Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আনন্দমেলা হাসির গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পৌলোমী সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প628 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটলার থিমপুজো – শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলার থিমপুজো – শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলাকে নিয়ে আবার আমরা এক প্রবলেমে পড়েছি। অবশ্য পটলা আমাদের ‘পঞ্চপাণ্ডব’ ক্লাবের শিরোমণি কাম কামধেনু। পটলাদের বাড়ির অবস্থা খুবই ভাল। কুলেপাড়ায় সবটাই প্রায় ওদের। পটলা ওদের বংশের একমাত্র শিবরাত্রির সলতে-জ্বলা বংশপ্রদীপ। ওর ঠাকুরমার নামেও বিশাল বাজার। ওর বাবা-কাকার দু’-তিনটে চালু কারখানা।

    সেই পটলাই আমাদের ক্লাবের কামধেনু। ওদের দৌলতেই ক্লাবের পাকা বাড়ি, ঘেরা মাঠ, ব্যায়ামাগার। তাই যে গোরুর দুধ দোয় দুধওলা, তাকে গুঁতো যেমন খেতে হয়, আমরাও তেমনই ওই কামধেনু পটলার হম্বিতম্বিও মুখ বুজে সহ্য করতে বাধ্য হই। আর তাই নিয়ে আমরাও নানা সমস্যায় পড়ে নাজেহাল হই।

    পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের পাঁচটি মাথা আমি, হোঁতকা, গোবর্ধন, ফটিক আর সকলের আগে থাকে নৈবেদ্যের গায়ে কদমার মতো এই পটলচন্দ্র। ক্লাবের জন্য পটলার ভাবনারও অন্ত নেই। পটলা অবশ্য তার জন্য টাকাও খরচ করে দু’হাতে। ফান্ড আসে ওর ঠাকুরমার তহবিল থেকে।

    পটলা এবার বেশ কিছুদিন থেকেই প্ল্যান করেছে ক্লাবের দুর্গাপুজোয় সে এমন একটা চটকদার থিমের রূপায়ণ করবে যে, কলকাতায় ইদানীং যেসব প্রতিষ্ঠান পুজোমণ্ডপ, মূর্তি ইত্যাদির জন্য প্রাইজ দেয়, তাদের সবকটা প্রাইজই পটলা এবার লুটে নেবে। আর দুর্গাপুজো নয়, হবে এবার ওই থিম নামক কোনও নতুন আমদানি করা অদৃশ্য দেবতার পুজো। তাই নিয়ে ক্লাবে জরুরি মিটিংও ডাকা হয়েছে। অবশ্য তার আগে পটলা ভোটগুলো নির্বিঘ্নে পাওয়ার জন্য আমাদের চারমূর্তিকে ওর বাড়িতে ডেকে ভূরিভোজ করিয়েছে।

    ওর ঠাকুরমাও বললেন, “হ্যাঁ রে সমীর, হোঁতকা, ফটিক, গোবর্ধন তোরা এসেছিস? পটল এবার কী নতুন পুজো করবে বলে জেদ ধরেছে! তোরা ওকে পুজোটা ওর মনোমতো করেই করতে দে!”

    আমরাও জানি, ওই অর্থবান ঠাকুরমার একমাত্র নাতির প্রতি বেশ দুর্বলতাই রয়েছে। তার জন্য ওঁর সিন্দুকে অঢেল টাকাও রয়েছে। আমরাও পটলার দৌলতে বেশ রসেবশেই আছি। ক্লাবও চলে স্বমহিমায়। ফুটবল টিম, টুর্নামেন্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গণভোজন, নানা কিছু হয়। তাই ঠাকুরমার কথায় বাধ্য হয়েই বললাম, “ঠিক আছে ঠাকুরমা। আপনি যখন বলছেন, তাই হবে। পটলার থিমপুজোই হবে এবার। তবে এত টাকা খরচ…।”

    ঠাকুরমা বললেন, “খরচাপাতির জন্য ভাবতে হবে না। আমি সরকারমশাইকে বলে দেব।”

    লাগে কড়ি দেবে গৌরী সেন। যাই হোক, আমাদেরই ক্লাবের নাম ছড়াবে।

    তাই পটলার মিটিংয়ে দু’-চারজন বাধা দিয়ে পুরনো প্রথায় পুজো করার কথা বলেছিল বটে, কিন্তু তাদের নস্যাৎ করে পটলার থিমকে বিপুল ভোটে জয়ী করিয়ে এনেছি। পটলাও খুশি। সেদিন সন্ধ্যেয় ক্লাবে পটলাই ন্যাপার দোকান থেকে গরম গরম প্রন-কাটলেট আর কফি আনিয়ে বলল, “তা হলে পু-পুজোর কাজ শুরু করা যাক?”

    তখন অন্য ক্লাব, বিশেষ করে আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘ইলেভেন বুলেটস’ সবে তাদের পুজোর থিম নিয়ে গোপন বৈঠক সেরে কোথায় আদিবাসী শিল্পীদের পাওয়া যায় তার সন্ধানে রয়েছে। তাই আমাদেরও প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।

    হোঁতকা বলল, “তয় তর থিমখান কী তা আমাগোর খুইল্যা বল।”

    পটলা বলল, “খুব সি-সিক্রেট কেস।”

    পটলা উত্তেজিত হলে ওর জিভটা আলটাকরায় সেট হয়ে যায়। পটলা বলল, “তোদের সব জানাব। মা হবেন মাধুর্যময়ী। একেবারে প্রচলিত ধারায় যেমন হন, তেমন রূপই হবে। আমরা নতুন করে গ্রামীণ সংস্কৃতিকে তুলে ধরব মাতৃমূর্তির মাধ্যমে।”

    পটলা পড়াশোনাতেও ভাল। যখন যা করে তা বাস্তব-অবাস্তব যা-ই হোক, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে, অবশ্য তার নিজস্ব রীতিতে। ফটিক গান-বাজনা-নাটক এসব নিয়ে থাকে। ও আমাদের ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। হোঁতকা গেম সেক্রেটারি। সে ফুটবলম্যাচ, ক্রিকেটম্যাচ নিয়েই থাকে। গোবরার শরীরটাও প্রকাণ্ড, আর ওদের মধ্যে একটু বেরসিক। ওর বাবা ব্যাবসা করেন। ফটিক বলল, “গ্রামীণ সংস্কৃতির কুটির শিল্পটিল্প নিয়ে কাজ এখন পাবলিক নেয় বেশি।”

    পটলা বলল, “কা-কারেক্ট! সেই গ্রামীণ শিল্পীদেরই নিয়ে এসে প্রতিমা গড়াব। মায় প্যা-প্যান্ডেলও সাজাব ওই সব দিয়ে। তার নমুনাও এনেছি।”

    পটলা এবার ঝোলা থেকে বিড়াল বের করার মতো জামার ভিতর থেকে প্লাস্টিকে মোড়া একটা জিনিস বের করে টেবিলে রাখল। অবশ্য তার আগে ঘরের দরজা বন্ধ করে এসেছে। পটলা বলল, “যা দেখছিস, কাউকে বলবি না। একদম চুপচাপ থাকিস।”

    মোড়ক খুলতে দেখা গেল কয়েকটা চিনির তৈরি মঠ, গণেশমূর্তি, মন্দিরের চুড়ো। ফুটকড়াই ভাজার সঙ্গে রঙিন চিনির তৈরি ছোট বড় এই সব মঠও দোকানে বিক্রি হয়। মঠগুলো দেখিয়ে পটলা বলল, “এইসব ক্ষুদ্র শিল্পই প্রমাণ করার জন্য এবার চিনির বিশেষ ধরনের পাক করে রং দিয়ে মূর্তি তৈরি হবে। আর প্যান্ডেলও সাজানো হবে এই জিনিসের তৈরি নানা পুতুল দিয়ে। জিনিসগুলো বেশ শক্তই। রংটং করলে ভালই লাগবে।”

    হোঁতকা বলল, “চিনির পাকের ঠাকুর হইব! তা মন্দ হইব না। বিসর্জন করার লাগব না। এক-একজন এক-একখানা কইর‍্যা বড়ি খাই লমু। চিনি ফেলতে হইব না। আমাগোর অসুরখানাই দিবি।”

    পটলা বলল, “ওসব পরে ভাবা যাবে। এখন চল, মানকর গিয়ে এসবের কারিগরদের আনতে হবে। তাদের সব প্ল্যান বুঝিয়ে দিতে হবে।”

    আমরা ক’জন ক্লাবের পয়সায় বের হয়েছি মানকরের উদ্দেশে। বর্ধমানে মানকর এককালে বেশ নামী জায়গাই ছিল। আমরা মানকরে এসে ট্রেন থেকে নেমেছি। এদিকটা পুরনো আমলের গ্রাম। বাজারও আছে। আর সেখানে তৈরি হয় বড়-ছোট নানা সাইজের কদমা। ওদিকে বড় চালার নীচে কড়াইয়ে পাক হচ্ছে চিনি। তারা সেই পুরু পাকটাকে ছাঁচে ফেলে রং-বেরঙের সরেস মঠ, ছোট-বড় গণেশ, হাতি, সিংহ, অনেক কিছুই তৈরি করছে। অবশ্য সেই কারিগররা বলল, অনেক পুরনো তাদের এই ব্যাবসা। এ জিনিসের কদর ছিল সারা দেশে। এখান থেকে চালান যেত সব জায়গায়। কিন্তু এখন যুগ আধুনিক হয়েছে, মানুষ এই কদমা-মঠ শিল্পকে আর কদর করে না। এখন এসেছে ভুজিয়া আর নানা ভুজিওয়ালার মিঠাই-প্যাঁড়া। এদের ব্যাবসা এখন লাটে উঠেছে।

    পটলা বলল, “এই মৃতপ্রায় কুটির শিল্পকে তার যোগ্য সম্মান দেওয়ার জন্যই আমরা এই পরিকল্পনা নিয়েছি। আপনাদের কয়েকজনকে কলকাতায় নিয়ে যাব। সেখানে আপনাদের এই শিল্পকে আমরা মাতৃমূর্তির দেবী দুর্গা রূপে কলকাতায় তথা সারা দেশের সামনে তুলে ধরব।”

    ফটিক বলল, “টিভির সাংবাদিকরা তো এখন হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছেন কে নতুন কী করছে? দেখবেন, যা পাবলিসিটি হবে এই শিল্পের, অর্ডার যা আসবে, সামলাতে পারবেন না।”

    ওদিকে হোঁতকা, গোবরা তখন একটা বড় ঠোঙায় বেশ কিছু কদমা-মঠ নিয়ে টেস্ট করতে শুরু করেছে।

    হোঁতকা বলল, “তা মন্দ হইব না। পটলা, তর আইডিয়াখান নতুন হইব মনে হইত্যাছে।”

    ফটিক বলল, “দেখবি, এবার প্রাইজ নিয়ে শেষ করতে পারবি না। জিতা রহো পটলা। যুগ যুগ জিও!”

    কদমা-শিল্পীদের নিয়ে আমরা সেই রাতেই ফিরে এলাম।

    পুজোর এখনও দেরি। তবে আকাশে শরতের রোদ ফিকে হয়ে দেখা দিয়েছে। সন্ধের সময় থেকেই এখানে-ওখানে দু’-একটা ঘুমন্ত শিউলিগাছে ফুলের কুঁড়ি দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে টিভির সাংবাদিকরা বের হয়েছেন। রাস্তাজুড়ে বাঁশ পড়েছে। প্যান্ডেলের কাজ শুরু হয়েছে। ইলেভেন বুলেটস ক্লাবের প্রস্তুতির খবরও আসছে। তবে তাদের থিম সম্বন্ধে এখনও কোনও খবর আসেনি।

    আমাদের ক্লাবের মাঠেও বাঁশ পড়েছে। টিভি চ্যানেল এর মধ্যে পুজোর গণভোট ফোন বা এসএমএস চালু করেছে। ফটিক, গোবরাও ইতিমধ্যে দু’-তিনটে টিভির সাংবাদিককে বেশ কায়দা করে কফি-কাটলেট খাইয়ে পটলার পুজোর ব্যাপারে বাজার গরম করছে। তাদের প্যান্ডেলের কাজও শুরু হয়েছে।

    তবে আমাদের আসল কাজ চলছে গোপনে, পটলাদের বাড়ির বাগানে। সেটা এককালে পটলাদের গোডাউন ছিল। সেই গোডাউনের মধ্যে মন মন চিনি এসেছে। আর শিল্পীরাও বড় বড় কড়াইয়ে চিনির পাক করে এর মধ্যে মা দুর্গার অসুর, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ করছেন। মাটির সিংহের আদলেই চিনির পাক দিয়ে পিস পিস করে সিংহ করেছেন। ওগুলো শুকিয়ে বেশ শক্তপোক্ত হয়ে গেলেই মূর্তিগুলোকে জুড়ে জুড়ে একেবারে জীবন্ত করে তোলা হবে।

    বাতাসে চিনিপাকের মিষ্টি গন্ধ উঠল। পটলা, হোঁতকা এসব কাজের তদ্বির করছে। তবে আমরাও মাঝে মাঝে ওখানে যাই। প্রসাদ হিসেবে তৈরি মুড়কি-মোয়া খেয়ে আবার প্যান্ডেলে আসি। প্যান্ডেল তৈরি হলে সেখানে নানা ধরনের চিনির মূর্তিই বসবে।

    এর মধ্যে টিভিতে প্রচার শুরু হয়েছে, পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব এবার এক লুপ্তপ্রায় গ্রামীণ শিল্পকে থিম করে যা খেল দেখাবে, তাতে নাকি তামাম কলকাতার লোক হাঁ হয়ে যাবে। এর মধ্যে কোনও কোনও সংস্থার শংসাপত্র এসে গিয়েছে। গোটা কুলেপাড়া অঞ্চল কেন, কলকাতার অনেক পুজো কমিটিই ছুটে এসেছে আমাদের প্যান্ডেলে। তবে তারা আমাদের কারখানায় কী হচ্ছে সেটা জানতে পারেনি। তবু হাওয়াতেই আমাদের নাম ছড়িয়ে পড়ছে।

    পুজোর দিন এগিয়ে আসছে। প্যান্ডেলের কাজ শেষ হয়েছে। ওদিকে গোডাউনও ভরতি হয়ে গিয়েছে নানা শিল্পকর্মে। ওঁরা বেশ কয়েকদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাটির বদলে ওই চিনির পাক দিয়ে দারুণ মূর্তি গড়ে তুলেছেন। বিষ্ণুপুরের শিল্পীরা মাটির ফলকে যে শিল্পনৈপুণ্যের পরিচয় দিয়ে ওই টেরাকোটার মন্দির তৈরি করেছিলেন, এই শিল্পীরাও। বেশ কয়েকদিন পরিশ্রম করে তেমনই শিল্পীসত্তার পরিচয় দিয়েছেন ঠাকুর তৈরি করে।

    এইসব ঠাকুরকে, ওই ছবিগুলোকে বাটাম দিয়ে সেট করে সারা প্যান্ডেলে ফিট করে মন্দিরের পরিবেশই রচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে টিভির পরদায় ওইসব শিল্পকলার পরিচয় পেয়েছে কলকাতার মানুষ। সংবাদপত্রে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। আমাদের পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব নাকি মূর্তিশিল্পেও বিপ্লব আনবে।

    পটলা যেন এবার সব প্রাইজই পেয়ে গিয়েছে, এই ভাব এনে বলল, “দেখবি, এই পঞ্চপাণ্ডব ক্লাব এবার টপ!”

    হোঁতকা বলল, “পটলা, এবার বেশ ভাল একখান টুর করতে হইব। কৈলাস-মায়ের দয়ায় ফার্স্ট হইবই। আমাগোর হিমালয়ের টুর করতে হইব।”

    আমরা জানি ঠাকুরমার মত হলে এই টুরও হবে। তাই বডি থ্রো করি ঠাকুরমার কাছে। ঠাকুরমা এর মধ্যে টিভিতে পটলার নাম এবং তার প্রচার শুনেও খুশি। ঠাকুরমা বললেন, “তা যাবি বেড়াতে? সরকারকে বলে দিচ্ছি, টাকা নিয়ে যা। অফিস থেকেই তোদের জন্যে টিকিট করে দেবে। পুজোর পরই তোরা সকলে বের হয়ে পড়বি।”

    হোঁতকা এসব বিষয়ে পটু। সেই-ই বলল, “তাই ভাল ঠাকুরমা। আগে থনে টিকিট কাইট্যা রাখুম।”

    ঠাকুরমা বললেন, “তাই কর।”

    এবার আরও উৎসাহ নিয়েই পুজোর আয়োজন করছি। পুজোর পরই বের হব আমরা হিমালয়ের উদ্দেশে। রাতের অন্ধকারে গোডাউন থেকে ট্রাকবন্দি দেবদেবীর মূর্তিগুলো প্যান্ডেলে এনে দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। শিল্পীরাও অক্লান্ত পরিশ্রম করে মূর্তিগুলোকে যেন প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। দেখে বোঝা যাবে না যে, ওসব চিনির পাক করে তৈরি করা হয়েছে। দেবীমূর্তির গায়ের রংও জোরদার। চোখমুখও জীবন্ত। সিংহ-অসুর যেন প্রাণময়। অসুরের শরীরের মাস্‌লগুলো বর্ণবৈচিত্র্যে জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। গণেশজিকে দেখে এর মধ্যে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ওই শিল্পীদের দিয়ে গণেশ তৈরি করানোর কথা ভাবছে। টিভির পরদায় মঠের মূর্তি দেখে দর্শকরা বিস্মিত। মণ্ডপের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অতীতের বিষ্ণুদেবের মন্দির। সেই যোড়শ শতাব্দী যেন বাস্তবে ফিরে এসেছে।

    এবার পটলা বলল আমাদের, “শিয়োর থাক। সব প্রাইজ আমাদেরই।”

    ষষ্ঠীর উদ্বোধনের দিনই জনারণ্য হয়ে গেল। নামল মানুষের ঢল। পুলিশ এবং আমাদের ভলান্টিয়াররা হিমশিম খাচ্ছে। মনে হচ্ছে সারা কলকাতাই এবার ভেঙে পড়বে পঞ্চপাণ্ডবের প্যান্ডেলে।

    কিন্তু পটলা মানেই প্রবলেম। সেটা আমরা বুঝেও বুঝি না। ভুলই করি বারবার। এবারও সেই প্রবলেমই শুরু হল। আর তা এমন ঘোরালো হয়ে উঠবে আমরা ভাবিনি।

    সপ্তমীর দিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। আমরা ভাবছি পুজোর দিন না মাটি হয়ে যায়! আমরা প্যান্ডেলে বসে আছি। বৃষ্টি শুরু হল। বেশ ভালই বৃষ্টি পড়ছে। আর বৃষ্টিতে এখন কলকাতার দুরবস্থা সবচেয়ে বেশি। এখানে-ওখানে জল জমে যায়। ট্রাম, বাস বন্ধ হয়ে যায়, এসব জানা কথা। কিন্তু বর্ষার মেঘ এভাবে জমাট বেঁধে আসবে তা ভাবিনি। প্রথম দিকে বৃষ্টি জোর এলেও মনে হয়েছিল একটু পরেই থেমে যাবে। কিন্তু ক্রমশ মেঘ যত জমাট বাঁধতে থাকল, বৃষ্টির তেজও তত বাড়তে থাকল। অন্ধকার হয়ে এল চারদিক। রাস্তায় সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড়। কিন্তু বৃষ্টি জোরে নামতেই ক্রমশ রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে গেল। গাড়ি কিছু চলছিল, রাস্তাঘাটে জলও ক্রমশ বাড়ছে। আমরা প্যান্ডেলে রয়েছি। বেশ শক্তপোক্ত প্যান্ডেলই করা হয়েছে। ত্রিপলও দেওয়া হয়েছে ভালভাবে।

    হোঁতকা বলল, “হেভি রেন হইতাছে রে! এক্কেবারে বর্ষার মতোই।”

    ফটিক বলল, “শারদ মেঘ গর্জতি, ন বৰ্ষতি। শুধু গুড়গুড় করবে। দেখবি বৃষ্টি হবে না।”

    পটলা আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তখন প্যান্ডেলে পুরোহিতমশাই পুজোর আয়োজন শুরু করেছেন। যথাবিহিত সপ্তমী পুজো তো করতেই হবে। পুরোহিত, কয়েকজন লোক আর ঢাকিরাই রয়েছেন। ওদিকে বসে আছি আমরা।

    আমাদের অঞ্চলটা বেশ নিচু। ওদিকের বড় রাস্তার ওপাশের জল এদিকে আসতে শুরু করেছে। বলতে গেলে সারা এলাকার বৃষ্টির জমা জল এদিকে ধেয়ে আসছে। রাস্তা ছাপিয়ে জল আসছে মাঠে এবং তা পুকুরের চেহারা নিচ্ছে। ওদিকে ঠাকুরমশাই মন্ত্র পড়ছেন। মায়ের পুজো নামেই হচ্ছে মাত্র। ধূপ-দীপ জ্বলছে আর তেমনই বৃষ্টির দাপট। মুষলধারায় একটানা চলছে বৃষ্টি। চারদিক আবছা হয়ে গিয়েছে বৃষ্টিতে। মাঠে তখন বৃষ্টির জল গোড়ালি ছাপিয়ে উপরে উঠতে শুরু করেছে। একদিকে মাঠের জল, তার উপর প্যান্ডেলের মাথা থেকে ত্রিপলের ফুটোফাটা দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে শুরু করেছে।

    আমরাও এবার সচকিত হয়ে উঠেছি। ওদিকে ত্রিপলের ফাঁক দিয়ে জল পড়ে চিনির পাকের তৈরি মূর্তি তখন গলতে শুরু করেছে। পটলা চিৎকার করল, “ড-ড-ডেকোরেটর্সের লোকজনদের ডাক। কোথায় তারা?”

    তখন দেখা গেল প্যান্ডেলের নীচের কাঠ ভিজে সপসপ করছে। এখান-ওখান দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছে। এর উপর জলের ঝাপটা। নীচে তখন হাঁটু পর্যন্ত জল।

    ঘণ্টাখানেক কেটে গিয়েছে। বৃষ্টি থামার নাম নেই। প্যান্ডেল ফাঁকা, লোকজন নেই। নীচে জল থইথই করছে। একটা হাঁড়ি ভেসে চলেছে। প্যান্ডেলের শতছিদ্র অবস্থা। আর সেইসঙ্গে গলে পড়ছে এতদিন ধরে গড়ে-তোলা চিনির কাজগুলো। হঠাৎ প্রচণ্ড একটা শব্দে তাকিয়ে দেখলাম, দেবীমূর্তির মাথার উপর প্যান্ডেলে প্রচুর জলের চাপ রাখতে না পেরে বাঁশটাই মড়মড় করে ভেঙে গেল এবং ত্রিপল ছিঁড়ে সমেত পড়ল একেবারে চিনির তৈরি দেবীমূর্তির উপর। সঙ্গে সঙ্গে বেশ খানিকটা গলে গিয়ে পুরো কাঠামোটাই কাত হয়ে গেল। সিংহ আর অসুরের অবস্থাও প্রায় এক। যে-কোনও সময় পুরো প্যান্ডেলটাই কাত হয়ে যাবে।

    আমি চিৎকার করলাম, ‘পটলা, হোঁতকা বেরিয়ে আয় ঠাকুরমশাইকে সঙ্গে নিয়ে। না হলে চাপা পড়বি।’

    হাঁটুজল তখন কোমরের দিকে উঠছে। সারা প্যান্ডেলটাই পরিণত হয়েছে একটা পুকুরে। কোনওমতে জল টপকে ভাঙা বাঁশ-ত্রিপল সরিয়ে বের হয়ে এলাম। একটু পরেই প্যান্ডেলটা মড়মড় করে ভেঙে পড়ল। পুরো প্যান্ডেলটাই তখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টি তখনও সমানে চলছে। সপ্তমীর দিনই আমাদের প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেল। শুধু বিসর্জনই নয়, সর্বনাশই ঘটে গেল।

    আবার আমরা ছোট করে পুজো শুরু করলাম আমাদের ক্লাবের ভিতর। ওখানটা বেশ উঁচু। এবার পটলার থিমপুজোর ভূত ঘাড়ে চেপেছিল। পটলা থিম নিয়েই মেতেছিল প্রাইজ পাওয়ার জন্যই। বিশাল প্যান্ডেল করেছিল ওই মাঠে যেটা আগে ছিল নিচু জলাশয় বা হোগলা বন, এখন কলকাতায় জনসংখ্যা বাড়ার ফলে ওই সব জমিও লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়ে গিয়েছে। সেই জমি এখন কর্পোরেশনের বিচিত্র নিকাশি ব্যবস্থার ফলে হাঁটু পর্যন্ত জলে ডুবছে। আমাদের ঠাকুরেরও এবার অকাল বিসর্জন হয়ে গেল।

    ফটিক বলল, “কলিযুগে বিচিত্র সব ঘটনা ঘটে রে!”

    হোঁতকা ওদিকে চুপচাপ বসে ছিল। জামা-প্যান্ট সব ভিজে গিয়েছে। মাথার চুলগুলো উসকোখুসকো। ভিজে কাকের মতো চেহারা। হোঁতকা বলল, “ক্যান?”

    ফটিক বলল, “রামচন্দ্র বসন্তকালের বদলে শরৎকালে দুর্গাপুজো করেছিলেন। আর পটলা অকালে বিসর্জন করে দিল মায়ের।”

    গোবরা ফুট কাটল, “খুবই অশুভ ব্যাপার। পটলার গ্রহযোগ খুবই গড়বড়ে। ওর কুষ্ঠিতে ছিল, পুজোয় এমন ঘটবে। যেন এর চেয়ে খারাপ না হয়।”

    আমরা দেখছি ওই ধ্বংসস্তূপের দিকে। এতক্ষণে যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। আমাদের প্যান্ডেল তখন ভাসমান। বাঁশ-ত্রিপল তখন কাত হয়ে পড়েছে জলে। প্রতিমার সাজপোশাক জলে ভেসে চলেছে। ঘট তখন জলের তলায়।

    আমি বললাম, “বিপদের আর কিছু বাকি নেই। এখন কী হবে?”

    বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। জলস্রোত তখনও কলকল করে বয়ে চলেছে। এবার দেখলাম, এদিক-ওদিক থেকে কৌতূহলী জনতা এসে জুটেছে। এসেছে ইলেভেন বুলেটসের ছেলেরাও। তাদের প্রতিমার তেমন কোনও ক্ষতিই হয়নি। শুভ বলল, “এ কী থিম করলি রে পটলা যে, জলে ভেসেই গেল!”

    পটলা তখন চুপ হয়ে গিয়েছে। অবশ্য খবরটা পটলাদের বাড়িতে পৌঁছতেই এবার ওদের সরকারমশাই লোকজন নিয়ে হাজির হয়েছেন। মোবাইলে কথা বলছেন ডেকোরেটর্সের সঙ্গে। আমরা যেন শবদাহের পর নীরব শ্মশানে বসে আছি। মুখ্য ভূমিকায় এখন সরকারমশাই আর তার কারখানার লোকজন। বৃষ্টি থামতেই এবার ডেকোরেটর্সের লোক এসে ক্লাবের পাশে উঁচু জায়গায় ছোটখাটো প্যান্ডেলও করে ফেলল। আর ঘণ্টা কয়েকের মধ্যে এসে পড়ল কুমোরটুলিতে পড়ে থাকা একটা ছোট্ট প্রতিমা। ভাল প্রতিমা আর নেই। আমরা এতক্ষণ ওই বিপর্যয়ের পর একেবারে হতাশ হয়ে বসে ছিলাম।

    এবার এদের উদ্যোগ-আয়োজন দেখে তেড়েফুড়ে উঠে হোঁতকা বলল, “পটলা, বৃষ্টির সামনে আমাগোর লড়াই শেষ হয়নি। আবার ফাইট করতি হইব।”

    পটলা এবার সরকারমশাইয়ের দিকে তাকাল। সরকারমশাই বললেন, “বড়মা সব শুনেটুনে হুকুম দিয়েছেন, নতুন প্যান্ডেল করে নতুন মূর্তি এনে আবার পুজোর ব্যবস্থা করতে হবে। মায়ের পুজোয় যেন কোনও ব্যাঘাত না হয়।”

    পটলার মুখে যেন আবার হাসি ফুটল। নতুন প্রতিমা নামানো হচ্ছে ট্রাক থেকে। তখন জল অনেক কমে গিয়েছে। মেঘের ফাঁক দিয়ে বিকেলের সূর্যের সোনালি আভা পড়েছে বর্ষণসিক্ত গাছগাছালিতে, ওই ধ্বংসস্তূপে। পটলাও তেড়েফুঁড়ে উঠল।

    গোবর্ধন জয়ধ্বনি দিল, “দুর্গা মাতা কি জয়!”

    এর মধ্যে ইলেকট্রিশিয়ানও এসে গিয়েছে। নতুন প্যান্ডেলের জাঁকজমক তেমন নেই। তবু সেখানে আলো জ্বলে উঠল। ঢাকিরা ওদিকে মুখ বুজে বসে ছিল। পুজোর প্রথম দিনই এভাবে অকালবিসর্জন হবে তা ওরাও ভাবেনি। ওরা ভাবছিল ওদের লোকসানের কথা। ওরাও এবার নতুন মণ্ডপে প্রতিমা প্রতিষ্ঠা হতে দেখে ঢাক-ঢোল-কাসি নিয়ে বাদ্যি শুরু করল।

    আশপাশের লোকজনও অবাক হল। তারা ভেবেছিল পঞ্চপাণ্ডব ক্লাবের অকালবিসর্জন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আবার নতুন প্রতিমা এনে যথারীতি পুজোও শুরু করেছে দেখে এবার অনেকেই আসতে শুরু করল।

    কিছুক্ষণ আগে আমরা বাড়ি গিয়ে জামাপ্যান্ট বদলে কিছু খেয়ে আবার মণ্ডপে এসেছি।

    পটলা বলল, “না রে, থিমপুজো করে বাজে খরচাই করেছি। এবার আসল পুজোই করব আমরা।”

    ওই অকালবর্ষণে এলাকার গরিব মানুষ রাস্তার ধারে যারা ঝুপড়িতে থাকে, তাদের অবস্থা খুবই করুণ। এসব মানুষের জন্য পটলার ঠাকুরমা এবার ঢালাও অন্নবস্ত্রের ব্যবস্থা করেছেন। সারা মাঠ জুড়ে শুরু হয়েছে তাদের জন্য অন্নসত্র। অনেক মলিন সর্বহারার মুখে অন্নের ব্যবস্থা করেছেন ঠাকুরমা।

    পুজোর ক’দিন ওদের আর অন্নচিন্তা করতে হবে না। তাই তারা ক’দিন এই আনন্দ উৎসবে সামিল হতে পেরেছে।

    ছোট অনাড়ম্বর মণ্ডপ, নেই থিমের সেই প্রচার, সেই অপার বর্ণবৈচিত্র্য। সাবেকি একটা মাতৃমূর্তি। ওই হাজার সর্বহারার হাসির আভা যেন ফুটে উঠেছে ওই মাতৃমূর্তিতে। পটলা বলল, “মনে পড়ে সেই কবিতা;

    দ্বারে যদি থাকে দাঁড়াইয়া

    ম্লান মুখ, মলিন বিরস

    তবে মিছে সহকার শাখা

    তবে মিছে মঙ্গল কলস।”

    হোঁতকা বলল, “না, মাঝে মাঝে তর মাথায় ভাল আইডিয়া আইসে। এবার নতুন স্টাইলে পুজো করছিস। এটাও ভালই।”

    এবার আমরা কোনও পুরস্কার অবশ্য পাইনি। তবে একটা তৃপ্তির আভাস দেখেছি ওই হাজারও মানুষের মুখে-চোখে। মনে হয়, এটা ওই পুরস্কারের চেয়ে অনেক বড়!

    ৫ অক্টোবর ২০০৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)
    Next Article আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    Related Articles

    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 18, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    পৌলোমী সেনগুপ্ত

    আনন্দমেলা গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত

    September 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }