Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প90 Mins Read0
    ⤷

    প্রথম অধ্যায়—মধুকৈটভ বধ

    মার্কণ্ডেয় কহিলেন, যে সূর্য্যতনয় সাবর্ণি অষ্টম মনু বলিয়া কথিত হন, তাঁহার উৎপত্তি বৃত্তান্ত এবং সে‌ই মহাভাগ রবিতনয় সাবর্ণি যেরূপে মহামায়াপ্রভাবে মন্বন্তরাধিপতি হ‌ইয়াছিলেন, তৎসমূদয় আমি সবিস্তারে বলিতেছি, শ্রবণ কর। পূর্ব্বে স্বারোচিষ মন্বন্তরে, চৈত্রবংশ-সমুদ্ভূত সুরথ নামক রাজা, সমুদয় ক্ষিতিমন্ডলের অধিপতি হন। তিনি প্রজাগণকে ঔরসপুত্র সদৃশ পালন করিতেন। তৎকালে কোলাবিধ্বংসকারী (শূকরভোজী ম্লেচ্ছ জাতিবিশেষকে ধ্বংসকারী) ভূপালবর্গ তাঁহার শত্রু হ‌ইয়াছিল। তৎপরে সে‌ই ভূপালবর্গের সহিত উদ্ধতগণের দমনকারী সুরথ ভূপতির যুদ্ধ ঘটে। কোলাবিধ্বংসকারী ভূপতিগণ অনেকাংশে হীন হ‌ইয়াও তাঁহাকে যুদ্ধে পরাজিত করে। অনন্তর পরাজিত সুরথ রাজা স্বপুরে আগমন করিয়া নিজ দেশের‌ই অধিপতি হ‌ইয়া রহিলেন; কিন্তু তৎকালেও সে‌ই প্রবল শত্রুগণ তাঁহাকে আক্রমণ করিল। নিজ পুরেও দুষ্ট জঘন্য-স্বভাব বলবান অমাত্যবর্গ, তখন দুর্ব্বল সুরথ রাজার ধনাগার ও সৈন্য হস্তগত করিল। তদনন্তর হৃতাধিকার সে‌ই সুরথ রাজা, অশ্বারোহণ করিয়া একাকী গহন বনে গমন করিলেন। রাজা সে‌ই গহন বনমধ্যে দ্বিজশ্রেষ্ঠ মেধা মুনির আশ্রম দেখিলেন। সে‌ই আশ্রম হিংসাহীন শ্বাপদগণে বেষ্টিত ও মুনিশিষ্যবর্গে উপশোভিত ছিল। ১-৯

    সে‌ই মুনিশ্রেষ্ঠের আশ্রমে মুনি কর্ত্তৃক সৎকৃত (আপ্যায়িত) হ‌ইয়া রাজা সুরথ ইতস্ততঃ বিচরণ করত কিছুকাল অবস্থিতি করিলেন। তিনি সে‌ই সময় সেখানে মায়ামূঢ়চিত্ত হ‌ইয়া এ‌ই প্রকার চিন্তা করিতে লাগিলেন,— “আমার অসচ্চরিত্র সে‌ই ভৃত্যবর্গ আমার পূর্ব্বপুরুষগণের পালিত, এক্ষণে মৎপরিত্যক্ত সে‌ই পুরীকে ধর্ম্মের সহিত কি পালন করিতেছে? জানি না, সদা-মদযুক্ত, আমার সে‌ই প্রধান শূরহস্তী শত্রুগণের বশ্য হ‌ইয়া এক্ষণে কি প্রকার ভোগ প্রাপ্ত হ‌ইতেছে? প্রতিদিবস মৎপ্রদত্ত প্রসাদ, ধন ও অন্নাদি দ্বারা আমার অনুগত ভৃত্যবর্গ অদ্য নিশ্চয়‌ই অন্য রাজগণের উপাসনা করিতেছে। অনিয়মিতরূপে সর্ব্বদা ব্যয়কারী সে‌ই দুষ্ট অমাত্যগণ, অতি দুঃখে সঞ্চিত আমার সে‌ই ধনরাশি নিশ্চয়‌ই ক্ষয় করিতেছে।” সুরথ রাজা এ‌ই প্রকার ও অন্যান্য নানা প্রকার চিন্তা করিতে লাগিলেন। অনন্তর রাজা সে‌ই মুনির আশ্রমনিকটে এক বৈশ্যকে দেখিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “অহে! তুমি কে? এবং তোমার এখানে আসিবার কারণ‌ই বা কি? শোকযুক্তের ন্যায় তোমাকে দুর্ম্মনা (চিন্তিত) দেখিতেছি কেন?” ১০-১৬

    রাজার এ‌ই প্রকার প্রণয়যুক্ত বাক্য শ্রবণ করিয়া, বৈশ্য বিনয়াবনত হ‌ইয়া রাজাকে প্রত্যুত্তর করিল, আমি ধনীদিগের কুলে উৎপন্ন, সমাধিনামা বৈশ্য। অসাধু পুত্র, দারা ও স্বজনবর্গ, ধনলোভে আমাকে পরিত্যাগ করিয়াছে। তাহারা আমার ধন সকল গ্রহণ করিয়া আমাকে পরিত্যাগ করিলে, আমি পুত্র, দারা, বিশ্বস্ত বন্ধু ও ধনবিহীন হ‌ইয়া দুঃখে বনে আগমন করিয়াছি। এস্থলে থাকিয়া আমি পুত্র, দারা ও বন্ধুবর্গের কোন মঙ্গলামঙ্গল বার্ত্তা জানিতে পারিতেছি না; এক্ষণে তাহাদের গৃহে মঙ্গল ঘটিয়াছে, কি ঘটিয়াছে, আমার পুত্রগণ এক্ষণে সদাচারী কিংবা দুরাচার-পরায়ণ হ‌ইয়াছে, এ সকল কিছুই জানিতে পারিতেছি না। ১৭-২১

    রাজা কহিলেন, যে পুত্রদারাদিগণ লোভপরবশ হ‌ইয়া তোমার ধনাদি হরণ করিয়াছে, তাহাদিগের উপর‌ই তোমার মন কি প্রকারে স্নেহযুক্ত হ‌ইতেছে? বৈশ্য কহিল, আপনি আমার সম্বন্ধে যাহা বলিলেন, তাহা সত্য বটে, কিন্তু আমি কি করিব! আমার মন কোন প্রকারে‌ই নিষ্ঠুর হ‌ইতেছে না! যে পুত্রগণ ধনলোভে, পিতৃস্নেহ বিসর্জ্জন করিয়া আমাকে দূর করিল, যে পত্নীগণ পতিপ্রেম ও বন্ধুগণ বন্ধু-সৌহার্দ্দ পরিত্যাগ করিয়া আমাকে গৃহ হ‌ইতে নিরাকৃত (নিষ্কাশিত) করিল, সে‌ই দুর্ব্বৃত্ত পুত্র দারা ও বন্ধুবর্গের প্রতি‌ই আমার মন অনুরক্ত। মহামতে! প্রতিকূল বন্ধুবর্গের উপর আমার চিত্ত কেন যে প্রেমপ্রবণ হয়, আমি তাহা বুঝিয়াও বুঝিতে পারিতেছি না। তাহাদের জন্য এ‌ই দীর্ঘনিশ্বাস ও এ‌ই দুর্ম্মনস্কতার (উদ্বেগের) উৎপত্তি। আমার মন যে সে‌ই প্রীতিশূন্য পুত্রাদির উপর নিষ্ঠুর হ‌ইতেছে না, আমি ইহার কি প্রতিবিধান করিব? ২২-২৬

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, তৎপরে রাজা সুরথ ও সমাধি নামক বৈশ্য, উভয়ে একত্রে সে‌ই মেধা মুনির নিকটে উপস্থিত হ‌ইলেন। অনন্তর রাজা ও বৈশ্য মুনির যথোচিত সম্মানপূর্ব্বক পূজ্যানুক্রমে উপবেশন করিয়া তাঁহার সহিত নানাপ্রকার কথা কহিতে লাগিলেন। রাজা বলিলেন, ভগবন্‌! যে বিষয়টী আমি বুঝিতে পারিতেছি না বলিয়া, আমার মন দুঃখিত রহিয়াছে, সে‌ই বিষয় আপনাকে জিজ্ঞাসা করিতে ইচ্ছা করিতেছি; আপনি আমাকে তাহা বুঝাইয়া বলুন। আমি বুঝিতেছি যে, ইহা ভ্রম; তথাপি অজ্ঞের ন্যায় আমার রাজ্য ও অখিলরাজ্যাঙ্গের উপর এতাদৃশ মমতা। হে মুনিশ্রেষ্ঠ! ইহা কিরূপ? আর এ‌ই বৈশ্যকে ইহার পুত্রগণ অবমানিত (অপমানিত) করিয়াছে; দারা, ভৃত্য ও বন্ধুবর্গ পরিত্যাগ করিয়াছে; তথাপি এ‌ই ব্যক্তি সে‌ই সকল দুষ্ট পুত্রাদির উপর অনুরক্ত; এ‌ই প্রকার আমি ও এ‌ই বৈশ্য, উভয়ে‌ই এ‌ইরূপ পরিদৃশ্যমান দোষপূর্ণ বিষয়ে মমতাযুক্তমানস হ‌ইয়া সাতিশয় দুঃখ পাইতেছি। হে মহাভাগ! আমরা উভয়ে জ্ঞানী হ‌ইয়াও যে এ প্রকার বিবেকান্ধের ন্যায় মোহ প্রাপ্ত হ‌ইতেছি, ইহার কারণ কি? ২৭-৩৩

    ঋষি কহিলেন, সমস্ত জন্তুর‌ই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়ে জ্ঞান আছে। হে মহাভাগ! বিষয় সমুদয় এবং বিষয়জ্ঞানসম্পাদক ইন্দ্রিয়গণও পরস্পর বিভিন্নস্বভাব। দেখুন, কোন কোন প্রাণী দিবসে দেখিতে পায় না, কেহ কেহ বা রাত্রিতে দেখিতে পায় না, আবার কেহ কেহ বা দিবারাত্রে তুল্যদৃষ্টি। আপনি যে প্রকার জ্ঞানের কথা কহিতেছেন, মনুষ্যগণের এরূপ জ্ঞান আছে বটে, কিন্তু কেবল মনুষ্যমাত্র‌ই যে এ প্রকার জ্ঞানের অধিকারী, তাহা নহে; যেহেতু পশুপক্ষী ও মৃগাদিও এরূপ জ্ঞানবান হয়। বিষয়গোচর জ্ঞান যে প্রকার পশু পক্ষী প্রভৃতির আছে, মনুষ্যেরও সে‌ই প্রকার আছে এবং মনুষ্যগণেরও বিষয়গোচর যে জ্ঞান আছে, পশুপক্ষীদিগেরও তাহা‌ই আছে; সুতরাং এ প্রকার জ্ঞান মনুষ্য ও ইতর প্রাণীদিগের সমান। এ প্রকার জ্ঞান থাকিলেও পরস্পরে বিষয়ের কত বিভিন্নতা দেখুন। এ‌ই পক্ষিগণ ক্ষুধাতে পীড়িত, তথাপি স্বকীয় শাবক সকলের চঞ্চুতে ধান্যকণাদি প্রদান করিতে কত‌ই যত্নবান! আর হে মনুজশ্রেষ্ঠ! মনুষ্যগণ নিজ সুতগণের (পুত্রদের) প্রতি অভিলাষী হ‌ইয়া তাহাদিগের ভরণপোষণ করিতেছে। মনুষ্যগণ কেবল প্রত্যুপকার জন্য লোভে এ প্রকার করিতেছে, ইহা কি দেখিতেছেন না? ৩৪-৩৯

    এ‌ইরূপ উপকারাদির প্রত্যাশা না থাকিলেও মহামায়ার সংসার-স্থিতিকারী প্রভাবে সর্ব্বপ্রাণী বাসনারূপ আবর্ত্তময় মোহগর্ত্তে নিপতিত হ‌ইতেছে। সে‌ইজন্য এ বিষয়ে বিস্ময় করা উচিত নহে। মহামায়া, জগৎপতি হরির যোগ-নিদ্রাস্বরূপা; তিনি এ‌ই জগৎকে মোহিত করিতেছেন। সে‌ই ভগবতী মহামায়া‌ই জ্ঞানীদিগের চিত্ত সকল বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিয়া মোহে নিক্ষেপ করিতেছেন। সে‌ই দেবী এ‌ই সচরাচর জগৎ (স্থাবর জঙ্গমাত্মক বা স্থির এবং গতিশীল অর্থাৎ জড় ও জীব, চেতন ও অচেতন মিলিয়ে এ‌ই সমগ্র জগৎ) সৃজন করিয়াছেন। তিনি‌ই প্রসন্না হ‌ইয়া মনুষ্যদিগের মুক্তিপ্রদ বর দান করেন। তিনি‌ই মুক্তির উৎকৃষ্ট হেতুস্বরূপা সনাতনী ব্রহ্মজ্ঞানস্বরূপা বিদ্যা। তিনি সংসারবন্ধন, জন্ম ও মৃত্যু প্রভৃতির হেতু; তিনি ঈশ্বরগণেরও ঈশ্বরী। রাজা বলিলেন, — হে ভগবন্‌! আপনি যাঁহাকে মহামায়া বলিতেছেন, সে‌ই দেবী কে? হে দ্বিজ! তাঁহার উৎপত্তিবৃত্তান্ত কি প্রকার এবং তাঁহার কর্ম্ম‌ই বা কি? সে‌ই দেবীর স্বভাব ও স্বরূপ এবং তিনি যাহা হ‌ইতে উৎপন্না, হে ব্রহ্মজ্ঞশ্রেষ্ঠ! তৎসমুদয় আমি আপনার নিকট শ্রবণ করিতে ইচ্ছা করি। ৪০-৪৬

    ঋষি কহিলেন, — সে‌ই জগন্মূর্ত্তি মহামায়া নিত্যা — উৎপত্তি-বিনাশ-রহিতা। তিনি সমুদয় বিশ্ব‌‌ই ব্যাপিয়া রহিয়াছেন। তথাপি তাঁহার বহুপ্রকার উৎপত্তিকথা আমি বলিতেছি, শ্রবণ করুন। দেবতাদিগের কার্য্যসিদ্ধির জন্য তিনি যখন আবির্ভূতা হন, নিত্যা হ‌ইলেও তখন‌ই তিনি লোকমধ্যে উৎপন্না বলিয়া অভিহিতা হন। কল্পান্তে জগৎ একসমূদ্রীকৃত হ‌ইলে ভগবান্‌ বিষ্ণু যখন অনন্তশয্যা আশ্রয় করত যোগনিদ্রা অবলম্বন করেন, তখন বিষ্ণু-কর্ণমল-সম্ভূত, মধু ও কৈটভ নামে বিখ্যাত ভয়ঙ্কর অসুরদ্বয় ব্রহ্মাকে হনন করিতে উদ্যত হ‌ইয়াছিল। বিষ্ণুর নাভিপদ্মে স্থিত অতি দীপ্তিমান্‌ প্রজাপতি ব্রহ্মা সে‌ই ভয়ঙ্কর অসুরদ্বয়কে দেখিয়া এবং বিষ্ণুকে নিদ্রিত দর্শন করিয়া, বিষ্ণুর জাগরণের নিমিত্ত একাগ্রহৃদয়ে হরির নেত্রস্থিতা, বিষ্ণুর নিদ্রাস্বরূপা, বিশ্বেশ্বরী, জগদ্ধাত্রী, স্থিতি-সংহার-কারিণী সে‌ই যোগনিদ্রার স্তব করিতে লাগিলেন। ব্রহ্মা বলিলেন, ৪৭-৫৩

    হে ব্রহ্মস্বরূপে! হে নিত্যে! তুমি দেবগণের হবির্দান-মন্ত্র (যজ্ঞে ঘৃত আহুতি দেওয়ার সময় যে মন্ত্র বলা হয়) স্বাহা স্বরূপা; তুমি পিতৃগণের উদ্দেশে প্রদানমন্ত্র (পিণ্ডদানের মন্ত্র) স্বধা-স্বরূপা; তুমিই বষট্‌কার (যজ্ঞে দেবতাদের আহ্বানমন্ত্র) ও অকারাদি স্বরবর্ণ; হে দেবি তুমি সুধা স্বরূপা; তুমি‌ই বর্ণসমূহে হ্রস্ব-দীর্ঘ-প্লুতরূপ মাত্রাত্রয়-রূপা। ৫৪

    যে অর্দ্ধমাত্রার উচ্চারণ বিশেষরূপ হয় না, তুমি‌ই সে‌ই অর্দ্ধমাত্রারূপে স্থিতা। হে দেবি! তুমি‌ই সে‌ই প্রসিদ্ধ গায়ত্রী-স্বরূপা। হে দেবি! তুমি‌ই সে‌ই সর্ব্বোৎকৃষ্টা জগজ্জননী প্রকৃতিস্বরূপা। ৫৫

    হে দেবি! তুমি‌ই এ‌ই জগতের সৃষ্টি করিতেছ, তুমি‌ই ইহাকে ধারণ করিতেছ, তুমি‌ই ইহাকে পালন করিতেছ এবং প্রলয়কালে তুমি‌ই এ‌ই জগৎকে গ্রাস করিয়া থাক। ৫৬

    তুমি সর্গকালে (উৎপত্তির সময়) সৃষ্টিরূপা, তুমি পালনে স্থিতিরূপা, এবং হে জগন্ময়ি! এ‌ই জগতের বিনাশকালে তুমি‌ই সংহাররূপা। ৫৭

    হে দেবি! তুমি মহাবিদ্যা, তুমি মহামেধা, তুমি মহামায়া, তুমি মহাস্মৃতি; হে দেবি! তুমি মহামোহ-জনিকা মহাদেবী এবং মহাসুরী। ৫৮

    হে দেবি! তুমি সত্ত্ব-রজস্তমোগুণ স্বরূপে সকল চরাচরের‌ই প্রকৃতি। তুমি কালরাত্রি অর্থাৎ ভয়ঙ্কর যমস্বরূপা। তুমি মহারাত্রি, অর্থাৎ বস্তু মাত্রের আবরক তমোময় প্রলয়-স্বরূপা। তুমি ভয়ঙ্কর মোহরাত্রি অর্থাৎ জগতের মোহ-জনক সংসার-স্বরূপা। ৫৯

    হে দেবি! তুমি শ্রী, তুমি ঈশ্বরী, তুমি লজ্জা, তুমি বুদ্ধি এবং তুমি দিব্যজ্ঞানের একমাত্র লক্ষ্য। তুমি লজ্জা, পুষ্টি, তুষ্টি, শান্তি ও ক্ষান্তিস্বরূপা (ক্ষমাস্বরূপা)। ৬০

    তুমি খড়্গিনী (যার হাতে খড়্গ), শূলিনী (যার হাতে শূল), গদিনী (যার হাতে গদা), চক্রিণী (যার হাতে চক্র), শঙ্খিনী (যার হাতে শঙ্খ) এবং চাপিনী (যার হাতে ধনুক)। হে দেবি! বাণ, ভূষুণ্ডী (লাঠি) এবং পরিঘও (মুগুরও) তোমার অস্ত্র। ৬১

    হে দেবি! তুমি সৌম্যা, সৌম্যতরা, অধিক কি, জগতে যত প্রকার সুন্দর পদার্থ আছে, তুমি তাহাদের সকলের অপেক্ষা সুন্দরী। হে দেবি! তুমি শ্রেষ্ঠা, শ্রেষ্ঠ হ‌ইতে শ্রেষ্ঠতরা এবং তুমি‌ই শ্রেষ্ঠতরদিগেরও ঈশ্বরী। ৬২

    হে অখিলাত্মিকে! যাহা কিছু ভাব ও অভাবরূপ পদার্থ আছে, তাহাদের যে শক্তি, তুমি‌ই সে‌ই শক্তিস্বরূপা, অতএব তোমাকে কি প্রকারে স্তব করিব? ৬৩

    হে দেবি! জগতের সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়কর্ত্তা সে‌ই ভগবান বিষ্ণুকে‌ই যখন তুমি নিদ্রাভিভূত করিয়া রাখিয়াছ, তখন আর কে তোমার স্তব করিতে সমর্থ হ‌ইবে? ৬৪

    হে দেবি! বিষ্ণু, ঈশান (শিব) ও আমাকে যখন তুমি‌ই শরীর গ্রহণ করাইয়াছ, তখন অপর কোন্‌ ব্যক্তি তোমার স্তব করিতে সমর্থ হ‌ইবে? ৬৫

    হে দেবি! সে‌ই তুমি এ‌ই প্রকার স্বকীয় উদার প্রভাব-বর্ণন দ্বারা পরিতুষ্ট হ‌ইয়া এ‌ই দুরাধর্ষ মধু ও কৈটভ নামক অসুরদ্বয়কে মোহিত কর। ৬৬

    এবং জগৎস্বামী অচ্যূতকে প্রবোধিত কর। হে দেবি! এ‌ই মহাসুরদ্বয়কে বিনাশের জন্য শীঘ্র এ‌ই ভগবান্‌ বিষ্ণুর সংজ্ঞা দান কর। ৬৭

    ঋষি বলিলেন, সে‌ই অসুরদ্বয়ের নিধনার্থে বিষ্ণুর প্রবোধ-প্রার্থী ব্রহ্মা এ‌ই প্রকারে সে‌ই তমোগুণময়ী নিদ্রারূপা দেবীর স্তব করিলে পর, অব্যক্তজন্মা ব্রহ্মার সম্মুখে ভগবান্‌ বিষ্ণুর নেত্র, মুখ, নাসিকা, বাহু, হৃদয় ও বক্ষঃস্থল হ‌ইতে নিষ্ক্রান্ত হ‌ইয়া দেবী অবস্থিতি করিলেন। তখন নিদ্রারূপা দেবী তাঁহাকে পরিত্যাগ করিলে পর, ভগবান বিষ্ণু একার্ণবস্থিত অনন্তশয্যা হ‌ইতে উত্থান করিয়া দেখিলেন, সে‌ই দুরাত্মা অতি বীর্য্য-পরাক্রমশালী, ক্রোধরক্তনেত্র মধু ও কৈটভ নামক অসুরদ্বয়, ব্রহ্মার বিনাশে কৃতোদ্যম হ‌ইয়াছে। উত্থানান্তর ভগবান্‌ বিভু হরি, সে‌ই অসুরদ্বয়ের সহিত পঞ্চসহস্র বৎসর বাহুযুদ্ধ করিলেন। সে‌ই অতি বলোন্মত্ত অসুরদ্বয় মহামায়াবিমোহিত হ‌ইয়া কেশবকে বলিল, “তুমি আমাদিগের নিকট হ‌ইতে বর গ্রহণ কর।” ভগবান্‌ বলিলেন, তোমরা যদি আমার উপর তুষ্ট হ‌ইয়া থাক, তবে উভয়ে‌ই আমার বধ্য হও, আমার এ‌ই বর, অন্য বরে কোন প্রয়োজন না‌ই। ঋষি কহিলেন, ভগবান্‌ এ‌ই প্রকারে উভয়কে বঞ্চনা করিলে পর, সে‌ই অসুরদ্বয় সমুদয় জগৎ জলপ্লাবিত দেখিয়া ভগবান্‌ পুণ্ডরীকাক্ষকে (যার চোখ শ্বেতপদ্মের মত সুন্দর অর্থাৎ বিষ্ণুকে) বলিল, হে কেশব! তোমার সহিত যুদ্ধে আমরা প্রীত হ‌ইয়াছি, অতএব তোমা দ্বারা আমাদের মৃত্যু শ্লাঘনীয়; কিন্তু যে স্থান জলপ্লাবিত হয় না‌ই, আমাদিগের সে‌ই স্থানে বধ কর। ঋষি কহিলেন, “তাহাই হ‌উক” এ‌ই কথা বলিয়া ভগবান্‌ শঙ্খ-চক্র-গদা ধারণপূর্ব্বক স্বকীয় জঘন (উদরের নিম্নভাগ) দেশে রাখিয়া চক্রদ্বারা সে‌ই অসুরদ্বয়ের মস্তক ছেদন করিলেন। স্বয়ং ব্রহ্মা স্তব করিলে, এ‌ই মহামায়া দেবী এ‌ই প্রকারে উৎপত্তি লাভ করিয়াছিলেন। তোমাকে পুনর্ব্বার এ‌ই দেবীর প্রভাব বলিতেছি, শ্রবণ কর। ৬৮-৭৮

    প্রথম অধ্যায় সমাপ্ত॥১॥

    —

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুলিশ কাহিনী ১ – পঞ্চানন ঘোষাল (প্রথম খণ্ড)
    Next Article কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }