Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤷

    প্রেত-প্রেয়সী – ১.১

    (১)

    ‘দুর্লভ, আমার স্ত্রীকে কিছুদিন চোখে চোখে রাখতে পারবে?’ হঠাৎ গম্ভীর গলায় শুধোলে মহেন্দ্র।

    ‘কেন বলো তো, পাখা গজিয়েছে নাকি?’ চোখ নাচিয়ে পালটা প্রশ্ন করলাম আমি।

    ‘বুঝলাম না।’

    ‘মানে, এদিক ওদিক ওড়বার সখ হয়েছে বুঝি?’

    ‘যা ভাবছ, তা নয়।’

    ‘তবে কী?’

    ‘বুঝিয়ে বলা শক্ত… কীরকম যেন হয়ে গেছে কস্তুরী।’

    ‘কী মুশকিল, কীরকম হয়েছে, তা তো বলবে?’

    তবুও দ্বিধা করতে লাগল মহেন্দ্র। চোখ দেখে অনুমান করলাম, পাছে ঠাট্টা করি, এই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করছে না বন্ধুবর।

    অথচ পনেরো বছর আগেকার কলেজ সহপাঠী মহেন্দ্রের সঙ্গে আজকের মহেন্দ্রের বিশেষ কোনও তফাৎ নেই। ওপরে ওপরে খুব মিশুকে হলেও ভেতরটা ছিল একেবারে অন্য ধাতু দিয়ে গড়া। আত্মকেন্দ্রিক আর লাজুক। একমাত্র আমিই চিনেছিলাম ওকে। সেই কারণেই দীর্ঘ পনেরো বছর পরে আমাকে পেয়ে ওর উল্লাস দেখে মোটেই অবাক হইনি।

    এইভাবেই চিরকাল উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে মহেন্দ্র। কিন্তু কোথায় যেন একটা খোঁচা থেকে গেছে ওর আজকের উচ্ছ্বাসে।

    অন্তত, আমার তো তা-ই মনে হল। মনে হল, যেন বেশ কয়েকবার মহড়া দেওয়ার পর স্টেজে নেমেছে মহেন্দ্র। ক্লাইমাক্সে পৌঁছে যেন একটু অতি-অভিনয় করে ফেলেছে। তাই ছটফট করছে, আঙুল মটকাচ্ছে অস্থির হাতে, হাসছে অস্বাভাবিক জোরে। কিছুতেই যেন সহজ হয়ে উঠতে পারছে না। তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে চাইছে মাঝের পনেরোটা বছর— কিন্তু পারছে কই?

    কালের ছোঁয়া লেগেছে মহেন্দ্রের চেহারায়। মাথাজোড়া টাকের মরুভূমিতে লজ্জায় মুষড়ে পড়তে চাইছে কয়েকগাছি চুল। মাংসল ভারী থুতনিতে সে ধার আর নেই। ধোঁয়াটে ভুরু। নাকের পাশে অনেক অভিজ্ঞতার ক্ষীণ রেখা।

    আর আমি? শুধু রোগাই হইনি। সেই বিপদটার পর থেকে একটু ঝুঁকে চলাটাও অভ্যাসে এসে গেছে। অস্বস্তি লাগছিল আরও একটা কথা মনে পড়ায়। আইন পড়েছিলাম স্রেফ পুলিশি কাজের জন্যে। অথচ কেন যে স্বাধীনভাবে প্র্যাকটিশ শুরু করেছি, এই প্রশ্নই যদি ফস করে জিজ্ঞেস করে বসে মহেন্দ্র, তাহলেই গেছি।

    আমার কথার তক্ষুনি কোনও জবাব না দিয়ে সুদৃশ্য সিগার কেসটা এগিয়ে ধরলে মহেন্দ্র। বৈভবের ছাপ শুধু সিগার কেসে নয়, রয়েছে ওর মূল্যবান সুট আর আঙুলের একাধিক আংটির মধ্যেও।

    গাল তুবড়ে আস্তে আস্তে মেজাজি ধোঁয়া ছেড়ে বললে, ‘মুশকিল কিছু নয়, তবে এ হচ্ছে অ্যাটমস্ফিয়ারের প্রশ্ন।’

    নাঃ, অনেক পালটে গেছে মহেন্দ্র। ক্ষমতা আর ঐশ্বর্যে মোড়া এ-চেহারার দিকে কিছুক্ষণ তাকালেই মনে হয়— এ সেই মানুষ, বোর্ড অব ডাইরেক্টরস মিটিং-এ যাকে প্রধান আসন অলংকৃত করতে হয়, উঁচু মহলের রাঘব-বোয়ালের সঙ্গে যার দহরম মহরম অনেকের ঈর্ষার বস্তু, যার কৃপার ওপর নির্ভর করছে বহুশত পরিবারের অন্ন।

    কিন্তু তবুও, আজ তার দৃষ্টি অস্থির, হাত চঞ্চল।

    কণ্ঠে একবিন্দু শ্লেষ ঢেলে শুধোলাম, ‘অ্যাটমস্ফিয়ার?’

    ‘হ্যাঁ, অ্যাটমস্ফিয়ার। আপাতত এব চাইতে লাগসই শব্দ মাথায় আসছে না। না, না, সত্যিই আমার ওয়াইফ খুব সুখী। চার বছর হল বিয়ে হয়েছে আমাদের, সুখে স্বচ্ছন্দে থাকতে গেলে যা-যা থাকা দরকার, তার কোনওটারই অভাব নেই। নিমতা গ্রামের নাম শুনেছ?’

    ‘না তো।’

    ‘বাঘের দেবতা দক্ষিণ রায়ের নাম তো শুনেছ?’

    ‘তা শুনেছি।’

    ‘তারই মহিমা নিয়ে “বাঘ মঙ্গল” কাব্য লিখে যিনি যশস্বী হয়েছেন, নিমতা গ্রাম সেই কবিকৃষ্ণ দাসের জন্মস্থান। কিন্তু আজকের দিনে নিমতার নামডাক আমার ফ্যাক্টরির জন্যে। সুতরাং, আমার অভাবটা কোথায় বল?’

    ‘ছেলেপুলে?’

    ‘নেই। সে জন্যে কোনও দুঃখও নেই। শুধু এইটুকু বাদ দিলে মেয়েরা যা পেলে সুখী হয়, তার সবই পেয়েছে কস্তুরী। তা সত্ত্বেও বেশ বুঝছি কোথায় যেন একটা ফাঁক থেকে গেছে।’

    ‘খুব গোমড়া স্বভাবের মেয়ে বুঝি?’

    ‘মোটেই না। কখনও খুশিতে ডগমগ, আবার পরের মুহূর্তেই হয়তো মুখ কালো করে বসে রইল ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এক কথায় মেজাজি। গত ক-মাসে আরও যাচ্ছেতাই হয়ে উঠেছে এই মেজাজ।’

    ‘ডাক্তার দেখিয়েছ?’

    ‘একবার নয়, অনেকবার। কিন্তু সবাই এক রায়।’

    ‘কী?’

    ‘কিছুই হয়নি কস্তুরীর।’

    ‘কিছু না হওয়াটা শুধু দেহের, না মনের?’

    ‘দুয়েরই। বেয়াড়া কোনও লক্ষণ ধরা পড়েনি। অন্তত…’

    বলতে বলতে অস্থির হাতে মটমট করে আঙুল মটকাল মহেন্দ্র। অকারণে কোটের ওপর থেকে চুরুটের ছাই ঝাড়ল কিছুক্ষণ।

    তারপর বলল, ‘ডাক্তার যা-ই বলুক না কেন, আমি জানি কিছু একটা হয়েছে ওর। প্রথম প্রথম আমিও ভেবেছিলাম, শৈশবের কোনও বিভীষিকা থেকে এখনও হয়তো মুক্ত হতে পারেনি ওর নরম মন— তাই কোনও ভয় মৌরসী পাট্টা গেঁড়েছে নির্জ্ঞান মনে। লক্ষ করেছি, কথা বলতে বলতে আচমকা বোবা হয়ে গেছে কস্তুরী। এমনভাবে নিস্তব্ধ হয়ে গেছে, যেন নিজের মধ্যে আর নিজে নেই। সত্যিই অদ্ভুত। একনাগাড়ে বকবক করেছি কানের পাশে, একবর্ণও শোনেনি। কখনও কখনও সাধারণ এক-একটা জিনিসের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বড় বড় চোখ মেলে এমনভাবে তাকিয়ে থাকে যেন বিশ্বদর্শন করছে। একটা কথা বলি, হেসো না। এক-একবার মনে হয়েছে, এমন কিছু ও দেখতে পাচ্ছে, যা আমার চোখে অদৃশ্য। অনেকক্ষণ পরে সম্বিত ফিরে পেয়ে হতভম্ব চোখে তাকায় আশপাশে… যেন স্বামী, সংসারকে চিনি-চিনি করেও চিনতে পারছে না…’

    সিগারটা নিভে গেছিল। ফস করে কাঠি জ্বালিয়ে আবার একমুখ ধোঁয়া ছাড়ল মহেন্দ্র। নীল-নীল ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে শূন্য দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে রইল আমার পানে। এ দৃষ্টি আমি চিনি। শক্ত অঙ্ক নিয়ে মাথা ঘামাতে বসে ঠিক এমনিভাবেই সামনের বন্ধুর দিকে তাকিয়ে থাকত মহেন্দ্র।

    বললাম, ‘শরীর আর মন, দুই যদি সুস্থ থাকে, তাহলে, কিছু মনে কোরো না মহেন্দ্র, যা শুনলাম তা ন্যাকামো ছাড়া আর কিছু নয়। মেয়েদের ছলাকলার তো অভাব নেই, নিশ্চয় কোনও মতলব—’

    সিগার সমেত হাত তুলে মাঝপথেই আমাকে থামিয়ে দিলে মহেন্দ্র।

    বললে, ‘তা-ও ভেবেছি আমি। বেশ কিছুদিন চোখে চোখেও রেখেছিলাম। একদিন ও মোটর হাঁকিয়ে গেল কলকাতার বাইরে… ঘোষপাড়ায়…’

    ‘ঘোষপাড়া আবার কোথায়?’

    ‘কাঁচড়াপাড়া থেকে মাইল পাঁচেক দূরে।’

    ‘তারপর?’

    ‘ঘোষপাড়ায় হিমসাগর নামে একটা দিঘি আছে। দিঘির পাড়ে হাঁটুর ওপর থুতনি রেখে জলের দিকে তাকিয়ে অবিকল পাথরের মূর্তির মতো বসে রইল কস্তুরী।’

    ‘দিঘির পাড়ে বসে থাকাটা কি অন্যায়?’

    ‘অন্যায় নয়, তবে স্বাভাবিকও নয়। বলে বোঝাতে পারব না দুর্লভ। দিঘির পাড়ে আঘাটায় বসতে না বসতেই যেন পলকের মধ্যে সমাধিস্থ হয়ে গেছিল ও। ভোলবার নয় সেই অসাধারণ গাম্ভীর্য আর তন্ময়তা… হঠাৎ যেন ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত গুরুত্ব ভেসে উঠেছিল পদ্মপাতায় ঢাকা দিঘির জলে… ঘাটে মেয়েরা এসেছে, জল নিয়েছে, গা ধুয়েছে, কাপড় কেচেছে, কিন্তু ধ্যান ভাঙেনি কস্তুরীর। ওর তন্ময় দৃষ্টিতে এমন কিছু ধরা পড়েছে যা আমার চোখ এড়িয়ে গেছে।’

    ‘রাবিশ!’

    ‘আমিও ভেবেছিলাম রাবিশ। কিন্তু প্রবাদটা তো ভাই ভুলতে পারছি না।’

    ‘প্রবাদ? এর মধ্যে আবার প্রবাদ এল কোত্থেকে!’

    একতাল নীলচে ধোঁয়া ছাড়ল মহেন্দ্র। সঙ্গে সঙ্গে কোনও জবাব দিলে না। কিলবিলে ধোঁয়ার জটের মধ্যে মুখটাও গলে গলে মিশে যাওয়ার উপক্রম হল।

    ‘কী হল? চুপচাপ কেন?’ শুধোই আমি।

    ‘বিশ্বাস করবে না, তাই বলতে ভরসা পাচ্ছি না।’

    ‘করব, করব, করব। শোনাও তোমার প্ৰবাদ-কাহিনি।’

    থেমে থেমে বলল, ‘প্রবাদ, লোকে বলে হিমসাগরের জলে এক আশ্চর্য শক্তি আছে। এ জল চোখে দিয়ে একবার একজন অন্ধ দৃষ্টিলাভ করেছিল।’

    ‘তাতে তোমার কী?’

    ‘কস্তুরীও কি… মানে, তৃতীয় নয়ন বলে একটা কথা আছে তো…’

    ‘বুঝি না, কী করে এসব উদ্ভট কল্পনা তোমার মতো শিক্ষিত লোকের মাথায় আসে।’ বিরক্তি আর চাপতে পারি না আমি, ‘ওসব বাজে কথা ছেড়ে বল দিকি তারপর কী হল?

    ‘সেইদিন রাতেই কস্তুরীকে জিজ্ঞেস করলাম হিমসাগর দিঘিতে কেন গেছিল সে। জবাব শুনে বুঝলাম অবস্থা আরও গোলমেলে। সেদিন নাকি বাড়ির বাইরেই বেরোয়নি কস্তুরী। মুখ দেখে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারলাম না যে কথাটা মিথ্যে।’

    নাঃ, সেই মহেন্দ্রই বটে। মনের পর্দায় কেঁপে কেঁপে মিলিয়ে যেতে গিয়েও আবার স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠল পুরোনো বন্ধুর ছবি। গল্পটাও জমেছে বেশ।

    মুখে বললাম, ‘আমার মনে হয়, সৃষ্টির শুরু থেকে যে খেলা খেলে এসেছে কুহকিনী মেয়েরা, তোমার স্ত্রীও তার স্বাদ পেয়েছে। অর্থাৎ, রঙ্গমঞ্চে আরও একজন পুরুষ রয়েছে।’

    তর্জনির টোকা দিয়ে লম্বা চোঙার মতো সাদা ছাইটাকে ছাইদানির গহ্বরে নিক্ষেপ করে ম্লান হেসে বলল মহেন্দ্র, ‘আমি যা-যা ভেবেছিলাম, তুমি তার কোনওটিই বাদ দিচ্ছ না। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না, কস্তুরীর পক্ষে এরকম নোংরা কাজ সম্ভব। তা ছাড়া, স্রেফ মজা করার জন্যে নিশ্চয় কেউ কলকাতার বাইরে গিয়ে সেকেলে দিঘির পাড়ে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলের দিকে তাকিয়ে থাকে না।’

    ‘স্ত্রীর সঙ্গে এ সম্পর্কে কোনও কথা হয়নি?’

    ‘হয়েছিল। জিজ্ঞেস করেছিলাম, হঠাৎ স্বপ্নাবিষ্ট হয়ে যাওয়ার সময়ে ঠিক কী ধরনের অনুভূতি মনে আসে।’

    ‘কী বললেন উনি?’

    ‘এ নিয়ে নাকি মিছিমিছি মাথা ঘামানোর কোনও দরকার নেই। স্বপ্ন নয়— মাঝে মাঝে এটা-সেটা ভাবে।’

    ‘তোমার ধারণা কী?’

    ‘অনেকদিন আগে কলেজ পালিয়ে একটা ইটালিয়ান ছবি দেখেছিলাম, মনে আছে তোমার?’

    ‘কী ছবি বলো তো?’

    ‘নামটা মনে নেই। প্রেততত্ত্ব নিয়ে তোলা ছবি। মিডিয়াম মেয়েটির ওপর প্রেতাত্মার ভর হয়েই গবগব করে অনেক কথা বলত। কিন্তু পরে আর কিছুই মনে থাকত না। কস্তুরীর মুখ দেখে সেই ইটালিয়ান অ্যাকট্রেসের মুখটি মনে পড়ে গেছিল আমার। অবিকল সেই রকম ভাব ফুটে উঠতে দেখেছি কস্তুরীর মুখেও। ফ্যালফেলে চাউনি— অনেকটা নেশায় বুঁদ মাতালের মতো।’

    ‘আমার তো মনে হচ্ছে, নেশাটা তুমিই করেছ। এবার কি ভূতে পাওয়ার গল্প শুরু হবে?’

    ‘জানতাম, এই কথাই বলবে তুমি। মনের সঙ্গে আমিও কম লড়িনি। কিন্তু—’

    ‘পুজো-আচার অভ্যেস আছে তোমার স্ত্রীর?’

    ‘আছে, তবে তেমন বাড়াবাড়ি কিছু নয়।’

    ‘হাত দেখানোর বাতিক?’

    ‘কস্মিকালেও নেই। দুর্লভ, যা ভাবছ, তা নয়। অতীন্দ্রিয় অতি-অনুভূতি নিয়ে পিটার হারকোস জমজমাট আত্মজীবনী লিখতে পারেন— কিন্তু এ ব্যাপার সেরকম কিছু নয়। মাঝে মাঝে কী যে হয়, হঠাৎ যেন পটটাই পালটে যায় চোখের সামনে।’

    ‘পরিবর্তনটা ইচ্ছায়, কি অনিচ্ছায় তা—’

    ‘লক্ষ করেছি। ইচ্ছার কোনও হাতই নেই বেচারির। অনেকদিন ধরে এ জিনিস দেখেছি বলেই এতটা জোরের সঙ্গে বলতে পারছি। স্বপ্নের ঘোরটা যখন আসতে থাকে, সঙ্গে সঙ্গে কস্তুরী তা টের পায়… দূরে সরিয়ে রাখতে চেষ্টা করে… অন্য কোনও কাজ বা কথা নিয়ে মনটা ভরিয়ে রাখতে চায়… কখনও কখনও জানলার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়, জানলা খুলে দিয়ে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয়… ঠিক সেই সময়টিতে যদি ওর পাশে গিয়ে দাঁড়াই, তাহলেই যেন হাতে স্বর্গ পায় বেচারি। বুঝতে পারি, ঝোঁকটা কাটিয়ে উঠতে চাইছে ও। শেষ পর্যন্ত পারেও। কিন্তু যদি ইচ্ছে করে ওর দিকে মন না দিই, তাহলে আর সামলাতে পারে না নিজেকে।’

    ‘তারপর।’

    ‘বেসামাল হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ-মুখের চেহারাও পালটে যায়। সমস্ত শরীর শক্ত করে একদৃষ্টে এমন কিছু দেখতে থাকে, যা স্থির নয়, যা ক্রমাগত সরে সরে যাচ্ছে একদিক থেকে আর একদিকে… সেই সঙ্গে ওর চোখেও ঘুরতে থাকে ঘরের এদিক থেকে ওদিকে। বেশ কিছুক্ষণ পরে বুক-ভাঙা দীর্ঘশ্বাস ফেলে হাতের উলটো পিঠ দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নেয়। তারপর পাঁচ মিনিট থেকে দশ মিনিট পর্যন্ত যেন দুঃস্বপ্নের ঘোরে চলাফেরা করে।’

    ‘অর্থাৎ ঘুমিয়ে হাঁটা?’

    ‘ঘুমের ঘোরে হাঁটতে আমি কাউকে দেখিনি… কাজেই… তবে কস্তুরীকে দেখে মনে হয় না যে ঘুমিয়ে আছে। মনে হয় যেন কস্তুরীর মধ্যে আর কস্তুরী নেই… আর কেউ এসে ওর হাত-পা নাড়াচ্ছে, ওরই চোখ দিয়ে দেখছে। ভাবলেও হাসি পায়… কিন্তু… ঠিক… সেই মুহূর্তে কস্তুরী যেন আর একজন হয়ে যায়… আর একজন মানুষ… কস্তুরী নয়!’

    সত্যি সত্যি উৎকণ্ঠার মেঘ ঘনিয়ে ওঠে মহেন্দ্রের চোখে।

    একটু ধমকের সুরেই এবার বলি, ‘আর একজন মানুষ! লোকে বুজরুক ঠাউরাবে যে!’

    ‘জানতাম। তুমি যে বিশ্বাস করবে না, তা জানতাম। কিন্তু এমন অনেক জিনিস, মানে, কতকগুলো অলৌকিক প্রভাব আছে যা…’

    কথাটা শেষ করতে পারল না মহেন্দ্র। ছাইদানির কিনারায় সিগারটা নামিয়ে রেখে অস্থিরভাবে এমন জোরে আঙুল দিয়ে আঙুল জড়িয়ে ধরলে যে গাঁটগুলোসুদ্ধ রক্তশূন্য হয়ে গেল।

    বলি-বলি করেও এতক্ষণ যা মুখে মানতে পারছিল না মহেন্দ্র, এবার আর তা বাধা মানল না, ‘দুর্লভ, শুরু যখন করেছি, তখন সব খুলেই বলি। কস্তুরীর পূর্বপুরুষদের মধ্যে উমা দেবী নামে একজন রহস্যময়ী মহিলা ছিলেন। তেরো-চোদ্দো বছর বয়স থেকেই ইনি শূন্যের সঙ্গে কথা বলতেন, গরগর করে অতীত-ভবিষ্যৎ বলে যেতেন, এমনকী শুধু হাত বুলিয়ে নাকি অনেকের পুরোনো ব্যারামও সারিয়ে দিতেন।’

    ‘কোন সালের কথা বলছ?’

    ‘ষোড়শ শতাব্দীর। সালটা মনে নেই। উমা দেবীর এই আশ্চর্য ক্ষমতার কথা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সাধু-সন্ন্যাসীও আসতেন তাঁর কাছে। মেয়ের মতিগতি দেখে বাড়ির লোকেরা তো মহাচিন্তায় পড়লেন। শেষকালে উমা দেবীও সন্ন্যাসিনী না হয়ে যান। উনি নিজেও সে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন— তার কারণও ছিল। ত্রিকালদ্রষ্টা হিসেবে ওঁর অদ্ভুত ক্ষমতার গল্প ডালপালা মেলে ছড়িয়ে যাওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে দেবীর মতো শ্রদ্ধা পেয়েছিলেন উনি। এদিকে বিয়ের বাজারে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছিলেন অভিভাবকেরা। শেষ পর্যন্ত সবাই হাল ছেড়ে দেওয়ার পর অপ্রত্যাশিতভাবে উমা দেবীকে জীবন-সঙ্গিনী রূপে গ্রহণ করলেন কর্তাভজা সম্প্রদায়ের এক গৃহী-সন্ন্যাসী। বিয়ের পর একটা বাচ্চাও হয়েছিল। তারপরেই কী এক অজ্ঞাত কারণে আত্মহত্যা করেন উমা দেবী।’

    এসব কাহিনি আমার ভালোই লাগে। মহেন্দ্র থামতেই শুধোলাম, ‘কর্তাভজা সম্প্রদায়টা আবার কী হে?’

    ‘আউলচাঁদ নামে এক সাধু এই সম্প্রদায়ের প্রবর্তক। শ্রীচৈতন্যদেব পুরীধামে অন্তর্ধান করার বহুকাল পরে নাকি আবার আউলচাঁদ রূপে আত্মপ্রকাশ করে, ‘গুরু সত্য’, এই মহামন্ত্র প্রচার করেন। এ সম্বন্ধে ভারী ইন্টারেস্টিং একটা কিংবদন্তি আছে। তোমার ধৈর্য থাকলে শোনাতে পারি।’

    নড়ে চড়ে বসে বললাম, ‘শোনাও।’

    ‘কস্তুরীর এই সব উপসর্গ দেখা-যাওয়ার পর থেকেই এ সম্বন্ধে আমি অনেক খোঁজখবর নিয়ে এত কথা জেনেছি। জনশ্রুতি যে, উলা অর্থাৎ বীরনগর নিবাসী মহাদেব নামে জনৈক বারুজীবী ১৬৯৪ খ্রীষ্টাব্দের ফাল্গুন মাসের প্রথম শুক্রবার তাঁর পানের বরজের মধ্যে এক অজ্ঞাতকুলশীল সুদর্শন বালককে দেখতে পান। মহাদেব তাকে ঘরে এনে ছেলের মতোই মানুষ করেন— নাম রাখেন পূর্ণচন্দ্র। মহাদেবের যত্নে পূর্ণচন্দ্ৰ হরিহর নামে জনৈক বৈষ্ণবের কাছে সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা আর ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। বিশ বছর বয়েসে শান্তিপুরের কাছে ফুলিয়ায় গিয়ে বলরাম দাসের কাছে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হন। তখন থেকেই তার নাম হয় আউলচাঁদ। কর্তাভজাদেরকে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের একটা শাখা বলতে পারো। নিজের ধর্মকে এঁরা সত্যধর্ম বা সহজ ধর্ম বলে থাকেন। এঁদের মতে কর্তা বা ঈশ্বর জগতের স্রষ্টা। আর, গুরুই ঈশ্বরের প্রতিনিধি। গুরুদেরকে বলা হয় ‘মহাশয়’, শিষ্যদের ‘বরাতি’। সম্প্রদানের সাধন বিষয়ে কতকগুলো গুঢ়-রহস্য আছে, যা সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ জানতে পারে না।

    ‘লোকে বলে, আউলচাঁদের বাইশ জন শিষ্য ছিল। তাদের মধ্যে রামশরণ পাল আউলচাঁদের মৃত্যুর পর গুরুর পদ পান। এখনও তাঁর বংশধরেরাই ঘোষপাড়ায় থেকে এই সম্প্রদায় পরিচালনা করেন। রামশরণের স্ত্রী খুব ধর্মপরায়ণা ছিলেন। শিষ্যরা তাঁকে ‘সতীমা’ বলে ডাকত। একবার নাকি কঠিন অসুখে মারা গিয়েছিলেন তিনি। তখন আউলচাঁদ কাছের একটা পুকুর থেকে খানিকটা মাটি নিয়ে তাঁর গায়ে মাখিয়ে দিতেই তিনি বেঁচে উঠেছিলেন।’

    তন্ময় হয়ে শুনছিলাম। মহেন্দ্র থামতেই শুধোলাম, ‘রিয়ালি ইন্টারেস্টিং। কিন্তু এর সঙ্গে উমা দেবীর কী সম্পর্ক? আর, উমা দেবীর সঙ্গেই বা তোমার স্ত্রীর সন্দেহজনক গতিবিধির কী সম্বন্ধ?’

    ‘সম্পর্ক আছে ভাই, না থাকলে কি এত কথা বলি তোমাকে? ঘোষপাড়া ডালিম তলায় ‘সতীমা’-র সমাধিস্থান আজও একটা দেখবার মতো জায়গা। রামশরণেরই এক শিষ্যকে বিয়ে করেছিলেন উমা দেবী। আত্মহত্যার পর তাঁকেও সমাধিস্থ করা হয়েছে এই ঘোষপাড়ায় হিমসাগর দিঘির পাড়ে— যে দিঘির মাটি মাখিয়ে ‘সতীমা’-কে বাঁচিয়ে তুলেছিলেন আউলচাঁদ।’

    বন্দুকের বুলেটের মতোই শেষের কথাগুলো গেঁথে গেল মনের মধ্যে। কোনও কথাই বলতে পারলাম না আমি।

    ফিসফিস করে মহেন্দ্র বললে, ‘দুর্লভ, পঁচিশ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেছিলেন উমা দেবী। একটু থেমে, ‘কস্তুরীর বয়স এখন পঁচিশ বছর!’

    হঠাৎ ঘরের ঘড়িটাও বুঝি থমকে দাঁড়িয়ে যায়। থমথমে হয়ে ওঠে ঘরের বাতাস। দু-জনেই নিশ্চুপ। মনে মনে সমস্ত কাহিনিটা সাজিয়ে নিয়ে শুধোলাম, ‘তোমায় স্ত্রী নিশ্চয় জানেন… মানে, উমা দেবীর কাহিনি নিশ্চয় তাঁর অজানা নয়?’

    ‘না, ও জানে না। এ ইতিহাস আমি শুনি শাশুড়ির মুখে। বিয়ের পরেই উনি বলেছিলেন। তখন অবশ্য কোনও গুরুত্ব দিইনি এসব কথায়… না শুনলে মনে কষ্ট পাবেন, তাই মন দিয়ে সবই শুনেছিলাম। শাশুড়ি মারা গেছেন অনেকদিন।’

    ‘একটা প্রশ্ন। শাশুড়ির অন্য কোনও মতলব ছিল কি না জানো?’

    ‘কথায় কথায় হঠাৎ এ প্রসঙ্গ উঠেছিল। তবে উনি বারবার হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন আমায়— এ ইতিহাস আমি যেন কোনওদিন কস্তুরীকে না শোনাই। মেয়েকে তিনি চিনেছিলেন। হাড়ে হাড়ে— মনের সুস্থতা সম্বন্ধেও বোধহয় সন্দেহ একটু ছিল।’

    ‘কিন্তু যাঁর এত হাঁড়ির খবর রাখা হয়েছে, তাঁর আত্মহত্যার কারণ অজানা রইল, এটা কেমনতরো কথা।’

    ‘কারণ নাকি কেউ খুঁজে পায়নি। বাইরে থেকে যতদূর মনে হয়, খুবই সুখে ছিলেন তিনি। ছেলের মা হয়েছিলেন মাত্র মাস কয়েক আগে। তারপরেই আচমকা একদিন…’

    ‘সবাই বুঝলাম। কিন্তু তোমার স্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারের সম্পর্কটা যে কোথায়, তা তো মাথায় আসছে না।’

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল মহেন্দ্র। বলল, ‘সম্পর্কটা এখুনি পরিষ্কার করে দিচ্ছি। মায়ের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে বহু অলঙ্কার পেয়েছিল কস্তুরী। পুরুষানুক্রমে পাওয়া এই সব জড়োয়া গয়নার মধ্যে আছে একটা পদ্মরাগ মণির নেকলেস।’

    ‘পদ্মরাগ মণির নেকলেস?’

    ‘হ্যাঁ, খুবই মূল্যবান জিনিস। তার চেয়েও বেশি এর পারিবারিক গুরুত্ব। নেকলেসটি উমা দেবীর। কী কারণে এক জমিদার গৃহিণী কৃতজ্ঞতার নিদর্শন স্বরূপ উপহার দিয়েছিলেন তাঁকে। নেকলেসের প্রতিটি পদ্মরাগ মণির মধ্যে কস্তুরী কী দেখেছে জানি না, দিন নেই, রাত নেই, একদৃষ্টে মণিগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে ও। উমা দেবীর একটা পুরোনো অয়েল পেন্টিংও আছে বাড়িতে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই ছবির সামনে চুপচাপ বসে থেকেছে কস্তুরী। শুধু তা-ই নয়, একবার তো চমকে উঠেছিলাম ওর কাণ্ড দেখে। আয়নার পাশেই ছবিটা খাড়া করে রেখে পদ্মরাগ নেকলেস গলায় ঝুলিয়ে উমা দেবীর মতোই বিশেষ কায়দায় খোঁপা বাঁধছিল…’

    কুয়াশা ঘনিয়ে ওঠে মহেন্দ্রের উদ্বেগ আঁকা চোখে। থেমে থেমে শেষ করে ও, ‘তারপর থেকেই ওই একই কায়দায় খোঁপা বেঁধে আসছে কস্তুরী। পিঠের ওপর নয়, এ খোঁপা ঝুলতে থাকে বাঁ দিকের কাঁধের ওপর।’

    ‘উমা দেবীর সঙ্গে ওঁর চেহরার কোনও মিল আছে?’

    মিল… তা একটু আছে… খুঁটিয়ে দেখলে ধরা যায়। খুবই অস্পষ্ট।’

    ‘তাহলে আর একটা প্রশ্ন করি, তোমার আসল ভয়টা কীসের। তা বলবে কি?’

    সিগারটা তুলে নিয়ে অন্ধকার-মুখে ছাই-জমা ডগার দিকে তাকিয়ে রইল মহেন্দ্র।

    বলল, ‘স্পষ্ট করে বলা মুশকিল… তবুও বলব, একটা জিনিস খুবই পরিষ্কার হয়ে গেছে। দুর্লভ, কস্তুরী আর আগের মতো নেই… আর… আর মাঝে মাঝে কেবলই মনে হয়—’

    ‘কী?’

    ‘যে মেয়েটির সঙ্গে ঘর করছি, সে কস্তুরী নয়।’

    সশব্দে চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়ালাম, ‘ধীরে, বন্ধু ধীরে! যদি স্ত্রী-ই না হন, তবে কে উনি? উমা দেবী? মাই ডিয়ার মহেন্দ্র, একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না?… ড্রিঙ্ক করো নিশ্চয়? কী খাবে? হুইস্কি? রাম? জিন? না, না, যা ভাবছ, তা নয়। পাঁড় মাতাল আমি নই। তবে মাঝে মাঝে সুরাস্বাদ গ্রহণ করাকে দোষের মনে করি না।’

    ‘জিন উইথ লাইম।’

    পাশের ঘরে কাবার্ডের সামনে দাঁড়িয়েছি, পেছন থেকে শুধোলে মহেন্দ্র, ‘নিজের গাওনা গাইতে গিয়ে তোমার খবরই জিজ্ঞেস করা হয়নি। বিয়েশাদি করেছ?’

    ‘না।’

    ‘কেন?’

    প্রশ্নটা এড়িয়ে গিয়ে শুধোলাম, ‘গভর্নমেন্টের ওয়ার কনট্রাক্ট ধরেছ নিশ্চয়?’

    ‘হ্যাঁ। ইস্পাতের।’

    দুটো গেলাস ভরে নিয়ে বললাম, ‘যুদ্ধ, যুদ্ধ আর যুদ্ধ! কান ঝালাপালা হয়ে গেল যুদ্ধের পাঁয়তারা শুনতে শুনতে। ওদিকে তো সুভাষ বোস উঠে পড়ে লেগেছেন আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়তে… হিয়ার ইজ লাক, মহেন্দ্র।’

    ‘অল দ্য বেস্ট, দুর্লভ।’

    গেলাস তুলে দু-জনে তাকালাম দু-জনের চোখের পানে। মাথায় একটু খাটো হলেও গায়ে-গতরে দিব্বি ভারী হয়েছে মহেন্দ্র। হবেই বা না কেন, টাকায় গড়াগড়ি দিলে চামচিকেও হাতি হতে পারে। এই যুদ্ধেই কোটিপতি হয়ে যাবে মহেন্দ্র… কিন্তু আমার মনে ঈর্ষা কেন?

    গেলাসটা নামিয়ে রাখলাম টেবিলের ওপর।

    শুধোলাম, ‘এমনও তো হতে পারে যে কোনও নিকট আত্মীয়ের হাতে সম্পত্তি যাওয়ার ভয়ে উদ্বিগ্ন তোমার স্ত্রী?’

    ‘দূর সম্পর্কের কয়েকজন ভাইটাই আছে বটে, কিন্তু তাদের সঙ্গেই দেখাসাক্ষাৎ হয় না আমাদের।’

    ‘তোমাদের বিয়েটা হল কীভাবে?’

    ‘অ্যাকসিডেন্টালি, খুবই রোমন্টিকভাবে।’

    ‘কীরকম?’

    ‘কারবার সূত্রে বোম্বাই গিয়েছিলাম। আলাপ হয়েছিল হোটেলে।’

    ‘কোন হোটেলে?’

    ‘সি ভিউ।’

    ‘বোম্বাইতে উনি গিয়েছিলেন কেন?’

    ‘ছবি আঁকা শিখতে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্ট।’

    ‘চাকরির মতলব ছিল বুঝি?’

    ‘না, না। বড়লোকের মেয়ের অনেক খেয়াল থাকে, এও তা-ই। আঠারো বছর বয়সে নিজের নামে যে গাড়ি কেনে, তার কি চাকরির দরকার হয়? আমার শ্বশুর তো নামকরা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট।’

    কথা বলতে বলতে গেলাস হাতে পায়চারি করছিল মহেন্দ্র। পা ফেলা আর কথা বলার মধ্যে ফুটে উঠছে গভীর আত্মবিশ্বাস যা তার কোনওদিনই ছিল না। ছাত্রজীবনে আড়ষ্ট চলাফেরা আর মাঝে মাঝে তোতলামোর জন্য কতই না টিটকিরি সহ্য করতে হয়েছে। আজ আর সে-সবের চিহ্নমাত্র নেই। সত্যিই, বিয়ে করে কপাল ফিরিয়ে ফেলেছে মহেন্দ্র।

    জিজ্ঞেস করি, ‘ঝগড়াটগড়া কিছু হয়েছিল? অথবা কোনও খারাপ খবর? মেয়েদের মন তো খুব নরম, হয়তো…’

    ‘না। অনেক ভেবেছি, সেরকম কিছুই পাইনি। তবে…’

    ‘তবে কী?’

    ‘হপ্তার বেশির ভাগ দিনই তো নিমতায় থাকতে হয় আমাকে। কাজেই—’

    ‘আচ্ছা, বাড়ির বাইরে থাকো বলেই কি এই সব লক্ষণ?’

    ‘আমার তা মনে হয় না। প্রথম অ্যাটাকের পরেই তা বুঝেছিলাম। সেদিন ছিল শনিবার। বাড়ি ফিবে দিব্বি হাসি খুশি মেজাজে দেখলাম কস্তুরীকে। কিন্তু রাতের দিকে মেজাজ দেখে খটকা লাগল।’

    ‘তার আগে?’

    ‘মাঝে মাঝে একটু মুডি থাকত বটে— তবে তা আর পাঁচজনের মতোই— বাড়াবাড়ি কিছু নয়।’

    ‘কিন্তু সেই শনিবারে খটকা লাগল নিশ্চয় অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ করেছিলে বলে?’

    ‘ঠিক সেরকম কিছু না হলেও স্বাভাবিক মনে হয়নি ওকে।’

    ‘তুমি থাকো কোথায়?’

    অবাক হয়ে তাকাল মহেন্দ্র। তারপর হেসে ফেলল।

    ‘ভুলেই গেছিলাম যে, দেড় যুগ পরে দেখা হল আমাদের। নিউ আলিপুরে বাড়ি করেছি। এই নাও কার্ড। কিন্তু তুমি বিয়ে করছ না কেন দুর্লভ? হীরামন পাখি না পেলে বিয়ে করব না টাইপের কোনও পণ-টন নেই তো?’

    কান না দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘সেই শনিবারে বাড়ি আসার পর কী-কী হয়েছিল, সব বলো।’

    ‘বাড়ি ফিরেছিলাম সকাল দশটায়। খেয়েদেয়ে টেনে ঘুম দিলাম। দুপুর তিনটে নাগাদ বেরোলাম দু-জনে। সেক্রেটারিয়েটে আমার একটু দরকার ছিল; সেখান থেকে গেলাম চৌরঙ্গী। ফিরপোতে কিছুক্ষণ বসার পর… এক কথায়, এমন একটা মিষ্টি বিকেল— বিয়ে না করা পর্যন্ত যার স্বাদ তুমি বুঝবে না।’

    ‘অসঙ্গতিটা লক্ষ করলে কখন?’

    ‘রাত্রে— খাবার পর।’

    ‘তারিখটা মনে আছে?’

    ‘সে কী হে! তা-ই কি কারও থাকে?’

    তবুও ক্যালেন্ডারের ওপর চোখ বুলিয়ে নিয়ে বলল মহেন্দ্র, ‘মাসটা যে ফেব্রুয়ারি, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তারিখটা ছিল মাসের শেষের দিকে… এই তো শনিবার… ছাব্বিশ তারিখ।’

    মহেন্দ্রের সামনে এসে চোখে চোখ রেখে শুধোলাম, ‘এত লোক থাকতে আমার কাছে আসার কারণ কী?’

    আবার হাত কচলাতে শুরু করল মহেন্দ্র। সেই পুরোনো বদভ্যাস। সব গেছে— এটাই শুধু যায়নি।

    বিড়বিড় করে বলল মহেন্দ্র, ‘ছাত্রজীবনে তুমি ছিলে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তা ছাড়া, আমি তো জানি, সাইকোলজি তোমার বিশেষ সাবজেক্ট। আর, এ-ব্যাপার নিয়ে পুলিশের কাছে কি যাওয়া যায়?’

    আমি ভুরু কুঁচকোতেই তাড়াতাড়ি শেষ করলে মহেন্দ্র, ‘পুলিশের কাজ তুমি ছেড়ে দিয়েছ শুনেই ছুটে এলাম তোমার কাছে।’

    সোফার পিঠে টোকা মারতে মারতে বললাম, ‘সত্যিই ছেড়ে দিয়েছি… কিন্তু কেন জানো?’

    ‘না।’

    ‘আজ হোক, কাল হোক, জানতে পারবে। এসব কথা তো ধামাচাপা থাকে না।’

    একটু হাসতে পারলে বাঁচতাম। মনের ওপর জোর যে কতখানি, তা দেখানোর জন্যেই এখন একটু ফিকে হাসির দরকার ছিল। কিন্তু পারলাম কই? শেষের ওই ক-টি শব্দের মধ্যেই তো বেজে উঠল তিক্ত সুর।

    বললাম, ‘এক ব্যাটা জালিয়াতের সঙ্গে… একটু জিন দিই?’

    ‘না। থ্যাঙ্ক ইউ।’

    ‘বস্তাপচা গল্প। আমি ছিলাম ডিটেকটিভ। ডিগ্রি থাকুক আর না-থাকুক, পুলিশের খাতায় নাম লেখালে হেন কাজ নেই যা করতে হয় না। কোনওদিনই ভালো লাগেনি কাজটা। বাবা উন্নতি করেছিলেন এ-লাইনে— কাজেই আমাকেও ঘাড় মুচড়ে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। যাক গে সে কথা… বাগবাজারের এক জালিয়াতকে অ্যারেস্ট করার ভার পড়েছিল আমাদের দু-জনের ওপর। অনেক কষ্টে হদিশ বার করলাম আমি আর ইসমাইল। পুলিশ বাড়ি ঘেরাও করেছিল। সে ব্যাটা ওপর তলার ঢালু টালির ছাদের একদম শেষে একটা খুঁটি আঁকড়ে বসেছিল… এমন জায়গায় বসেছিল যে… ইসমাইল ছেলেটিও বড় ভালো ছিল… ওরকম ছেলে…’

    এক চুমুকে গেলাসটা শেষ করে নামিয়ে রাখলাম। ঝাপসা হয়ে এল দৃষ্টি। খুকখুক করে কেশে নিয়ে শুরু করলাম আবার, ‘দেখলে তো? যতবারই বলি এই গল্প, ততবারই এই রকম হয়। মনে হয় যেন, পা-পিছলে পড়ে যাচ্ছি আমি… ঢালু টালির ছাদের একদম কিনারায় খুঁটি আঁকড়ে বলির পাঁঠার মতো কাঁপছিল সে। অনেক নীচে বড় রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া চলার আওয়াজ পাচ্ছিলাম। কাজটা এমন কিছু কঠিন নয়। তা ছাড়া খুব বিপজ্জনকও ছিল না লোকটা। কাজেই, একটু সাহস করে এগিয়ে গিয়ে কলার ধরে টেনে আনলেই ল্যাটা চুকে যেত। কিন্তু আমি তা পারলাম না… কিছুতেই পারলাম না।’

    ‘মনে পড়েছে,’ বললে মহেন্দ্র, ‘ছোটবেলা থেকেই খুব উঁচুতে উঠলে মাথা ঘুরত তোমার— নীচের দিকে তাকাতেই পারতে না।’

    ‘আমার ওই অবস্থা দেখে ইসমাইলই এগিয়ে গেল। হঠাৎ একটু পা পিছলে যেতেই আর সামলাতে পারলে না… আছড়ে পড়ল বড় রাস্তায়।’

    ‘ইশ!’

    কার্পেটের ওপর চোখ নামিয়ে বসে রইল মহেন্দ্র। মুখ দেখে বুঝলাম না, ওর মনের ভাবটা কী।

    ‘আমি—’

    ‘এরকম অবস্থায় নার্ভ ফেল করা স্বাভাবিক।’ মুখ তুলে বললে মহেন্দ্র।

    কিছুক্ষণ সব চুপ।

    তারপর, ‘কিন্তু বন্ধুর পা পিছলে যাওয়ার জন্যে তো তুমি দায়ী হতে পারো না।’

    প্যাকেট খুলে একটা সিগারেট এগিয়ে দিয়ে বললাম, ‘ধরো।’

    প্রত্যেকবারই এইরকম না-উপলব্ধি-করা অবিশ্বাসের সামনে পড়তে হয়েছে আমাকে, কেউ গুরুত্ব নিয়ে শোনেনি। কিন্তু কী করে শোনাই সেই ভয়ংকর চিৎকার? শূন্যের মধ্যে দিয়ে ওলোট-পালোট খেয়ে সবেগে নেমে চলেছে ইসমাইলের দেহ… বুকফাটা অন্তিম চিৎকারে ফালা ফালা হয়ে যাচ্ছে আকাশ বাতাস… ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে এসেছে রক্ত-হিম-করা সেই বিকট আর্তধ্বনি… তারপরেই পাষাণের বুকে অস্থি-মাংস-মেদ-মজ্জা আছড়ে পড়ার প্রচণ্ড শব্দ।… হয়তো, হয়তো মহেন্দ্রের স্ত্রীও এই ধরনের কুরে কুরে খাওয়া কোনও বিভীষিকা নিয়ে ভুগছেন… উনিও কি স্বপ্নে সেই রকম রক্ত-জমানো চিৎকার শুনে ধড়মড়িয়ে উঠে বসেন?

    ‘তাহলে তোমার হেল্প পাচ্ছি?’ শুধোয় মহেন্দ্র।

    ‘কী করতে হবে আমাকে?’

    ‘বউয়ের ওপর একটু নজর রাখতে হবে। তার চাইতেও বড় কথা, এ-সম্পর্কে তোমার কী অভিমত, তা শুনতে চাই।’

    ‘কিন্তু আমাকে দিয়ে কোনও সাহায্য কি হবে?’

    ‘সে চিন্তা আমার… আজ রাতে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?’

    ‘আছে। কেন?’

    ‘ভেবেছিলাম, রাত্রে খাবার নেমন্তন্ন করব। যাক, আর একদিন হবে।’

    ‘না, না, আমি চাই না আমাকে চিনে ফেলেন উনি, তাতে অসুবিধে হবে কাজের।’

    ‘কিন্তু ওকে তুমি চিনবে কী করে?’

    ‘সিনেমায় নিয়ে যাও।’

    ‘মতলব ভালোই। কাল আমরা নিউ-এম্প্যায়ারে যাচ্ছি। বক্সে। ইভিনিং শো।’

    ‘ঠিক আছে। আমিও যাব।’

    ‘দুর্লভ,’ দু-হাতে আমার হাত জড়িয়ে ধরে বললে মহেন্দ্র, ‘তুমি যে, কী উপকার করতে চলেছ আমার, তা ভাষায় কোনওদিন প্রকাশ করতে পারব না।’ তারপর পকেট হাতড়াতে হাতড়াতে, ‘তোমাকে অফেন্ড করতে চাই না, কিন্তু সম্মান-দক্ষিণা নিয়ে এখনও কোনও কথা হয়নি। অবশ্য তুমি যা করবে, তার তুলনায়—’

    ‘এখন থাকুক,’ বলি আমি, ‘কেন জানি মনে হচ্ছে, তোমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার কোথাও একটা মিল রয়েছে। তাই জল-ঘুলিয়ে আমি দেখতে চাই, কী লুকোতে চাইছেন উনি।’

    ‘কিছুই লুকোচ্ছে না।’

    ‘দেখা যাক।’

    সিঁড়ি বেয়ে নামতে শুরু করল মহেন্দ্র। নামতে নামতে পেছন ফিরে হাসি-মুখে বিদায় অভিবাদন জানালে দু-বার। ঘরে ফিরে এলাম আমি। জানলার পাল্লা খুলে দিয়ে নীচে তাকাতেই চোখে পড়ল গাড়িটা। মস্ত গাড়ি। কুচকুচে কালো রং। কী গাড়ি? জাগুয়ার? প্লিমাউথ? উপর থেকে বোঝা মুশকিল। নিঃশব্দে যেন তেলের ওপর দিয়ে পিছলে গিয়ে রাস্তার মোড়ে উধাও হয়ে গেল বিশাল যন্ত্রযান… কস্তুরী… নামটা ভারী মিষ্টি। খুব নরম সঙ্গীতের মতো… হালকা ছন্দ লুকোনো আছে এ-নামে। কিন্তু কাঠখোট্টা এই লোকটাকে দেখে এ-মেয়ে মজলো কী করে? আশ্চর্য? ভেতরটা যার একেবারেই ফোঁপড়া… না আছে পৌরুষ, না আছে জ্ঞান-চকমিকির ঝিকিমিকি… তাকে দেখে এমন সুন্দর নামের মেয়েও প্রেমে পড়ে? অন্য কারও সঙ্গে তলে তলে মন দেওয়া-নেওয়া ছিল নিশ্চয়, তা না হলে মাঝে মাঝে উন্মনা হয়ে যাওয়ার মানেটা কী?… ঠিক হয়েছে… ঐশ্বর্যের ছটা তার চলনে-বলনে… এমনি শাস্তিই তার প্রাপ্য। লোক-দেখানো এত আত্মবিশ্বাসওয়ালা লোকদের কী জানি কেন সহ্য করতে পারি না আমি… হয়তো আমার তা নেই বলেই।

    খিঁচড়ে গেছিল মেজাজটা। দড়াম করে জানলা বন্ধ করে ফিরে এলাম ঘরে। টিন থেকে কয়েকটা বিস্কুট নিয়ে চিবুতে চিবুতে আরও একটু জিন ঢেলে নিলাম গেলাসে। রেডিয়ো চালিয়ে দিয়ে এসে বসলাম চেয়ারে। খবর বলার সময় হয়েছে… সেই একই খবর, হিটলারের পদভারে মেদিনী কম্পিত। ঘর অন্ধকার করে মাঝে মাঝে আরও একটা খবর আমি শুনতাম… আইএনএ রেডিয়ো থেকে প্রচারিত খবর…

    কয়েক ফোঁটা বিটার ঢেলে দিয়ে চুমুক দিলাম গেলাসে। পুলিশের কাজে ব্যর্থ হলেও চাকরির জন্যে দরজায় দরজায় ঘুরিনি আমি। অথচ… ড্রয়ার টেনে একটা লাল লেফাফা বার করে ডান দিকের ওপরের কোণে ছোট করে লিখলাম, ‘ডোসিয়ার, মহেন্দ্র কৌশিক’।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশার্লক হোমস, প্রফেসর চ্যালেঞ্জার ও মঙ্গলগ্রহ – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }