ঢালু জমি আশ্রমের পেছন দিকে গড়িয়ে নেমে গেছে মজা নদীর দিকে।

    সেখানেই শ্মশান। আধপোড়া মৃতদেহ এখানে-সেখানে ছড়িয়ে আছে। সন্ধ্যে হয়ে এসেছে। গোটাকতক শেয়াল সেই বীভৎস জায়গায় খ্যা খ্যা করছে। কালো কালো কুকুর ঘুরছে। জ্বলজ্বলে চোখ। চারপাশে পচা গন্ধ। বিশাল একটা বটগাছ। তলাটা অন্ধকার। বাঁধানো বেদি। মাঝে মাঝে কালপেঁচা ডেকে উঠছে। একটা দুটো করে বাদুড় ডাল থেকে খসে পড়ে সুইস সুইস শব্দে আকাশের দিকে উড়ে চলেছে। সমস্ত দৃশ্যটাই যেন একটা দুঃস্বপ্নের মতো।

    একটা একতলা কোঠাবাড়ি। বাইরে থেকে দেখলে আশ্রম বলে মনে হবার কথা নয়। সামনেই উঁচু রোয়াক, পথ পাশ দিয়ে ঘুরে গা-ছমছম করা বটতলার অন্ধকার পেরিয়ে পেছনে আদি গঙ্গার ঢালে গিয়ে পড়েছে। বটতলায় দাঁড়িয়ে আছে মা ছিন্নমস্তা। দেখলেই বুক কেঁপে ওঠে। এক হাতে নিজের মুন্ডু, কাটা গলা দিয়ে ফোয়ারার মতো রক্ত উঠে মুখে ঢুকছে। নিজের রক্ত মা নিজেই পান করছেন।

    পলটুবাবুর সঙ্গে পেছনের দরজা দিয়ে বাড়িতে ঢুকতে হল। ভেতরে উঠোন। উঠোন ঘিরে উঁচু দালান। টকটকে লাল রঙের মেঝে। সারি সারি বড়ো ছোটো ঘর। একটি মেয়ে এঘর থেকে ওঘরে যাচ্ছিল। শ্যামবর্ণা, কিন্তু ভারি মিষ্টি চেহারা। আমাদের দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে বললে, ‘উনি এখন বিশ্রাম করছেন একটু। আজ অমাবস্যা, সারারাত পুজো আছে তো?’

    পলটুবাবু বললেন, ‘তা থাক, আমাদের খুব জরুরী দরকার। বেশি দেরি করলে, গুরুজির পাওয়ারের বাইরে চলে যাবে। গুরুজি গুরুজি আমরা এসে গেছি।’

    পলটুবাবুর দাপট কম নয়, গটগট করে দালান পেরিয়ে ঘরে ঢুকল। আমাকে ইতস্তত করতে দেখে বললেন, ‘চলে আসুন না, ভয় পাচ্ছেন কেন?’

    প্রথম যে ঘরটা, সেটা বোধহয় ঠাকুরঘর। বেশ বড়ো। ধুপধুনো ফুল বেলপাতা সব মিলেমিশে কেমন একটা গন্ধ তৈরি হয়েছে। একপাশে উঁচু বেদিতে তারা-মূর্তি। বিশাল একটা প্রদীপ জ্বলছে থিরথির করে, সামনে আসন পাতা। চারপাশে ছড়ানো পুজোর জিনিস।

    ঘর পেরিয়ে ঘর।

    ‘গুরুজি! গুরুজি!’

    ভেতর থেকে ভেসে এল গম্ভীর গলা, ‘অসময়ে কেন?’

    ‘বিপদে পড়ে গেছি গুরুজী।’

    লাল টকটকে চেরি পরে গৌরবর্ণ এক বৃদ্ধ একটি খাটে শুয়ে আছেন। খোলা গা। লাল পৈতে। মুখটি বেশ প্রসন্ন ও উজ্জ্বল। ‘তোর তো পদে পদেই বিপদ। সঙ্গে আবার কাকে নিয়ে এলি?’

    ‘আমার এক বন্ধু। দু-জনেই বিপদে পড়েছি।’

    ‘কি বিপদ?’

    মেঝেতে দু-জনে বসে পড়লুম। পলটুবাবু সব বললেন। নেকলেস হাতিয়ে শ্যালক বেপাত্তা। সাত হাজার মেরে আমার পার্টনার হওয়া।

    গুরুজি সব শুনে বললেন, ‘আমার কী করার আছে?’ আমি আমার সাধনভজন নিয়ে একপাশে পড়ে আছি। তোদের এসব ছেঁচড়া ব্যাপারে আমি কি করব?’

    ‘গুরুজি, সেবার আপনি জগাইকে সাত মাস হাসপাতালে ফেলে রেখেছিলেন।’

    ‘কোন জগাই?’

    ‘ওই যে আমার জ্যাঠামশাইয়ের ছেলে। আমাকে একদিন ধরে খুব ধোলাই দিয়েছিল।’

    ‘বারবার ওসব কাজ হয় না রে পলটু। তা ছাড়া এই কিছুদিন আগে আমি একটা বড়ো কাজ করেছি। এখন কিছুদিন বিশ্রাম চাই।’

    ‘কী বড়ো কাজ গুরুজি?’

    ‘একটা বিমান দুর্ঘটনা আর একটা ট্রেন দুর্ঘটনা। আমার বহুত শক্তি ক্ষয় হয়ে গেছে। এখন মাসতিনেক আমাকে ক্রিয়াকলাপ করতে হবে।’

    ‘ও দুটো কাজ কেন করলেন গুরুজি?’

    ‘প্রয়োজন ছিল।’

    পলটু ঘষটে ঘষটে গুরুজির খাটের দিকে এগিয়ে গিয়ে পাদুটো জড়িয়ে ধরল, ‘সামান্য কাজ গুরুজি। এ তো আপনার কাছে ছুঁচো মারা।’

    ‘একটা নেকলেস আর সাত হাজার টাকার জন্যে জলজ্যান্ত দুটো লোককে মেরে ফেলবে? শুয়োর।’

    ‘পাপের শান্তি গুরুজি। গীতাতেই তো আছে। বিনাশায় চ দুষ্কৃতকারিণাং।’

    ‘তোরা কী এমন সুকৃতি করেছিস?’

    ‘আমি না হয় বদ গুরুজি, কিন্তু আমার বন্ধু! পার্টনার মেরে ফাঁক করে দিচ্ছে।’

    ‘তাতে তোর কী রে শালা?’

    ‘পরের দুঃখে আমার মন যে কাঁদে।’

    ‘আহা! আমার শ্রীচৈতন্য রে!’

    পলটুবাবু একেবারে নাছোড়বান্দা। পা ধরে ঝুলোঝুলি। আমি একবার ফিসফিস করে বললুম, ‘ছেড়ে দিন না মশাই। যা হবার তা হবে। নিজেরা বোকা বনেছি, বোকাই থাকি। পরের অনিষ্ট করে কার কী লাভ হবে?’

    ‘কী যে বলেন। অন্যায় যে সহে, অন্যায় যে করে তব ঘৃণা তারে যেন…’

    ‘সে তো ঈশ্বরের ঘৃণা?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ, সেই ঘৃণা, সেই শাস্তিই তো গুরুদেব নামিয়ে আনবেন।’

    গুরুজি এতক্ষণ শুয়ে শুয়েই কথা বলছিলেন। এইবার ধীরে ধীরে উঠে বসলেন। পা দুটো খাট থেকে নেমে এসে ঝুলতে লাগল ড্যাং ড্যাং করে। বেশ গোলগাল বেঁটেখাটো চেহারা। গুরুজি হঠাৎ ডাকতে শুরু করলেন, ‘মায়া-মায়া!’

    সেই মেয়েটি ঘরে এল। আমার এখনও বিয়ে হয়নি। বিয়ে হলে হয়ে যেত। বউকে খাওয়াবার মতো পয়সাকড়ির অভাবে আইবুড়ো কার্তিক হয়ে বসে আছি। এই তো সবে লিলি বলে একটা মেয়েকে নাড়াচাড়া করে দেখছি। কিন্তু এই মেয়েটিকে দেখার পর থেকে লিলি বাতিল।

    গুরুজি বললেন, ‘একটা বড়ো বাটি করে একবাটি জল আনত মা।’ মায়া চলে গেল। আমার চোখও পেছন পেছন চলল। না:, গুরুর চেলা বনে বাকি জীবনটা পদসেবা করেই কাটিয়ে দিই।

    মায়া আবার এল। চেটাল একটি কাঁসিতে টলটলে জল। মেঝেতে গুরুজির পায়ের কাছে সামনে ঝুঁকে পড়ে নামিয়ে রাখল। সেই সময় কিছু কিছু জিনিস দেখে আমি প্রায় মরে যাবার মতো হলুম। শরীর নয় তো, মরণ-ফাঁদ।

    গুরুজি সেই জলের দিকে একদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, ‘পলটু, তোমার নেকলেস তোমার বাড়িতেই আছে, তোমার বউয়ের কাছে। আর তোমার? কি নাম তোমার?’

    ‘জগন্নাথ।’

    ‘জগন্নাথ। বেশ। তোমার স্যাঙাতকেও আমি আমার জল দর্পণে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। মুখটা গোল। নাক থেবড়া। চোখ দুটো মার্বেলের মতো। জোড়া ভুরু। ডান ঠোঁটের ওপর কাটা দাগ। কী মিলছে?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। ঠিক ঠিক মিলছে।’

    ‘মিলতেই হবে। কী নাম বলেছিলে?’

    ‘গণেশ।’

    গুরুজি স্তব্ধ হয়ে চোখ বড়ো বড়ো করে জলের দিকে তাকিয়ে রইলেন। কী আশ্চর্য! আমরা কিন্তু কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। গুরুজির চমক ভাঙল। ‘ছ’ থেকে সাত মাসের মধ্যে গণেশের ফাঁসি হবে।’

    কথা ক’টা বলেই খুব ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লেন, ‘তারা, তারা। তোরা এখন যা। যাবার আগে মাকে প্রণাম করে যা।’

    ঠাকুরঘরে মায়া হাঁটু মুড়ে বসে পুজোর ফুল গুছিয়ে রাখছে। মনে মনে বললুম, আমার যদি একটা সংসার থাকত। এইরকম একটা শ্যামলী বউ! লিলি? যেমন নাম তেমন ছিরি। হান্টারওয়ালী ববচুল। ঠোঁটে লাল রঙ, মুখে মেকআপ, কটাসুন্দরী!

    টেলিফোন বেজেই চলেছে। কেউ ধরে না কেন? বাড়িসুদ্ধ সব একসঙ্গে সুইসাইড করেছে নাকি? অবশেষে কেউ একজন ধরেছে।

    মেয়েলি গলা।

    ‘হ্যালো।’

    ‘গণেশ আছে?’

    ‘কে আপনি?’

    ‘আমি যেই হই না, গণেশ আছে কী নেই!’

    ‘নেই, কলকাতার বাইরে গেছে।’

    ‘অত পাঁয়তাড়া না করে এই কথাটাই তো আগে বললে হত।’

    ফোনটা দুম করে নামিয়ে রাখলুম। বেটা কলকাতাতেই আছে। পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কেস ঠোকার আগে মুখোমুখি একবার কথা বলতে চাই। এখন ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে ভাল। নয়তো উকিলে খাবে হকের পয়সা। আমি নিজেই একবার যাব। আজই যাব, ওকে না পাই ওর বউকে বলে আসব।

    ট্রাম থেকে নামতেই টিপটিপ করে বৃষ্টি এল। ট্রাম রাস্তা ছেড়ে বাঁয়ে মোড় নিলুম। রাস্তাটা নেহাত কম চওড়া নয়। দু-পাশে খাড়া খাড়া বাড়ি। দু-একটা বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া বাগান। এমন কিছু জোর বৃষ্টি নয়। পিটির পিটির। সময়টা দুপুর-দুপুর, তাই রাস্তা নির্জন। পেছনে একটা মোটর সাইকেল আসছে ঝড়ের বেগে। ওই শব্দটাকে ভীষণ ভয় পাই। ছেলেবেলার আতঙ্ক আর কী! একবার ধাক্কা খেয়েছিলুম। যতটা সম্ভব রাস্তার বাঁ-ধারে সরে গেছি। ভীষণ শব্দ ক্রমশই এগিয়ে আসছে। একে নির্জন রাস্তা, তার ওপর দুপাশে খাড়া খাড়া বাড়ি। শব্দটা সেই কারণেই আরও জোর মনে হচ্ছে।

    সত্যিই আমি প্রস্তুত ছিলুম না। কী ঘটছে বোঝার আগেই ছিটকে রাস্তার ধারে গিয়ে পড়লুম। মোটর সাইকেলটা বাঁ-দিক থেকে ডান দিকে সোজা হয়ে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেল। কোমরে ভীষণ লেগেছে। পড়বার সময় বাঁ-দিকে লাট খেয়েছিলুম, বাঁ-হাত মনে হয় ভেঙেই গেছে। হাঁটু দুটো অক্ষত নেই। কপালটাও কেটেছে নিশ্চয়। আচ্ছা জানোয়ার তো! কোনো রকমে উঠে বসতে পেরেছি। উঠে দাঁড়াতে পারব কী! সামনের বাড়ির দোতলার জানালায় একটি মহিলার মুখ। কী লজ্জার কথা! মেয়েদের সামনে বেইজ্জত। উঠে আমাকে দাঁড়াতেই হবে। বাড়িটার দেওয়াল ধরে কোনোরকমে উঠে দাঁড়ালাম। পা কাঁপছে মাথা ঘুরছে। কোমর সোজা হচ্ছে না। উলটো দিকেই একটা লাল রক। একটু বসতে পারলে ভালো হত। আবার যেন মোটর সাইকেলের আওয়াজ আসছে কানে। সর্বনাশ! আবার ফিরে আসছে নাকি? খুব দ্রুত আসছে। এবার মারলে আর বাঁচব না। বাঁচার একমাত্র রাস্তা কোনোরকমে রকে গিয়ে ওঠা। ঝড়ের বেগে যমদূত এগিয়ে আসছে। ওই তো রক, না আর হল না। শূন্যে উড়ে গেলুম যেন! শরীরের সমস্ত হাড়গোড় খুলে গেল। মোটর সাইকেলের তীব্র শব্দ। কোথাও সশব্দে জানালা বন্ধ হল। মেয়েলি চিৎকার।

    একটা শিশি ঝুলছে। স্বচ্ছ একটা নল হাতে এসে ঢুকছে। নাকে আর একটা নল। শরীরটা সীসের মত ভারী, কে যেন বললেন, ‘জ্ঞান ফিরেছে, জ্ঞান ফিরেছে।’

    খুটখুট জুতোর শব্দ। চোখে ঝাপসা দেখলেও দেখতে পাচ্ছি একটা মুখ, মাথায় সাদা টুপি, সাদা অ্যাপ্রন, নীল পাড় শাড়ি। তিনটিমাত্র শব্দ আমি উচ্চারণ করতে পারলুম। মার্ডার, পুলিশ, গণেশ। তারপর আমি কীরকম এক আলোর স্রোতে ভেসে গেলুম। যেতে যেতে দেখলাম, একটা ফাঁসিকাঠ, গোল দড়ির ফাঁস, গণেশ। একপাশে গুরুজির লাল চেলি পরে, আর একপাশে আমি। আমার হাতে পুলিশের ব্যাটনের মতো করে পাকানো, শীল স্যাণ্ড সরকার কোম্পানির পার্টনারশিপ ডিড।

    এইসব কথা আমি কী করে লিখলুম জানি না আমি যদি লিখে থাকি, তাহলে আমি মরিনি। কারণ মরা মানুষ আর যাই পারুক, লিখতে পারে না। আর আমি না মরলে, গণেশের ফাঁসি হয় না। ফাঁসি না হলে, দৈব মিথ্যা হয়ে যায়। তাহলে কী হয়েছে, কে জানে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃগয়া – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }