Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার কৌটো – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প143 Mins Read0
    ⤷

    সোনার কৌটো – ১

    ১

    খবরটা জবর বটে।

    কানাকানি করবার মতই।

    ফুলপুরের পাড়ায় পাড়ায় রটে গেল খবরটা বেশ একখানি বিস্ময়ের বাহন হয়ে।

    চাটুয্যে বাড়ির শশীতারা শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছেন!

    একজনের মুখ থেকে অনেক জনের কানে। আর কান থেকেই কানাকানি।

    ব্যাপারটা কী?

    হঠাৎ শ্বশুর বাড়ি?

    শ্বশুর বাড়ি মানেটাই বা কী?

    শশীতারার যে একটা শ্বশুর বাড়ি ছিল, তাই তো ভুলে গিয়েছিল লোকে। কম বয়সীরা তো জানেই না শশীতারার কোনো দিন বিয়ে হয়েছিল। নেহাৎ বুড়োরা ছাড়া ফুলপুরের সব্বাই এই একই মূর্তিতে দেখছে শশীতারাকে! বুড়িটুড়িরা বলে শশীতারার নাকি কাঁচা সোনার মতো রং ছিল, একতাল মেঘের মত চুল ছিল। তা’ চুলগুলো কবে যেন প্রয়াগে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে বিসর্জন দিয়ে এসেছিলেন শশীতারা। আর রংটাকে বিসর্জন দিয়েছেন, আচার আমসত্ব, বড়ি আমসি, আর ডাহা ডাহা নির্জলা উপোসের বিচিত্র সঙ্গমে।

    দীর্ঘকালাবধি যে মূর্তি সবাই দেখেছে, সে হচ্ছে ঠকঠকে চ্যাঙা গড়নের চেহারা। মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা, রোদে জ্বলা তামাটে রং, আর তীক্ষ্নধার একখানি মুখ। ওই ধারালো ভঙ্গীটা শুধু মুখের কাটুনিতেই নয়, মুখের ভাষাতেও।

    চাটুয্যে বাড়ির বড়কর্তার বড় মেয়ে এই শশীতারাকে এখন আর দিদি ঠাকরুণ বলবার লোকও নেই, সবাই বলে শশীঠাকরুণ। ওতে সম্পর্কের হিসেব কসাটা বাঁচে। বয়স্করা কেউ কেউ সামনা সামনি কথা বলতে পিসিমা বলে, কিন্তু আড়ালে ওই শশীঠাকরুণ।

    শশীঠাকরুণকে কেউ নাকি মটকা তসর গরদ ছাড়া সুতি থান পরতে দেখেনি। উদয়াস্ত ওই তাঁর সাজ। তা’ছাড়া গামছা আছে। রাত্রে যে ঘণ্টা কয়েক তিনি বিছানায় দেহ পাতেন, সে নাকি নিজেকে ওই গামছার আবরণেই মুড়ে।

    বিধবা হলেই যে একেবারে সর্বহারা মূর্তিতে সংসারে চরে বেড়াতে হবে, এমন ব্যবস্থা এ যুগে আর নেই, কিন্তু শশীতারার বৈধব্যের আমলে ছিল। কারণ সেই আমলটা ছিল ষাট বছর আগে।

    বিয়েটাও সেই একই সনে।

    ন’বছর বয়সেই বিয়ে এবং বৈধব্য দুই সেরে শশীতারা তাঁর জন্মভিটেয় সেই যে শেকড় গেড়ে বসেছিলেন, তীর্থটীর্থ ব্যতীত আর কোথাও নড়েননি।

    শশীতারার সেই বিয়ে এবং বৈধব্যের কালে তাঁর ঠাকুর্দা অঘোর চাটুয্যে বেঁচে ছিলেন, যাঁর প্রতাপে প্রজাবর্গ নাকি বাপের নাম ভুলে যেত। আর যাঁর দাপটে নাকি সেই বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল যাওয়ার প্রবাদটা সর্বদা উল্লেখ করা হতো।

    প্রথম পৌত্রী শশীতারাকে ন’ বছরেই কায়দা করে ফেলেছিলেন অঘোর চাটুয্যে, যাতে মেয়েটা কোনো ক্রমেই না চৌদ্দপুরুষকে নরকস্থ করে বসে।

    তা’ মেয়েটা উল্টো দিকে ক্ষমতা দেখালো।

    বিয়ের বছর না ঘুরতেই বরটাকে স্বর্গে পাঠিয়ে দিলো। তখনো শশীতারা ফুলপুরেই খোসমেজাজে পাড়া বেড়িয়ে বেড়াচ্ছে, ঠাকুমার কুলের আচার চুরি করে এনে বান্ধবীদের বিলোচ্ছে, সাঁতরে দীঘির এপার ওপার করছে। আর গিন্নীদের কাছে বকুনি খাচ্ছে, এতো দস্যি মেয়ে! পরের ঘরে গিয়ে কী হবে তোমার?

    শশীতারা গাছে চড়ে কাঁচা আম ঠেঙাচ্ছিল, সেই সময় নাকি খবরটা এসেছিল। কিম্বদন্তী আছে—শশীতারার পিসী শশীতারাকে ঠেঙিয়ে গাছ থেকে পেড়ে আনতে অক্ষম হয়েছিলেন। পিসী তাকে নামিয়ে তার কপাল এবং নিজের কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে ঘাটে গিয়ে পড়ে যখন ভাইঝির বৈধব্যকৃত্য সম্পাদন করছিলেন, তখন নাকি শশীতারা পিসিকে বেশ জোর গলায় বলেছিল, বেশ হয়েছে, খুব হয়েছে, পরের ঘরে গিয়ে তোর কী দশা হবে রে—বলে খিঁচোতে এসো এবার? আর তো যেতে হবে না পরের ঘরে! লবডঙ্কা!

    তা’ শশীতারার সেই শৈশবটা তো এখন ইতিহাসের কোঠায়। এ কিম্বদন্তীও তো শোনা যায়, শশীতারার উনত্রিশ বছরের বাবা অভয় চাটুয্যে জামাইয়ের মৃত্যু সংবাদে এতো বিচলিত হয়ে গিয়েছিল যে বলে বসেছিল, ও বিয়ে বিয়েই নয়, আমি তো সম্প্রদান পর্যন্ত করিনি। শশীর আবার বিয়ে দেব।

    অঘোর চাটুয্যে বলেছিলেন, আর কটা দিন অপেক্ষা করো, আমি মরলে একেবারে দুটি পাত্র দেখো। একটি মেয়ের জন্যে। আর একটি গর্ভধারিণীর জন্যে। বিধবা বিয়েটা এই ফুলপুরে রেওয়াজ করিয়ে দিয়ে কীর্তিরাখা কাজ কোরো।

    এসব অবশ্য সবই শোনা কথা, এখন যারা আছে, তারা শশীঠাকরুণকে ওই একই অবস্থায় দেখেছে। ঠাকুর্দার মতই প্রতাপ, ঠাকুর্দার মতোই দাপট। জ্ঞাতি গোত্রে পল্লবে বিরাট চাটুয্যে গোষ্ঠীর তিনিই গার্জেন।

    শুধু তাই বা কেন, সমগ্র ফুলপুরেই গার্জেন তিনি।

    সুখে দুঃখে, বিপদে, সম্পদে, রোগে শোকে, সবাই ছুটে আসে শশীঠাকরুণের কাছে। তিনিও ছুটে যান সবাইয়ের কাছে। ফেরার পথে একটা ডুব দেবার ওয়াস্তা বৈ তো নয়।

    শশীতারা ফুলপুরের হৃদযন্ত্র।

    এই শশীতারা কিনা হঠাৎ শ্বশুরবাড়ি যাবার বন্দোবস্ত করছেন।

    যুগীগিন্নী ননীবালা কেঁদে এসে পড়লো, আমার নাতনীটা এই এখন তখন, আর এই সময় তুমি গাঁ ছেড়ে চলে যাচ্ছো ঠাকরুণ?

    শশীতারা বললেন, আমি তো বাপু ডাক্তার বদ্যি নই। তোর নাতনীর যদি পরমায়ু ফুরিয়ে থাকে, স্বয়ং ভগবান মাথার শেওরে বসে থাকলেও রাখতে পারবে না, আর যদি পরমায়ু থাকে, যমের বাবা এসেও নিয়ে যেতে পারবে না। তবে রোগে ব্যাধিতে টাকাকড়ির দরকার, এটা রাখ।

    আলগোছে ননীবালার হাতে তিনখানা দশটাকার নোট ফেলে দিলেন শশীতারা। ও প্রণাম করে চোখ মুছতে মুছতে চলে গেল।

    আবার ঘোষালদের সত্যচরণও চোখ মুছতে মুছতে চলে গেল, শশীতারা সত্যচরণের নাতির বিয়ের সময়টাতেই চলে যাবেন বলে।

    আপনিই আমার বলবুদ্ধি ভরসা পিসিমা, আর এই মোক্ষম সময় আপনি—

    শশীতারা ওর নাতনীর আইবুড়ো ভাতের জন্যে একখানা ডুরে শাড়ি, আর আশীর্বাদী হিসেবে একজোড়া হালকা কান ফুল ধরে দিয়ে বললেন, মানুষ আবার কিসের বলবুদ্ধি ভরসা রে? ভগবানকে ধরে বসে থাক, নির্বিঘ্নে কন্যে দায়ে উদ্ধার হয়ে যাবি।

    শোভার মা ছুটতে ছুটতে এলো এক বাটি তেল নিয়ে, মা গো, এই তেল পড়াটা করে দে’ যাও, কে জানে আপনির অবর্তমানে মেজ খোকাটার কখন পেট গুলোয়।

    শশীতারা হেসে বললেন, তোরা এমন করছিস, আমি যেন চিরকালের জন্যে মরছি। তোর তেল পড়াটা হরিদাসীকে দিয়ে করিয়ে নে না। ওর অনেক ক্ষ্যামতা আছে। নানান তন্ত্র মন্ত্র শিখেছে। আমি তো শুধু ইষ্ট নাম স্মরণ করে ফুঁপাঁড়ি।

    শোভার মা আকুল ভাবে বলে, আপনার থেকে কেউ নয় মা। হরিদাসী পিসিকে আমার মন লাগে না।

    অগত্যাই তেলটা পড়ে দিতে হয় শশীতারাকে। বৃন্দাবনের ভাইপোটার জন্যেও একটা টোটকা দিয়ে গেলেন শশীতারা তার মাথা ঘুরুণীর ব্যামোর জন্যে। কি দিয়ে কি করতে হয় সেটা উচ্চারণ করলে না কি ফল পাওয়া যায় না, তাই নিজে হাতেই ওটা করে দেন শশীতারা।

    চাটুয্যে গুষ্ঠির দায় অদায়, করণ কারণ, ঘর সংসারের ব্যবস্থা সুব্যবস্থা, সেও চলছে আজ পাঁচ সাত দিন ধরে।

    গিন্নী গিন্নী ভাইপো বৌদের কচুকাটা করে শিক্ষা দিতে থাকেন শশীতারা, বামুন গেল ঘর তো লাঙল তুলে ধর, এটি করো না বাছারা! আমি যেমনটি করি, ঠিক তেমনটি করবে। মা সিদ্ধেশ্বরীর শনি মঙ্গলবারে ভোগটি যেন ঠিকমত পাঠানো হয়। এসে যেন শুনি না কিছু ত্রুটি হয়েছিল। আমার ছেলেদের পাত থেকে মাছের মুড়ো উড়ে গিয়ে যেন তোমাদের ছেলেদের পাতে গিয়ে না পড়ে, এই বলে দিচ্ছি। দই পাততে ভুলে বসো না, ছেলেপেলেগুলোর চিরেতার জল আর আদা ছোলা যেন ভুল না হয়। জায়ে জায়ে অজ্ঞান হয়ে গাল গল্প না করে সংসারের চারদিক তাকিয়ে দেখবে। আচার আমসত্বগুলো রোদে দেবে, খবরদার অনাচার কাপড়ে ভাঁড়ারে ঢুকবে না। তুলসীতলায় পিদিপ দিতে ভর সন্ধ্যেটি না উৎরে যায়। বিকেলবেলা থাকতেই শাঁখে ফুঁ দিয়ে যেন সন্ধ্যে জ্বালা সেরে চায়ের গেলাসটি নিয়ে বসো না।…

    চলতে ফিরতে উঠতে বসতে উপদেশ—তোলা বিছানা মাদুরগুলো যেন ছাতা পড়িয়ে রেখো না, রোদ বেরোলেই টেনে বার করে দিও।.. বছরের মুগকড়াই কেনা আছে জালায় জালায়, এসে যেন দেখি না সব ঢন ঢনিয়ে রেখেছো।…চিঁড়েগুলো কুটিয়ে রেখে যেতে পারলাম না—একটু শুকনো খরা হলেই জগুরমাকে ডেকে কুটিয়ে নিও। তোমাদের নিজের নিজের শরীর স্বাস্থ্যগুলোও দেখো, রোগে পড়ে আমার ছেলেদের ভুগিও না। পরীর যে সম্বন্ধটা এসেছিল, তাদের সঙ্গে পত্রালাপটা যেন ঠিক মতো চলে। অঘ্রাণের আগে তো বিয়ে হচ্ছে না। মেয়েটাকে রোদে রোদে ঘুরতে দিও না, মেঘ ভাঙা রোদে রংটা কালো ঝুল না হয়ে যায়।

    ভাইপোর ছেলের বৌ দুটোকেও অনেক উপদেশ পরামর্শ দেন।

    কচির মা, তোমরা সেই রাত দুপুরে আর বেলা তিনটেয় ভাত খেওনা বাছা। আসলে কুড়ের রাজ তো সব, ছেলের কন্না করতেই বেলা পুইয়ে যায়। বুড়ি বিদেয় হলো, বালাই গেলো, বলে যেন কেষ্টধনের তেল মাখাটা বন্ধ করে দিও না।

    এমনি অজস্র উপদেশ।

    অজস্র বাক্যবাণ।

    ছোট নাতবৌ একবার হেসে বলেছিল, এতো কথা বলছেন কেন ঠাকুমা? কতোদিনের জন্যে যাচ্ছেন শুনি? এ যে সেই সেকালের তীর্থ যাত্রার মতো। শুনেছি সেকালে নাকি তীর্থে যাবার সময় উইল করে তবে যেতো।

    শশীতারাও ঠাট্টা তামাশার কম যান না, ভাইপো বৌদের কাছে তিনি দেবী চামুণ্ডা সদৃশ হলেও ভাইপোদের ছেলেদের বৌয়েদের কাছে হাস্যবদনী। বকেন ঝকেন, উপদেশ দেন ঠিকই, তবে হেসে মেতে।

    এখনও হাসলেন, বললেন, তা তীর্থেই তো যাচ্ছিরে! মহাতীর্থ পতিতীর্থ!

    নাতবৌ বললো, আহা, তবু যদি পতিকে একবারও চোখে দেখতেন। শুভ দৃষ্টিই তো হয়নি।

    কথাটা সত্যি।

    এ গল্প শশীতারা নিজেই নাত বৌদের কাছে করেছেন।

    শুভদৃষ্টির সময় না একদম একটা ছেলেমানুষী জেদের বশে চোখটা খোলেননি, বুজে বসেছিলেন। সবাই মিলে যতো বলছে, চোখ তাকা, চোখ তাকা—শশীতারার ততোই একটা উটকো জেদ চেপে গেছে, তাকাব না। দেখি তোমরা আমায় কেমন জোর করে চোখ খোলাতে পারো।

    ঠাকুর্দা অঘোর চাটুয্যের ধমকেও কাজ হলো না।

    আর কী উপায়?

    পাঁড়ি ঘোরানো অবস্থায় তো আর মেয়েকে চড় বসানো যায় না?

    শশীতারা সেই কথার উল্লেখে হেসে উঠলেন, চোখে না দেখি তবু ভগবানের গড়া শরীর তো? না দেখে খেলেও কি আর সাপের বিষে মৃত্যু ঘটে না?

    আহারে, ঠাকুমার কি তুলনার বাহার! সাপের বিষ!

    তা তাই!

    শশীতারা বলেন, সেই ছোবলের ঘায়েই আজন্ম ভুগছি। মনে হয় যেন বিধবা হয়েই জন্মেছিলাম।

    আচ্ছা ঠাকুমা, আপনার বাবা নাকি আপনার আবার বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন? আপনার ঠাকুর্দা মত দেননি।

    শশীতারা ঠোঁট উল্টে বলেন, আর ঠাকুর্দা মত দিলেই আমি করতাম যে?

    আহা আপনি তো তখন মোটে ন বছরের।

    তা সে য বছরেরই, হিঁদুর মেয়ে তো? নাকি বেম্ম খিস্টান?

    ওসব বুদ্ধি তখন হয়েছিল আপনার?

    শোনো কথা! মানুষ বুঝি খানিকটা বুদ্ধিসুদ্ধি নিয়ে জন্মায় না?

    তার মানে আপনি এই বুদ্ধি নিয়ে জন্মেছিলেন, আপনি হিঁদুর মেয়ে?

    কি করেছিলাম না করেছিলাম জানি না বাবা! তবে বাবা তো দূর স্থান—বাবার বাবা চেষ্টা করলেও ওকাজ করতে পারতো না শশী বামনীকে দিয়ে। তারপর শশীতারা হেসে বলেছিলেন, পচা কথা ছাড় দিকি। ঠাকুমার কবে ন বছর বয়েস ছিল, তাই নিয়ে চিন্তা। সে কি আর এ জন্ম? আমার তো মনে হয় আর জন্ম।…গোলমাল করে আসল কথাটা চাপা দেওয়া হচ্ছে কেমন? ছেলের যত্ন করবি, শ্বশুরদেরও দেখবি। আমি দৃষ্টি না দিলেই ওরা পেট না ভরতেই উঠে পড়ে।

    ঠাকুমা, আপনার মত আমরা কি ওঁদের পেটে এক ছটাকের জায়গায় এক সের মাল ঢোকাতে পারবো?

    শশীতারা বলেন, শিখবি! এ নইলে আর মেয়েমানুষ কি! পুরুষ ছেলেরা তো কেবল খাওয়ার ফাঁকি দেওয়ার তালে থাকে।

    শশীতারার নাতবৌয়েরা অবশ্য শশীতারার এই মতবাদ বিশ্বাস করে না, সংসারের কেউই করে কি না সন্দেহ, কারণ তার বিপরীতটাই বরং দেখে আসছে তারা। তবু এই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করে না। শুধু মনে মনে হাসে।

    শশীতারার যাওয়ার খবরে গ্রামসুদ্ধু লোকের একই প্রশ্ন, কতো দিনের জন্যে যাবেন? কবে আসবেন?

    কারণ শশীতারা এই ফুলপুর গ্রামের এক দীর্ঘদিনের নায়িকা। ভগবানের শশীতারা বিহনে রাতের আকাশও যেমন নিষ্প্রভ, এই শশীতারা বিহনেও ফুলপুর গ্রাম তেমনি নিষ্প্রভ হয়ে যাবার সম্ভাবনা।

    শশীতারা না থাকলে শেষরাত্রে সদর দরজা খুলে বেরিয়ে রাস্তায় হাততালির আওয়াজ করতে করতে পুকুরের জলে পড়বে কে?

    গ্রামে টিউবকল হয়ে পর্যন্ত ভদ্রলোকদের অনেকেরই পুকুর ভীতি হয়ে গেছে। চাটুয্যে বাড়ির কেউই আর পুকুরে চান করে না, এক এই শশীতারা ব্যতীত। তবে শুধু ওই ভোরের বেলাটি। ওই আসল স্নানটি অবগাহন না হলে তৃপ্তি হয় না তাঁর। তাছাড়া যতবার চান করেন (সেটা অনেক বারই করেন) উঠোনের টিউব ওয়েলেই সারেন।

    রাখাল ছোঁড়াটাকে ডেকে বলেন, এই, একটু খ্যাচার খ্যাচার করে দে দিকি, কি জানি পথে কি মাড়িয়ে মলাম!

    পথে অহরহই বেরোনো চাই শশীতারার, আর যে কোনো সন্দেহে মাথাটা ভিজিয়ে নেওয়া চাই। কেচে কেচে মটকা তসর সব পয়লট্ট। আগে প্রত্যেকবারই পুকুরে পড়তেন, টিপকল হয়ে সেটা বন্ধ হয়েছে।

    তা সে যাই হোক—শশীতারার মতো অতো ভোরে গিয়ে কেউ পড়ে না। হাততালি দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে, তখনও যদি কীট পতঙ্গ সাপ খোপরা পথে থেকে থাকে, শব্দ শুনে সরে যাবে।

    অতএব বলা যায় শশীতারা ঘুমন্ত গ্রামটাকে সোনার কাঠি ছোঁয়ান।

    শশীতারা না থাকলে স্নান সেরে আবছা ভোরে কে পাড়া চষে ফুল তুলে বেড়াবে? আর পাড়ার ফুলচোর ছোঁড়াগুলোকে শাসন করবে? এই কাকভোরে উঠে ফুল চুরি করতে বেরিয়েছিস হাভাতেরা? বলি মা বাপের কি একটু শাসন নেই? গাছে চড়ছিস? পড়ে হাত পা ভাঙবি? নেমে আয় বলছি।

    ছেলেগুলো বলে, বা রে ঠাকুমা, তুমিও তো ফুল নিচ্ছো?

    চুরিটা আর উচ্চারণ করতে সাহস করে না। আড়ালে বলে, নিজের বেলায় আঁটিসুটি পরের বেলায় দাঁতকপাটি।

    সামনে বলার সাহস নেই।

    শশীতারা জোরালো গলায় বলেন, আমি তোদের মতন ফুল নষ্ট করতে নিচ্ছি কেমন?

    আমরা কি নষ্ট করছি?

    তবে কী করছিস?

    এই যদি কেউ পূজো টুজো করে। তুমি তো চাঁপা গাছে উঠতে পারো না, নেবে ঠাকুমা চাঁপা ফুল?

    শশীতারা হাসি মেশা গলায় বলেন, তোরা যে দিতে চাইলি এতেই আমি সাতপুরুষে বর্তে গেলাম বাবা ধনেরা। তোদের ওই অ্যাড়াবাসি পেণ্টুল পরে তোলা ফুল নিয়ে আর সগগে যেতে চাই না বাবা! তারপর তেজালো গলায় বলেন, ভোরের বেলা এসে গাছে ছাইভস্ম হাত দিবি না বলে দিচ্ছি। ফের যদি দেখি তো দেখাবো মজা।

    ছেলেগুলো পালায়।

    অতঃপর শশীতারা কৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম আওড়াতে বাকি ফুল তুলসী সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরেন। শশীতারা না থাকলে এই সাড়াটি জাগাবে কে?

    শশীতারা বলেন, ঠাকুরের নাম গান স্তব স্তোত্র উচ্চৈচস্বরে করতে হয়। ওতে ত্রিজগতের উপকার করা হয়। বৃক্ষলতা কীট পতঙ্গ জলস্থল আকাশ বাতাস ওদের তো নাম করার ক্ষমতা নেই, তবু শ্রবণে উদ্ধার হয়।

    এইসব বলেন বটে, তবে একথা মনে করার হেতু নেই শশীতারা কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর।

    এসব কথা শশীতারা লোক শিক্ষার্থে ব্যবহার করেন। জনগণের তো শিক্ষার দরকার?

    তা শশীতারা ছাড়া কে এই সব দরকার বোঝে? কে বুঝবে?

    তাছাড়া শশীতারা না থাকলে রোজ সকালে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সবাইয়ের তত্ত্বতল্লাশ নেবে কে?

    সকালবেলা পূজো আহ্নিক সেরে চরণামৃতটুকু মাত্র গলায় ঢেলে শশীতারা ওই তত্ত্বতল্লাশে বেরোন। পথেই যাদের সঙ্গে দেখা হয়, প্রায় সকলেই চাষাভুষো সক্কাল বেলাই না বেরোলে নয় তাদের।

    নচেৎ গ্রামের বা মফস্বলের লোক সাধারণতঃ একটু অলস আয়েসী হয়। শহরের মতো তারা ভোরে থেকেই ছুটোছুটি করে না। তারা ঘুম থেকে ওঠে বেলায়, দাঁতন করে একঘণ্টা। সকালে চায়ের অভ্যাসটি থাকলেও তাদের সেটা শহুরেদের মতো শুধু দুখানা বিস্কিট কি একটা টোস্ট দিয়ে সারা হয় না, তার সঙ্গে মুড়ি ফুলুরি, ছোলা মটর সেদ্ধ, এসব থাকেই প্রায়। কাজেই প্রাতরাশেও দেরী।

    অতএব দোকানী দোকানের ঝাঁপ খোলে বেলা আটটা নটায়, গোয়ালা দশটার আগে দুধ দেয় না, বাসন মাজা ঝি আসে বেলা চড়চড়িয়ে।

    প্রাইমারী স্কুলের ছেলেগুলোকে যেতে হয় বটে সক্কাল বেলা, প্রায়ই তারা ঘুম থেকে উঠে বাসিমুখ ধোয়া কি না ধোয়া করে বাসি রুটি পরোটা আর গুড় খেয়ে ছোটে। আর দুপুরের ক্লাসের ছেলেমেয়েগুলো প্রায়শঃ ফেনভাত খেয়ে রওনা দেয়। একান্নবর্তী পরিবার এখনো এরকম সব জায়গায় কিছু পাওয়া যায়, কাজেই বাড়ির দু’তিনটি বৌয়ের মধ্যে একজন বৌ হয়তো চান না করেই রান্না ঘরের বাইরে দাওয়ায় গর্ত কাটা উনুনে দুটো কাঠকুটো জ্বেলে ওই ভাতে ভাতটা চড়িয়ে দেয়। ইদানীং অনেক বাড়িতে ওই কাঠকুটোর জায়গাটা জনতা ষ্টোভ দখল করেছে, কিন্তু সেটা হিসেবী বাড়িতে নয়, বে—হিসেবী বাড়িতে। গাঁয়ে ঘরে কাঠকুটো অমনি অমনি মেলে, কেরোসিন অমনি মেলে না।

    তবে যাদের বাড়িতে ডেলি প্যাসেঞ্জারীর ব্যাপার আছে তাদের বাড়ির পদ্ধতি আলাদা। যেমন ওই চাটুয্যে বাড়িতেই। শশীতারার উকিল ভাইপো অবশ্য সদরে বাসা ভাড়া করে আছে, কিন্তু বৌকে নিয়ে, নয়তো পুরনো চাকর দামোদরকে নিয়ে। ছুটির আগের দিন চলে আসে। আর কোটে তো ছুটিছাটা লেগেই আছে।

    আর দুই ভাইপো এবং ভাইপোর ছেলেরা ডেলিপ্যাসেঞ্জারী করে। বড় ভাইপো কিছুদিন হলো অবসর নিয়েছে। নচেৎ সেও যেতো।

    অতএব চাটুয্যে বাড়িতে ভোর থেকেই কর্মচক্রের ঘর্ঘর ধ্বনি শোনা যায়।

    তবে ওই ডেলি প্যাসেঞ্জারীর প্রয়োজন না থাকলেও শশীতারা কি কাউকে স্বস্তি দিতেন? ছোট ভাইপোবৌ বলে, পাগল! কাজ না থাকলেও উনি অন্ধকার থাকতে লাগ ঝমাঝম লাগিয়ে দিতেন।

    তা এতো কাজই আছে।

    এই যে বেরোন শশীতারা, সে কি বাড়ির মোহড়া না মিটিয়ে? নিজে হাতে পায়ে কিছু এ সময় না করলেও মুখের জোরেই চাকাকে ঘুরিয়ে চালু করে দিয়ে তবে যান। ওরা কেউ আটটা, কেউ সাড়ে আটটার গাড়িতে বেরোয়, শশীতারা তার মধ্যেই টহল সেরে বাড়ি ফেরেন। এ সময় তো কারুর বাড়ির মধ্যে ঢোকেন না, বাইরে থেকেই ডাক দেন, কিরে সাধন, এখনও নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছিস না কি? বলি দোকানের ঝাঁপ তুলবি কি তিনপো’র বেলায়? ওতে লক্ষ্মী ছেড়ে যান সাধন! ভোরের বেলা কাচা কাপড়ে গিয়ে দোকানে ধুনো গঙ্গাজল দিবি, ঠাকুরের নাম স্মরণ করে ঝাঁপ খুলে বসবি। তবে না মা লক্ষ্মী ফিরে তাকাবেন। তা নয়—বেলা দুপুরে ঘুম থেকে উঠছে।

    বকতে বকতে ততক্ষণে আর একটা বাড়িতে এসে পৌঁছে গেছেন। অনাথ, উঠেছো নাকি? ও অনাথ? উঠেছো? তবু ভালো, আমি ভাবছি তোমারও হয়তো ওই সাধন নগেন ভজুর মতন এখনও ঘুম ভাঙ্গেনি। মাস্টারী করে খাও, তোমার তো বাপু আয়েস করা চলবে না। চলা উচিত নয়। কথায় আছে আপনি আচরি ধর্ম শেখাও অপরে! নিজেই যদি দিষ্টান্ত না হবে তো ছাত্তররা শিখবে কোথা থেকে?

    অনাথ মাষ্টার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলে, পিসিমা, চান আহ্নিক হোয়ে গেছে এরই মধ্যে?

    প্রশ্নটা বাহুল্য।

    এই সময় ওটা হবে না শশীতারার এমন হয় না। তবু শশীতারাকে এ হেন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। কারণ—এই সব লোকেরা কথায় বৈচিত্র আনতে জানে না। একই কথা রোজ কয়।

    শশীতারাও হয়তো একই কথা বলেন, কিন্তু একই ভাষায় নয়। শশীতারা আজ যদি বলেন, তোমার এক কথা অনাথ মাষ্টার! বেলা কি বসে আছে?

    তাহলে কাল বলবেন, হ্যাঁ বাবা, লোক জাগরণের আগেই ও পাট চুকিয়ে ফেলা ভাল। সংসার জাগলেই বিঘ্ন।

    অথচ নিজেই তিনি নির্বিঘ্নে বসে ভগবানের নাম করার বদলে সংসারকে জাগিয়ে বেড়ান। তা সে কথা বলার সাহস তো দূরস্থান, বলার কথা মনেই আসে না কারুর!

    অনাথ মাষ্টার সম্ভ্রমে বলে, পিসিমার পুণ্যের শরীর।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিন ভুবনের কাহিনী – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article শিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }