Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মান্না দে – সম্পাদনা অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤷

    ‘শেষ বিচারের আশায়’ আমার জীবনের হাসি-কান্নার সঙ্গেই জড়িয়ে গেছে

    সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্তর সঙ্গে কবে, কীভাবে আপনার পরিচয় হয়েছিল?

    মান্না দে: সে তো বহুকাল আগের ঘটনা৷ গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শেষদিকে৷ এইচ এম ভি-র পুজোর রেকর্ড প্রকাশ উপলক্ষেই পরিচয়৷ তখন তো পুজোর গানই প্রধান ছিল৷ শিল্পী ও শ্রোতা— উভয়পক্ষের কাছেই তার একটা অন্য ভ্যালু ছিল৷ বড় সাইজের রেকর্ড, দুটো মাত্র গান নিয়ে সেই রেকর্ড প্রকাশিত হত৷ একেবারে দিনক্ষণের হিসেব এখন আর মনে নেই৷ বাড়িতে এসে সুধীন গানের রিহার্সাল করেছিলেন এবং যথাসময়ে পুজো সংখ্যার গান বেরিয়েছিল৷ সেই শুরু৷ সারা বছরে মাত্র দুটো গান৷ অন্য সময়ে গানের রেকর্ড প্রকাশের জন্য যে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন হত, তা আমি কখনও নিইনি, নেওয়া পছন্দও করতাম না৷ তাছাড়া তখন বোম্বেতে ব্যস্ত থাকতাম৷ এইচ এম ভি ডাকলে এসে গান করে চলে যেতাম৷ এইচ এম ভি-র তরফ থেকেই আমাকে অনুরোধ করা হয়েছিল আমি যেন ওঁর সুরে পুজোর গান করি, করেছিলাম৷ তখন শুনেছিলাম, উনি ভাল সুর করেন, লেখেনও ভাল৷ সেই থেকে আমাদের পরিচয়৷

    রেকর্ড প্রকাশের সন-তারিখ অনুযায়ী সুধীনবাবুর সুরে সেই দুটি গান (‘একই অঙ্গে এত রূপ’/’মেঘলা মেয়ে মেঘেরই’) ১৯৫৯-এর পুজোয় বেরিয়েছিল৷ দুটি গানই তো সুপারহিট হয়েছিল…

    মান্না দে: হ্যাঁ, দুটো গানেরই কথা ও সুর ভাল ছিল৷ আর শিল্পী হিসেবে আমি তো সব গানই আন্তরিক যত্নের সঙ্গে গাইবার চেষ্টা করতাম৷ সেইভাবে বলতে গেলে শিল্পী হিসেবে আমার প্রস্তুতি, শিক্ষা তেমনই ছিল৷ আমার কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দে আমাকে সেইভাবেই তৈরি করেছেন৷ তিনি নিজে ধ্রুপদ থেকে কীর্তন পর্যন্ত সব ধরনের গান করতেন, সব গানেই তিনি ছিলেন মাস্টার৷ সেই শিক্ষা থেকেই সব হয়েছে৷

    সুধীন দাশগুপ্তর সুরে তো আপনি বাংলা বেসিক রেকর্ডে আরও কয়েকটি অবিস্মরণীয় গান গেয়েছেন…

    মান্না দে: সেগুলো কয়েক বছর পরে, ষাটের দশকের শুরুর দিকে৷

    ১৯৬২-র সেই গান দুটোর কথা একটু অন্যরকম ছিল— ‘চার দেওয়ালের মধ্যে নানান দৃশ্যকে’ আর ‘একঝাঁক পাখিদের মতো কিছু রোদ্দুর’, সেই গান দুটোও প্রবলভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল…

    মান্না দে: হ্যাঁ, একটু অন্য ধরনের কথা নিয়ে গান৷ ‘একঝাঁক পাখিদের মতো কিছু রোদ্দুর’ গানটা আমার মনকে ততটা স্পর্শ করেনি, কিন্তু অন্য গানটা মানে ‘চার দেওয়ালের মধ্যে নানান দৃশ্যকে’ গানটি কিন্তু— ইট হ্যাজ অ্যাপিলড টু মি কোয়াইট এ লট৷ গানের সাবজেক্ট ম্যাটার অ্যান্ড দি ওয়ে ইট ওয়াজ এক্সপ্রেসড থ্রু দি ওয়ার্ডস— আমার খুবই ভাল লেগেছিল৷

    বাংলা সিনেমার গানের প্রসঙ্গে পরে আসছি৷ বেসিক রেকর্ডে সুধীন দাশগুপ্তর সুরে…

    মান্না দে: ওঁর গানের সুরে বৈচিত্র্য থাকত৷ ষাট দশকের শেষদিকে গেয়েছিলাম ‘আমি তার ঠিকানা রাখিনি’ আর ‘কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়’, দুটো গানই ছিল পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, সুর সুধীনের৷ তা সেই গান দুটোও শ্রোতাদের ভাল লেগেছিল৷

    সুধীন দাশগুপ্তের সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলা চলচ্চিত্রে আপনার প্রথম গান গাওয়া…

    মান্না দে: সেটাও ওই পঞ্চাশের দশকে শুরু হয়েছিল৷ ছবির নাম ‘ডাকহরকরা’, মনে আছে গানগুলো লিখেছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং৷

    অনেকে বলেন ক্লাসিক্যাল গানের স্বীকৃত দক্ষতা ছাড়া আপনার গলায় যে ‘ফোক এলিমেন্ট’ আছে তা বাংলা ছায়াছবিতে সুধীন দাশগুপ্ত প্রথম যেভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন তেমনভাবে আর কেউ…

    মান্না দে: এইভাবে বলাটা বোধহয় ঠিক নয়৷ তুলনা না করাই ভাল৷ সুধীনের সঙ্গে ‘ডাকহরকরা’-তে কাজ করার আগেও কিন্তু আমি সিনেমায় ফোক অঙ্গের গান করেছি৷ সলিলের সুরে ‘দো বিঘা জমিন’-এ যে গান গেয়েছিলাম, তাতেও কি ফোক এলিমেন্ট ছিল না? আগেই বলেছি, প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে আমি যে-কোনও গানের জন্য প্রস্তুত থেকেছি, যাতে সঙ্গীত পরিচালকরা আমার যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে পারেন৷ আমি ‘আও টুইস্ট করেঁ’ যেমন গেয়েছি, তেমনি ‘লাগা চুনরি মে দাগ’ও গেয়েছি৷ ভার্সেটাইল সিঙ্গার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়৷

    কিন্তু বাংলা সিনেমায় ‘ডাকহরকরা’র আগে কি আপনাকে দিয়ে…

    মান্না দে: সুধীনবাবু অভিজ্ঞ এবং গুণী মানুষ ছিলেন৷ সুধীনবাবুই বাংলা গানের জগতে প্রথম মানুষ, যিনি আমায় প্রথম থেকেই ঠিক ঠিক বুঝেছিলেন৷ ক্লাসিক্যাল থেকে ফোক ও ওয়েস্টার্ন মিউজিকের আঙ্গিকে তৈরি যে-কোনও গান যে-কোনও স্কেলে ফেলে গেয়ে দিতে পারি, গানের সূক্ষ্ম অলঙ্কার নিখুঁতভাবে কাজে লাগাতে পারি তা তিনি বুঝেছিলেন৷ ‘ডাকহরকরা’ ছবির সব গানেই একটা আলাদা আবেদন আছে৷ বিশেষ করে ওই ‘ওগো তোমার শেষ বিচারের আশায়’ একেবারে বুকের ভেতর মোচড় দেওয়া গান৷

    এই গানটাকে নিয়ে আরও অনেক স্মৃতি আছে৷ অনুষ্ঠানে গানটা গাইতে শুরু করলে কেঁদে ফেলতেন রাধুবাবু, মানে জাদুকর তবলিয়া রাধাকান্ত নন্দী৷ ধরা গলায় বলতেন, ‘গায়েন না, মান্নাদা গায়েন না গানটা৷ আমি বাজাইতে পারতাছি না৷ এই গানটা শুনলেই যেন ভিতরটা ক্যামন কইরা ওঠে, মান্নাদা, নিজেরে য্যান সামলাইতে পারি না৷’ উনি সত্যি সত্যিই তখন রুমাল দিয়ে চোখ মুছতেন৷ শুনেছি তারাশঙ্করবাবু নিজেও নাকি গানটা বারবার শুনতে চাইতেন৷ সিনেমায় গানটা প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শান্তিদেব ঘোষের লিপে আছে৷ ছবিতে উনি একজন বাউল৷ কিন্তু সুধীনবাবু সুর তৈরির পর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গানটা আমিই গাইব৷ অথচ শান্তিদেব ঘোষেরও ইচ্ছে, উনি গানটা গাইবেন…৷ শেষ পর্যন্ত সুধীনবাবু আমাদের দু’জনকে নিয়ে বসেছিলেন৷ আমার গাইতে বললে আমি গানটা গাইলাম৷ তখন শান্তিদেব নিজেই বলে উঠলেন— ‘না, এটা মান্নাবাবুই গাইবেন, উনি সত্যিই ভাল গাইলেন গানটা৷’

    আপনাদের পরিচয় তো বম্বেতেই হয়েছিল…

    মান্না দে: হ্যাঁ, গীতা দত্তই সুধীনের কাজে মুগ্ধ হয়ে বম্বেতে নিয়ে গিয়েছিল৷ গুরু দত্তের ছবিতে কাজ করার জন্য৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য সুধীনের বম্বেতে কাজ করার সুযোগ ঘটেনি৷ কিন্তু সুধীন কলকাতায় ফিরে এসে বোধহয় ভালই করেছিলেন৷ বাংলা সিনেমার ওঁকে দরকার ছিল৷ বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে সুধীনবাবু নিশ্চয় একজন খুবই সফল সঙ্গীত পরিচালক৷ ‘ডাকহরকরা’র কথা তো আগেই বললাম৷ অনেক নতুন ধরনের সুর তৈরিতে উনি অনেক পরীক্ষামূলক কাজও করতেন৷ আমাকে দিয়েই অনেক নতুন ধরনের গান করিয়েছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সেই গানগুলো হিট হয়েছে৷ ‘তিনভুবনের পারে, ‘প্রথম কদম ফুল’, ‘বসন্তবিলাপ’— এমন অনেক ছবির গান আছে যার বৈচিত্র্য ওঁকে আলাদা করে রেখেছে৷ অত্যন্ত গুণী মানুষ ছিলেন৷

    সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও মানুষ সুধীন দাশগুপ্ত সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে আপনি কী বলবেন?

    মান্না দে: হি ওয়াজ এ ভেরি ফাইন, পলিশড পার্সন৷ শিক্ষিত ও বিনয়ী মানুষ ছিলেন৷ একসময় ওঁর বাড়িতে গিয়েও খাওয়া দাওয়া করেছি৷ আড্ডাও জমত খুব৷ ওঁর স্ত্রী মঞ্জু— শি ওয়াজ এ সুইট লেডি৷ ওঁদের বাচ্চাদের সঙ্গেও প্রচুর গল্প হত সেই সময়৷

    বাংলা গানের ক্ষেত্রে আমার সাফল্যের একটা বড় অংশের কৃতিত্ব নিশ্চয় সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্তর প্রাপ্য৷ বাংলা সিনেমায় আমি অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছি, যা সঙ্গীত পরিচালক সুধীনবাবুর তৈরি৷ সেই তালিকা সত্যিই দীর্ঘ৷ সুধীন গান লিখতেন, নিজেই সুর দিতেন, ঠিক যেভাবে উনি এক্সপ্রেশন দিতেন তাতে মনে হত যেন আমি চোখের সামনে গানের বক্তব্যটা দেখতে পাচ্ছি৷ সেইজন্য সুধীনের গান করতে আমার খুব ভাল লাগত৷

    একটা-দুটো উদাহরণ দেবেন?

    মান্না দে: অনেক উদাহরণই দেওয়া যায়৷ যেমন ধরুন, ‘ছদ্মবেশী’ ছবির গান৷ ‘আমি কোন পথে যে চলি/কোন কথা যে বলি/তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেড়াই মনের চোরা গলি’— গানটা ছবির সিচুয়েশন অনুযায়ী কতটা উপভোগ্য হয়েছিল তা তো সকলেই জানেন৷ কিন্তু সুরকার ও শিল্পী হিসেবে আমি গানটায় সুধীনের লেখা এবং সুরের চলনে স্ক্যানিংয়ের বিশেষ প্রশংসা করব৷ রেকর্ডিংয়ের সময়েই আমি জানতাম— কারও কিছু করার নেই, গানটা যেভাবে লেখা ও সুর দেওয়া হয়েছে তা আমি গাইলেই গানটা হিট হয়ে যাবে৷ হয়েওছিল তাই৷ ছবিতে অন্য যে গানটা সেটাও যথেষ্ট মজার ছিল৷ ‘বাঁচাও কে আছো মরেছি’ শুনে আনন্দ পাননি এমন কেউ আছেন কিনা আমি জানি না৷

    সুধীনের ছবিগুলোতে গাওয়া গানের লিস্ট খেয়াল করে বলতে গেলে কথা শেষ হবে না৷ ‘হার মানা হার’ ছবিতে সুধীনের লেখা ও সুর দেওয়া ‘এসেছি, আমি এসেছি’ আর একটা চমৎকার উদাহরণ৷ আই হ্যাভ অ্যারাইভড, আই হ্যাভ কাম… কী ওয়ান্ডারফুল, মিনিংফুল লেখা ও সুর দেওয়া৷ তিনি গানের সিচুয়েশন অত ভালভাবে ভাবতে পারতেন, সেই ভাবনাকে সুরে জীবন্ত করে তুলতে পারতেন— এইসব কোয়ালিটি না থাকলে কি কেউ সুধীন দাশগুপ্ত হয়? হি ওয়াজ এ গ্রেট আর্টিস্ট ইনসাইড৷

    বাংলা সিনেমায় উত্তমকুমারের মুখে আপনার গান গাওয়া— সেই ঘটনাও তো সুধীন দাশগুপ্তের সুরে…

    মান্না দে: হ্যাঁ, সেটা শুরু হয়েছিল ‘শঙ্খবেলা’ ছবি থেকে৷ যতদূর মনে পড়ছে, সেটা ছিল ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়৷ অনেক অপ্রীতিকর কথা জড়িয়ে আছে ‘শঙ্খবেলা’ ছবিতে গাওয়া নিয়ে৷ সব বলতে গেলে… কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে পড়তে পারে৷ এইসব ক্ষেত্রে বিচিত্র সব কথাবার্তা হয়, হয়েছিল৷ উত্তমকুমারের মুখে গান গাওয়ার ইচ্ছে খুব স্বাভাবিকভাবে আমারও ছিল৷ সুধীনবাবুই আমাকে দিয়ে উত্তমকুমারের মুখে দুটো গান গাওয়ার প্রস্তাব বম্বেতে পাঠিয়েছিলেন৷ কিন্তু তারপরেই নানা কথা হয়৷ কিন্তু আমি জানি আই ওয়াজ নট দি ওনলি আর্টিস্ট কনসিডার্ড ফর দোজ টু সঙস…৷ বাঙালিদের মধ্যে এই ধরনের আলোচনা হয়, শুধু বাঙালি কেন গোটা ভারতের সব সঙ্গীত পরিচালকের মধ্যেই গায়ক-গায়িকা নির্বাচন নিয়ে নানা স্বার্থগন্ধী কথাবার্তা হয়৷

    কথাগুলো আমি এইভাবে এইজন্য বলছি যে কলকাতা বা বোম্বে যেখানেই হোক এই ধরনের পরিস্থিতিতে আমাকে চিরকালই ফাইট করতে হয়েছে, সেইজন্যই মনে মনে অনেক বিটারনেস জমেছে৷ তবে সেইসব যুদ্ধে আমি হেরে গেছি তা বোধহয় সত্যি নয়৷ সত্যি হলে নিশ্চয় শেষ পর্যন্ত আমিই গায়ক হিসেবে নির্বাচিত হতাম না৷ একে নয়, ওকে দিয়ে গাওয়াব ইত্যাদি ধরনের কথাবার্তা সিনেমা জগতেই চালু আছে, চিরকালই ছিল৷ কত উদাহরণ দেব! ‘বসন্তবাহার’ ছবিতে মিউজিক ডিরেক্টর শঙ্কর-জয়কিষাণ যখন ‘সুর না সাজে, কেয়া গাঁউ ম্যায়, সুর বিনা জীবন শুনা’ তৈরি করল, তখন তার ইচ্ছে গানটা আমিই গাই, কিন্তু অন্যদের অন্য ইচ্ছে৷ প্রবল মতবিরোধ৷ কারণ তার আগে রফি একটা বিরাট হিট গান গেয়েছে৷ তখনকার দিনে হিন্দি সিনেমার একজন টপ হিরো ভারতভূষণের মুখে নৌশাদের সুরে সেই গানটা ছিল ‘মন তড়পত হ্যায় হরি দরশন লিয়ে’ ছবি ‘বৈজুবাওরা’৷ এখন ঘটনা হচ্ছে ‘বসন্তবাহার’ ছবিটা ছিল ভারতভূষণের দাদা শশীভূষণের৷ সে শঙ্কর-জয়কিষাণকে বলল, ‘না না এই গানটাও মহম্মদ রফিই গাইবে৷’ কিন্তু সঙ্গীত পরিচালক একেবারে নিজের সিদ্ধান্তে অনড়, সে বলল— ‘ইয়ে গানা হাম মান্না ডে সে গাওয়েঙ্গে’, শশীভূষণ বলল, ‘কিঁউ ভাই, ইয়ে গানা মহম্মদ রফি নেহি গা সকতে?’ জবাবে সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক শঙ্কর, যে গানটা তৈরি করেছিল সে বলেছিল, ‘নেহি গা সকতে, হাম জিস ঢঙসে চাহতে হেঁ নেহি গা সকতে৷’ তা এমন করে প্রযোজকের মুখের ওপর বলার মতো গাটস ক’টা লোকের থাকে?

    শচীনদা, একবার করেছিলেন এমন কাণ্ড৷ ‘বাত এক রাত কি’ ছবিতে একটা গান ছিল ‘আরে, কিসনে ছিলমন সে মারা মুঝে’৷ গানটা তৈরি করার পর শচীনদা বললেন, ‘এ তো মান্নার গান, মান্না গাইবে৷’ গানটা ছিল জনি ওয়াকারের মুখে, তার মুখে রফির অনেক হিট গান আছে৷ সে শুনে বলল— ‘ইয়ে ক্যায়সে? হামারা গানা তো রফিসাব গাহতে হেঁ, রফিসাব গায়েঙ্গে৷’ শচীনদা নির্বিকার৷ বললেন— ‘রফিসাব গাইবে না, এটা মান্নার গান, মান্নাই গাইবে৷’ জনি ওয়াকার কথাটা মানল না, সে ছুটে গেল প্রাোডিউসারের কাছে৷ প্রাোডিউসার ছিল জ্ঞান মুখার্জির ভাই৷ সেখানে গিয়ে জনি ওয়াকার বলল— ‘ভাই হামারে ইয়ে গান মান্না দে গানে সে হাম নেহি গায়েঙ্গে, রফিসাব সে গানা গাওয়াও৷’ প্রাোডিউসার ছুটে এসে শচীনদাকে বললে— ‘জনি ওয়াকার এ কী বলছে’৷ তখন শচীনদা সোজা তার মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘তাহলে এক কাজ করো, তোমার রফি মিয়াঁকে দিয়েই গানটা করাও, আর মিউজিক ডিরেক্টরও অন্য লোককে নিও, আমি করব না এই ছবির সুর৷’ শেষ পর্যন্ত কিন্তু গানটা আমিই গেয়েছিলাম৷

    এত কথা কেন এসে গেল তার নিশ্চয়ই কিছু কারণ আছে৷ ‘শঙ্খবেলা’ ছবির একটা গান ছিল একেবারে নায়কের গলায় রোমান্টিক গান৷ ডুয়েট গান৷ সঙ্গে নায়িকার গলায় গানটি লতাকে দিয়েই গাওয়াতে চান— এমন বলেছিলেন সুধীনবাবু৷ কিন্তু কাজটা সহজে ঘটেনি৷ ‘শঙ্খবেলা’ ছবিটার জন্য সুধীন যখন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তখন বাংলা ছবির অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব সুধীনের সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছিলেন৷ একে উত্তমবাবুর মুখে গান, তার ওপর রোমান্টিক গান, কী করে এমন অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন উনি ইত্যাদি ধরনের কথা হয়েছিল৷ শুনেছিলাম স্বয়ং উত্তমকুমারও নাকি প্রথমে রাজি ছিলেন না৷ কিন্তু ওঁকে বুঝিয়ে বলেছিলেন সুধীন নিজেই৷ পরে অবশ্য গানের রেকর্ডিং শুনে উনি খুশিই হয়েছিলেন বলে শুনেছি৷

    তখনকাল দিনে বম্বেতে যখন-তখন রেকর্ডিং করানো যেত না৷ স্টুডিওর ডেট পাওয়া রীতিমতো সমস্যা ছিল৷ অ্যাডভান্সড বুকিং থাকত৷ লতাকে গাওয়াতে রাজি করেছিলাম আমিই৷ গানের রিহার্সাল পর্ব পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল৷ এখানে একটা কথা বলে রাখি, কী করে এবং কেন শেষ পর্যন্ত গান দুটো আমিই গাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম, তা কিন্তু আমি নিজেই জানি না৷ বোধহয় সুধীনবাবুর নিজের সিদ্ধান্তই বড় ভূমিকা নিয়েছিল৷

    তবে বিঘ্ন ঘটেছিল অনেক৷ বহু চেষ্টার পর একটা স্টুডিওর ডেট পাওয়া গেল৷ কিন্তু সেই দিনই লতার শরীর খারাপ হয়ে পড়ল৷ আর কোনও ডেট পাওয়া যাচ্ছে না৷ স্বাভাবিকভাবেই সুধীনের পক্ষে দিনের পর দিন বম্বেতে বসে থাকা সম্ভব নয়৷ অবশেষে মেহবুব স্টুডিওর সাউন্ড-রেকর্ডিস্ট কৌশিকসাহেব নৌশাদের একটা রেকর্ডিংয়ের দিনের খবর দিলেন৷ নৌশাদসাহেব খুবই উদার চরিত্রের মানুষ ছিলেন, অন্যের সুবিধা-অসুবিধার কথাও ভাবতেন৷ ওঁর একটা জরুরি রেকর্ডিং ছিল এবং সেটা শুরুর সময় সকাল ১১টা৷ জানালেন তার আগে আমাদের রেকর্ডিং শেষ হলে তাঁর আপত্তি নেই৷ লতাকেও সেই অনুযায়ী স্টুডিওতে আসতে অনুরোধ করলাম৷ মিউজিশিয়ানরাও আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছিলেন৷ সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এই যে গানটা আমি আর লতা একটা টেক-এ ও কে করে দিয়েছিলাম৷

    নৌশাদসাহেব তো গানটা শুনে খুব খুশি, বলেছিলেন— ‘বেহেতরিন গায়া আপনে মান্না দে সাব৷ অ্যায়সা হিন্দি গানা কিঁউ নেহি হোতে৷’

    সুধীন দাশগুপ্তের সঙ্গে তো আপনি বহুদিন ধরে নানা ধরনের কাজ করেছেন…

    মান্না দে: হ্যাঁ, বেসিক রেকর্ড, সিনেমার গান ছাড়া ছোটদের গীতিনাট্যেও গান গেয়েছি৷ পারস্পরিক সম্মান, শুভেচ্ছার সম্পর্ক ছিল, হি ওয়াজ এ নাইস পার্সন৷ আবার বলি, বাংলা গানের গায়ক হিসেবে আমার জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে সুধীনের অবদান আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গেই মনে রেখেছি৷

    শেষ কথা হিসেবে কিছু বলবেন?

    মান্না দে: শেষ কথা হিসেবে আলাদা করে আর কী-ই বা বলব! বলতে গেলে তো সেই ‘ওগো তোমার শেষ বিচারের আশায়’-এর কথাই বলতে হয়৷ আমার কাকা, আমার চিরজীবনের গুরু কৃষ্ণচন্দ্র দে মারা গিয়েছিলেন ১৯৬২-র নভেম্বরে (২৮ নভেম্বর)৷ তিনি যখন প্রায় মৃত্যুশয্যায়, তখন তিনি প্রায়ই গানটা শুনতে চাইতেন, বলতেন— ‘মান্নার ওই শেষ বিচারের আশায় গানটা লাগিয়ে দাও তো’৷ শেষ বিচারের আশাতেই তো আমাদের বসে থাকতে হয়৷ এই জীবনের পাওনা-দেনা সবই তখন তুচ্ছ৷ সুধীনবাবুর ‘শেষ বিচারের আশায়’ গানটা আমার জীবনের হাসি-কান্নার সঙ্গেই জড়িয়ে গেছে৷

    শ্রদ্ধেয় মান্না দে-র এই সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিল গত ৮ জুলাই, ২০০৮ শিল্পীর কলকাতার বাড়িতে (৯ মদন ঘোষ লেন, কলকাতা- ৭০০ ০০৬)৷ আজকাল-এর পক্ষে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন অলক চট্টোপাধ্যায়৷

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার
    Next Article বেগম আখতার – অলক চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }