Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাগল হইবার সহজপাঠ – দুলেন্দ্র ভৌমিক

    পাগল হইবার সহজপাঠ – দুলেন্দ্র ভৌমিক

    সম্প্রতি মুগবেড়িয়াতে অতি ছোট একটি ঘটনা ঘটে গেল। ঘটনাটি আমাদের দৃষ্টিতে অতি ছোট এবং অতিশয় তুচ্ছ মনে হলেও মুগবেড়িয়ার মানুষদের কাছে সেটি মোটেও তুচ্ছ নয়। মুগবেড়িয়া ছোট গ্রাম হলেও বেশ বর্ধিষ্ণু। দিব্যি আঁটোসাঁটো একটি গ্রাম। সেই গ্রামেরই ছেলে ভবা। ভাল নাম ভবতোষ মল্লিক। ভবতোষ ঠিক কত বছর বয়সে পড়াশোনা শুরু করেছিল সেটা ভবতোষের বাবারও মনে নেই। ক্লাস ফাইভ থেকে টেন পর্যন্ত উঠতে সে সময় নিয়েছিল মোটে এগারো বছর। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে ভবার বাবা এক জ্যোতিষীকে দিয়ে ভবার হস্তরেখা বিচার করে জানতে চেয়েছিলেন মাধ্যমিক পাশ করতে ভবার কত বছর লাগবে? তিনি জীবিত অবস্থায় সেটা দেখে যেতে পারবেন কি না।

    সেই জ্যোতিষী ভদ্রলোক যখন নানা কথা জিজ্ঞেস করে কাগজে দাগ কেটে হিসেব করছিলেন তখন ভবা ফিসফিস করে সেই জ্যোতিষীকে বলেছিল, “স্যার, আপনার বলতেই যদি এত সময় লাগে তা হলে ন’টা সাবজেক্ট পাশ করতে আমার কত বছর লাগবে সেটা আমি বুঝতে পারছি। আপনি কোনও রিস্ক না নিয়ে একটু বেশি সময় নিয়ে বলুন।”

    জ্যোতিষী অনেক হিসেব করে বিদ্যাস্থানে বিঘ্ন, বৃহস্পতি কুপিত, রবি বিপরীত কক্ষে ইত্যাদি নানা কথা বলে জানিয়েছিলেন, “একটি বছর অপচয় হওয়ার ক্ষীণ আশঙ্কা। কিন্তু দ্বিতীয়বারে অতি উজ্জ্বল উত্তরণ।” সেই ভবা সাতবারেও পাশ করতে না পেরে নিজেই ঘোষণা করল, “যে বিদ্যা ফল দেয় না, তার পেছনে আর সময় নষ্ট করার কোনও অর্থ হয় না।”

    এই সিদ্ধান্তটা ভবা মুগবেড়িয়ার সকলকে জানাল ‘হনুমান সংঘ’-এর ক্লাব প্রাঙ্গণে সভা ডেকে। রীতিমতো সভা। মাইক লাগিয়ে প্রথমে সমবেত কণ্ঠে উদ্বোধনী সংগীত, তারপর ভবার বন্ধু পটলার আবৃত্তি, হনুমান সংঘের সভাপতি এবং মুগবেড়িয়ার বিশিষ্ট কুস্তিশিক্ষক বজ্ৰধর সাঁপুইয়ের বক্তৃতা, বজ্রধরবাবুর ছোটছেলে পিনাকপাণির গিটারবাদন এবং সবশেষে ভবার বক্তব্য।

    এরকম একটা ঘটনা যে গ্রামে ঘটে সেখানে তাই দেখবার জন্য লোকের অভাব হয় না। মুগবেড়িয়াতেও হল না। অন্য অনেকে এই ঘটনাকে তুচ্ছ মনে করতে পারেন, কিন্তু মুগবেড়িয়ার মানুষ এটাকে কিছুতেই তুচ্ছ মনে করতে পারলেন না। ভবা তার বক্তব্য রাখতে উঠে বলল, “আপনারা যাঁরা খবরের কাগজ পড়েন, টিভি দেখেন তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন জনগণকে কোনও কথা জানাতে হলে দেশের নেতারা সভা করেন। কেউ কেউ প্রেসের লোকদের ডেকে নিজেদের বক্তব্য জানান। আমার কাছে মুগবেড়িয়ার জনগণই আসল জনগণ। তাঁরাই আমার প্রেস। আমি মোটে সাতবার মাধ্যমিকে ফেল করেছি। তাই নিয়ে অনেক ঠাট্টা রসিকতাও শুনেছি। আপনারা জানেন, ব্যর্থতাই সাফল্যের সিঁড়ি তৈরি করে দেয়। যারা ভূগোল পড়েছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই নেপোলিয়নদার কথা জানেন। আমাদের খেলোয়াড় দাদারা বাইরে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। কিন্তু তাই বলে কি খেলা ছেড়ে দিয়েছেন? আমি যে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, সেটা কোনও হতাশা থেকে নয়। যাঁদের কথা আমি আগে বলেছি, তাদের পক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থের অভাব নেই। আমার ক্ষেত্রে হয়েছে। মাই ফাদার জানিয়েছেন, তাঁর এখন নো-মানি অবস্থা। তাই আমি ব্যবসায় মন দিচ্ছি। আগামীকাল থেকে আমার দোকান ‘মুগবেড়িয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার’ চালু হচ্ছে। পড়াশোনার ব্যাপারে কোনও সাহায্য গ্রামবাসীদের কাছ থেকে পাইনি। একজন শিক্ষিত বাঙালি ব্যবসায়ীকে সফল করার জন্য বাজারের থলি হাতে আমার দোকানে এগিয়ে আসুন।”

    সভার শেষে ভবার স্কুলের ইতিহাসের মাস্টারমশাই এগিয়ে এসে ভবাকে বললেন, “তোকে তো স্বয়ং সরস্বতীও পাশ করাতে পারবে না। নেপোলিয়নের কথা বলতে গিয়ে ভূগোল পড়ার কথা বললি কোন আক্কেলে?”

    ভবা একটু হেসে বলল, “স্যার আমার আক্কেলটা একটু বেশি ডিপ বলে আপনারা চিরকাল ফেল করিয়ে এসেছেন। নেপোলিয়ন বললেই তাঁর রাজত্ব, দেশ, দেশের ভৌগোলিক সীমা, দেশের জলহাওয়া এগুলো তো আসবেই। এসবই তো ভূগোলের ব্যাপার। ভূগোল আর ইতিহাস দুটো তো যমজ ভাইয়ের মতো।”

    মাস্টারমশাই রেগে গিয়ে বলেন, “কে বলেছে ওরা যমজ ভাইয়ের মতো?”

    ভবা অম্লান বদনে উত্তর দেয়, “তাই যদি না হবে তা হলে আমাদের স্কুলে চিরকাল ইতিহাসের পরেই কেন ভূগোল পরীক্ষা থাকত। ওটার তো অদলবদল হত না। যেমন মেন সাবজেক্টগুলোর মধ্যে অঙ্ক হচ্ছে কাঁটাওলা মাছ। সেইজন্য ওটা শেষ পাতে দেওয়া হয়। ওই পরীক্ষা প্রথমদিন হয় না। ঠিক ক্রিকেটের কুম্বলে। প্রথম ওভারে আসে না। স্যার, পরীক্ষায় ফেল করতে পারি, কিন্তু পড়াশোনার ব্যাপারে আমার স্টাডি কিছু কম নয়।”

    মিনিটখানেক ভবার দিকে তাকিয়ে থেকে মাস্টারমশাই হনহন করে বাড়ির দিকে রওনা দিলেন। মুগবেড়িয়ার মানুষজন নানা কারণেই ভবাকে বিলক্ষণ চেনে। ভালও বাসে। আবার অনেকে ভবাকে এড়িয়ে চলে। অনেককাল থেকেই ভবার খেলার সঙ্গী, পথের সঙ্গী এবং তার ভালবাসার পাত্র-পাত্রী হচ্ছে মুগবেড়িয়ার কুকুর। ভবা যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে কোথাও যায় তখন ওর আগে-পিছে ওরই সঙ্গে হেঁটে যায় গোটা বিশ-পঁচিশ কুকুর। ভবা একটা ঘরে খাটের ওপর শোয়, সেই ঘরের ভেতরে এবং ঘরের বারান্দায় প্রায় পঁচিশ-তিরিশটা কুকুরও শুয়ে থাকে। ভবার মা এবং পিসি, এমনকী বউদিদের প্রবল আপত্তিতেও ভবা কুকুরছাড়া হতে রাজি না হওয়ায় ভবার ঘরটাই আলাদা করে দেওয়া হল। মল্লিকবাড়ির ফটক দিয়ে ঢুকলেই ভবার ঘর। তারপর উঠোন। উঠোনের ওপারে অন্যদের ঘর। ভবার ঘরের সঙ্গে মূল বাড়ির যোগাযোগ খুবই সামান্য। ভবার বাবা আশুতোষবাবু শুধু বলেন, “একদিক দিয়ে ভালই হল। যে বাড়িতে পঁচিশটা কুকুর আছে সেই বাড়িতে চোর কেন, ডাকাতও ঢুকবে না।”

    ভবার মা ভবার প্রতি একটু বেশি স্নেহশীলা। বাড়ির বউরা শাশুড়ির আড়ালে বলে, “মা’র যত আদিখ্যেতা। ছেলের সঙ্গে সঙ্গে কুকুরদের জন্যও খাবার পাঠায়। অত কুকুর তো কম গেলে না।”

    ভবার মা ছেলের বউদের বলেন, “তোমরা ভবাকে অত দূর দূর ছাই ছাই কোরো না। ভবা আমার ছেলে ভাল। মনটা পরিষ্কার।”

    কোনও এক বউদি টিপ্পনী কেটে বলে, “মাথাটা যদি একটু পরিষ্কার থাকত তা হলে পাশ টাস করে চাকরি করলে সংসারের রোজগার বাড়ত।”

    লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মা বলেন, “সে তো আর কপালে নেই। সাত বছর বয়সে টাইফয়েড হল। যমে-মানুষে টানাটানি। সেই থেকেই ওর মাথাটা গেল। এখন খালি অপেক্ষা কবে ভবা পুরো পাগল হয়।”

    শাশুড়ির কথা শুনে বউদের চোখগুলো গোল গোল হয়ে গেল। এক বউ বলল, “সে কী! ভবা ঠাকুরপো কি আরও পাগল হবে? এখনই তো হাফ পাগল আছে।”

    ভবার মা বলেন, “হাফে হবে না বউমা। ওকে যে পুরো হতে হবে। এটাই বংশের নিয়ম।”

    ভবাদের বংশে নাকি নিয়ম আছে তিনপুরুষে একজন করে পাগল হবে। ভবার ঠাকুরদা চাকরি থেকে রিটায়ার করার বছর দুই আগে পাগল হয়েছিলেন। সরকারি অফিস বলে চাকরি যায়নি। ওই অবস্থাতেই দিব্যি কাজ চালিয়ে গেছেন। রিটায়ার করার পর আর তো কোনও বন্ধন রইল না, তাই পুরো পাগল হতে আর কোনও অসুবিধে হল না।

    ভবার ঠাকুরদা প্রাণতোষ মল্লিক, দ্বিতীয় পুরুষ ভবার বাবা আশুতোষ মল্লিক। উনি পাগল নন। তাঁর সন্তানরা তৃতীয় পুরুষ। অতএব, এবার ভবার পালা। বংশের যে ট্র্যাডিশন সাতপুরুষ ধরে চলে আসছে সেটা তো কাউকে না কাউকে রক্ষা করতেই হবে।

    সাতপুরুষ আগে গঙ্গাসাগর-ফেরত এক জটাধারী সাধু এই মুগবেড়িয়ার বাড়িতে এসে হোম-যজ্ঞ করে এই কথা জানিয়ে গিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশের সেই সাধুর কথা ব্যর্থ হয়নি। যেহেতু ব্যর্থ হয়নি তাই মল্লিকবাড়ির পূর্বপুরুষরা উইল করে গেছেন, যে পাগল হবে সে ঈশ্বরের কৃপায় পাগল হবে। তাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা চলবে না। গৃহদেবতার মতো সম্মানের সঙ্গে সংসারে রাখতে হবে।

    ভবার ঠাকুরদা চাকরি করতেন টেলিফোন অফিসে। রিটায়ার করার পর যখন পুরো পাগল হলেন তখন তার একমাত্র কাজ ছিল, স্বর্গে টেলিফোন করে ঠাকুর-দেবতাদের সঙ্গে গল্প করা। তিনি একটা খাতায় স্বর্গের আইএসডি কোড লিখে রেখেছিলেন। সেই খাতা এখন ভবার দখলে। ভবা মাঝে-মধ্যে সেটা উলটে-পালটে দেখে। ওই খাতায় নাম্বারগুলো লেখা আছে এইভাবে, ‘Kailas’ নাম্বার 0, 11, 1, 9, 12, 1, 19. Narak, নাম্বার 0, 14, 1, 18, 1, 11 এই নম্বরগুলো কী হিসাবে লেখা হত তার সূত্রটাও খাতাতে ছিল। যেমন ইংরেজিতে কৈলাস লিখলে লিখতে হবে, কে.এ.আই, এল.এ.এস। এবার ‘কে’ হচ্ছে ইংরেজি বর্ণমালার এগারো নম্বর, ‘এ’ হচ্ছে এক নম্বর, ‘আই’ হচ্ছে নয় নম্বর, ‘এল’ হচ্ছে বাৱো নম্বর, আবার ‘এ’ অর্থাৎ এক নম্বর, আর ‘এস’ হচ্ছে উনিশ নম্বর। এই নম্বরগুলোর আগে শুধু একটা শূন্য বসাতে হবে। এই হিসাবে ডায়াল ঘোরালে স্বর্গের সবার সঙ্গেই নাকি কথা বলা যায়। ভবার ঠাকুরদা প্রাণতোষ মল্লিক ওই স্বনির্মিত টেলিফোন থেকে বলতেন, “হ্যালো কৈলাস। কে নন্দীদা! একটু বাবাকে দিন না। আমি মুগবেড়িয়া থেকে প্রাণতোষ কথা বলছি। হ্যালো বাবা, এদিকে তো বৃষ্টিতে ফসলের বেজায় ক্ষতি হচ্ছে। বরুণদাকে একটু বলুন, রয়ে সয়ে কাজটা করতে। আপনি কেমন আছেন? অষ্টমীতে আমাদের মুগবেড়িয়ার প্যান্ডেলে আসছেন তো? ছেড়ে দিচ্ছি, পরে কথা হবে।” কখনও ডায়াল ঘোরাতেন, 0, 14, 1, 18, 1, 11. এটা হচ্ছে নরকের নম্বর। প্রাণতোষ মল্লিক বলতেন, “হ্যালো, নরক, কে গুপ্তদা বলছেন? আচ্ছা, আপনি তো চিত্রগুপ্ত, তো ওটা কোন গুপ্ত, সেনগুপ্ত না দাশগুপ্ত? ও, শুধুই গুপ্ত। মানে বদ্যি। আচ্ছা যমদা কী করছেন? ঘুমোচ্ছেন? অবেলায় ঘুম। আর এদিকে কলেরায় মুগবেড়িয়া সাফ হয়ে যাচ্ছে। দেবতা বলে কি মানবতা নেই? কী ভেবেছেন যমদা। কী হবে? উনি তদন্ত করে দেখবেন? উনি কি মর্তের মন্ত্রী নাকি যে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে দাঁত বার করে মরে যাওয়ার পর তদন্ত হবে। আমার কিন্তু স্বর্গের ওপরমহলে যোগাযোগ আছে। দরকার হলে সেখানে ফোন করব। যমদাকে জানিয়ে দেবেন।”

    প্রাণতোষ মল্লিক তখন পুরোপুরি পাগল। অতএব, তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও লোকে কিছু বলত না। কিন্তু ভবার টেলিফোন করার বাতিক ছিল না। এক সময় ওর হবি ছিল মৃত্যু নিয়ে পরীক্ষা করার। সেই পরীক্ষা করতে গিয়ে একবার গায়ে মাখা সাবান কেকের মতো কামড়ে কামড়ে খেয়ে ফেলেছিল। আর একবার ভবার মনে হয়েছিল পেটটা পরিষ্কার করার জন্য চার ফোটা উজালা খেলে কেমন হয়। তৃতীয়বার ভবা চেষ্টা করেছিল ট্রেনের তলায় ঝাঁপিয়ে পড়ার। কিন্তু রেলপথে অবরোধ থাকার জন্য ট্রেনই আসেনি। এখন অবশ্য সেসব বাসনা নেই। এখন কুকুরদের নিয়ে সে ভালই আছে। তাদের ভাল মন্দ দেখভাল করা আর মুগবেড়িয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার চালানো। এই দোকানে বিচিত্র সব জিনিস বিক্রি হয়। যেমন কাগজে প্যাক করা ঘুঁটে, ছেঁড়া কাপড়, দড়ি, পুরনো খবরের কাগজ, কাঁঠালের বিচি, পাথরকুচি পাতা, পুরনো জুতো। এর সঙ্গে আছে লেড়ো বিস্কুট, লজেন্স, খাতা-পেনসিল, বাঁশের লাঠি, মাছ ধরার মশলা, ঘুড়ির সুতো। মাঞ্জা দেওয়ার জন্য কাচের গুঁড়ো, আরও রকমারি জিনিস। ভবার দোকানে লোক যত আসে খদ্দের তত আসে না। ভবার কাণ্ডকারখানা দেখার লোক আছে কিন্তু কেনার লোক কম। একটা দোকানের ভেতরে-বাইরে যদি নানা সাইজের তিরিশটা কুকুর ঘুরঘুর করে তবে কে আর সেই দোকানে যায়। এরই মধ্যে একদিন এক ভদ্রলোক গাড়ি চালিয়ে যেতে গিয়ে ভবার কুকুরদের মধ্যে একটার পায়ে চাপা দিল। আহত কুকুরের চিৎকারে আরও কুকুর চিৎকার করে গাড়ির পেছনে ছুটতে লাগল। ভবা গাড়ির নম্বর টুকে সোজা থানায়। সঙ্গে ওর সর্বক্ষণের সঙ্গী তিরিশটা কুকুর তো আছেই, কিন্তু থানা পর্যন্ত আসতে আসতে আরও বিশ-পঁচিশটা কুকুর ভবার সঙ্গে জুটে গেছে। ভবার কুকুরগুলোর সকলেরই মোটামুটি একটা নাম ছিল। আহত কুকুরটার নাম ‘ডগলা’। একটা সাইকেল রিকশাভ্যানে ‘ডগলা’কে বিছানা করে ভবা শুইয়ে দিয়েছে। ওই ভ্যানের ওপর আরও তিনটে কুকুর ডগলার শুশ্রূষা করছে। তার আগে আর একটা সাইকেল রিকশাভ্যানে বসেছে ভবা আর পটলা। তাতে মাইক লাগানো। ভবা মাইক হাতে বলে যাচ্ছে, “বন্ধুগণ, আমাদের ডগলা আজ গুরুতর আহত। একজন গাড়িওলা লোক তাকে চাপা দিয়ে তার একটি পায়ের দফারফা করে দিয়েছে। কুকুর বলে কি তার প্রাণের অথবা পায়ের কোনও মূল্য নেই? কুকুর প্রভুভক্ত। বিশ্বাসী এবং সমাজের পাহারাদার। ধর্মরাজ স্বয়ং কুকুরের ছদ্মবেশ ধারণ করে মহাভারতে একেবারে শেষের দিকে পাণ্ডবদের স্বর্গে যাওয়ার পথের সহযাত্রী ছিলেন। তাঁর ভূমিকা উপেক্ষার নয়। আমরা আহত এবং মুমূর্ষু ডগলাকে নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থানায় যাচ্ছি। যত যাচ্ছি ততই আমাদের প্রতিবাদ মিছিলে সারমেয় বন্ধুদের ভিড় বাড়ছে। আপনারা কি আমাদের সঙ্গী হবেন না! আপনার সন্তানের পা যদি গাড়ি চাপায় ভেঙে যেত তা হলে কি আপনি ঘরে বসে থাকতেন? বন্ধুগণ, পশু বলে অবহেলা করবেন না। মানুষকে ভালবাসলে পশুকেও ভালবাসুন।”

    ভবার আবেদনে নাকি ভবার নতুন পাগলামি দেখতে একজন দু’জন করে অনেক লোক এই প্রতিবাদ মিছিলে জড়ো হয়ে গেল। থানার মধ্যে যখন মিছিল ঢুকল তখন লোকসংখ্যা চল্লিশ আর কুকুরের সংখ্যা একশো ছাড়িয়ে গেছে। কী একটা কারণে তখন থানায় উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও এবং স্থানীয় বিধায়ক শক্তিপদ হাজরা। শতাধিক কুকুরের ঘেউ ঘেউ ধ্বনি তার সঙ্গে চল্লিশজন মানুষের চিৎকারে হতচকিত দারোগা, বিধায়ক আর এসডিপিও পরস্পরের দিকে তাকালেন। এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিল এঁরা ইতিপূর্বে কখনও দেখেননি। এসডিপিও কানাই চক্রবর্তী বললেন, “এ কী, এত কুকুর কেন?”

    বিধায়ক শক্তিপদ হাজরা দারোগার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললেন, “ভবাকে আপনি কি কোনও কারণে ঘাঁটিয়েছেন?”

    দারোগাসাহেব সভয়ে উত্তর দিলেন, “আমার চোদ্দোপুরুষের কেউ ওকে ঘাঁটাতে সাহস পাবে না। ও কেন যে কুকুরের মিছিল নিয়ে এল কে জানে?”

    ওঁরা তিনজনেই ভবার কাছে এলেন। শক্তিপদকে দেখে ভবা বলল, “দেখুন শক্তিদা, আমার ডগলার কী করুণ অবস্থা। কেউ একজন গাড়ি চাপা দিয়ে গেছে। আমি গাড়ির নম্বর টুকে রেখেছি। আমাদের দাবি বারো ঘণ্টার মধ্যে গাড়িওলাকে গ্রেফতার করতে হবে।”

    দারোগাসাহেব কী একটা বলতে যাচ্ছিলেন কিন্তু শক্তিপদ তাকে মৃদু একটা ধমক দিয়ে থামিয়ে দিলেন। রিকশাভ্যানের কাছে এসে ডগলাকে দেখলেন। ডগলা তখন বিছানায় শুয়ে পিটপিট করে তাকাচ্ছে। ভবার বন্ধু পটলা তাকে ফিডিং বোতলে করে হরলিকস খাওয়াচ্ছে। মুগবেড়িয়ার ধনঞ্জয় সাহা ঠোঙা থেকে মুঠো মুঠো লেড়ো বিস্কুট বার করে অন্য কুকুরকে খাওয়াতে ব্যস্ত।

    শক্তিপদ ডগলাকে দেখে মুখে সহানুভূতিসূচক শব্দ করলেন। জিভ তালুতে ঠেকিয়ে শব্দ করলে যেমন চু চু একটা শব্দ ওঠে তেমনই শব্দ উঠল। ভবা বলল, “শক্তিদা, অমন চু-চু করলে হবে না। গ্রেফতারের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে আমি পশুক্লেশ নিবারণী সমিতিতে যাব। দিল্লি পর্যন্ত ফোনাফুনি করব। আর আপনার ভোটের সময় আপনার মিটিং-এ দুশো করে কুকুর লেলিয়ে দেব।”

    ভবা ইচ্ছে করলে যে কেমন কাণ্ড করতে পারে সেটা শক্তিপদ বিলক্ষণ জানেন। আর এও জানেন যে, ভবা হচ্ছে মুগবেড়িয়ার বোনাফাইড পাগল। ও যা কিছু করতে পারে। তাই একবার ঢোক গিলে নিয়ে বললেন, “তোর ভাবনা নেই। তোর ডগলা কি আমার ডগলা নয়? বারো নয়, দশ ঘণ্টার মধ্যে গাড়িটাকে ধরতে হবে।”

    এসডিপিও কানাই চক্রবর্তী বেশি নড়াচড়া করতে সাহস পাচ্ছেন না। চোদ্দো বছর বয়সে একটি গৃহপালিত কুকুরের কামড় খাওয়ার পর তলপেটে চোদ্দোটা ইঞ্জেকশনের স্মৃতি আজগু ভুলতে পারেননি। তিনি শুধু বললেন, “এগুলো কোন জাতের কুকুর?”

    ভবা বলল, “আমার কুকুরের কোনও জাতপাত নেই। এরা সবাই রোডেশিয়ান।”

    এবার কানাইবাবুর ঢোক গেলার পালা। তিনি বললেন, “রোডেশিয়ান? সেটা কোন দেশ?”

    ভবা উত্তর দিল, “দেশ নয়, জায়গা। রোডে রোডে মানে রাস্তায় রাস্তায় থাকে বলে ওদের নাম রোডেশিয়ান।”

    একজন হাবিলদার বাহাদুরি দেখাবার জন্য বারান্দার সিঁড়িতে বসা কয়েকটা রোডেশিয়ানকে একটু লাঠি উঁচিয়ে দেখিয়েছিল মাত্র; ব্যস, ঘেউ ঘেউ শব্দে জনা পঞ্চাশেক কুকুর সেই হাবিলদারকে ঘিরে টানাটানি শুরু করে দিল। দারোগাসাহেব বললেন, “ভাই ভবা, ওদের থামাও। লোকটা তো হার্টফেল করবে।”

    ভবা উত্তর দিল, “শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলের ওপর লাঠির আস্ফালন কেন করা হল? ওকে ক্ষমা চাইতে হবে।”

    হাবিলদারের অবস্থা তখন বড়ই করুণ। পালাবার উপায় নেই, লাফাবার শক্তিও শেষ। রোডেশিয়ানরা তার প্যান্ট কামড়ে ধরে আছে। দারোগাসাহেব বললেন, “ভাই ভবা, ওর ক্ষমা চাইবার মতো অবস্থাও নেই। আমি ওর হয়ে ক্ষমা চাইছি। তুমি তোমার চ্যালাদের থামাও।”

    ভবা পকেট থেকে বাঁশি বের করে তিনবার ফুঁ দিতেই কুকুরগুলো হাবিলদারকে ছেড়ে দিল। হাবিলদার সেই যে গিয়ে ঘরে ঢুকে কাঁপতে শুরু করল, সে কাঁপন কখন থেমেছে কে জানে!

    সন্ধ্যা হওয়ার আগেই গাড়ির মালিক ভবার মুগবেড়িয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টারে এলেন। ভবা তখন গোটা তিরিশেক কুকুরকে সামনে বসিয়ে হারমোনিয়ম বাজিয়ে স্বরচিত সংগীত শোনাচ্ছিল। পটলা ভদ্রলোকের পরিচয় পেয়ে বলল, “এখন কথা হবে না। এখন ভবার গান চলছে। একটু অপেক্ষা করতে হবে। রোজ বিকেলে আমাদের এখানে গানের জলসা হয়।”

    ভদ্রলোক বললেন, “কুকুরদের নিয়ে গানের জলসা! এ জিনিস তো আগে কখনও শুনিনি।”

    পটলা ভবার সাক্ষাৎ চ্যালা। ও নিজে ভবার মতো পাগল হওয়ার চেষ্টা করেছিল। এর জন্য মুগবেড়িয়া লাইব্রেরিতে গিয়ে বইয়ের খোঁজও করেছিল কিন্তু পায়নি। পটলার দুঃখ দেখে ভবা নিজেই ‘পাগল হইবার সহজপাঠ’ নামে একটা বই লেখার উদ্যোগ নিয়েছে। পটলা আপাতত সেই বইয়ের অপেক্ষায় আছে।

    ভবার কাণ্ডকারখানা দেখে ভদ্রলোক ঘামতে শুরু করলেন। জলসা শেষ হওয়ার পর পটলা পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলল, “ভবা, ইনি নাকি কুকুরদের নিয়ে গানের জলসার কথা কখনও শোনেননি।”

    ভবা তীক্ষ্ণ চোখে ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে বলল, “শোনেননি কিন্তু গানের সঙ্গে কুকুরের সম্পর্কটা জানেন তো?”

    ভদ্রলোক মাথা নেড়ে বলল, “না, তাও শুনিনি।”

    ভবা বিরক্ত গলায় বলল, “আপনার মশাই চোখও নেই, কানও নেই। হিজ মাস্টার ভয়েস-এর ‘হিজ’টা কে? কতকাল থেকে চোঙার সামনে বসে গান শুনে যাচ্ছে বলুন তো! অমন নিবেদিত শ্রোতা পাবেন?”

    নিজের বিপদ বুঝে ভদ্রলোক আর কথা বাড়ালেন না। কিন্তু ভদ্রলোকের কাছ থেকে ভবা তার ডগলার জন্য একটা পয়সাও নিল না। ভবা বলল, “পায়ের প্লাস্টার এবং পথ্য আমিই জোগাড় করতে পারব। রাস্তার কুকুর, বনের পাখি এই পশুপাখিদের একটু ভালবাসতে শিখুন। কেবল নিজের ধান্দা নিয়ে গাড়ি হাঁকানো চলবে না। জীবে প্রেম বোঝেন তো? জীব শুধু আমি-আপনি নই।”

    কথা শেষ করে এক ঠোঙা বিস্কুট ভদ্রলোকের হাতে দিয়ে বললেন, “বাড়ি নিয়ে যান। আমার ভাইপো-ভাইঝিদের দেবেন।”

    ভদ্রলোক কোনও প্রতিবাদ করতে পারলেন না। ঠোঙাটা নিয়ে চলে যেতে যেতে ভাবলেন, এই ভবা সত্যি পাগল, না কি অন্যরকম মানুষ।

    নিজের গাড়িতে ওঠবার আগে দেখলেন ভবা তার সঙ্গীদের নিয়ে গাড়ির দিকে আসছে। ভদ্রলোক মনে মনে প্রমাদ গুনলেন। ভবা গাড়ির কাছে এসে বলল, “ডগলার পায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে বুঝলাম মুগবেড়িয়াতে পশুদের জন্য কোনও হাসপাতাল নেই। তাই আগামীকাল থেকে হাসপাতালের জন্য আমার আন্দোলন শুরু হবে। আপনিও আসবেন এবং যথাসাধ্য সাহায্য করবেন। আসবেন তো?”

    ভদ্রলোক ঘাড় নাড়তে নাড়তে বললেন, “আসব।”

    দোকানে ফিরে আসার পর পটলা বলল, “ভবা, আবার আন্দোলনে নামলে ‘পাগল হইবার সহজপাঠ’টা কবে লিখবি। আমার তো বয়েস বেড়ে যাচ্ছে। বুড়ো বয়সে পাগল হয়ে কী হবে?”

    ভবা একটু ভেবে বলল, “আন্দোলন করতে গিয়ে যদি জেলে যাই তা হলে জেলে বসে বইটা লিখে ফেলব।”

    পটলা অবাক গলায় বলল, “জেলে! ওখানে কি লেখা হবে?”

    ভবা চটপট উত্তর দিল, “কেন হবে না? লেখাপড়ার সবচেয়ে ভাল জায়গা হচ্ছে জেল। কাগজে পড়িস না, বড় বড় নেতারা বলেন, ওই বইটা আমি জেলে বসে পড়েছি। অমুক প্রবন্ধটা আমি জেলে বসে লিখেছি। জেলই হচ্ছে লেখা ও পড়ার আসল জায়গা।”

    পটলা মনে মনে কিছু একটা ভাবল। তারপর বলল, “তুই তো কুকুর ছাড়া জেলেও যাবি না। তাই তোকে যদি জেলে না নেয়?”

    ভবা বলল, “আমাদের তো অবস্থান ধর্মঘট। অতএব, ওখানে বসে বসে লিখব।”

    ভবার কথার নড়চড় নেই। প্রথমে দিল্লিতে চিঠি পাঠাল। সব চিঠিতে ভবার একই সম্বোধন, “শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রী জেঠু, আমি মুগবেড়িয়ার ভবতোষ মল্লিক অর্থাৎ ভবা বলছি।” এইভাবে শুরু করে শেষে লেখে, “জেঠু, এদিকে কোনও কাজে এলে আমার দোকান মুগবেড়িয়া ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টারে একবার জুতোর ধুলো দেবেন। পদধূলি আর কোথায় পাব। সবাই তো জুতো পরে থাকেন। তাই জুতোধূলিই কাম্য।”

    এইভাবেই রাজ্যের মন্ত্রীদের কাছেও চিঠি দিয়ে ভবা তার দাবি জানাল। যথারীতি কোনও দিক থেকেই উত্তর এল না। তারপর শুরু হল পোস্টার। পথসভা। পথসভায় লোক জমার পর ভবার অনিবার্য ঘোষণা, “কেউ সভা ছেড়ে গেলে কুকুর কামড়ে দেবে। তার জন্য ভবা সংগ্রাম কমিটি দায়ী থাকবে না।” এর পরেই বিধায়ক শক্তিপদর বাড়ির সামনে ভবা, পটলাসহ জনাদশেক মানুষ আর তিনশো কুকুরের ধরনা শুরু হল। খবর পেয়ে শক্তিপদ পেছনের দরজা দিয়ে পালাতে গিয়ে দেখেন সেখানেও গোটা বিশেক কুকুর ঘুরঘুর করছে। পালাবার সব পথই বন্ধ।

    আর এদিকে শক্তিপদবাবুর বারান্দায় বসে ভবা একমনে লিখে চলছে তার স্বপ্নের গ্রন্থ, ‘পাগল হইবার সহজপাঠ’।

    লেখা এখনও চলছে। লেখা শেষ হলে পটলার মতো আমিও বলতে পারব পাগল হওয়ার সহজ উপায়টা কেমন।

    ১৭ মে ২০০০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }