Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝগড়ুটে ফাইভ – প্রচেত গুপ্ত

    ঝগড়ুটে ফাইভ – প্রচেত গুপ্ত

    ক্লাস সেভেনের রুটিনে আজ জ্যামিতি ক্লাস নেই। তবু আমরা পাঁচজনই জ্যামিতি বাক্স নিয়ে এসেছি। আমাদের জ্যামিতি হয় শুক্রবার। আজ সোমবার। আজ পাটিগণিতের দিন। পাটিগণিতের দিন জ্যামিতি বাক্সের কোনও কাজ নেই। কাল রাতে স্কুলের ব্যাগ যখন গোছাচ্ছিলাম, মা পাশে ছিলেন। জিজ্ঞেস করলেন, “কী রে, কাল তোর জ্যামিতি আছে নাকি?”

    আমি বললাম, “না, জ্যামিতি নেই।”

    মা অবাক হয়ে বললেন, “তা হলে শুধুমুদু জ্যামিতি বাক্স নিয়ে যাচ্ছিস কেন?”

    আমি আরও গম্ভীর হয়ে গেলাম। বললাম, “নিতে হবে মা। একটা ইম্পর্ট্যান্ট ব্যাপার আছে।”

    মা আরও অবাক হয়ে বললেন, “ইম্পর্ট্যান্ট ব্যাপার! তোদের কাণ্ডকারখানা কিছুই বুঝি না বাবা!”

    কথাটি সত্যি। আমাদের এই কাণ্ড অন্য কারও পক্ষে চট করে বোঝা বেশ কঠিন।

    আসলে আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ ঝগড়ার দিন। রিখিয়া, দেবাদৃতা, শ্রুতি, রঞ্জনাদের সঙ্গে আজ আমাদের ফয়সালা। রিখিয়ারা আমাদের ক্লাসেই পড়ে। আমাদের ঠিক পিছনের বেঞ্চে, জানলার পাশে ওদের সিট। ওরা আলুকাবলি খেতে খুব ভালবাসে। আর যে-কোনও গান কোরাসে গায়। আলুকাবলি ভালবাসে বলে ওদের গ্রুপের নাম ‘আলুকাবলি গ্রুপ’। আমাদের ক্লাসে বিভিন্ন গ্রুপের বিভিন্ন নাম। চৈতালিদের গ্রুপের মেয়েগুলো কারণে-অকারণে খালি তিড়িংবিড়িং করে। মনে হয়, সবসময় ওরা যেন হাতে স্কিপিং নিয়ে ঘুরছে। তাই ওদের নাম ‘স্কিপিং গ্রুপ’। মীনাক্ষী, কল্পনা আর মনামিদের কাজই হচ্ছে, বেজার মুখে থাকা। দেখলে মনে হবে, পরীক্ষায় গাড্ডা মেরেছে। আসল ঘটনা কিন্তু তা নয়। ক্লাস টেস্টে দশে দশ পেলেও দেখা যায়, ওদের মুখে হাসি নেই। ওদের আমরা ডাকি ‘কুমড়োপটাশ গ্রুপ’ বলে। তৃষিতাদের গ্রুপের নামটা খুবই মজার। ওরা তিন বন্ধু সারাক্ষণ সেজেগুজে টিপটপ থাকে। সাতসকালে স্কুলে আসার সময় ওরা কোনওদিন মুখে পাউডার লাগাতে ভোলে না। ওদের গ্রুপ নাম পেয়েছে ‘পাউডার গ্রুপ’। এরকম আরও নাম আছে। আমাদের গ্রুপেরও একটা নাম আছে। সেটা পরে বলছি।

    রিখিয়াদের সঙ্গে ক’দিন ধরেই আমাদের খটামটি চলছিল। খটামটির বিষয়গুলো বড় কিছু নয়, ছোটখাটো সব। জানলা কেন বন্ধ? বেঞ্চ কেন নড়ছে? জলের লাইনে ঠেললি কেন?

    খটামটি হলেও আমাদের সঙ্গে ওদের বন্ধুত্ব কিছুমাত্র কম নয়। বুধবারই রিখিয়া চাউমিন খাইয়েছে। সেই চাউমিন ফ্যান্টাস্টিক বললেও কম বলা হবে। বলা উচিত, সুপার ফ্যান্টাস্টিক। গত সপ্তাহে মীনাক্ষীর হ্যারি পটারের বইয়ের সঙ্গে আমি ‘বুড়ো আংলা’ বদলাবদলি করেছি। সে বই আমি কাল রাতেও পড়েছি। গত শনিবার তো ছুটির পর ওরা গান ধরল, ঊর্মিমালা হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নাচল।

    কিন্তু পরশু থেকে ওরা যে মারাত্মক কাজটা করছে তাতে আর ঘটনা ছোটখাটো দিকে নেই। বড় দিকে মোড় নিয়েছে। আমরাও ঠিক করেছি, সিরিয়াস ধরনের ঝগড়া করে এ-ঘটনার একটা এস্‌পার-ওস্‌পার করব।

    এখন পর্যন্ত ঠিক আছে, সিরিয়াস ঝগড়াটা হবে ক্রাফ্‌টস পিরিয়ডে। যদিও সেটা নির্ভর করছে ক্রাফ্‌টস-টিচার মঞ্জুদির উপর। মঞ্জুদি মাঝেমধ্যে আমাদের সেলাইয়ের কাজ বুঝিয়ে দিয়ে ক্লাসরুম ছেড়ে বেরিয়ে যান। আজও যদি সেরকম বেরিয়ে যান, তা হলে কোনও অসুবিধে নেই, আর যদি তা না হয়, তা হলে হয় টিফিনের সময়, নয়তো ছুটির পর ঘটনা ঘটবে। আমরা পাঁচ জনই তৈরি। আর সেই কারণেই জ্যামিতি বাক্স নিয়ে আসা।

    জ্যামিতি বাক্স নিয়ে আসায় মনে হতে পারে, এই ঝগড়ার সঙ্গে জ্যামিতির কোনও সম্পর্ক আছে। মোটেও তা নয়। আমাদের এটাই নিয়ম। যেদিন গুরুত্বপূর্ণ ঝগড়ার ব্যাপার থাকে, সেদিন আমরা পাঁচ বন্ধু একসঙ্গে কিছু একটা করি। সেটা অন্য মেয়েদের চেয়ে একদম আলাদা হতে হবে। পাঁচ জনের বাইরে এটা কেউ জানতে পারে না। গোপন ব্যাপার। আসলে এটা করে আমরা মনে মনে এনার্জি তৈরি করি। নিজেদের বলি, “আজ হল বড় ঝগড়ার দিন। কথাটা যেন খেয়াল থাকে।”

    আলাদা হওয়ার জন্য কী করব সেটা আগের দিন ঠিক করে দেয় পারমিতা। পারমিতার মাথায় খুব বুদ্ধি। অঙ্ক ক্লাসে লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা পড়ে। একবার টিচারের হাতে ধরা পড়ে গেল। অ্যালজেবরা খাতার তলায় কবিতার বই। বুলাদি ওকে শাস্তি দিলেন। কড়া শাস্তি। বললেন, “এখনই তোমাকে এই বই থেকে তিনটে কবিতা মুখস্থ করতে হবে। তারপর ক্লাস শেষ হলে আমাদের সবাইকে আবৃত্তি করে শোনাতে হবে। দাঁড়াও, তোমার জন্য তিনখানা বড় বড় কবিতা বেছে দিচ্ছি।”

    পারমিতা সহজভাবে বলল, “দিদি, আপনাকে বাছতে হবে না। আমি এ বইয়ের সব কবিতাই মুখস্থ বলতে পারি। এখনই বলতে শুরু করব, না পরে শুরু করব? এখনই করলে ভাল হত, অত কবিতা তো, সময় বেশি লাগবে। শুরু করব?”

    বুলাদি একবার মোটাসোটা বইটার দিকে তাকালেন, একবার পারমিতার দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর গলায় বললেন, “না শুরু করবে না। তুমি এখন বসবে।”

    এখানেই শেষ নয়। পারমিতা সব সময়ই অঙ্কে একশোয় একশো পায়। ক্লাসে লুকিয়ে কবিতা পড়েও অঙ্কে একশো পাওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। তা ছাড়া ওর মাথায় দারুণ দারুণ সব আইডিয়া আসে। সেই কারণেই, ওকে এই দায়িত্বটা দেওয়া হয়েছে। যেদিন বড় ধরনের কোনও ঝগড়ার প্রোগ্রাম থাকে, সেদিন হয় আমরা পাঁচ জনই লাল কালির পেন আনি, নয় আমাদের পাঁচ জনের কাছেই থাকে ফুল-কাটা রুমাল, নয় পাঁচ জনই টিফিনে পটাটো চিপ্‌স নেব। এক-একটা দিন এক-এক রকম।

    একবার এরকম একটা ঝগড়ার দিনে পারমিতার বদলে আমরা ঊর্মিমালার পরিকল্পনা শুনেছিলাম। শুনে দারুণ ঝামেলায় পড়েছিলাম।

    সেবার ঝগড়া ছিল ক্লাস এইটের মেয়েদের সঙ্গে। ব্যাডমিন্টনের কর্ক নিয়ে ঝগড়া। আগের দিন ওরা আটখানা কর্ক নষ্ট করে আমাদের ক্লাসের উপর দোষ চাপিয়েছিল। গেম-টিচার অঞ্জনা মুখার্জি আমাদের মনিটর সৃজনীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করেন। করে বুঝতে পারেন, ক্লাস সেভেনের কোনও দোষ নেই। বকুনি না খেলেও বিষয়টা আমাদের পক্ষে খুবই অপমানজনক হল। বকুনি কোনও বড় জিনিস নয়, অপমান অনেক বড়। আমরা পাঁচ জন সিদ্ধান্ত নিলাম, পরের দিনই একটা হেস্তনেস্ত হবে। ক্লাস এইটের সঙ্গে ঝগড়া করব।

    ঊর্মিমালা বলল, “কাল আমরা প্রত্যেকে সাউথ আফ্রিকার ম্যাপ নিয়ে আসব।”

    ঊর্মিমালার পরিকল্পনা নেওয়ার ব্যাপারে আমাদের একটু খুঁতখুঁতুনি ছিল। পারমিতা বলল, “থাকুক, ওকে একটা চান্স দেওয়া হোক। আর ঘটনা তো খুব বড় নয়। তথ্য, প্রমাণ, সাক্ষী, সবই আমাদের পক্ষে। ঝগড়াটাই শুধু করতে হবে। এবারটার মতো ঊর্মিমালার কথা শোনা হোক। আমরা পাঁচ জন কাল সাউথ আফ্রিকার ম্যাপ নিয়ে আসব।”

    এর পরের ঘটনাই কেলেঙ্কারির।

    ভূগোল ক্লাস শুরু হতে দেখি, সকলেই ব্যাগ থেকে সাউথ আফ্রিকার ম্যাপ বের করছে। ছোট ছোট কাগজে, আউট লাইন করা। এমনকী টিচার এসেও দেওয়ালে সড়াত করে সাউথ আফ্রিকার একটা বড় ম্যাপ ঝুলিয়ে দিলেন। আমরা তো হাঁ। হলটা কী? তারপরই মনে পড়ল, আরে, আজ তো সত্যিই সাউথ আফ্রিকা নিয়ে ক্লাস হওয়ার কথা ছিল। ঊর্মিমালা ভুলে গিয়েছিল, আমরাও খেয়াল করিনি।

    ঊর্মিমালার উপর খুব রাগ হতে লাগল। একটা ঝগড়ার দিনে আমাদের পাঁচ জনের আলাদা কিছু করা হল না। সকলের কাছেই এক জিনিস। এমনকী টিচারের কাছে পর্যন্ত!

    সাউথ আফ্রিকা চিনতে চিনতে চারজনে মিলে কটমট করে ঊর্মিমালার দিকে তাকালাম। যেন সাউথ আফ্রিকা নয়, আমরাই ওকে ভাল করে চিনে নিচ্ছি। বোকাটা ঝগড়ার আনন্দে একেবারে জল ঢেলে দিয়েছে।

    আশ্চর্যের ঘটনা হল, সেদিন ঝগড়া কিন্তু দারুণ জমেছিল। প্রায় গোটা ক্লাসই এইটের বিরুদ্ধে নেমে পড়ে। ওরাও কম যায় না। ওদের মধ্যে কয়েকজনের ঝগড়ার কায়দা যথেষ্ট প্রশংসা করবার মতো। ঠিকমতো চর্চা করলে ভবিষ্যতে ভাল করবে।

    মজার কথা হল, সেদিন ভূগোল টিচার পর্যন্ত ঝগড়ায় আমাদের ক্লাসের পক্ষ নিয়েছিলেন! তিনি মাথা নেড়ে নেড়ে বললেন, “এটা ঠিক নয়। মোটেই ঠিক নয়। একেবারেই ঠিক নয়। ক্লাস এইটের মেয়েরা ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে কর্ক নষ্ট করেছে। সেটা কোনও দোষের নয়। খেলতে গেলে কর্ক তো নষ্ট হবেই, কিন্তু তা বলে ক্লাস সেভেনের ঘাড়ে চাপানো ভারী অন্যায়। না না, তোমরা যতই বলো, এটা আমি মানতে পারব না। কিছুতেই মানব না।”

    আমরা তো অবাক। আরে, সাউথ আফ্রিকার ম্যাপের গুণে দিদিমণির মধ্যেও একটা ঝগড়াঝগড়া ভাব তৈরি হয়ে গেল নাকি!

    সেদিনের ঝগড়ায় আমরা জিতেছিলাম ঠিকই, কিন্তু তার পর থেকে আর কোনওদিন ঊর্মিমালার হাতে পরিকল্পনার ভার ছাড়া হয়নি।

    এবার আমাদের গ্রুপের নামটা জানিয়ে দিই।

    আমাদের নাম হল, ‘ঝগড়ুটে ফাইভ’। স্কুলের মধ্যে ঝগড়ুটে ফাইভ ঝগড়ায় সেরা। এটা আমাদের একটা দারুণ গর্বের ব্যাপার। তবে ঝগড়া ছাড়া আমরা আর কিছু পারি না, তা কিন্তু নয়। পারমিতা যেমন দারুণ অঙ্ক পারে, পৌষালির তেমনই গানের গলা। ও টিভিতেও গান গেয়েছে। দেবপ্রিয়ার ব্যাডমিন্টন খেলা দেখলে চমকে উঠতে হয়। মনে হয়, মানুষ নয়, র‍্যাকেট হাতে কোর্টে একটা পাখি উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে। ঊর্মিমালা যখন ছবি আঁকে, স্বয়ং ড্রয়িং-টিচার অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। গত বছর স্কুল থেকে ওকে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছিল। স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জাতীয় আঁকা প্রতিযোগিতায় ও থার্ড হয়ে এসেছে। সেই ট্রফি আমাদের প্রিন্সিপ্যালের ঘরে সাজানো আছে। গেলেই দেখা যাবে। আর নিজের গুণের কথা কী বলব? বলতে গেলেই লজ্জা লজ্জা করে। ভাবি, কিছুতেই বলব না। কিন্তু বলে ফেলি। আমার একটু লেখালিখির ঝোঁক আছে। স্কুলে একমাত্র আমিই সেই মেয়ে, যার তিন-তিনটে লেখা এবার স্কুল ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছে। একটা গল্প, একটা কবিতা, আর একটা ভ্রমণকাহিনি। গল্পটা ইংরেজিতে লেখা। এইসবের জন্য স্কুলে আমাদের সবাই ভালবাসে।

    কিন্তু তা হলে কী হবে, ঝগড়ার মতো আনন্দ আমরা আর কিছুতেই পাই না। মাঝেমধ্যে মনে হয়, বড় হয়ে খুব বড় ঝগড়ুটে হব। ঝগড়ায় আমাদের নাম দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে। পত্র-পত্রিকায় ইন্টারভিউ বেরোবে। চুপিচুপি জানিয়ে রাখি, সেই ইন্টারভিউয়ের জন্য আমাদের ছবি রেডি আছে। পাঁচ জন একে অপরের কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। খুব হাসছি।

    আমরা ঝগড়ায় এত ভাল কীভাবে হলাম? তার অনেক গোপন রহস্য আছে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাঁচ জনের এই দল তৈরি করেছি আমরা। পড়াশোনা, ছবি আঁকা, খেলাধুলোর মতো ঝগড়ার ব্যাপারেও আমাদের পাঁচ জনের পাঁচ রকম গুণ। ঝগড়ার একটা পর্যায়ে পৌঁছে চমৎকার চেঁচাতে পারে পৌষালি। যখন আমরা যুক্তির দিকে পিছিয়ে পড়ি, তখন ও চট করে দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এমন চেঁচামেচি শুরু করে যে, প্রতিপক্ষ তাতে বেজায় ঘাবড়ে গিয়ে সব তালগোল পাকিয়ে ফেলে। তেমনই পারমিতা দেখে যুক্তির দিকটা। ভেবেচিন্তে, ঠান্ডা মাথায় ঝগড়া শুরু করার কাজ ওর। দেবপ্রিয়াকে দেওয়া আছে, তথ্য, পরিসংখ্যান, দিনক্ষণ, তারিখ সরবরাহের দায়িত্ব। এর জন্য সে বাড়িতে নোটবই তৈরি করেছে। ঝগড়া-নোটবই। আমাকে বলা আছে, “তুই উলটো দিকের যুক্তি, তথ্য, কিচ্ছু মানবি না। শুধু ঝগড়া করে যাবি।” সবাই বলে, কোনও কিছু না বুঝে ঝগড়ার ব্যাপারে আমি নাকি ওস্তাদ। যে সময়গুলোতে প্রতিপক্ষের হাতে যুক্তি, পরিসংখ্যান বেশি, তখন আমার এ-গুণটা খুব কাজে লাগে।

    ক্লাস এইটের তমালিকাদের সঙ্গে যেবার ঝগড়া হল, সেবার তো আমাদের খুব খারাপ অবস্থা। সেবার ছিল ফুচকা বিষয়ক ঝগড়া। শনিবার দিন ছুটির পর ফুচকা খাওয়ার সময় ওরা এত ঠেলাঠেলি করেছিল, ফুচকাওয়ালার নাজেহাল অবস্থা। হিসেবটিসেব সব গুলিয়ে গেল। কাউকে দু’নম্বর ফুচকাটা দিতে গিয়ে পাঁচ নম্বর বলে ফেলছে। কাউকে আবার পাঁচটা দেওয়ার পর বলছে, এটা নিয়ে দুটো হল। ঝগড়ার সময় দেবপ্রিয়া সেসব ‘ফ্যাক্টস্‌ অ্যান্ড ফিগারস্‌’ আনল। কিন্তু তমালিকারা এমন সব তথ্য দিতে লাগল যে, আমাদের যায় যায় অবস্থা। তখন আমাকে কাজে লাগাল। কোনও তথ্য না-মেনে ঝগড়া চালালাম। একসময় আমরা জিতেও গেলাম।

    তবে ঊর্মিমালাই হচ্ছে ঝগড়ুটে ফাইভের মোক্ষম হাতিয়ার। তুরুপের তাস। আমরা চার জনেই যখন ফেল করি, তখন এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। আর তাতেই অন্যেরা কুপোকাত। হেরে যাচ্ছি দেখলেই ঊর্মিমালা ভেউভেউ করে কেঁদে ওঠে। তার দু’চোখ বেয়ে টসটস করে জল পড়তে থাকে। ফোঁপাতে থাকে। ব্যস এতেই কেল্লা ফতে। প্রতিপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে রণে ভঙ্গ দেয়। ওদেরই কেউ রুমাল বের করে দেয়। কেউ জল আনে। কেউ চুইংগাম দেয়।

    আমরা যুদ্ধ জয়ের মতো ঝগড়া জয় করে ফিরে আসি।

    সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, এক-একটা ঝগড়ার পিছনে আমাদের কত পরিশ্রম, কত ভাবনাচিন্তা আছে। এই পারদর্শিতার জন্য কত মেয়ে যে আমাদের পাঁচ জনকে হিংসে করে, তা বলবার নয়। হিংসে তো করবেই। সকলেই ঝগড়া ভালবাসে। আমাদের দেখাদেখি বিভিন্ন ক্লাসে ঝগড়ার দলও হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের মতো করে কেউ পারে না। নাচ, গান, ক্যারাম, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, কুইজ, বিতর্কের মতো যদি স্কুলে আন্তঃস্কুল ঝগড়া প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা হয়, তা হলে আমরা অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন হব।

    ইদানীং আমরা দলের জন্য আরও একজনকে খুঁজছি। তার কাজ হবে এমনিই এমনিই ঝগড়া করা। পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া যাকে বলে। কোনও কারণ নেই, তবু টুক করে একটা ঝগড়া। মনের মতো মেয়ে আমরা পাচ্ছি না। অনেকেই সুযোগ পাওয়ার জন্য ধরাধরি করছে। কিন্তু আমরা খুব কড়া মনোভাব নিয়েছি। ধরছে বলেই তো আর যাকে-তাকে নেওয়া যায় না। ক্লাস সিক্সের দু’জন আর ক্লাস এইটের একজনের খবর পেয়েছি। অন্য ক্লাসের মেয়ে দলে নেওয়াটা ঠিক হবে কি না বুঝতে পারছি না। এই নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে ঝগড়াও হয়ে গেছে। কেউ বলছে, থাক, দরকার নেই। কেউ বলছে, এখন হল স্পেশ্যালাইজেশনের যুগ। ঝগড়ার ব্যাপারেও সেটা রক্ষা করা উচিত। কেউ বলছে, নিজেদের বিষয়টা রপ্ত করা উচিত। যাই হোক, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারিনি। চিন্তায় আছি।

    আজকের ঝগড়াটা নিয়েও খুব চিন্তায় পড়েছি। মনে জোর আনবার জন্য পাঁচ জনে জ্যামিতি বাক্স এনেছি বটে, কিন্তু তাতে মনের জোর কিছু বাড়ছে না। উলটে ক্রমশ কমছে।

    আসলে রিখিয়ারা যে কাজটা করেছে, সেটা সত্যি সত্যি খুবই ভয়ংকর।

    পরশু থেকে ওরা আমাদের সঙ্গে কথা বন্ধ করে দিয়েছে। যাকে বলে, নো টক। পরশু রঞ্জনার দিকে তাকিয়ে ঊর্মিমালা হেসেছে। সেই হাসি দেখেও রঞ্জনা মুখ ঘুরিয়ে চলে গেল। কাল শ্রুতিকে আমি ডাকলাম, ও সাড়াই দিল না। পারমিতার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। রিখিয়ার কাছে একটা গানের লাইন জানতে গিয়েছিল। রিখিয়া ‘চিনতে পারছি না’ ধরনের মুখ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।

    এই আচরণে আমরা একেবারে ভেঙে পড়েছি। ঝগড়া করতে ভালবাসি ঠিকই, কিন্তু বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করবার কথা আমরা ভাবতেও পারি না। বন্ধুই তো আসল। বন্ধু না থাকলে ঝগড়া করব কার সঙ্গে? যে বন্ধু নয়, তার সঙ্গে কি কখনও প্রাণ খুলে ঝগড়া হয়? মোটেই হয় না। হলেও সেই ঝগড়ায় একদম মজা নেই। আর কথা বলা বন্ধ হলে তো সব বন্ধ! ঝগড়াটা হবেই বা কীভাবে? একা একা শুধু হাত পা নেড়ে তো আর ঝগড়া হয় না। এই কারণেই আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখি। তাদের ভালবাসি। সবাই আমাদের এই জিনিসটা জানে। জানে বলে তারাও আমাদের ভালবাসে। ঝগড়া শেষ হয়ে গেলে আবার গল্প করে।

    রিখিয়ারা তো আচ্ছা বোকা। ওরা কি এই সহজ কথাটা জানে না? নাকি জেনেশুনেই আমাদের বিপদে ফেলেছে?

    আজ আমরা এই কথা বন্ধ নিয়েই ওদের সঙ্গে জোর ঝগড়ার পথে যাচ্ছি।

    কাল ভেবেছিলাম, জিততে পারব। কিন্তু আজ টেনশন হচ্ছে। জিততে পারব কি? না জিততে পারলে লজ্জার বিষয়। ঝগড়ার রেকর্ডে দাগ পড়ে যাবে।

    স্কুল শুরুর আগে, বারান্দার এক কোণে আমরা পাঁচজন একসঙ্গে হলাম।

    পৌষালি ফিসফিস করে বলল, “আমার তো সুবিধের মনে হচ্ছে না। চেঁচামেচি করে জেতা যাবে বলে তো মনে হচ্ছে না।”

    দেবপ্রিয়ার চোখ-মুখের অবস্থা বেশ খারাপ। কাঁচুমাচু গলায় বলল, “ওরা যে পথটা নিয়েছে সেটা মারাত্মক। আমি কাল রাত পর্যন্ত ওদের বিরুদ্ধে তথ্য সাজিয়েছি। কিন্তু সেগুলো জানাব কীভাবে সেটা বুঝতে পারছি না। কোনও কথাই যারা শোনে না তারা তথ্য শুনবে কেন?”

    ঊর্মিমালা বলল, “অবস্থা দেখে আমার তো এখনই কেমন কান্না কান্না পাচ্ছে। হ্যাঁরে, সত্যি সত্যি কেঁদে ফেলব না তো?”

    আমি চিন্তিত গলায় বললাম, “আমার স্পেশ্যাল ট্যাকটিক্‌স তো আজ একেবারেই কাজে লাগবে না। আমি যে কোনও কিছু না মেনে ঝগড়া শুরু করে দেব, তার জন্য তো একটা গ্রাউন্ড চাই। ওরা যদি চুপ করে থাকে তা হলে সেই গ্রাউন্ড তৈরি হবে কী করে? কী হবে পারমিতা? ঝগড়ুটে ফাইভ মনে হয় আজ একেবারে গো-হারান হারবে।”

    পারমিতা গম্ভীর মুখে বলল, “ঘটনা যে চিন্তার, সে-বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এটাও ঠিক যে, আমরা এই পরিস্থিতিতে কোনওদিন পড়িনি। রিখিয়া শ্রুতিরা আমাদের জোর প্যাঁচে ফেলে দিয়েছে। তবে আমি একটা পরিকল্পনা করেছি। মনে হচ্ছে, এতে কাজ হলেও হতে পারে। তোরা এদিকে সরে আয়। দ্যাখ, ঝগড়া করব বলে আজ আমি কী নিয়ে এসেছি।”

    আমরা পারমিতার ব্যাগের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। স্কুল শুরুর ঘণ্টা বাজল। ক্লাসের দিকে ছুটতে ছুটতে আমাদের মনে হল, পারমিতাকে কাঁধে তুলে নিই। ও যা পরিকল্পনা করছে, তাতে ওকে কাঁধে তুলে ছোটাই উচিত।

    ক্র্যাফ্‌টস পিরিয়ডে মঞ্জুদি আমাদের শক্ত একটা কাজ দিলেন। কাগজের ফুলদানি তৈরি। উত্তেজনায় আমাদের কাজ খুব খারাপ হল। ঊর্মিমালার মতো আঁকিয়ে মেয়ের ফুলদানি দেখলে মনে হবে, রসগোল্লার হাঁড়ি। পারমিতাঁর ফুলদানি কিছুতেই সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারল না। আমারটা দাঁড়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু একদিকে হেলে দাঁড়াচ্ছে। ফুলদানি কখনও হেলে দাঁড়ায় না। মাঝখানে একবার শুনতে পেলাম পিছনের বেঞ্চে রিখিয়ারা ফিসফিস করছে। আমি কান খাড়া করলাম। শ্রুতির গলা কানে এল। সে গলা নামিয়ে বলছে, “অ্যাই, ওরা যতই ঝগড়া করতে আসুক, তোরা একটা কথাও বলবি না। চুপ করে থাকবি।”

    মঞ্জুদি ধমক দিয়ে বললেন, “স্টপ টকিং। কোনও কথা নয়।”

    টিফিনের ঘণ্টা পড়তে পারমিতার ভেল্‌কি শুরু হল। তার ঢাউস ব্যাগ খুলে গুনে গুনে ঠিক ন’খানা ফুলকাটা কাগজের প্লেট বের করল সে। তারপর বের করল ন’খানা কাঠের চামচ। সেগুলো বেঞ্চের উপর সাজানো হল। দেবপ্রিয়া আমাকে চিমটি কাটল। আমি আড়চোখে পিছন দিকে তাকিয়ে দেখি, রিখিয়ারা এ-ওকে ঠেলাঠেলি করছে।

    পৌষালি অবাক হওয়ার ভান করে বলল, “কী রে পারমিতা, আমরা তো মোটে পাঁচ জন, এত প্লেট দিয়ে কী হবে?”

    ঊর্মিমালা হেসে বলল, “মনে হয় পারমিতা আজ টিফিনে কাউকে নেমন্তন্ন করেছে।”

    আমি ঠাট্টা করে বললাম, “নেমন্তন্ন করে কী খাওয়াবি? পাউরুটি আর ঝোলা গুড়?”

    দেবপ্রিয়া হিহি করে হেসে উঠল।

    এরপর পারমিতার ব্যাগ থেকে বের হল আসল জিনিস। পেল্লায় সাইজের একটা টিফিন বক্স! সেটার ঢাকনা খুলতেই একেবারে মার-মার কাট-কাট ব্যাপার। আলুকাবলির গন্ধে গোটা ক্লাসরুম ভরে গেল! আহা! মনে হচ্ছে, ধনেপাতা, মটরশুঁটি, ভাজা মশলা আর কাঁচালঙ্কার মধ্যে বসে আছি!

    আমরা যখন রিখিয়াদের হাতে প্লেট তুলে দিচ্ছি, তখন ওদের চোখগুলো আমার খুব চেনা লাগল। আমার এক মামার বাড়ি বহরমপুরে। সেখানে ইয়া বড় বড় ছানাবড়া পাওয়া যায়। আমাদের কাণ্ড দেখে রিখিয়াদের চোখগুলো সেই ছানাবড়ার মতো হয়ে গেছে। ওরা প্রথমটায় থতমত খেয়ে গিয়ে কী করবে বুঝতে পারছিল না। বেচারিরা কী করেই বা বুঝবে? গ্রুপের নাম ‘আলুকাবলি’ হলে কী হবে, ঝগড়ার এই ‘আলুকাবলি কায়দাটা’ তো ওরা কল্পনাও করতে পারেনি। ওরা যেমন আমাদের দুর্বলতায় আঘাত করেছে, আমরাও তেমনই ওদের দুর্বল জায়গা ধরে টান মেরেছি। আমরা দুর্বল বন্ধুত্বে, ওরা দুর্বল আলুকাবলিতে। দুটোতে মিলে দারুণ ঝগড়া হচ্ছে!

    পারমিতা পিছন দিকে তাকিয়ে বলল, “নে নে, ন্যাকামি করিস না তো। চটপট খেয়ে ফ্যাল। কাল রাতে নিজের হাতে বানিয়েছি। তবে খবরদার, তোরা রেসিপি জানতে চাইবি না। যাদের সঙ্গে ঝগড়া তাদের রেসিপি বলা যাবে না।”

    ওরা চারজনেই হেসে ফেলল। হাসতে হাসতে রিখিয়া, রঞ্জনা প্লেট বাড়িয়ে বলল, “ঠিক আছে বাবা, রেসিপি বলতে হবে না। আর একটু দে তো। ভাগ্যিস আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করলি।”

    রিখিয়াদের কথা শুনে এবার আমরা সবাই হাসতে লাগলাম।

    ঝগড়ুটে ফাইভ এবারও জিতে গেল।

    মার্চ ২০০৫

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }