Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য লিটল প্রিন্স – আন্তোইন দি সেইন্ট জুঁপেরী

    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি এক পাতা গল্প74 Mins Read0
    ⤷

    দ্য লিটল প্রিন্স – ১

    অধ্যায় – এক

    আমরা এই বইয়ের কথকের সাথে পরিচিত হলাম। তিনি একজন পাইলট। এখানে বয়স্ক বা বড় মানুষদের প্রতি তার চিন্তাভাবনাও আমরা জানতে পারলাম।

    যখন আমার ছয় বছর বয়স তখন একটা বইয়ে অসাধারণ এক ছবি দেখি। বইটির নাম ছিল স্টোরিজ ফ্রম দ্য নেচার। এটা ছিল বহু প্রাচীন এক বনভূমি নিয়ে। ছবিটা হল একটি বোয়া কনস্ট্রিকটর অন্য একটি প্রাণীকে গিলে ফেলছে এরকম ছবি।

    ছবিটির একটি কপি নিচে দেয়া হলঃ

    বইয়ে লেখা ছিল, বোয়া কনস্ট্রিকটর তাদের শিকারকে না চিবিয়ে পুরোটা গিলে ফেলে। এরপর তারা নড়তে পারে না। প্রায় ছয় মাস তাদের ঘুমিয়ে কাটাতে হয় এই খাদ্য পরিপাকের জন্য।

    আমি জঙ্গলের উত্তেজনাপূর্ন জীবনের কথা গভীরভাবে চিন্তা করলাম। কিছুক্ষণ রঙ পেনসিল দিয়ে চেষ্টা করার পর আমি আমার জীবনের প্রথম ছবিটি আঁকতে সক্ষম হই। আমার জীবনে আঁকা প্রথম ছবি। ছবিটি দেখতে ছিল এরকমঃ

    আমি আমার এই সেরা চিত্রকর্মটি বড়দের দেখালাম। তাদের জিজ্ঞেস করলাম, এই ছবি দেখে তারা আতংকিত বোধ করছে কি না।

    কিন্তু তারা উত্তর দিল, আতংক? মানুষ কেন একটা হ্যাটের ছবি দেখে ভয় পাবে?

    আমার ছবিটি হ্যাটের ছবি ছিল না। এটা ছিল বোয়া কন্সট্রিকটর একটা হাতিকে হজম করছে এরকম ছবি। কিন্তু যেহেতু বড়রা আমার ছবিটি বুঝতে পারল না তাই আমি আরেকটি ছবি আঁকলাম। আমি বোয়া কন্সট্রিকটরের ভেতর দিকটা আঁকলাম। যাতে বড়রা সহজে দেখতে পারে। বড়রা সবকিছুর ব্যাখ্যা চায়। আমার দ্বিতীয় ছবিটা দেখতে ছিল এরকমঃ

    এই ছবি দেখে বড়রা আমাকে উপদেশ দিল বোয়া কন্সট্রিকটরের ছবি ভিতর বা বাইরে সবদিক থেকেই আঁকা বন্ধ করে ভূগোল, ইতিহাস, গণিত এবং ব্যাকরনে মনযোগ দিতে। এই কারণেই, ছয় বছর বয়সে আমাকে একজন চিত্রশিল্পীর সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ারকে বিসর্জন দিতে হয়েছিল। আমি আমার ছবি নাম্বার ১ এবং ছবি নাম্বার ২ এর ব্যর্থতায় হতাশ হয়েছিলাম। বড়রা তাদের নিজ থেকে সহজে কিছু বুঝতে চায় না এবং ছোটদের জন্য এটি বিরক্তিকর বার বার তাদের ব্যাখ্যা করে সব বুঝানো।

    তাই আমাকে অন্য পেশা বেছে নিতে হল। আমি বিমান চালনা শিখলাম। আমি বিশ্বের প্রায় সব জায়গায় সামান্য উড়াউড়ি করলাম। এটা সত্যি, এক্ষেত্রে ভূগোলের জ্ঞান আমাকে খুব সাহায্য করেছিল। এক পলক তাকিয়েই আমি চীন এবং আরিজোনার পার্থক্য বুঝতে পারি। মধ্যরাতে কেউ যদি হঠাৎ হারিয়ে যায় তাহলে এরকম জ্ঞান খুব কাজে দেয়।

    এই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমার অনেক অসাধারণ এবং  বিচক্ষণ মানুষের সাথে সাক্ষাত হয়েছে। বড়দের সাথে চমৎকার উঠাবসা হয়েছে। আমি অনেক কাছ থেকে, অনেক ভালোভাবে তাদের দেখেছি। এতকিছুর পরেও তাদের প্রতি আমার পূর্বের ধারণার কোন পরিবর্তন হয় নি।

    যখন কথাবার্তায় আমার কাউকে বেশ পরিস্কার বুদ্ধিসম্পন্ন মনে হত আমি তাকে আমার সেই প্রথম আঁকা ছবিদুটো দেখিয়ে পরীক্ষা করার চেষ্টা করতাম। ছবিদুটোকে আমি সবসময় সাথে সাথে রাখতাম।  আমি দেখতে চাইতাম সে ছবি দুটো বুঝে কি না।

    কিন্তু সে যাই হোক না কেন, ছবি দেখে বলত, এটা তো একটা হ্যাট। তখন আমি তার সাথে বোয়া কন্সট্রিকটর বা প্রাচীন জঙ্গল কিংবা তারাদের নিয়ে কোন কথা বলতাম না। আমি নিজেকে তার স্তরে নামিয়ে নিয়ে তার সাথে গলফ, রাজনীতি, নেকটাই, ব্রিজ এসব নিয়ে কথা বলা শুরু করতাম। এবং বড়রা এসব কথা শোনে আমার মত বিচক্ষণ ব্যক্তির দেখা পেয়ে খুশি হত।

    অধ্যায় – দুই

    কথক মরুভুমিতে বিমান দূর্ঘটনায় পতিত হলেন। তার সাথে পরিচয় হল ছোট রাজপুত্রের।

    তাই মোটামোটি আমি একটি একা জীবন কাটাচ্ছিলাম। ঠিকমত কথা বলার মত আসলে কেউ ছিল না, ছয় বছর আগে সাহারা মরুভুমিতে বিমান দূর্ঘটনায় পতিত হবার আগ পর্যন্ত। আমার বিমানের ইঞ্জিনে কিছু একটা ভেঙে গিয়েছিল। সাথে কোন যাত্রী বা মেকানিকও ছিল না। একা একা যন্ত্র ঠিক করা ছিল অনেক কঠিন কাজ। আমার জন্য প্রশ্ন ছিল একটাইঃ জীবন অথবা মৃত্যু। মাত্র এক সপ্তাহ বেঁচে থাকার মত পানি ছিল সাথে।

    প্রথম দিন আমি বালিতে ঘুমিয়ে পড়লাম। মানব বসতি থেকে সহস্র মাইল দূরে। মাঝ সমুদ্রে বিধ্বস্ত জাহাজের একলা নাবিকের চেয়েও বেশী একা ছিলাম আমি।

    পরদিন আমার ঘুম ভাঙল অদ্ভুত ক্ষীণ একটি কন্ঠ শোনে। কন্ঠটি বলছিল,

    “দয়া করে আমাকে একটা ভেড়া একে দাও!”

    “কী?”

    “আমাকে একটা ভেড়া এঁকে দাও!”

    বিস্ময়ে হতবাক আমি লাফ দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলাম। চোখ কচলে নিলাম ভাল করে। চারপাশটা ভাল করে দেখলাম। দেখলাম একজন অদ্ভুত ছোট মানুষ আমার দিকে গম্ভীর ভাবে তাকিয়ে আছে। এখানে তার একটি ছবি যা আমি পরে এঁকেছিলাম তা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। তবে এই ছবি তার মডেল থেকে অনেক কম আকর্ষনীয় হয়েছে।

    এটা আমার দোষ না। বড়রা আমাকে ছবি আঁকার প্রতি নিরুৎসাহিত করেছে সেই ছয় বছর বয়সেই। আমি আর কোন কিছুই আঁকা শিখিনি শুধুমাত্র ভেতর থেকে বোয়া কনস্ট্রিকটর এবং বাইরে থেকে বোয়া কনস্ট্রিকটরের ছবি ছাড়া।

    আমি অবাক বিস্ময়ে আমার সামনে হঠাৎ আগত এই চেহারা পর্যবেক্ষণ করলাম। মনে পড়ল বিমান ক্র্যাশ করে আমি জনমানবহীন এই মরুভুমিতে এসে পড়েছি। কিন্তু এই ছোট মানুষকে মনে হচ্ছে না সে পথ ভুল করে এসে পড়েছে। ক্ষুধা, ভয় কিংবা দুশ্চিন্তার কোন চিহ্নও দেখা যাচ্ছে না তার মধ্যে। তার মাঝে এমন কিছু নেই যাতে বুঝা যায় সে এই মাঝ মরুভুমিতে পথ হারিয়েছে।

    আমি যখন কথা বলার মত অবস্থায় পৌছলাম তখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “কিন্তু……তুমি এখানে কী করছ?

    যেন সে খুব গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে কথা বলছে এমন শান্তভাবে বলল, “দয়া করে আমাকে একটি ভেড়া এঁকে দাও।”

    যখন কোন রহস্যজনক বিষয় মহাশক্তিধর রুপে আবির্ভুত হয় তখন তাকে এড়ানো যায় না। শুনতে হয়ত অদ্ভুত ঠেকাবে, মানব বসতি থেকে অনেক অনেক দূরে, বিশাল মরুভুমিতে যখন আমি হয়ত মৃত্যুর কাছাকাছি, তখন পকেট থেকে কাগজ এবং ফাউন্টেন পেন বের করলাম। তারপরই আমার মনে হল আমি কীভাবে শুধু ভূগোল, গণিত, ইতিহাস বা ব্যাকরনে  মনোযোগ দিয়েছি এসেছি এতদিন ধরে। আমি ছোট বালকটিকে বললাম, “আমি ছবি আঁকতে জানি না”।

    সে উত্তর দিল, “তাতে কিছু আসে যায় না। আমাকে একটি ভেড়া এঁকে দাও।”

    আমি কখনো ভেড়া আঁকি নি। তাই যে দুটি ছবি আমি এঁকেছিলাম তার মধ্য থেকে একটি আমি তাকে এঁকে দিলাম। এটা ছিল বাইরে থেকে একটা বোয়া কন্সট্রিকটরের ছবি। আমি অবাক হয়ে শুনতে পেলাম আমার ছোট্ট বন্ধু বলছে…

    “না না…আমি বোয়া কন্সট্রিকটরের ভিতরে একটি হাতির ছবি চাই না। বোয়া কন্সট্রিকটর একটি বিপদজনক প্রাণী। আর হাতি অনেক বড়। যেখানে আমি থাকি সেখানে সব কিছুই ছোট ছোট। আমি একটি ভেড়া চাই। আমাকে একটি ভেড়া এঁকে দাও।”

    তারপর আমি একটি ছবি আঁকলাম।

    সে সতর্কভাবে ছবিটির দিকে তাকাল । তারপর বলল, “এটি একটি অসুস্থ ভেড়া। আরেকটি এঁকে দাও।”

    তাই আমি আরেকটি আঁকলাম।

    আমার বন্ধু ছবিটি দেখে শান্তভাবে হাসল।

    বলল, “দেখো, এর দুটি শিং আছে। এটি পুরুষ ভেড়া। এটি হয় নি।”

    সুতরাং আমাকে আরেকটি ছবি আঁকতে হল।

    কিন্তু অন্যগুলোর মত এটিও প্রত্যাখ্যাত হল।

    সে বলল, “এটি একটি বুড়ো ভেড়া। আমি একটা ভেড়া চাই যে অনেকদিন বাঁচবে।”

    ততক্ষনে আমার বিরক্তি এসে গেছে। আমার ইঞ্জিন নিয়েও কাজ করতে হবে। সুতরাং আমি ছবি আঁকা শেষ করতে চাইলাম এই ছবি এঁকে

    আমি ছবির একটা ব্যাখ্যাও দিয়ে দিলাম, “এটা একটা বাক্স। তুমি যে ভেড়াটা চাচ্ছ তা এই বাক্সের ভিতরে আছে।”

    আমি আমার ছোট্ট বিচারকের মুখভঙ্গি দেখে অবাক হলাম। সে বলল, “আমি এটাই চেয়েছিলাম। আচ্ছা, তুমি কি মনে কর ভেড়াটি ভেতরে পর্যাপ্ত ঘাস পাবে?”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কেন?”

    সে উত্তরে বলল, “কারণ আমি যেখানে থাকি সেখানে সবকিছু খুব ছোট ছোট…”

    আমি বললাম, “অবশ্যই তার জন্য পর্যাপ্ত ঘাস থাকবে। আমি তোমাকে যে ভেড়াটি দিয়েছি সেটি অনেক ছোট একটি ভেড়া।”

    সে এবার ছবিটি মাথা নিচু করে দেখল এবং বলল, “খুব একটা ছোট না – দেখো! সে ঘুমিয়ে পড়েছে!”

    এবং এভাবেই ছোট রাজপুত্রের সাথে আমার পরিচয় হল।

    অধ্যায় – তিন

    কথক ছোট রাজপুত্র কোথা থেকে এসেছে সে সম্পর্কে আরো কিছু জানলেন।

    আমার অনেক সময় লেগেছিল জানতে সে কোথা থেকে এসেছে। সে নিজে আমাকে অনেক প্রশ্ন করে কিন্তু আমি কোন প্রশ্ন করলে পাত্তা দেয় না। কিন্তু আস্তে আস্তে তার মুখ থেকে একটু একটু করে শুনে সব কিছু আমার কাছে পরিস্কার হল।

    প্রথম যখন সে আমার এরোপ্লেনটা দেখল (অবশ্যই আমি এটা তাকে এঁকে দেখাই নি। এরোপ্লেন আঁকা অনেক কঠিন।) সে জিজ্ঞেস করল, “এই বস্তুটি কী?”

    “এটা বস্তু না। এটি উড়তে পারে। এর নাম এরোপ্লেন। এটা আমার এরোপ্লেন।”

    আমি উড়তেও পারি এটা তাকে বলতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছিলাম।

    সে প্রায় চিৎকারের মত করে জিজ্ঞেস করল, “কী! তুমি আকাশ থেকে পড়েছ?”

    আমি শান্তভাবে উত্তরে বললাম, “হ্যা।”

    “অহ! খুব মজার ব্যাপার!”

    ছোট রাজপুত্র শব্দ করে হেসে উঠল। আমি এই হাসিতে বিরক্ত হলাম। কেউ দূর্ভাগ্য নিয়ে হাসাহাসি করুক এটা আমার পছন্দ না।

    ছোট রাজপুত্র আরো যোগ করল, “তাহলে তুমিও আকাশ থেকে এসেছ। তোমার গ্রহ কোনটি?”

    ঠিক সেই মুহুর্তে আমি প্রথম তার এই রহস্যঘেরা উপস্থিতি সম্পর্কে একটা অস্পষ্ট ধারণা পেলাম।

    আমি দ্রুত জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি অন্য গ্রহ থেকে এসেছ?”

    সে কোন উত্তর দিল না। আমার প্লেনের দিক থেকে চোখ না সরিয়েই মাথা দোলালো। বলল, “এটা সত্যি তুমি খুব বেশি দূর থেকে আসো নি…”

    এরপর সে গভীর চিন্তায় ডুবে গেল। অনেকক্ষণ কাটল এভাবে। তারপর সে পকেট থেকে আমার আঁকা ভেড়াটি বের করে তাতে মনোনিবেশ করল।

    আপনি ভাবতেও পারবেন না, এই আংশিক জানা গ্রহ সম্পর্কে আমার কী পরিমাণ জানার আগ্রহ তৈরী হয়েছিল তখন। আমি এ সম্পর্কে আরো জানতে অনেক চেষ্টা করলাম, “ছোট্ট মানুষ, তুমি কোথা থেকে এসেছ? তুমি যে কথায় কথায় “আমি যেখানে থাকি” বলো সেটা আসলে কী? তুমি কোথায় আমার ভেড়াটিকে নিয়ে যেতে চাও?”

    অনেকক্ষণ চিন্তাযুক্ত নিরবতার পর সে জবাব দিল, “তুমি যে আমাকে বাক্সটি দিয়েছ এর একটি ভালো দিক হচ্ছে রাতে ভেড়াটি একে ঘর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।”

    “হ্যা। আমি তোমাকে একটি দড়িও দিতে পারি। তাতে দিনের বেলা তুমি তাকে বেঁধে রাখতে পারবে।

    কিন্তু মনে হল ছোট রাজপুত্র এই কথায় আহত হল।

    সে বলল, “বেধে রাখব! কী নিষ্ঠুর কথা!”

    আমি বললাম, “কিন্তু তুমি যদি বেধে না রাখো তাহলে এটি যেকোন দিকে চড়তে গিয়ে হারিয়ে যেতে পারে।”

    আমার বন্ধু আবার শব্দ করে হেসে উঠল, বলল “তুমি মনে করছো এটি কোথায় যাবে?”

    “তার সামনে…যেকোনখানে

    ছোট রাজপুত্র আন্তরিকভাবে জানাল, “তাতে কোন সমস্যা নেই। আমি যেখানে থাকি সেখানে সব কিছুই ছোট ছোট।”

    এবং সম্ভবত তার দুঃখের ইঙ্গিত দিয়েই বলল, “নিজের ঠিক সোজাসোজি সামনের দিকে, কেউই খুব বেশিদূর যেতে পারে না…।”

    অধ্যায় – চার

     কোন গ্রহাণু থেকে ছোট রাজপুত্র  এসেছিল, কথক সে সম্পর্কে বললেন।

    আমি এভাবে দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপার জানলাম যে ছোট রাজপুত্র যে গ্রহাণু থেকে এসেছে তা একটি বাড়ি থেকে কোনভাবেই বড় না।

    কিন্তু এই ব্যাপারটি আমাকে আশ্চর্য করল না। আমার ভালোভাবেই জানা ছিল যে বড় গ্রহ যেমন আছে, উদাহরনস্বরুপ বলা যায়, বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি – যেগুলোর নাম আমরা দিয়েছি, তেমনি আরো অনেক অনেক গ্রহাণু রয়েছে যেগুলি  এতই ছোট যে টেলিস্কোপ দিয়েও অনেক কষ্টে দেখতে হয়। যখন কোন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এরকম কোন গ্রহাণু আবিষ্কার করেন তিনি এর কোন নাম দেন না, নাম্বার দেন। যেমন তিনি তাকে বলবেন গ্রহাণু ৩২৫।

    আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন কারণ ছিল বিশ্বাস করার ছোট রাজপুত্র যে গ্রহাণু থেকে এসেছে সেটি বি-৬১২।

    এই গ্রহাণুটি মাত্র একবারই দেখা গিয়েছিল টেলিস্কোপের সাহায্যে। একজন তুর্কিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ১৯০৯ সালে এটিকে দেখতে পান।

    আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সভায় এই তুর্কি জ্যোতির্বিজ্ঞানী তার এই নতুন আবিষ্কার উপস্থাপন করেছিলেন। কিন্তু তিনি ছিলেন তুর্কী কাপড় চোপড় পরা অবস্থায়। তাই তার কথা কেউ বিশ্বাস করলেন না।

    বড়রা এরকমই হয়।

    সৌভাগ্যজনকভাবে এরপর তুর্কী একজন একনায়ক আইন করে দেশে ইউরোপীয় পোষাক পরিচ্ছদ চালু করেন। তাই ১৯২০ সালে সেই জ্যোতির্বিজ্ঞানী আবার দারুন সব ইউরোপীয় পোষাক পরে তার আবিষ্কার উপস্থাপন করেন। সেই সময়ে সবাই তার রিপোর্টকে গ্রহণ করেছিলেন।

    আপনি যদি বড়দের বলেন, আমি একটি বাড়ি দেখেছি গোলাপী ইটের তৈরী, তার জানালায় জেরানিয়াম ফুল, ছাদে সুদৃশ্য পায়রার দল তাহলে তারা সেই বাড়ি সম্পর্কে কিছু বুঝতে পারবে না। আপনাকে বলতে হবে আমি একটি বাড়ি দেখেছি যার মূল্য বিশ হাজার ডলার। তাহলে তারা অবাক হয়ে বলবে, আহ! কি দারুণ বাড়ি!

    এরকমই, আপনি যদি তাদের বলেন, ছোট রাজপুত্র যে আছে তার প্রমাণ হল সে আকর্ষনীয়, সে সুন্দর করে হাসে, এবং সে একটি ভেড়া খুঁজছিল। কেউ যদি একটা ভেড়া খুঁজে তাহলে অবশ্যই তার অস্তিত্ব আছে।

    বড়দের এভাবে বললে কী হবে? তারা কাঁধ ঝাকাবে এবং আপনাকে বাচ্চাদের মত মনে করবে। কিন্তু আপনি যদি তাদের বলেন, “ছোট রাজপুত্র যে গ্রহাণু থেকে এসেছে তার নাম বি ৬১২ তাহলে তারা বুঝে যাবে এবং তাদের প্রশ্নবান থেকে আপনি বেঁচে শান্তিতে থাকতে পারবেন।”

    তারা এরকমই। এর বিরুদ্ধে কিছু করা উচিত না। শিশুদের উচিত সবসময় ধৈর্য ধরে থাকা বড়দের এসব ব্যাপারে।

    কিন্তু আমরা যারা জীবন সম্পর্কে বুঝি তারা জানি সংখ্যা আসলে গতানুগতিক একটা ব্যাপার। আমার উচিত ছিল এই গল্পটাকে রুপকথার মত শুরু করা। আমি এরকম শুরু করতে পারতাম, অনেকদিন আগের কথা। ছোট রাজপুত্র একটা গ্রহে থাকত যা ছিল তার থেকে সামান্য বড়। সে একটি ভেড়া খুঁজছিল……

    যারা জীবন বুঝতে পারেন তাদের জন্য তাহলে আমার গল্পে অনেক সত্য সুবাতাসের ব্যবস্থা হত।

    আমি চাই না আমার গল্প কেউ অগোছালোভাবে পড়ুক। আমার অনেক কষ্ট হয়েছে এই স্মৃতিগুলোকে একত্র করতে। ছয় বছর হয়ে গেছে আমার ছোট্ট বন্ধু আমাকে ছেড়ে চলে গেছে তার ভেড়াকে নিয়ে। আমি যদি এখানে তার সম্পর্কে বর্ননা করতে চাই তাহলে তার কথা ভুললে আমার চলবে না। একজন বন্ধুকে ভুলে যাওয়া দুঃখজনক। সবার বন্ধু হয় না। আমি যদি আমার বন্ধুকে ভুলে যাই তাহলে আমি বড়দের মত হয়ে যাবো যারা কোন কিছু বুঝে না, শুধু সংখ্যা বুঝে।

    এই কারণেই আসলে, আবার আমি এক বাক্স রঙ এবং কিছু পেনসিল কিনেছি। এই বয়সে ছবি আঁকা শুরু করা আমার জন্য সহজ না। যেহেতু ছয় বছর বয়সের পর থেকে আমি বোয়া কনস্ট্রিকটর ভেতর থেকে এবং বোয়া কন্সট্রিকটর বাইরে থেকে ছাড়া আর কোন ছবিই তেমন আঁকি নি। কিন্তু আমি চেষ্টা করবে সত্যের যতটুকু কাছে যাওয়া যায়, গিয়ে আমার ছবি আকতে। সফলতার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত না। কোন ছবি সঠিক ভাবে হয় আবার কোনটিতে কিছুই মিল থাকে না। আমি কিছু ভুলও করেছি। যেমন এক জায়গায় ছোট রাজপুত্রকে খুব লম্বা এঁকেছি আরেক জায়গায় খুব খাটো। এবং তার পোষাক পরিচ্ছদের রঙ নিয়েও আমি সন্দিহান। তবে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি, কখনো ভালো, কখনো খারাপ কিন্তু শেষপর্যন্ত মাঝামাঝি কিছু একটা।

    অবশ্যই বর্ননার ক্ষেত্রে আমি কিছু ভুল করতে পারি। এটা আমার দোষ না। আমার বন্ধু আমাকে ঠিকমত সব কিছু ব্যাখ্যা করে নি। সে হয়ত ভেবেছিল আমি তার মত। কিন্তু দূর্ভাগ্য! আমি তার মত বাক্সের ছিদ্র দিয়ে ভেড়া দেখতে পেতাম না। হয়ত আমি কিছুটা বড়দের মত। আমাকে বড় হতে হয়েছে, বয়সের দিক দিয়ে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভিখারি – নগীব মাহফুজ : অনুবাদ – রাফিক হারিরি
    Next Article খুনের রঙ – সম্পাদনা: সমরেশ মজুমদার, অনীশ দেব
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }