Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প219 Mins Read0
    ⤷

    প্রজাপতি – ০১

    প্রজাপতি (উপন্যাস) – সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – ০১

    ‘মেরো না, পায়ে পড়ি—।’

    ‘মারব না। স্‌সা—!’

    ‘তবে রুমালটা দিয়ে ওরকম ঝাপ্‌টা মারছ কেন। মরে যাবে যে।’

    ‘আরে না, মরবে না। ওকে পেড়ে ফেলব শুধু। আয়, আয়, স্‌সা—।’

    ‘আহ্‌, উহ্‌, ইস্‌! গেল, গেল এবার। এত সুন্দর প্রজাপতিটা….।’

    ‘হ্যাঁ, পাশের বাড়ির চিনু যে রকম কালো বোম্বাই প্রিণ্ট শাড়িটা পরে, ঠিক—।’

    ‘তোমার মাথা! কী রকম চক্‌চক্‌ করছে দেখছ, বেনারসী সিল্ক নীলাম্বরী হলে যেরকম হয়, ঠিক সেরকম রঙ। তার ওপরে রুপোলী ছাপের বুটি। কী সুন্দর। দোহাই—।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, তোমার সেই রুপোলী বুটি বেনারসী নীলাম্বরীটার মত, তাই না? কে যেন প্রেজেণ্ট করেছিল?’

    ‘দাদা। কিন্তু—।’

    ‘কোন্‌ দাদা? আহ্‌, এইবার।’

    ‘ইস্‌, গে গেল!’

    ‘যাত্তেরি, কেটে পড়ল। কোন্‌ দাদা, বললে না?’

    ‘কোন্‌ দাদা আবার, যে-দুই দাদা আছে।’

    ‘ওরা তো, মায়ের পেটের বোনটিকে বেনারসী সিল্ক কিনে দেয় না। ওরা তো লাফাঙ্গা।’

    ‘সেটা আবার কী!’

    ‘যার ফেমিনিন জেণ্ডার লাফাঙ্গী। হেই স্‌সা—!’

    ‘তার মানে কী?’

    ‘যাদের বাটপাড়ের ভয় নেই।’

    ‘তার মানে, ল্যাঙ্‌টা?’

    ‘স্‌সুনটি আমার! বুঝতে পেরেছ দেখছি। হুই স্‌সা—।’

    ‘অসভ্য! আচ্ছা, দাদাদের তুমি ওরকম বল কেন।’

    ‘বলি—।’

    ‘আহ্‌ ইস্‌, মরেছে?’

    ‘নাঃ পারিনি। প্রজাপতিটা খচ্চর আছে, ওই কড়িকাঠের কাছে উঠে গেছে। তোমার সেই শাড়িটার দাম বেশী, তাই বলছিলাম। কে দিয়েছে, বললে না? তোমার কেশবদা নাকি?’

    ‘যাঃ।’

    ‘তবে, ঘুরঘুরে পাকা, সেই র‍্যাশন ইনিস্‌পেকটা তোমার অনিলদা?’

    ‘কী যে যা তা বল-না, ওরা দেবে কেন। কিন্তু ও কি, ও কি করছ?’

    ‘কী করছি।’

    ‘পালকের ঝাড়নটা নিলে কেন?’

    ‘তা নইলে ওটাকে কাবু করতে পারছি না।’

    ‘ছেড়ে দাও না, আহ্‌! কী বিচ্ছিরি দেখাচ্ছে তোমাকে।’

    ‘কেন?’

    ‘তোমার চোখগুলো টকটকে লাল হয়ে উঠেছে, খুনীর মত।’

    ‘তা হবে। এই, এই, মার্‌ স্‌সা—।’

    ‘আহ্‌—উহ্‌!’

    ‘তবু হল না।’

    ‘তুমি ঘেমে উঠেছ।’

    ‘তা উঠেছি।’

    ‘তার উপরে তোমার ওই দোনলা পাইপ প্যাণ্ট—!’

    ‘স্‌লা একে কাপটি, তায় এখন ঘামে জেবড়ে গেছে। যেন পা টেনে ধরছে মাইরি।’

    ‘ব্রাউজের মত বিচ্ছিরি সার্টটাও তো গায়ে লেপটে গেছে। এবার ক্ষান্ত দাও না।’

    ‘দেবো, ধরি আগে। প্রজাপতিটা মদ্দা না মাদী বল তো? ’

    ‘তা আবার বোঝা যায় নাকি। আহা, বেশ হয়েছে এবার, কড়িকাঠে গিয়ে চুপ করে বসে আছে।’

    ‘বসাচ্ছি। এটার ভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছে, মাদী। জব্বর খাটাচ্ছে। খুব হাততালি দিচ্ছ, না?’

    ‘দেবই তো—কিন্তু ও কি, ও কি করছ সুখেনদা।’

    ‘দেশলাই ছুঁড়ে মারছি। ওড়াবো ওকে, তবে—এইবার! উড়েছে। আয় আয়…।’

    ‘আহ্‌ কী করছ, দিদি জামাইবাবুর বিয়ের ছবিটা দেয়াল থেকে পড়ে যাবে যে।’

    ‘পড়বে না। তাছাড়া তোমার দিদি জামাইবাবুর তো ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। কিন্তু এটা নির্ঘাত মাদী, দেখছ, লাল লাল ফুটকিও রয়েছে।’

    ‘তোমার মুণ্ডু। ওটা মোটেই লাল না, মেজেণ্টা। কিন্তু ছবিটা তুমি ঠিক ভাঙবে।’

    ‘না। আহ্‌ এবার, স্‌সা ঝেড়েছি কিন্তু—!’

    ‘ইস্‌, ছি, কী করলে বল তো। একদিকের পুরো পালকটা খসিয়ে দিলে?’

    ‘কী করব, ওর ফরফরানির জন্যেই তো। কিন্তু দেখেছ্‌, একটা পালকেই এখনো ওড়বার চেষ্টা করছে!’

    ‘ছি ছি, তুমি জান প্রজাপতি মারতে নেই!’

    ‘কী হয়?’

    ‘ওরা বিয়ের দেবতা না?’

    ‘সেই যে নেমন্তন্নর চিঠিতে লেখা থাকে, প্রজাপতয়ে নমঃ।’

    শিখা কোন জবাব দিল না। এক ডানা ভাঙা প্রজাপতিটা তখন দেওয়াল ঘেঁষটে নিচে পড়ছে। শিখার দিকে তাকিয়ে দেখলাম। ও তখন আমার দিকেই চেয়ে রয়েছে। ঠোঁট দুটো ফোলানো, যেমন রাগ বা অভিমান করলে হয়। চোখের চাউনিও সেই রকম, একটু বাঁক খাওয়া। কালো তারা দুটো যেন একটু বেঁকে গেছে। আর সকালবেলাই কাজল পরেছে। ঠিক মনে হয়, সিনেমা সিনেমা। ভাল লাগে বেশ দেখতে।

    কিন্তু আবার মনে হয়, এটা সত্যি না। সত্যি কি প্রজাপতিটার জন্যে ওর কষ্ট হচ্ছে। মনে হয় না। মনে হয়, ও যেন দেয়লা করছে। সিনেমা সিনেমা ভাব। এতক্ষণ বলে বলে, এইরকম করতে হয়। অথচ ওকে দেখে মনে হচ্ছে, প্রজাপতিটাকে বাঁচাবার জন্যে ও-ও লড়ছিল। সেই রকমই কি মনে হচ্ছে না, ওর গোলাপী আঁচল খসা দেখে। চুলের আলগা খোঁপা খুলে পড়েছে। আর ডোরা কাটা কাটা ব্লাউজটা তো দারুণ—ভাবলেই নিজের হাতটা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে।

    খেতে হবে না। দু’ হাত পাইপ প্যাণ্টুলের পকেটেই পুরে দিই। কিন্তু, সত্যি, ওর ব্লাউজের নীল, লাল, হলদে রঙের ডোরাগুলো কাঁধের কাছ থেকে নামতে নামতে এমন ঠেলে উঠেছে, অদ্ভুত! আর কেমন, উঠেছে যেন ঢেউ দিয়ে, নেমেছে গোল হয়ে। বুকের দু’ দিকের কোন দিকেই কাপড় নেই। বোতাম পাটিতে বোতাম নেই, ঠিক উচ্চিংড়ের মত দুটো সেপটিপিন লাগানো। যেন চেয়ে আছে। গোটা আঁচলটা বাঁ হাতের ওপরে। ব্লাউজের নিচে ও আর কিছু পরেনি। পরলে ঠিক বোঝা যেত। আর ওগুলো পরলেই আসল জিনিস সব এমন ঠাস বুনোট খোঁচা পাথরের মতন লাগে—বিচ্ছিরি!

    তবে এটাও ঠিক, শিখার আছে। এদিক ওদিক করে যা-ই খাক, শরীরটা বেশ ভাল আছে। ওকে দেখলে কেন জানি না, ভোরবেলার তাজা শিশির পড়া কপি পাতার মতন লাগে। ঠিক সেই রকম ডাঁটো, একটু একটু পাউডার লাগানো, আর নরম। ওরকম পাতার চচ্চড়ি যে খেয়েছে, সে-ই জানে কেমন লাগে। একটুও ছিবড়ে হয় না, সবটুকু খেয়ে ফেলা যায়।

    ওকে সেই রকম লাগছে। আরো লাগছে এখন জামাটা পরেছে বলেই। ডোরাকাটা জামাটার কেমন টলটলে আলগা আলগা ভাব—ভাবলে মনে হয় হাতের মাথা খেয়ে ফেলি। কেননা, বোঁটা ছেঁড়া বেল কুঁড়ির কথাও মনে পড়ছে। কিন্তু ও এত এলোমেলো হয়ে পড়েছে, জোরে জোরে নিশ্বাস ফেলছে আর ঘেমে উঠেছে, যেন প্রজাপতিটাকে বাঁচাবার জন্যে ও-ও লড়ছিল।

    পকেটে হাত দুটো থাবড়ে থাবড়ে, গোড়ালির নালি দিয়ে একটু হাওয়া ঢোকাতে চাইলাম। উরে স্‌সা—কী গরম লাগছে। একটা প্রজাপতি ধরতে হাঁপিয়ে গিয়েছি।
    শিখা দেওয়ালের কাছে সরে গিয়ে, ডানা ভাঙা প্রজাপতিটাকে দুই আঙুলে তুলে নিল। আর একটু দূর থেকে ভাঙা ডানাটা কুড়িয়ে আনল। কীরে বাবা, প্রজাপতিটার কি মরণ নেই! শরীরের সংগে লাগানো ডানাটা এখনো নাড়িয়ে চলছে। উড়তে চায় নাকি। কোথায় যেতে চায়, বিয়ে করতে? তা তো না, প্রজাপতি হল—কী যেন বলে, এই স্‌সা-প্রজাপতি-প্রজাপতি—হ্যাঁ “প্রজাপতির সনির্বন্ধে” বলে। কী তার অর্থ, কে জানে। মোটের ওপর প্রজাপতি বিয়ে দেয়। তাহলে বিয়ে দিতে যেতে চায় বোধ হয়।
    কিন্তু না, আমি ওটাকে সত্যি মারতে চাইনি। ধরতে চেয়েছিলাম! ধরে গিয়ে মারলাম—মারলাম মানে, নিজেই মরলো। এত ফরফর করবার কী ছিল, ছেউটি ছুঁড়ির মত। যেন গায়ে হাত দিতে গেলেই সুড়সুড়ি লেগে যায়, কাতুকুতু লাগে, আর এঁকেবেঁকে ছটফটিয়ে মরে। তখন কোথায় লাগতে কোথায় লাগে, পাঁজরায় না বুকে। তারপরে নাও, ‘উহ্‌ সুখেনদা, নিশ্বাস ফেলতে পারছি না, কী রকম লাগিয়ে দিলে।’ স্‌সা—যত্‌তো ঝামেলা। সেই যেমন হল একবার, পিকনিকে যাওয়া হল, এখানকারই একটা কারখানা স্টাফের সঙ্গে। কারখানার স্টাফ মানে, মজুর বা কেরানী না, সব বিলকুল সাহেব, সবাই ইংরেজীতে—ইংরেজীতে না, স্‌সা ইনরিজিতে কথা বলে, ‘বাউ’ মারে, রপোট কত! থাকে সব কোম্পানীর পাঁচিল ঘেরা কোয়ার্টারের মধ্যে। রঙীন মোজাইক টাইলস্‌-এর মেঝে, প্লাস্টিক পেইণ্ট দেয়াল। সব মাথা-ভারি পোস্টের লোক থাকে সেখানে, তারা সবাই সাহেব, বউয়েরা মেমসাব, মেয়েরা মিসিবাবা, ছেলেরা সব বাবা। সব বাঙালীর বাঙ্‌ আর ইংরেজের রেজ—যাকে বলে বাঙ্‌রেজ।
    আমাকে কি আর ওদের পিকনিকে নিয়ে যাবার কথা। না কি, কোয়ার্টারে গিয়ে যে মাঝে মধ্যে দিলালি করে আসি, তা ওদের খুব ভাল লাগে। মোটেই না। দাঁতে দাঁত চিবিয়ে মরে, তার নামই হাসি। চোখের নজর দেখলেই বোঝা যায়, মনে মনে কী গালাগাল দেয়। এত খারাপ যে, আমিও বোধহয় লজ্জা পেয়ে যাব। তবু আমাকে খাতির করতে হয়। আমার নাম সুখেন, সুখেন্দু—সুখ যুক্ত ইন্দু, স্‌সুখেন্দু—বাপের নাম ভুলে যাবে সব, এমন না শুনলে। এর পরে কেউ বলবে না, আমি ব্যাকরণ জানি না। আমি সুখচাঁদ। অবিশ্যি সবাই বলে সুখেন গুণ্ডা। সামনে না, আড়ালে। জানে সবাই। কারখানার স্টাফ, ম্যানেজার বল, লেবার এ্যাটভাইসার বল, সিকিউরিটি অফিসার বল, তারাও তা-ই জানে। আর সেইজন্যেই খাতির করে। তবে কিনা, আমি তো আসলে ভদ্দর লোকেরই ছেলে, সেইজন্যে একেবার গুণ্ডার মত দেখে না। তেতোর ওপরে একটু মিঠে পলেস্তরা, যেন সামাজিক মেলামেশা।

    তা তো দেখাতেই হবে। আমার না হয় ঢাক ঢাক গুর গুর নেই, দু’ কান কাটা। ওদের তো আর তা না। এই শহরের একটা গুণ্ডার সঙ্গে ওরা কি করে মেলামেশা করবে। ওরা যেন জানেই না, আমি কে, আমি কী। ভাবখানা, এমি একটা তাজা প্রাণের দুঃসাহসী যুবক। এ ডেয়ার ডেভিল নাইস্‌ ইয়ংম্যান। একথা বলে আবার চোপরা, কারখানার ম্যানেজার। লেবার এ্যাডভাইসার মিত্তিরও বলে। স্‌সালা, এখন হাসি পায়, রাম খিস্তি করতে ইচ্ছা করে। তার ওপরে আবার যখন দেখি, ওদের বউয়েরাও ওরকম বলে। তোদের কত্তারা বলে, তার না হয় কারণ আছে। তোরা কেন বলিস। কুটকুটুনি, না? সত্যি, দেখলে মেয়েলোক বলতে ইচ্ছা করে না, মাগী বলতে ইচ্ছা করে। আর মনে হয়, মাগীগুলোর কস্মিনকালে গা ঘামে না, গায়ে পোকা। খাওয়া আছে, খাটুনি নেই। নরম নরম বিছানায় খালি থলথলিয়ে চিত্তির দিয়ে পড়ে থাকা।

    তাছাড়া খাটাবে বা কে, সে রকম পুরুষই বা কে আছে। চোপরা বল, মিত্তির বল, ওরা তো আর মানুষ নেই। ওরা কেবল ম্যানেজার আর লেবার এ্যাডভাইসার। ওতে মেয়েমানুষ ম্যানেজ করা যায় না, লেবার করানোও যায় না। তা-ই দেখ গিয়ে, মেমসাবেরা শেদে যাওয়া চুলে কালো রঙ মেখে, বুক থেকে কপাল অবধি রঙ পালিশ দিয়ে, কাতলা মাছের পেটিওয়ালা বুক, নিজের মেয়েটির মত বানিয়ে, খাই-খাই করে বেড়াচ্ছে। ‘হ্যালো সুখেন’ ‘ও সুখেন’—যেন সুখেন ছাড়া প্রাণ বাঁচে না। সুখেন তোমাদের পীরিতের ইয়ে। ঠিক সময়ে বিয়োলে সুখেনের থেকে বড় ছেলে তোমার হত, সে খেয়াল নেই। চোপড়ার বউটা আবার বলে, আমি নাকি ‘হ্যাণ্ডসাম’। মিত্তিরের বউটা গায়ে আঙুল টিপে বলে, ‘তোমার শরীরটা সাংঘাতিক শক্ত, গড়নটাও সুন্দর।’ আরে, ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারের বউটা পর্যন্ত, যার চুল দাঁত কিছুই বোধ হয় আসল না, চোখ ঘুরিয়ে বলে, ‘তোমার চুলগুলো সুন্দর কোঁচকানো, হিরোদের মত।’ স্‌সা—! তোরা কেন, ওসব বলবে তোদের মেয়েরা। তবে জানি, মায়েরা যা বলে মেয়েরা মনে মনে তা-ই গুন গুন করে, চোখে মুখে সান্‌ সান্‌ মারে।

    আসলে ওদের কত্তারা তো ভাবে, আমি একটা কাঁচা-খেকো হাউণ্ড। তারই নাম ডেয়ার ডেভিল নাইস ইয়ংম্যান। জানে, এই গোটা মফস্বল টাউনটা, আমার হাতের কবজায়। দরকার হলে, এক কথায় আগুন লাগিয়ে দিতে পারি। রক্তে ভাসিয়ে দিতে পারি। তা-ই ভয়ে ভক্তি, ভরসাও। একটু হাতে-টাতে রাখতে চায়। তার জন্যেই খাতির বেরাদারিম আদতে পোষা কুকুরের ওপর নেক নজর। কিন্তু ওরাও জানে না—না না, জানে ঠিকই, ওদের আমি এক একটা শুয়োরের বাচ্চা ছাড়া কিছুই মনে করি না। আমি ভাবি, মেমসাবরা কী ভাবে। সেই কুকুরটাকে খেলায় আর আদর করে, না কী? উরে স্‌সাহ্‌, আমার সেই ছবিটির কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, সে-ই ইংরেজি খিস্তি ছবির বইটা, যার মধ্যে মেয়েমানুষ আর কুকুরের ছবি ছিল। কী কাণ্ড রে বাবা! ঝকঝকে ছাপানো ছবি। ইংরেজীতে সব লেখা। নিশ্চয়ই প্রেসেই ছাপানো, লেখাপড়া জানা লোকদেরই লেখা। যারা কেনে, পড়ে, তারাও কিছু কিঞ্চিত লেখাপড়াও জানে। নইলে পড়বে কেমনে করে। শুধু কি কুকুর নাকি। এখন কোন জন্তু জানোয়ার নেই, যাদের সঙ্গে মেয়েমানুষের ছবি ছিল না। হাতী ঘোড়া ষাঁড়…স্‌সাহ্‌ অদ্ভুত কাণ্ড। কী করে ওসব ভাল লাগে, মজা পাওয়া যায়, আমি সত্যি বুঝি না। আমার তো মনে হয়, আমার সামনে কেউ ওরকম কাণ্ড করলে, আমি দুটোকেই পিটিয়ে মেরে ফেলব। জন্তুটাকে আগে মারব। তারপরে মেয়েমানুষটাকে।

    আসলে ওসব সত্যি না। কেবল বদমাইসি। তবে, একবার মহাভারতে না কিসে পড়েছিলাম, অশ্বমেধের ঘোড়া যখন ফিরে আসে, অর্থাৎ জিতে ফিরে আসে, তখন বলি দেওয়া হয়। তার তারপরে, রাজার যে আসল রানী, পাটরানী, তাকে তার সঙ্গে ওই সব করতে হয়। সেই বইটার ছবির মত। সত্যি ওরকম করত নাকি, কে জানে। নাকি খালি গুলবাজাকি। কিন্তু রামায়ণ মহাভারতে কি মথ্যা কথা লেখে। কী জানি, আমি ওসব ভাবতেই পারি না। আরে, শত হলেও সেটা একটা ঘোড়া তো! একটা প্রকাণ্ড জানোয়ার! ধূ—র, যাচ্ছেতাই। আর বাঙ্‌রেজ আর পাঞ্জারেজ—মানে পাঞ্জাবীর পাঞ্জ আর ইংরেজের রেজ, পাঞ্জরেজ মেমসাবরা আমাকে সেরকম একটা কুকুর ভাবে নাকি। মারব মুখে লাথি। আমি থু থু দিই শুয়ারিগুলোর গায়ে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগঙ্গা – সমরেশ বসু
    Next Article মন ধোয়া যায় না – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }