Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্রামের নাম জাঁকপুর – আশাপূর্ণা দেবী

    গ্রামের নাম জাঁকপুর – আশাপূর্ণা দেবী

    ভোর হয়েছে কি হয়নি, গাছের পাখিরা ডেকেছে কি ডাকব ডাকব ভাবছে, শোবার ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন বড়কর্তা, বাঘমুখো রুপো বাঁধানো ছড়িখানা শূন্যে নাচাতে নাচাতে। বেরিয়েই গর্জন করে উঠলেন, “এই, কে আছিস!”

    বড়কর্তার পরনে ফরসা ধবধবে কাঁচি ধুতি, গায়ে ফরসা ধবধবে মেরজাই। ধুতির ফুলকোঁচার আগাটা মেরজাইয়ের বাঁ পকেটে গোঁজা! রাতে ঘুমনোর দরুন ধুতির পাট একটু লাট খেয়ে গেছে।

    বড়কর্তা তার কলকাতার বাড়িতে সকালবেলা এমন সাজে ঘর থেকে বেরোচ্ছেন, এমন দৃশ্য ভাবাই যায় না। মানে এমন সাজ করেনই না। সেখানের স্টাইলই আলাদা।

    তবে বড়কর্তার মতে দেশের বাড়িতে যখন এসেছেন, পূর্বপুরুষদের তৈরি চকমিলোনো বিশাল অট্টালিকার গেট খুলিয়ে ঢুকেছেন এবং এতদিনের বন্ধ-বাড়ির শ’খানেক জানলা-দরজা খুলিয়ে পুরনো চেহারাখানা বার করে ফেলেছেন, তখন এখানে চাই পুরনো স্টাইল। বাপ-জ্যাঠার সাজসজ্জা আচার-আচরণ।

    জাঁকপুরের বাবুরা এই ধরনের সাজ আর এইরকম হাঁকডাকেই অভ্যস্ত ছিলেন। তা ভুলে তো আর যাননি সে-সব বড়কর্তা? চোখের সামনে ছবি হয়ে আছে সেই শৈশব-বাল্যের দিনটিনগুলো।

    আর মনের মধ্যে? সে তো আছে খোদাই হয়ে।

    ‘বাবুদের বাড়ি’ মানেই ‘জমিদারবাবু’দের বাড়ি। এখন আর রাম-অযযাধ্যা কিছুই নেই। কিন্তু গ্রামের লোকের মুখে মুখে বাবুদের বাড়ি নামটাই চালু হয়ে আছে।

    তা বাড়িটাও তো আছে।

    জীর্ণ হয়ে এসেছে বটে, তবে ঠাটবাটটি হারায়নি। হারাবে কেন, এই বছর যোলো-আঠারো আগেও তো বড়কর্তার ছোটজ্যাঠা এখানে বসবাস করে গেছেন। অতঃপর স্বর্গে গেছেন। সেই বাবদই এখানে শেষ এসেছেন বড়কর্তা।

    কেন এসেছেন?

    হঠাৎ খেয়াল হয়েছে নাতি-নাতনিরা কেউ এখনও পর্যন্ত দেশের বাড়ি দেখেনি। মনে হয়েই মনে হল, ভেরি ব্যাড! ব্যস, সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাড়ি মেরামত করার ধুম পড়েছে, দরোয়ান কাম মালি নরহরিকে চিঠি দিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং গতকাল বিকেলে একখানি বিরাট বালখিল্য বাহিনীকে নিয়ে জাঁকপুরে এসে পৌঁছেছেন বড়কর্তা।

    হইহই কাণ্ড, রইরই ব্যাপার। জমজমাটি দৃশ্য।

    কী না এসেছে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে। রেকর্ড প্লেয়ার, টেপ রেকর্ডার, (ফুচুং নাকি পাখিদের কলকাকলি টেপ করবে) ডজনকয়েক গানের ক্যাসেট, ক্যারম বোর্ড, ব্যাডমিন্টন সেট, কয়েক জোড়া ম্যাজিকের তাস। ভেঁপু তো আজকাল তাসের ম্যাজিকে ওস্তাদ হয়ে উঠেছে।

    এ ছাড়া বেশ কয়েকটি ‘লোকজন’। মানে ‘কাজের লোক’। অকর্মার রাজা হলেও কাজের লোকই তো বলতে হবে।

    কথা আছে, আমবাগানে দোলনা টাঙানো হবে। তার জন্যে অনেক গজ মজবুত নাইলন দড়ি এসেছে। দিন-দশেকের মতো ‘পিকনিক’ কম তো না। আর মেয়ের ঘর ছেলেদের ঘর মিলিয়ে নাতি-নাতনি ও কর্তার সংখ্যাও কম না।

    এসব এনেছে ওরা অনেক কিছুই দাদুকে না জানিয়ে। জানে তো বুড়োদের স্বভাব, ছোটদের সব ব্যাপারেই বাধা দেওয়ার টেনডেনসি।

    কিন্তু ওরাই কি জেনেছে, দাদুও তাদের অগোচরে দর্জিকে দিয়ে গোটাকতক মেরজাই বানিয়ে এনেছেন তাঁর জ্যাঠার মতো। এনেছেন ধুতি, হরিণের চামড়ার চটি, বাঘমুখো ছড়িটা।

    এনেছেন এই সব, সেটা এই ভোরবেলায় দেখা গেল।

    তা এনেছেন এনেছেন বেশ করেছেন, কিন্তু ঘুম ভেঙে উঠেই এমন হম্বিতম্বি কেন? কী হল রাতারাতি? বিছানায় ছারপোকা? মশারি ভেদ করে মশার উৎপাত?

    নাকি পুরনো ঘরের খাট-আলমারির তলায় ইঁদুর-ছুঁচোর হুটোপাটি?

    আরও একবার ‘কে আছিস’ হাঁকতেই একমুঠো নাতি-নাতনি যার যার বিছানা থেকে উঠে এসে হতভম্ব হয়ে দাঁড়াল। দাদুর এমন রণমূর্তি কেন?

    বড়কর্তা হাতের ছড়ি আর-একবার নাচিয়ে বলে উঠলেন, “আমার ঘর থেকে ‘পোর্টম্যান্টো’টা কে কোথায় সরাল? অ্যাঁ। কে সরিয়েছে?”

    পোর্টম্যান্টো!

    এটা আবার কী শব্দ। কোনওদিন শুনেছে বলে তো মনে পড়ছে না।

    “কেউ জানিস না?”

    ভেঁপু সাহসে ভর করে বলে উঠল, “পোর্টম্যান্টো আবার কী? তাই তো জানি না।”

    “ও হোহো,” বড়কর্তা বললেন, “তা জানবি কোথা থেকে? শহুরে বাবুরা। পোর্টম্যান্টো হচ্ছে গিয়ে ব্যাগ। মানে সুটকেস।”

    “বাঃ, তা সেটাই বলবে তো!”

    “কেন বলব? এই জাঁকপুরের বাবুদের বাড়ির কর্তারা চিরকাল পোর্টম্যান্টোই ব্যবহার করে এসেছে।”

    টুকলি বলে ওঠে, “তুমি সেটা মানে ও-ই ‘ম্যান্টো’ না কী এনেছ?”

    “আনব কোথা থেকে,” বড়কর্তা আবার হুংকার ছাড়েন, “এখন আর ও-জিনিস পাওয়া গেলে তো! তোদের গড়িয়াহাটের দোকানিরাও তোদেরই মতন হাঁদা-ল্যাবা! বলে নামই শোনেনি। তো বাধ্য হয়ে সুটকেসকেই পোর্টম্যান্টো বলতে হচ্ছে। সে যাক, জিনিসটা ঘর থেকে উপে গেল নাকি। শোবার সময় দেখেছি কোণের দিকে টেবিলে বসনো রয়েছে, আর মাঝরাতে দেখি যে হাওয়া! মানেটা কী এর, অ্যাঁ?”

    টুকলি ভয়ে ভয়ে বলল, “চুরি যায়নি তো?”

    বড়কর্তা আবার একবার ছড়িটায় পাক দিয়ে নিয়ে গর্জন করে উঠলেন, “গেলে তো চুকেই যেত। চোর আর চুরির সুযোগ পেল কই? তার আগেই তো কে বা কারা সেটাকে হাতিয়েছে। দেখছি একবার। আমি তাকে আস্ত রাখব না।”

    বড়কর্তার দেশের ভাইঝি চারুশীল চান করে এসে পুজোর ঘরে যাবার মুখে দাঁড়িয়ে পড়ে বলল, “কাকে আবার ভেঙে টুকরো করবেন গো বড় জ্যাঠামশাই?”

    বড়কর্তা রুদ্রমূর্তিতে বললেন, “একধার থেকে সব্বাইকে। বলি রাতারাতি আমার পোর্টম্যান্টোটা কোথায় উধাও হয়ে গেল শুনতে পাই?”

    চারুশীলা বলল, “কোথায় আবার যাবে, আমিই এ-ঘরে এনে তুলে রেখেছি। আপনার তো চারটে দরজা হাটপাট করে খুলে শোওয়া অভ্যেস। কে কখন ঢুকে পড়ে চক্ষুদান করে বসে ঠিক কী!”

    বড়কর্তা হাতের ছড়ি নাচানো থামিয়ে গম্ভীর হয়ে গিয়ে বললেন, “তুমিই তুলে রেখেছ? বড় কাজ করেছ, উত্তম করেছ। বলি ওহে বুদ্ধিমতী চারুশীলা, ওই ‘চক্ষুদান’ করাটাই যাদের পেশা, তাদের উপায়টা কী হবে?”

    “অ্যাঁ, কী বলছেন!” চারুশীলা হাঁ।

    “বলছি, কোনও ব্যাটা চোর যদি জাঁকপুরের বাবুদের বড়কর্তার ঘরে ঢুকে কিছু হাতাতে এসে শুধু ইঁদুরে-কাটা গদির তুলো হাতড়ে মরে, তাতে বড়কর্তার খুব মান বাড়ে? প্রেস্টিজ থাকে?”

    “ইদুরে-কাটা গদির তুলো হাতড়াচ্ছিল! কে? অ্যাঁ?”

    একঝাঁক ছেলেমেয়ের গলা, “কে দাদু? কে?”

    “কে? কপালে তো নাম-লেখা টিকিট সেঁটে আসেনি মানিক, যে বুঝব কে!” আমিও তো তাই হাঁক পাড়লাম, ‘কে রে?’ তো মিনমিন করে কে যেন বলল, ‘আজ্ঞে কেউ না।’ বোঝে ব্যাপার। পুরনো অট্টালিকা, কত কত প্রেতাত্মা আনাচে কানাচে বসবাস করছে, কে জানে। ফশ করে বালিশের তলা থেকে টর্চটা বার করে জ্বেলে দেখি, এক ব্যাটা লুঙ্গি-গেঞ্জিপরা হাড়গিলে চেহারার মূর্তিমান মাথার কাছে দাঁড়িয়ে। হাতে একমুঠো ছেঁড়া তুলো।”

    ‘‘তুলো! তুলো কেন দাদু? তুলো চুরি করতে এসেছিল?”

    বড়কর্তা রেগে বলেন, ‘হ্যাঁ আমিও তাই জিজ্ঞেস করেছিলাম, “তুলো কী হবে রে ব্যাটা?” পাজিটা বলে কিনা, “আজ্ঞে তুলো আর কী হবে। চাবির খোঁজে গদির তলা হাতড়াচ্ছি, আর মুঠোভরতি ছেঁড়া তুলো উঠে আসছে। বলিহারি কাণ্ড! চোর ঠকানোর ফন্দি বটে!”

    “শুনেছিস আস্পর্দার কথা? বললাম, ‘বলি মতলবটা কী?’ বলে কিনা,‘ মতলব তো মহৎই ছিল, তো এসে দেখছি খেটে মরাই সার! কবে থেকে গাওন-বাজনা শুনছি, বাবুদের ঘর সারানো হচ্ছে, বড়কর্তা আসছেন, তিনখানা মোটরগাড়ি বোঝাই মাল আর মানুষ আসছে, তো বলি ভগবান বুঝি এতদিনে দিন দিল। তো হরেকেষ্ট। জাঁকপুরের বড়কর্তার ঘর উটকে লবডঙ্কা! শেষমেশ গদি-ছেঁড়া তুলো।’

    “বোঝো চারু, শুনে পায়ের রক্ত মাথায় চড়ে কিনা! গর্জে বললাম, ‘বদমাশ, শয়তান! চুরি করতে এসেছিস, চুরি করবি। মিথ্যে বদনাম দিবি কী জন্যে? ওই দেয়ালের ও কোণে টেবিলের ওপর একখানা পোর্টম্যান্টো বসানো নেই? নিয়ে আয় এদিকে! নগদ হাজার দু’-তিন আছে, ইচ্ছে হয় নিয়ে যা!’ ব্যাটা দাঁত বার করে বলে কিনা, ‘কর্তা বুঝি ঘুমের ঘোরে পোর্টম্যান্টোর স্বপ্ন দেখতেছিলেন? হাজার দু’-তিন টাকা! ওরে বাপ রে। হ্যাঁ ছিল বটে, আগের কালের কর্তাদের। ঠাকুরদার কাছে গপপো শুনেছি, মানে এই বংশীবদনের তো তিনপুরুষে এই একই পেশা! তো ঠাকুরদারা মুখে কালিঝুলি মাখত, গায়ে পেছলা করে তেল মাখত, এখন আর অতসব কিছু লাগে না। তো ঠাকুরদা বলেছিল, জাঁকপুরের বাবুদের বাড়িতে কাজে সুখ আছে। যেখেনে-সেখেনে সোনাদানা টাকাটা পয়সাটা ছড়ানো থাকে। কোনওমতে একবার মাথাটা গলাতে পারলেই হল। আর এখন!’ ব্যাটা মুলো মুলো দাঁত বিছিয়ে বলে কিনা, ‘এখনকার বাবুর হচ্ছেন ঢুঁঢুঁ কোম্পানি। বড়কর্তার ঘরে ঢুকে হাতের মুঠোয় উঠে এল শুধু একমুঠো গদি-ছেঁড়া তুলো! ছি ছি! হিহি!’”

    বড়কর্তা আবার শূন্যে ছড়ি আস্ফালন করে বললেন, “বল, বল তোরা! এত হেনস্থায় মেজাজ ঠিক রাখা যায়? চড়চড়িয়ে প্রেশার চড়ে যাবে না? দিয়ে দিলাম হতচ্ছাড়া ব্যাটাকে মুখের মতো জবাব। ভাগ্যিস আংটিটা আঙুলে ছিল। চারুশীলাবালা সেটিও আঙুল থেকে খুলে তুলে রাখতে যাননি, জ্যাঠামশাইয়ের ঘরের দরজা খোলা থাকে বলে।”

    আংটি!

    সকলের দৃষ্টি পড়ল গিয়ে বড়কর্তার ডান হাতের আংটির আঙুলে। আঙুলে শুধু একটি সাদা দাগ বসে আছে, আংটি নেই।

    জ্বলজ্বলে সবুজ পান্নার আংটিটা বিরাট দামি। চারুশীলা কপালে হাত চাপড়ে বলে উঠল, “কী সর্বনাশ! ও জ্যাঠামশাই, চোরটা আপনার আংটিটা নিয়ে চলে গেল!”

    কেঁদেই ফেলল চারুশীলা।

    নাতি-নাতনিরা একযোগে চেঁচিয়ে উঠল, “ও দাদু, তোমার সেই সুন্দর সবুজ আংটিটা চোরে কেড়ে নিয়ে চলে গেল! তুমি তার সঙ্গে গায়ের জোরে পারলে না?”

    “কেড়ে!” বড়কর্তা তেড়ে ওঠে, “ভবনারায়ণ রায়চৌধুরীর কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে গেল? একটা হাড়গিলে, একটা চামচিকে, একটা কাকতাড়ুয়া, একটা পাক্যাটি, একটা তেজপাতা, একটা ইঁদুর, ছুঁচো, আরশোলা! এই ভাবলি তোরা? ভাবতে পারলি? নাঃ, তোদের কিছু হবে না। তোরা ওই রাতদিন বসে বসে ক্যাসেট শুনবি, ক্যারম পিটবি আর নয়তো গোয়েন্দা গল্প গিলবি! কেড়ে নিয়ে গেল। হা হা হা। বলে কী বুদ্ধুরা! আঙুল থেকে খুলে ছুড়ে ফেলে দিয়ে বললাম, ‘নিয়ে যা ব্যাটা। জাঁকপুরের বাবুদের বাড়ি থেকে শুধু হাতে ফিরবি, এ হয় না!’ তা ত্যাঁদোড় ব্যাটা কি সহজে নিতে চায়? বলে, ‘এ আমি বেচতে গেলে ধরা পড়ব! আমার দরকার নাই।’ তবে আমি ছাড়ব? বলি, ‘না নিলে তোমার গর্দান যাবে ব্যাটা। তুমি জাঁকপুরের বড়কর্তার মুখের ওপর ছি বলে তার প্রেস্টিজ পাংচার করে দিয়ে চলে যাবে আর আমি তাই সইব? হুঁ! অত সস্তা নয়।’ তো যত নষ্টের মূল হচ্ছেন এই আমার হিতৈষী ভাইঝি চারুশীলা দেবী! পোর্টম্যান্টোটা ঘরে থাকলে চুপিসাড়ে নিয়ে চলে যেত। আর চাবি খুঁজতে গদির তুলো হাতড়াতে আসত না! যাকগে, ওসব ফালতু কথা। আজ ব্রেকফাস্টের মেনুটা কী? ব্রেকফাস্টের মেনুটা কী হে ফুচাং? যারা সব কাজের লোকটোক সঙ্গে এসেছিল তারা এখনও নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছে বুঝি? কোথায় তারা? এই কে আছিস!”

    কলকাতার বাড়িতে ভবনারায়ণ রায়চৌধুরী কখনও এভাবে ‘এই কে আছিস’ বলে লোকজনকে ডাকেন না, যার যা নাম তাকে তাই বলে ডাক দেন। এ-ভাবটা হচ্ছে জমিদারবাবুদের বাড়ির পেটেন্ট। যাতে একটি হাঁকে দশজন দশদিক থেকে ছুটে আসে।

    এখন সকালে চড়ে উঠেছে। গাছের মাথায় মাথায় রোদ। এখন আর আংটির শোক নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না নাতি-নাতনিরা। তারা গ্রামীণ ব্রেকফাস্ট মুড়ি নারকেল কচি শশা ফুলুরি আর গরম জিলিপি নিয়ে বসেছে এবং তারিয়ে খেতে খেতে তারস্বরে মন্তব্য করছে, এমন ফাস্টক্লাস খাদ্যটাদ্য জগতে থাকতে কী দুঃখে মানুষ দিনের পর দিন সকালবেলা একঘেয়ে টোস্ট, মাখন, ডিম আর কলা নিয়ে বসে। ছিঃ।

    ওদিকে মনের দুঃখু ঝেড়ে ফেলে চারুশীলাও কলকাতা থেকে আসা রান্নার নোক মলয়কুমারকে নিয়ে রান্না বোঝাতে বসেছে, এবং বড়কর্তা বলছেন, “তোদের খাওয়া হলে চল তোদের একবার সারা বাড়িটা চোরকুঠুরি থেকে চিলেকোঠা পর্যন্ত দেখিয়ে আনি। কালকে তো আসতে-না-আসতেই সন্ধে হয়ে গেল। দেখিয়ে দেব ছেলেবেলায় আমরা কোথায় খেলতাম। বাবা জ্যাঠামশাই ঠাকুরদা-ঠাকুমা কোন ঘরে থাকতেন, কোথায় বসে বাড়ির সবাই মজলিশ করতেন।”

    চুমকি বলে উঠল, “সব তোমার মনে আছে দাদু?”

    ‘মনে নেই? বলিস কী! ছবির মতো সব চোখে ভাসছে।”

    “তো এত যদি ভালবাসা তো সাতজন্মে আসো না কেন শুনি? কলকাতাতেই পড়ে থাকো কেন?”

    বড়কর্তা একটু গম্ভীর হাসি হেসে বলেন, “সে আর তোকে বোঝাই কী করে? আসলে কী জানিস—’’

    কিন্তু ওই ‘আসলটা’ আর জানা হয় না চুমকির। মূর্তিমান ছন্দপতনের মতো নরহরি এসে দাঁড়ায়। তার পিছনে পিছমোড়া করে বাঁধা একটা রোগা কালো দাঁতলা হাড়গিলে লোক।

    “কর্তা!” নরহরি তেজি গলায় বলে, “ব্যাটাকে ধরে ফেলেছি। দেউড়ির ধারে ঘুরঘুর করছিল। বোধহয় শুধু আংটিটায় আশা মেটেনি, আরও কিছুর মতলবে…’’

    নরহরির দাপট থামিয়ে দিয়ে হাড়গিলে খ্যাঁকখেঁকিয়ে বলে ওঠে, “বেশি বাহাদুরি দেখাতে এসনি নরহরি পাল! ধরেছি মানেটা কী? ধরেছি মানে কী? আমি তো নিজেই আসতেছিলাম কর্তার কাছে। তুমি শুদুশুদু গামছা পাকিয়ে বাঁধতে বসলে। তো বোসো। বয়েই গেল। কর্তা আপনার আংটিতে আমার কাজ নাই, ফেরত ন্যান। এই নরহরি পাল, হয় আমার বাঁধন খুলে দাও নচেৎ আমার ট্যাঁক থেকে আংটিটা বার করো। আচ্ছা ঝকমারি বাবুদের বাড়ি চুরি করতে এসে!”

    শোনামাত্র বড়কর্তার আবার প্রেশার চড়ে যায়। “মানে? ঝকমারিটা কীসের, অ্যাঁ!”

    “আজ্ঞে আংটির মধ্যে নাম খোদাই করে রেখে হতভাগা বংশীকে দাতব্যি করা। বলি বংশী হতভাগা কি ওই আংটি আঙুলে গলিয়ে বাহার দিয়ে বেড়াবে? বেচেই তো খাবে। তো বেচতে গেলে যমে ধরবে না? এই তো সকালবেলাই বিরিঞ্চি স্যাকরার ঘরে গিয়ে শুধোলাম, পাথর ছাড়া সোনাটুকুর কত দাম হবে খুড়ো? তো দেখামাত্তর একেবারে ক্যাঁক করে ধরল, এ জিনিস কোথায় পেলি রে?… তো কর্তামশাই দান করে দেছেন বলায় কী হাসি! বলে কী, একখানা সদ্‌ ব্রাহ্মণ পেলেন রে তোকে কর্তাবাবু, যে তোকে আঙুরি দান করেছেন? চল তো পুলিশে…”

    বংশী শরীরটা নড়িয়েচড়িয়ে বেজার গলায় বলে, “তবে! ঝকমারি আর কারে কয়? নরহরি পাল বাঁধনটা খোলো তো। বারবার বলতে ভাল লাগে না।’’

    চোর বংশীর জোর গলার হুকুমে দরোয়ান-কাম-মালি নরহরি ওর বাঁধনটা খুলে দেয়।

    বংশী ট্যাঁক থেকে কাগজ মোড়া আংটিটা ঠক করে বড়কর্তার পায়ের কাছে নামিয়ে দিয়ে বলে, “এবার আমারে রেহাই দ্যান। খুব শিক্ষে হয়েছে।”

    কিন্তু রেহাই কে দেবে?

    বড়কর্তা তো ততক্ষণে ফায়ার। চেঁচিয়ে বলে ওঠেন, “হতভাগা বেয়াদব, খুব যে সাহস দেখছি। জাঁকপুরের সর্বনারায়ণ রায়চৌধুরীর নাতি নরনারায়ণ রায়চৌধুরীর ছেলে ভবনারায়ণ রায়চৌধুরী ‘দেওয়া’ জিনিস ফিরিয়ে নেবে? উঠিয়ে নিয়ে যা বলছি।”

    “কর্তা,” বংশী করজোড়ে বলে, “মাপ করবেন। উঠিয়ে নিয়ে যেতে পারব না!”

    “মাপ করব? আয় বদমাশ, তোকে এই ছড়ি দিয়ে মাপ করি আয়।”

    ছড়ি উঠোবার আগেই বংশী হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে এবং সেই শব্দে বাড়ির সকলে ছুটে আসে।

    ব্যাপার দেখে সবাই তাজ্জব।

    চোর তার বাগিয়ে নিয়ে যাওয়া মালটি ফেরত দিয়ে আবার কাঁদে। কিন্তু কান্নাকে ডোন্ট কেয়ার কবে বড়কর্তা ছড়ি উঁচিয়ে হাঁক পাড়ছেন, “ওঠা, ওঠা বলছি। নইলে আগাপাশতলা বেত।”

    নিরুপায় বংশী হঠাৎ বলে ওঠে, “তবে নয় জিনিসটা আপনি আমার কাছ থেকে কিনেই ন্যান।”

    “কী, কিনে নেব। তোর কাছ থেকে? হা হা হা। ওরে চারু, এ ব্যাটা বলে কী!”

    বংশীর জোর গলা, “ভুলটা কী বলেছি কর্তা? এ তো আর চোরাই মাল নয় যে, কিনতে বাধা? দানের দ্রব্য। পুরুতঠাকুরা দানের দ্রব্য বেচে না?”

    ‘অ্যাঁ! ওরে আমার জাদু। মন্দ বলিসনি তো। চারু, দেখেছিস শয়তানটার গাঁটে গাঁটে কী বুদ্ধি। ঠিক আছে কতয় ছাড়বি বল?”

    “আজ্ঞে যা দেবেন।”

    “যা দেবেন। যা দেবেন মানে? তোর জিনিস, তুই দর কষবি না? বল ব্যাটা কত’য় দিবি? হাজার? দু’হাজার? আড়াই হাজার? নাকি…”

    “জ্যাঠামশাই!” চারুশীলা প্রায় আর্তনাদ করে ওঠে, “আপনি কি পাগল হয়ে গেলেন? শ’পাঁচেক টাকা ধরে দিলেই চোরটা বর্তে গিয়ে চলে যেত। অথচ আপনি…”

    “অ্যাঁ ! কী বললি চারু? তোর জ্যাঠার হাতে একটা পাঁচশো টাকার আংটি ছিল?”

    “আহা তা কেন? মানে…”

    “মানে-ফানে রাখ। নিয়ে আয় আমার পোর্টম্যান্টো!”

    পোর্টম্যান্টো আসে। ভবনারায়ণ সেটা খুলে পার্সটা বার করেন। নগদ আড়াই হাজারই ছিল। বার করে এগিয়ে ধরেন, “যা ব্যাটা নিয়ে যা! চোরের নাতি চোরের পুতি চোরের ব্যাটা চোর! যা বিদেয় হ। তবে বলে রাখছি, এ থেকে কিছু খরচা করে একটু ভালমন্দ খা। আয়নার সামনে নিজেকে দেখেছিস কখনও লক্ষ্মীছাড়া?”

    বংশী সাষ্টাঙ্গে একটা প্রণাম করে দে দৌড়।

    বড়কর্তা ওর দৌড়ের ধরন দেখে হাসির চোটে আকাশ ফাটান, “দেখছিস ফুচুং টিকাই বোলন ঘেঁচু! লোকটা কী বোকা। কতটা লোকসান খেল, তবু কী আহ্লাদ!”

    হিংসেয় জ্বলতে জ্বলতে নরহরি বলে, “লোকসানটা কী হল বড়বাবু?”

    “হল না? ধর, কাল রাত্তিরে যদি তোদের পিসিমা পোর্টম্যান্টোটা সরিয়ে না রাখত, সবসুদ্ধুই টুপ করে তুলে নিয়ে ভাগতে পারত ব্যাটা চোরের জামাই চোর। টাকা ছাড়াও কম জিনিস আছে এতে? দামি দামি জামাকাপড়, দামি দামি বই! যাক, লাভটা আমারই হল।”

    চারুশীলা হঠাৎ ঢিপ করে একটা পেন্নাম ঠুকে বলে, “জ্যাঠামশাই, বুঝতে পারছি না আপনি পাগল না খ্যাপা।”

    বড়কর্তা ভুরু কুঁচকে বলেন, “পাগল খ্যাপা, এত সব ভাবতে না গিয়ে ভাবতে পারলি না চারু, এই লোকটা হচ্ছে জাঁকপুরের রায়চৌধুরীদের বংশধর!… ওরে চারু, নাতি-নাতনিকে শুধু এই তিনমহলা বাড়িখানা দেখালেই হবে? বাড়ির কর্তারা কেমন ছিল, তার একটু নমুনা দেখানো দরকার কি না? বুঝলি ঘেঁচু, টুকাই, ঘন্টু জাঁকপুরের বাবুরা এই রকমই ছিলেন। পাগল বলিস পাগল। খ্যাপা বলিস খ্যাপা।”

    ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }