Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মুনলাইট সোনাটা – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প81 Mins Read0
    ⤷

    মুনলাইট সোনাটা – ১

    ১

    মিস শ্রেয়া চৌধুরীকে পথ চিনিয়ে চিনিয়ে আসছে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মজুমদার, ইয়েস ম্যাডাম, এই দিকে, মোস্ট ওয়েলকাম ম্যাডাম, ওয়েলকাম টু আওয়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং।

    মজুমদারের কথার তালে তালে পা ফেলছে জেলা শাসকের ভাগ্নী, বছর সাতাশের অহঙ্কারী যুবতি কন্যা। প্রকৃতির নিয়মে তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় সে অতিবাহিত করছিল তখন। ঈশ্বর তাকে তখন দু-হাত ভরে দিয়েছেন। সেই বয়সটা ছিল প্রকৃতির কাছ থেকে নেওয়ার। পেয়েছিলও সে, যেমন রূপ, তেমন মেধা। যৌবনে সে ঐশ্বর্যশালিনী। হাঁটা চলায় কী দর্প! ঘাড় ফিরিয়েও তাকায় না, পথের দু-পাশে কে আছে কে নেই, তা দেখতে। মনে হয় মাটির উপরে পা পড়ে না তার। বাতাসে ভাসে ফুলের গন্ধের মতো। গোপনে, পরম এক উদাসীনতায় দেখে নেয় কে বা কারা তার দিয়ে লুব্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আগুন আগুন! শিগগির সেই মেয়ে সিভিল সার্ভিসে যাবে, সে কেন মাথা নীচু করে হাঁটবে? আমার মনে আছে তার রূপ। বসন্ত দিনে রম রম করছিল শ্বাস প্রশ্বাস, নাকের পাটা ফুলছিল। আমাদের অচিনপুরের নিরর্থক বয়ে যাওয়া দিনে শ্রেয়া চৌধুরী এনেছিল উষ্ণ রঙিন বাতাস। আলোড়ন তুলেছিল বিবাহিত, অবিবাহিত, যুবক, প্রৌঢ়, বৃদ্ধ হয়ে আসা পুরোনো কেরানি থেকে সকলের ভিতর। ডি-গ্রুপ কর্মচারী থেকে সাব-ডেপুটি, ডেপুটি পর্যন্ত। বাংলোয় ফাইফরমাস খাটা দৈনিক বেতনের লোকটির ভিতরে পর্যন্ত।

    আমাদের সেই অচিনপুরের কথা বলি। সেই যে সেই জাহ্নবী নদীর তীরের জেলা শহর। আমি আর সুনন্দা, জেলা শাসক লোকনাথ মল্লিক সায়েব, অতিরিক্ত জেলা শাসক গগন শ্রীবাস্তব সায়েব, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মজুমদার, জেলা শাসকের ভাগ্নী মেধাবী সুন্দরী শ্রেয়া চৌধুরী, আমার বন্ধু, সাংবাদিক সুবিমল সেন — আমরা সবাই নানা দিক থেকে পৌঁছে গিয়েছিলাম সেই জেলা শহরে। নবীন বয়স, কখনও ভাবিনি বুড়ো হয়ে, ক্ষমতাহীন হয়ে বেঁচে থাকব সেই এম. পি. পার্থ সান্যালের মতো। যাঁকে আমরা সবাই, এমন কি জেলা শাসকও মান্য করতেন অসম্ভব। মান্যতা মানে তাঁর প্রতি আনুগত্য। তাঁর ক্ষমতার প্রতি আনুগত্য। ক্ষমতাকে ভয়। কখনও কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, ওই ছোটো-বড়ো পদে কত ক্ষমতা, আমার সব ক্ষমতা একদিন চঞ্চলা কমলার মতো অদৃশ্য হয়ে যাবে। কী সুন্দর বলতেন সেই জেলা শাসক মল্লিক সায়েব, পাওয়ার লাইজ ইন গভর্নমেন্ট অর্ডার, সার্কুলার, মেমোজ, কিপ দোজ পেপারস উইথ ইউ, এনজয় ইয়োর পাওয়ার, কাগজ কথা বলবে। আইন কথা বলবে। আইন তোমার ক্ষমতা, আইন তোমাকে রক্ষা করবে। কেউ কেউ বলেন, মানুষের জন্য আইন, মানুষের স্বার্থে তাকে ব্যাখ্যা করতে হবে, দরকারে আইনের বাইরে গিয়ে ব্যতিক্রমী কিছুও করা যায় মানুষের স্বার্থে। আই ডু নট থিংক সো। আইন আইনের পথে চলবে, আইনের পথেই চলতে হবে মানুষকে। আইন প্রণয়ন করা হয়েছেই তো মনুষ্য সমাজকে শাসনের ভিতর নিয়ে আসার জন্য। শাসক কী দিয়ে শাসন করবে, আইন দিয়ে। সব ক্ষমতা আইনেই। জেলা শাসক বলতেন, দরকারে আইনের মোড়কে আইন ভাঙতে হয়, কখন তা করতে হয় তা আপনা আপনি বুঝে যায় একজন প্রশাসক। কখন কোন সিদ্ধান্ত নিতে হবে তার উপরেই নির্ভর করে তাঁর সফলতা, ব্যর্থতা। প্রশাসককে রাজনৈতিক নেতার কথা মতো চলতে হয়, কিন্তু তিনি যদি পারেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিজের মতো করে প্রভাবিত করতে, তিনিই দক্ষ প্রশাসক। আসলে দেশটা তো প্রশাসকই চালান, তা আরম্ভ হয় ব্লক স্তর থেকে, ব্লক, মহকুমা, জেলা, ডিভিশন হয়ে গোটা রাজ্য। আমাদের কী সুন্দর বোঝাতেন আমাদের জেলা শাসক লোকনাথ মল্লিক।

    ক্ষমতাবান জেলা শাসক। তাঁর কথায় গোটা কালেক্টরেট ওঠে বসে। জেলার দন্ডমুন্ডের কর্তা তিনি। আমাদের তখন নতুন চাকরি, তাঁর বেশ কয়েক বছর হয়েছে। তিনি প্রমোশনে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস। ওর চেয়ে ভালো চাকরি আর নেই এদেশে। বিশুদ্ধ চাকরি। কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন, পৃথিবীতে নেই কোনো বিশুদ্ধ চাকরি। হাসতে হাসতে বলতেন বড়ো সায়েব, ‘নো নো, জানতেন না উনি, এর চেয়ে বিশুদ্ধ চাকরি আছে আর?’

    নেই। তা জানত মজুমদার। জানত বলে সে শ্রেয়া চৌধুরীর দায়িত্ব পেয়ে বর্তে গিয়েছিল। সকাল থেকে জেলা শাসকের ভাগ্নীর ফাই-ফরমাস খাটছে হাসি মুখে। সেই মেয়ে আই.এ.এস. হতে যাচ্ছে। ইন্টারভিউ পেয়েছে, মামার কাছে এসেছে সহবৎ শিক্ষা নিতে। চাকরির প্রাথমিক পাঠ নিতে। প্রশাসকের চাকরির অনেক রীতি নীতি আছে। অনেক রকম ভাব আর ভঙ্গী আছে, তা আয়ত্ত করতেই না তার আসা আমাদের সেই অচিনপুরে। আর মজুমদার তো বর্তে গিয়েছিল সেই যুবতির সেবা করতে পেরে। ধন্য হয়ে গিয়েছিল। সে জানত খুব তাড়াতাড়ি ক্ষমতার অলিন্দে প্রবেশ করছেন মিস চৌধুরী। প্রভুত্ব অর্জন করবেন মিস শ্রেয়া চৌধুরী। আমাদের ভিতরে আলোচনা হতো, মেয়েটি কেমন ডাকছে ওকে ‘মজুমদার মজুমদার’ করে। মজুমদারের বয়স চল্লিশ পার, সে সাতাশ। ডাক শুনলেই মজুমদার, ইয়েস ম্যাডাম, ইয়েস ম্যাডাম করে উঠে দাঁড়ায়। আমরা অন্য ডেপুটিরা দেখেছিলাম সেই দৃশ্য। আমাদের সঙ্গে মেধাবী, সুন্দরী, যৌবনমদমত্তা সেই শ্রেয়ার আলাপ করিয়েছিলেন জেলা শাসক এক সন্ধেয়। আমরা বসেছিলাম, মজুমদার কখনও বসে, কখনও দাঁড়িয়ে, কখনও শ্রেয়ার চেয়ারের পিছনে, কখনও দূরে। তাকে ‘মজুমদার তুমি’ বলেন জেলা শাসক, শ্রেয়াও তাই বলল। আর তাতে মজুমদারের মুখ উদ্ভাসিত আলোয় ঝলমল করতে লাগল। শ্রেয়ার মুখের কাছে কান নিয়ে গেল, সে গোপনে তাকে কিছু বলল, তাতে, ইয়েস ম্যাডাম, ইয়েস ম্যাডাম করতে করতে মজুমদার তার চেয়ারে ফিরে গম্ভীর মুখে জেলা শাসকের দিকে তাকিয়ে থাকল। আমার সহকর্মী শুভময় সেন আমাকে পরে বলেছিল, স্যানিটারি ন্যাপকিনের অর্ডার দিয়েছিল মেয়েটা, নাজিরখানা পে করবে, বড়ো সায়েবের ভাগ্নী বলে কথা, মজুমদার ডিয়েমের ঝাড়ুদার, বউ ভাগ্নীর শায়া ব্লাউজও কেচে দেয়, ওর জন্য এ জেলার ডেপুটিদের কেউ সম্মান করে না। চাকরিটাকে ছোটো করে দিয়েছে মজুমদার।

    মজুমদার কথায় কথায় বলছিল, সবাই চায় ক্ষমতার সেবা করতে, কিন্তু পারে কে, সুযোগ পায় কে, ডিয়েমের ঝাড়ুদার সবাই, আমি লোকের কথায় ইয়ে করি, বসের ভালোবাসা ক’জন পায়, ওই চাকরি করতে পারবি সারা জীবনে, ওই ক্ষমতা?

    সত্যই তো, প্রভুত্ব, দম্ভ, দর্প, ভোগ-বিলাস, ক্ষমতার প্রতিটি মুখ এই চাকরিতে। চাকরি নয়, এ হলো সত্যকারের প্রভুত্ব অর্জন। কিন্তু এও সত্য, পৃথিবীতে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা কোথাও নেই। প্রভুরও প্রভু থাকে। তাঁরও প্রভু থাকে। শেষ পর্যন্ত তা কোথায় গিয়ে পৌঁছয় তা জানা নেই। এখন এই সব মনে হয়। মনে হয় প্রভুত্ব আর ক্ষমতার এক রূপ আছে, তাকে সম্ভ্রম করতে হয়, ভয় পেতে হয়। তা না হলে সে হীনবল হয়ে পড়ে। আর এই কারণে ক্ষমতাবানরা ক্ষমতা রক্ষায় মনোনিবেশ করেন সবচেয়ে বেশি। বিশেষত রাজনৈতিক প্রভুরা। তাঁরা অনাদিকালের কথা ভাবেন। তাঁরা তাঁদের উত্তরাধিকারীদের জন্য ক্ষমতার অলিন্দ রেখে যান। ক্ষমতাবান আমলারাও স্বপ্ন দ্যাখেন, তাঁর সন্তান তাঁরই রেখে যাওয়া চেয়ারে গিয়ে বসবে। মানুষ যা করে সারাজীবন ধরে তা শুধু তার নিজের জন্য নয়, বৈধ-অবৈধ উপায়ে যে সম্পদ তৈরি করে, তা তার উত্তরপুরুষের জন্য। সাত পুরুষের ব্যবস্থা করে যেতে পারলে উপরে গিয়ে তার আত্মা শান্তি পায়। একথা রাজনীতিক, আমলা, কেরানি — সকলের ক্ষেত্রে একই ভাবে সত্য।

    জেলা শাসক যে ঘরে দরবার বসাতেন, তা ছিল মস্ত। তার ভিতরে চার-পাঁচটা ঘর ঢুকে যেত। জেলা শাসকের চেয়ারের পিছনের দেওয়ালে সেগুন কাঠের প্যানেলে পর পর জেলা শাসকদের নাম আর কার্যকালের বিবরণ। প্রথম তিনজন ছিলেন খাঁটি সায়েব। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতীয় জেলা শাসক। আর আছে সেই প্যানেলের উপরে দুটি তলোয়ার আড়াআড়ি করে রাখা, তার উপরে যোদ্ধার শিরস্ত্রাণ। বাংলো কী নিস্তব্ধ! বাংলোয় আসতে গেলে পুরোনো জেলখানার মস্ত প্রাচীরের গা ঘেঁষে আসতে হয়। বাংলোর মস্ত গেটে বন্দুকধারী, ঢুকে অনেকটা খালি জমি, তারপর আভিজাত্যের প্রতীক রাজপুরুষের সেই গৃহ, বসতবাটি। ঘাড় তুললে বড়ো ব্যালকনি, তার মাথায় কোনো ছাদ নেই। সেখানে গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় জেলা শাসক সপরিবারে বিশ্রাম নেন। শীতের সকালে রোদ পোয়ান। বিঘে চার জমি নিয়ে গড়ে ওঠা বাংলোর প্রাচীরের গায়ে বহু প্রাচীন মেহগনি, শিরীষ। সব মিলিয়ে ওই নিস্তব্ধতায় এক কঠোরতাও টের পাওয়া যায়। ক্ষমতা কখনও কঠোরতা ব্যতীত হয় না। জেলা শাসকের বাংলোই ছিল ক্ষমতার সম্পূর্ণ এক চেহারা। রাজপুরুষের আবাস, তার ভিতরেই সমস্ত ক্ষমতা নিহিত।

    সমস্তদিনের শেষে আমরা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটরা তাঁর বাংলোর মস্ত চেম্বারে তিন সারি চেয়ারে সারি দিয়ে বসতাম। পদ মর্যাদা আর সিনিয়রিটি অনুযায়ী সামনের সারি, পরের সারি, শেষ সারি। এই গদি আঁটা সারি চেয়ারের দশ বারো ফুট পিছনে সোফা সেট, টি টেবল। সেই খুব দামী সোফা সেটের একটিতে এসে বসেন এম.পি। কখনও কোনো মন্ত্রী জেলা সফরে এলে তিনি বা তাঁর সঙ্গী কেউ। বাঁ-দিকের সিঙ্গল সোফায় ওই মাপের ভি আই পি, লম্বা তিনজনের উপযোগী সোফায় তাঁর সঙ্গী, ডান দিকের সোফায় জেলা শাসক। আমি অনেকদিন দেখেছি জেলা শাসক বসেননি, দাঁড়িয়ে নোট নিচ্ছেন। মন্ত্রী, এম.পি. ব্যতীত ডিভিশনাল কমিশনার, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি জাতীয় উচ্চ পদস্থ রাজপুরুষ এলে বসতেন, মিটিং করতেন। এই বাংলো ব্রিটিশদের নির্মাণ। সেই সব নির্মাণে ছিল রাজকীয় ঔদ্ধত্য। মস্ত উঁচু সিলিং, মস্ত বড়ো বড়ো ঘর। দোতলায় ওঠার সিঁড়িটি ছিল কাঠের। খুব চওড়া, লাল কার্পেটে মোড়া। দেওয়ালে নানা নিসর্গ-চিত্র। জেলার বড়ো ম্যাপ। মন্ত্রীর সঙ্গে জেলা শাসকের ফোটো। কোনো অনুষ্ঠান উদ্বোধনের ছবি। রবীন্দ্রনাথের ছবিও একটি রাখা হয়েছিল, কেন তা বুঝতে পারিনি। বাংলোয় জেলা শাসকের দরবারে, আমাদের সন্ধ্যার মিটিঙে কোনোদিন রবীন্দ্রনাথ নিয়ে একটি বাক্যও ব্যয় হয়নি। কখনও উঠলে সেই প্রসঙ্গ সরেও গেছে অচিরে। স্যার বলতেন, দুর্বৃত্ত কর্মচারীকে কীভাবে কোথায় শায়েস্তা করেছেন সেই কথা। কী ভাবে তাঁর অনুগত কর্মচারীকে বাঁচিয়েছেন নানা অপরাধের শাস্তি থেকে, সেই কথা। এক স্টেট সার্ভিসের অফিসার অফিসের ডি-গ্রুপ তরুণীকে মোলেস্ট করার অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছিল, তাকে কীভাবে তিনি বাঁচিয়েছিলেন সেই বৃত্তান্ত। তরুণীটিকে তিনি বদলি করে দিতে পেরেছিলেন ক্ষমতার জোরে। অথচ অপরাধ ছিল সত্য। ধর্ষিতা হয়েছিল তরুণীটি। সেই ঘটনা জেনেও ছিল সবাই। কেউ কিছু বলতে পারেনি। ডি. এম. যা বলবেন তাই হবে। কমিটি গড়ে দোষীকে নির্দোষ প্রমাণ করে দিয়েছিলেন তিনি। কারণ অফিসারটি তাঁর খুব অনুগত ছিল। তাঁর কাছে নিজেকে সমর্পণ করেছিল। সেই তরুণীটি ছিল চূড়ান্ত সেক্সি, স্যারের গাড়িতে করে ফিরত। সবার আগে অফিসে এসে সবার শেষে যেত। কম বয়সী বিধবা। ফলে যা হওয়ার তা হয়েছিল। ঘি আর আগুন কাছাকাছি এলে এমনই হয়ে থাকে। সেই অভিযুক্ত ডেপুটির কোনো দোষ ছিল না। মতিভ্রমকে মতিভ্রম হিসেবেই দেখা উচিত।

    মনে হয়েছিল ক্ষমতার অপব্যবহারই ক্ষমতার প্রকাশ। অপরাধীকে না বাঁচাতে পারলে কিসের ক্ষমতা? চুপ করে ছিলাম। মজুমদার মুগ্ধ দৃষ্টিতে জেলা শাসকের দিকে তাকিয়ে ছিল। মাঝে মাঝে, বিবশ গলায় উচ্চারণ করছিল, স্যার …. স্যার ….। যেমন আমরা বলতাম উপরওয়ালার ফোন এলে, তাঁর কথা শুনতে শুনতে।

    শোনো তোমরা, শোনো, লাইফটাকে এনজয় করতে হলে, প্রশাসনকে ব্যবহার করতে শিখতে হবে তোমাকে। মনে রেখ, একদিন সব পাওয়ার হবে আমাদের, পোলিটিশিয়ানদের কাছ থেকে একদিন সব পাওয়ার আমরা কেড়ে নেবো। এখন আমরা চুপ করে আছি, ডে’জ উইল কাম সুন, সেদিন আমরা কথা বলব, যে ভাবে দেশ চলছে, চলতে পারে না, এর একটা বিহিত তো হবেই একদিন। ব্যুরোক্রেসিতে কারা আছে, ক্রিম অফ দ্য সোসাইটি, সব চেয়ে শিক্ষিত যুবকরা। তারাই এই সমাজের অভিজাত শ্রেণি। অভিজাতরা শাসন করলে শাসন ভালো হয়, সমাজ উন্নত হয়। আমি মনে করি না তার বাইরে কোথাও কিছু হয়েছে কোনো কালে। তুমি ভেবে দ্যাখো প্রলেতারিয়ান ডিকটেটরশিপ, চিনে নাকি তাই চলছে, আসলে চলছে অভিজাত কম্যুনিস্টদের শাসন। গরিবের কাছে কোনোদিন ক্ষমতা যায় না। গরিব কখনও ক্ষমতাশালী হয় না।

    শুনতে শুনতে তানিয়া সেন, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট কিছু বলতে চাইলে জেলা শাসক বললেন, শুনতে খারাপ লাগছে, কিন্তু এইটাই রিয়ালিটি। যে কোনো শাসন দ্যাখো, ক্ষমতায় গেলে গরিব তো বড়োলোক হয়ে ওঠে, ট্রাজেডি এখানেই, গরিবমানুষ শাসন করবে, এটা কখনও সত্য হতে পারে না। গরিবিয়ানা কখনও পাওয়ারের সংস্পর্শে যেতে পারে না।

    মজুমদার শুধু ঘাড় নেড়ে তার প্রভুকে সমর্থন জানাত। জেলা শাসকের প্রতিটি কথায় সে অভিভূত হয়ে পড়ত। সহকর্মী শুভময় সেন আমাকে বলত, দ্যাখ দ্যাখ, লেজ নাড়ছে কেমন।

    হুঁ। আমি সাড়া দিয়ে চুপ করে যেতাম। ভয় হতো, মজুমদার সব জেনে যাবে। কী করে জেনে যায় মজুমদার, তা আমাদের মাথায় ঢুকত না। মজুমদার বলত, ক্ষমতার সঙ্গে থাকলে বোঝা যায় সব, সেই ক্ষমতা আছে ক্ষমতার।

    কেউ কেউ বলত, ‘মজুমদার হলো জেলাশাসকের স্পাই। গুপ্তচর। কোথায় কে কী বলছে তা মজুমদারই স্যারের কাছে পৌঁছে দেয়।’

    কথাটা অসত্য মনে হত না। মজুমদারকে কখনও কখনও ভয়ই লাগত। অথচ সে প্রোমোটি অফিসার। সিনিয়রিটিতে আমাদের অনেক নীচে। কিন্তু সেবা-ধর্ম(!) তাকে সবার মাথায় নিয়ে গিয়ে বসিয়েছিল ধীরে ধীরে। উপরওয়ালার সেবা করেই যে ক্ষমতার ছিটোফোঁটা তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যায় তা মজুমদার আমাদের প্রতি মুহূর্তে দেখিয়ে দিত। কখনও কখনও আমাদের দিকে করুণার দৃষ্টিতে তাকাত। শুভময় সেনই শুধু বলত, সারমেয় ল্যাজ নাড়ে আবার তেড়েও আসে, এ শুধু ল্যাজ নাড়তে শিখেছে।

    জেলা শাসকের কথাগুলো কখনও ধ্রুব মনে হতো, কখনও মনে দ্বিধা আর প্রশ্নের জন্ম দিত। আমাদের এই জেলা শাসক মিঃ মল্লিক বলতেন, পাওয়ার অ্যান্ড পাওয়ার, একদিন পিপল বলবে, নো পোলিটিসিয়ান, নো পোলিটিকস। কিন্তু পাওয়ার তো কেউ না কেউ নেবে। কে নেবে? শোনো মজুমদার, পাওয়ার হচ্ছে বিউটিফুল ওম্যান, সি কান’ট লিভ অ্যালোন, সে কারও না কারওর কাছে থাকবেই, হু উইল এনজয় হার? ব্যুরোক্র্যাটস।

    মজুমদার ঘাড় নেড়ে বলত, ইয়েস স্যার, ইয়েস স্যার।

    শুভময় সেন আমার কানে কানে চাপা গলায় বলত, পাওয়ার হল ওর ওই ভলাপচুয়াস ভাগ্নীটা, শ্রীবাস্তবটাকে ও-ই খেয়েছে। টাইগ্রেস। কোনো কোনো রমণী এমন হয়। গিলে খেয়ে নেয় পুরুষকে। দ্যাখ দুজনে কেমন উঠে গেল পর পর।

    উঠে গেছে শ্রীবাস্তব আগে, তারপর শ্রেয়া। শ্রেয়া ছিল দেড় মাস। আমাদের সান্ধ্য সভায় তাকে ডেকে নিতেন স্যার মল্লিক। সে শুনবে কথাবার্তা, বুঝবে কীভাবে প্রশাসন চলে। তাকে সবই শেখাবে দেরাদুন ট্রেনিং সেন্টারে, কিন্তু তার আগে তো ইন্টারভিউ।

    শুভময় বলত, ফুর্তি করতে এসেছে মেয়েটা, মামার বাড়ি ভারি মজা কিল চড় নাই।

    আমাদের ভিতরে এই সব কথা হতো। তার ভিতরে কি আমাদের দীর্ঘশ্বাস থাকত না? এখন মনে হয় থাকত। হ্যাঁ, সেই গগন শ্রীবাস্তবও কম ছিল না। সেও সিভিল সার্ভিসের, অতিরিক্ত জেলা শাসক। তাকে গিলে নেবে কি শ্রেয়া চৌধুরী, দুজনেই যে দুজনকে গিলে ফেলার সামর্থ্য রাখত। সে-ই গগন ছিল ভীষণ পুরুষও। বলত, সে খাঁটি আর্য রক্ত বহন করছে তার ভিতরে। কার কাছে বলেছিল, ‘ব্যুরোক্র্যাটস আর পিওর আরিয়া, দে হ্যাভ অ্যাবসলিউট পাওয়ার টু রুল দিজ কানট্রি।’

    আর্যরাই পৃথিবী ভোগের অধিকারী। রমণী আর গোধনে তাদেরই অধিকার। গো-ধন এখন কাঞ্চন, ক্ষমতায় তা অধিকার করা সম্ভব। ক্ষমতাবান তার ক্ষমতাতেই অধিকার করে সব।

    মল্লিক সায়েবও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথাই তো বলতেন। নব ভারতের আর্য ব্যুরোক্র্যাটরা।

    তবে গগন শ্রীবাস্তবের মতো নিজেকেও তিনি আর্য রক্তের বলে দাবী করতেন না। তিনি ছিলেন সাদামাটা চেহারার মানুষ, পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি, গড় বাঙালির অধিক কিছু নন। মেধাবী ছিলেন, বুদ্ধিমান ছিলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অপরিমেয় ক্ষমতা ছিল তাঁর। স্টেট সার্ভিস থেকে সিভিল সার্ভিসে উন্নীত হয়েছিলেন। এখন মল্লিক সায়েবের কোনো খবর পাই না। শুনেছিলাম অবসরের পর তিনি কোনো একটা বড়ো কোম্পানির অ্যাডভাইসার ছিলেন। একবার ইলেকশনে দাঁড়িয়ে হেরেছিলেন। আমি সমস্তজীবন আমার মতো ক্ষমতা এনজয় করেছি। যার যতটুকু ক্ষমতা তা ব্যবহার করেই সে জীবনটাকে গুছিয়ে নিতে পারে। আমিও তো স্টেট সার্ভিসে ছিলাম। সরকারের কেরানিরও ক্ষমতা থাকে কম নয়। যে কেরানির যত বুদ্ধি সে তত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠে। যেমন ছিল আমাদের মজুমদার, প্রমোশনে প্রমোশনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। জেলার কর্তা আর উপরওয়ালাদের সার্ভিস দিয়ে দিয়ে ক্ষমতা অসীম। মজুমদারই শেষ কথা। মজুমদারকে ধরলে ডি. এম, এ.ডি.এমরা সব কাজেই হঁযা করেন। মজুমদারকে আমরা ঈর্ষা করতাম। আড়ালে বলতাম, ডিয়েমের ঝাড়ুদার। মজুমদার তা জানত, হাসত। বলত, আমি জানি কী করছি, গভর্মেন্ট সার্ভেন্ট মানে উপরওয়ালার সার্ভেন্ট, এটা সকলেই জানে, কিন্তু সার্ভিস দেওয়ার ক্ষমতা সবার নেই, সায়েবের কাছে গিয়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতাই নেই।

    সেই মজুমদার এখন কোথায় জানা নেই। পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি লম্বা, রোগাটে গড়ন, ধূর্ত দুটি চোখ, সাজ-পোশাকে সবসময় ফিটফাট, শীতের সময় দামী স্যুট, গরমে দামী কাপড়ের হাওয়াই শার্ট, ট্রাউজার্স, দামী শ্যু, তখনই বাটা কোম্পানির অ্যাম্বাস্যাডর পরত মজুমদার। ভোরবেলা থেকে তার কাজ আরম্ভ হতো। কালেক্টরেটের একটি গাড়ি তার সঙ্গে জুড়ে থাকত সব সময়। মজুমদার সেই গাড়িতে চেপে সায়েবদের ঘুম ঠিক হয়েছে কিনা সেই খোঁজ নিতে বাংলোয় হাজির। হাসি মুখ, সায়েবের গিন্নির অনুরোধ মতো বড়ো বড়ো কাঁকড়া নিয়ে এসেছে বাজার থেকে কিনে। কিন্তু দাম নেবে না। তখন সায়েব বলবেন, নাজিরখানা থেকে নিয়ে নিয়ো মজুমদার। বড়ো সায়েব বলেন। ঘাড় কাত করে মজুমদার। এবার সে যাবে মেজ সায়েব গগন শ্রীবাস্তবের বাড়ি।

    ”গুড মর্নিং স্যার, বলে দিয়েছিলাম সকালের ভিতর যেন আপনার বাংলোয় গরু নিয়ে এসে সামনে দুধ দুইয়ে দিয়ে যায়, বাচ্চার দুধ, ভেজাল হলে ফাটকে ভরে দেব।” বলতে বলতে মজুমদার হাসতে থাকে। মেজ সায়েব অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট গগন শ্রীবাস্তব, বিহারে বাড়ি, আর্যপুত্র। খাঁটি গোরুর দুধ খেয়ে বড়ো হয়েছেন, ওই সব প্যাকেটের দুধ কেন তাঁর বাচ্চা খাবে? তা দুধের শিশুর দুধের জন্য একটি গোরু কিনে নেবেন বলেছিলেন, মজুমদার তা সংগ্রহ করে দেবে বলেছিল, কিন্তু সায়েবের সুন্দরী স্ত্রী না করেছেন, গরু রাখা যাবে না বাংলোর পিছনে। পরিবেশ নষ্ট হবে। অগত্যা সেই মজুমদারই ভরসা। সায়েবের একটিই সন্তান, তাঁর ইচ্ছা খাঁটি গোরুর দুধ খাওয়াবেন তার পুত্রকে, তা না হলে আর্য-রক্ত তৃপ্ত হয় না। মজুমদার ব্যবস্থা করেছে। ক্ষমতা অর্জনের একটি পথ মজুমদার আমাদের দেখিয়েছিল। আরও শিখিয়েছিল বড়ো সায়েবের ক্ষমতা বড়ো সায়েব কী ভাবে অধঃস্তন অফিসারকে ডেলিগেট করেন। বিলি করেন তাঁর ভার কমানোর জন্য। ক্ষমতা ভোগের নিয়ম হলো একটু একটু সুতো ছাড়া। সুতোর মূল তোমার কাছে রেখে, একটু ছেড়ে দাও, তাহলে তোমার ক্ষমতা মূলের চেয়েও বেশি হয়ে যাবে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএখন মৃত্যুর ঘ্রাণ – অমর মিত্র
    Next Article স্বাধীন বঙ্গভূমি গঠনের পরিকল্পনা : প্রয়াস ও পরিণতি – অমলেন্দু দে

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }