Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নকশা-কাটা কবজ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤷

    নকশা-কাটা কবজ – ১

    ১

    রাজু শেলফ থেকে মোটা বইটা নামাল। বইয়ের নাম ‘ক্রীতদাস ব্যবসার

    চারশ বছর’ লেখকের নাম ‘হার্বাট মিজো’। ছোট ছোট টাইপে ছাপানো সাড়ে চারশ পৃষ্ঠার বই। বইয়ের মাঝামাঝি আর্ট পেপারে ছাপানো বেশ কিছু ছবি। কিছু আগের দিনের সাদা-কালো ছবি, কিছু হাতে আঁকা। কয়েকটা ম্যাপ—ক্রীতদাসদের কোন পথে সমুদ্র পার করে আনতো ম্যাপে সেগুলো দেখানো আছে। রাজু বইয়ের পৃষ্ঠা ওল্টাল, হঠাৎ এক জায়গায় তার চোখ পড়ে, ‘…জাহাজের পেছনে ক্ষুধার্ত হাঙর। সমুদ্রপথে এরা জাহাজের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ছুড়ে ফেলা মাত্র হাঙরের মচ্ছব শুরু হয়ে যায়।…’ রাজু বইটার দাম দেখল, মূল্য ছয়শ টাকা। পনেরো পার্সেন্ট কমিশন দেওয়ার পরও পাঁচশ টাকা থেকে বেশি। রাজু একটা নিশ্বাস ফেলল, এত দাম দিয়ে তার একটা বই কেনার ক্ষমতা নেই। একধরনের লোভাতুর দৃষ্টি দিয়ে বইটার দিকে তাকিয়ে রাজু বইটা আবার শেলফে তুলে রাখতে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ করে শুনল পিছন থেকে একটা মেয়ে তার নাম ধরে ডাকল, “এই! রাজু।”

    রাজু ঘুরে তাকাল, তাদের ক্লাসের মিলিয়া। ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস শুরুর কয়দিন পরেই ছেলেমেয়েরা নিজেদের মাঝে ভাগাভাগি হয়ে যায়—শহরের আর মফস্বলের ছেলেমেয়ের মাঝে ভাগটা সবচেয়ে বেশি প্রকট। রাজু মোটামুটি মফস্বলের ছেলে, শহরের ছেলেমেয়েদের থেকে খানিকটা দূরে তার জায়গা। মিলিয়া শুধু যে শহরের মেয়ে তা না, যে ক’জন নিজে গাড়ি চালিয়ে ক্লাস করতে আসে সে তাদের একজন। তাই মিলিয়া এভাবে বইয়ের দোকানে তাকে পিছন থেকে ডাকছে দেখে সে এক একটু অবাক হলো। রাজু তার থতমত ভাব কাটিয়ে বলল, “মিলিয়া! কী খবর?”

    মিলিয়া বলল, “এত মোটা বই টানাটানি করছিস?”

    রাজু আবার থতমত খেল, ক্লাসের বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে নিজেরা নিজেদের সাথে তুই তুই করে কথা বলে। রাজু যেহেতু একটু দূরে দূরে থাকে অন্তরঙ্গ হওয়ার সে রকম সুযোগ পায় না। তাই চট করে কারো সাথে তুই সম্পর্কে যেতে পারে না। রাজু তুমি-তুই জটিলতা বাঁচিয়ে বলল, “এই তো, দেখছি।”

    “কী বই? দেখি।”

    রাজু বইটা দেখাল এবং বইয়ের নাম দেখে মিলিয়া চোখটা একটু বড় করে মাথা নাড়ল, বলল, “ও! তুই আঁতেল!”

    কথাটা খুব সহজেই টিটকারি হতে পারত কিন্তু মিলিয়া এত সহজে হাসি হাসি মুখে বলল যে রাজু হেসে ফেলল, বলল, “আঁতেল হওয়া এত সোজা না।”

    মিলিয়া বলল, “আমি উপন্যাসের বাইরে জন্মেও কোনো বই পড়ি নাই! তাও শুধু রোমান্টিক উপন্যাস। আঠা আঠা প্রেম না থাকলে পড়তেই পারি না!”

    রাজু একটু অবাক হয়ে মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। ক্লাসে মেয়েটাকে যেরকম মনে হয়, এই বইয়ের দোকানে মোটেও সে রকম না। শুধু তা-ই না, শাড়ি পরে আছে, চুল উড়ছে, কপালে বিচিত্র একটা টিপ। রাজু কিছু বলার আগেই মিলিয়া বলল, “বইটা রেখে দিচ্ছিস? কিনবি না?”

    “নাহ!” অন্য কখনো অন্য কাউকে সে বলতে পারত না কিন্তু মিলিয়াকে কেন জানি খুব সহজে বলে ফেলল, “পয়সা নাই।”

    “ধার দিবো?”

    রাজু হাসল। বলল, “না, লাগবে না। থ্যাঙ্ক ইউ!”

    মিলিয়া মাথা নাড়ল, কিছু বলল না! মেয়েটা মনে হয় জানে না যে তার পকেটে পাঁচশ টাকা নাই সেটা সমস্যা না, তার সমস্যা হচ্ছে এই বইয়ের পেছনে পাঁচশ টাকা খরচ করে ফেললে তার কয়েক দিন শুকনো রুটি খেয়ে থাকতে হবে।

    মিলিয়ার হাতে বেশ কয়েকটা বই, চকচকে মলাট, মনে হয় বাচ্চাদের বই। রাজুকে বইগুলো দেখতে দেখে মিলিয়া অনেকটা কৈফিয়তের মতো বলল, “এগুলো কিনিছে গিফট দেবার জন্য।”

    রাজু বলল, “ও।” আলাপ চালিয়ে যাওয়ার জন্য এখন তার কিছু একটা বলা উচিত, কিন্তু যেটাই বলতে চায় সেটাতেই তুই কিংবা তুমি বলতে হবে। শেষ পর্যন্ত সাহস করে বলেই ফেলল, “তুই এখানে প্রায়ই আসিস?”

    মিলিয়া মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ।”

    “আঁতেল?”

    মিলিয়া হাসল, বলল, “না, এইখানে কফি খুব ভালো।”

    বইয়ের দোকানে কফি খুব ভালো এবং সেটা খাওয়ার জন্য একজন প্রায়ই বইয়ের দোকানে আসে সেটা রাজুর জন্য একটা নূতন তথ্য।

    মিলিয়া বলল, “তুই খেয়েছিস এখানকার কফি?”

    “নাহ্।”

    “আয় তোকে খাওয়াব।”

    কফি খাওয়ার ব্যাপারে রাজুর নিজস্ব কোনো মতামত থাকতে পারে কি না সেটা নিয়ে মিলিয়ার কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হলো না। সে তার বইগুলো বুকে চেপে ধরে হাঁটতে থাকে। রাজু তার পিছন পিছন হেঁটে যায়। বইয়ের দোকানটি বিশাল, এক পাশে ছোট একটা ক্যাফে। বেশিরভাগ বসার জায়গায় কেউ-না-কেউ বসে আছে। মিলিয়া তার মাঝে দুইজনের একটা বসার জায়গা বের করে ফেলল। বসে জিজ্ঞেস করল, “কোন কফি খাবি? লাটে নাকি আমেরিকানা?”

    রাজু বলল, “কফির আরো রকম আছে নাকি? কফি তো কফিই!”

    “না। কফির আরো রকম আছে। এসপ্রেসো হচ্ছে বিষের মতো তিতা, ছোট কাপে দেয়। ফ্রস্টেড দুধ দিয়ে মিশালে সেটা হচ্ছে লাটে। দুধ আরেকটু কম হলে কাপাচিনো। আর দুধ চিনি ছাড়া হচ্ছে আমেরিকানা কোনটা খাবি?”

    “বেশি করে দুধ-চিনি দিয়ে যে পায়েশের মতো একটা আছে—”

    মিলিয়া হাসল, বলল, “বুঝেছি। তুই এখনও কফি খাওয়া শিখিস নাই।”

    রাজু মাথা নাড়ল, বলল, “না শিখি নাই।”

    “ঠিক আছে, লাটে অর্ডার দিই। সাথে কী খাবি?”

    “কিছু না।”

    “এদের ডোনাট খুব ভালো। বস্টন ক্রিম?”

    রাজু মাথা নাড়ল, বলল, “তুই খেতে চাইলে খা। আমার লাগবে না।”

    রাজুর আসলে একটু খিদে লেগেছে। বড়সড় একটা ডোনাট পেলে খারাপ হতো না। কিন্তু চোখের কোনা দিয়ে সে দেখে ফেলেছে ডোনাট আর কফির দাম দিয়ে সে ক্রীতদাসের বইটা কিনে ফেলতে পারত!

    মিলিয়া কফির অর্ডার দিলো। একটু পরেই একজন বড় বড় মগে করে তাদের কফি দিয়ে যায়। রাজু বেশ কৌতূহল নিয়ে দেখল কফির উপরে দুটি হার্ট আঁকা, ভালোবাসায় জড়াজড়ি করে আছে। কফির ওপরে যে ছবি আঁকা যায় রাজু সেটাও জানত না!

    মিলিয়া কফির ওপরে জোড়া হার্টের ছবি দেখে মুখ টিপে হাসল, বলল, “এরা ভালো কফি বানায়, কিন্তু মাথায় বুদ্ধিশুদ্ধি বেশি নাই!”

    “কেন?”

    “ছেলে আর মেয়ে আসলেই ধরে নেয় রোমান্টিক কাপল, আর কফির ওপরে থাকে হার্টের ছবি!”

    “একা আসলে কী ছবি দেয় দেখা দরকার।”

    “নির্ঘাত ভাঙা হার্টের ছবি দিবে।”

    রাজু একটু হেসে কফিতে চুমুক দিলো। কফি বলতে যা সে এতদিন খেয়ে এসেছে তার থেকে যথেষ্ট ভালো। সে বেশ শখ করে লাটের মগে চুমুক দিতে থাকে।

    মিলিয়া কফি খেতে খেতে কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে যায়। এতক্ষণ সে-ই কথা চালিয়ে গেছে। চুপ করে থাকার পর হঠাৎ করে একধরনের নীরবতা নেমে এলো। কী বলে আবার কথাবার্তা শুরু করা যায় রাজু চিন্তা করতে থাকে কিন্তু বলার মতো সে সে রকম কিছু খুঁজে পেল না। এভাবে আরও কিছুক্ষণ কেটে যায়, কফির মগে চুমুক দেওয়ার শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। তখন হঠাৎ করে মিলিয়া বলল, “কাজটা ঠিক হয় নাই!”

    রাজু অবাক হয়ে বলল, “কোন কাজটা?”

    “এই যে তোকে জোর করে ধরে নিয়ে এসেছি! তোর হয়তো আসার ইচ্ছা ছিল না, নিজের কাজ ছিল। এখন মনে মনে বিরক্ত হচ্ছিস, কথা বলার কিছু খুঁজে পাচ্ছিস না—মুখ শক্ত করে বসে আছিস-

    রাজু কফি চুমুক দিতে গিয়ে একটা বিষম খেল। ছোট একটা কাশি দিয়ে হেসে বলল, “আমি মুখ শক্ত করে বসে নাই। আমার মুখটাই এ রকম। আর আমার কথা বলার কিছু না থাকলে তোর সমস্যা কী?”

    মিলিয়া মাথা নাড়ল, বলল, “না। সমস্যা নাই।”

    “তুই কথা বল। আমি শুনি।”

    মিলিয়া মাথা নাড়ল, বলল, “আসলে হয়েছে কী—” তারপর হঠাৎ করে কথার মাঝখানে থেমে যায়।

    রাজু জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    “আজকে আমি একটা খবর পেয়েছি। তাই মনটা ভালো নেই। কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছিল, ফোনে না— সামনাসামনি। ভেবেছিলাম এখানে কাউকে পাব। কেউ নাই—তখন তোকে দেখলাম। কী মনে হলো—”

    রাজু সূক্ষ্ম একটা অপমান বোধ করে, কেন কে জানে। কিন্তু সেটা প্রকাশ করল না। মুখটা হাসি হাসি করে বলল, “কী বলতে চাস তুই চাইলে আমাকে বলতে পারিস। আমি খুবই ভালো শ্রোতা। আমি শুধু শুনি, বলি না।”

    মিলিয়া বলল, “তাহলে তোকে বলে লাভ কী? একটা চেয়ারকে বললেই পারি।”

    “আমি চেয়ার থেকে ভালো। যেখানে হাসার কথা হাসি, যেখানে মন খারাপ করার কথা সেখানে মন খারাপ করি, যেখানে রাগ হওয়ার কথা সেখানে রাগ হই—চেয়ার এগুলো করতে পারে না।”

    মিলিয়া ভুরু কুঁচকে রাজুর দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, “তুই বোকা বোকা ভান করে থাকিস, আসলে তোর মাথায় ফিচলে বুদ্ধি—”

    রাজু মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ। অনেকেই সেটা বলে।”

    মিলিয়া হাত নেড়ে পুরো ব্যাপারটা উড়িয়ে দেবার ভান করে বলল, “আসলে আমার ব্যাপারটা খুবই পারসোনাল। এইটা আমার কাউকে বলার কথা না! কেন যে-”

    মিলিয়া আবার কথার মাঝখানে থেমে গেল। রাজু মুখটা একটু গম্ভীর করে বলল, “যখন কেউ কিছু নিয়ে একধরনের চাপের মাঝে থাকে, মন খারাপ থাকে তখন সেটা নিয়ে কথা বললে আসলে মনটা হালকা হয়। আমি পড়েছি এটার ওপর বেস করে সুইসাইড হটলাইন তৈরি হয়। যারা সুইসাইড করতে চায়—”

    মিলিয়া বাধা দিলো, “আমি সুইসাইড করতে যাচ্ছি না।”

    রাজু হাসল, বলল, “আমি জানি তুই সুইসাইড করতে যাচ্ছিস না। আমার পয়েন্টটা তোকে বোঝানোর জন্য”

    “থাক আর বোঝাতে হবে না। আমি সরি তোকে ডেকে এনেছি—”

    “আমি কি তাহলে চলে যাব? কফিটা শেষ করে যাই?”

    মিলিয়া হাসল, বলল, “ইয়ারকি করিস না। আমি তোকে চলে যেতে বলছি না। কফি খা। আরেক মগ খেতে চাইলে বল অর্ডার দেই—”

    “না, আরেক মগ লাগবে না।” রাজু কফিতে চুমুক দিয়ে বলল, “বসেই যখন আছি তাহলে বলে ফেল কী বলতে চাস। তোর ভয় নাই, আমি তোর পারসোনাল কথা বলে বেড়াব না।”

    মিলিয়া মাথা নাড়ল, “উঁহু।”

    “বল। তোর মন খারাপ কমে যাবে।”

    মিলিয়া হঠাৎ গলা নামিয়ে বলল, “আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে।”

    রাজু আবার বিষম খেল। নিজেকে সামলে বলল, “কংগ্রাচুলেশন্স। এটা তো ভালো খবর, তোর মন খারাপ কেন?”

    মিলিয়া কোনো কথা না বলে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে খুব মনোযোগ দিয়ে তার নখ দেখতে থাকে। নখগুলো সুন্দর। রাজু সেটা মনে মনে স্বীকার না করে পারল না।

    রাজু বলল, “বলেই যখন ফেলেছিস, আরো একটু বল। বিয়ের খবর তো ভালো খবর, তোর মন খারাপ কেন?”

    মিলিয়া তার দিকে তাকাল, মনে হলো কিছু বলবে কিন্তু বলল না। রাজু কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বলল, “ছেলে কী করে? আমরা কি চিনি?”

    মিলিয়া একটা নিশ্বাস ফেলল, তারপর বলল, “আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করিস না। আমি এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না।”

    রাজু বলল, “তুই কি জানিস তোর কথার মাঝে কোনো লজিক নাই!”

    “কেন, লজিক থাকবে না কেন?”

    “প্রথমে বললি মন খারাপ তাই কারো সাথে কথা বলতে চাইছিস সেই জন্য আমাকে ডেকে এনেছিস। তারপর বললি কাজটা ঠিক হয় নাই, এখন আর কোনো কথা বলতে চাস না। তারপর হঠাৎ করে বললি তোর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। বিয়ে ঠিক হওয়া আনন্দের খবর, সেই জন্য তোর মন কেন খারাপ বোঝার কোনো উপায় নাই। এখন আমি যখন জানতে চাইছি তুই মুখ বন্ধ করে অন্যদিকে তাকিয়ে বসে আছিস। এর মাঝে কোন জায়গাটা লজিক্যাল?”

    মিলিয়া মুখটা শক্ত করে রেখেই বলল, “তুই একটু আগে বলেছিস কাউকে মনের কথা জানালে মন ভালো হবে। আমি তোকে বললাম, কই, আমার মন একটুও ভালো হয় নাই।”

    রাজুর হঠাৎ এই মেয়েটার জন্য কেমন যেন মায়া হলো। সে নরম গলায় বলল, “মিলিয়া, আমি হয়তো তোর কথা শোনার জন্য ঠিক মানুষ না! তোর মনে হয় কোনো একজন ক্লোজ বন্ধুর সাথে কথা বলা দরকার। কাউকে ফোন কর—ডেকে আন।”

    মিলিয়া বলল, “আমার কোনো ক্লোজ বন্ধু নাই।”

    “নিশ্চয় আছে। সবার থাকে।”

    “আমার নাই।”

    “ঠিক আছে, তাহলে মনে কর আমি তোর ক্লোজ বন্ধু। কী বলতে চাস বলে ফেল।”

    “উঁহু।” মিলিয়া আবার তার নখের দিকে মনোযোগ দিলো। রাজুর কফি শেষের দিকে। সে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে বলল, “ঠিক আছে, আমি প্রশ্ন করি তুই উত্তর দে।”

    মিলিয়া কিছু বলল না, রাজুর দিকে তাকিয়ে রইল। রাজু সেটাকে সম্মতি হিসেবে ধরে নিল। একটু চিন্তা করে জিজ্ঞেস করল, “যার সাথে তোর বিয়ে হবে তাকে তুই কতদিন থেকে চিনিস?”

    মিলিয়া উত্তর না দিয়ে চুপ করে রইল।

    “কিছু একটা বল।”

    মিলিয়া তবুও কিছু বলল না।

    রাজু বলল, “প্রশ্নের উত্তর দিবি না?”

    “যে প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই সেটা কেমন করে দিব?”

    রাজু বলল, “উত্তর জানা নাই মানে?”

    “মানে হচ্ছে, জন্ম থেকে শুনে আসছি শাফকাতের সাথে আমার বিয়ে হবে। মাঝে মাঝে দেশে আসে তখন তার সাথে চায়নিজ খেতে যাই। আমেরিকা থেকে ফোন করে, কথা হয়—এখন বল আমি শাফকাতকে চিনি নাকি চিনি না?”

    রাজু একটু অবাক হয়ে মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল, তার মুখটা কেমন যেন লালচে হয়ে উঠেছে, ঠোঁট দুটো সরু হয়ে গেছে, চোখের দৃষ্টি তীব্র। রাজু তার চোখের দিকে তাকাতে পারল না। চোখ নামিয়ে নরম গলায় বলল, “আই অ্যাম সরি মিলিয়া, আমি বুঝি নাই তুই রেগে যাবি।”

    মিলিয়া সত্যি সত্যি রেগে উঠে বলল, “আমি রাগী নাই।”

    রাজু বলল, “ঠিক আছে। ঠিক আছে। আমি বুঝতে পারি নাই।”

    “কী বুঝতে পারিস নাই?”

    “তুই এ রকম আপসেট হবি।”

    রাজু ভেবেছিল মিলিয়া এবারেও রেগে কিছু একটা বলবে কিন্তু হঠাৎ করে মিলিয়া শান্ত গলায় বলল, “রাজু, তুই কিছু মনে করিস না। আমি জানি আমার ব্যবহার খুব খারাপ–কার সাথে কী বলি তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। তুই এসেছিস বই দেখতে—তোকে ধরে এনে তোর সাথে খারাপ ব্যবহার করছি! ছিঃ ছিঃ ছিঃ।”

    রাজু বলল, “আমার সাথে তুই খারাপ ব্যবহার করিসনি।”

    “করেছি। আমি জানি। যাই হোক তুই সহ্য করেছিস সে জন্য তোকে থ্যাংকু। আমার মেজাজ খারাপ, সেটা আমি তোর ওপর দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছি।”

    রাজুর ইচ্ছা হলো জিজ্ঞেস করে কেন মেজাজ খারাপ কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছু না বলে চুপ করে বসে রইল। মিলিয়া নিজেই আবার কথা বলতে শুরু করে, “আমার মেজাজ কেন খারাপ জানিস? কারণ শাফকাতের মতো ভালো ছেলে পৃথিবীতে নাই, একেবারে ফেরেশতার মতো। দেখতেও নায়কের মতো। মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলেও তার কোনো দোষ খুঁজে পাবি না। রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে টিন এজার মেয়েরা আহা-উঁহু করে। কিন্তু—”

    মিলিয়া আবার থামল, রাজু এবারেও চুপ করে রইল। মিলিয়া আবার শুরু করল, বলল, “কিন্তু আমি হাজব্যান্ড হিসেবে কোনোদিন একটা ফেরেশতা চাই নাই। আমি একটা মানুষ চেয়েছিলাম। সাধারণ মানুষ—যার সাথে ঝগড়া করা যায়, চিৎকার করা যায়, আবার মিলমিশ করা যায়—”

    মিলিয়া কেমন যেন অদ্ভুতভাবে রাজুর দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, “কিন্তু আমার সমস্যাটি কি বুঝেছিস?”

    রাজু এবারে কথা বলল, জিজ্ঞেস করল, “কী?”

    “আমি এই কথাটা কাউকে বলতে পারব না! কেউ আমাকে বুঝবে না। সবাই বলবে আমার মাথা খারাপ।”

    মিলিয়া একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলে বলল, “আমি তোর থিওরিমতো কথা বলেছি, কিন্তু আমার মন হালকা হয় নাই। তোর থিওরি ভুয়া।”

    রাজু হাসার চেষ্টা করে বলল, “আমি একটা কথা বলব?”

    “বল।”

    “তুই শাফকাতকে বিয়ে করিস না।”

    মিলিয়া চোখ বড় বড় করে বলল, “তাহলে কাকে বিয়ে করব?”

    “এখনই বিয়ে করতে হবে কে বলেছে? হয়তো কাউকে পেয়ে যাবি, যার সাথে ঝগড়া করতে পারবি, চিৎকার করতে পারবি, আবার মিলমিশ করতে পারবি।”

    মিলিয়া হাসার চেষ্টা করল, বলল, “তুই ব্যাপারটা ধরতেই পারিস নাই। তুই বুঝতেই পারিস নাই। তোর কোনো ধারণাই নাই। তুই চিন্তাও করতে পারবি না শাফকাত কী রকম অসাধারণ ছেলে—”

    রাজু মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। তার কেন জানি মনে হতে থাকে, এই মেয়েটার কপালে দুঃখ আছে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article টু-টু-টুনটুনি চু-চু-ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }