Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমিক – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤷

    প্রেমিক – ১

    ১

    বাড়ির সামনে ছেলেটা ঘুরছে।

    রাত্রির ভাল লাগে না ছেলেটাকে। আজকাল ছেলেটার যাওয়া আসার ফ্রিকোয়েন্সি অনেক বেড়ে গেছে।

    তার দোকান যাবার পথে ছেলেটা দাঁড়িয়ে থাকে। অনেক কিছু বলার চেষ্টা থাকে।

    রাত্রি বিরক্ত হয়। যদি তাকেই বলার থাকে, বললেই পারে। এভাবে চোখেই সব কথা বলে দেয় কেন?

    একদিন সে দাঁড়িয়ে গেল।

    ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করল, “নাম কী তোমার?”

    ছেলেটা ঘাবড়ে গেল। তার দিকে না তাকিয়ে মাটির দিকে তাকাল, “নাসিম”।

    রাত্রি বলল, “মুসলিম?”

    ছেলেটা মাথা নাড়ল।

    রাত্রি বলল, “তুমি এ পাড়ায় কেন যাতায়াত কর?”

    নাসিম বলল, “ভাল লাগে”।

    রাত্রি বলল, “কাকে? হিন্দু মেয়েদের?”

    নাসিম মাথা নাড়ল, “ওভাবে দেখি নি কাউকে”।

    রাত্রি বলল, “পাড়ার ছেলেরা ঠ্যাঙ খোঁড়া করে দেবে মনে রেখো। এ পাড়ায় অনেকেই এখন তোমাদের বিরুদ্ধে কথা বলে”।

    নাসিম সিঁটিয়ে গেল। ওর যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগল না।

    #

    প্রেমের সমস্যা হল, কেউ বার বার এলে বিরক্ত লাগে। আবার না এলেও একই সমস্যা হয়। সেদিনের পর নাসিম সত্যি সত্যিই আসা বন্ধ করে দিল।

    রাত্রির বাবা প্রণয় ইদানীং হোয়াটস অ্যাপ করছেন। সেদিন হঠাৎ করেই বললেন, “আজকাল একটা জিনিস চালু হয়েছে। লাভ জিহাদ। মুসলিম ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে জানিস তো এদেশের মত না। এখানে যেমন সবাই নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ায়, ওখানে ঠিক এর উলটো। হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করে এরা। এখানেও শুরু করেছে। একবারে কোন মুসলিম ছেলের পাল্লায় পড়বি না”।

    রাত্রি রেগে যায়, “আমার কি বুদ্ধিশুদ্ধি নেই?”

    বলে উঠে চলে যায়। বাবার উপর ভীষণ রাগ হয়।

    ক’দিন পর নাসিমকে আবার দেখতে পায়। নাসিম একটা নতুন বাইক কিনেছে।

    রাত্রি দোতলার ব্যালকনিতে ছিল। নাসিমকে দেখামাত্র ঘরে চলে এল। ঘুম ইচ্ছে করছিল গিয়ে জিজ্ঞেস করে, এতদিন কোথায় ছিল। প্রেম ট্রেম না, নিছক কৌতূহলবশতই হয়ত। নাকি অন্যকিছুও হতে পারে?

    রাত্রি বুঝতে পারে না।

    কলেজ বন্ধ। অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে। এলাকাতেও বিধিনিষেধ চলছে।

    ছেলেটা মাস্ক পরে। কেউ দেখে বুঝবে না ও মুসলিম।

    রাত্রি প্রবল দোটানায় থাকে। সে একদিকে শিখেছে হিন্দু মুসলমান এক দেশের দুটো হৃদপিণ্ড। এটাও বাবাই বলেছিল এক কালে।

    এখন অন্য প্রসঙ্গ উঠে আসছে।

    কোনটা যে ঠিক আর কোনটা ভুল, রাত্রি বুঝতে পারে না।

    অনলাইন ক্লাস করার সময় বাইকের শব্দ পেলে পর্দা সরিয়ে উৎসুক চোখে দেখতে ইচ্ছা হয়।

    কেমন একটা নেশা তৈরী হচ্ছে।

    লকডাউনের আগে সেভাবে কাউকে ভালবাসে নি সে। ফেসবুক দেখে বন্ধুদের থেকে “ক্রাশ” ইত্যাদি শুনেছে। তার বন্ধুদের অনেকে প্রেম করে।

    তার করা হয় নি। বা হয়ে ওঠে নি।

    তার জন্য একটা ছেলে আসছে, ব্যাপারটা তাকে ভাবাতে শুরু করল। ভাবতে ভাবতে গুগল সার্চ করে ফেলল বেশ কয়েকবার। “মুসলিম রিচুয়ালস”, “লাভ জিহাদ”, “মুসলিম ম্যারেজ”।

    বিভিন্ন রকম মুসলিম সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে শুরু করল।

    বিধি নিষেধ অনেকটাই হালকা হতে শুরু করেছে। মা একদিন বলল পাড়ার দোকান থেকে ডিম আনতে। সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে খানিকটা দূরে গিয়ে দেখল নাসিম দাঁড়িয়ে আছে। সে নাসিমের কাছে গিয়ে চারদিকে তাকিয়ে দেখে নিল কেউ দেখছে নাকি। তারপর বলল, “তুমি নামাজ পড়?”

    নাসিম বলল, “পড়ি তো”।

    রাত্রি বলল, “রোজা কর?”

    নাসিম মাথা নাড়ল।

    রাত্রি বলল, “যে জিনিসটা হওয়া সম্ভব না, সেটা কেন হওয়াতে চাইছো? আমাদের মত বাড়ির মেয়েরা তোমাদের পছন্দ করে না। ইনফ্যাক্ট আমার বাবা মুসলিমদের ঘেন্না করে। আমরা বাঙাল। ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি বাংলাদেশে আমাদের কোন কাকীমাকে মুসলিমরা তুলে নিয়ে গেছিল। তুমি আর এসো না। নিজের ধর্মে বিয়ে কর”।

    নাসিমের মুখটা ছোট হয়ে গেল।

    রাত্রি বলল, “এসো না। বোঝার চেষ্টা কর। এটা হয় না”।

    নাসিম কিছুক্ষণ শুকনো মুখে দাঁড়িয়ে গাড়ি স্টার্ট দিয়ে চলে গেল।

    ২

    “ওরা বোরখা পরতে বাধ্য করবে। হিজাব পরাবে। ওদের নারী স্বাধীনতা বলে কিছু নেই”।

    বাবা আবার কোত্থেকে একটা হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ পেয়েছে। পড়ে যাচ্ছে। মা বাবাকে বলল, “তোমার কী হয়েছে বল তো? সারাদিন ধরে এসব করে যাচ্ছো? আগে তো এরকম ছিলে না। কমিউনিস্ট পার্টি করতে, হিন্দু মুসলমান নিয়ে কোন দিন কথা বলতে দেখি নি তোমায়”।

    প্রণয় গম্ভীর গলায় বললেন, “ভুল করেছি। ভুল দল করেছি, ভুল আদর্শ নিয়ে চলেছি। ঠিক করি নি। ধর্মটাকে নেগলেক্ট করে গেছি চিরকাল। এটা অপরাধ। কোন দিন দেখেছো কোন মুসলিম ছেলে ধর্ম বিসর্জন দিয়ে পার্টি করেছে? দেখবে না। এরা ঠিক তলে তলে সব ঠিক রেখে দেয়। মক্কাও যায়। আর হিন্দুরা পার্টি করে ধর্ম পালন করলেই দোষ”।

    রাত্রির মা বিরক্ত হয়ে বলেন, “তাহলে আমাকে বিয়ে করাও তোমার ঠিক হয় নি। আমার বাপের বাড়ি সবাই লাল। তারা ভেবেছিল তুমি কমিউনিস্ট। এখন এসব ভিমরতি হয়েছে তোমার। এখন নতুন বউ দেখে নাও তুমি”।

    প্রণয় চুপ করে যান। হোয়াটস অ্যাপের মেসেজ বাকি বন্ধুদের ফরোয়ার্ড করতে শুরু করেন।

    ঘৃণা যখন আসে তখন একা আসে না। বরাবর তার সঙ্গী হিংসা। আচমকা বাবার মধ্যে এই পরিবর্তন রাত্রিকে আঘাত করল। মা মাঝে মাঝে মন খারাপ করে বসে থাকে। তাকে বলে “কোনমতে তোর বাবার ফোনটা লুকিয়ে ফেল। ওটা যত নষ্টের মূল”।

    রাত্রি একদিন বাবার ফোন হাতে নিয়ে দেখল। কীসব গ্রুপে জয়েন করেছে বাবা। হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হবে সহ কত কত গ্রুপ। মাকে এসব নিয়ে কিছু বলল না। তবে এই সব কিছু তার মধ্যে একটা অদ্ভুত বিকর্ষণ তৈরী করল এ সমস্ত রকম ধর্ম কালচারের প্রতি।

    নাসিরকে পাড়ায় দেখামাত্র সে বাড়ি থেকে বেরোল। অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করার পরে ছেলেটা এসেছে। খানিকটা ঘোরের মাথায় নাসিরের কাছে দাঁড়িয়ে সে বলল, “তুমি আবার এসেছো?”

    নাসির বলল, “আমি এ পাড়ায় ওষুধ নিতে এসেছি। রেড ভলান্টিয়ারের কাজ করছি। কোথাও কিছু পাওয়া যায় নি। এখানে এলাম”।

    রাত্রি বিদ্রুপের গলায় বলল, “ওহ তুমি রেড ভলান্টিয়ার, মানে কমিউনিস্ট তাই তো? এদিকে নামাজ পড়। তাহলে তুমি সিউডো কমিউনিস্ট”।

    নাসির অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে বলল, “হঠাৎ এই কথা? আমি অত ভেবে তো কিছু করি নি কোন কালে। নামাজ ছোটবেলা থেকে পড়ি, রোজাটাও অভ্যাস হয়ে গেছে। এই নিয়ে কোন দিন আলাদা করে চর্চাও করি নি”।

    রাত্রি বলল, “তুমি বাঙালি?”

    নাসির বলল, “কেন নয়? বাঙালি হবার জন্য ঠিক কী কী প্রমাণ দিতে হয়?”

    রাত্রি বলল, “একটা কবিতা বল দেখি রবীন্দ্রনাথের”।

    নাসির বলল, “আমাদের ছোটনদী বলব?”

    রাত্রি বলল, “এটা তো ছোটবেলার কবিতা”।

    নাসির বলল, “তুমি পারবে এই ছোটবেলার কবিতাটা পুরোটা ঠিক ঠাক বলতে?”

    রাত্রি বলল, “ইন্ডিয়া পাকিস্তান ম্যাচে তুমি কাদের সাপোর্ট কর?”

    নাসির হেসে ফেলল। বলল, “এই যে মানুষ অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছিল, আমি সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে একেক জনের বাড়িতে গেছি, কেউ কেউ বিদ্রুপ করে আমাদের এন জি ও বলেছে, এগুলো তো এই দেশেই হয়েছে বল? পাকিস্তানীদের জন্য তো অক্সিজেন নিয়ে যাই নি। তাহলে ইন্ডিয়া পাকিস্তান ম্যাচে কেন পাকিস্তানকে সাপোর্ট করব?”

    রাত্রি রেগে গেল, “যদি বলি এগুলোই তোমাদের ট্র্যাপ? এভাবেই তোমরা এ দেশের ছেলেদের মধ্যে মিশে যাচ্ছো, আদতে তোমরা পাকিস্তানকেই সাপোর্ট কর?”

    নাসির বলল, “তোমার প্রশ্নবিচিত্রাটা বেশ ভালই হয়েছে, তবে কী জানো তো, আমি এত সব কিছু কোন কালে ভাবি নি। ভাবানো হচ্ছে। যাই হোক, তুমি যা ভেবেছো ঠিকই ভেবেছো, কোন ভুল নেই তাতে। আমিও ভেবে দেখেছি এভাবে অন্য ধর্মের মধ্যে ভালোবাসা উচিত না। বাইক নিয়ে যাতায়াত করতাম খানিকটা ঝোঁকের বশেই। এখন বরং ক্ষমা চেয়ে নি তোমার কাছে। আমি আর আসব না। কেমন?”

    রাত্রি ঠোঁট কামড়াল। বাবা তাকে দেখছে দূর থেকে।

    ৩

    “ছেলেটা কে?”

    রাত্রি বাড়ি ফিরতেই বাবার প্রশ্নের মুখে পড়ল। প্রশ্নটা প্রত্যাশিত ছিল।

    রাত্রি বলল, “কলেজের বন্ধু”।

    প্রণয় বললেন, “কলেজের বন্ধুর সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলার কী আছে? বাড়িতে আসতে বললি না কেন?”

    রাত্রি বলল, “দেখা হয়ে গেল বলে কথা বললাম। ও কোথাও একটা যাচ্ছিল। তাছাড়া এই সময় বাড়িতে কীভাবে আসতে বলি? যত কম লোক বাড়িতে আসে ততো ভাল”।

    প্রণয় বললেন, “হু। বন্ধুই তো?”

    রাত্রি বলল, “হ্যাঁ”।

    প্রণয় বললেন, “কী নাম”?

    রাত্রি একটু থমকে বলল, “নাসিম”।

    প্রণয় বললেন, “মুসলমান বন্ধু আছে তোর?”

    রাত্রি বলল, “থাকতেই পারে। কী সমস্যা?”

    প্রণয় বললেন, “থাকতে পারে মানে? অ্যাভয়েড করা যায় না? এরপর তো দুদিন পরে গরু খেয়ে এসে বলবি খেতেই পারি। নিজের ধর্মকে অপমান করাটাই তো তোদের ফ্যাশন হয়ে গেছে”।

    রাত্রি মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে বাবার সামনে বসে বলল, “ধর্ম জিনিসটা কি মাংসে আটকে থাকে বাবা? গরু খেলেই ধর্ম চলে যায়?”

    প্রণয় সোজা হয়ে বসলেন, “বাংলাদেশ বা পূর্ব পাকিস্তানে যেত। যে সব হিন্দুরা এদেশে ঢুকতে পারে নি, তাদের ওরা অনেকেই ছলে বলে কৌশলে মুসলমান বানিয়ে দিত”।

    রাত্রি বলল, “ধরে নিলাম মুসলমান বানিয়ে দিল। তাতে কী হল? সেই তো মানুষই হল, নাকি?”

    প্রণয় বললেন, “মানুষ হল? মুসলমান হওয়া মানে মানুষ হওয়া বোঝায়? তুই কোরাণ পড়িসনি? জানিস না, ওরা মেয়েদের কী হিসেবে দেখে? বাদ দে, তোকে এগুলো বোঝানোই বৃথা”।

    রাত্রি বলল, “আমার বোঝার দরকার নেই। দু হাজার একুশে এসে কে কী খাবে, কে কোন ধর্মে থাকবে সেটা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র ইন্টারেস্ট নেই। উলটে আমার মনে হয়েছে মুসলমান ধর্মের মধ্যেও অনেক মানুষ আছে যারা যথেষ্ট শিক্ষিত এবং তোমার সঙ্গে তাদের কোন পার্থক্য নেই”।

    প্রণয় বললেন, “ঠিক আছে। বুঝতে পারছি। ওদের ডিফেন্ড করার চেষ্টা করছিস। প্যারিসে কার্টুন আঁকার জন্য যেভাবে কার্টুনিস্টদের খুন করা হচ্ছে সেটাকেও সাপোর্ট করছিস নিশ্চয়ই? তুই জানিস না আসলে মুসলমান মানে কী ভয়ংকর একটা এন্টিটি। পারলে কোন দিন প্যালেস্তাইন আর ইজরায়েলের কনফ্লিক্ট নিয়ে পড়াশুনা করিস। যেটা ইহুদীরা করেছিল, সেটা হিন্দুরা পারে নি। শুধু এ কারণে ইজরায়েল দেখবি কোথায় চলে যাবে আর আমাদের আবার একদিন মুসলমানরা দখল করে নেবে। বাই দ্য ওয়ে, এবার সত্যি করে বল তো, ওই ছেলেটা সত্যিই তোর বন্ধু, নাকি বেশি কিছু?”

    রাত্রি রেগে গিয়ে বলল, “তোমাকে বোঝানো বৃথা। তুমি একবারে এক্সট্রিমিস্ট হয়ে যাচ্ছো”।

    সে ঘরে যেতে যেতে শুনল প্রণয় বলছেন, “নিজের ঘর বাঁচানোর দায়ে এক্সট্রিমিস্ট হওয়াটাই প্রয়োজন। কোন বাংলাদেশী হিন্দু সংখ্যালঘু পরিবারের কাহিনী শুনলে বুঝতে পারবি। কে বোঝাবে আর, কত ভাল ভাল মেয়েদের ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে যায়”।

    রাত্রি ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করল। অসহ্য লাগছে। বাবা হঠাৎ করে পাল্টে গেছে। কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে তার জানা নেই। সম্ভবত এই সব হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ থেকে মাথায় রোজ নতুন নতুন বিদ্বেষ ঢুকছে।

    নাসিমের কথা বাবার মাথায় ঢুকেছে মানে এটা নিয়েও চিন্তা করবে। তার কাছে নাসিমের ফোন নাম্বার নেই। থাকলে সাবধান করে দিত। যে ছেলের সঙ্গে কোন দিন সম্পর্কই হল না কোন, তাকে নিয়েও বাবা চিন্তা করতে শুরু করবে। পাড়ায় বেশ কয়েকজন আছেও বাবার মানসিকতার। হঠাৎ করে তারা দেশপ্রেমিক হয়ে গেল। উইচ হান্টিং এর মত বাড়ি বাড়ি গিয়ে “দেশদ্রোহী”দের কান ধরে উঠবোস করিয়েছিল তারা। স্বাধীনদেশে মানুষের স্বাধীন মতামত রাখার অধিকার হারিয়ে যাওয়ার জোগাড়।

    রাত্রির অস্থির লাগছিল। একে বাড়িতে বসে বসে অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কলেজ যাওয়ার নাম নেই, ক্লাস যা হচ্ছে অনলাইনে, তার উপরে নাসিমের মুখটা যেন তার পিছু ছাড়ছে না। মাঝে মাঝেই মনে হচ্ছে মুসলমান হয়েছে তো কী হয়েছে, আবার পরে মনে হচ্ছে কালচারাল ডিফারেন্স হলে সে আদৌ নিতে পারবে তো?

    সব ভুলে রাত্রি গান চালিয়ে দিল জোরে জোরে।

    বাবা খিটখিট করুক। ওটাই ভাল হবে।

    ৪

    ক্লাস ইলেভেনে পড়ার সময় রাত্রির একটা ছেলেকে ভাললাগত। তাদেরই ক্লাসের। অরিত্রি শুনে বলেছিল, “ধুস, সেম এজে বিয়ে করিস না। অন্তত চার পাঁচ বছর বড় হলে ভাল”।

    রাত্রি হেসে ফেলেছিল, “বিয়ে করছি কোথায়? মনে হল ঠিক ঠাক”।

    অরিত্রি অনেক জ্ঞান দিয়েছিল। বয়সের ডিফারেন্স থাকা উচিত, মেয়েদের অনেক বুঝে শুনে এসব করা উচিত। সেম এজের ছেলেদের এসট্যাব্লিশড হতে সময় লাগে।

    রাত্রি বলেছিল ছেলেদেরই কেন এস্টাব্লিশড হতে হবে? সেটা শুনে অরিত্রি বলেছিল তোর মধ্যে বিপ্লবী ভাব প্রবল। বিপ্লবী হওয়া ভাল, তবে নিজের লাইফে অ্যাপ্লাই করার ক্ষেত্রেই সমস্যাটা বোঝা যায়।

    এই কথাটা রাত্রির মনে ছিল। তার খারাপ লাগছিল। তার বরাবরই একটু বেশি দূর বাড়িয়ে ভেবে নেওয়া কাজ। এর আগেও সে ভেবেছে। নাসিম ঝাড়ি মারতে এসেছিল। সে বিয়ে অবধি ভেবে নিয়েছে। ক্লাসের ছেলেটার ক্ষেত্রে যদিও এতটা ভাবে নি। অরিত্রি ভাবিয়েছিল।

    নাসিমের সম্পর্কে রাত্রির আরো জানতে ইচ্ছে করছিল। রেড হোক, গ্রীন বা যে ভলান্টিয়ারও হোক, ঠিক কোন অনুপ্রেরণা থেকে এরা এটা করছে? তাদের পাশের বাড়ির জ্যেঠুর করোনার সময় এই ভলান্টিয়াররা এসে প্রায় সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। ভোট অবশ্যই সব না। ভোটের থেকেও বড় কোন তাগিদ থেকে এরা এই কাজটা করছে সেটা বোঝা যাচ্ছে। দিন নেই, রাত নেই ছুটে যাচ্ছে।

    নাসিম রেড ভলান্টিয়ার মানে অবশ্যই কমিউনিস্ট। বলল ধর্ম নিয়ে অতটা ভাবে নি কোন কালেই। রাত্রির মনে হল কেন ভাববে না? কমিউনিস্ট মানে অবশ্যই বিজ্ঞানকে আগে জায়গা দিতে হবে। বার বার সব কিছুতে প্রশ্ন তুলতে হবে। প্রশ্ন তোলাটা জরুরি। সব কিছু মাথা নিচু করে মেনে নেওয়া কমিউনিজম হতে পারে না। রাজনীতির পচা, গলা, ধান্দাবাজি জায়গাগুলোতে এই ভলান্টিয়াররা সামান্য হলেও ঝড় তুলেছে।

    সে ছটফট করছিল। মুসলমানদের মধ্যে রামমোহন ছিলেন না, বিদ্যাসাগরও না, এক দেশে পাশা পাশি থেকেও যেন অন্য গোলার্ধে থাকে তারা। জানতে ইচ্ছে করছিল তার ভীষণভাবে। ইচ্ছে করছিল নাসিমের বাড়ি চলে যায়। ওদের সবার সঙ্গে আলাপ করে। নিজের কাকা, জ্যাঠা, মামার মেয়েদের সঙ্গেও নাকি ওদের বিয়ে হয়। ওরা খাটে বসে খায়। ওরা গরু খায়। ওরা ভারতে থেকেও নাকি পাকিস্তানীদের সমর্থন করে।

    রাত্রির মাথায় জট লেগে যাচ্ছিল। সে এরকমই। কোন জিনিস মাথায় ঢুকলে সহজে বেরোতে চায় না।

    একটা খাতায় সব ক’টা প্রশ্নের পয়েন্ট এক এক করে লিখছিল সে। ঠিক কোন কোন জায়গায় তারা আলাদা। ফেসবুকের গ্রুপে দেখেছে গরু শুয়োর নিয়ে কীভাবে বাগবিতণ্ডা লেগে যায়।

    ধার্মিক নাস্তিক বলে তো কিছু হয় না। নাসিম কি নিজেকে সেরকম কিছু প্রতিপন্ন করতে চাইছে?

    ভাবনা ধাক্কা খেল দরজায় ধাক্কার শব্দে। রাত্রি দরজা খুলে দেখল মা দাঁড়িয়ে আছে চিন্তাগ্রস্থ মুখে। তাকে বলল, “তুই নাকি কোন মুসলিম ছেলের সঙ্গে জড়িয়েছিস? তোর বাবার তো প্রেশার সুগার সব বেড়ে যাবে এবার!”

    রাত্রি আবার মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করল, “আমার বন্ধু। কলেজের। বাবাকে এটুকুই বলেছি। এতে কীভাবে প্রমাণ হল আমি জড়িয়েছি?”

    মা বলল, “ঠিক আছে। বাবাকে সেটাই বুঝিয়ে বল। কোথায় বেরিয়ে গেল এই করোনার সময়ে কে জানে”!

    রাত্রি বলল, “কী বুঝিয়ে বলব? দিন দিন হিন্দু তালিবান হয়ে যাচ্ছে। আমারই ভুল ছিল এসব স্মার্ট ফোন ইউজ করা শেখানো। এমন সব কথা বলে যাচ্ছে যেগুলো শুনলেই কান মাথা ঝাঁ ঝাঁ করছে”।

    মা বলল, “তোরই বা গায়ে লাগছে কেন? সত্যিই কি কোন ফিলিংস আছে ছেলেটার জন্য?”

    রাত্রি বলল, “ধরে নাও আছে। তাতে কী হবে? কী কী সমস্যা হয় তাতে?”

    মা মাথায় হাত দিয়ে তার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে বলল, “তোর বাবার হার্টফেল হয়। সেটাই কি সব থেকে বড় ব্যাপার হতে পারে না?”

    রাত্রি বলল, “তাহলে বাবা মৌলবাদী হয়ে যাবে আর আমাকে সেটা দেখতে হবে বলছো?”

    মা বলল, “আমি জানি না। তুই যা পারিস কর। আমার অশান্তি ভাল লাগে না একদম”।

    রাত্রি দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিছুক্ষণ – অভীক দত্ত
    Next Article যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }