Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাতি-চোর – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    হাতি-চোর – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    মাহুতের নাম মূঁলচাদ। তার কালো কুচকুচে শরীর, খালি গা, শুধু একটা ধুতি মালকোচা এঁটে পরা। সেই ধুতির মধ্যে গোঁজা একটা ছুরি। লোকটির মুখখানা কিন্তু খুব দয়ালু দয়ালু। মনে হয় না, কোনওদিন ও ওই ছুরি খুলে কারওকে মারতে পারে।

    সকালবেলা তাকে দেখেছিলাম জঙ্গলের মধ্য দিয়ে মস্ত বড় একটা হাতির পিঠে চেপে দুলতে দুলতে আসছে। আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম ডাক-বাংলোর বারান্দায়। আমাদের দেখে সে লম্বা একটা সেলাম দিল। অমনি ঝর্নামাসির ছেলে বুবুন বলে উঠল, “হাতি চড়ব, আমি হাতিতে চড়ব!”

    ঝর্নামাসি বললেন, “না, না, অতবড় হাতির পিঠে চড়তে হবে না। বুনো হাতি!”

    আমি বললাম, “বুনো হাতির পিঠে কি আর মাহুত থাকে? কোনও ভয় নেই। আমি বুবুনকে নিয়ে যাচ্ছি! এই মাহুত, দাঁড়াও।”

    ডাক-বাংলো থেকে আমরা দৌড়ে বেরিয়ে এলাম বাইরে। হাতিটা তার ছোট্ট-ছোট্ট চোখ দিয়ে আমাকে আর বুবুনকে একবার দেখে নিল, তারপর ফ-র-র-র ফ-র-র-র শব্দ করতে লাগল মুখ দিয়ে।

    আমি বললাম, “তোমার হাতিটাকে একটু নিচু করো না, মাহুত, আমরা একটু চড়ব।”

    মূলচাঁদ হেসে বলল, “এ হাতিটা বড় দুষ্টু সাহেব! আপনারা চড়লে ভয় পাবেন!”

    বুবুন বলল, “না, আমরা ভয় পাই না! আমরা হাতিকে ভয় পাই না!”

    বুবুনের বয়েস মাত্র পাঁচ। সে সত্যি খুব সাহসী। সব সময় তার কোমরে দুটো খেলনা পিস্তল থাকে। সে বলেছে, এ পিস্তল দিয়ে সে এবার একটা বাঘ মারবে।

    সে মাহুতকে আবার বলল, “আমাদের হাতির পিঠে চাপিয়ে বাঘের কাছে নিয়ে চলো না!”

    মাহুত আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “সাহেব, আপনাদের কাল সকালে আমি হাতির পিঠে চড়াব। আজ আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে। নদীর উজানে হাতির পাল নেমেছে।”

    তাই শুনে আমি চমকে উঠে বললাম, “বুনো হাতির পাল?”

    সে বলল, “হ্যাঁ।”

    আমি বললাম, “সেখানে তুমি যাবে? কেন, সেখানে গিয়ে তুমি কী করবে?”

    সে বলল, “দেখি, যদি একটা হাতি ধরতে পারি!”

    “তুমি হাতি ধরো নাকি?”

    “হ্যাঁ, সাহেব। লালজী সাহেব তো হাতি ধরার ব্যাবসা করেন, আমি তাঁর কাছেই কাজ করি।”

    “তাই নাকি? নদীর ধারে যে কয়েকটা তাঁবু দেখেছি, সেগুলো বুঝি লালজীর তাঁবু?”

    “হ্যাঁ।”

    সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে হল, তা হলে তো আমিও হাতি-ধরা দেখতে যেতে পারি। ওদের পেছনে পেছনে চলে গেলেই হয়। বুবুনকে বললাম, “তুমি মা’র কাছে যাও তো। আমি একটু ঘুরে আসছি!”

    ওইটুকু ছেলে, কিন্তু কী দারুণ বুদ্ধি! আমার দিকে চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে বলল, “তুমি বুঝি হাতি-ধরা দেখতে যাবে? তা হলে আমিও যাব।”

    আমি বললাম, “না, আমি অন্য জায়গায় যাব।”

    বুবুন বলল, “তুমি যেখানে যাবে, আমিও সেখানে যাব।”

    সারাদিন আর বুবুন আমার সঙ্গ ছাড়ল না। কিছুতেই আর ওর চোখ এড়িয়ে যেতে পারি না। একটু কোথাও গেলেই ও অমনি দৌড়ে চলে আসে।

    আমাদের ডাক-বাংলোর সামনেই একটা নদী। তার নাম জয়ন্তী। খুব সুন্দর ছিমছাম একলা একলা একটা পাহাড়ি নদী। দু’পাশেই জঙ্গল। খানিক আগে আছে একটা ছোট্ট রেলস্টেশন। রেলের লাইন ওখানেই শেষ। বনের মধ্যে হঠাৎ এরকম এক জায়গায় রেল-লাইন শেষ হয়ে যেতে আমি আগে দেখিনি। সারা দিনে একটা ট্রেন আসে, আবার সেটাই ফিরে যায়। অন্য সময় একদম চুপ।

    নদী পেরিয়ে আরও গভীর জঙ্গল। তার মধ্য দিয়ে আছে গাড়ি চলার রাস্তা। দূরের পাহাড় থেকে বৃষ্টির জল গড়িয়ে এসে রাস্তাটার ওপর দিয়ে নদীর মতন বয়ে যায়। ওই সব পাহাড় থেকেই নেমে আসে বুনো হাতির পাল। আচমকা কখনও শোনা যায় বাঘের ডাক।

    আমাদের বাংলোর খুব কাছেই একটা বড় শালগাছ থেকে মাঝে মাঝে ডেকে ওঠে একটা তক্ষক সাপ। ঝর্নামাসি কখনও তক্ষক সাপ দেখেননি। সেই ডাক শুনলেই আমাকে বলেন, “দ্যাখ তো, দ্যাখ তো, সাপটাকে দেখা যায় কি না।”

    আমি ছুটে যাই। বুবুনও যায়। কিন্তু সেটাকে কিছুতেই দেখা যায় না।

    সন্ধের দিকে দারুণ হইচই শোনা গেল।

    ছুটে রাস্তার ধারে গিয়ে দেখলাম, অনেক লোক একসঙ্গে চ্যাঁচামেচি করছে। আর মাহুত মূলচাঁদ বলছে, “আস্তে আস্তে, চ্যাঁচাবেন না। ও ভয় পাবে।”

    কে ভয় পাবে?

    ভিড় ঠেলে উঁকি মেরে দেখলাম, মূঁলচাদের সেই মস্ত বড় হাতিটার পাশে দাঁড়িয়ে আছে একটা বাচ্চা হাতি। তার গায়ের সবুজ সবুজ রং দেখলেই বোঝা যায়, সদ্য বন থেকে এসেছে।

    মূলচাঁদ ধরে এনেছে ওই বাচ্চা হাতিটাকে!

    বুবুন অমনি লাফাতে লাগল, “আমি ওই বাচ্চা হাতিটায় চড়ব! আমি ওই বাচ্চা হাতিটায় চড়ব!”

    বাচ্চা হাতিটা এত লোক দেখে ঘাবড়ে গেছে। এদিক-ওদিক তাকিয়ে বড় হাতিটার পেটের নীচে ঢুকে পড়তে চাইছে। বড় হাতিটা দু’-চার পা এগিয়ে গেলেই সেও ছুটছে সঙ্গে সঙ্গে।

    লোকজনের ভিড় সরিয়ে দেওয়া হল। আর মূঁলচাদ তখন দৌড় করাতে লাগল বড় হাতিটাকে। বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে বড় হাতিটা গোল হয়ে ছুটছে, আর সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে বাচ্চা হাতিটা।

    খানিক বাদে মূলচাঁদকে আর শেখাতে হল না। তার হাতি নিজেই ছুটতে লাগল সেই এক জায়গায়। আর মূলচাঁদ একটা গামছা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে হাওয়া খেতে লাগল।

    আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, “ভাই মূলচাঁদ, হাতি দুটো শুধু এইটুকু জায়গায় ওরকম দৌড়চ্ছে কেন?”

    মূলচাঁদ বলল, “সাহেব, বাচ্চা হাতিটা না হলে যে ভয় পেয়ে যাবে। দৌড়তে থাকলে ও ভাববে ও এখনও ওর দলের সঙ্গেই যাচ্ছে।”

    “এ রকম কতক্ষণ দৌড়বে?”

    “তা ধরুন, সারা রাত!”

    “কী করে ধরলে হাতিটাকে? বাচ্চা হাতিটা কি বনের মধ্যে একলা একলা ঘুরছিল?”

    “না সাহেব। বাচ্চা হাতি কখনও একলা থাকে না। দলের মধ্যে থাকে।”

    “তা হলে কী করে দল থেকে একলা ওটাকে বার করে আনলে?”

    “বুনো হাতির পালের মধ্যে আমাদের ট্রেনিং দেওয়া হাতিটাকে ছেড়ে দিই। ও মিশে যায় দলের মধ্যে। তারপর এক সময় করে কী, একটা বাচ্চা হাতিকে দু’ পায়ের ফাঁকে আটকে চট করে থেমে যায়। অন্য হাতিগুলো কিছু বুঝতে পারে না, তারা এগিয়ে যায় সামনের দিকে। তখন আমাদের পোষা হাতিটা ওই বাচ্চা হাতিটার মুখ ঘুরিয়ে দেয় অন্য দিকে। তারপর বড়টা চলতে শুরু করলেই ছোটটা তার পেছন পেছন আসে।”

    “বাবাঃ, তোমরা হাতিকে এরকমভাবে ট্রেনিং দাও?”

    মূলচাঁদ লাজুক হেসে বলল, “সে হুজুর, আপনাদের দয়ায় হয়ে যায়।”

    আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, “এবার ওই বাচ্চাটাকে নিয়ে কী করবে? বিক্রি করে দেবে?”

    মূলচাঁদ বলল, “না, এত তাড়াতাড়ি কি হয়! কালই ওকে এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ওর মা যদি টের পেয়ে যায়, তা হলে ফিরে আসতে পারে। ওকে এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কয়েকদিন ট্রেনিং দিতে হবে।”

    “যদি ওর মা ফিরে আসে, তা হলে কী হবে?”

    মূলচাঁদ কপালে হাত ছুঁইয়ে বলল, “বাবু সে-কথা বলবেন না! সে বড় বিপদের কথা! তবে, সাধারণত আসে না। হাতির পাল এক রাতে অনেক দূর চলে যায়।”

    আমরা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেই হাতির দৌড় দেখলাম। তারপর ফিরে এলাম ডাক-বাংলোতে। বুবুন প্রবল উৎসাহে ছোটমাসিকে শোনাতে লাগল হাতির গল্প।

    সেই রাতে এক তুমুল কাণ্ড হল। সন্ধের পরই চারদিকে একদম নিঝুম হয়ে যায়। বড় রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাও বন্ধ হয়ে যায় অন্ধকার নামার পর থেকেই। রাত্তির বেলা আমরা তখন খেতে বসেছি, এমন সময় হঠাৎ একসঙ্গে অনেক লোকের চিৎকার শোনা গেল। জঙ্গলের মধ্যে এত লোক কোথায় ছিল কে জানে।

    আমরা বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে দেখলাম, নদীর ওপারে জঙ্গলের মধ্যে কিছু লোক মশাল নিয়ে ছোটাছুটি করছে। মেসোমশাই বললেন, “ডাকাত পড়ল নাকি?”

    ঝর্নামাসি বললেন, “এই জঙ্গলের মধ্যে ডাকাত?”

    তারপরই হাতির গলার আওয়াজ পাওয়া গেল। একটা নয় অনেকগুলো। ক্রমেই কাছাকাছি এগিয়ে আসতে লাগল সেই শব্দ।

    কারওকে কিছু বলে দিতে হল না, আমরা বুঝে গেলাম, বুনো হাতির পাল আসছে এদিকে।

    এর আগে আমরা শুনেছিলাম, কয়েক মাইল আগে, রাজা-ভাত-খাওয়া নামে একটা স্টেশনের ওপরে মাঝে মাঝে এসে পড়ে বুনো হাতির দল। স্টেশন মাস্টারের ঘরে পর্যন্ত ঢুকে যায়। গুদাম-ঘরের দরজা ভেঙে ফেলে শুঁড় দিয়ে খুঁজে দেখে, সেখানে তাদের কোনও খাবার আছে কি না।

    এবার কি এখানেও হাতির পাল আসছে?

    মেসোমশাই বললেন, “বন্দুকটা আনলে হত দেখছি।”

    ঝর্নামাসি বললেন, “একটা বন্দুক দিয়ে ক’টা হাতি মারতে তুমি? মনে তো হচ্ছে, একশো-দুশোটা হাতি আসছে।”

    দূরে জঙ্গলের মধ্যে লোকেরা দুমদাম করে আওয়াজ করছে। কয়েকটা মশাল উড়ে যাচ্ছে বনের মাথা দিয়ে। বোধহয় ওরা মশাল ছুড়ে হাতির পালকে ভয় দেখাতে যাচ্ছে।

    কিন্তু হাতিরা ভয় পেল না।

    বেশ জ্যোৎস্না উঠেছে, বেশি অন্ধকার নেই। আমরা এক সময় দেখতে পেলাম, ব্রিজের ওপাশে এসে দাঁড়িয়েছে দুটো-তিনটে হাতি। তার মধ্যে একটা হাতি একলা ব্রিজের মাঝখানে এসে শুঁড় উঁচু করে খুব জোরে ডাকল।

    সেই ডাক শুনেই আমাদের বুক মুচড়ে উঠল। ডাকটা অসম্ভব করুণ। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে, ওটা একটা মা-হাতি ঠিক যেন কাঁদছে তার সন্তানের জন্য।

    দুরে লালজীর তাঁবুর দিক থেকে গুড়ুম গুড়ুম করে কয়েকটা বন্দুকের শব্দ হল। ঝর্নামাসি বললেন, “গুলি চালাচ্ছে, গুলি চালাচ্ছে, শিগগির ঘরের মধ্যে চলে এসো!”

    আমি বললাম, “এগুলো নিশ্চয়ই ফাঁকা আওয়াজ। হাতি-ধরার লোকেরা গুলি করে হাতি মারে না। সে-রকম নিয়ম নেই।”

    বন্দুকের আওয়াজেও হাতির পাল ভয় পেল না। সেই মা-হাতিটা আর একবার ডাকল করুণ গলায়। তারপর দৌড়ে এগিয়ে আসতে লাগল এদিকে। তার পেছনে আরও হাতি। অনেকগুলো। শুধু মাথার পর মাথা এগিয়ে আসছে। সর্বনাশ। ওরা রেগে গেছে। যদি এদিকে এসে সবকিছু তছনছ করে দেয়? এমনকী, ওরা এই ডাক-বাংলোটাও ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারে।

    বুবুন ঘুমিয়ে পড়েছিল। এত রকম আওয়াজে সে হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে এল বারান্দায়। কিছুই বুঝতে না পেরে সে ‘মা মা’ বলে কেঁদে উঠল।

    ঝর্নামাসি চট করে তাকে কোলে তুলে নিলেন। যেন তাঁর ছেলেকেই কেউ চুরি করে নিয়ে যেতে এসেছে!

    এমন সময় দেখলাম, এদিক থেকে মূলচাঁদ সেই বাচ্চা হাতিটার ল্যাজ মোচড়াতে মোচড়াতে নিয়ে আসছে। একা। হাতির পাল এক্ষুনি বোধহয় ওকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে।

    আমরা ভেবেছিলাম মূলচাঁদ নিশ্চয়ই বাচ্চা হাতিটাকে ফেরত দিতে যাচ্ছে তার মায়ের কাছে। কিন্তু দেখলাম, মূলচাঁদ চুপি চুপি সেটাকে নিয়ে নেমে যাচ্ছে নদীতে। ঝর্নামাসি শিউরে উঠে বললেন, “ওমা, ও লোকটা যাচ্ছে কোথায়?”

    মেসোমশাই গম্ভীরভাবে বললেন, “ও হাতিটাকে নিয়ে পালাচ্ছে!”

    সত্যিই মূলচাঁদ হাতিটাকে নিয়ে জলে নেমে পড়ল। বুবুন বলল, “হাতিটা জলে ডুবে যাবে না?”

    আমি বললাম, “হাতিরা বোধহয় জন্ম থেকেই সাঁতার জানে।”

    এরপর আমাদের আর কিছু দেখা হল না। অনেকগুলো হাতি দুদ্দাড় করে চলে এল এদিকে। আমরা সত্যিই ভয় পেয়ে গেলাম। হাতিগুলো সাংঘাতিক রেগে গেছে মনে হয়। ডাক-বাংলোর বারান্দায় আমাদের দেখতে পেলে যদি তেড়ে আসে? আমরা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম। কিন্তু হাতিগুলোর চিৎকারে আমাদের বুক কাঁপতে লাগল। কয়েকটা হাতি এসে ধাক্কা মারলেই আমাদের এই কাঠের ডাক-বাংলোটা ভেঙে পড়বে।

    অনেকক্ষণ ধরে চলল হাতিদের চ্যাঁচামেচি। সেইসঙ্গে দুমদাম করে পটকার শব্দ আর গুলির শব্দ। যেন এক দারুণ যুদ্ধ হচ্ছে। তারই মধ্যে বুবুন তার খেলনা পিস্তল দুটো হাতে নিয়ে বলতে লাগল, “আমিও যুদ্ধ করব, আমিও যুদ্ধ করব, আমাকে ছেড়ে দাও!” আমরা ওকে জোর করে ধরে রাখলাম।

    শেষ পর্যন্ত এক সময় সব শব্দ আস্তে আস্তে দূরে চলে গেল। আমরা একটু একটু জানলা ফাঁক করে বাইরে দেখলাম। কিছুই দেখা গেল না।

    পরদিন ভোর হতে না হতেই আমরা ছুটে এলাম বাইরে। সত্যিই যুদ্ধক্ষেত্রের মতন অবস্থা। চার-পাঁচটা বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ে আছে রাস্তার ওপরে। কিন্তু কোনও বাড়ি ভাঙেনি। একাট পাথর-ভরতি লরি দাঁড় করানো ছিল রাস্তার পাশে। সেটা কাত হয়ে হেলে আছে একদিকে। সব পাথর এদিক ওদিক ছড়ানো।

    এরই মধ্যে কিছু লোক জেগে উঠে ভিড় করে আছে ব্রিজের পাশে। তাদের কাছে শুনলাম, হাতির পাল নাকি নদীতে নেমে ঠিক উদ্ধার করে নিয়ে গেছে বাচ্চাটাকে। আর মূলচাঁদ? তার খবর ঠিক কেউ জানে না।

    শুধু একজন বলল, “মূলচাঁদকেও ধরে নিয়ে গেছে হাতিরা।”

    তাই শুনে বুবুন বলল, “চলো নীলুমামা, আমরা ওকে উদ্ধার করে আনি!”

    আমি বললাম, “হ্যাঁ, তা তো যেতেই হবে!”

    কিন্তু ঝর্নামাসি আর একবেলাও থাকতে চান না সেখানে। কাল রাত্তিরের ঘটনায় তিনি ভয় পেয়ে গেছেন খুব। আবার যদি হাতিরা আসে?

    মূলচাঁদের কথা শুনে ঝর্নামাসি বললেন, “হাতিরা ওকে চুরি করে নিয়ে গেছে? বেশ হয়েছে। ও কেন হাতির বাচ্চা চুরি করতে গিয়েছিল?”

    আমাদের চলে যাবার একটুও ইচ্ছে নেই, কিন্তু ঝর্নামাসি রাগারাগি করতে লাগলেন খুব। মেসোমশাই জিপ গাড়িটা বার করলেন। তাতে জিনিসপত্র তোলা হচ্ছে, এমন সময় বড় রাস্তায় আবার একটা হইহই শব্দ উঠল। আমি আর বুবুন ছুটে গেলাম সেখানে। শুনলাম, খোঁজ পাওয়া গেছে মূলচাঁদের। ওপারের জঙ্গলে দুটো গাছের মাথায় নাকি শুয়ে আছে মূলচাঁদ। এবং আগে তার জ্ঞান ফিরে এসেছে, সে সেই অবস্থায় চ্যাঁচামেচি করছে। নামতে পারছে না।

    এর পর তো আর সব ঘটনাটা না-জেনে যাওয়া যায় না। পুলিশের গাড়ি এসে পড়েছিল। তার থেকে ক’জন পুলিশ মশমশিয়ে চলল ওপারের জঙ্গলে। আমরাও গেলাম সঙ্গে সঙ্গে। তারপর এক জায়গায় দেখলাম অবাক কাণ্ড। পাশাপাশি দুটো বেশ বড় গাছ। তার মধ্যে এক গাছের ডালে মূলচাঁদের মাথা আর অন্য গাছে তার দুটো পা। দুটো গাছের মাঝখানে সে ব্রিজ হয়ে আছে।

    মূলচাঁদ নেমে গিয়েছিল নদীতে। সেখান থেকে গাছের ডগায় এল কী করে? সে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছে। আর নীচ থেকে সবাই বলছে, “এই চেঁচিয়ো না, পড়ে যাবে!”

    বুবুন হঠাৎ খিল খিল করে হেসে উঠল। আমি ওকে ধমক দিয়ে বললাম, “এই, হাসতে নেই! একটা লোক বিপদে পড়েছে…।”

    কিন্তু বুবুনের হাসি শুনে অন্য সবাইও হেসে উঠল হো হো করে।

    মূলচাঁদকে শেষ পর্যন্ত গাছ থেকে ঠিকঠাক নামিয়ে আনা হল অবশ্য। সে নেমেই বলল, “ও বাবারে, খুব বেঁচে গেছি। আর আমি হাতি ধরার কাজ করব না। আর এ জায়গাতেই থাকব না! একটা হাতি আমাকে জলের মধ্যে ধরে ফেলে শুঁড়ে তুলে যখন নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ভাবলাম বুঝি আছাড় দিয়ে মেরেই ফেলবে!”

    একজন পুলিশ বলল, “এবারের মতো হাতিরা একটু ঠাট্টা করে গেছে মূলচাঁদের সঙ্গে।”

    সঙ্গে সঙ্গে একজন জংলি লোক বলল, “হ্যাঁ স্যার। হাতিরা যখন ফিরে যায়, আমি তখন শুনেছিলাম তারা খুব হাসছে। হাসতে হাসতে এ-ওর গায়ে ঢলে পড়ছে!”

    তাই শুনে পুলিশরাও এ-ওর গায়ে ঢলে পড়ে হাসতে লাগল!

    জানুয়ারি ১৯৭৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }