Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভুলে যাওয়া – সিদ্ধার্থ ঘোষ

    ভুলে যাওয়া – সিদ্ধার্থ ঘোষ

    “আচ্ছা বলো তো, আমার ডটপেনটা কোথায় রাখলাম? ‘আনন্দমেলা’র শব্দসন্ধান করছিলাম, ফোন ধরতে ওঠার পর ফিরে এসে দেখি পেনটা গন।”

    ধীরেনবাবুর প্রশ্নে স্ত্রী রাধারানি কিচেন থেকে উত্তর দিলেন, “টেলিফোনের পাশে খোঁজ করো, পেনটা পেয়ে যাবে।”

    এই এক বিপদ হয়েছে ধীরেনবাবুর। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর মাঝে মাঝেই অনেক কিছুর বিস্মরণ ঘটছে। গজগজ করতে করতে রাধারানিদেবী এসে ঘরে ঢুকে বললেন, “এই তো তোমার পেন, ফোনের পাশে পড়ে আছে। দিন দিন তোমার কী হচ্ছে বলো তো! অবিশ্যি চিরকালই তুমি ভুলো মনের লোক। কিন্তু পঞ্চাশ বছরের পর থেকে তোমার রোগ বাড়তে বাড়তে এখন এই ষাট পার হয়ে একেবারে সাংঘাতিক অবস্থায় পৌঁছেছে। সবকিছু হারিয়ে ফেলছ, লোকের নাম ভুলে যাচ্ছ। সুনীলবাবুকে সেদিন তুমি হীরেন বলে ডেকে উঠলে। হয় তুমি সাইকিয়াটিস্ট কনসাল্ট করো নয়তো এবার আমি তোমার ওই ভুলের জ্বালায় মেয়ে-জামাইয়ের বাড়ি চলে যাব। কী করে যে তুমি এমকম পাশ করেছিলে, আর এতদিন ধরে কী করে যে সরকারি অডিট অফিসে চাকরি করলে, সেটা ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছি।

    “গতকাল তুমি যা করলে সেটা একটা কাণ্ড বটে। আমরা টেপে গান শুনব বলে তুমি সুচিত্রা মিত্র আর দেবব্রত বিশ্বাসের দুটো ক্যাসেট নীলিমাদের বাড়ি থেকে জোগাড় করলে, পথে নারায়ণী মেডিক্যাল থেকে তোমার হজমের ওষুধ কিনতে গিয়ে ক্যাসেট দুটো দোকানের সেলস কাউন্টারে ফেলে রেখে শুধু ওষুধ নিয়ে বাড়ি চলে এলে! ভাগ্যিস আন্দাজে আমি এক ঘণ্টার মধ্যে নারায়ণীতে দৌড়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে ওদের শিবু বলল, ‘হ্যাঁ, ক্যাসেট দুটো তুলে রাখা আছে।’ এখন যদি অন্য খদ্দের ও দুটো নিয়ে চলে যেত তা হলে কী ঝামেলায় পড়তে হত বলো দেখি!”

    ধীরেনবাবুর এই ভুলো মনের ব্যাপারটা ‘বল্ডউইন কো-অপ হাউজ়িং কমপ্লেক্স’-এর প্রায় সকল বাসিন্দাই জেনে গেছেন। কসবায় এই হাউজ়িং সোসাইটির ফাউন্ডার মেম্বারদের প্রত্যেকের মাথায় টাক থাকায় এই নাম। হাউজ়িং কমপ্লেক্সে মোট আটটি হুবহু এক রকম দেখতে চারতলা বাড়ি, অর্থাৎ ‘এ’ থেকে ‘এইচ’ ব্লক আছে। প্রতি তলায় দুটি করে ফ্ল্যাট, পরিবেশ শান্ত আর নির্জন। চারপাশের জমিতে কনকচাঁপা, কদম, ছাতিম, নিম প্রভৃতি গাছের সঙ্গে টগর, শিউলি, জবা প্রভৃতি ফুলের গাছও আছে। রিটায়ারমেন্টের কিছু আগে এলআইসি থেকে লোন এবং নিজের জমানো টাকায় ‘এইচ’ ব্লকের দোতলায় দু’কামরার সাউথ ফেসিং সুন্দর ফ্ল্যাটটি কিনে মেয়ের বিয়ে দিয়ে এখন ঝাড়া হাত-পা ধীরেনবাবু বসবাস করছেন। তাঁর কিন্তু শৈশব থেকে কৈশোর বয়সের অনেক কথাই মনে আছে। স্কুলে পড়ার সময় ক্লাসের সতীর্থ বাল্যবন্ধুদের নাম, তাদের চেহারা, এমনকী, অনেক খুঁটিনাটি ঘটনাও চেষ্টা করলে দিব্যি মনে করতে পারেন। নির্জন দুপুরে চোখ বন্ধ করে ভাবতে শুরু করলে সিনেমার ছবির মতো সব পরপর সামনে ভেসে ওঠে। ভবানীপুরের সেই বিখ্যাত ভবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাসরুম, হেডস্যার, দোর্দণ্ডপ্রতাপ ইংরেজির স্যার মিহিরবাবু, অঙ্ক ও ইতিহাসের শিক্ষক, সংস্কৃতের পণ্ডিতমশাই রাধাগোবিন্দ কাব্যতীর্থ প্রমুখ সবাইকে। তাঁর বিশেষ বন্ধুদের মধ্যে ছিল অজিত, দিলীপ, মনোজ, পঞ্চানন ওরফে পাঁচু, আর কালীচরণ ওরফে কালী।

    কালী আর পাঁচুর মধ্যে একবার ধুন্ধুমার ঝগড়া লেগে গিয়েছিল। ইংরেজির স্যার মিহিরবাবু মুখে মুখে ট্রান্সলেশন ধরতেন। আগের দিন আলোচনা করে পরের দিন পড়া ধরতেন। ক্লাসের ৪০ জন ছাত্রের প্রত্যেককে এক একটি বাক্যের বাংলা থেকে ইংরেজির অনুবাদ করতে হত। পড়া না পারলে ছাত্রদের ভাগ্যে জুটত বিকট ধমক আর তার সঙ্গে ফাউ হিসেবে নির্মম কানমলা আর প্রচণ্ড চড়চাপড়। মিহিরবাবু ছিলেন ছাত্রদের কাছে, একেবারে যাকে বলে স্টোনম্যান।

    ক্লাস নাইনে পড়ার সময় একদিন মিহিরবাবু কালীকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি এবার ঠেলাটা বোঝো-র ইংরেজি অনুবাদ কী হবে?” কালী উঠে দাঁড়াল এবং আগের দিনের বলে দেওয়া উত্তর ভুলে গেল। পাশে পাঁচু বসেছিল। কালী স্যারের দিকে তাকিয়ে পাঁচুর গায়ে আঙুল দিয়ে খোঁচা মারতে মারতে ফিসফিস করে, “কী উত্তর হবে রে, কী উত্তর হবে রে,” করতে লাগল। পাঁচু চুপ করে রইল। সময় পার হয়ে যাচ্ছে। এবার স্যার প্রহার এবং সেইসঙ্গে চণ্ডীপাঠ শুরু করবেন। এমন সময় দুষ্টবুদ্ধি-পাঁচু ফিসফিস করে কী একটা বলল। আতঙ্কগ্রস্ত কালীর মাথা তখন আর কাজ করছে না। পাঁচুর উত্তরটা শুনেই ক্লাসের মধ্যে কালী চেঁচিয়ে বলে উঠল, “নাউ ইউ পুশ দ্য আন্ডারস্ট্যান্ড।” শুনেই মিহিরবাবু চেয়ার থেকে উঠে কালীর দিকে এগোতে এগোতে চেঁচাতে লাগলেন, “ওরে মর্কট, আমার সঙ্গে ধাষ্টামো, এবার ঠেলাটা তুই বোঝ, গত দিন ক্লাসে কি তোদের আমি বলে দিইনি যে, ‘ফেস দ্য মিউজিক’ কোথায় অ্যাপ্লাই হয়?” বলেই দু’হাতে কালীর দুটো কান আচ্ছা করে দলাইমলাই শুরু করে দিলেন। ক্লাস শেষ হওয়ার পর কালী পাঁচুর উপর একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ল। অতি কষ্টে ধীরেন, অজিত, দিলীপ, মনোজ, দু’জনকে মারামারি থেকে সরিয়ে দিল, কিন্তু বহুদিন কালী আর পাঁচুর মধ্যে কথাবার্তা বন্ধ ছিল।

    এই ঘটনার ঠিক পরেই ধীরেন বাড়িতে বসে কৃতান্তকুমার রায়ের লেখা বিখ্যাত অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস ‘উগান্ডার গুন্ডারা’ পড়ছিল। বইটা ধীরেন পাঁচুর কাছ থেকে ধার করে এনেছিল। বইটার প্রথম পাতায় লেখা, “জন্মদিনে পাঁচুকে স্নেহের উপহার— জেঠুমণি।’ মারাত্মক রোমহর্ষক সব ঘটনার বর্ণনা আছে বইটায়। বাঘ, সিংহ, গোরিলা, কুমির, এমনকী নরমুণ্ড শিকারিদের কবলে পড়েও চারজন বাঙালি তরুণ কীভাবে হতোদ্যম না হয়ে অসংখ্য শত্রুনিধন করতে করতে কিলিমাঞ্জারো পর্বতে গিয়ে হাজির হয়ে অবশেষে দুর্ধর্ষ চৈনিক দস্যু ও তার দলবলের মোকাবিলা করল তারই রোমাঞ্চকর রুদ্ধশ্বাস কাহিনি। বইটা ধীরেনের বারতিনেক পড়া হয়ে গেছে। চতুর্থবারের মতো পড়া চলছিল রবিবার সকালে, এমন সময় বন্ধুবর কালীচরণ এসে উপস্থিত। খানিকক্ষণ গল্পগুজব করে জলখাবার খেয়ে কালী বলল, “কী বই পড়ছিস রে, আমাকে একবার পড়তে দিবি? পড়েই ফেরত দেব।”

    ধীরেন বলল, “এটা একটা দারুণ বই, তুই পড়েই আমাকে ফেরত দিবি।”

    কালীচরণ বই নিয়ে বাড়ি চলে গেল। কিন্তু তিন-চারদিন পর ধীরেন বই ফেরত চাওয়ায় কালী জানাল, বইটা তার মাসতুতো ভাই তাকে না জানিয়ে জামশেদপুরে নিয়ে চলে গেছে। এখন পাওয়া যাবে না। পরে সে কলকাতায় ফিরলে ফেরত দেবে। এই কথার মধ্যে কতটা সত্যি আর কতটা মিথ্যে, ধীরেন বুঝে উঠতে পারল না। এদিকে পাঁচু জোর তাগাদা শুরু করে দিয়েছে তাঁর বই ফেরত পাওয়ার জন্য। শেষে তাগাদায় ব্যতিব্যস্ত ধীরেন পাঁচুকে সবকিছু খুলে বলল, আর সব শুনে পাঁচু বলল, “তা হলে ওই বই ফেরত পাওয়ার আর কোনও চান্স নেই। কালী সেদিন ক্লাসে অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আমার বইটা মেরে দিল।”

    শেষমেশ ধীরেন কালীকে বলল, “ওটা পাঁচুর বই, তুই যেভাবে পারিস এনে দে। না হলে পাঁচুর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভীষণ খারাপ হয়ে যাবে।”

    শুনে কালী বলল, “ঠিক আছে, পাঁচুকে বল একদিন আমার বাড়িতে এসে বইটা ফেরত চাক, তারপর দেখি আমি কী করতে পারি।”

    কিন্তু পাঁচুও আর কোনওদিন কালীর বাড়ি যায়নি, বইও ফেরত চায়নি। ধীরেন অবশ্য বাজার থেকে বইটা কিনে দিতে পারত। কিন্তু দুটো টাকাও ১৯৫২ সালে ছোটদের কাছে বেশ দুর্মূল্য ছিল। চোখ বুজে এখনও বইটা দেখতে পান ধীরেনবাবু। ময়লা লাগার ভয়ে পাঁচু বইয়ের মলাট খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে দিয়েছিল। ১৯৫২ সালের কোনও একদিনের দৈনিক আনন্দবাজারের প্রথম পাতা দিয়ে মোড়া ছিল সেটা।

    সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার এত কিছু ভুলে যাওয়া সত্ত্বেও শৈশব ও কৈশোরের বহু ঘটনা এখনও তাঁর অনুপুঙ্খ মনে আছে। অথচ এ-জিনিসটা তাঁর স্ত্রী থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন কেউই বিশ্বাস করতে চায় না। সকলেই তাঁর সাম্প্রতিক ভুলো মনের ঘটনাগুলোকে বড় করে দেখে। আর ধীরেনবাবুও মাস তিন-চারেকের মধ্যে যে দুটো বড় ধরনের কেলেঙ্কারি করেছেন তাঁর জন্য চেনা-পরিচিত সকলেই আড্ডা-জমায়েতে সেই ঘটনাবলির সঙ্গে তাঁকে জড়িয়ে ঠাট্টা-তামাশা শুরু করে দেয়।

    প্রথম ঘটনাটা হল, কিছুদিন আগে সকাল সাড়ে দশটায় পুরনো বাল্যবন্ধু অজিতের বাড়িতে সময় কাটিয়ে তিনি বল্ডউইন হাউজ়িং-এ ফিরে এসে সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠে ঘরে ঢুকে জামাকাপড় চেঞ্জ করে লুঙ্গি পরে বিছানায় শুয়ে পড়েন। ঘরে ঢোকার সময় অবশ্য তাঁর একবার মনে হয়েছিল ঘরের জিনিসপত্র একটু বেশি অন্যরকম। এমনকী, আলনায় রাখা লুঙ্গিটার রংও আলাদা। কিন্তু তাঁর স্ত্রী নীলিমাদের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ায় তিনি ভাবলেন যে, রাধারানিদেবী ফিরে এলে ঘরের এবং জামাকাপড়ের এইসব পরিবর্তনের কারণ জিজ্ঞেস করবেন। শরীর ক্লান্ত থাকায় একটু ঘুমঘুম এসে গিয়েছিল। কিন্তু একটু পরেই ‘জি’ ব্লকের দোতলার ফ্ল্যাটের মালিক গিরিজাশঙ্করবাবু ও তাঁর স্ত্রীর গলার আওয়াজে তাঁর ঘুম ছুটে গেল। গিরিজাবাবু তাঁর শরীরের উপর ঝুঁকে পড়ে জিজ্ঞেস করছেন, “কী ব্যাপার ধীরেনবাবু, আপনার শরীর খারাপ নাকি? নিশ্চয়ই খারাপ, তা না হলে আপনি আমার ফ্ল্যাটে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসে জামাকাপড় চেঞ্জ করে খালি গায়ে লুঙ্গি পরে শুয়ে আছেন যে! একটু শুয়ে থাকুন, এখনই ডাক্তার ডেকে আনছি। আসলে আমি ও আমার স্ত্রী ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে গেসলুম, দরজাটা খোলাই ছিল, এখন ফিরে এসে দেখছি আপনার এই অবস্থা।”

    বিশাল এক হাত জিভ কেটে বিছানা থেকে উঠতে উঠতে ধীরেনবাবু বলতে লাগলেন, “এঃ, ছি ছি, বড় ভুল হয়ে গেছে। আমি দেখছি ‘এইচ’ ব্লকে না ঢুকে ‘জি’ ব্লকে এসে পড়েছি। সবই তো একরকম দেখতে। তা ছাড়া আপনার ও আমার ফ্ল্যাট দুটোই দোতলায় একই পজিশনে, ফলে একেবারে গুলিয়ে গেছে। আমাকে আপনারা মাপ করে দিন।”

    দ্বিতীয় ঘটনাটা হল, ধীরেনবাবু তাঁর মাসতুতো ভাই অচিনের ছেলে ভোম্বলের বিয়েতে নিমন্ত্রিত হয়ে যে কেলোটা করেছিলেন। উত্তর কলকাতার কাশীপুরে ‘আনন্দনিকেতন’ বিয়েবাড়ি ভাড়া নেওয়ার হয়েছিল। বিয়েবাড়িটা চার নম্বর বাস টার্মিনাসের ঠিক উলটো দিকে। সদ্য পাটভাঙা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে সেন্ট মেখে হাতে উপহারের প্যাকেট নিয়ে ধীরেনবাবু ট্যাক্সি থেকে কাশীপুরে চার নম্বর বাস টার্মিনাসের সামনে নেমে ট্যাক্সিভাড়া মিটিয়ে দিয়ে সামনের দিকে তাকালেন। তিনি একাই এসেছেন, কারণ, স্ত্রী রাধারানিদেবী তাঁর পুরনো এক বান্ধবীর মেয়ের বিয়ের নিমন্ত্রণ একই দিনে পড়ায় সেখানে চলে গেছেন। ধীরেনবাবু তাকিয়ে দেখলেন, সামনেই একটা দোতলা বিয়েবাড়ি। সানাইয়ের আওয়াজ আসছে। চারদিক আলোকমালায় ঝলমল করছে। বাড়ির সামনে অনেক গাড়ি আর সেজেগুজে লোকজন ভিড় করে আছে। সুতরাং ধীরেনবাবু প্যাকেট হাতে সেদিকে দ্রুতবেগে ধাবমান হলেন। গেটের কাছে একজন বয়স্ক লোককে জিজ্ঞেস করতেই তিনি সসম্মানে জানালেন, “হ্যাঁ, ঠিকই, এটাই আনন্দনিকেতন বিয়েবাড়ি।”

    শোনামাত্র ধীরেনবাবু, “ভোম্বল কোথায় রে? ভোম্বল কোথায় রে?” বলতে বলতে ভিতরে ঢুকে লক্ষ করলেন, সবাই তাঁর সম্ভ্রম-জাগানো চেহারা ও সাজপোশাক দেখে বিশাল খাতির ও সমাদর শুরু করে দিয়েছে। একটি কমবয়সি ছেলে তাঁর গায়ে গোলাপজল স্প্রে করে দিয়ে বলল, “দাদু, এখন ভোম্বলদাকে খুঁজে বের করা মহামুশকিল। আপনি খাবার জায়গায় চলে যান, ওখানেই ভোম্বলদাকে পেয়ে যাবেন।”

    পাতপেড়ে খাওয়া এবং বুফে— দু’রকম ব্যবস্থাই ভোম্বলরা করেছিল। ব্যাচ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় না থেকে ধীরেনবাবু বুফের দিকেই এগোলেন। অলরেডি সেখানে নিমন্ত্রিতদের একটা লাইন পড়ে গেছে। সারি সারি বার্নারের উপর স্টেনলেস স্টিলের বউলে বিরিয়ানি, চিকেন মশালা, মটন কষা, ফিশ ফ্রাই-এর প্রাণকাড়া গন্ধে জায়গাটা একেবারে ম-ম করছে। সুড়ুত করে জিভের জলটা সামলে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার প্লেট, কাঁটা চামচ, স্পুন, পেপার ন্যাপকিন হাতে নিয়ে লাইন ধরে এগোতে এগোতে ভাবলেন মোটা মোটা রাধাবল্লভী, আলুর দম প্রভৃতি আজেবাজে জিনিস না খেয়ে শুধুমাত্র পছন্দসই সেরা জিনিসগুলোই খাবেন। প্লেটে খাবার সাজিয়ে তারিয়ে তারিয়ে অপূর্ব সুখাদ্য খেতে খেতে অনেকের সঙ্গেই দেখা হল। যেমন ওর মাসতুতো দাদা গুপিদা, চারুমামা, বৃদ্ধ মেসোমশাই সুধীরবাবু এবং আরও অনেকে। খেতে খেতে গল্পগুজব চলতে লাগল। এর মধ্যে খুঁজে খুঁজে ভোম্বল এসে হাজির। এসেই বলল, “চলো ধীরেনদা, নতুন বউয়ের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। ফাঁকতালে উপহার গছিয়ে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কেটে পড়বেন, সেটি হচ্ছে না।”

    ফলে খাওয়া শেষ হওয়ার পর ভোম্বল তাঁকে সঙ্গে নিয়ে নতুন বউয়ের থ্রোনের কাছে চলে এল। ঘরে ঢোকার সময় দোকান থেকে সদ্য কেনা ঝকঝকে নতুন স্যান্ডেলজোড়া খুলে রেখে বিভিন্ন বয়সি মহিলা পরিবৃতা নববধূর কাছে গিয়ে উপহারের বইয়ের প্যাকেট ‘সত্যজিৎ রায়ের গল্প ১০১’ গিফট করলেন। ঘর থেকে বেরিয়ে ভোম্বলকে বললেন, “তোর বউ তো দারুণ হয়েছে রে! এ তো দেখছি বাঁদরের গলায় মুক্তোর হার।”

    রাত্রি সাড়ে দশটায় বাড়ি ফিরে দেখলেন, তাঁর স্ত্রী কিছুক্ষণ আগেই চলে এসেছেন। সুতরাং ধীরেনবাবু নিশ্চিন্ত মনে বেশবাস পরিবর্তন করে মুখ, হাত-পা ধুয়ে ঘুমোতে চলে গেলেন। বোমাটা ফাটল পরের দিন সকালে স্ত্রী রাধারানিদেবীর চিৎকারে, “তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ?”

    সদ্য ঘুমভাঙা চোখে হকচকিয়ে ধীরেনবাবু জিজ্ঞেস করলেন, “হলটা কী? আমি আবার কী করলাম?”

    “কী না করেছ তুমি! গতকাল বিয়েবাড়ি থেকে কার একপাটি স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে চলে এসেছ?”

    “তাঁর মানে?”

    “একবার নিজের চোখে জুতো রাখার র‍্যাকে গিয়ে দেখে এসো না।”

    অগত্যা ধীরেনবাবু সদ্য ঘুমভাঙা চোখে যা দেখলেন তা হল একজোড়া স্যান্ডেল, ডান পায়েরটা ঝকঝকে নতুন, আর বাঁ পায়েরটা ভাল কোম্পানির ঠিকই এবং একই মাপেরও বটে, কিন্তু সেটা খুব পুরনো, রংচটা। দেখে মনে হচ্ছে দু’-একদিনের মধ্যেই ওটার স্ট্র্যাপ-ফ্যাপ সব ছিঁড়ে যাবে।

    রাধারানিদেবী বললেন, “নাক ডাকিয়ে তো বেলা সাড়ে আটটা অবধি ঘুমোচ্ছ, এদিকে একটু আগে তোমার মাসতুতো দাদা গুপিদার স্ত্রী ললিতা ফোন করে জানাল, “ওঁর স্বামী অদ্ভুত একজোড়া স্যান্ডেল পরে ভোম্বলদের বিয়েবাড়ি থেকে গতকাল ফিরেছেন। অনেক খুঁজেও গুপিদা ওঁর স্যান্ডেলের একপাটি খুঁজে পাননি। অথচ অন্য কারও একই মাপের বাঁ পায়ের নতুন একপাটি স্যান্ডেল পড়ে আছে। গুপিদা আর কী করেন, খালি পায়ে তো আর হাঁটা যায় না, ফলে ওই অদ্ভুত কম্বিনেশনের একজোড়া জুতো পায়ে দিয়েই বাড়ি ফিরেছেন।”

    “এ হে হে হে, তা হলে গণ্ডগোল আমিই করেছি।” ধীরেনবাবুর অকপট স্বীকারোক্তি।

    “তা ছাড়া আবার কী! ফোনটা রাখার পর আমার সন্দেহ হল, জুতোর র‍্যাকের কাছে গিয়ে দেখি যা ভেবেছি ঠিক তাই,” রাধারানিদেবী আক্ষেপের সুরে বললেন, “হ্যাঁ গো, তোমার পায়ে কি পক্ষাঘাত হয়েছে, কোনও সাড় নেই বুঝি। ছি ছি ছি, কী কেলেঙ্কারি। এখন যাও, ওই একপাটি জুতো নিয়ে গুপিদার বাড়ি গিয়ে বদলাবদলি করে নিয়ে এসো।”

    এসব দেখেশুনে ধীরেনবাবুর নিজের উপর ঘেন্না ধরে যাচ্ছে। আত্মবিশ্বাসের একান্ত অভাব তিনি এবার অনুভব করছেন।

    এই শেষ বয়সের দিকে তিনি খুব কষ্ট করে খোঁজখবর নিয়ে ভবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরনো ক্লাসফ্রেন্ডদের বাড়ির ঠিকানা ও ফোন নম্বর জোগাড় করেছেন। অজিত আর দিলীপ তাঁর মতো কলকাতাতেই বরাবর চাকরি করে এখন রিটায়ার করেছেন। তাঁরা দু’জনেই সল্টলেকের দিকে নতুন বাড়ি করে সেখানে থাকেন। কিন্তু মনোজ, পাঁচু ও কালী চাকরিসূত্রে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অর্থাৎ দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই প্রভৃতি শহরে চাকুরিজীবন কাটিয়ে অবসরগ্রহণের পর অতি সম্প্রতি কলকাতায় ফিরে এসেছেন। মনোজ গল্‌ফগ্রিনে একটা নতুন ঝকঝকে ফ্ল্যাট কিনেছেন কিন্তু পাঁচু ও কালী যথাক্রমে হরিশ মুখার্জি রোড ও মনোহরপুকুর রোডে তাঁদের সাবেকি পৈতৃক বাড়িতে ফিরে এসেছেন। সকলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে একদিন রবিবার সকালে ধীরেনবাবু ওঁদের নিজের ফ্ল্যাটে চায়ের নেমন্তন্ন করলেন।

    রবিবার পাঁচ বন্ধু এক-এক করে সকালের দিকে ধীরেনবাবুর ফ্ল্যাটে এসে হাজির হলেন। মনোজ, কালী, পাঁচু, অজিত, দিলীপদের সঙ্গে ধীরেনবাবু অনেকক্ষণ জমিয়ে আড্ডা মারলেন। প্রত্যেকেরই বয়স ষাটের উপর। কারও মাথা কেশবিরল, কারও মাথায় পলিতকেশ। কিন্তু একটু ভাল করে মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখলে ফেলে-আসা শৈশবের দুষ্টুবুদ্ধিভরা চোখ, ঠোঁটের হাসি এখনও চেনা যায়। আড্ডার মাঝে শিঙাড়া, ইলিশের ডিমভাজা, রসগোল্লা, চা, বিস্কুট রাধারানি ধীরেনবাবুর বাল্যবন্ধুদের পরিবেশন করে গেলেন। পুরনো স্কুল, খেলার মাঠ, স্যারদের কথার স্মৃতিচারণ করে বেলা বারোটা নাগাদ সকলে গাত্রোত্থান করলেন। আসর ভাঙার সময় ঠিক হল, এবার থেকে প্রতি রবিবার সকালে কোনও-না-কোনও বন্ধুর বাড়িতে আবার সকলে মিলিত হবেন। দেখা গেল, কালী ও পাঁচুর মধ্যে আর কোনও মনোমালিন্য নেই। বোধহয় ছেলেবেলার তুচ্ছ ঘটনা ভুলে গেছেন। ধীরেনবাবুও আর ব্যাপারটা খুঁচিয়ে তুললেন না। কালী শুধু যাওয়ার আগে ধীরেনবাবুকে বললেন, “ধীরু, পারিস তো এর মাঝে একদিন আমার মনোহরপুকুরের বাড়িতে ফোন করে সকালের দিকে চলে আয় না, তুই তো স্কুলে পড়ার সময় আমাদের বাড়িতে বহুবার এসেছিস। তোর তো সবই চেনা।”

    ধীরেনবাবু দু’দিন বাদে অর্থাৎ বুধবার সকালে কালীর মনোহরপুকুর রোডের বাড়িতে আড্ডা মারতে গেলেন। ডোরবেল বাজাতে কালী নিজে দরজা খুলে ধীরেণবাবুকে ভিতরে বসবার ঘরে নিয়ে গিয়ে বসালেন। আগে এ-ঘরে কালীর বাবা করালীচরণবাবু বসতেন। ঘরটা বেশ বড়। এখন কালীই হচ্ছেন এ-বাড়ির সর্বময় কর্তা। ঘরের ডান দিকে প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে বইয়ের র‍্যাক, বাঁ দিকে টেবিল, চেয়ার, টিপয় প্রভৃতি রাখা আছে। গল্প করতে করতে ধীরেনবাবু বললেন, “দ্যাখ কালী, ছেলেবেলার বন্ধুরাই আসল প্রাণের বন্ধু। চাকরিজীবনে প্রকৃত বন্ধু আর হয় না। কেননা, তখন শুধুই ধান্দাবাজি, ইঁদুর দৌড়, এসব শুরু হয়ে যায়। এইজন্য আমি বুড়োবয়সে সব সময় শৈশবের স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকি। আর ছোটদের গল্পের বই আবার নতুন করে পড়তে শুরু করেছি, বেশ ভাল লাগছে।”

    কালী বললেন, “আমি অবশ্যি সব রকমের বই-ই পড়ি, ছোটদের বা বড়দের কিছুই বাদ দিই না। এই নানা বিষয়ের বই পড়েই তো এখন আমার সময় কাটে। ঘরের ওদিকের র‍্যাকে আমার বইয়ের কালেকশন, তুই ইচ্ছে করলে দেখতে পারিস।” এর মধ্যে চা-বিস্কুট নিয়ে কাজের লোক ঘরে ঢুকল। চা খেয়ে ধীরেনবাবু বইয়ের র‍্যাকের দিকে এগোলেন, আর কালী সকালের আনন্দবাজারটা আবার পড়তে শুরু করলেন।

    বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র, বিভূতিভূষণ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলির পর একধারে বাঁধানো ‘আনন্দমেলা’, ‘শিশুসাথী’, ‘রংমশাল’, ‘মৌচাক’ প্রভৃতি সাজানো আছে। বেশ কিছু পূজাবার্ষিকীও রয়েছে দেখা যাচ্ছে। ধীরেনবাবুর হঠাৎ চোখে পড়ল বহুদিনের পুরনো আনন্দবাজারে মোড়া একখানি বই। বইটার শুধু স্পাইনটা দেখা যাচ্ছে। ওইটুকু অংশই ধীরেনবাবুর স্মৃতিকোঠার একটা দরজা যেন ধাক্কা মেরে খুলে দিল। ধীরেনবাবু কালীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “দু’-একটা ছোটদের বই পড়ার জন্য ধার নিতে পারি কি?”

    খবরের কাগজের দিকে চোখ রেখে কালী বললেন, “স্বচ্ছন্দে। যে বই পছন্দ নিয়ে যা না।”

    দুটো বাঁধানো রংমশাল আর মৌচাকের ফাঁকে আনন্দবাজারে মোড়া ছোট্ট বইটাও নিঃশব্দে ধীরেনবাবুর কাঁধে ঝোলানো সাইডব্যাগে চলে এল। অপটু হাতের হাতসাফাই কালী দেখতেই পেলেন না। কালীকে ধীরেনবাবু বললেন, “একটা বাঁধানো মৌচাক আর রংমশাল নিয়ে যাচ্ছি, পড়ে এক হপ্তার মধ্যেই ফেরত দিয়ে যাব।”

    এরপর সোজা হরিশ মুখার্জি রোডে পাঁচুর বাড়িতে এসে ধীরেনবাবু কলিংবেল বাজালেন। পাঁচু বাড়িতেই ছিলেন। হঠাৎ ছেলেবেলার বন্ধু ধীরেনকে দেখে হাসিমুখে বললেন, “আয়, আয়, এই অবেলায় কী মনে করে?”

    কোনও উত্তর না দিয়ে ভিতরে ঢুকে ধীরেনবাবু চেয়ারে বসে সাইডব্যাগ থেকে আনন্দবাজারে মোড়া বইটা পাঁচুর হাতে তুলে দিলেন। প্রায় পঞ্চাশ বছর পর আসল মালিকের হাতে হারানো বই পৌঁছে গেল। পাঁচু অবাক হয়ে ধীরেনবাবুর দিকে তাকিয়ে বইটা খুললেন। হাসিতে পাঁচুর মুখ উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। এবার সব মনে পড়ে গেছে, কারণ, বইয়ের একেবারে গোড়ার দিকে প্রথম পাতায় লেখা আছে, ‘জন্মদিনে পাঁচুকে স্নেহের উপহার— জেঠুমণি’।

    জানুয়ারি ২০০৫

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }