Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প192 Mins Read0
    ⤷

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – ১

    শুভারম্ভ

    উপন্যাস কী এই নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছিল। এমন নয় যে আমরা সব লেখক বা অধ্যাপক বা সমালোচক, বা সাহিত্যের হালচাল এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত উদ্বিগ্ন সৎ-পাঠক। আসলে আমরা কয়েকজন বিভিন্ন বয়সের বন্ধু যারা মহা আড্ডাবাজ। এখন আড্ডার অধিকার সাধারণত পুরুষদেরই একচেটিয়া বলে মনে করা হয়। শুধু একচেটিয়া নয়, শুধু অধিকার নয় মনে করা হয় এবং ঠিকই মনে করা হয় এই আড্ডার একটা আলাদা তাৎপর্য একটা আলাদা স্বাদ আছে। ডমরুধর মহাশয়ের সেই সব আড্ডার কথা মনে করুন যাতে গুল, ধাপ্পা, কেচ্ছা, ভূত-প্রেত, গোলেবকাওলি, রূপকথা সবই চলত, অথবা পরশুরামের সেই আড্ডা যেখানে চাটুজ্জেমশাই জাঁকিয়ে বসতেন আর রায়বাহাদুর বংশলোচনের তামাক ধ্বংস করতেন, এঁদেরও লক্ষ্য ছিল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সুরসাল বিনিময়, সঙ্গে সঙ্গে ‘ভুটে’ নামে পাঁঠা ক’সের মাংসের জোগানদার হয়ে উঠছে, সুযোগ পেলে ভুটেকে টিপে-টুপে নইলে স্রেফ শ্যেন দৃষ্টি ফেলে জরিপ করে নেওয়া। এ ছাড়াও ক্রিয়েটিভ আড্ডা আছে, লেখক সাহিত্যিকদের আড্ডা, বড় বড় ইনটেলেকচুয়ালদের আড্ডা, তাদের জাতই আলাদা। এই সব আড্ডা বলাবাহুল্য নারীবিবর্জিত , ‘পথে নারী বিবর্জিতা’ না বলে ‘আড্ডায় নারী বিবর্জিতা’ বলে কোনও মহাজনবাক্য থাকলে তার উদাহরণ হয়ে থাকত আড্ডার এই নারীহীনতা। মেয়েরা থাকলে আড্ডার প্রধান যে মজা— কাঁচা রগরগে ভাষা, তার চেয়েও রগরগে তামাশা এ-সব সেঁতিয়ে যায়, মেয়েরা জোরজার করে উপস্থিত থাকলেও গোলমালে পড়ে যাবেন, না পারবেন হাসতে, না পারবেন কাশতে। এ ছাড়াও অবশ্য এক ধরনের আড্ডা আছে মিক্সড্‌ ডাব্‌ল্‌স্‌-এর মতো। জোড়ায় জোড়ায় দম্পতি একটি দুটি ব্যাচেলরও থাকতে পারেন— এঁরা দিন ঠিক করে গল্প-সল্প করেন। এর মধ্যে একটা অন্তঃস্রোতা আদিরস থাকে, কথাবার্তাও একটু ফষ্টিনষ্টির ধার ঘেঁষে যায়। এই মিক্সড্‌ ডাব্‌ল্‌স্ আড্ডা এখনও সাবালকতা অর্জন করেনি। যাই বলুন আর তাই বলুন। অল্পবয়সী ছাত্র-ছাত্রী ক্যাডারদের যারা কফি হাউজে জাঁকিয়ে বসে এবং যাদের রেঞ্জ অলোকরঞ্জনের গদ্য থেকে ইয়ানি ইন তাজমহল, জাক দেরিদা থেকে চার্লস শোভরাজ, ফুলন দেবী থেকে জ্যাকলিন কেনেডি ওনাসিস পর্যন্ত, তাদের মধ্যেও কিন্তু একটা এগজিবিশনিজ্‌ম্‌-এর প্রেতচ্ছায়া থাকে, যত প্রাণ থাকে তত রস থাকে না। যত উচ্ছ্বাস তত শাঁস থাকে না। জেনুইন আজ্ঞা জীবনের পরিপূরক। জেনুইন আড্ডা থেকে বেশ ঋদ্ধ হয়ে বাড়ি ফেরা যায়। কাথারসিসের মতো একটা বর্জন-প্রক্রিয়া থাকে এতে। আত্মমোচন বা আত্মমোক্ষণ। অসমোসিসের মতো একটা গ্রহণ প্রক্রিয়াও থাকে যাতে করে শেষ পর্যন্ত প্রাতিস্বিকতা বজায় রেখেও বেশ যূথবদ্ধ হওয়া যায়।

    আমার বলার কথা, মেয়েদের মধ্যেও ঠিক এই জাতের আড্ডা আছে। চিরকালই ছিল। গাব্বু বা বিন্তি খেলা উপলক্ষ্য করে, বাড়ির ছেলে বা মেয়ের বিয়ে, শাদি উপলক্ষ করে এই ধরনের পুংবর্জিত মেয়েলি আড্ডা জমে উঠত, যেগুলোকে মেয়েদের ব্যাপার বা বড়জোর মহিলামহল— কুরুশ-কাঠি-গয়না-বড়ি-রান্নাবান্না-সাজগোজ আর গা-টেপাটেপি কেচ্ছার আসর বলে উন্নাসিক আড্ডাবাজরা (পুং) জাতে ঠেলে রেখেছেন। এর কিছু আসলের-চেয়েও-আসল-শুনতে উদাহরণ বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর ‘বিষবৃক্ষ’ ও ‘ইন্দিরায়’ বিশেষ করে দিয়েছেন। তার থেকেই আপনারা জানেন মেয়েদের আড্ডাও কী পরিমাণে ‘কাঁচা’ অর্থাৎ হাস্য-উদ্ভট-আদি (অশ্লীল) রসের আধার হতে পারে। তবু, এই মেয়েলি আড্ডার কথা আপনারা মোটেই জানেন না। অবহেলার আড়ালে আবডালে এ আড্ডার বিবর্তনের এবং বর্তমান চেহারার কথাও আপনাদের জানা নয়। এ আড্ডা পুরুষবর্জিত এবং কোনও কারণে কোনও পুরুষের প্রবেশ ঘটলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আড্ডাংশীদের কথাবার্তা দেহভঙ্গি ইত্যাদির একটা আমূল পরিবর্তন ঘটে যায়, ফলে আপনারা সেই তিমিরেই থেকে যান যে তিমিরে অদ্যাবধি ছিলেন।

    আমাদের আড্ডা ডমরুধর বা পরশুরাম বা লেখক-সাহিত্যিক-সম্পাদক বা কমলকুমার-সত্যজিৎ-বংশী চন্দ্রগুপ্ত আড্ডার প্রতিস্পর্ধী এমন দাবি আমরা কেউই করি না। আমাদের আড্ডা ঠিক আমাদের আড্ডারই মতো। নিজেদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। আমরা রসে বশে আছি। উপরন্তু আমাদের আড্ডা ফোনেও চলে।

    মালবিকাদি আমাদের, কখনও রসা কখনও খাজা কাঁঠাল, চিবিয়ে চিবিয়ে রস বার করতে হয় কখনও, আবার কখনও সুড়ুৎ করে এমন গলা গলে যায় যে কখন টের পর্যন্ত পাওয়া যায় না। সুমিতা আছে ধানি লংকা। কাজলরেখা মিত্তিরকে বলা হয় সাড়ে বত্রিশ ভাজা। আমাকে ওরা ওদের মুড অনুযায়ী কখনও বলে ঝুনো নারকেল কখনও বলে ‘চাই কচি ডাব’। মোট কথাটা একই বাইরে ঢাকাঢুকি, ফাটালেই টইটম্বুর। আর শিল্পী যে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বয়সে ছোট এবং চেহারায় লম্বা তাকে আমরা সাধারণত বলে থাকি ‘যার-পর-নাই’— কেন সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য। আরও একজন আজকাল থাকছে তার নাম শেফালি। সে আমার কম্বাইন্ড হ্যান্ড।

    উপন্যাস কী এই নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছিল। একমাত্র আমিই এখানে একটু-আধটু লিখি এবং সেই সুবাদে কিছু প্রতিষ্ঠিত লেখিকা যেমন কণা বসুমিশ্র, কৃষ্ণা বসু (কবি), মল্লিকা সেনগুপ্ত, অনীতা অগ্নিহোত্রী— এঁদের সঙ্গে আলাপ-সালাপ আছে। সুমিতা একটি কলেজের সাইকলজির অধ্যাপিকা। তার অবশ্য প্রচুর চেনাশোনা— গীতা ঘটক, সুমন চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ গায়ক, মঞ্জুশ্রী চাকী সরকার, মমতাশংকর প্রমুখ নৃত্যশিল্পী, পার্থ-গৌরী ঘোষ, জগন্নাথ-ঊর্মিমালা বসু প্রমুখ শ্রুতিশিল্পী, শানু লাহিড়ি, দীপালি ভট্টাচার্য প্রমুখ চিত্রশিল্পী— এঁদের সঙ্গে নাকি ওর ওঠা বসা। এঁদের ও দিদি দাদা বলে। মালবিকার একটি নারীসমিতি আছে, সেই সুবাদে যখন তখন সে প্রদর্শনী করে, উচ্চমূল্যে মেয়েদের নানা রকম হাতের কাজ বিক্রি করে সে নিজের এবং তার সমিতির নারীদের জন্য প্রচুর পয়সা কামায়। বৃহত্তর কলকাতার কোনও কোণে এমন কোনও পয়সা-অলা নারী নেই যে মালবিকাদির ফাঁদে না পড়েছে। আড্ডার বাইরে মালবিকাদি একরকমের পৌরাণিক সাপ, তার শর্মিলি হাসি, প্রচুর বয়-ছাঁট নুন-মরিচ চুল, চোখা নাক এবং চোখাতর কলাকৌশল ঠিক মন্ত্রমুগ্ধ হরিণের মতোই তার খরিদ্দারদের কাছে টেনে আনে, তারপর মালবিকাদি তাকে টপ করে গিলে ফেলে। যে পথ দিয়ে পাঠান এসেছিল সে পথ দিয়ে ফিরল নাকো তারা। অর্থাৎ যে কাস্টমার গ্রীষ্মে মলমলের ছাপা নিয়ে গেছে সে শীতে আবার সিল্কের ছাপের জন্য ফিরে আসবে। বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে পরবার জন্যে মধ্যবয়স্কার দুধ গরদের ওপর সোনালি খাড়ি ও বাদলার কাজ, গরমের দিনে অন্নপ্রাশনে পরবার জন্য সাউথ কটনের ওপর তাঁত প্রিন্ট, জন্মদিনের পার্টিতে যাবার জন্যে গর্জাস কালো শিফনের সালোয়ার-কুর্তা-এ সবের জন্যে এঁরা মালবিকা সান্যাল ছাড়া কোথাও যাবেন না। বাকি দুজন অর্থাৎ কাজলরেখা মিত্তির এবং শিল্পী বরাট বিশুদ্ধ গৃহবধূ। তবে অদূর ভবিষ্যতে গৃহবধূদের অ্যালাউয়েন্স পাশ হবার অনেক আগেই এদের স্বামীরা এদের নানা রকম অ্যালাউয়েন্স দিয়ে রেখেছে বা দিতে বাধ্য হয়েছে যদিও বাধ্য হওয়ার ব্যাপারটা তারা আদৌ বুঝতে পেরেছে কি না সন্দেহ।

    অর্থাৎ উপন্যাস, শিল্পের সঙ্গে আমরা কেউই প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নই। তবু যেহেতু উপন্যাস পড়ে থাকি, সেহেতু অধিকারের তোয়াক্কা না করেই এ বিষয়ে মতামত আদান-প্রদান করতে আমরা ছাড়ি না।

    দিনটা ছিল শুককুরবার। বেস্পতিবার রাত্তিরে সুমিতা আমায় ফোন করে, ফোন ধরে হ্যালো বলতেই খরখর করে উঠল— ‘কী রে? বাটা মাছের ঝাল দিয়ে ভাত খাচ্ছিলি?’

    ‘খাচ্ছিলুম ঠিকই। কিন্তু বাটা মাছের ঝাল এবং ভাত এই কংক্লুশনে কী করে এলি?’

    ‘ভাত খাওয়ার সময়ে একটা ভ্যাদভেদে গলা বেরোয়, তোর সেটা বেরোচ্ছে। দাঁতের ফাঁকে একটা কুচো কাঁটা আটকেছে, যা একমাত্র বাটাতেই সম্ভব, তাতে তুই ফোকলার মতো ফকফক করছিস। অ্যাজ সিম্পল অ্যাজ দ্যাট মাই ডিয়ার ওয়াটসন।’

    আমি বলি— ‘কংগ্র্যাটস হোম্‌স্‌ ফর রং ইনফারেন্স। আজকে আমার উপোস।’

    ‘এই যে বললি খাচ্ছিলি? ধাপায় শীগগিরই পা রাখবি মনে হচ্ছে!’

    ‘আজ বেরস্পতিবার সে খেয়াল আছে? চৈতলক্ষ্মীর পুজো সেরে এই মিনিট দশ উঠছি। পেসাদ খাচ্ছি।’

    ‘তুই আজকাল লক্ষ্মীপুজা করবার ধইচ্‌ছিস? মুই ভাবিছু মোর রঞ্জু দিদির সরস্বতীক পুজা করা নাগে।’

    ‘আরে বাবা, লক্ষ্মী সরস্বতীর পুরনো ঝগড়াটা অনেকটা মিটে এসেছে।’

    ‘তা সত্ত্বেও উপোসটা বিশ্বাস করলুম না। পেসাদ না আরও কিছু। লক্ষ্মীপুজোয় বেশ ভালই সাঁটানোর ব্যবস্থা আছে। লুচি-ফুচি।’

    আমি বলি— ‘ফুচি একদম বলবি না। আমার শাশুড়ির নাম। তিনি স্বর্গে গিয়ে থাকতে পারেন কিন্তু তাঁর নামের কোনও অপমান আমি হতে দেব না। তবে তুই ধইচ্‌ছিস ঠিকই। নুচির ব্যবস্থা আছে। সাঁটানোও হয়ে গেছে। ওটাই তো পেসাদ। তবে দ্যাখ এই চোত মাসের জ্বলি-জ্বলি গরমে ভাত বন্ধ মানেই উপবাস। জানিস তো উপবাস-এর আসল মানে সংযম। ভেতোর কাছে ভাত না খাওয়াটাই একটা মস্ত সংযম।’

    ‘এটাও বাজে কথা বল্লি, মানে ধাপে পা। লক্ষ্মী পুজো নিজে করতে না পারি কিন্তু পুজোর সকালে যে নৈবিদ্যির চাল ভাতে-ভাত করে গাওয়া ঘি দিয়ে খাওয়া হয় এ কথা আমার জানা আছে।’

    ‘সে তো সকালে। রাত্তিরে দ্যাখ নুচি। নুচি হল গিয়ে জলখাবার।’

    ‘শোন ভাতাহারী, বাজে কথা রাখ, কাল আমার নতুন অফ ডে, তোর বাড়িতে মেলাদ হবে, নামাজ করতে যাব।’

    ‘খুব বাংলাদেশি উপন্যাস পড়ছিস মনে হচ্ছে?’

    ‘পড়ছি-ই তো। ওদের সব হাতে-গরম পাতে-গরম। এক বার ব্যানটা উঠে গেলেই আর তরা হালে পানি পাইচ্‌ছিস না। ঢাকাই-চাটগাঁই-সিলেটি-আরবি-ফারসি মিলিয়ে ভাষাডা এক্কেরে ভোল পাল্টাইয়া ফ্যালাইসে।’

    আমার প্রান্তে অতঃপর নীরবতা। ওদিক থেকে আবার প্রশ্ন এল— ‘কী রে? কিছু-কিঞ্চিৎ বুঝলা? লিটর‍্যালি হতবাক কইর‍্যা থুইসি তয়!’

    এতক্ষণে ক্ষীণ কণ্ঠে বলি— ‘ব্যাবাক।’

    ‘গুড, চটপট লেসন নিয়ে নিতে পারিস। এই গুণেই ভবসাগর তরে যাবি।’

    ‘খাস বাত কুছ হ্যায়?’ —আমি জিজ্ঞাসা করি।

    ‘শিল্পী ফিরেছে ব্যাংকো থেকে। ওকে নিয়েই যাচ্ছি। তোর জন্য পেপার ওয়েট এনেছে। ট্রান্সপেরেন্ট। ভেতরে চাকা চাকা হাসি-হাসি খোকা খুকু মুখ ভেসে বেড়াচ্ছে। যেই লিখতে না পেরে মন-খারাপ হবে অমনি পেপার ওয়েটটা দেখবি আর মন ভাল হয়ে যাবে।’

    ‘আর তোর জন্যে?’

    ‘বলব কেন?’

    ‘নিশ্চয়ই আরও ভালও। আরও দামি কিছু’…

    ‘হিঁসকুটেপনা করিস না।’ —বলে সুমিতা ওর জন্যে শিল্পী কী এনেছে না বলেই কটাং করে ফোন রেখে দিল।

    আমিও কাজলকে ফোন করে দিই। সুমিতাকে সামলানো আমার একার কম্মো নয়। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো আবার আছে ব্যাংকক-ফেরত শিল্পী।

    শিল্পী আমি কাজল সুমিতা। এ কী? চারজন হয়ে গেল যে? এ তো দেখছি শিল্পীতে-আমাতে কাজল-সুমিতাতে লেডিজ ডাবলস হয়ে যাবে! সার্ভিসের সময়ে কর্নার টু কর্নার হবে ঠিকই। কিন্তু পরবর্তী খেলাটাতে শিল্পী-আমি কাজল-সুমিতা এমন আলাদা হয়ে যাব যেন দুটো সিংগলস হচ্ছে। এক দিকে মেরি পেয়ার্স-এর সঙ্গে ইয়ানা নোভোৎনা, আর এক দিকে সাবাতিনির সঙ্গে সানচেজ ভিকারিও। নাকটা ঠিকঠাক গলাবার জন্যে একজন পঞ্চমী চাই। মালবিকাদিকে ফোন করলুম— নামটা করবার একটু পরেই টেলিফোনটা কোঁ কোঁ করতে লাগল। এ আবার কী ঢং? সম্প্রতি মালবিকা সান্যালের ফোনে মুরগি ছানা ঢুকেছে। এই মুরগিকে পবিত্র কুরবানি করবার জন্যে আমার হাত নিশপিশ করতে লাগল। কিন্তু সাড়ে ন’টা বাজে, এখন তো আর কমপ্লেন সেল চালু নেই!

    কাজলকেই আবার ফোন করলুম, মালবিকাদির মহিলা-সমিতি কাজলদের বাড়ির খুব কাছে, ওখান থেকেই ধরে আনবে এখন। মহিলা-সমিতিতে সারা বছর মহিলা কুটোটি নাড়ে না। খালি অর্ডার ধরাবার সময়ে আর বিক্রির সময়ে দেখা যায় ওর খেল। আড্ডার গন্ধ পেলেই ঠিক চলে আসবে। ‘আবার কী?’ কাজল খেকিয়ে উঠল, ‘এই তো এক ঘণ্টা ধরে ফোন করলি শিল্পী তোর জন্যে কম দামের, সুমিতার জন্যে বেশি দামের গিফ্‌ট্‌ এনেছে বলে নাকি কান্না কাঁদলি—।’ এ সব একদম ঝুট। এক ঘণ্টা কেন আমি দশ মিনিট ধরেও ফোন করিনি। করব কেন? বিল তো আমারই উঠবে? আর শিল্পীর গিফ্‌ট্‌ আসছে বলে আনন্দ করেছি, নাকি-কান্না মোটেই কাঁদিনি। আমি যা করেছি তাকে বলে স্টেটমেন্ট অফ ফ্যাক্ট। বলেছি ‘শিল্পী আমার জন্যে পেপার-ওয়েট এনেছে। সুমিতার জন্যে কী এনেছে কিছুতেই বলল না।’

    সুতরাং ফোনযন্ত্রের মধ্যে আমিও ডবল খেঁকিয়ে উঠি— ‘কেন তোর অসুবিধে কী? ছেলে-মেয়ের পড়া অনেক দিন ধরেই ধরতে পারিস না। অধ্যাপক মশাই আপনভোলা মানুষ— সাপ খেতে দিলি কি ব্যাঙ খেতে দিলি বুঝতেও পারবেন না। তা ছাড়া ফোনটা করেছি আমি ; তোর তো আর…’

    ‘হ্যাঁ, আপনভোলা মানুষ! ঘর করতে হলে বুঝতে পারতে তার হ্যাঁপা কত! রাত্তিরেই জুতোর জোড়া মিলিয়ে রাখতে হয় তা জানো? নইলে এক পায়ে মোকাসিন এক পায়ে পাম্প পরে হাঁটা দেবে। পাঞ্জাবি-ধুতির সঙ্গে গেঞ্জি সাঁটিয়ে রাখতে হয়, নইলে গেঞ্জি ছাড়াই চলে যাবে আর পাতলা আদ্দির পাঞ্জাবির মধ্যে দিয়ে— ম্যাগো। ছি ছি!’

    কাজল এমন করে উঠল যেন ওর বর বর নয়। বরনারী।

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, অনেক কাজ তোর, জানি। গেঞ্জি রাখবি, পাঞ্জাবি রাখবি, ধুতি রাখবি না হলে তোর আপনভোলা হয়তো ধুতি পরতেও…’

    ‘ঠিকাছে, ঠিকাছে আমার বর ভুলো, বোম্‌ভোলা, পাগল, তার পেছনে কুকুর চেঁচালে তোরা খুশি হোস, আমি…’

    ‘আমি তোমার সঙ্গে গপ্পো ফাঁদতে বসিনি বাবা। আমার অনেক কাজ। মালবিকাদিকে কাল মহিলাসমিতি থেকে তুলে নিয়ে এসো। ফোনে পাচ্ছি না। এটাই বলার ছিল।’ ‘কেন? আবার মালবিকা সান্যাল কেন? শুধু কাজলিকাতে হবে না? মালবিকাদি শেষে আবার ওর সমিতির জন্যে চাঁদা তুলবে। আমার ভাই টিনের বাক্সে রেস্ত কম। সব লক্ষ্মীর হাঁড়িতে ফেলে দিয়েছি।’

    ‘সেই জন্যেই চারদিকে এত রেজগির হাহাকার, বুঝেছি। তবে মালবিকাদির চাঁদা তোলা ছাড়াও আরও গুণ আছে।’

    ‘কী গুণ? বেগুন? না গুনিনের তুকতাক।’

    ‘ওই হল, স্টকে প্রচুর গপ্পো।’

    ‘তোর কি রাজকন্যা কম পড়িয়াছে?’

    ‘আমার তো সব সময়েই কম পড়ে যাচ্ছে। যত ডিমান্ড তত সাপ্লাই নেই।’

    ‘তো দেখি।’

    কাজলা আমাকে আশ্বস্ত করে বোধ হয় বরের তত্ত্ব গোছাতে গেল।

    ফোন থেকে মুখ তুলে দেখি জানলার ফ্রেমে লাল আকাশ। রাতের রং। আর ঝড়ের রং মিলে টকটকে লাল। রাগী বাইসনের কুচি চোখের মতো। এই রে, কোথাও থেকে এটা টুকলুম নাকি? বাইসন তো কখনও জ্যান্ত দেখিনি। রাগী তো দূরের কথা! রাগী বাইসন স্বচক্ষে দেখলে বোধ হয় সে-কথা কাউকে জানাবার আর উপায়ও থাকে না। এক যদি কেউ দয়া করে প্লানচেটে ডাকে। তারপরে মনে পড়ল—না, টুকিনি, আমি আসলে বুল ফাইটের বুলদের কথা ভাবছি। বুল ফাইট টি.ভি স্ক্রিনে দেখেছি। বুল এবং তার মাটাডর।

    সারা কলকাতা এখন সওনা বাথ নিচ্ছে। কী শুকনো গরম! মনে হচ্ছে একটা দেশলাই কাঠির ওয়স্তা। কেউ বিড়ি ধরিয়ে জ্বলন্ত কাঠিটা ছুড়ে ফেলবে আর আমরা সব বাড়ি-ঘর মাঠ-ময়দান রাস্তা-ঘাট সব সুদ্ধ নিয়ে দপ করে জ্বলে উঠব। দা গ্রেট ক্যালকাটা ফায়ার।

    অদূরে একটা ধুলোর ঘূর্ণি উঠল, কলেজ স্ট্রিটের ট্রামের তারগুলো ঝাপসা লাগছে। মরুঝড়! মরুঝড়! মুখ গোঁজা উচিত। কিন্তু তা হলে দেখব কী করে? হু হু করে কনকনে ঠাণ্ডার একটা পুঁটলি মরুঝড়ের বৃহত্তর ঘুরনচাকির মধ্যে থেকে বেরিয়ে এল। আ-হ। তারপরেই গোঁ-ও-ও, হুটপাট দুমদাম ঝড়ের শব্দকল্পদ্রুম শুরু হয়ে গেল।

    আমি জানলা বন্ধ করি না। প্রচুর ধুলো ঢুকতে দিই কার্বন, লেড মেশানো ধুলো। তা হোক। ঝড়কে না হলে বুকে নেব কেমন করে? এই ভাবেই তো ঝড়কে আলিঙ্গন করতে হয়। ঝড়ের কড়া দাড়িয়াল মুখের চুমু খাই গালে, কপালে, চামড়া-ছেড়া দুঃসহ আদর। তারপরই বুনোদের বিষাক্ত তীরের ফলার মতো ফটাফট বৃষ্টি। পূব-দক্ষিণের জানলার মধ্যে দিয়ে ইঁট-কাঠ-লোহার বাধা হাজার হাতে সরিয়ে ঝড় আমাকে নেয়। আমি ঝড়কে নিই।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযে যেখানে যায় – বাণী বসু
    Next Article বৃত্তের বাইরে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }