Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারেৎজ – অভীক মুখোপাধ্যায়, চন্দ্ৰনাথ সেন

    লেখক এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤷

    রিটার্ন টু জায়ন

    ১৮৯৮ সালের কথা, মার্ক টোয়েন বলেছিলেন— ‘ইহুদিরা যদি একটা রাষ্ট্র গঠন করে, তাহলে তা হবে বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মানুষদের দেশ। এটা হতে দেওয়াটা ঠিক হবে না। এই জাতি নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পেরে যাবে। ঘোড়া যদি নিজের শক্তির কথা জেনে যায়, তাহলে তো আমরা আর ঘোড়ায় চড়তেই পারব না’।

    টোয়েন কি জানতেন যে, এর ঠিক ৫০ বছর পরে ইহুদিরা একটা রাষ্ট্র তৈরি করবে?

    হয়তো ‘না’।

    ইহুদিদের ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অসাধারণ অধ্যায়! নতুন রাষ্ট্র গড়ে তোলার পরের কয়েক দশকের মধ্যেই তাঁরা এমন উচ্চতায় নিজেদের নিয়ে গেছে যে তা আজ রূপকথার মতোই শোনায়। আর মনে হয় সার্থক বেন-গুরিয়নের সেই উক্তি— ‘ইন ইসরায়েল, ইন অর্ডার টু বি রিয়ালিস্ট ইউ মাস্ট বিলিভ ইন মিরাকলস।’

    হ্যাঁ, ইসরায়েল আসলে এক অলৌকিক ভূমির নাম। সেই সত্তর খ্রিস্টাব্দের কথা। এই মাটি থেকে রোমানদের দ্বারা বিতাড়িত হয়েছে ইহুদির দল। তারপর প্রায় দু’ হাজার বছর ধরে ইহুদিরা তাদের পুণ্যভূমিতে ফিরে আসার স্বপ্ন দেখেছে। পৃথিবীর যে স্থানেই থাকুক না কেন, ইহুদিরা প্রার্থনা করত জেরুসালেমের দিকে মুখ করে। একদিন যে তারা সেখানে ফিরবেই এই বিশ্বাস কখনো তাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে যায়নি। প্রায় দু’ হাজার বছর তারা বাস করেছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। এই সময় তাদের নিজস্ব কোনো দেশ ছিল না।

    ষষ্ঠ শতক থেকেই প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিনে ইহুদিরা ছিল সংখ্যালঘু। সেই সময় থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন ছিল পাথুরে, অনুর্বর ও ক্যাকটাস ভরা এক মরুময় এলাকা।

    জায়নিজম— যার মানে রিটার্ন টু জায়ন’ বা ‘রিটার্ন টু জেরুসালেম’। ইহুদিদের স্বপ্ন ছিল তারা যখন আবার প্যালেস্টাইনে ফিরে যাবে, তখন জেরুসালেমই হবে তাদের রাজধানী।

    জায়নিজমই কি ইহুদি ধর্ম?

    না, ইহুদি রীতির সঙ্গে জায়নিজমের একটা মূলগত পার্থক্য আছে। জায়নিজমের আবির্ভাবের আগে ইহুদিরা বিশ্বাস করত যে, একজন মসীহা আবির্ভূত হবেন এবং তিনিই ইহুদিদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন ফিলিস্তিনের মাটিতে। আর জায়নিস্টরা বলেন—মসীহা নয়, এই কাজ করতে হবে আমাদেরই, ইহুদিদেরই!

    জায়নিজমের সূত্রপাত ১৮৬০ সাল নাগাদ। ইহুদি-বিদ্বেষ তখন ইহুদিদের কাছে এক জ্বলন্ত সমস্যা এবং তা কোনো বিশেষ দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ইউরোপে ইহুদিদের প্রতি খ্রিস্টানদের একটা জাতিগত বিদ্বেষ ছিলই। পূর্ব ইউরোপে এই বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, যিশু খ্রিস্টকে ইহুদিরা হত্যা করেছে। আর এই বিদ্বেষ এতটাই প্রবল ছিল যে কোনো ইহুদি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলেও তাকে ঘৃণার চোখেই দেখা হত। মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপেও এই বিদ্বেষ সংক্রামিত হয়। ইহুদিরা এটা উপলব্ধি করে যে, এক দেশ থেকে পালিয়ে অন্য কোনো দেশে আশ্রয় নিলেও তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না।

    ১৮৮০ সালে রাশিয়াতে সরকারি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইহুদিদের ভর্তির জন্য একটা সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে সব ইহুদি শিক্ষার সুযোগ না পায়। ১৮৯১-১৮৯২ সালের মধ্যে কম করে কুড়ি হাজার ইহুদিকে মস্কোর বাইরে বের করে দেওয়া হল। এভাবেই ইহুদিরা হয়রানির শিকার হচ্ছিল। ১৮৮২ সাল থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে পূর্ব ইউরোপের অস্ট্রিয়া, পোল্যান্ড, জার্মানি থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ ইহুদি পালিয়ে বাঁচেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পনেরো বছর আগে থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ ইহুদি রাশিয়া থেকে পলায়ন করে। এদের একটা বড় অংশ আমেরিকায় পাড়ি জমায়। আর কিছু লোক চলে যায় প্যালেস্টাইনে।

    জায়নিজমের উত্থানের ক্ষেত্রে ১৮৬০ সাল থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত লেখা বেশ কিছু বই ইহুদিদের মধ্যে বিস্তর প্রভাব ফেলেছিল। যেমন ১৯৬২ সালে মোজেস হেস-এর লেখা ‘রোম অ্যান্ড জেরুসালেম’। এই বইতে হেস ইহুদিদের প্যালেস্টাইনে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানান। এই সময়েই পেরেট্জ সমোলেসকিন এক হিব্রু মাসিক পত্রিকা বের করতে শুরু করেন, যেখানে তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘দ্য ইটারনাল পিপল’। তাঁর মত ছিল— ‘প্যালেস্টাইন একদিন সমগ্র বিশ্বের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে এবং ইহুদিরা আবার সেখানে নিজেদের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে পাবে।’ ভদ্রলোকের দূরদর্শিতা দেখলে অবাক হতে হয়।

    ১৮৮০ সালে রাবাই স্যামুয়েল মহিলিভার প্যালেস্টাইনে প্রথম ইহুদিদের অনুপ্রবেশের সূচনা করেন। তিনি একটি রাজনৈতিক সংগঠন তৈরি করেন, যার নাম ছিল— ‘লাভার্স অফ জায়ন’। মহিলিভার নিজের রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে ইহুদিদের প্যালেস্টাইনে জমি কেনার ডাক দেন। রাশিয়া ও পোল্যান্ডের ইহুদিদের মধ্যে তাঁর প্রচারই সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিল।

    লাভার্স অফ জায়নের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন জুডা পিন্সকার। তাঁর আরও একটা পরিচয় ছিল— রাশিয়ান মেডিকাল কর্পসের একজন আধিকারিক। তিনি ওদেসাতে ইহুদিদের ওপর চলা হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে দেখেছিলেন। পিন্সকার ইহুদিদের শক্ত হাতে লড়াই করার ডাক দিলেন। তিনি বললেন, ‘ইহুদিরা নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে না পারলে কেবলমাত্র অন্যের দয়ার ওপর নির্ভর করে কোনোভাবেই টিকে থাকতে পারবে না।’

    আর ঠিক এই সময়েই আবির্ভাব ঘটল ইহুদিদের সবচেয়ে বেশি আলোচিত নেতা থিওডর হার্জেলের। ১৮৬০ সালে হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট শহরে এক সম্ভ্রান্ত ইহুদি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। ভিয়েনাতে তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন। কিন্তু পেশা হিসাবে বেছে নেন সাংবাদিকতাকে এবং একজন দক্ষ সাংবাদিক হিসাবে তিনি ভিয়েনাতে বেশ সুনামও অর্জন করেন।

    এই পর্যন্ত হার্জেলের জীবন স্বাভাবিক খাতেই বইছিল। কিন্তু ওই যে, নিয়তি কেন বাধ্যতে। জীবনের বাঁক বদল করে দিল একটি ঘটনা, যা ‘ডেফাস অ্যাফেয়ার’ নামে ইতিহাসে খ্যাত। একটি পত্রিকার তরফ থেকে হার্জেলকে এই কেসটা কভার করার জন্য প্যারিসে পাঠানো হয়। সময়টা ছিল ১৮৯৪ সালের ডিসেম্বর মাস। ক্যাপ্টেন আলফ্রেড ড্রেফাস ছিলেন একজন ফরাসি আর্টিলারি অফিসার। জাতিতে ইহুদি। জার্মানিকে ফরাসি সেনার গোপন তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে এই ইহুদি অফিসারকে জেলে পোরা হয়। ১৮৯৬ সাল নাগাদ অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেল যে, আসল অপরাধী ড্রেফাস নন, আরেক জন ফ্রেঞ্চ আর্মি মেজর। তখন ফরাসি আর্মির উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তত দিনে সংবাদমাধ্যমে গোটা ব্যাপারটা নিয়ে বেশ শোরগোল পড়ে গেছে।

    হার্জেল প্রথম দিকে ভেবেছিলেন যে, ড্রেফাসই আসল অপরাধী। কিন্তু যখন তিনি নিশ্চিত হলেন ড্রেফাস নির্দোষ, তখন তিনি ড্রেফাসের সমর্থনে কোমর বেঁধে নামলেন। শেষ পর্যন্ত ১৯০৬ সালে ড্রেফাসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হল এবং তাঁকে ফ্রেঞ্চ আর্মিতে মেজর পদে পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নিল ফ্রেঞ্চ গভর্নমেন্ট।

    এই ঘটনা হার্জেলের জীবনে গভীর দাগ কেটে যায়। ইহুদি-বিদ্বেষের যে রূপ তিনি দেখলেন, তাতে তিনি বুঝলেন যে এই বিদ্বেষের শেকড় সমাজের অনেক

    গভীর পর্যন্ত ঢুকে আছে। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলেন, ‘একে উপড়ে ফেলা কি অসম্ভব?’ তাঁর কানে বাজতে থাকল উন্মত্ত ফরাসি জনতার চিৎকার— ‘ইহুদিদের মেরে ফেলো! ইহুদিদের মেরে ফেলো!’

    তিনি লিখলেন একটি বিখ্যাত বই— ‘দ্য জিউয়িস স্টেট’। বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৬ সালে। রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হল। জায়নিজম পরিণত হল একটি রাজনৈতিক আন্দোলনে। বইটি ইংরেজি, হিব্রু, য়িদ্দিশ, রোমানিয়ান, বুলগেরিয়ান, রাশিয়ান ও ফরাসি ভাষায় অনূদিত হল। ইহুদিরা এবার ভাবতে শুরু করলেন যে, এবার তাঁদের একটা দেশ দরকার এবং তা বাস্তবেও করে দেখানো সম্ভব। এই বই প্রকাশিত হবার পরই কেউ হার্জেলকে প্রথম জায়নিস্ট কংগ্রেসের প্রস্তাব দেন এবং তিনি সেই প্রস্তাব সাদরে গ্রহণও করেন। প্রায় আঠেরো মাসের পরিকল্পনার পর তিনি এই জায়নিস্ট কংগ্রেস বাস্তবায়িত করে দেখালেন। ১৮৯৭ সালে সুইৎজারল্যান্ডের বেসেল শহরে আয়োজিত হল প্রথম জায়নিস্ট কংগ্রেস। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশগ্রহণকারীরা জমায়েত হয়েছিল বেসেলে। ব্রিটেন, আমেরিকা, প্যালেস্টাইন, আরব, রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও আরো অনেক দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা এসেছিল। মোট ১৮৭ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিলেন। কয়েক দিনের দীর্ঘ আলোচনা ও বাগবিতণ্ডার পর ইহুদিদের জন্য প্যালেস্টাইনে স্থায়ী বাসস্থান গড়ে তোলার জন্য কয়েকটি ধাপ স্থির করা হয়—

    -প্যালেস্টাইনে কৃষক, শ্রমিক ও মিস্ত্রিদের বাস করার জন্য উৎসাহিত করা হবে।

    -এমন একটা আইনব্যবস্থা তৈরি করা হবে, যার সঙ্গে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ইহুদিদের আইনের সামঞ্জস্য থাকবে।

    -ইহুদি ভাবাবেগ ও জাতীয়তাবাদকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে।

    -ইহুদিদের এই দেশের জন্য একটা সরকারী স্বীকৃতি জোগাড় করাই হবে প্রাথমিক লক্ষ্য।

    —শিক্ষাদীক্ষার মান বজায় রাখার জন্য একটা হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাখা হয়।

    -ইহুদিদের জাতীয় তহবিল তৈরি করা হবে, যার উদ্দেশ্য অটোমান শাসিত প্যালেস্টাইনে জমি কিনে তাকে বসবাসের উপযোগী করে তোলা।

    হার্জেল পরে নিজের ডায়রিতে লিখেছিলেন— ‘বেসেলে আমি ইহুদি রাষ্ট্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম, কিন্তু যদি আজ আমি এই এই কথাটি চিৎকার করে সবাইকে শোনাই তাহলে আমি হাসির খোরাক হব। আজ থেকে পাঁচ বছর পর না হোক, ৫০ বছর পর সবাই আমার কথার সত্যতা স্বীকার করে নেবে।’

    হার্জেল জানতেন যে, ইহুদি-রাষ্ট্র গঠন করাটা মোটেও সহজ হবে না। কারণ ধনী ইহুদিরা ছিল হার্জেলের মতবাদের বিরোধী। অনেক রাবাইও তাঁর মতবাদকে সমর্থন করেননি। তবু ভবিষ্যতের ইহুদি-রাষ্ট্র নিয়ে তাঁর মনে কোনো সন্দেহ ছিল না। কারণ সাধারণ নিম্নবিত্ত ইহুদিরা তাঁকে সাদরে গ্রহণ করছিলেন। তাঁরা হার্জেলের নাম দিয়েছিলেন— ‘হার্জেল দ্য কিং’।

    কিন্তু রাজারও ভুল হয়। আর হার্জেলও এই সময় একটা মারাত্মক ভুল করে বসেন। জায়নিস্টদের মধ্যে তখন দুটো দল ছিল। এক দল মনে করত যে কেবল কূটনীতির মাধ্যমেই ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আরেকটা দল মনে করত যে, স্বাধীন ইহুদি রাষ্ট্র তৈরি করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া অন্য কোনো রাস্তা নেই। একদম ভারতের স্বাধীনতা-পূর্ব নরমপন্থী ও চরমপন্থী আন্দোলনের মতোই। ১৯০৩ সালে জায়নিস্ট কংগ্রেসে হার্জেল প্রস্তাব রাখেন প্যালেস্টাইনের পরিবর্তে উগান্ডাতে ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হোক, কারণ ব্রিটিশরা তাঁকে ওখানে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রস্তাবে এক চরম বিশৃঙ্খলা জন্ম নিল। ক্রুদ্ধ জায়নিস্টরা তাঁকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলল। এই ঘটনার প্রায় এক বছর পর মাত্র চুয়াল্লিশ বছর বয়সেই হার্জেলের মৃত্যু হয়।

    জায়নিস্টরা প্যালেস্টাইনে ‘জায়নিস্ট ন্যাশনাল ফান্ড’ ব্যবহার করে জমি কিনতে আরম্ভ করে দেয়। জমির মালিক তো ছিল আরব ও তুর্কিরা। তারা অত্যন্ত চড়া দামে জমি বিক্রি করছিল। ১৮৮০ সাল নাগাদ মাত্র ১২,০০০ ইহুদির বাস ছিল প্যালেস্টাইনে। ১৯৮০ থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পর্যন্ত আরো ১,১৫,০০০ জন ইহুদি এই মাটিতে ডেরা জমায়।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হল। জায়নিস্ট মুভমেন্ট একটা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেল। এই সময় অটোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল প্যালেস্টাইন। অটোমানরা জার্মানির পক্ষ নেওয়ায় ইহুদিদের জন্য পরিস্থিতি হয়ে উঠল বিপজ্জনক। কারণ অটোমানরা সব ইহুদিকেই সন্দেহের চোখে দেখছিল। সামান্য ইংরেজি জানা ইহুদিদেরকেও ব্রিটিশদের সমর্থক সন্দেহে ফাঁসিতে ঝোলানো হতে থাকে। ১২,০০০ ইহুদিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়। জায়নিজমকে সম্পূর্ণরূপে বেআইনি ঘোষণা করা হয়।

    ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ বিদেশ সচিব আর্থার জেমস ব্যালফোর বিশিষ্ট ব্রিটিশ জায়নিস্ট লর্ড ওয়াল্টার রথসচাইল্ডকে একটি খোলা চিঠিতে জানান যে, ব্রিটিশ সরকার মনে করে যে প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটা আলাদা রাজ্য তৈরি হওয়া দরকার। এটাই ‘ব্যালফোর ডিক্লারেশন’ নামে খ্যাত।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আবহ। ব্রিটিশ ও অস্ট্রেলিয়ার সৈন্য তখন প্যালেস্টাইনের ভেতর লড়ছে অটোমানদের বিরুদ্ধে। এরকম একটা পরিস্থিতিতে এমন একটা খোলা চিঠি ইহুদিদের পক্ষে কতটা মঙ্গলকারী আর কতটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা নিয়ে অবশ্য বিতর্কের শেষ নেই। কারো কারো মতে ইহুদিদের যুদ্ধে অবদানের কথা মাথায় রেখেই এই ডিক্লারেশন করা হয়। এদের মধ্যে একজনের নাম উল্লেখ না করলেই নয়— কেম উইজম্যান। উইজম্যান ছিলেন একজন ইহুদি কেমিস্ট। তিনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফারমেন্টেশনের জনকও বটে। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে সিন্থেটিক কর্ডাইট তৈরি করার দায়িত্ব দেয়। এটার ব্যবহার হত বিস্ফোরক তৈরি করার জন্য। আগে কর্ডাইট তৈরি করার জন্য জার্মানি থেকে আমদানি করা অ্যাসিটোন ব্যবহার করা হত। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এর একটা বিকল্পের দরকার হয় ব্রিটিশদের। উইজম্যান ব্রিটিশদের দেওয়া দায়িত্ব পালন করেন ও তিনি সিন্থেটিক কর্ডাইট তৈরির কৌশল তাদের হাতে তুলে দেন এবং এই কাজের সুবাদে তিনি ব্রিটেনের সিনিয়র ক্যাবিনেট সদস্যদের ঘনিষ্ঠ হতে পেরেছিলেন।

    উইজম্যান তাদের কাছে ইহুদিদের সমস্যাগুলো তুলে ধরলেন। যদিও তিনি ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক, কিন্তু স্বাধীন ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের জন্য নিজের চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি। পরবর্তীতে তিনি ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশরা আরেকটা ছলনা করল। তারা আরবদের প্রতিশ্রুতি দিল যে, যদি আরবরা অটোমানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাহলে আরবদের স্বাধীন দেশ গড়ার অধিকার দেওয়া হবে। ফলস্বরূপ তৈরি হল সিরিয়া, লেবানন, ট্রান্সজর্ডন, ইরাক ও সৌদি আরবের মতো দেশ। এবার প্যালেস্টাইন কার দখলে থাকবে এই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এই সময় সামনে আসে ‘কিং অফ হেজাজ’ ও মিশরের ব্রিটিশ হাই কমিশনার স্যর আর্থার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে আদানপ্রদান হওয়া চিঠিপত্র। এতে ব্রিটিশদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট হয়। আরবরা দাবি করে যে, প্যালেস্টাইনও এই প্রতিশ্রুতির অংশ। যদিও প্যালেস্টাইনের স্পষ্ট উল্লেখ তাতে ছিল না। এবার শুরু হয় বেলফর ডিক্লারেশন ও ম্যাকমোহনের চিঠিপত্র নিয়ে টানাহেঁচড়া।

    আরবরা দাবি করল সপ্তম শতক থেকে তারাই এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তাদেরই এই এলাকা প্রাপ্য। আর ইহুদিদের দাবি ছিল যে, খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ লে হুদিরাই এই অঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল এবং সেই সুবাদে তাদেরই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।

    এদিকে ইহুদিরা প্যালেস্টাইনে নিজেদের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছিল। ১৯১৮ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে প্রায় ১.৫ লক্ষ ইহুদি প্যালেস্টাইনে এসে বসবাস করতে শুরু করে।

    মরুভূমি এলাকার মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে উঠল গ্রাম, শহর, কলকারখানা ও চাষের খামার। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে থাকল। আর এর সুফল পেল আরবরাও। সেই সময় প্রায় ১ লক্ষ আরব ছিল ভূমিহীন। তাদের জীবনযাপন ছিল যাযাবরের মতোই। আরবরা ইহুদিদের খেতখামার ও কলকারখানায় কাজ করা শুরু করে দিল। আরব জমিদারদের থেকেও বেশি মজুরি তারা পেতে লাগল ইহুদিদের কাছে।

    ক্ষেপে গেল আরব জমিদাররা। তারা ছক কষতে লাগল— ইহুদিদের ধ্বংস করার ছক। ব্রিটিশরা সব দেখে-বুঝেও চুপই রইল। কারণ তারা কোনো পক্ষকেই ঘাঁটাতে চাইছিল না। আরব ও ইহুদিদের বিবাদ মেটানোর চেয়ে সাম্রাজ্য রক্ষা করাটাই ছিল তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরবরা ইহুদিদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করে। আরব-আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ইহুদিরা গড়ে তুলল এক সশস্ত্র বাহিনী ‘হেগানা’। আর এই হেগানাই পরবর্তীতে পরিণত হল ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ-এ।

    জার্মানিতে হিটলার ক্ষমতায় আসার পর সেখানে ইহুদিদের ওপর অত্যাচার শুরু হয়। জার্মান ইহুদিরা দলে দলে প্যালেস্টাইনে আসতে থাকে। ১৯৩৬ সাল নাগাদ প্যালেস্টাইনে কেবল জার্মান ইহুদির সংখ্যাই ছিল প্রায় ৬০ হাজার। বিজ্ঞানী, কেমিস্ট, রিসার্চার— সবাই প্যালেস্টাইনে আসতে লাগল আশ্রয়ের খোঁজে। আর এদের আগমনের ফলে প্যালেস্টাইনে শিক্ষা, অর্থব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হল। ব্রিটিশ শাসনে থেকেও এই ইহুদিরা গড়ে তুললেন প্রায় এক স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল।

    আরবরা কিন্তু পরিষ্কার বুঝতে পারছিল যে ইহুদিরা কোন পথে এগোচ্ছে। তারাও স্থির করে যে ইহুদিদের ধ্বংস করতে হবে এবং তা করতে হবে অতি শীঘ্রই। আরবরা নাৎসিদের সঙ্গে একটা গোপন আঁতাত তৈরি করল। জার্মানির অর্থ ও অস্ত্রের বিনিময়ে তারা জার্মানি ও ব্রিটেনের মধ্যে ভবিষ্যতের সংঘর্ষে জার্মানিকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিল। আর ওদিকে ব্রিটিশরা চুপচাপ নজর রাখছিল। তারা চাইছিল আরব ও ইহুদিরা নিজেদের মধ্যে লড়াই করে মরুক, আর কায়েম হোক একচ্ছত্র ইংরেজ আধিপত্য। কিন্তু বাস্তব যে গল্পের চেয়েও বর্ণাঢ্য হয়। তা-ই হল।

    ১৯৩৬ সালেই আরবরা নাৎসি বাহিনীর সরবরাহ করা অস্ত্র নিয়ে ইহুদিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। শহরে, গ্রামে, রাস্তায় ইহুদিদের সঙ্গে শুরু হল আরবদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। হেগানার অতি রক্ষণাত্মক নীতির বিরোধিতা করে জবোটিনস্কি গড়ে তুললেন ‘ইরগুন’, যার আক্রমণের নিশানায় ছিল আরব ও ব্রিটিশরা। আরবদের লক্ষ্য ছিল প্যালেস্টাইনে ইহুদি অনুপ্রবেশ বন্ধ করা এবং সমস্ত শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে রাখা। তারা চাইছিল ইহুদিরা কেবল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসাবেই প্যালেস্টাইনে থাকুক। আর ইহুদিদের লক্ষ্য ছিল প্যালেস্টাইনে ইহুদি-অনুপ্রবেশ চালিয়ে যাওয়া। যখন নাৎসিদের অত্যাচারে ইহুদিরা জার্মানি থেকে পালাচ্ছিল, তখন বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশ ইহুদিদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। তাঁদের একমাত্র ভরসা তখন প্যালেস্টাইন।

    হিংসাত্মক ঘটনা যখন মাত্রা ছাড়াতে শুরু করল, তখন ব্রিটিশরা ছয় সদস্যের একটা দল গঠন করে এবং রিপোর্ট দেওয়ার আদেশ দেয়। তার নাম ছিল ‘পিল কমিশন’। পিল কমিশনের সদস্যরা সব বিচার করে প্যালেস্টাইনকে বিভক্ত করে আলাদা আরব ও ইহুদি-রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। এমনটা যে ঘটতে পারে তা ব্রিটিশরা ভাবেইনি। ইহুদিরা সন্দিগ্ধ মনে এই প্রস্তাব মেনে নিলেও আরবরা তা প্রত্যাখ্যান করল।

    প্যালেস্টাইনের পার্টিশন আটকানোর জন্য এবার ব্রিটিশরা একটা নতুন উপায় বের করে। তারা ১৯৩৯ সালে একটা শ্বেতপত্র প্রকাশ করল, যাতে আরবরা নিমরাজি হয়। কিন্তু ইহুদিরা তা প্রত্যাখ্যান করে দিল। এই প্রস্তাবে ইহুদি-অনুপ্রবেশ বছরে পনেরো হাজার করে পাঁচ বছর পর্যন্ত চালু রাখার কথা বলা হয় এবং পাঁচ বছর পর তা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়।

    শ্বেতপত্র প্রকাশিত হতেই ইহুদিরা বলল, ‘মানছি না, মানব না!’ অতিসক্রিয় হয়ে উঠল ইরগুনের সদস্যরা। ব্রিটিশদের ওপর হামলা চালাতে লাগল ইরগুন বাহিনী।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলে এল। তখন ব্রিটিশদের প্রচুর সৈন্যের প্রয়োজন। প্রায় ১.৩ লক্ষ ইহুদি ব্রিটিশ সেনাদলে নাম লেখানোর জন্য আবেদন করল। ব্রিটিশরা এত বেশি সংখ্যক ইহুদির হাতে অস্ত্র তুলে দিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। কিন্তু কী আর করা যাবে? তাদের যে তখন সৈন্যেরও প্রয়োজন। তাই তারা আবেদন করা প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ৩০ হাজার জনকে বেছে নিল। পরে এই ইহুদি সৈন্যদের সাহসিকতার জন্য ব্রিটিশরা তাদের প্রশংসা করতেও বাধ্য হয়।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের লড়াই ইহুদিদের জন্য কেবল নাৎসিদের খতম করার লড়াই ছিল না, এই যুদ্ধের মাধ্যমে তারা নিজেদের তৈরি করছিল, যাতে ইহুদি- রাষ্ট্রের জন্যও তারা লড়তে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইহুদিরা আশা করেছিল যে, এবার হয়তো ব্রিটিশরা ইহুদি-রাষ্ট্র স্থাপন করার জন্য কোনো সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু তাদের কপাল পোড়া! ব্রিটিশরা তাদের শ্বেতপত্রের ঘোষণা করা নীতি থেকে এক চুলও সরতে রাজি হল না।

    ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হ্যারি এস. ট্রম্যান ১ লক্ষ ইহুদিকে জার্মানি থেকে সরিয়ে প্যালেস্টাইনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। কিন্তু ব্রিটেন সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেয়। এই ঘটনা ইহুদিদের আরও ক্ষিপ্ত করে তোলে। ইরগুনের সদস্যরা নাশকতার প্রস্তুতি শুরু করে। তারা কিং ডেভিড হোটেলে বম্ব চার্জ করল। ব্রিটিশ আধিকারিক ও ব্রিটিশ নাগরিক মিলে হতাহতের সংখ্যা দাঁড়াল দেড়শো।

    সব ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। মিললও। ব্রিটিশরা সমস্ত ইহুদি দোকানগুলোকে বয়কট করার আদেশ দিল। এই ঘটনায় ইহুদিদের ব্রিটিশ-বিদ্বেষ আরও তীব্র হল এবং বাড়ল ইহুদি ঐক্য।

    ব্রিটিশরা ইহুদিদের আটকানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠল। কেউ কোনো ইহুদি অনুপ্রবেশকারীকে সাহায্য করলেই তাকে জরিমানা করতে লাগল তারা। এসব সত্ত্বেও ১.১৩ লক্ষ ইহুদি সেই সময় প্যালেস্টাইনে প্রবেশ করে। ব্রিটিশরা ইহুদিদের অস্ত্র বাজেয়াপ্ত শুরু করতে লাগল, গ্রেফতার করতে আরম্ভ করল অনেককে। বহু ইহুদি নেতাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হল। এর ফলে ইহুদি জনতা উন্মত্ত হয়ে উঠল। প্রত্যেক ইহুদির ফাঁসির বদলা হিসাবে ইরগুন একজন করে ব্রিটিশ আধিকারিককে ফাঁসিতে ঝোলানো শুরু করে। গোটা প্যালেস্টাইন জুড়ে এই হত্যালীলা চলতে থাকে।

    ১৯৪৭ সালে তিতিবিরক্ত ব্রিটেন প্যালস্টাইনের ভাগ্য ইউনাইটেড নেশনের হাতে ছেড়ে দেয়। ইউনাইটেড নেশন প্যালেস্টাইনে একটা প্রতিনিধি দল পাঠায়। এই প্রতিনিধি দল যে রিপোর্ট দেয় তা ছিল অনেকটা পিল কমিশনের রিপোর্টের মতোই। এই কমিশন বলে যে, ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্যালেস্টাইনকে ভাগ করে আলাদা আরব ও ইহুদি-রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর ইউনাইটেড নেশনের জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে ভোটাভুটি হয়। পার্টিশনের পক্ষে ৩৩ টি ও বিপক্ষে ১৩ টি ভোট পড়ে। ইহুদিরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও আরবরা তা প্রত্যাখ্যান করে দিল।

    এবার আর কোনো বাধা রইল না স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ইসরায়েলের আত্মপ্রকাশ করার। ইসরায়েল— ইহুদিদের পুণ্যভূমি, প্রমিসড ল্যান্ড!

    আরবরা ইহুদি-অধ্যুষিত এলাকা থেকে পালাতে শুরু করে। আরব উদ্বাস্তু সমস্যার শুরু এখান থেকেই।

    তেল আভিভ মিউজিয়ামে ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে বিকেল চারটের সময় বেন-গুরিয়ন সরকারিভাবে ইসরায়েলের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। ইসরায়েলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রথম স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারপর রাশিয়া, পোল্যান্ড চেকোস্লাভাকিয়া, যুগোস্লাভিয়া থেকে আসে স্বীকৃতি।

    স্বাধীনতা ঘোষণার পর বেন-গুরিয়ন আরব দেশগুলোর প্রতি একটি আবেদন করেন। তিনি আরব দেশগুলোকে এই নবজাত ইহুদি-রাষ্ট্রকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর কথা বলেন। সহযোগিতা তো দূর, মিশর একটি টেলিগ্রাম পাঠিয়ে জানায় যে, তারা ইসরায়েল আক্রমণ করবে এবং পৃথিবীর বুক থেকে এর অস্তিত্ব মুছে দেবে! জর্ডন, লেবানন ও সিরিয়া মিশরের সঙ্গে যোগ দিল।

    একটা দেশ জন্মলগ্নেই সম্মুখীন হল এক বিরাট চ্যালেঞ্জের!

    তারপর কী হল?

    সে আরেক গল্প। যুদ্ধের গল্প। সেই গল্পও আমরা পরে শুনব।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – অভীক দত্ত
    Next Article ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য – অভীক সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }