Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    গজনবীর দেশ থেকে সোমনাথের পথে

    July 15, 2026

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026

    আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী

    July 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথ রম্যকথা – অনন্যা পাল

    অনন্যা পাল এক পাতা গল্প102 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাসাইয়ের জঙ্গলে – অনন্যা পাল

    মাসাইয়ের জঙ্গলে

    কথায় বলে সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, তা সঙ্গগুণে অতদূর না হলেও আফ্রিকার মাসাইমারা জঙ্গলে বাস করার সুযোগ আমার হয়েছিল। জঙ্গলে বেড়াতে যায় সাধারণতঃ ছবি শিকারির দল (আসল শিকার তো সেই কবেই বন্ধ হয়েছে), আর যায় প্রকৃতি প্রেমীরা; আমাকে এই দুটোর কোনও দলেই ফেলা চলে না, আমি হলাম হুজুগে বাঙালী, আমার মাসাই যাত্রাও সেই হুজুগেই। কেনিয়ার জঙ্গলে (মাসাইমারা, কেনিয়াতে) জিপে করে জঙ্গল সাফারি এক দারুন অভিজ্ঞতা, আমার কাছে অবশ্য তা নিদারুণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেকথা আগেই লিখেছি। এখন বলব সাফারি বাদে আমার নিজের মত করে উপভোগ করা জঙ্গুলে অভিজ্ঞতার কথা।

    মাসাইমারায় যে লজটায় আমরা ছিলাম, সেটি আসলে জঙ্গলের মাঝে একটি বড় জায়গা জুড়ে তৈরী ছোট ছোট কটেজের সারি, এছাড়াও খাওয়ার জায়গা ও অন্যান্য সুবিধেও ওখানেই কিছু দূরে দূরে তৈরী কাঠের বাংলোতে। মোটকথা, এ যেন একরকম জঙ্গলেই বাস, কোনো কাঁটা তারের বেড়া পর্যন্ত নেই লজের চারপাশে। বেড়া নেই বটে, তবে যা ছিল তা হোল ইয়া ইয়া লম্বা চেহারার মাসাই গার্ড, হাতে তাদের টর্চ আর এসেগাই (বল্লম); চেহারা ও হাবে ভাবে তারাও রীতিমত ভীতিপ্রদ, তাই ভরসা হোল যে আমারই মত জন্তু জানোয়ারেরাও তাদের ভয় পাবে। আমাদের কটেজটা ছিল একটা বড় আকাসিয়া গাছের পাশে, কিছুটা একটেরে। মাসাই গার্ড লাগেজ সমেত আমাদের ঘরে পৌঁছতে এসে হাসিমুখে জানালো, আমরা খুব ভালো ঘর পেয়েছি, আগের সপ্তাহে পাশের গাছটায় পুরো তিনদিন একটা লেপার্ড ডেরা নিয়েছিল; কপাল ভালো হলে, আমরাও এমনটা দেখতে পাবো। সারাজীবন নিজের মন্দভাগ্যের জন্য আফশোষ করেছি, শুধু সেবার মনে মনে বললাম, ‘আমার পোড়াকপাল অক্ষয় হোক’।

    পরদিন সকালে, আমাকে প্রায় ঘেঁটি ধরে বন্ধু ছবি শিকারীর দল জীপে চড়ে সাফারিতে নিয়ে গেলো, পূর্ব অভিজ্ঞতার দরুন আমি মোটেও ইচ্ছুক ছিলাম না; কিন্তু না চাইলে কি হয়, জোর করে পরের উপকার করার লোকের অভাব অন্তত আমাদের বঙ্গদেশে নেই। ঘন্টা চারেক যুদ্ধযাত্রার পর লজে ফিরে আমি তো বেতো ঘোড়া, শুনলাম দুপুরের খাবার খেয়ে নাকি আবার সাফারি। এরপর আমাকে আর ঠেকিয়ে রাখা দায়, ফাঁক পেয়ে সেঁধোলাম গিয়ে লজের সবচেয়ে নির্জন কোণে একটা ওয়াচ টাওয়ারের টঙে। এক জাপানী সাহেব (আমার চেয়ে ফর্সা সবাই আমার কাছে সাহেব) ভিন্ন সেখানে আর কেউ নেই; পাশেই একটা ডোবায় কতগুলো গোদা জলহস্তি ঘাঁই মারছে, চিড়িয়াখানায় ঢের দেখেছি এদের, তাই দেখে বেশ স্বস্তি বোধ করলাম। পাশেই বিশাল চারণভূমিতে চড়ে বেড়াচ্ছে একপাল বনমহিষ, নোংরামাখা চেহারায় বেশ একটা খাটাল খাটাল ব্যাপার আছে এটা মানতেই হোল। সাহেব দেখি ক্যামেরা বাগিয়ে সেই খাটাল মার্কা মোষের ছবি তুলতে ব্যস্ত; পরিচ্ছন্নতার প্রতিভূ জাপানী জাত, এই মাছি ভন ভন কাদামাখা মোষের মধ্যে কি সৌন্দর্য্য খুঁজে পেলো তা সেই জানে।

    যাইহোক, খানিক পরে সাফারি বাহিনী বিদেয় হয়েছে আন্দাজ করে গুটি গুটি লাউঞ্জের দিকে এগোলাম, খাওয়ার ঘরের মুখে হোটেল ম্যানেজারের সাথে দেখা; বলে রাখি ম্যানেজার ভদ্রলোক এক ভারতীয় যুবক, আমাদের দেখে ভারি খুশী হয়ে আগের দিন যেচে আলাপ করেছিলেন। ভদ্রলোককে দেখে আজ মনে হোল কেমন কাছাখোলা দশা, কারণ জিজ্ঞাসা করায় এক নিঃশ্বাসে যা বলে গেলেন তাতে আমার রক্ত হিম। সেদিন সকালে তিনি ডিউটিতে আসবেন বলে নাকি সবে ঘরের কবাট খুলেছেন, সামনের রোয়াকে গুড মর্নিং করতে দাড়িয়ে ছিল একটা গোদা সিংহ! ম্যানেজার সাহেব কোনক্রমে দরজা বন্ধ করে তখনকার মত রেহাই পেয়েছিলেন, এর আগে নাকি চিতাবাঘের সাথে মোলাকাৎ হয়েছিল এইভাবে।

    ‘কাউকে বলবেন না, আমি এখান থেকে না বলেই পালাবো সামনের মাসে, ঠিক করে রেখেছি’, ফিসফিসিয়ে জানালেন ভদ্রলোক। সাথে আরো জানালেন, দু দু বার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে, মাসাইমারার জঙ্গলে চাকরী করেন জেনে।

    ‘সত্যি, না পালালে আর ওঁর গতি কি!’ মনে মনে আমিও দীর্ঘশ্বাস ফেললাম।

    নিজের দুঃখের কাহিনী কবুল করে হালকা হয়ে ম্যানেজার আমাকে নিয়ে পড়লেন, মানে আমি অমন হারা উদ্দেশ্যে ঘুরছি দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।

    ‘হাতে কাজ নেই যখন আপনি বরং নেচার ওয়াকে যান, দারুণ অভিজ্ঞতা হবে’; কিছু করার নেই বুঝে পরামর্শ দিলেন তিনি।

    তারপর আমার মতামতের তোয়াক্কা না করে একরকম ধরেই নিয়ে গেলেন, রিসেপশনে কর্মরত এক দৈত্যাকার মাসাইয়ের কাছে।

    ‘কাটাকাশি, ফ্রি হয়ে এঁকে নেচার ওয়াকে নিয়ে যাও, উনি জঙ্গল ভালোবাসেন’, কথা শুনে হাসবো না কাঁদবো ভেবে পাচ্ছি না কাটাকাশি গম্ভীর ভাবে সঙ্গে যাবার ইশারা করে বাইরের দিকে এগোল।

    লজের গেটের কাছে পৌঁছতে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পরে সে আর একটি মাসাইয়ের সাথে নিজস্ব ভাষায় কিছু জল্পনা শুরু করল, মানে না বুঝলেও বার কয়েক সিম্বা শুনে বুঝলাম সিংহের অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে।

    আমি মনে মনে উত্তেজিত, ‘এ নিশ্চই সকালের সেই গোদাটা, নির্ঘাত ওঁৎ পেতে আছে কোথাও।

    ‘কাছে পিঠেই আছে বুঝি? তাহলে নাহয় নাই গেলাম আজ’, আলোচনা থামতে আমি বলি।

    ‘আরে না না, একটা সিংহ পরিবার কাছেই থাকে, কোথায় গেলে দেখা পাওয়া যাবে তারই খোঁজ নিচ্ছিলাম’।

    শুনে আমার বুক ধরফর, কান কটকট; এর থেকে তো সাফারিতে গদার গুঁতোও ভাল ছিল। লজের বাইরে বেরিয়ে, কাটাকাশি তার হাতের অস্ত্র নিয়ে বীরদর্পে এগোয়, আমি ঘেয়ো কুকুরের ন্যাতানো লেজের মত পিছু নিই। তবে খানিকদূর গিয়ে তাকে একটু দ্বিধান্বিত দেখায়।

    ‘তুমি গাছে উঠতে পারো?’ কাটাকাশির প্রশ্ন শুনে আঁতকে উঠি।

    ‘কই নাতো?’

    ‘হুমম…দেখে তো মনে হচ্ছে দৌড়েও তেমন সুবিধে করতে পারবে না’, আমাকে একবার আপাদ-মস্তক দেখে নিয়ে মন্তব্য করে সে।

    ‘হ্যাঁ সেইজন্যেই বলছিলাম, সিংহ, না হয় বাদ থাক’ আমি সুযোগ বুঝে চাল দিই।

    ‘আরে, সিংহ না, আমি ভাবছি বনমহিষের কথা’।

    ‘মোষ’! আমার বিস্ময় মাত্রা ছাড়ায়, খাটাল মার্কা মোষগুলোকে নিয়ে ভাবার কি আছে আমি ভেবে পাইনা।

    ‘আরে, মাসাইয়ের জঙ্গলে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ওই বনমহিষ; একবার তাড়া করলে তোমাকে গুঁতিয়ে পেটফুটো না করে ছাড়বে না।

    ‘সেকি! তাহলে উপায়!!’

    ‘উপায় একলাফে গাছে উঠে পড়া, তা তুমি তো সেসব পারবে না; সেক্ষেত্রে মোষ তেড়ে এলে উপুড় হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়তে হবে। তাহলে সে শিং নিয়ে তোমাকে খানিক খোঁচা খুঁচি করলেও পেটের নাগাল না পেয়ে ফিরে যাবে’।

    ‘ও আচ্ছা’ আমি ততক্ষণে মিয়োনো মুড়ি।

    ‘আর হ্যাঁ, শোন, জলহস্তিও তাড়া করতে পারে, ওদের থেকে বাঁচতে অন্য ব্যবস্থা’।

    ‘কিন্তু, জলহস্তি তো শান্ত জীব, চিড়িয়াখানায় দেখেছি সারাদিন জলে ডুবে ঘুম দেয়, সাত চড়ে রা নেই’।

    ‘সেটা চিড়িয়াখানায়, এখানে নয়।‘ দেখলাম কাটাকাশি আমার অর্বাচিনতায় রীতিমত বিরক্ত।

    ‘এখানে ওরাও তাড়া করে নাকি?’

    ‘জলহস্তী রেগে গেলে জঙ্গলের সবচেয়ে হিংস্র প্রাণী; ওর যদি মনে হয় তুমি ওর জলযাত্রায় বাধা দিচ্ছ তবে তেড়ে এসে কুটিকুটি করবে তোমায়। দাঁত দেখেছ ওদের?’

    হ্যাঁ, আজ ডোবার জলে হাই তোলা হিপোর দাঁত দেখেছি বটে, দাঁত তো নয়, যেন একেকটা বল্লমের ফলা!

    মিনমিনিয়ে জানতে চাইলাম ‘তাহলে কি এবারেও উপুড় হয়ে শুতে হবে?’

    ‘না উপুড় হয়ে শুলে জলহস্তি দাঁত দিয়ে কামড়ে প্রথমে সোজা করে নেবে, তারপর তোমায় কুটিকুটি করে জলে চলে যাবে’।

    ‘কিন্তু ওরা তো বৈষ্ণব, মানে ভেজেটেরিয়ান!’

    ‘তোমাকে কি ওরা খাবে নাকি? শুধু দাঁতে কেটে চলে যাবে মাত্র।‘

    ‘তাহলে ঊপায়?’

    ‘উপায়টা খুবই সহজ, অত ঘাবড়াচ্ছো কেন? হিপো যখন দৌড়ে আসবে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তুমি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে, আর যেই খুব কাছে এসে পড়বে, অমনি লাফ দিয়ে ডান বা বাঁ দিকে দৌড়বে। হিপো তার গোদা শরীর নিয়ে আর তখন বেঁকতে পারবে না, সোজা বেরিয়ে যাবে’।

    কাটাকাশির সহজ উপায় শুনে আমি ততক্ষণে বাক্যহারা; তেড়ে আসা দূরন্ত হিপোর সামনে স্থির থাকতেই যদি পারব, তাহলে কি আর এই ভেতো জীবন কাটাই! এরপর সে জানালো বুনো হাতির পাল থেকে বাঁচার উপায়, বলল হাওয়ার গতি বুঝে সে নিজেই সরিয়ে নিয়ে যাবে আমায়। সাথে অবশ্য এটাও জানালো যে, লেপার্ড সামনে পড়ে গেলে ঈশ্বরই ভরসা, লাল পোশাক পরা মাসাইদের ওরা ঘাঁটায়না, তবে আমার কপালে কি আছে বলা মুশকিল।

    ‘প্রার্থনা কর, যেন লেপার্ডের মুখোমুখি না হতে হয়’।

    কাটাকাশির স্পষ্ট জবাবে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এসেছে প্রায়। বেঁচে ফেরার আসা একপ্রকার নেই জেনেই, জিজ্ঞাসা করলাম, ‘সিংহ এলে কি করতে হবে?’

    ‘সিংহ এলে মোবাইলে ছবি তুলবে, চাওতো সেলফিও নিতে পারো’!

    ‘অ্যাঁ!!’

    ‘হ্যাঁ, সিংহকে তুমি ঘাঁটিও না, সেও তোমায় ঘাঁটাবে না’ কাটাকাশির মুখে অনাবিল হাসি।

    এরপর নানান গাছ, মাটির গর্তে জন্তুর বাসা সেসব চেনাতে চেনাতে এগিয়ে চলল আমার রক্ষাকর্তা, জঙ্গলের রাজত্বে তার বিক্রমের কাছে নিজেকে বড্ড ফালতু মনে হচ্ছিল। তাই একফাঁকে বড়াই করে বললাম, তোমার দেশে যেমন সিংহ, আমার দেশে বাঘ, রয়াল বেঙ্গল টাইগার। শুনে সে বলল, তার বাঘ দেখার ভারি ইচ্ছে। বাঘ দেখতে হলে, এসো আমার দেশে জানালাম। এক সময় কাটাকাশি বলল, হোটেলে কাজ করে বেশী রোজগারের তাগিদে, না হলে গ্রামেই ফিরে যেত।

    ‘তা, আমরা যে যা করি সে তো রোজগারের তাগিদেই’ আমি দার্শনিক মন্তব্য করি।

    ‘তুমি বুঝতে পারোনি, বয়স তো হয়েছে, তবু এখনও বৌ জোগাড় করতে পারিনি, তাই পয়সা জমাচ্ছি’, কাটাকাশি আমাকে বোঝায়।

    অবিবাহিত লোকের পয়সার এত কিসের দরকার আমি বুঝতে নারাজ, যতদূর জানি, বিয়ে করেই লোকে দয়ে পড়ে, পয়সার তখনই প্রয়োজন। আমার ভ্যাবলামো দেখে রীতিমত বিরক্ত কাটাকাশি।

    ‘পয়সা না জমালে, পণ দেবো কি করে শুনি? আর পণ না দিলে বৌ জুটবে আমার?’ খিঁচিয়ে ওঠে সে।

    লোকটা বলে কি! সিংহের সাথে সেলফির প্রস্তাবেও তত অবাক হইনি, যতটা এখন হলাম। না পেরে, বলেই ফেললাম আমার কাছে এ তো উল্টো পুরাণ!

    ‘তোমাদের দেশে পণ না দিলেও মেয়ে পাওয়া যায়?’ কাটাকাশিও আমার মতই হতভম্ব। ‘তোমার দেশের মেয়েরা বিদেশীদের বিয়ে করতে রাজী হয়?’ খানিক চুপ করে থেকে জানতে চাইল সে।

    বিদেশীদের বিয়ে করতে চাইলেও, মাসাই বিয়ে করে, এমন ভয়াবহ জঙ্গলে থাকতে রাজি হবে কেউ সে আশা তাকে দিতে পারিনি সেদিন।

    ‘যাবো তোমার দেশে, শিগগিরি’, বিদায় নেবার সময় বলল কাটাকাশি।

    সেটা বাঘ দেখার আশায়, না পাত্রী জোটাতে, ঠিক পরিষ্কার হোল না আমার কাছে।

    ***

    সন্ধ্যের মুখে ছবি শিকারী বন্ধুরা মহা দর্পে ঘরে ফিরলেন, একটা গোটা সিংহ পরিবারের ছবি তুলতে পেরে আমাদের দলপতির তখন কি দাপট!

    ‘তুমি তো কোনই কম্মের না, সঙ্গে গেলে সিংহ গুলো দেখতে পেতে কাছ থেকে অন্ততঃ’, দলপতি বন্ধু হুঙ্কার ছাড়লেন।

    এরপর যাওয়া হোল বুশ ডিনারে, অর্থাৎ হোটেলের খোলা জায়গায় আমাদের ছজনের গ্রুপের প্রাইভেট রাতভোজন; হোটেল ম্যানেজারের দাক্ষিণ্যেই এই ব্যবস্থা সম্ভব হয়েছিল, বলা বাহুল্য। বেশ গা ছমছমে পরিবেশ, মাঝখানে জ্বলছে বড় অগ্নিকুন্ড, চারপাশে কয়েকজন মাসাইগার্ড, তাদের হাতে রাইফেল, খাওয়া দাওয়া এলাহি। এরিমধ্যে গল্প জুড়লেন ম্যানেজার, তাঁর কাছেই জানলাম মাসাইরা কাউকে পছন্দ করলে তার প্রতি ভীষণ অনুগত থাকে আজীবন। আরো শুনলাম, হোটেলের কোনও অফিসারকে পছন্দ না হলে, রাতের বেলা ঘরে ঢুকে বামাল সমেত অফিসারটিকে জীপে করে ছেড়ে দিয়ে আসে নাইরোবির দু কিলোমিটার দূরে গভীর জঙ্গলে।

    ‘একটু সাবধানে এদের সাথে কথা বলবেন’, জানালেন ম্যানেজার।

    আমাদের দলপতি দেখলাম বেশ অস্বস্তিতে পড়ে গেছেন, সকাল বেলা সাফারিতে মাসাই ড্রাইভারকে জঙ্গল নিয়ে জ্ঞান দিতে গিয়ে বেশ চটিয়েছিলেন তিনি।

    ঠিক এই সময় হঠাৎ, দশদিক কাঁপিয়ে হৈ হৈ করতে করতে আমাদের আসরে ঢুকে পড়ল একদল মাসাই; যুদ্ধপোশাক আর হাতের বল্লমে যেন সাক্ষাৎ একেকটা যমদূত। আমাদের ভ্যাবাচ্যাকা ভাব লক্ষ্য করে হাসিতে ফেটে পড়ল তারা, আর সেই সাথে শুরু করল মাসাই নৃত্য; বুঝলাম এটাও রাতভোজনের একটা অঙ্গ। মাসাই নাচ, মানে কে কত উপর অবধি লাফাতে পারে; তাদের দেখে উৎসাহ পেয়ে আমিও যোগ দিলাম লম্ফনাচে (নিজের দেশে তো এ সাহস হবে না কোনোদিন তাই)। গোলমাল থামতে দলপতি বন্ধুর খোঁজ করতে গিয়ে দেখি, বীরপুঙ্গব জঙ্গলবিশারদ চেয়ার উল্টে মাটিতে পরে আছেন; শেষে জল বাতাস করে জ্ঞান ফেরাতে হল তাঁর।

    এরপর দলপতি মশাই মাস ছয়েক কোনও যোগাযোগ রাখেননি বাকিদের সাথে, একথাও জানিয়ে রাখি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ৩ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    গজনবীর দেশ থেকে সোমনাথের পথে

    July 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    গজনবীর দেশ থেকে সোমনাথের পথে

    July 15, 2026
    Our Picks

    গজনবীর দেশ থেকে সোমনাথের পথে

    July 15, 2026

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026

    আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী

    July 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }