Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১

    অধ্যায় এক

    আমার ব্যাপারে যদি শুনতে চান, তাহলে হয়তো প্রথমেই জানতে চাইবেন আমি কোথায় জন্মেছিলাম, আমার বিদঘুটে শৈশব কেমন ছিল এবং আমার জন্মের আগে আমার বাবা-মা অন্য কিছু নিয়ে কতটা ব্যস্ত ছিল এবং হাবিজাবি জাতীয় আরো নানাকিছু। তবে যদি সত্যটা জানতে চান, তাহলে আমার এসবের কিছুই বলার ইচ্ছা নেই। প্রথমত, ঐ ব্যাপারগুলোকে আমার প্রচণ্ড বিরক্তিকর মনে হয়, আর দ্বিতীয়ত আমার বাবা-মা যদি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারে কিছু বলতে শুনে তাহলে প্রচণ্ড ক্ষেপে যাবে। ওসব বিষয় নিয়ে তারা খুবই স্পর্শকাতর, অভিমানী। আমার বাবা একটু বেশিই অভিমানী। এটা বলবো না যে তারা মানুষ হিসেবে ভালো না, তবে তারা প্রচণ্ড অভিমানী। আর তাছাড়া আমিও আপনাদেরকে আমার অটোবায়োগ্রাফি বা এমন কিছু শোনাতে যাচ্ছি না। আমি শুধু গত ক্রিসমাসে আমার সাথে ঘটা কিছু গোলমেলে ব্যাপার নিয়ে—যেটার কারণেই আমাকে শান্ত হওয়ার জন্য এখানে আসা লেগেছে। ডি.বি.কে আমি সবসময়ই এটার ব্যাপারে বলি, হাজার হোক সে আমার ভাই। ডি.বি. হলিউডে কাজ করে। আমার এই বাজে জায়গাটা থেকে হলিউড খুব একটা দূরে না। প্রতি সপ্তাহেই ডি.বি. আমাকে দেখতে আসে। সম্ভবত আগামী মাসে বাসায় যাওয়ার সময় সে-ই আমাকে ড্রাইভ করে নিয়ে যাবে। মাত্রই একটা জাগুয়ার কিনেছে ও। হলিউডের কাজ করেই সে ঘণ্টায় দুইশো মাইল গতিতে চলতে পারা গাড়িটা কিনেছে। এটা কিনতে তার খরচ হয়ে চার হাজার ডলার। তার এখন অনেক টাকা হয়েছে। আগে কিন্তু এতো পয়সা-কড়ি ছিল না। বাসায় থাকার সময় সে ছিল সাধারণ এক লেখক মাত্র। সাধারণ না, বেশ ভালো লেখকই বলা যায়। কিছু ছোটো গল্প নিয়ে খুব সুন্দর একটা বই লিখেছিল। দ্য সিক্রেট গোল্ডফিশ, বইটার নাম হয়তো শুনে থাকতে পারেন। ‘দ্য সিক্রেট গোল্ডফিশ’ই ছিল বইটির সেরা গল্প। গল্পটি ছিল এক বাচ্চাকে নিয়ে, যে কখনো তার গোল্ডফিশ কাউকে দেখতে দিতো না, কারণ সে ওটা তার নিজের টাকা দিয়ে কিনেছিল। গল্পটি আমার খুবই ভালো লেগেছিল। আর এখন সে কাজ করে হলিউডের ‘পতিতা’ লেখক হিসেবে। আমি যদি কোনো কিছু একদম ঘৃণা করে থাকি, তাহলে সেটা হলো সিনেমা। আমার সামনে কখনো ওটার নামও নেবেন না কেউ।

    যাই হোক, আমি যেদিন পেন্সি প্রেপ ছাড়লাম সেদিন থেকে বলা শুরু করছি। পেন্সি প্রেপ হচ্ছে অ্যাগারস্টাউন, পেনসিলভেনিয়ার একটি স্কুল। অনেকে হয়তো নাম শুনেছেন স্কুলটার। নয়তো অ্যাডে দেখেছেন। প্রায় হাজারটা ম্যাগাজিনে বিজ্ঞাপন দেয় এই স্কুল। প্রতিটা বিজ্ঞাপনেই দেখা যায়, সুঠাম দেহের এক লোক ফেন্সের ওপর দিয়ে ঘোড়া নিয়ে লাফিয়ে যাচ্ছে। অর্থটা এমন যেন পেন্সিতে পুরোটা সময়ই পোলো খেলা যায়। আর বিজ্ঞাপনগুলোতে ঘোড়াওয়ালা লোকটার নিচে লেখা থাকে, ‘১৮৮৮ সাল থেকেই আমরা বাচ্চা ছেলেদেরকে চিত্তাকর্ষক ও পরিষ্কার-মস্তিষ্ক বিশিষ্ট যুবকে রূপান্তরিত করে আসছি।’ তবে আমি কখনো ঐ এলাকার কোনো জায়গায় একটা ঘোড়াও দেখিনি, পোলো খেলা তো পরের কথা। আর তারা অন্যান্য আরো বিভিন্ন স্কুল থেকে খুব একটা বেশি পরিমাণ রূপান্তরিতও করে না। সত্যি বলতে আমি পেন্সিতে চিত্তাকর্ষক এবং পরিষ্কার-মনের কাউকে দেখিনি। হয়তো দুইজন আছে, বেশি হলে। তবে তারাও এখানে এসে হয়নি বলেই আমার ধারণা, সম্ভবত তারা এভাবেই এসেছিল এখানে।

    যাই হোক, ঐদিন ছিল শনিবার। স্যাক্সন হলের সাথে ফুটবল খেলা ছিল পেন্সির। পেন্সিতে সবসময় স্যাক্সন হলের সাথে খেলাটাকে খুব বড়ো কিছু বলে ধরা হয়। ঐ খেলাটা ছিল বছরের শেষ খেলা। যদি পেন্সি ঐ ম্যাচ না জিতে তাহলে হয়তো অনেকে আত্মহত্যাও করে বসতে পারে। আমার মনে আছে ঐদিন বিকাল তিনটার দিকে আমি থমসেন হিলের চূড়ায় থাকা বিপ্লবী যুদ্ধের এক বিদঘুটে ক্যাননের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। ওখান থেকে পুরোটা মাঠই দেখা যায়। দেখতে পাচ্ছিলাম মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়েরা একে-অন্যের সাথে বুনো লড়াইয়ে মেতে আছে। তবে গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডে চোখে পড়ার মতো কিছু ছিল না, কিন্তু ওখান থেকে পেন্সির পক্ষে প্রচুর চিয়ার আর স্যাক্সন হলকে দেওয়া প্রচুর দুয়োর শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটাই স্বাভাবিক, কারণ আমি ছাড়া স্কুলের সবাই ঐদিন গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডে ছিল আর সফরকারী দল কখনো সাথে করে খুব বেশি সমর্থক নিয়ে আসে না।

    ফুটবল খেলাগুলোতে কখনোই খুব বেশি মেয়ের উপস্থিতি দেখা যায় না। শুধুমাত্র সিনিয়ররাই সাথে করে মেয়ে নিয়ে আসতে পারতো। যে দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখা হোক না কেন, পেন্সি ছিল খুবই বাজে একটা স্কুল। খেলার ফাঁকে ফাঁকে আমি অন্তত অল্প কয়েকজন হলেও মেয়ের উপস্থিতি দেখতে পছন্দ করি। খেলার ওপর তাদের মনোযোগ থাকুক বা না থাকুক, অন্তত উপস্থিত থাকলেই হয়। তারা খেলা দেখতে এসে অযথাই হাত নাড়ুক বা নাক ঝাড়ুক বা বোকার মতো ফিকফিক করে হাসুক না কেন, তাতে আমার আপত্তি নেই। স্কুলের হেডমাস্টারের মেয়ে সেলমা থার্মার মাঝেমধ্যেই কিছু খেলা দেখতে আসে। যদিও সেলমা যথেষ্ট সুন্দরী, তবে আকাঙ্খায় পাগল করে দেওয়ার মতো মেয়ে না ও। অ্যাগারস্টাউন থেকে আসার সময় একবার বাসে তার পাশে বসেছিলাম আমি। কথাও বলেছিলাম। ওকে আমার ভালো লাগে। তার নাকটা বেশ বড়ো, সবসময় দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানোর ফলে নখগুলো রক্তাক্ত হয়ে থাকে আর কৃত্রিম স্তনজোড়ায় বুক সবসময়ই উঁচু হয়ে থাকে। তবে তাকে দেখলে একটু দুঃখই লাগে আমার। তার ব্যাপারে আমার যেটা সবচেয়ে বেশি লাগে সেটা হলো—সে কখনোই তার বাবা কত মহৎ মানুষ সেটা বুঝানোর চেষ্টা করে না। সম্ভবত সে জানে তার বাবা একজন জালিয়াত।

    আমি ঐদিন গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডে সবার সাথে থাকার বদলে থমসেন হিলে দাঁড়িয়েছিলাম, কারণ মাত্রই পেন্সিং দলের সাথে নিউইয়র্ক থেকে ফিরে এসেছি। পেন্সিং দলের ম্যানেজার ছিলাম আমি। খুবই বড়ো ব্যাপার এটা। আমরা নিউইয়র্কে গিয়েছিলাম ম্যাকবার্নি স্কুলের সাথে পেন্সিং ম্যাচ খেলার জন্য। তবে খেলতে পারিনি। কারণ যাওয়ার সময় সাবওয়েতে আমি পেন্সিং’র সব সরঞ্জাম ফেলে গিয়েছিলাম। অবশ্য পুরো দোষটা আমার না। আমরা গিয়ে কোথায় নামবো সেটার জন্য আমাকে বারবারই ম্যাপ দেখতে হচ্ছিল, তাই সরঞ্জামের প্রতি কোনো খেয়াল ছিল না। সেজন্যই ডিনারের সময়ের বদলে পেন্সিতে আমাদেরকে আড়াইটায় ফিরে আসতে হয়েছে। ফিরে আসার পথে ট্রেনে পুরোটা সময়ই আমাকে একঘরে রেখেছিল। অবশ্য একদিক থেকে ভাবলে ব্যাপারটা বেশ মজার ছিল।

    তবে মাঠে না নামার আরেকটা কারণও ছিল। ঐসময় আমি আমার ইতিহাস শিক্ষক মি. স্পেন্সারকে বিদায় জানাতে যাচ্ছিলাম। লোকটার ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছিল, আর আমারও মনে হচ্ছিল ক্রিসমাস ভ্যাকেশন শুরু হওয়ার আগে হয়তো তাঁর সাথে আমার আর দেখা হবে না। তিনি আমাকে নোট লিখে জানিয়েছিলেন যে আমি যেন বাড়ি যাওয়ার আগে তাঁর সাথে একবার দেখা করে যাই। তিনি জানতেন আমি আর পেন্সিতে ফিরে আসবো না।

    ওহ, বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম। স্কুল থেকে আমাকে বের করে দিয়েছে তারা। ক্রিসমাসের ছুটির পর আমাকে আর এখানে ফিরে না আসতে বলে দেওয়া হয়েছে। কারণ আমি চারটা সাবজেক্টে পাশ করার কোনো শর্তই পূরণ করতে পারিনি এবং কোনো ক্লাসেই অ্যাপ্লাই করিনি। তারা আমাকে অনেকবারই সতর্কতা দিয়েছে ক্লাসে অ্যাপ্লাই করার জন্য, বিশেষ করে মিডটার্মের দিকে তো আরো বেশি করে দিয়েছে। এমনকি হেডমাস্টার থার্মারের সাথে কথা বলার জন্য আমার বাবা-মাকেও ডেকে আনা হয়েছিল তখন। কিন্তু আমি অ্যাপ্লাই করিনি। তাই তারা আমাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করে দিয়েছে। পেন্সিতে প্রায়ই ছাত্রদেরকে বহিষ্কার করা হয়। পেন্সির শিক্ষাগত নিয়মকানুন খুব কড়া এবং রেটিংও বেশ ভালো তাদের।

    যাই হোক, তখন ছিল ডিসেম্বর মাস। দিনটাও ছিল প্রচুর ঠান্ডা। বিশেষ করে বিদঘুটে হিলটার ওপরে ঠান্ডা ছিল আরোও অনেক বেশি। আমার পরনেও তেমন ভারী পোশাক ছিল না, হাতে গ্লাভসও না। ঐদিনের এক সপ্তাহ আগেই কে যেন আমার রুম থেকে উটের পশমে তৈরি কোট চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল, পশমের গ্লাভসগুলোও ছিল কোটের পকেটে। পেন্সিতে প্রচুর হারামি রয়েছে। পেন্সিতে আসা অনেকেই বেশ ধনী-বনেদি পরিবারের, কিন্তু হারামির কোনো অভাব নেই ওখানে। স্কুল যত ব্যয়বহুল হয়, সেখানে হারামির সংখ্যাও বেশি হয়—মজা করছি না, কথাটা আসলেই সত্য। যাই হোক, কনকনে ঠান্ডায় বিদঘুটে ক্যাননের পাশে দাঁড়িয়ে নিচের মাঠের খেলা দেখছিলাম আমি। তবে খেলার প্রতি কোনো মনোযোগ ছিল না। আমি আসলে ওখানে দাঁড়িয়েছিলাম বিদায়ের কোনো একটা সুখস্মৃতি পাওয়ার জন্য। মানে আমি আগেও অনেক স্কুল-জায়গা ছেড়েছি, তবে কোনোবারই জানতাম না যে আমি এগুলো ছেড়ে যাচ্ছি। আসলে স্মৃতিটা দুঃখময় হোক বা খারাপ হোক, যেটাই হোক না কেন—তা নিয়েও আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। একটা জায়গা ছেড়ে যাওয়ার সময় আমি শুধু এটাই জানতে চাই যে আমি জায়গাটা ছেড়ে যাচ্ছি। যদি এটা জানা না থাকে, তাহলে খারাপটাও অনেক বেশি লাগে।

    আমার কপাল ভালো ছিল। হুট করেই এমন একটা স্মৃতির কথা মনে পড়ে গেলো যেটার মাধ্যমে আমি আসলেই বুঝতে পারবো যে আমি এখান থেকে চলে যাচ্ছি। ঘটনাটা হলো—গত অক্টোবরের দিকে আমি, রবার্ট টিচেনার আর পল ক্যাম্পবেল মিলে অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ের সামনে ফুটবল খেলছিলাম। তারা দু’জনই মানুষ হিসেবে খুব ভালো, বিশেষ করে টিচেনার বেশি ভালো। তখন সময়টা ছিল ডিনারের কিছুটা আগে, বাইরে অন্ধকারও ধীরে ধীরে বাড়ছিল। তবে তারপরও আমরা বল নিয়েই খেলছিলাম। প্রকৃতি আরো অন্ধকার হচ্ছিল, তবু খেলা থামাইনি আমরা। এমনকি একটা সময় অন্ধকারের কারণে বলই ঠিকমতো দেখা যাচ্ছিল না, তারপরও খেলেই যাচ্ছিলাম। তবে বায়োলোজির শিক্ষক মি. জাম্বেসির নির্দেশে একটা সময় আমাদেরকে খেলা থামাতে বাধ্য হতে হয়েছিল। একাডেমিক বিল্ডিংয়ের জানালা দিয়ে তিনি মাথা বের করে আমাদেরকে বলেছিলেন খেলা থামিয়ে ডিনারের জন্য তৈরি হতে। যদি আমার কখনো স্কুলের কোনো স্মৃতি মনে করার দরকার হয়, তাহলে আমি খুব সহজেই এই স্মৃতিটার কথা মনে করতে পারবো। যখন খুশি তখন এই স্মৃতিটা মনে করতে পারবো আমি। স্মৃতিটা মাথায় আসতেই আমি ঘুরে পাহাড়ের অন্যপাশে দৌড়ানো শুরু করলাম। মি. স্পেন্সারের বাসাটা ওদিকেই। তিনি ক্যাম্পাসে থাকতেন না। থাকতেন অ্যান্থোনি ওয়েইন অ্যাভিনিউতে।

    মেইন গেইট পর্যন্ত দৌড়ে গিয়ে থেমে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করলাম। আমার ফুসফুসের অবস্থা আসলে খুব একটা ভালো ছিল না। সত্যি বলতে আমি খুবই বড়োসরো চেইন স্মোকার। মানে এক সময় ছিলাম আর কী। এখানে আসার পর তারা আমাকে স্মোকিং থামাতে বাধ্য করেছে। আর তাছাড়া গত বছর আমার উচ্চতাও সাড়ে ছয় ইঞ্চি বেড়েছিল। আসলে সত্যি বলতে আমার টিবি রোগটাও হয়েছে এই কারণেই, সে জন্যই আমাকে এখানে আসতে হয়েছে অসংখ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। যদিও আমার শরীর স্বাস্থ্য দেখতে কিন্তু বেশ ভালোই।

    যাই হোক, কিছুক্ষণ শ্বাস নিয়ে আবার দৌড় শুরু করলাম ২০৪ নং রুট দিয়ে। রাস্তাটা বরফে ভরা ছিল। দৌড়ে যাওয়ার সময় প্রায় পড়েই গিয়েছিলাম। অবশ্য আমি নিজেও জানতাম না কেন দৌড়াচ্ছিলাম। মনে হয় তখন দৌড়াতেই ইচ্ছা করছিল। রাস্তাটা পার হতেই আমার মনে হলো আমি হয়তো অদৃশ্য হয়ে গেছি। আসলে ঐ বিকালটাই ছিল অদ্ভুত, ঠান্ডা ছিল প্রচণ্ড, সূর্যের অস্তিত্বের কোনো ছিঁটেফোঁটাও ছিল না, আর তাছাড়া রাস্তা পার হওয়ার সময় প্রতিবারই সবারই মনে হয় যে সে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

    যাই হোক, স্পেন্সারের বাসার দরজায় গিয়ে জোরে জোরে ডোরবেলে চাপতে শুরু করলাম। আসলেই ঠান্ডায় জমে গিয়েছিলাম ঐদিন। আমার কান ব্যথা করছিল প্রচণ্ড, আঙুলগুলোও ঠিকমতো নাড়াতে পারছিলাম না। ‘প্লিজ, প্লিজ,’ প্রায় চেঁচিয়েই হাঁক ছাড়ছিলাম ‘দরজাটা কেউ খুলুন প্লিজ!’ বেশ কিছুক্ষণ পর অবশেষে মিসেস স্পেন্সার এসে দরজাটা খুললেন। তাদের কোনো কাজের লোক বা এমন কেউ ছিল না। দরজায় কেউ আসলে সবসময় নিজেরাই গিয়ে সারা দিতো। তাদের আসলে অত বেশি টাকা-পয়সা ছিল না।

    ‘হোল্ডেন!’ মিসেস স্পেন্সার বললেন। ‘তোমাকে দেখে খুবই ভালো লাগছে। ভেতরে আসো, সোনামণি। ঠান্ডায় তো একদম জমে গিয়েছো দেখি!’ আমার মনে হয় তিনি আমাকে দেখে আসলেই খুশি হয়েছিলেন। আমাকে পছন্দ করতেন তিনি। অন্তত আমার ধারণা এটা।

    দ্রুতই বাসার ভেতরে ঢুকে গেলাম। ‘কেমন আছেন, মিসেস স্পেন্সার?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘মি. স্পেন্সার কেমন আছে?’

    ‘তোমার কোটটা খুলে রাখো আগে,’ তিনি বললেন। আমার প্রশ্নটা তিনি শুনতেই পাননি। উনার কানে আসলে কিছুটা সমস্যা ছিল।

    কোটা নিয়ে হলের ক্লজেটে ঝুলিয়ে রাখলেন তিনি। আমিও ভেতরে ঢুকে হাত দিয়ে চুলগুলোতে একটু ব্যাকব্রাশ করে নিলাম। আমার চুলগুলো সবসময়ই ছোটো ছোটো করে ছাটা থাকে। সেজন্যই কখনো চিরুনি ব্যবহার করা লাগে না। ‘কেমন আছেন, মিসেস স্পেন্সার?’ আবারো জিজ্ঞেস করলাম আমি। এবার একটু জোরে বললাম।

    ‘আমি ভালোই আছি, হোল্ডেন।’ ক্লজেটের ডালাটা লাগাতে লাগাতে বললেন তিনি। ‘তুমি কেমন আছো?’ উনার জিজ্ঞেস করার ভঙ্গিটাতেই আমি বুঝে গেলাম যে মি. স্পেন্সার আমাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার ব্যাপারটা উনাকে বলে দিয়েছেন।

    ‘ভালো,’ আমি বললাম। ‘মি. স্পেন্সারের অবস্থা কী? ইনফ্লুয়েঞ্জা কি সেরেছে?’

    ‘হ্যাঁ, হোল্ডেন। সে এখন ভালোই বোধ… আসলে আমি ঠিক বলতে পারবো না কেমন বোধ করছে… তার রুমেই আছে। গিয়ে দেখা করে আসো।’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }