Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤷

    ছায়াচরাচর – ১

    এক

    জ্যৈষ্ঠমাসের অকাল বর্ষণে পদ্মা ফুলিয়া ফাঁপিয়া বিপুলা হইয়াছে। স্পষ্ট তীরভূমি আর নাই; নিকটস্থ গ্রামসকল পদ্মা গ্রাস করিয়া লইয়াছে। ধান্যক্ষেত্রগুলি জলমগ্ন, যদিও এতদঞ্চলে জল যত বাড়ে, ধ্যান্যরাজি সেই জলের সঙ্গে সঙ্গে ততই বর্ধিত হইয়া আত্মরক্ষা করিয়া থাকে। সিতশুভ্র জলতলের উপর হরিৎ বর্ণের ধানের শিষ অপূর্ব শোভা বিস্তার করিতেছে। যতদূর দেখা যায়, তরঙ্গসঙ্কুল জলরাশি বিস্তৃত হইয়া একেবারে দিগন্ত চুম্বন করিয়াছে। অপরাহ্ণের স্তিমিত আলোকের ভিতর একটি ‘হংসমুখী’ নৌকা অনুকূল পবনে পাল খাটাইয়া ধীরগতিতে ভাসিয়া চলিতেছে। নৌকার খোলের ভিতর আম্র ও ডাব রাশীকৃত হইয়া পড়িয়া আছে। ফলগুলি কিছু পরিপক্ক সুবর্ণ, কিছু বা মসৃণ শ্যাম। নৌকার ছইয়ের নিকট এক প্রৌঢ় ব্যক্তি এবং প্রায় দ্বাদশবর্ষীয় এক সদ্যোকিশোর বসিয়া আছে। গলুইয়ের সমীপে কয়েকজন মাঝিমাল্লাকেও অলসভাবে বসিয়া কথালাপে কালহরণ করিতে দেখা যায়।

    কিশোর প্রৌঢ়কে সকাতরে জিজ্ঞাসা করিল, “চন্দ্রদ্বীপ পহুঁছিতে আর কয় দিন লাগিবে?”

    প্রৌঢ় উত্তর দিলেন, “আমাদিগের গ্রাম উনসিয়া হইতে চন্দ্রদ্বীপ সচরাচর নদীপথে পাঁচদিনের পথ। কিন্তু এখন ঘোর প্লাবন হইয়াছে, এ সময় জলস্থল একাকার হওয়া তিন দিনের মধ্যেই চন্দ্রদ্বীপে উপনীত হইতে পারিব।”

    কিশোর পুনরায় ব্যাকুল কণ্ঠে কহিল, “রাজা আমার কবিতা শ্রবণ করিবেন তো?”

    প্রৌঢ় কহিলেন, “শুনিবেন বাবা, শুনিবেন। তবে ইদানীং রাজ্য বহিরাক্রমণকারীর দ্বারা আক্রান্ত। রাজাও প্রতিরক্ষাকার্যে মহাব্যস্ত। তথাপি, আমরা ব্রাহ্মণ। আমাদিগের আবেদন শ্রবণ করিবার অবসর নিশ্চয়ই তাঁহার হস্তে থাকিবে। ও বিষয়ে তুমি উদ্‌বিগ্ন হইও না, কমলনয়ন! তোমার জননী তোমার জন্য পুঁটুলির ভিতর কতকগুলি খইয়ের মোয়া বাঁধিয়া দিয়াছেন, এক্ষণে এইসব জলমগ্ন ভূভাগ দেখিতে দেখিতে তুমি সেই মোয়াগুলি ভক্ষণ করো।”

    পিতার বাক্যে কিঞ্চিৎ আশ্বস্ত হইয়া কিশোর কমলনয়ন পুঁটুলির ভিতর হইতে মোয়া বাহির করিয়া খাইতে লাগিল। তাহার পিতা প্রৌঢ় পণ্ডিত; নাম— প্রমোদন পুরন্দর। ইঁহারা কোটালিপাড়া পরগনার অন্তঃপাতী উনসিয়া গ্রামের পণ্ডিত বংশ। শাস্ত্রাধ্যয়ন, অধ্যাপনা, যজন-যাজনই ইঁহাদের পুরুষানুক্রমিক বৃত্তি—বহু প্রজন্ম ধরিয়া প্রাচীন বিক্রমণিপুরের অংশবিশেষ এই শান্ত পল্লীজীবনে ইহারা নিরুপদ্রবভাবে বসবাস করিয়া আসিতেছেন। প্রমোদন পুরন্দরের বসতবাটী, বাগান ও জমিজমা যা আছে— সকলই চন্দ্রদ্বীপের রাজা কন্দর্পনারায়ণের রাজত্বের অন্তর্গত। প্রতি বৎসর রাজকর দিবার নিমিত্ত প্রমোদন পুরন্দরকে রাজসকাশে যাইতে হয়। বাগানে আম, ডাব, তরমুজ, ফুটি, প্রভৃতি ফলাদি যাহা ফলে, তাহারই কতকাংশ বৎসরে একবার নৌকাযোগে চন্দ্রদ্বীপ রাজসরকারে জমা করিয়া আসেন। কিন্তু সম্প্রতি প্রমোদন পুরন্দর প্রৌঢ় হইয়াছেন, এ কর জমা করিবার হাঙ্গামা এ পরিণত বয়সে আর পোষায় না। ভাবিতেছেন, এইবার রাজসকাশে উপস্থিত হইয়া রাজাকে কোনোমতে প্রীত করিয়া এক বিশেষ নিবেদন জ্ঞাপন করিবেন। উনসিয়া গ্রামেই রাজার এক প্রতিনিধি বাস করেন। ওই রাজপ্রতিনিধির হস্তে রাজকরস্বরূপ এই ফলগুলি তুলিয়া দিলে আর নৌকায় দীর্ঘপথ অতিক্রম করিয়া চন্দ্রদ্বীপে যাইতে হয় না। কিন্তু রাজাকে সন্তুষ্ট করা যায় কী প্রকারে?

    ভাবিতে ভাবিতে প্রমোদন পুরন্দর এক উপায় স্থির করিয়াছেন। তিনি চারি পুত্রের জনক; কমলনয়ন তাঁহার তৃতীয় পুত্র। নামকরণ সার্থক, কিশোরের আয়তসুন্দর চক্ষুদুটি যে দেখিবে, সে-ই এ কথা কহিবে। নেত্রদ্বয় পদ্মের ন্যায় কোমল, পদ্মেরই ন্যায় বিস্তৃত। তাহার কপালের উপর চূর্ণ কুন্তল আসিয়া পড়িয়া মুখশ্রীকে আরও সুন্দর করিয়াছে। নাসা সুচারু, ওষ্ঠ দুইটি আরক্তিম, প্রশস্ত স্কন্ধ, দীর্ঘচ্ছন্দ বাহু। কিন্তু সকলের উপর তাহার অঙ্গের লালিত্য; এক আশ্চর্য সুকুমার কমনীয়তা কিশোরের গৌর অবয়বকে অধিকার করিয়া রাখিয়াছে। বাল্যে কমলনয়নের শিক্ষা পিতার নিকটই হইয়াছে, কলাপ ব্যাকরণ ও ন্যায়শাস্ত্রের প্রাথমিক জ্ঞান মেধাবী বালক ইতোমধ্যেই অর্জন করিয়াছে। তথাপি, তাহার বিশেষত্ব কাব্যে; অষ্টম বর্ষ হইতেই সুদর্শন বালক শ্লোক রচনা করিতে পারে। গ্রাম্য প্রকৃতির নিসর্গদৃশ্য, আকাশের মহান বিস্তার, নদীর স্বচ্ছন্দ গতি, সন্ধ্যার অতলান্ত অন্ধকার—কিশোর যখন যাহা দেখে, তাহাই সুললিত কবিতায় প্রকাশ করিয়া থাকে। উনসিয়া গ্রামে পুত্রের এতাদৃশ কবিখ্যাতি দেখিয়া প্রমোদন পুরন্দর ভাবিয়াছেন, এইবার রাজসকাশে কমলনয়নকে সঙ্গে লইয়া যাইবেন। রাজা বিদ্যোৎসাহী; কমলনয়ন রাজাকে কবিতা শুনাইয়া মুগ্ধ করিবেন আর এই অবসরে পুরন্দর তাঁহার মনোগত অভিপ্রায়—আর যাহাতে এতদূরে চন্দ্রদ্বীপে আসিয়া কর না দিতে হয়—রাজসকাশে সেই আবেদনই জ্ঞাপন করিবেন। কমলনয়ন এত কথা জানে না, দূরদেশে নদীপথে যাইবে, দেশের রাজাকে সে কবিতা শুনাইতে পারিবে, এই কথা শুনিয়াই সে সোৎসাহে নৌকায় চাপিয়া বসিয়াছে। খইয়ের মোয়া খাইতে খাইতে সে জলস্রোত দেখিতেছিল। নদীতীরে তাহাদের গ্রাম, নদীঘাটের সমীপেই তাহাদের আবাস, গৃহে বসিয়াই বাতায়নপথে সে নদী দেখিয়াছে, কিন্তু নৌকায় করিয়া ভরানদীতে ভাসিয়া বিপুলা পদ্মার এইরূপ স্রোতোবেগ সে কখনও কল্পনাও করে নাই। তাহাদিগের পল্লী কৃষিক্ষেত্রদ্বারা বেষ্টিত, সুদীর্ঘ বেত ও বাঁশের বনের অন্তরালে গ্রামের গৃহগুলি যেন লুক্কায়িত হইয়া থাকে। গ্রামে পুষ্করিণী, তড়াগাদি প্রচুর; পুষ্করিণীর ধারে ধারে জবা, টগর, অপরাজিতা, শেফালিকার মেলা বসিয়াছে। এইসব ফুল পুষ্করিণীর বক্ষে ঝরিয়া পড়িয়া ভাসিয়া যায়, তখন কী শোভাই না বিস্তার করে। পল্লীর দুইদিকে খাল, অনেকসময়ে নৌকা, ডোঙা কিংবা কলার মান্দাসে করিয়া এক গৃহ হইতে অন্য গৃহে, এক গ্রাম হইতে অন্য গ্রামে যাইতে হয়। কাজেই জলের প্রবলতা কিশোর কমলনয়ন বাল্যকাল হইতেই দেখিয়াছে। তথাপি নদীবক্ষে বিহার না করিলে সে কখনও পদ্মার এই সর্বগ্রাসী রূপ প্রত্যক্ষ করিতে পারিত না। দেখিতে দেখিতে কমলনয়ন ভাবিতেছিল, চারিপাশের গ্রামগুলি যেমন এই পদ্মা গ্রাস করিয়া লইয়াছে, তেমনই পদ্মা অপেক্ষাও আরও বিপুলা এমন নদী কি কোথাও আছে, যাহা এই পৃথিবী, দূরের আকাশ, যাহা কিছু দেখিতেছে, শুনিতেছে, সকল কিছুকেই এক লহমায় গ্রাস করিয়া লইতে পারে? আচ্ছা, রাত্রির অন্ধকারে তো সবই ডুবিয়া যায়, অন্ধকার ধরিত্রীকে গ্রাস করে, কিন্তু সেই অন্ধকারকে গ্রাস করে কে? কিশোরের মন বিচিত্র কল্পনায় ও ততোধিক বিস্ময়ে আবিষ্ট হইয়া যায়। কিছুক্ষণ পরে সে পিতাকে প্রশ্ন করে, “তাত! পদ্মাই কি একমাত্র নদী? ভূমণ্ডলে আর নদী নাই?”

    প্রমোদন পুরন্দর বলিলেন,”পদ্মাই কি আর একমাত্র নদী? আরও কত নদী আছে। কলিকলুষনাশিনী ভাগীরথী গঙ্গারই তো অংশবিশেষ এই পদ্মাবতী। এই পদ্মা কিয়দ্দূর প্রবাহিত হইয়া ব্রহ্মপুত্র নদের সহিত মিশিয়াছে। তখন তাহার স্থানীয় নাম হইয়াছে যমুনাবতী। যমুনা আবার দক্ষিণাভিমুখে কিয়দ্দূর গমন করিয়া মেঘনার সহিত মিলিয়াছে। মেঘনা ক্রমে ক্রমে বিপুলা হইয়া আরও দক্ষিণদিকে গমন করিয়া সমুদ্রে মিশিয়াছে।”

    “তবে সমুদ্রই কি সকল নদীর অস্তিম গমনস্থল? আচ্ছা, যদি কোনো নদী শেষ পর্যন্ত সমুদ্রে না যাইতে পারে?”

    প্রমোদন পুরন্দর বলিলেন, “সমুদ্রে যাইতেই হইবে, বৎস। পদ্মার ওই স্রোতোশব্দে কান পাতিয়া শুন— শুনিতে পাইবে অশান্ত ঢেউগুলি ‘সমুদ্রে যাইব, সমুদ্রে যাইব’ বলিয়া কলরব করিতেছে। আর দেখ বৎস, আমাদিগের জীবনও এই নদীর ন্যায়!”

    “আমাদিগের জীবনও নদীর ন্যায়? আমরা তাহা হইলে কোথায় যাইতেছি?”

    ব্রাহ্মণ এ প্রশ্নের উত্তরে ক্ষণেক চুপ করিয়া রহিলেন। কিয়ৎপরে কাহার উদ্দেশে যেন নমস্কার জ্ঞাপন করিয়া সুললিত কণ্ঠে উচ্চারণ করিলেন, “নৃণামেকো গম্যত্ত্বমসি পয়সামর্ণব ইব—তুমিই মানুষের সেই এক গন্তব্যস্থল—সেই একমাত্র সমুদ্রসঙ্গম!” কিশোর কিছু বুঝিল, কিছু বুঝিল না; নিজমনে আপন প্রশ্নের উত্তর খুঁজিতে লাগিল।

    ক্রমশ অপরাহ্ণ পড়িয়া আসিল। মাঝিমাল্লারা দাঁড় টানিয়া নৌকাকে তীরের নিকট লইয়া যাইতে লাগিল। নিকটস্থ তীরভাগে নৌকা বাঁধিয়া এস্থলে রাত্রি যাপন বিধেয়। রন্ধনবণ্টনাদি নদীতীরেই সমাধা করিতে হইবে।

    সায়াহ্নে ছায়া নদীর উপর আসিয়া পড়িতেছে। ছায়া ছায়া অন্ধকারের ভিতর নীড়ে প্রত্যাবর্তনকারী পক্ষীকুল বিহগভাষায় কী কথা বলিতে বলিতে আকাশপথে উড়িয়া চলিয়াছে। কিশোর কমলনয়ন মুগ্ধনেত্রে সব দেখিতেছিল, শুনিতেছিল। গৃহগত বেষ্টনীর বাহিরে এই প্রথম আজ প্রাক্সায়াহ্নে যেন তার জীবনের মুগ্ধপাঠ হইতেছিল। বন্ধনহীন মুক্ত জীবনের সংগীত তাহার অন্তরবীণার তারে প্রথম রণিত হইতেছিল। পশ্চিম দিগন্তে অস্তরশ্মির আভা যেন কোথায় হারাইয়া যাইতেছে। কে এক উদাসী পথিক জীবনের সকল পথ পার হইয়া ওই অস্তাভার ভিতর যেন লীন হইতে চলিল। সে যেন কোন্ সুদূর লোক! সে-অজানিত জগতে যেন সকলকেই একদিন যাইতে হইবে, সেখান হইতে আর কোনোদিন প্রত্যাবর্তন হইবে না। সেই অজ্ঞাত রাজ্যে আলোকের উদয় নাই, অস্ত নাই… অথচ তাহারই বিভায় যেন এই নদী, এই সন্ধ্যার আকাশ, ওই বিহগকুল, ওই দূরের গ্রামগুলি প্রকাশমান হইয়া রহিয়াছে…

    পিতার স্পর্শে কিশোরের সম্বিৎ ফিরিল। প্রমোদন পুরন্দর অতি কোমল স্বরে পুত্রকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “বৎস! জননীর জন্য মন উদাস হইতেছে?”

    কিশোর ঈষৎ শিরশ্চালন করিয়া কহিল, “না।” তাহার পর ধীরে ধীরে আত্মগত স্বরে পিতার উদ্দেশে বলিল, “রাজা যদি আমার নাম-পরিচয় জিজ্ঞাসা করেন, তবে আমার গৃহগত নাম ‘কমলনয়ন’ কহিবেন না।”

    “তবে কী কহিব?”

    “জাতপত্রিকায় আমার যে-নাম আছে, উপনয়নের সময়ে আমায় যে-নাম ধরিয়া ডাকিয়াছিলেন, রাজসমীপে সেই নামেই আমার পরিচয় দিবেন। আমার নাম মধুসূদন!”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }