Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤷

    যে যেখানে যায় – ১

    ১

    লেক গার্ডনস ফ্লাই ওভারটার দু’পাশ জুড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুটতে শুরু করে দিয়েছে। বেগুনি ফুল ঝুপ্পুস দুলছে লেকের বাইরে, ভেতরে। বসন্ত আসতে না আসতেই চিকচিকে সবুজ, ঝকঝকে দুলদুলে পাতা। ফেশিয়াল করে এসেছে যেন। ফাইন! এদিকে চৌকিটার এইসা জোর হয়েছে গায়ে যে, চেনটা ধরে রাখা যাচ্ছে না। তাকেই বরং দৌড় করাচ্ছে ব্যাটা। উঃ, ক্রিকেট কোচিংয়ের স্কুলটা শেষ অবধি এসে গেল। তিন রাউন্ড হল, এখনও এক রাউন্ড বাকি। মধুবন বলল—উফ একটু জিরোতে দে রে চৌকি! প্লিজ! মুশকিল হচ্ছে, জিরোতে হলেও সেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই জিরোতে হবে। একবার চেন আলগা দিলেই গেছ! এই বিদঘুটে কাজটা তার বাবার। কিন্তু মেদ কমানোর জন্য যেহেতু তার প্রাতঃহন্টনের দণ্ড হয়েছে এবং বাবা আপাতত দিল্লি গেছে, বাবার জায়গায় মধুবনকে ফিট করা হয়েছে। প্রাতঃহন্টনের পর বাড়ি গিয়ে সে সামান্য কিছু খেতে পাবে। প্রচুর জল প্রথমেই। তারপর ঝিঁঝির পাতের মতো পাতলা দুটো মাখনহীন টোস্ট, এক কাপ স্কিনড মিল্ক, গুটিকতক শসা। পড়াশোনার কাজটা এই ‘শসাফাস্টে’র পরেই করে থাকে সে। দু’খানা হাতেগড়া রুটি, গাজর, বিন, পেঁপেসেদ্ধ টিফিনে ভরে দেয় মা। চোখ পাকিয়ে বলে—’ক্যান্টিনে বসে কাটলেট ধবংস কোরো না আবার। এত দিনের পরিশ্রম জলে যাবে। মনে রেখো, পঁচাত্তর কেজি ওজন ইকোয়ালস—হার্ট, প্রেশার, বাত, ডায়াবিটিস…। যখন স্কুল চলে তখন এইরকম।

    আচ্ছা মা, নিজের মেয়ের জন্যে এতগুলো মারাত্মক মারাত্মক অসুখ প্রেসক্রাইব করতে বাধছে না তোমার?

    অসুখ প্রেসক্রাইব করছি? মারব এক চড়। যা, বেরো এবার।

    অন্য লোকের মায়েরা যখন মালাই নিয়ে ছেলেমেয়েদের সাধাসাধি করছে, তখন তার মা গরম টোনড মিল্কের ওপর পড়া সরটাও শ্যেনদৃষ্টিতে দেখছে এবং চামচ দিয়ে নির্মমভাবে তুলে ফেলে দিচ্ছে। সেই সব বালকবালিকা, কিশোরকিশোরী যারা দুধ এবং দুধের সরের নামে নাক কুঁচকোয়, মধুবন তাদের দলে পড়ে না। সে ভালবাসে বেশ মোটা সর—পড়া গোদুগ্ধ। সম্পূর্ণ দুধ যাকে বলে। সে ভালবাসে তাজা ক্রিম। নানারকম টুকরো টুকরো করে কেটে একটা বড় কাচের বাটিতে রাখো। তারপর তাতে দরাজ হাতে ক্রিম ঢালো। এক মুঠো বড় দানার সাদা সাদা চিনি। ব্যস।

    এবং যেহেতু সে এরকম ভালবাসে তার জানাশোনা মাসি—পিসিরা যাঁরা যাঁরা ছেলেমেয়েদের দুগ্ধজাত খাওয়াতে পেরে ওঠেন না তাঁদের সমস্ত স্নেহরস ঝরে পড়ে মধুবনের ওপর বা ঠিকঠাক বলতে গেলে তার খাদ্যাখাদ্যের ওপর।

    মিল্কশেক করেছি মধুবন। খাবি তো?

     

     

    আইসক্রিম ফ্লোট ভাসিয়েছ কি মাসি?

    শিয়োর শিয়োর! আইসক্রিমের বাক্সটা তা হলে আছে কী করতে?

    আমাকে যেন স্ট্র দিয়ো না। ওভাবে শেক খাওয়া যায় না। তা হলে তো কোক, থামস আপ খেলেই হয়!

    সব মাসিরাই তাকে ভালবাসেন। কিন্তু পাবলোর মা যশোমাসি একটু স্পেশ্যাল।

    স্পেশ্যাল। কেননা, তাঁরও ওই একই রোগ। তাঁরও ব্লাউজের তলায় মোটা মেদের বেল্ট, তারও মুখ আর ধড়ের মাঝখানে ঘাড় অদৃশ্য। তাঁকেও হাঁসফাঁস করতে করতে প্রাতঃহন্টন করতে দেখা যায় এবং মধুবনকে মিল্কশেক দিয়ে তিনি নিজেও অন্য একটি মিল্কশেক নিয়ে মুখোমুখি বসবার পক্ষপাতী। কিন্তু দু’জনেই এখন প্রভূত বিপদে পড়ে গেছেন।

    সে দিন বাড়ি এসেই মধুবন বলল—ব্যস দু’কেজি কমে গেছি।

     

     

    হ্যাঁ। এক কেজি হাঁটার জন্যে। আর এক কেজি চৌকির জন্যে। যা ছুট করিয়েছে, বাপস!

    তা হলে তো তোর এক মাসে তিরিশ দু’গুণে ষাট কমে যাচ্ছে। বাকি রইল বারো কেজি, বাঁচবি কী করে রে?

    মা, নিজের মায়ের পাঁচফোড়ন হল—আবার আইসক্রিম, সর, ক্রিম, রেওয়াজি পাঁঠার গরগরে ঝোল। চড়চড় করে উঠে যাবে। যশোমাসি আছে কী করতে?

    এক হপ্তা পরে ডাক্তারখানায় গিয়ে সে সত্যি দেখে এল—এক কেজির মতো কমেছে। ডাক্তারকাকু বললেন,—ঘাবড়াচ্ছ কেন? এসব আলগা ফ্যাট শটাশট ঝরে যাবে। কিন্তু ডায়েট মেনটেন করতে হবে স্ট্রিক্টলি।

    যশোমাসি আর মধুবনের যখন এইরকম বিপদ তখন আরমান আর সম্পৃক্তার কেস শুনুন। সম্পৃক্তার প্রবলেম হল ও যতই খায় আটচল্লিশ কেজির বেশি ওঠে না।

    কোথায় ওয়েট নিস? সিনেমা হলে? শপিংমলে?—মধুবনের স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে।

     

     

    আজ্ঞে না। রীতিমতো ডাক্তারখানায়। ক্লিনিকে।

    অনেক ডাক্তার গড়বড় যন্ত্র কমদামে কিনে এনে চেম্বার সাজায়, তুইও আটচল্লিশ, হাতিও আটচল্লিশ।

    আর তুইও আটচল্লিশ। তো চল আজই তোকে নিয়ে যাই।—সম্পৃক্তা সঙ্গে সঙ্গে রেডি।

    অগত্যা মধুবন পিছু হটে। অন্য পথ নেয়। আসলে তুই খাস না—উত্তর হল—ওই আনন্দেই থাক।

    খাচ্ছেদাচ্ছে ওয়েট বাড়ছে না। সম্পৃক্তার ডেলি রুটিন কী! দাঁড়া ব্যাটা, একটু গোয়েন্দাগিরি না করলে আর চলছে না।

    প্রথমেই মধুবন যশোমাসির ইন্টারভিউ নেয়। কারণ যশোমাসি সম্পৃক্তার সাক্ষাৎ মাসি। এবং বলতে গেলে এক বাড়িতেই থাকেন। যশোমাসির বাবা বহুত বড়লোক ছিলেন। সেই বিশাল বাড়ি তাঁর দুই মাত্র মেয়ে যশোধারা আর মধুক্ষরাতে বর্তেছে। যশোমাসির ছেলে পাবলো আর মধুমাসির মেয়ে সম্পৃক্তা দু’জনেই মধুবনের ইয়ার। সেকেন্ড কাজিনও বটে। ওদের বাড়ির মাঝখানে একটা দরজা। এ—দিকে যশোমহল। ও—দিকে মধুমহল।

     

     

    মধুবন জিজ্ঞেস করে—আচ্ছা যশোমাসি, শম্পি কখন জিমে যায় গো!

    শম্পি জিমে? যায় না তো! কেন যাবে? এমনিতেই তো ডিগডিগুনি!

    না খেয়ে থাকলে আর ডিগডিগে হবে না তো কী?

    যশোমাসি বললে,—শম্পি না খেয়ে থাকে? তোকে বলেছে বুঝি? পাউরুটিতে মোটা মাখন লাগিয়ে তার ওপর মুঠো মুঠো চিনি ছড়িয়ে খায়টা তবে কে? ছানার মালাই কোফতা রেসিপি এনে আমাকে দিয়ে তবে কে রাঁধাল? আমাকে চোখ রাঙিয়ে বললে, মাসি, খবরদার কিন্তু টেস্ট পর্যন্ত করবে না। তা হলেই ফেটে যাবে। পাবলোকে একটা—দুটো দিল কি না দিল। সে অবশ্য কেয়ারও করে না। তা সে যাই হোক ন’—দশটা বাকি ছিল। নিজে সব ক’টি সাঁটাল। শম্পি নাকি না খেয়ে আছে! ওর ধাতই ওইরকম।—ওর বাবার মতো কেঠো ধাত। তুই আমি জল খেলেও ফুলছি। আর ওরা খাচ্ছেদাচ্ছে ফুরফুরেটি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। একেই বলে ভগবানের বিচার। বলতে বলতে মাসি ফোঁস করে নিশ্বাস ফেললে।

     

     

    আরমান এদিকে সকালে জিম, বিকেলে ফুটবল, সন্ধেয় যোগাসন বা ইয়োগা, রাত্তিরে খাওয়ার পর এক ঘণ্টা বাদে পাঁচ মাইল হাঁটে। সুদ্ধু নাকি ফিট থাকবে বলে। পাবলো বলে, ফিট থাকবে বলে? বাঙালকে হাইকোর্ট দেখাসনি। খাবে বলে, স্রেফ গাঁউগাঁউ করে খাবে বলে। এদিকে ওজন বাড়লে ওর কোচ বাঁড়ুদা ওকে ইয়া খিস্তি করবেন না। তাই আরমান যা খায় সব চেষ্টাচরিত্র করে পুড়িয়ে ফেলে। খাওয়ার জন্যে এটুকু কষ্ট নাকি ওর নস্যি। যে—কোনও রকমের মিষ্টি, সে বালুসাই—ই হোক আর কদমাই হোক, রসমুন্ডিই হোক আর শোনপাপড়িই হোক, কেক পেস্ট্রি চকোলেট সব রকমের দিশি—বিদেশি মিষ্টির দারুণ সমঝদার আরমান।

    ভোরবেলা বেশ কিছু মেসো পিসে গোছের ভদ্রলোক শর্টস পরে কেডস পায়ে হনহন হাঁটেন, কারও হার্ট, কারও ডায়াবিটিস। এই সময়টাই পছন্দ করে মধুবন। সবাই তখন খুব নিবিষ্ট হন্টক। এর ওর তার দিকে দৃষ্টি দেবার সময় বা ইচ্ছে কোনওটাই নেই। ভুঁড়ি হার্টের ওপর ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে, কোলেস্টেরল হাই, ইউরিক অ্যাসিড বাড়ছে রক্তে, গাঁটে গাঁটে ব্যথা। কে তখন অন্যের মেদ নিয়ে মাথা ঘামায়। বিকেল হলেই ক্রাউডটা হয়ে যাবে মহিলাপ্রধান এবং তার মধ্যে বেশিরভাগই চেনাশোনা। বড়দের থেকে পরামর্শ, সমবয়স্কদের থেকে টিটকিরি ইয়ারকি একেবারে খইবৃষ্টির মতো চার দিক থেকে ছুটে আসতে থাকে এবং বর্ষিত হয়। ‘কী রে মধুবন, কমল? যশোধরাদির বাড়ি যাওয়া বন্ধ কর, বন্ধ কর—এক্ষুনি হাঁটা সেরেই তো তিনটে আইসক্রিম সাঁটাবি, কমবে কী করে?’

     

     

    ও—দিক থেকে একজন দু’হাত দোলাতে দোলাতে চলতে চলতে বলবে—এই ভাবে হাঁটো ভাই, এইভাবে, হাত পা ছুড়ে ছুড়ে। তবে না তোমার আর্ম আর থাইয়ের মাংস খসবে! কেউ বুঝবে না, তার হাতে রয়েছে চৌকি নামে একটি বিশালাকায় অ্যালসেশিয়ানের চেন। হাত সে ছুড়বে কী করে! আর পা? সে তো চৌকিই ছোড়াচ্ছে! সেটা লোকে দেখতে পায় না।

    বেল্টটা চমৎকার! আর একজন কেউ মন্তব্য করে গেল। বেল্ট বলতে কী বোঝায় মধুবন এখন ভালই বুঝে গেছে, কিন্তু কাউকে ধরার উপায় নেই।

    এই আমাকে বেল্ট বললে কেন?—এটা বলা যায়? বিশদ করে বলতে হবে,—আমার কোমর থেকে পাঁজরের নীচ পর্যন্ত বেড়ি সদৃশ্য যে চর্বির চাকা বিরাজ করছে, তাকে বেল্ট টেল্ট বলে ইয়ারকি মারলে কেন!—এভাবে বললে নিজেকেই নিজে কনডেম করা হয়। আবার কেউ বলতে বলতে যাবে—ভাল বেশ। শীত করবে না।

    জিরো ডিগ্রির তলাতেও?

     

     

    জিরো ডিগ্রির তলাতেও। মাইনাস চার—পাঁচ হেসে খেলে চলে যাবে।

    বলতে গেলে বলবে—আমরা নিজেদের মধ্যে আবহাওয়া, সেন্টিগ্রেড, শীতের জামাকাপড় নিয়ে কথা বলছি। তুমি কে হে? গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে এসেছ!

    ম্যাক্সিমাম হল একজন বলল—ট্যাঁপারি।

    দ্বিতীয়জন বলল—ধ্যার গোলগাপ্পা।

    তৃতীয়জন বলল—ট্যাঁপারিটা বেশি জুতসই। গোলগাপ্পা তো কামড় দিলেই ফুট্টুস।

    এ ক্ষেত্রেও কিছু করবার নেই।

    তাই বিকেলবেলাটা মধুবন জিমে যায়। সে প্রাণপণে ম্যানুয়াল ট্রেডমিল করে যায়। পাশে একটি হিপোপটেমাস ওয়েট নিয়ে কসরত করতে করতে বলে—কবে যে অন্তত তোমার মতো হব!

     

     

    আহা কী মধুর! মধুর! কেউ অন্তত পৃথিবীতে তার মতো হতে চাইছে। তার পরেই অবশ্য, সনা সেরে স্লিম বিউটি বেরিয়ে আসেন একজন। সিরিয়ালে অভিনয় করেন। কৃপার দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকান, একটু হাসেন, চলে যান। হিপো এবং সে পরশ্রীকাতরতায় বড্ড কষ্ট পায় সে সময়টা।

    কিন্তু ভোরবেলাতেও শত্রুপাত হল। আরমানের মূর্তিতে। আরমানের আপাদমস্তক পেটা চেহারা। ফুটবল খেলে। কালীঘাট ক্লাবে। তিনি দৌড়োচ্ছেন। কৃষ্ণচূড়াগুলো মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল মধুবনের চোখে।

    কী রে মৌবটিকা? তুই হন্টন ধরেছিস নাকি?

    মধুবন ওকে এড়িয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু আরমান ছাড়বে কেন?

    হুঁ। এক অক্ষরে উত্তর মধুবনের।

    কাল নেমন্তন্ন ছিল, বুঝলি, একেবারে এই পর্যন্ত—গলাটা দেখিয়ে দিল আরমান। জগিং করতে করতে বলল ল্যাম চপ, ঢাকাই পরোটা, বিরিয়ানি, জিলিপি গরমাগরম ভেজে দিচ্ছিল, বুঝলি! আর আজকাল তো আইসক্রিম পার্লার বসাচ্ছেই। কুলফিও ছিল। দুটোই খেলাম। ন্যাচার‍্যালি। বহুত হয়ে গেল। সো পোড়াচ্ছি।

     

     

    যা ক্যালারি পুড়ে

    জিলিপি যা উড়ে।

    মধুবন আর থাকতে পারল না। বলল—

    ক্রিম ক্ষীর যা জমে চর্বিগুলো ক্রমে

    গালের ওপর গাল হোক

    পেটের ওপর পেট

    তোর জন্মদিনে কোক পাঠাব

    ক্রেটের ওপর ক্রেট।

     

     

    বুড়ো আঙুল নেড়ে আরমান জানিয়ে দিল তাতেও ওর কিস্যুই হবে না।

    বাড়ি এসে এক চক্কর। ক’দিন ধরেই বাড়িতে কুরুক্ষেত্র চলছে। মায়ের ভার্শন সর্বকর্ম সম্পাদক বা আপ্তসহায়ক যা—ই বলো বিদায় নিয়েছে। বিদায় নিয়েছে বলতে সে তার ‘গেরামে’ গেছে। মহা চালু। কিছু দিন অন্তর অন্তরই তাকে ‘গেরামে’ পায়, ইতিমধ্যে মাকে ফুসলে ফাসলে ব্ল্যাকমেল করে করে সে বেশ কিছু হাতিয়ে নিয়েছে বলে বাবার সন্দেহ। এখন হাতানো কমপ্লিট। দেশেঘরে বা গেরামে জমি—জায়গা বাড়িটাড়ি সব হয়ে গেছে তাই পরের চাকরিতে ইস্তফা। ‘ইস্তফা দিবি তো তা—ই দে না বাপু।’ মা ঝম্পক তালে বলে। ‘না বলে এমন ফেরার হবার মানেটা কী?’ ‘মানে আলমারিতে খোঁজো’—বাবার উপদেশ—তোমার আলমারি থেকে তো সদাসর্বদা চাবি ঝুলছে। সবাইকার সামনে ঝনাত করে খুলছ আর টাকা বার করছ, শাড়ি বার করছ, গয়না বার করছ।

    দ্যাখো, তুমি গা জ্বালানো কথা বলবে না। ও আমার আটপৌরে আলমারি। ওতে ওসব থাকে না। আর গয়না কোথাওই থাকে না। জানো না যেন সে—কথা!

     

     

    আর ক্যাশ টাকা?

    মা মধুর হাসে—টাকা তো ব্যাঙ্কে ডার্লিং। হাতে একশো টাকায় এসে ঠেকলে তখন রাত বিরেতে ঢং করে এটিএম থেকে তুলে আনো! টিপে টিপে! পিঁপড়ের পেছন টিপলেও এর চেয়ে বেশি মধু বেরোয়।

    আচ্ছা মা, আটপৌরে আলমারিটা কী?—মধুবনের দাদা ঋজুরুস্তম জিজ্ঞেস করে।

    মা দুই কোমরে হাত রেখে রণং দেহি মূর্তিতে দাঁড়ায়।—আটপৌরে! আটপৌরে? আটপৌরেটা নিয়ে তোমার অসুবিধে না আলমারিটা নিয়ে।

    আলমারি ইজ অল রাইট, বাট হোয়াট ইজ আটপৌরে!

    মিনস ক্যাজুয়াল—মাই ডিয়ার

    মানে তোমার ক্যাজুয়াল ড্রেস রাখো মামণি, না?—মধুবন মাকে সাহায্য করতে চায়।

    আজ্ঞে না। শুধু জামাকাপড় না, আর যা কিছু রোজ দরকার হয়, তেমন দামি নয় সে সবই।

    ঋজু বলে—বাট আটপৌরে—আলমারি! আই জাস্ট কান্ট টেক মাম্মি।

    মা গম্ভীরভাবে বলে—তোমাদের দাসী খাটতে খাটতে ব্যাকরণ—ট্যাকরণ ভুলে গেছি তবু চেষ্টা করছি—আটপৌরে জিনিস রাখার আলমারি। কর্মধারয় সমাস—বাংলা মতে। ইংরেজি মতে—ট্রান্সফার্ড এপিথেট। আলমারির জিনিসগুলো আটপৌরে, জিনিসগুলোর বিশেষণ ট্রান্সফার্ড হয়েছে আলমারিতে—ঢুকল মাথায়?

    ওরে বাপ—মাদার এ তো ক্যালকুলাসের চেয়েও শক্ত!

    আজ্ঞে হ্যাঁ। আমার কাছে জলের মতো সোজা, তোমাদের মতো বিজ্ঞান—নবিশদের কাছে ইটের মতো শক্ত। আই কিউ সবেতেই লাগে ঋজুরুস্তম। আর তাই যদি বলো তো তোমার নামটির মানেই আমাকে একটু বুঝিয়ে বলো না!

    নাথথিং—ঋজুরুস্তম সব উড়িয়ে দেওয়া হাসি হাসে—ঋজু মিনস স্ট্রেট অ্যান্ড রুস্তম মিনস আ ব্রেভ ম্যান, হিরো।

    তা হলে দাঁড়াল একজন স্ট্রেট ফরোয়ার্ড হিরো। যেটা নাকি সোনার পাথর বাটি।

    অতশত জানি না। তোমরা ঋজু নাম দিয়েছিলে। আমার পছন্দ ছিল রুস্তম, দুটো জুড়ে নিয়েছি—এই তো আমার অপরাধ!

    ঋজুরুস্তম নামটির পেছনের ইতিহাস এই। ঋজু নামটি ঠাকুরদার দেওয়া। কিন্তু স্কুলে বহু ভাষাভাষী বহু প্রদেশীয় বহু ধর্মীয় বন্ধুবান্ধবীদের সঙ্গে মেলামেশা করতে করতে ঋজুর মনে হয়েছিল তার নামটি যথেষ্ট আন্তর্জাতিক নয়। অন্ততপক্ষে সর্বভারতীয় বা এশীয় হলেও তার এমন জাত যেত না। বেশিরভাগই তার স্কুলে হসন্তান্ত—প্রসন, অকশয়, সাদিক, রোহান, কুলদীপ, তাই সে নিজেকে সময় সুবিধে মতো ঋজুরুস্তম—এ পরিণত করেছে। বাবা ততটা খেয়াল করেনি। কেননা বাবার কাগজ পড়বারও সময় নেই। কিন্তু মাতৃদেবী প্রচুর রাগ করেন।

    তোমার জন্ম যেমন দিয়েছি, নামটাও তেমন আমরা গুরুজনরাই দিয়েছি। তুমি যদি নতুন নাম নাও সেটা ছদ্মনাম বা পেননেম হতে পারে। তুমি কি লিখতে শুরু করছ?

    পাগল নাকি?

    ঠিকই। পাগল না হলে কেউ তোমাকে একজন দায়িত্বশীল কল্পনাপ্রবণ পড়ুয়া লেখক হিসেবে কল্পনা করবে না। মায়ের রাগত প্রস্থান।

    যাই হোক, মধুবন মা আর দাদার এইসব দ্বৈরথে থাকে না। পাঁচ—ছ’রাউন্ড প্রাতঃহন্টন সেরে গলদঘর্ম হয়ে বাড়ি ফিরে সে দেখল—একটি ঝিঁঝির পাতের মতো মেয়ে তার মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মা তাকে দু’হাত নেড়ে কী সব সমঝাচ্ছেন। মেয়েকে যে এখন কিছু খেতে দিতে হবে মায়ের এ খেয়ালই নেই। অভিমানে দশখানা হয়ে মধুবন তোয়ালে দিয়ে ভাল করে নিজেকে মুছল তারপর স্রেফ শুয়ে পড়ল এবং শুয়ে পড়লেই যেহেতু তার ঘুম পেয়ে যায় সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    বাজখাঁই আওয়াজে ঘুম ভাঙল। কে আর? মাতৃদেবী।

    আজ কোচিংয়ে যেতে হবে না না কী?

    চোখ ডলতে ডলতে উঠে বসল মধুবন। জঠরে দাবানল। ব্যাপারটা সে এখনও ঠিক বুঝতে পারছে না। মাতৃদেবী তাকে জানিয়ে দিয়েই সরে পড়েছেন। মধুবন দেখল তার সামনে ঝিঁঝির পাতের মতো দেখতে সকালের সেই মেয়েটা। মধুবন কাতরে উঠল পেটে হাত দিয়ে। ওরে বাবা উঃ, কী আগুন জ্বলছে রে বাবা।

    মেয়েটা খুব নিশ্চিন্ত গলায় বলল—ওবেবস হয়ে যাবে।

    মানে? আমার পেট ব্যথা করছে আর তুমি বলছ অভ্যেস হয়ে যাবে।

    পেট ব্যথা তো নয়। আগুন জ্বলছে বললে না দিদি! তাই বললুম—খিদে, খিদের আগুন জ্বলে জ্বলে ঠিক একদিক খাক হয়ে যাবে তখন আর তত কষ্ট হবে না।

    যা ববাবা! মধুবন তড়াক করে লাফিয়ে উঠতে গিয়ে ধপাস করে খাটের ওপর বসে পড়ে।

    প্রথম প্রথম মাথা ঘুরবে অমন—ঝিঁঝির পাতা বলে ওঠে।

    মা! ও মা!—মধুবন রান্নাঘরের দিকে হাঁউ মাউ খাঁউ করে যেতে থাকে, তখন মেয়েটা বলে—আমি তো তখন থেকে তোমার খাবার টেবিলে ঢাকা দিয়ে দাঁইড়ে আছি। এই নাও।

    ওর হাত থেকে প্লেটটা ছিনিয়ে নেয় মধুবন। দু’খানা আটার রুটি। পেঁপে মরিচ, গাজর শসা বিন দিয়ে স্যালাড। মধুবন প্রায় একটা গোটা রুটিই মুখে পুরে দিচ্ছিল। হঠাৎ মনে পড়ে গেল, চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে, এবং এই ফুচকা দু’খানা রুটি দু’গরাসে পেটে চালান হয়ে গেলে খাদ্যের সেই অপূর্ব স্বাদ সে আর পাবে না।

    ও বাবা। মেয়েটা বাটি খুলে একটা সেদ্ধ ডিম বার করছে।

    ওটা কার?

    তোমার।

    তুই কি জিনপরি!

    নির্বিকারে ঘাড় নাড়ল সে, বলল—জিনপরি নই। শুধু পরি।

    পরিই বটে। ফুঁ দিলেই তো উড়ে যাবি।

    হ্যাঁ গত এক বছরে খুব রোগা হয়ে গেছি।—জবাব হল।

    এবার মেয়েটা সেই সরহীন দুধ বার করছে। পরম আধো গরম সেই দুধে চুমুক দিতে দিতে হঠাৎ একবার চোখ তুলেছিল মধুবন। দেখে মেয়েটা নির্নিমেষে জানলার দিকে তাকিয়ে আছে। পেছন ফিরে জানলা দিয়ে রোদ খাঁ খাঁ রাস্তা ছাড়া কিছু তো দেখা গেল না।

    দুধটা শেষ করে ওর হাতে গ্লাসটা দিয়ে মধুবন বলল—কী দেখছিলি ওখানে?

    কিছু তো না। মেয়েটা কেমন জড়সড় হয়ে গেল। তার মনে হল মেয়েটা তার খাওয়াটা দেখতে চাইছিল না। কেন রে বাবা?

    আজ থেকে কাজে লাগলি, না কী?

    হ্যাঁ দিদিমণি।

    আবার মণিফণি নয়। স্রেফ দিদি। কোথায় বাড়ি?

    বাড়ি? বাড়ি ঘর নেই—বলে পরি আর দাঁড়াল না।

    ঘড়িতে বারোটা বাজছে। তাড়াতাড়ি জামাকাপড় বদলে কোচিংয়ের দিকে রওনা দিল মধুবন। বড্ড সুখী—সুখী লাগছে আজ। অনেক দিন পরে গরম গরম লাঞ্চ খেয়ে বেরোতে পারছে সে। শান্তি আর কাকে বলে। আহা, তাকে ঘুমিয়ে পড়তে দেখে মায়ের মনে ক্ষুধিত মেয়ের জন্যে করুণা জেগেছে। নিজের কঠোর ভাবমূর্তি পাছে গলোগলো হয়ে যায় তাই জিনপরিকে পাঠিয়ে দিয়ে চান করতে ঢুকে গেছে। আর তাই—ই আজকে ডিমটা এক্সট্রা।

    আরএনজি—র ক্লাস প্রায় শেষ হয়ে এসেছে তখন হঠাৎ মধুবন খেয়াল করল সে এখনও ডিমের কথা, নরম গরম রুটির কথা ভেবে যাচ্ছে। শম্পি যখন ক্লাসের শেষে বলল—তুই একখানা দেখালি বটে মৌবটিকা, না হয় একটু দেরিতেই ঢুকেছিস। তাই বলে আরএনজি—কে ওইরকম একস্ট্রা মনোযোগ দিতে হবে?

    পাবলো বলল—যাকে বলে অভিনিবেশ! মুখখানা এক্কেবারে গোলগাপ্পা হয়ে গিয়েছিল। স্যারসুদ্ধু হাঁ হয়ে গেছেন।

    তো মুখে একটা সেদ্ধ ডিম পুরে দিলে পারতিস। মধুবন রাগ করে ক্লাসরুম থেকে বেরোতে বেরোতে শোনে—শম্পি বলছে—দেখেছিস পাবলো মধুবন সব সময়ে, অলয়েজ টকস ইন টার্মস অব ফুড আইটেমস। সেদিন আমাকে বুড়োআঙুল দেখিয়ে বলল—কাঁচকলা! ক’দিন আগে কাকে যেন বলছিল কোচিংয়ের কেমিস্ট্রি সারের পেটটা ঠিক তরমুজের মতো।

    এ তো ভাল, স্বাভাবিক। কাঁচকলাটলা আমরা বলেই থাকি। কিন্তু পরশু দেখি নীলাঞ্জন আর পিকলু উত্তেজিত হয়ে তর্কাতর্কি করছে, গদগদ করে তোর কাজিন এগিয়ে গেল, বলল—কী রে পাপকর্ন ভাজছিস নাকি?—পাবলো বলল।

    আই অবজেক্ট। তোর কাজিন মানে কী? মধুবন কি তোরও কাজিন নয়! নাকি ডিজওন করছিস?

    করছি না এখনও তবে অদূর ভবিষ্যতেও ও যদি ওরকম নদগদে হয়ে ঘুরে বেড়ায়, করতে পারি।

    এই পর্যন্ত মধুবনের কানে গিয়েছিল।

    পাবলো, সেই পাবলো যার সঙ্গে সে একটা গলদা চিংড়ি ভাগ করে খেয়েছে, যাকে সে তার ফেভারিট নলি হাড় এবং মেটের টুকরো দিয়ে দিয়েছে কত কত বার, কেক কাটতে গিয়ে টুকরো অসমান হয়ে গেলে সানন্দে বড় টুকরোটা যে পাবলোকে দিয়েছে। সে—ই পাবলো তাকে ডিজ…ওন করবে? কা…জিন বলে স্বীকার করবে না!!! গদ্দার! গদ্দার! অসম্ভব সব প্রতিহিংসার দুঃস্বপ্ন মধুবনের মনে ধোঁয়ায়। সে মিলিটারি ভঙ্গিতে সিঁড়ি ভাঙতে থাকে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধানগর – বাণী বসু
    Next Article মেয়েলি আড্ডার হালচাল – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }