Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫০টি প্রেমের গল্প – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিনের বাগানে

    বিধান আমার কাছে কিছু টাকা ধার চেয়েছিল। আমি ইনিয়ে বিনিয়ে পাশ কাটিয়ে সরে পড়েছিলুম। ধার দেবার মতো টাকা যে আমার ছিল না তা নয়, ব্যাঙ্কে আমার জমে, মাসে মাসেই জমে। জমতে জমতে বেশ কিছু জমেছে। জমাবার একটা নেশা আছে। দুই থেকে তিন, তিন থেকে চার। মাঝে মাঝে পাশবই দেখি আর উৎফুল্ল হয়ে উঠি। বা: কি সুন্দর বেড়ে চলেছে।! বৃষ্টির জলে বালতি পাতার মতো। ধীরে ধীরে বাড়ছে। এক সময় উপচে পড়বে। পারতপক্ষে আমি জমা টাকা ভাঙি না। যেখান থেকে যা আসে সব জমা করে দি। হঠাৎ নিজের কোনো প্রয়োজন হলে অন্যের কাছ থেকে ধার করে চালাই। পরে শোধ করে দি।

    বিধান বলে গেল, বড়ো বিপদে পড়ে গেছি রে! পেলে ভীষণ ভালো হত!

    আমি উদাস মুখে শুনে গেলাম। এমন একটা ভাব করলুম, যেন এই মুহূর্তে ধারে আমার কিছু টাকা পেলে ভালো হয়! দূর কোনো এক আত্মীয়ের অলীক অসুখের কথা শুনিয়ে দিলুম। অভিনয় মনে হয় ভালোই করেছিলুম। মিথ্যে বলারও একটা কায়দা আছে। সবাই তেমন পারে না, ধরা পড়ে যায়। মিথ্যেটাকে এমন করে বলতে হবে, যেন সত্যের চেয়ে সত্য হয়ে ওঠে। প্রখর কল্পনা আর স্মৃতিশক্তি থাকা চাই। আজ কী বললুম, কাল যেন তা মনে থাকে!

    বিধানের স্ত্রী প্রায় মরো মরো। ডেলিভারি গোলমাল হয়ে গিয়ে প্রায় যায় যায়! পড়ে আছে নার্সিংহোমে। বিধানের বরাতটাই মন্দ। ছেলেটা ভালো চাকরি করত, মাইনেও তেমন খারাপ ছিল না। পোজিশান ছিল। বিয়ে করলে নিজেই দেখেশুনে। বউও নেহাৎ খারাপ হল না। হঠাৎ শুরু হয়ে গেল স্ট্রাইক। স্ট্রাইক থেকে লকআউট। সেই লকআউট চলছে। বেচারা মাইনেপত্তর পায় না, বছর ঘুরে গেল। পুঁজি ভেঙে ভেঙে শেষ।

    এমন মানুষকে টাকা ধার দেবার ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। বিধানের ভবিষ্যৎ কী? কিছুই না। একেবারে কপর্দকশূন্য অবস্থা। যা নেবে তা আর শোধ করতে পারবে না। চাইতেও পারব না। দিলে একেবারেই দিয়ে দিতে হবে! দানধ্যান করা ভালো। কারা করবে? যাদের কালো টাকা আছে। আমাদের মতো মানুষের আছে কী! যেটুকু সঞ্চয়, সেইটুকুই শেষের ভরসা। কেউ তো তখন দেখবে না। বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজন, তখন কোথায়! বিধানকে এসব বোঝাবে কে?

    বিধান সেই যে চলে গেল, আর দেখা নেই। আমিও খোঁজপাত করিনি। বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার কম হয়নি। বুদ্ধিরও খুব একটা অভাব আছে বলে মনে হয়নি কোনোদিন! কেমন গুছিয়ে সংসার করছি! সংসার করা আর যুদ্ধ করা প্রায় এক জিনিস! আজকাল যা বাজার পড়েছে! আমি জানতুম, বিধানের সঙ্গে আবার দেখা হওয়া মানেই টাকার কাঁদুনি শোনা। শোনা মানেই, মন খচ খচ করা। বিবেক বলবে, তোর রয়েছে, তবু দিতে পারিস, তুই দিলি না, ব্যাটা আত্মপর! বিবেক একটা বেয়াড়া জিনিস ঠোঁটকাটা সমালোচক। বিধানের সামনে গিয়ে দাঁড়ানো মানেই একটা অপরাধবোধ নিয়ে ফিরে আসা।

    দ্বিতীয় কারণ আমি খেরেস্তানী প্রথা বিশ্বাস করি না। বিপদে মানুষের জন্যে যদি কিছু করতে পার তো পাশে গিয়ে দাঁড়াও, তা না হলে, ওই দেঁতো ভদ্রতা! কী রে বিধান, তোর বউ কেমন আছে এ প্রশ্ন যেন একটা আদিখ্যেতা! ওই কারণে আমার আত্মীয়স্বজন বিপদে পড়লেও আমি পাশে গিয়ে দাঁড়াই না। এখনকার কালের করা মানে টাকা দিয়ে করা। বেশ প্রাণখুলে কিছু দিতে পারলে, তবেই সকলে বলবে, ওঃ খুব করেছে! কাজে-কম্মেও দেখেছি বিয়ে, অন্নপ্রাশন, উপনয়ন, কে কত দিয়েছে, কেমন দিয়েছে; সেই বিচারে আত্মীয়দের জাত তৈরি হচ্ছে। চিঁড়ে চিরকালই কথায় ভেজে না, ভেজে টাকায়!

    একটা কথা আমি সার বুঝেছি, সামাজিক হবার চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই! কী হবে সামাজিক হয়ে। লোকসান ছাড়া লাভ নেই! আজ অমুক কাল তমুক। আজ এ আসছে, কাল ও আসছে। রেস্ত ফাঁক। সংসারে কেউ কারুর নয়। টাকাই হল সারাৎসার! ব্যাঙ্কব্যালেন্স থাকা মানেই মান-সম্মান, ভাব-ভালোবাসা, প্রেম-প্রণয়, আদর-যত্ন। শেষ সময় তা না হলে ঠ্যাঙে দড়ি বেঁধে ভাগাড়ে ফেলে দিয়ে আসবে। মর ব্যাটা বুড়ো। টাকা থাকলে, অচেনা রাস্তার লোকও টাকার লোভে এসে সেবা করবে। আর ট্যাঁক খালি হয়ে গেলে আপনার লোকও ফিরে তাকাবে না। দুনিয়ার হালচাল আমার জানা হয়ে গেছে।

    অনেক কষ্টে, অনেক পরিশ্রম করে আমার রোজগার। কিছু টাকা আমার ফিক্সড ডিপোজিটে আছে। পনেরো বছর পরে ডবল হয়ে ফিরে আসবে। বিকাশবাবুর পরামর্শে ইউনিট কিনতে শুরু করেছি। ইউনিটের দাম কমে না, বেড়েই বলে। তা ছাড়া আজকাল অনেক প্রতিষ্ঠান হয়েছে, যেখানে টাকা খাটালে সুদেই সংসার চলে যায়, আসলে আর হাত পড়ে না। বেশ একটা সুখ সুখ ভাবে জীবন কাটছে। ভবিষ্যৎ আমার রঙিন। যে প্ল্যানে চলেছি তাতে কারুর ক্ষমতা নেই আমাকে পথে বসায়। স্ট্রাইক, লকআউট, ক্লোজার, ডিসচার্জ কোনো কিছুরই আমি আর পরোয়া করি না।

    এইবার ছোট্ট একটা বাড়ি তৈরি করব। দালাল লাগিয়েছি। জায়গা জমি দেখা চলছে। দাঁও বুঝে মেরে দোব ঠিক। বিধবার বা বিবাদের সম্পত্তি অনেক সময় জলের দরে মিলে যায়। সন্ধান রাখতে হয়। কালেকটারিতে আমার লোক আছে। তাকে তোয়াজে রেখেছি। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, সবুরে মেওয়া ফলে। আমার এমন কিছু বয়েস হয়নি যে তাড়াহুড়ো করতে হবে। এখনও অনেক সময় আছে। একটিমাত্র ছেলে আমার। সংসার আর বাড়াচ্ছি না। আনন্দ করতে হয় তো বাঁকা পথে করব। তাতে খরচ অনেক কম। আমি হিসেব করে দেখেছি। আমার নীতিতে সংযমের ব্যাখ্যা দেবতার মতো চরিত্র নয়। মানুষ কখনও দেবতা হতে পারে না। তার ভোগ থাকবে, দুর্ভোগ থাকবে। লোভ থাকবে, লালসা থাকবে। সংসারী মানুষের হাজার বায়নাক্কা। সংযম মানে হিসেব করে নিজেকে খরচ করা।

    দিন দুয়েক পরে বিধানের সঙ্গে বাজারে দেখা হল। উসকোখুসকো চেহারা। দেখেই বুঝেছি খবর সুবিধের নয়। পাশ কাটিয়ে সরে পড়ার তালে ছিলুম। কী জানি বাবা, বউ মরলে শ্রাদ্ধ করতে হয় কি না! এখুনি হয়তো সেই ছুতোয় আবার টাকা চেয়ে বসবে। সামনে একটা গোরু পড়ায় বিধান ধরে ফেললে। বাধ্য হয়েই জিগ্যেস করতে হল, কী হে খবর কী?

    সংসারে গা বাঁচিয়ে চলতে হলে একটু অভিনয় ক্ষমতা থাকলে ভালো হয়। তাতে বদনাম একটু কম হয়। ভুরুটুরু কুঁচকে এমনভাবে প্রশ্নটা করলুম, যেন কদিন উৎকন্ঠায় আমার ঘুম হচ্ছিল না।

    বিধান করুণ হেসে বললে, সব শেষ হয়ে গেছে ভাই। আর তোদের ভয় নেই।

    আদিখ্যেতা! বউ এমন একটা কিছু পরম পদার্থ জিনিস নয়। এক গেলে আর এক আসবে। বাংলাদেশে মেয়ের অভাব! তুই আজ ঘাড় নাড়লে কালই তোকে পিঁড়েতে বসিয়ে দোব টোপর পরিয়ে। প্যান প্যান করিসনি বাপু। বউ মরা অনেক মিঞাকেই আমি চিনি। সব দ্বোজপক্ষ, তেজপক্ষ হয়ে আন্ডাগ্যান্ডা নিয়ে সংসার করছে। দেয়ালে প্রথমপক্ষ ছবি হয়ে কেতরে ঝুলছে। কাছে গিয়ে কাঁচে আঙুল ঠেকালে তবেই শরীরের এক টিপ নজরে পড়ে। বউরা বেশ ভালোই জানে, স্বামী কী বস্তু! বেঁচে থেকেই সামলান যায় না, মরে গেল তো কথাই নেই। বাঁধা গোরু ছাড়া পায়। বিধু প্রেততত্ত্ব কিছুই জানে না। বউরা মরে ভূত হয়। ভূত হয়ে সব দেখে নেয়। তারপর জন্মে আবার বউ হয়। তাই তো বউরা স্বামীদের পয়লা নম্বর শত্রু হয়ে ওঠে। যত দিন যায় ততই প্রবল আকার ধারণ করে। বউ এক প্রকার কঠিন ব্যামো। মরেছে, তুই বেঁচেছিস বিধু। তোর ক্রনিক ব্যাধি সারল। পুজো দে, পুজো দে!

    এসব কথা তো আর বলা যাবে না। করুণ মুখে চুক চুক শব্দ করে দুঃখপ্রকাশ করলুম।

    বিধু সরে পড়ল। কী আর করবে! কে কার দুঃখের কথা শোনে। মানুষের আর অত সময় নেই। সবাই বড়ো ব্যস্ত। মৃত্যুর আর তেমন ধার নেই, ভোঁতা হয়ে গেছে। আমারও তাড়া আছে। আড়কাঠির কাছ থেকে খবর পেয়েছি, উত্তরপাড়ায় এক পরিবারে ভাঙন ধরেছে। পৈতৃক সম্পত্তি বেচে বেচে এক বঙ্গসন্তান একটু ওড়া-উড়ি করছে। দেনায় বুক পর্যন্ত ডুবেছে, আর একটু মদত পেলেই ভরাডুবি হবে। সব উড়ে গিয়ে বাবুর এখন একমাত্র সম্বল বসত-বাড়িটি। সেটি না বেচলে পাওনাদারের হাতে প্রাণ যাবে। এখন একটু উৎসাহ পেলেই কাজ হাসিল। দুনিয়ার এইটাই তো নিয়ম! একজন ক্ষয় হয় আর একজন পূর্ণ হয়। নদীর একদিক ভাঙে আর এক দিক গড়ে ওঠে। একদিকে মজে চর ভেসে ওঠে, সঙ্গেসঙ্গে সুযোগসন্ধানী মানুষের দল এসে দখল করে বসে, ফুটি আর তরমুজের চাষ বসে যায়।

    আমার আবার শরীরের কী ব্যামো ধরল কে জানে! ডাক্তারবদ্যি করা মানেই হাজাররকম ফিরিস্তি বেরোবে। ভয় দেখিয়ে কিছু টাকার শ্রাদ্ধ করে ছেড়ে দেবে। মানুষকে ঘায়েল করার জন্যে লোকে অভিশাপ দেয়, তোর বাড়িতে উকিল ঢুকুক, বদ্যি ঢুকুক। একটা মানুষকে ফতুর করতে মামলা আর ব্যামো, দুটো মোক্ষম অস্ত্র। ও পথে সহজে আমি পা বাড়াচ্ছি না। আমার নিজের জানা কিছু টোটকা-টুটকি আছে, হোমিয়োপ্যাথি আছে। ওইতেই সামাল দিতে হবে! লোক তো আমি খারাপ নই। কারুর উপকারে নেই, এই যা আমার দোষ, তা ছাড়া আমার সবই ভালো। নেশাভাঙ করি না। বদখেয়াল নেই। তা হলে হোমিওপ্যাথিতে কেন কাজ হবে না!

    ব্রিজ পেরিয়ে উত্তরপাড়ায় বাস থেকে নামার সঙ্গেসঙ্গে পেটের পুরোনো ব্যথাটা এমন চাগাড় দিয়ে উঠল, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না। এ আবার কী হল ছাই! যাচ্ছি একটা শুভ কাজে। একজন বঙ্গসন্তান বিপদে পড়েছে! তাকে পথে বসাতে হবে। সব গেলেই তবে না তার চেতনা আসবে। এ জন্মে তার আর ওঠার সাধ্য হবে না ঠিকই তবে সামনের জন্মে এ জন্মের শিক্ষা অবশ্য কাজে লাগবে। প্রথম থেকেই বুঝতে শিখবে, কী করলে কী হয়।

    কিন্তু শরীর যদি এমন বেগোড়বাঁই করে মানুষের কিছু ভালো লাগে! পেটে কী যে দুশমন ঢুকল! শরীর গোলমাল করলে ধর্মও হয় না, অধর্মও হয় না। ব্যথাটা ক্রমশ বাড়ছে। রিকশা লাফাচ্ছে, ব্যথাও লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। মাঝেমধ্যে ভোগায়, তবে আজ যেন বড়ো বেশি ভোগাচ্ছে!

    কোনোরকমে গোলোক সাঁতরার বাড়িতে এলুম। সেই আমাকে নিয়ে যাবে। সাঁতরা তৈরিই ছিল। আমার চেহারা দেখে বলল, কী হয়েছে আপনার! শরীর খারাপ লাগছে! কীরকম যেন দেখাচ্ছে! চোখমুখ কালো হয়ে গেছে।

    আমার আর তখন কথা বলার ক্ষমতা নেই। পেট চেপে ধরে একটা চেয়ারে বসে পড়লুম। সাঁতরা ভয় পেয়ে গেল। আমি হলে আমিও পেতুম। উড়ো ঝামেলা। কেউ কারুর বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে ভালো লাগে! কাজ বেড়ে যায়। তাকে বলাও যায় না, যান মশাই বাড়ি যান। মরতে হয় বাড়িতে গিয়েই মরুন। মানুষ এখনও অতটা ঠোঁটকাটা হতে পারেনি। রাস্তায় ঘাটে কেউ খাবি খেলে, না দেখে চলে যাওয়া যায়! আমরা তো কেউ বাইবেল পড়া খ্রিশ্চান নই। চেনা লোক বাড়িতে এসে চিতিয়ে পড়লে মেজাজ খিঁচড়ে যায়। সামনা-সামনি না বলতে পারলেও, অন্দরে এসে বলা যায়, কী আপদ! ব্যাটা রোববারটাই মাটি করে দিলে! নাও এখন বোঝো ঠ্যালা! আমি হলে তাই বলতুম। আমার ছোটো শ্যালক গত বছর বেড়াতে এসে মায়ের দয়া বাঁধিয়ে বসল। উঃ সে এক জ্বালা! তিন দিনের জন্যে বেড়াতে এসে, দেড়মাস উস্তমখুস্তম করে গেল। সেই সময় আমার মেজাজ যা হয়েছিল। মনে হচ্ছিল, বউ যদি গোলাপফুল হয় শ্যালকরা সব গোলাপের কাঁটা।

    গোলোক বললে, বিশ্বাস মশাই, গাড়ি ডেকে দি, আপনি বরং বাড়ি গিয়ে শুয়ে পড়ুন। শরীর সুস্থ হলে, বিষয়সম্পত্তি হবে। শরীরম আদ্যম।

    ব্যাটা! সংস্কৃত কলি আওড়াচ্ছে। জিজ্ঞেস করলুম, কাছাকাছি কোনো ডাক্তার নেই?

    গোলোক বললে, নিজের ডাক্তার দ্যাখানোই ভালো। তিনি আপনার ধাত বোঝেন। এক পুরিয়াতেই ঠিক করে দেবেন।

    গোলোকের গোলোকধাম থেকে কোনোরকমে বেরিয়ে বাড়ি চলে এলুম। এ আমার কী হল! বাড়ির লোকের সব কিছু সহজ করে নেবার অদ্ভুত একটা ক্ষমতা থাকে। ও তোমার অম্বল, ও তোমার আমাশা বলে যে যার পাশ কাটিয়ে সরে পড়ল। একটু গরমজল খাও। একটু জোয়ানের আরক খাও। নানা জনের নানা পরামর্শ।

    সন্ধ্যের দিকে পায়ে পায়ে একবার ডাক্তারবাবুর কাছে যেতেই হল। আগে ডিসপেন্সারিতে বিনাপয়সায় হত। এখন সব খাঁই বেড়েছে। দশ টাকা কনসালটেশান ফি লাগে। কী দিনকাল হল! প্রবীণ ডাক্তারবাবু মন দিয়ে সব শুনলেন।

    প্রশ্ন করলেন, কত দিন এইরকম হচ্ছে?

    হচ্ছে অনেকদিনই। তবে এই বছরখানেক বেশ যেন বাড়াবাড়ি হয়েছে। খেতে পারি না। খেলেও হজম হয় না। মনে হয় গলার কাছে সব আটকে যাচ্ছে।

    হুঁ, বলে ডাক্তারবাবু বেশ যেন একটু চিন্তিত হয়ে পড়লেন। আমার চেয়েও বড়ো অভিনেতা। দেবেন সেই হজমের ওষুধ, তার আগে এমন একটা ভাব করছেন, যেন কী-না-কী হয়েছে। যত সব ব্যবসাদারী চাল।

    আচ্ছা নিন, শুয়ে পড়ুন।

    শুতে শুতে ভাবলুম, একবার যখন এসেছি তখন আপনি কী আর না শুইয়ে ছাড়বেন! কত পরিবার এই ভাবে শুয়ে পড়ছে! এক-একটাকে ধরছেন আর শুইয়ে দিচ্ছেন। সেই যে শোয়াচ্ছেন, রেস্তোর জোর না থাকলে ওঠে কার বাপের সাধ্যি!

    চতুর্দিক টিপেটুপে, বুক দেখে, প্রেসার মেপে, ফুটখানেক লম্বা, ঘিচিঘিচি লেখা এক প্রেসক্রিপসান ছাড়লেন। অত ওষুধ কে খাবে! পাগল নাকি।

    জিগ্যেস করলুম, ডাক্তারবাবু এর মধ্যে কোনটা কাজের?

    তার মানে?

    ভীষণ রেগে গেছেন। রাগলে কী হবে! আমি শুনেছি, কাঁচের জানলার দিকে এক মুঠো ঢ্যালা ছোঁড়ার মতো, ওঁরা যেকোনো অসুখের দিকে এক মুঠো ক্যাপসুল ছোঁড়েন। যেটা লেগে যায়।

    মানে কোনটা খেলে পেটের ব্যথা কমবে!

    আপনার কী ধারণা, আমরা এখানে খেলা করার জন্যে বসে আছি! নিজের চিকিৎসা নিজেই তাহলে করুন। আমাদের কাছে আসার কী দরকার!

    ওষুধের দোকানের ভদ্রলোক বললেন, তিন নম্বর ওষুধটা হল ব্যথা কমাবার।

    তাহলে ওইটাই দিয়ে দিন গোটাচারেক। বাকি সব থাক।

    সেটা কী ঠিক হবে!

    ঠিক বেঠিক আমি বুঝব!

    দিন তিনেক মোটামুটি ভালোই চলল। তারপর শুরু হল বাড়াবাড়ি। যা খাই, সবই বেরিয়ে আসে। একেবারে কাহিল অবস্থা। মরতে আমি ভয় পাই না। আমার ভয়, এত কষ্ট করে, পথঘাট বেঁধে সব গোছগাছ করে তুললুম, ভোগ করবে কে! নেপোয় দই মেরে যাবে। মরেও শান্তি পাব না। অনেক আদর্শবাদী মূর্খ বউয়ের জন্যে সমাধি বানায়। ছেলের জন্যে ব্যাঙ্কে টাকা রাখে। মেয়ের বিয়ের জন্যে অ্যাকাউন্ট খোলে। তারা মনে হয় রামপ্রসাদের সেই গানটা শোনেনি:

    যার জন্য মর ভেবে, সে কী তোমার সঙ্গে যাবে।

    সেই প্রেয়সী গোবর ছড়া দিবে, অমঙ্গল হবে বলে।।

    আমার বাবা বিলিতি মেজাজ। নিজের রোজগার নিজে উড়িয়ে যাও, ভোগ করে যাও। অবর্তমানে নিজেদের ব্যবস্থা নিজে করে নাও।

    এবার একজন বড়ো ডাক্তার এলেন। এঁদের মধ্যেও আবার দশ আনি, ছ আনি আছে। ইনি হলেন চৌষট্টি পরগনার মনসবদার। প্রথমে দূর থেকে দেখলেন। দেখতে দেখতে শুনলেন। তারপর পেটের একটা দিক ঘ্যাঁক করে চেপে ধরলেন।

    মিনিট দশেকের মধ্যেই রায় বেরোলো, আমি ভালো বুঝছি না। আরও ভালো করে বুঝতে হবে। সন্দেহ হচ্ছে ক্যানসার।

    অ্যাঁ, বলেন কী?

    চৌষট্টিটা টাকা পকেটে গুঁজতে গুঁজতে তিনি অম্লানবদনে বললেন, আজকাল খুব হচ্ছে। প্রথমে তেমন ধরা যায় না। পেটে হলে তো একেবারেই ধরা যায় না। অনেকটা এগোলে তবেই ধরা পড়ে, আর তখন!

    ডাক্তারবাবু উঠে দাঁড়ালেন, নিয়তির মতো হেসে কথা শেষ করলেন, তখন আর কিছুই করার থাকে না।

    হঠাৎ পৃথিবীর আলো যেন কমে এল। মনে হতে লাগল, যা করছি সবই যেন সন্ধ্যের আধো অন্ধকারে। তেল ফুরোনো বাতি যেন চোখের সামনে জ্বলছে। বালিশের তলায় হাতঘড়ি রেখে শুলে যেমন হয়। সময়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছি। চলছে, অনবরতই চলছে, টিক টিক করে।

    বিকেলের দিকে বিধান এল। কার কাছ থেকে খবর পেয়েছে।

    শুনলুম তোর নাকি শরীর খারাপ হয়েছে রে! দেখলুম বড়ো ডাক্তার এসেছিলেন!

    অন্য সময় হলে, আমার স্বভাব অনুসারে বিধানকে পাত্তা দিতুম না। এখন নিজেকে যেন বড়ো নি:সঙ্গ লাগছে। মনে হচ্ছে মৃত্যুনদীর তীরে গালে হাত দিয়ে বসে আছি একা। মৃত্যুপথে সঙ্গী পাওয়া যায় না। মৃত্যু তো সকলকে একসঙ্গে ডাকে না। এক এক করে ডেকে নেয়। এ তো তীর্থে যাওয়া নয়। পিকনিকে যাওয়া নয়, যে সবাই একসঙ্গে দল বেঁধে হইহই করে গান গাইতে গাইতে যাব। শেষ যাত্রাপথে মানুষকে একাই যেতে হয়।

    বিধানের মুখ দেখে মনে হল, আমার সঙ্গে মজা করতে আসেনি। হালফিল মৃত্যু এসে তার জীবনের সব চেয়ে প্রিয়জনকে তুলে নিয়ে গেছে। মৃত্যুর আঁচড় এখনও লেগে আছে মুখে। দূরযাত্রায় কাউকে বিদায় জানিয়ে আসার পর মানুষের মুখের অবস্থা যেমন হয়ে থাকে, বিধানের মুখের অবস্থা সেইরকম হয়ে আছে।

    আমি বিধানকে আজ বসতে বললুম। আর্থিক দুর্দশায় আছে বলে, আজ আর ঘৃণা করতে পারা গেল না।

    বিধান বললে, কী হয়েছে তোর?

    ডাক্তারবাবু সন্দেহ করছেন ক্যানসার। বলে গেলেন, আরও ভালো করে দেখতে হবে।

    সে কী রে?

    মনে হল না বিধান অভিনয় করছে। যথেষ্ট আন্তরিকতা রয়েছে। বিধান বললে, যা:, ক্যানসার হওয়া অত সহজ নাকি!

    কী বলব বল! তাই তো বলে গেলেন!

    তুই আমার সঙ্গে এক জায়গায় যাবি?

    হ্যোমিয়োপ্যাথি?

    না না, ক্যানসারের কাছে ওসব শিশু। তোকে একবার ক্যানসার হসপিট্যালে নিয়ে যাব, সেখানে আমার একজন চেনাশোনা আছেন।

    বিধানের সঙ্গে পরের দিনই সকালে হাসপাতালে গেলুম। যাঁর কাছে গেলুম তিনি ডাক্তার নন, তবে ডাক্তারবাবুরা তাঁর হাতের মুঠোয়। বিধানের শ্বশুরবাড়ির তরফের আত্মীয়! তিনি সঙ্গে- সঙ্গে সব ব্যবস্থা করে দিলেন। শরীরের ভেতরের খবর জানার জন্যে ভেতরের যেসব জিনিস নেওয়া প্রয়োজন সবই তাঁরা টেনেটুনে বের করে নিলেন। বললেন, রায় জানা যাবে কয়েক দিন পরে।

    হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আমার ভীষণ কান্না পেল। কেঁদে ফেলতে পারলে মানুষের ভেতরটা অনেক ঝরঝরে হয়ে যায়। কান্না কান্না ভাব অথচ কাঁদতে পারছি না, এর মতো কষ্টের আর কিছু নেই। ভেতরটা কেমন যেন ফেটে যায়। বিধানকে সেই সময় কিছু টাকা দিলে ওর স্ত্রী হয়তো বেঁচে যেত। অবশ্য ভাগ্যবাদীরা বলবেন, জীবনমৃত্যুর ওপর মানুষের কোনো হাত নেই। তাতে কিন্তু আমার অপরাধবোধ কমছে না। আমি দিতে পারতুম; কিন্তু দিই নি। বিধানের তুলনায় আমি অনেক নীচ। দু-জনের খোলে বিশেষ তফাৎ নেই; তফাৎ এই, বিধানের মনটা অনেক বড়ো।

    বিধানকে বললুম, আমি এখন সন্দেশ খাব। কোথায় ভালো নরমপাক সন্দেশ পাওয়া যায়? সন্দেশ নিশ্চয়ই খাওয়া যায়।

    বিধান বলল, খুব যায়। আরে তুমি এখনই অত ঘাবড়াচ্ছ কেন? ক্যানসার বললেই ক্যানসার! আমার মনে হয় তোমার আলসার হয়েছে। সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করো না। একগুঁয়ে স্বভাবের লোক!

    একটা ভালো দোকানে ঢুকে দু-তিনরকম সন্দেশের অর্ডার দিলুম। মনে করেছিলুম, খুব খাব। দুটো খাবার পরেই পেটটা ভীষণ ভার হয়ে গেল। বিধান কিছুতেই আমাকে দাম দিতে দেবে না। আমি বললুম, তোর এখন টানাটানি যাচ্ছে।

    বিধান বললে, তোকে একটা সুখবর দি। আমার ফ্যাক্টরি খুলে গেছে রে। বকেয়া কিছু টাকাও পেয়েছি। এই টাকাটা যদি মাসখানেক আগে পেতুম, তা হলে হয়তো…

    বুকপকেট থেকে একটা দশ টাকার নোট বের করে সেই দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে বিধান বসে রইল। আমার তখনই মনে হল প্রিয়জন চলে গেলে মানুষের যে বেদনা তার মধ্যে অভিনয় নেই। মানুষ প্রকৃতই কষ্ট পায়! কেউ প্রকাশ করে কেউ চেপে রাখে। বিধানকে কিছু বলার অধিকার আমার নেই। ‘হয়তো’ এমন একটা শব্দ যা খুলে দেখা যায় না। হলে জানা যায়। পেটের সন্তানের মতো।

    বিধান আমাকে গাড়িভাড়া পর্যন্ত দিতে দিলে না। বাড়ি পৌঁছে দিয়ে গেল যত্ন করে। বলে গেল সন্ধ্যের পর আবার আসবে। বাড়িতে পা রাখতেই মনে হল, সব ভোজবাজি। ডাক এলে কেউ কাউকে ধরে রাখতে পারবে না। মানুষ যেন বাগানের ফুল। ফুটল, গন্ধ ছড়াল, একটু শোভা দিল, দিল ফুরোলেই ঝরে গেল।

    অসুস্থ মানুষ যদি মনে করে থাকে, সবাই তাকে ঘিরে বসে আহা, উহু করবে, যন্ত্রণার অংশীদার হবে, উদ্বেগে চব্বিশ ঘণ্টা ম্রিয়মাণ হয়ে আসবে, সে মূর্খ। যন্ত্রণার অংশীদার হয় না। অংশীদার হয় আনন্দের। আমি আমার ঘরে একাই বসে রইলুম। হাতের কাছে রেডিয়ো। ঘোরাতেই ফুটে উঠল সংবাদ। স্থানীয় সংবাদের পাঠক আমার দিকে যেন ঘুঁষি ছুঁড়লেন। একটা জায়গায় আমার বেশ কিছু টাকা ইনভেস্ট করা ছিল। সেই প্রতিষ্ঠান লাটে উঠেছে। কর্মকর্তা পুলিসের হেফাজতে। মানুষ হায় হায় করছে।

    মনের বাঁধন একেবারে আলগা হয়ে গেল। অনেক দিন আগে আমি একটি লোককে হঠাৎ মরে যেতে দেখেছিলুম। দৃশ্যটা ভুলি নি। ভদ্রলোক একটা দোকান থেকে অনেক প্যাকেট বুকে চেপে ধরে বেরোচ্ছিলেন। হঠাৎ স্ট্রোক। হাতের বাঁধন আলগা হয়ে একের পর এক সব পড়ে যেতে লাগল। আর একটা ঘটনাও মনে পড়ছে। একবার একজনের বাগানে ফুটফুটে একটি মেয়ে ভোরবেলা চুরি করে অনেক ফুল তুলে কোঁচড়ে ভরেছিল। হঠাৎ পেছন থেকে সেই বাড়িব বউ এসে বললে, ফ্যাল, সব ফুল রেখে যা। আমরা যেমন জীবনের দিন অনিচ্ছায় একটা একটা করে ফেলি, মেয়েটি তেমনি করুণ মুখে দু হাতে ধরা ফ্রকের প্রান্ত নীচু করল। প্রথমে গড়িয়ে গড়িয়ে একটি দুটি করে ফুল পড়ল, তারপর হুড় হুড় করে সব ফুলে পড়ে গেল শিশির ভেজা ঘাসে। মেয়েটির সেই চোখ দুটো আমি আজও ভুলিনি। আমার মনে হচ্ছে, আমি সেই মেয়েটি। মৃত্যুর বাগানে দিনের ফুল কুড়োতে এসে ধরা পড়ে গেছি। একটি দু-টি করে দিন পড়তে পড়তে, কোঁচড় থেকে সব দিন ছড়িয়ে পড়েছে শিশির ভেজা ঘাসে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৃগয়া – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ফাঁস – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }