Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জগু যাবে বেড়াতে – বাণী বসু

    জগু যাবে বেড়াতে – বাণী বসু

    জগু যাবে বেড়াতে, সঙ্গে যাবে কে? / সঙ্গে যাবেন নিবারণদা স্যার, অন্য আবার কে?— জগু আর নিবারণদার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা নিশ্চয়ই সবাই জানো। জগু হল এক উদীয়মান বৈজ্ঞানিক। গোবরের সঙ্গে মিউরিয়্যাটিক অ্যাসিড, তার মধ্যে ঘুমের ওষুধ (পিসিমার দপ্তর থেকে হাতানো) আরও কী কী সব গুলে সে এক সাংঘাতিক জৈব-রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি করে। আমেরিকা বা ইরাক, আলফা বা আলকায়দা যে কেউ সন্ধান পেয়ে গেলে প্রলয় হয়ে যাবে, এই যুক্তিতে নিবারণদা স্যার অনেক কষ্টে তাকে অস্ত্রটি রাস্তার নর্দমার ধারে ফেলে দিতে রাজি করান। সেই নর্দমা এখনও সাদা হয়ে আছে। জগু তারপর দিনতিনেক ভাল করে খায়নি দায়নি। কিন্তু পরে সেটা সামলে নিয়েছে, কারণ জৈব-রাসায়নিক অস্ত্রের অসংখ্য ফরমুলা তো তার মাথার মধ্যেই গিজগিজ করছে। নামিয়ে নিলেই হল। কিন্তু প্রলয় বা পৃথিবীময় লোকক্ষয়ের কারণ হতে চায় না সে। আর যে লোকক্ষয় করুক, সে বিবেকী, সে করবে না।

    নিবারণদা এইভাবে বিজ্ঞানী জগুর মধ্যে বিশ্ববিবেকী জগুকে জাগিয়ে তুলেছেন। সে এখন ব্রহ্মাস্ত্র ছেড়ে ব্রহ্মান্ন আবিষ্কারের দিকে মন দিয়েছে। না, ব্রহ্মাণ্ড নয়, ব্রহ্মান্ন। সারা পৃথিবীর লোকে অল্প দামে প্রচুর ক্যালরিঅলা খাদ্য পাবে, এটাই সে চায়, সে অন্নপূর্ণ হতে চায়, ব্রহ্মা-বিষ্ণু নয়। এর ফলে রান্না ও ভাঁড়ার ঘর থেকে, ফ্রিজ থেকে রান্না করা ও নামকরা নানাবিধ খাদ্যবস্তু হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। মাসের মাসকাবারি বা বাজার খরচের হিসেব মিলছে না। বাড়ির কাজের লোকদের সন্দেহ করা হয়েছিল প্রথমে, তারা নির্দোষ প্রমাণিত হয়। পিসিমা ভূতের ভয় করছিলেন, মা প্রথমটা হকচকিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু অতঃপর যথারীতি জগু মহারাজকেই সন্দেহের খাতায় তুলেছেন। সন্দেহটা সত্যি, জগু জানে, তবু সে মাকে একচোখা ও সন্দেহপরায়ণ বলে থাকে এবং এই সূত্রে পিসিমার ও মা’র একটা কম্পেয়ার ও কনট্রাস্ট চট করে খাড়া করে ফেলে।

    পিসিমা জগুকে ভালবাসেন, মা বাসেন না।

    পিসিমা জগুকে বিশ্বাস করেন, মা করেন না।

    পিসিমার জগুর প্রতিভায় আস্থা আছে, মায়ের নেই।

    পিসিমা বরং ভূতের কথা ভাববেন, তবু জগুকে চোর সন্দেহ করবেন না।

    মা বরং জগুকে ভূত সন্দেহ করবেন, তবু ভূতকে চোর ভাববেন না।

    কম্পেয়ার কনট্রাস্টের লিস্টি মস্ত বড়। ফুলস্ক্যাপ কাগজের একপাতা ছাড়িয়ে যায়। সেটি সে যথারীতি নিবারণদা স্যারের দরবারে পেশ করেছিল। পড়েটড়ে নিবারণদা গম্ভীরভাবে বললেন, “হুঁ।”

    জগু অনেক আশার সঙ্গে অপেক্ষা করে আছে। নিবারণদা আকাশের দিকে চোখ তুলে বললেন, “হবে, মহাপ্রভু হবে, তোমার হবে, এবার বেশ করে একখানা প্রিয়দর্শী অশোক আর মহামতি আকবরের কম্পেয়ার-কনট্রাস্ট লিখে ফেলো দেখি! বুঝতেই পারছ আকবর-শেরশাহ বা আকবর-ঔরংজেব এসব তুচ্ছ ব্যাপার, অনবরত ছেলেরা লিখে লিখে এমন মুখস্থ করে ফেলেছে যে! কিন্তু অশোক-আকবর একটা আনকমন কম্বিনেশন, তুমিই বলো, ঠিক বলেছি কিনা! এটার জন্য একস্ট্রা মগজ লাগবে।”

    জগু মুখ গোমড়া করে শুনছিল, এবার সে ঝেঁঝে ওঠে। “একটা টাস্ক করে আনলুম তো আপনি আবার আর একটা টাস্ক দিয়ে দিলেন! কত খাটুনি বলুন তো!”

    “আহা! মা-পিসিমাটা করতে তো আর তোমায় তেমন খাটতে হয়নি, মাথাতেই ছিল, ধোঁয়াচ্ছিল, তুমি তাকে নামিয়ে সলিড স্টেটে এনে ফেলেছ। এটাকে আমি আদৌ খাটুনি বলে মানতে রাজি নই।”

    জগু ঠোঁট গোল করে বলল, “আপনি এটাকে সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না, তাই বলুন না স্যার। আপনার আর কী? আপনার তো আর মা-পিসিমা নেই যে, কম্পেয়ার-কনট্রাস্ট করতে কত খাটুনি জানবেন!” জগুর অভিমান হয়েছে।

    নিবারণদা ঠোঁটে আঙুল রেখে বললেন, “শ্‌ শ্‌ শ্‌। সব আছে, সব আছেন। মা, পিসিমা, বাবা, কাকা, দিদিমা, দাদু— যে যেখানে থাকে সব। আমারও অভিজ্ঞতা নেহাত কম নয়। কিন্তু তুমি করবেটা কী বলো! কী করতে পারো? বাবাকে যেরকম বশীকরণ করতে গিয়েছিলে, সেইরকম কিছু? করতে গিয়ে তো তোমার টাইফয়েড না নিউমোনিয়া কী একটা হয়ে গেল, মনে নেই?”

    পুরনো কথা মনে করতে জগুর একদম ভাল লাগে না। যখন ছোট ছিল, তখন সে অনেক দিকেই তার সুপ্ত প্রতিভার শুঁড় বাড়িয়ে দিয়েছে। সব জায়গায় তো ফল হয়নি, হতেই পারে না। মারি কুরি কতবার চেষ্টার পর রেডিয়াম আবিষ্কার করেছিলেন? তা ছাড়া বশীকরণ, মারণ উচাটন নিয়ে যে এক্সপেরিমেন্টটা করেছিল, তাতে সাময়িক ফলও কি হয়নি? বাবা কি বশীকৃত হয়ে যাননি? মা? তার অসুখের সময়ে কি সে মা-বাবার অন্য মূর্তি দেখেনি? কিন্তু ওসব পুরনো দিনের ওষুধবিষুধে আজকাল আর তেমন কাজ দেয় না। অ্যান্টিবায়োটিকের যুগে কি আর হোমিয়োপ্যাথির মিষ্টি বড়ি চলে? এখন বৈজ্ঞানিক পন্থা আবিষ্কার করতে হবে। উদ্ভাবন। সেই ব্যাপারেই সে নিবারণদার সাহায্য চায়। কেননা, নিবারণদা একটু ভুলো হলেও মাথাটা খোলতাই।

    নিবারণদাকে মনে আছে তো? সেই যিনি ধুতির মধ্যে শার্ট গুঁজে, টাই পরে, দু’পায়ে দু’রকম চটি পরে ঢিকিতং ঢিকিতং করে ক্লাসে ঢোকেন অর্ধেক দিন আর ধুতির কোঁচা দিয়ে বোর্ড মুছে সেই কোঁচা দিয়ে মুখ মুছে ভূত হয়ে যান। সেই নিবারণদা যিনি ‘চিতপটাং’ শব্দের মানে বুঝতে তক্তপোশ থেকে তোশক সরিয়ে দিয়ে অনবরত চিত আর সোজা হচ্ছিলেন এবং পটাং আওয়াজ শুনতে না পেয়ে শব্দটাকে ‘ব্যাকরণের ভুল’ বলে রায় দিয়েছিলেন। সেই নিবারণদা যিনি কোটের পকেটে দানাদার ভরে সভায় গিয়ে খুব বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলেন, কেননা লক্ষ লক্ষ সুড়সুড়ি পিঁপড়ে তাঁকে কাতুকুতু দিয়েছিল। এবং সেই নিবারণদা, যিনি পিটসবার্গ না কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে, সুট-কোট সব কিনেও, স্কুলের ফেয়ারওয়েলে নিজের সম্পর্কে রাশি রাশি প্রশংসা শোনবার পরেও জগুর মতো মহাপ্রভু ছাত্রদের লোভে শেষ পর্যন্ত বিদেশের চিঠিফিঠি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন।

    এবার ব্যাপারটা তোমাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে আশা করি।

    জগু খুব ভদ্র ছেলে। সে এত্তখানি জিভ কেটে বলল, “কিছু মনে করলেন না তো স্যার? আপনার মা-পিসিমাদের আমি না করে দিচ্ছিলুম।”

    নিবারণদা একগাল হেসে বললেন, “তাই কখনও করি? আমি এখানে একলা ঘরে রাজ্যের টিকটিকি আর জোমেট্রি অ্যালজেব্রা নিয়ে ঘর করি। তুমি কী করে জানবে মহাপ্রভু যে, আমি মা-পিসিমাঅলা? ও সব ঠিক আছে। এখন তুমি কী করতে চাও বলো এ ব্যাপারে?”

    অনেকক্ষণ গালে হাত দিয়ে ভাবল জগু। আঙুলে হাতের পাতায় কীসব অঙ্কটঙ্ক কষল। তারপর বলল, “বাড়ি থেকে পালানো ছাড়া তো আর কিছুই ভেবে পাচ্ছি না স্যার। আমি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। আপনি ওয়চ করুন।”

    নিবারণদা চোখ পিটপিট করে অনেকগুলো আঙুল মটকে ফেললেন। বললেন, “ওয়চ করে?”

    “যদি ফল ভাল হচ্ছে দেখেন তো আমায় গ্রিন সিগন্যাল দেবেন। আমি এসে পড়ব।”

    “আর যদি লাল সিগন্যাল দিই?”

    “তা হলে ডুব!”

    “কিন্তু মহাপ্রভু, কোথায় সেই জায়গা যেখান থেকে তুমি সবুজ সংকেত, লাল সংকেত সব দেখতে পাবে? কোথায় জায়গাখানা?”

    “আপনার এখানেই আমার হয়ে যাবে স্যার। যদি আপনি অ্যালাও করেন। দিনের বেলায় তক্তপোশের তলায় শুয়ে থাকব। ইট দিয়ে একটু উঁচু করে দেবেন তক্তপোশটা, আর রাত্তির হলে স্কুলের বাগানে ঘুরে বেড়াব।”

    “বাঃ, চমৎকার। আর তোমার ইস্কুল? পড়াশোনা?”

    “ইস্কুল যাব না আর পড়াশোনাটা আপনার কাছে করব, নিশুতি রাতে।”

    “তার মানে তুমি আমার রাত্তিরের ঘুমটা মাটি করতে চাইছ? না, না, মহাপ্রভু, ওটা কোরো না। তা হলে আমার মাথাটা আর মাথা থাকবে না, ভোঁতা হয়ে যাবে। ভোঁতা, ফালতু রামদা একখানা। তুমি কি সেটা চাও?”

    “না, স্যার কখনওই না,” মনে মনে জগু বলল, ‘এতেই দু’পায়ে দু’রকম চটি পরছেন, তখন তা হলে এক চটি পায়ে আর এক চটি হাতে পরবেন। ও রিসকের মধ্যে আমি যাচ্ছি না।’

    সে বলে, “বেশ তা হলে আপনি দরজা বন্ধ করে চলে যাবেন, আমি আপনার রান্না ভাত খেয়ে বসে বসে সব হোম টাস্ক করে ফেলব, একেবারে আপ-টু-ডেট। আপনি সন্ধেবেলায় দেখে দেবেন।”

    হ্যাঁচ্চো করে একটা হাঁচি হেঁচে তারপরই বিষম কেশেটেশে নিবারণদা বললেন, “আমার রান্না ভাত? সন্ধেবেলায় দেখে দেব? তুমি তো আচ্ছা ফ্যাসাদেই আমায় ফেললে হে! সকাল-বিকেল যে ছাত্র পড়তে আসে তাদের কোথায় পড়াব?”

    “বাগানে পড়াবেন স্যার, শান্তিনিকেতনের মতো, অত বড় বাগান ইস্কুলের!”

    “বাগানে? উঃ তোমার মাথাখানা মহাপ্রভু। একেবারে লাখে এক! কিন্তু সকালবেলায় যেমন যেমন, সন্ধেবেলায়? তখন তো অন্ধকার মশা!”

    “স্যার, আপনি বড় আরামকুঁড়ে স্যার। সন্ধেবেলায় লণ্ঠন নেই? মশার মলম নেই? বিকেল বিকেল গাছের তলায় একটু গন্ধক পুড়িয়ে দিলেও তো হয়। আর, তা ছাড়া ক’দিন না হয় আপনি নাই পড়ালেন স্যার!” এই জায়গায়ও জগুর ঠোঁট আবার গোল হয়ে যায়। সে অভিমান করেছে।

    “আহা হা, ব্যাপারটা ভাল করে বোঝো, বুঝে নাও। আরে বাবা ছেলেগুলোর অনেকেই তো পড়ানো বন্ধ করলে গাড্ডু খাবে আসন্ন এগজামিনে।”

    “খাক না, মাথামোটাদের তো গাড্ডু খাওয়াই উচিত।”

    “কথাটা তুমি বলেছ একরকম ঠিকই। কিন্তু আর একটা দিকও তোমার ভেবে দেখা উচিত। হঠাৎ যদি পড়ানো বন্ধ করে দিই, সন্দেহ তো ঘনীভূত হবে। পুলিশে তোমার গৃহত্যাগ বলো গৃহত্যাগ, তুমি-চুরি বলো তুমি-চুরির খবর যাবে। পুলিশ খোঁজতল্লাশ করতে করতে খবর পাবে— এরকম একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। নিবারণ মাস্টার আর পড়াচ্ছে না। দুয়ে দুয়ে চার হয়ে যাবে মহাপ্রভু, সন্ধেয় নিঝঝুমে সারি সারি মুখ জানলায়। পুলিশের স্পাই। তারপরে আর কী! জগুর মাস্টার শ্বশুরবাড়ি। হাতে কড়া, কোমড়ে দড়ি! সেটা কি তুমি চাও?”

    এইবার জগুব রাগ হয়ে যায়। নিবারণদা স্যারকে কোমরে দড়ি বেঁধে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে এ-দৃশ্যটা তার আদৌ ভাল লাগেনি বলে দুশ্চিন্তার চোটে রাগটা একটু বেশিই হয়ে যায়।

    “কী তখন থেকে ‘সেটা কি তুমি চাও’ ‘সেটা কি তুমি চাও’ করে যাচ্ছেন স্যার। আমি কিছু চাই না। আমি শুধু বাড়ি থেকে পালাতে চাই।”

    “আর গ্রিন সিগন্যাল, রেড সিগন্যাল?”

    “দরকার নেই, চাই না।”

    “ইস্কুল? পড়াশোনা? ক্লাসে ফাস্ট? তারিণীমোহন গোল্ড মেডেল? থ্রি চিয়ার্স ফর?”

    “কিচ্ছু দরকার নেই। ফার্স্টটার্স্ট নুটু হোকগে যাক।”

    “কিন্তু ফার্স্ট হলেও তো তারিণীমোহন আর থ্রি চিয়ার্সটা ওরা পাচ্ছে না। সে-ধরনের রেকর্ড পারফরম্যান্স তো ওদের নেই।”

    “নাই থাকুকগে। কে কী পেল, তাতে আমার ভারী বয়েই গেল। আমি ভবঘুরে হয়ে যাব।”

    “নাঃ, তুমি একেবারে মরিয়া হয়ে গেছ দেখছি। দেখি আমাকে একটু ভাবতে দাও।”

    আঙুল তুলে জগু বলে, “এক ঘণ্টা, এক ঘণ্টা সময়, তার মধ্যে ভেবে ফেলতে হবে। নইলে…” বলে জগু উঠে পড়ল। একটু ঘুরেঘেরে আসা যাক। ভবঘুরে হওয়ার ঠিক আগেটায়।

    স্যারের ঘর থেকে বেরিয়ে জগু স্কুল-বাগানে অনেকক্ষণ উদাস মনে ঘুরে বেড়াল। চিরদিনের মতো চলে যাওয়ার আগে সব একটু দেখে নেওয়া যাক। এই বাগান তার কত যে প্রিয়! তার ছোটভাই প্রচণ্ড পরাক্রমশালী গজু যখন রেগেমেগে তাকে খোঁজে, হয়তো কোনও সামান্য কারণে অসামান্য রেগে গিয়ে— ধরো, গজুর ড্রয়ারে জগু আরশোলা ভরে রেখেছে আর গজু তাতে হাত দিয়েই গঁদটঁদ উলটে গিয়ে বইখাতা সব আঠা আঠা হয়ে গিয়ে একেবারে যাচ্ছেতাই। গজু বুঝছে না তার আরশোলার ভয় কাটাবার জন্যে, আর তাকে সাবধান যত্নশীল হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার জন্যেই তার দাদা এই কাজটা করেছে! সে দাদাকে খুঁজছে, একবার পেলে ভীমের গদার মতো গজু তালপাতার সেপাই জগুকে শুইয়ে দেবে— সে এক ভয়াবহ ব্যাপার। কাজেই জগুকে লুকোতে হবে। তা সেই জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো সময়টা সে তো স্কুলের বাগানেই কাটাতে পছন্দ করে। গজু আর সে যেদিকেই যাক, ইস্কুলের আওতা থেকে একবার বেরিয়ে আবার সেই জায়গায় আসতে মোটেই পছন্দ করে না। জগু সারা বিকেল সারা সন্ধে এই বাগানের ঝুপসি গাছপালার মধ্যে চুপটি করে বসে থাকে। মশার মলম তার সঙ্গেই থাকে, আর তার কিছু দরকার হয় না। এই সময়টা সে ধ্যান প্র্যাকটিস করে। তারপর রাত আটটা সওয়া আটটা বাজলে বুক ফুলিয়ে বাড়ি ফেরে। হাতে একগাদা খাতা, পকেটে গোঁজা পেন। পিসিমা যথারীতি দরজায় দাড়িয়ে থাকেন, “কী রে জগু, এত দেরি?”

    “পড়তে পড়তে দেরি হয়ে গেল। অঙ্কটাও মিলবে না, আমিও সেটা করে ছাড়ব।” জুতো খুলতে খুলতে হেলাফেলায় জগু বলতে থাকে।

    “গজুর ড্রয়ারে আরশোলা ভরে রেখেছিল কে?” মাতৃদেবী ঠিক পেছনে এসে দাঁড়ান।

    “আরশোলা? ড্রয়ার? মানে?”

    “মানে? মানে আবার কী? ড্রয়ার খুলতেই একগাদা আরশোলা ফরফর করে উড়ে…,ছেলেটার বাঁ পাটা একেবারে মচকে গেছে।”

    “ইশশশ্‌!” জগু ভীষণ দুশ্চিন্তিত হয়ে পড়ে, “মচকে গেছে? ঠিক জানো ভাঙেনি? আরশোলাকে যে ওর অত ভয় কীসের?”

    “তা যে জিনিসটাতে ভয় পায়, দাদা হয়ে সেটাই তুমি…”

    “দাঁড়াও দাঁড়াও দাঁড়াও দাঁড়াও। ভয় পায়? দাদা হয়ে? মা, তুমি কী বলতে চাইছ?”

    “বলতে চাইছি ড্রয়ারে আরশোলাগুলো তুমিই ভরে রেখেছিলে। তোমার তো কিছুতেই ঘেন্নাপিত্তি নেই।”

    “তোমাদের মাথাতে আসেও তো মা? আরশোলা যদি ড্রয়ারে থেকে থাকে তো তাদের আমাকেই ভরে রাখতে হবে? ওরা নিজেরা আসতে পারে না? আশ্চর্য তো! আরশোলা কাগজ খেতে প্রচণ্ড ভালবাসে, বইয়ের পাতায় ডিম পেড়ে রাখতে ভালবাসে, এসব কি তুমি জানো না? আমি রোজ আমার ড্রয়ার পরিষ্কার করি ওইজন্যে, তা সত্ত্বেও…”

    মা বলেন, “আঠার শিশির ঢাকনি আলগা করেছিল কে? নিজে নিজে শিশি নিজের ঢাকনা আলগা করেছে?”

    “গঁদের শিশি? ওঃ, গঁদের শিশিও উলটেছে গজু। উঃ, কতবার ওকে বলেছি, কালির শিশি, গঁদের বোতল খুব সাবধানে রাখতে হয়। তা কি ও শুনবে?”

    “ও বলছে, ও টাইট করেই এঁটে রেখেছিল।”

    “আর আমি নিবারণদার কোচিং ক্লাস থেকে ভূতের মতো লম্বা হাত বাড়িয়ে ওর গঁদের শিশির ঢাকনা আলগা করে দিলুম। বাঃ!”

    “কেন ইস্কুল থেকে তুমি বাড়ি ফেরোনি?”

    “কেন ফিরব না? তোমার সামনেই তো লুচি তরকারি খেলুম। আর তারপরই তো কোচিং-এ চলে গেছি।”

    পিসিমা বলেন, “সত্যি কিন্তু, ও জলখাবার খেয়েই বেরিয়ে গেল।”

    আহত দৃষ্টিতে একবার মায়ের দিকে একবার পিসিমার দিকে তাকায় জগু, তারপর দু’-তিন সিঁড়ি টপকে টপকে উপরে চলে যায় গজুকে দেখতে।

    সাবেক নিয়মমতো চুনহলুদ গোড়ালিতে মেখে গজু শুয়ে থাকে। জগুকে দেখে রাগে কেঁদে ফেলে।

    জগু সাবধানে তার হাতের নাগালের বাইরে চেয়ারটা টেনে বসে। পা-টাই গেছে, হাত তো আর যায়নি। সে বলে, “ইশশশ, কাঁদতে আছে? ছেলেদের কাঁদতে নেই রে গজু, কাঁদতে নেই, তার ওপরে তোর মতন একজন বীরম্যান!”

    “বীরম্যানটা আবার কী? নতুন নাম বার করেছিস আবার?” গজু ফোঁস ফোঁস করে।

    “দুর ভাই। ব্যাটম্যান স্পাইডারম্যান-টাইপ নয়। বীর মানে বীর, বীরপুরুষ। আর ম্যান মানে মানুষ,” স্নেহভরে হেসে সে বলে, “এই ধারণাগুলো তোর মাথায় কে ঢোকায় বল তো গজু, আমি আরশোলা ভরে রেখেছি, আমি গঁদের শিশি…”

    “তুই করিসনি?” জলভরা জ্বলন্ত চোখে চেয়ে গজু বলে।

    “তুই যখন বলছিস করেছি, তা হলে হয়তো করেছি। যদিও আমি নিজে ব্যাপারটার কিছুই জানি না।” জগুর ঠোঁট গোল হয়ে যায়। সে অভিমান করেছে।

    সে যাই হোক, এইসব স্মৃতির সঙ্গে ইস্কুলের বাগান জড়িয়ে আছে। ওই পাকুড় গাছ, অশথেরই মতো, কিন্তু পাতাগুলো কালচে আর পাতায় শুঁড় নেই। বা ওই বকুল গাছ, যার তলায় বেদি করা আছে, মনশ্চক্ষে গজু দেখতে পায় বকুলতলায় দুটো ঠনঠনে লণ্ঠন নিয়ে নিবারণদা স্যার বসে আঁক কষছেন। আর চারপাশ থেকে হাঁদারামগুলো ডিঙি মেরে মেরে দেখছে। কী ক্ষতি হত স্যারের ক’দিন বকুলতলায় এমন চমৎকার তপোবন-ক্লাস করলে। নিবারণদা আর মাস্টার বা স্যার থাকতেন না, নিবারণমুনি হয়ে যেতেন। মুনি-ঋষি হওয়াটাও কি একটা লাভ নয়? সে জানে নিবারণদার আসল ভয় তাকে বেঁধে খাওয়ানো। নিবারণদা নিজের রান্না নিজে করেন। তার মানে আর কী! একটা কেরোসিনের স্টোভে ভাতের মধ্যে আলু, পটল, বেগুন, ঢ্যাঁড়স সব ফেলে দেন, তারপর সেদ্ধমতো হয়ে গেলে, সবটা থালায় ঢেলে একদলা মাখন আর নুন দিয়ে খেয়ে নেন। দু’বেলা, তিরিশ দিন, বারো মাস। আর সেইজন্যেই সে তার পিসিমার করা টিফিন নিবারণদাকে দিয়ে নিজে আলুকাবলিটাবলি খেলে নিবারণদা খুব বাধ্য স্যার হয়ে যান। জগুর মা-পিসিমা মাঝে মাঝেই তাঁকে ভুরিভোজ করান। অন্য ছাত্ররাও নানারকম খাবারদাবার নিয়ে আসে।

    “নিবারণদা, পাটিসাপটা খাবেন?”

    “নিবারণদা, ডিমের কচুরি খাবেন?”

    “নিবারণদা, মাংসের ঘুগনি খাবেন?”

    “কেন বলো তো?”

    ওদের ধারণা খাওয়ালে-দাওয়ালেই নিবারণদার ঘুম আসবে। আর সেই ফাঁকে আলগা মগজ থেকে বুদ্ধিগুলো ওদের মাথায় ঢুকে পড়বে। অ্যাত্ত বোকা, অ্যাত্ত বোকা।

    তা নিবারণদা এসব ব্যাপারে কখনও না বলেন না। সোজাসুজি হ্যাঁও বলবেন না, এত চালাক।

    “বলছ যখন! তোমার মা করেছেন বললে? না খেলে আবার কষ্ট পাবেন।” কিংবা “চেখেই দেখা যাক, বাড়ির মাংসের ঘুগনি কেমন হয়। রঘুর ঘুগনি খেয়ে খেয়ে তো পেটে চড়াই পড়ে গেল।”

    “ডিমের কচুরি? এ যে কাঁঠালের আমসত্ত্ব হে। কে বানালেন? দিদা! ও হো হো হো, এঃ, এমন করে সন্দেহ প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। ডিমের সেদ্ধ পোচ, অমলেট ছাড়াও কচুরি হয়, নির্ঘাত হয়?” বলে কচুরিতে কামড় দিয়ে আহ্লাদে একেবারে শিবনেত্র হয়ে যাবেন স্যার।

    “চমৎকার! চমৎকার! দিদাকে বলো গিয়ে তাঁর এই এক্সপিডিশন সাকসেসফুল। হানড্রেড পার্সেন্ট। দিদা যেন এমন এক্সপিডিশন আরও করেন”… ইত্যাদি ইত্যাদি।

    জগু স্যারের চালাকি সব বোঝে। জগুকে বেঁধে খাওয়ানোর কথাতেই স্যার অত ভড়কে গেছেন। ভাবছেন জগু পিসিমার আদরের ভাইপো, না জানি। কী খেতে চাইবে, তিনি পেরে উঠবেন না। তখন জগু খুঁতখুঁত করে শান্তি করবে। স্যার যদি এই ভেবে থাকে, তা হলে তিনি জগুর কিছুই জানেন না। জগু বিরিয়ানি কাবাব খেয়ে পেট বোঝাই করে ফেলতে পারে, আবার পেটে কিল মেরে উপোস করেও কাটিয়ে যেতে পারে। নিবারণদার গলাভাতে তার খুবই লোভ। ভাতে মাখনটা পড়লেই গন্ধটা চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। খাদ্যাখাদ্যের মধ্যে তার একমাত্র অপছন্দ শিঙি মাছের ঝোলে। মায়ের ধারণা সে পেটরোগা, তাই তাকে প্রায়ই এটা খেতে হয়। যাকগে, স্যার যখন অ্যালাও করবেন না, তখন ওসব ভেবে আর লাভ নেই। বাগানের মায়াও এবার কাটাতে হবে, কেননা সন্ধেতারা উঠে পড়েছে। এক ঘণ্টা হয়ে গেছে। জগুর কোনও ঘড়ি নেই। বাবা পছন্দ করেন না। তার ছোট ভাই, দু’-আড়াই বছরের ছোট ভাই গজুর কিন্তু ঘড়ি আছে। ভাল রিস্ট ওয়াচ। সেটা অবশ্য বাবা কিনে দেননি। গজু তো মস্ত খেলোয়াড়, তাই ওর ক্লাব কৃতজ্ঞতায় ওকে দিয়েছে। সে নাকি ‘নাকপাতা নবজাগরণী’র সবগুলো গোলই ঠেকিয়ে ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ান করেছিল। বাবাকে লুকিয়ে গজু মাঝে মাঝে পরে। মা জানেন, কিচ্ছুটি বলেন না।

    যাক, এসব ভেবে তো মন খারাপ করে লাভ নেই। উপায় দুটো। একটা নিবারণদা যদি কিছু বাতলাতে পারেন। আর এক জগু যা ঠিক করেছে, অর্থাৎ ভবঘুরে হয়ে যাওয়া। নিবারণদাও তার মতো ভবঘুরে হয়ে গেলে সে আর একটু উৎসাহ পেত। দুই ভবঘুরে মিলে সারা পৃথিবীটা ঘুরে ফেলত। কিন্তু নিবারণদা কোচিংই ছাড়তে চান না। এত ঘরকুনো হলে হয় না এসব। তার ওপর সন্ধেরাতে জানলায় পুলিশের চরের ভয় পান। মনে এত ভয় নিয়ে কি আর ভবঘুরে হওয়া যায়? ভবঘুরে হিসেবে নিবারণদাকে মানাত চমৎকার। ঝোল্লা জামা, ঝোল্লা প্যান্ট ব্লিচিং পাউডার দিয়ে কেচেছিলেন কবে, ছোপকা ছোপকা দাগ, মাথার চুল উসকোখুসকো, হাতের নখ লম্বা লম্বা, খোঁচা দিলে মারাত্মক লাগে, আর মাঝে-মাঝে এমন করে পুঁচিয়ে কাটেন যেন আঙুলের মাথাসুদ্ধ কেটে ফেলেছেন। লাল হয়ে থাকে ডগাগুলো।

    “কী করা যায় বলো তো মহাপ্রভু, কীরকম খালি খালি লাগছে ডগাগুলো, ব্যথা করছে, জ্বালাজ্বালা করছে।”

    জগু একছুটে বাড়ি চলে যায়। মলম নিয়ে আসে, লাগিয়ে দেয়। “দেখুন, এক্ষুনি কমে যাবে। রাত্তিরে আর একবার লাগাবেন, কাল সকালে আবার, বিকেলে আবার, পরশু সকালে…”

    “বুঝেছি, বুঝেছি,” নিবারণদা তার ডাক্তারি প্রেসক্রিপশনের মাঝে বাধা দেন।

    “কিন্তু খাব কী করে? হাতে মলম, পাতে মলম!”

    “কেন স্যার, চামচে দিয়ে।”

    “ঠিক, ঠিক বলেছ। এটা আমার মাথায় একবারও আসেনি। সাধে কি আর বলি, তোমার মগজখানা! লাখে এক, একেবারে লাখে এক!”

    ইস, এত ভাল মানাত নিবারণদাকে! ঝোল্লাঝাল্লা পরে যেতেন, বাসে-ট্রেনে কেউ টিকিট চাইত না। স্টেশনের চায়ের দোকানে কী সুন্দর দয়া করে চা দিত, কেউ হয়তো বা একটা দুটো জিলিপি।

    সত্যি কথা বলতে কী, মানানো হিসেবে যদি বলতে হয় তা হলে নিবারণদারই বাড়ি থেকে পালানো উচিত। কেউ ধরতে পারবে না। কিন্তু সে জগু। যতই চুল খোঁচা-খোঁচা হোক, খুব ফিটফাট ছেলে। তাকে উটকো জায়গায় দেখলেই লোকে ফিসফিস করে। পুলিশ খুঁজবে, একজন কেউ এসে খপ করে হাত পাকড়ে ধরবে।

    “খবরদার পালাবার চেষ্টা করবে না। বাড়ি থেকে পালিয়েছ না? ঠিক ধরেছি। কত টাকার পুরস্কার দিচ্ছেন বাবা, জানো কিছু?”

    ভবিষ্যৎটা অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে পায় জগু। অনেক দূর ভেবে তবে কাজ করে। ভবঘুরে বলে বাধ্য হতে গেলে তাকে কী কী করতে হবে ভাবতে ভাবতে জগু শাঁ করে নিবারণদার ঘরে।

    “একঘণ্টা হয়ে গেছে স্যার।”

    “আমারও সময় হয়ে এসেছে, ছাত্ররা সব এল বলে।”

    জগু আর দাঁড়ায় না পেছন ফিরে।

    “আরে, আরে, কোথায় যাও মহাপ্রভু, তোমার অঙ্ক আমার সলভ করা হয়ে গেছে।”

    জ্বলজ্বলে চোখে জগু নিবারণদার কাছ ঘেঁষে বসে পড়ে।

    “প্রথম কথা তোমার প্লাস-মাইনাস কিন্তু কাটাকুটি হয়ে যাচ্ছে বৎস।”

    “কী করে?”

    “পিসিমা সবেতে প্লাস, মা সবেতে মাইনাস, তা হলে হাতে কী থাকে? শূন্য। শূন্য তো?”

    “হ্যাঁ।”

    “শূন্য মানে?”

    “শূন্য মানে শূন্য!” জগু বলে।

    “অঙ্কটা তুমি অ্যাপ্লাই করো তোমার পরিস্থিতিটাতে। সেখানে শূন্য মানে হল নো অ্যাকশন। কিচ্ছুটি না। একেবারে কিচ্ছুটি করার উপায় নেই তোমার। হাত-পা বাঁধা। মানে তুমি যদি অঙ্ক জানো। আর জানোই তো। অঙ্কের সত্য একেবারে সত্য নাম্বার ওয়ান। যদি বৈজ্ঞানিক হতে চাও, মানতেই হবে।”

    জগু উঠে পড়ে। নিবারণদা তাঁর জীবনের দুঃখজনক একটা প্রবলেমে এইভাবে অঙ্ক প্রয়োগ করবেন, এমন আশঙ্কা সে কখনও করেনি। না, সে আর নিবারণদার সাহায্য চাইবে না। স্বাবলম্বী হবে। নিজে নিজেই ভেবে ঠিক করবে কোনটা করবে আর কোনটা করবে না। আর বেশি ভাববার দরকারটাই বা কী? সে তো ভেবেই ফেলেছে।

    নিবারণদা খপ করে তার হাতটা ধরে ফেললেন, তারপরে মুচকি হেসে ঠিক সেই কথাটিই বললেন, যেটি শুনলে জগুর মেজাজ একেবারে ফরসা হয়ে যাবে। কী সে কথা? কথাটা তো গোড়াতেই বলে নিয়েছি।

    জগু যাবে বেড়াতে, সঙ্গে যাবে কে?

    সঙ্গে যাবেন নিবারণদা স্যার, অন্য আবার কে?

    কবে বেড়ানো? কীরকম বেড়ানো? কোথায় বেড়ানো?

    সে আবার অন্য গল্প।

    অক্টোবর ২০০৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }