Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর – আবুল মনসুর আহমদ

    লেখক এক পাতা গল্প925 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. ওযারতি লস্ট

    ওযারতি লস্ট
    সাতাইশা অধ্যায়

    ১. সুহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার বিপদ

    ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসের শেষদিকে মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠিত হয়। আওয়ামী লীগ পার্টির দলত্যাগী কতিপয় সদস্য, গণতন্ত্রী দলের কর্মকর্তা এবং বামপন্থী হিন্দু সদস্যদের কতিপয় লইয়া আইন-পরিষদের মধ্যেও জন-ত্রিশেক সদস্যের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠিত হইল। এঁদের সকলেই আতাউর রহমান মন্ত্রিসভার সমর্থক ছিলেন। আওয়ামী লীগের সহিত ঝগড়া করিয়া মওলানা ভাসানী এই নূতন দল করায় এই দল সরকার-বিরোধী হইবে, স্বভাবতঃই লোকের মনে এই আশংকা হইল। ন্যাশনাল এসেন্নির একজন আওয়ামী সদস্য এই নতুন দলে যোগ দেওয়ায় কেন্দ্রেও আওয়ামী লীগ অন্ততঃ এক ভোটে দূর্বল হইল, এটাও লোজনের চোখ এড়াইল না। জুন মাসের শেষ দিক হইতেই কেন্দ্রে শহীদ মন্ত্রিসভার পনের গুজব কোথা হইতে যেন রটান হইতেছিল। আওয়ামী লীগের এই ভাংগনে এবং আইন-সভায় আওয়ামী লীগের শক্তি হ্রাসের ফলে এই গুজবে আরও ইন যোগান হইল। অনেকগুলি উপ-নির্বাচন সামনে লইয়াই মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগকে এই আঘাত করিয়াছিলেন। তার কয়েকটিতে মওলানা নিজস্ব প্রার্থী খাড়া করিয়া আওয়ামী লীগের মোকাবিলাও করিলেন। কিন্তু সব কয়টিতে আওয়ামী লীগ জিতিল। কাজেই আইন সভার বাহিরে আপাততঃ কোনও বিপদ নাই, আমাদের এবং লোকজনেরও এই আশা হইল। কিন্তু মন্ত্রিসভার বিপদ ঘটে নাই। বিশেষতঃ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বিপদ।

    সুহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার পতনে আর কোনও ক্ষতি না হউক যুক্ত নির্বাচন-প্রথার ভিত্তিতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচন বানচাল হইবে এবং তাতে প্যারিটি-শৃংখলিত পূর্ব পাকিস্তানের সমূহ ক্ষতি হইবে, একথা চিন্তা করিয়া পূর্ব-বাংলার জনসাধারণ, বিশেষ করিয়া কৃষক-শ্রমিক পার্টির অধিকসংখ্যক মেম্বর, বিচলিত হইলেন। হক সাহেব তখন পূর্ব-পাকিস্তানের গবর্নর। সুহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার শক্তিহ্রাস ও পতনের সম্ভাবনায় তিনিও বিচলিত হইলেন। শহীদ সাহেবের সহিত তাঁর বহুদিনের ব্যক্তিগত শত্রুতার কথা ভুলিয়া তিনি তাঁর কৃষক-শ্রমিক পার্টির মেম্বারদের শহীদ সাহেবের সহিত আপোস করিবার উপদেশ দিলেন। তাঁদের একদল প্রতিনিধি করাচি গিয়া প্রধানমন্ত্রীর সহিত আলোচনা করিলেন। সুহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার ও আওয়ামী লীগের আসন্ন বিপদের অতিরিক্ত সুযোগ লইয়া তাঁরা একটু বেশী দাম হাকিলেন। সাবেক যুক্তফ্রন্টের পযিশনে ফিরিয়া যাইবার দাবি করিলেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মুজিবুর রহমান ও আমি এই আলোচনায় শরিক ছিলাম। শহীদ সাহেব আশাতিরিক্ত কুটনৈতিক ভাষায় তাঁদেরে বিদায় করিলেন। তাঁর উপর মুজিবুর রহমান তাঁদের সাথে ভাল ব্যবহার না করায় তাঁরা স্বভাবতঃই রাগ করিয়া ফিরিয়া আসিতেছিলেন। আমি নিতান্ত বন্ধভাবে তাঁদেরে তাঁদের চড়া দাবি ত্যাগ করিয়া বাস্তববাদী হইতে উপদেশ দিলাম। প্রতিনিধি দলের মধ্যে অ-মেম্বর আমার বিশেষ বন্ধু মিঃ রেযায়ে-করিমও ছিলেন। তিনি আমার কথার মর্ম বুঝিলেন। ঢাকায় ফিরিয়া আসিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এই আপোস-ফরমূলার অনুমোদন চাহিলেন। কৃষক-শ্রমিক পার্টির মধ্যে ভাংগন আসিল। জনাব আবু হোসেন সরকারকে অপসারিত করিয়া তাঁর স্থলে মিঃ সৈয়দ আযিযুল হককে (নান্না মিয়া)। পার্টির নয়া লিডার করা হইল। আওয়ামী লীগের সহিত আপোস বিরোধীরা সরকার সাহেবের নেতৃত্বে আলাদা পার্টি করিলেন।

    ২. আত্মরক্ষার চেষ্টা

    এরপর আওয়ামী লীগ পক্ষ হইতে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাপ-আলোচনা চালান হইল। লিডারের অনুমতিক্রমে আমি ঢাকা আসিলাম। আতাউর রহমান, মুজিবুর রহমান, মানিক মিয়া ও আমি সকলেই আলোচনায় অংশ গ্রহণ করিলাম। মানিক মিয়া ও আমি চৰ্বিশ ঘন্টা ব্যস্ত থাকিলাম। বন্ধু রেযায়ে-করিমের বাড়িতে রোজ রাত্রে আলাপ-আলোচনা চলিতে লাগিল। কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতারা বিশেষতঃ নান্না মিয়া ও মোহন মিয়া প্রশংসনীয় বাস্তব-বুদ্ধির পরিচয় দিলেন। এরূপ বিনাশর্তে তাঁরা আওয়ামী লীগ কোয়েলিশনে যোগ দিতে রাযী হইলেন। কথা হইল লিডারের পছন্দমত কে, এস, পি.র দুই-একজনকে মন্ত্রী নিবেন। আগামী নির্বাচনে কৃষক-শ্রমিক পার্টি তাঁদের মনোনীত প্রার্থীর তালিকা লিডারের নিকট পেশ করিবেন। লিডারের সিলেকশনই চূড়ান্ত বলিয়া গৃহীত হইবে। এই কোয়েলিশনের ফলে এই মুহূর্তে অন্ততঃ ত্রিশ পঁয়ত্রিশ জন (চল্লিশও হইতে পারে) মেম্বর আওয়ামী কোয়েলিশনে যোগ দিবেন। তাতে আতাউর রহমান সরকারের স্থায়িত্ব নিরাপদ হইবো ন্যাপ দলের অনিশ্চিত সমর্থনের কোনও দরকারই থাকিবে না। অধিকন্তু আওয়ামী লীগ কোয়েলিশন নিরংকুশ মুসলিম মেজরিটির দল হইবে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় এরও প্রয়োজন দেখা দিয়াছিল। এই ভাবে সব ঠিক হইয়া যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় আসিলেন। গবর্নমেন্ট হাউসে উঠিলেন। তাঁর কাছে আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করিলাম। কিন্তু বলিলেন : কৃষক-শ্রমিক পার্টিকে কোয়েলিশনে আনিয়া এটাকে নিরংকুশ মুসলিম মেজরিটির দল করিতেছি দেখিয়া হিন্দু মেম্বররা তুল না বুঝেন, সে জন্য তাঁদের মত লওয়া আমি উচিৎ মনে করি। আমরা সোল্লাসে তাতে সায় দিলাম। কারণ আমরা ইতিমধ্যেই আলোচনার গতিধারা সম্বন্ধে হিন্দু মন্ত্রীদের অবহিত করিয়া রাখিয়াছি। তাঁরা জানিতেন কৃষক শ্রমিক পার্টি আওয়ামী লীগের মতই সেকিউলারি দল। কাজেই তাঁদের কোন আপত্তি ছিল না। লিডার হিন্দুদের মধ্যে ধীরেন বাবু ও মনোরঞ্জন বাবুর সাথে আমাদের সামনেই আলোচনা করিলেন। তাঁরা সাগ্রহে এ ব্যবস্থায় সম্মতি দিলেন। তফসিলী হিন্দু মন্ত্রীদ্বয়ের মত আছে, তাও লিডারকে জানান হইল। তিনি প্রধানমন্ত্রী আতাউর রহমানকে বলিয়া দিলেনঃ ‘সবঠিক হইয়া গেল। এখন ব্যবস্থার ব্যবস্থা কার’ মানে কবে-তক কাকে কাকে মন্ত্রীর শপথ দেওয়া হইবে তার ব্যবস্থা কর, আমি এই কথাই বুঝিলাম। কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতাদেরেও তাই বলিয়া দেওয়া হইল। নান্না মিয়ারা গবর্নমেন্ট হাউসের হক সাহেবের দখলে হাযিরই ছিলেন। তাঁরাও সুখবরটা গবর্নরকে দিতে গেলেন। প্রাইম মিনিস্টার সিলেট ও যশোহর ভ্রমণে গেলেন। আমরাও যার-তার কাজে গেলাম।

    নির্ধারিত দিনে চিফ মিনিস্টারের পলিটিক্যাল সেক্রেটারি মিঃ যমিরুদ্দিন আহমদের বাসায় বৈঠক বসিল। কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতারা তাঁদের সংখ্যা শক্তির প্রমাণ স্বরূপ প্রায় ত্রিশজন মেম্বর লইয়া বৈঠকে উপস্থিত থাকিলেন। আমাদের পার্টির কারো মনে যদি কোনও দ্বিধা-সন্দেহ থাকিয়াও থাকে, তবে তাঁদের এই সংখ্যা শক্তি প্রদর্শনের পরে তাঁদের দ্বিধা নিশ্চয় দূর হইবে এবং আজই কোয়েলিশন ঘোষণা ও ওঁদের মধ্য হইতে দুই-এক জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করা হইবে, এ সম্পর্কে আমার নিজের এবং উপস্থিত অনেকের আর কোনও সন্দেহ থাকিল না। আমাদেরই মনের অবস্থা যখন এই, তখন কে, এস. পি. নেতাদের মনোভাব সহজেই অনুমেয়। আমরা সকলে গলা লম্বা ও কান খাড়া করিয়া প্রাইম মিনিস্টারের অপেক্ষা করিতে লাগিলাম।

    ৩. চেষ্টা ব্যর্থ

    প্রাইম মিনিস্টার আসিলেন। হাসিহীন গম্ভীর মুখে বসিলেন। এটা-ওটা দুই-এক কথা বলিলেন। তারপর বস্ত্রপাতের মত ঘোষণা করিলেন যে প্রস্তাবিত কোয়েলিশন আপাততঃ সম্ভব নয়। পাবলিকও এটা চায় না। তিনি নিজেও চিন্তা করিয়া দেখিয়াছেন, এটা উচিৎ হইবে না। প্রাইম মিনিস্টারের কথায় ফাইনালিটি মানে চূড়ান্তের সুর মালুম হইল। আমি বুঝিলাম ইতিমধ্যে প্রাইম মিনিস্টারকে অন্যরূপ বুঝাইতে কেউ সমর্থ হইয়াছেন। প্রাইম মিনিস্টার আমাদের সুপ্রিম নেতা। তাঁর অনিচ্ছায় কিছু হইবেও না। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কে, এস, পি, র-ও আমাদের দলে আসা উচিৎ নয় তাঁদের মর্যাদার দিক হইতেও না, আমাদের ঐক্য-সংহতির দিক হইতেও না। সুজাং আমাদের এতদিনের চেষ্টা ও পরিশ্রম ব্যর্থ হইল। বুঝিলাম কে, এস. পির সাথে শুধু আপাতত নয়, ভবিষ্যতেও কোনও দিন কোয়েলিশন করার সম্ভাবনা তিব্লোহিত হইল। কিন্তু এসবই আমাদের দিককার কথা। ওঁদের দিককার কথাও ত ভাবিতে হইবে। কে.এস. পি. নেতারা যে নিজেদের দল ভাংগিয়া আমাদের সাথে কোয়েলিশনে তাঁদের মেজরিটি মেম্বরকে রাযী করিয়াছেন, আজ যে তাঁরা ত্রিশ পঁয়ত্রিশ জন মেম্বরকে একত্রে করিয়া আমাদের লিডারের সামনে হাষির করিতে পারিয়াছেন, তার একমাত্র সুস্পষ্ট কারণ এই যে ভীরা নিজেদের সমর্থকদের কাছে প্রাইম মিনিস্টারের-দেওয়া নিশ্চিত পাকা কথাই জানাইয়াছেন। সুহরাওয়ার্দী একবার কথা দিলে তার আর দুল করেন না, এটা সবার স্বীকৃত সত্য। সেই বিশ্বাসেই ঐ মেম্বাররা আজ এখানে উপস্থিত। প্রাইম মিনিস্টার যে-সুরে ও যে-ধরনে কথাটা উড়াইয়া দিলেন, তাতে সকলেই বুঝিলেন তিনি কাকেও কোনও কথা দেন নাই পাকা কথা ত দূরের কথা। আমি কলনা-নেত্রে দেখিলাম, এখান হইতে বাহিরে গিয়াই কে এস পি মেম্বরেরা তাঁদের নেতাদের ধরিবেন। বলিবেনঃ ‘শহীদ সাহেব ত মিথ্যা বলিতে পারেন না। আপনারাই আমাদেরে ব্লাফ দিয়া এতদিন ঘুরাইয়াছেন। আজ এখানে আনিয়া অপমান করিয়াছেন। অনুসারীদের আস্থা হারানো নেতাদের পক্ষে চরম শাস্তি। কে এস পির যে সব নেতা এতদিন আমাদের সাথে বন্ধুত্ব করিবার আন্তরিক চেষ্টা করিলেন, তাঁদেরে বন্ধুত্ব দিতে পারিলাম না বটে, কিন্তু নিজেদের অনুসারীদের দিয়া তাঁদেরে অপমান করাইবার কোনও অধিকার আমাদের নাই। আমার বিবেক চিল্লাইয়া উঠিল : এদেরে অন্যায় অভিযোগ ও অনুচিত, অপমান হইতে বাঁচাও।

    আমি আমার লিডারের আস্থা ও মন্ত্রিত্ব হারাইবার একটা রিস্ক নিলাম। প্রধানমন্ত্রীর, ঐ ধরনের কথার প্রতিবাদে কেউ যখন কথা বলিলেন না, কে এস. পি. নেতাদের যে কথা বলিবার সম্পূর্ণ অধিকার থাকা সত্ত্বেও শুধু ভদ্রতার খাতিরে অথবা বিস্ময়ে বলিতে পারিলেন না, তখন সেই কথাটা বলিবার দায়িত্ব নিলাম আমি। আমি প্রধানমন্ত্রীর পাশ ঘেষিয়া বসিয়াছিলাম। সকলে আমার সরু গলা শুনিতে নাও পারেন সেই আশংকায় আমি ঐ বসা মজলিসেই দাঁড়াইলাম এবং বলিলাম : তবে কি আমরা বুঝিব, প্রাইম মিনিস্টার তাঁর গত কয়দিনের ওয়াদা-প্রতিশ্রুতি হইতে সরিয়া গিয়াছেন? তিনি ইচ্ছা না করিলে কিছু হইবে না ঠিক, কিন্তু এটা সকলের জানা দরকার যে প্রাইম মিনিস্টার কেএসপির সাথে আপোস করিতে চাহিয়াছিলেন এবং তাঁর কথামতই আজ এরা এই বৈঠকে হাযির হইয়াছেন। প্রধানমন্ত্রী আমার কথার প্রতিবাদ করিলেন না? ’হ্যাঁ’ ‘না’ কিছু বলিলেনও না। কিন্তু তাতেই আমার কাজ হইয়া গেল। কৃষক-শ্রমিক নেতাদেরে তাঁদের সমর্থকদের হামলা হইতে বানোই আমার উদ্দেশ্য ছিল। সে উদ্দেশ্য সফল হইল। অতঃপর প্রধানমন্ত্রী করাচি যাওয়ার জন্য বিমান বন্দরেরওয়ানা হইলেন। আমি বুঝিলাম, বিপদ আসন্ন।

    ৪. ইউনিট সম্পর্কে ভ্রান্ত নীতি

    কয়েক মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের আরেক খপ্পরে পড়িলেন। পশ্চিম পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশগুলির জনমত যাচাই না করিয়াই উহাদিগকে ভাংগিয়া এক প্রদেশ করা হইয়াছিল। কাজেই সেখানকার অসন্তোষ ছাই-চাপা আগুনের মত ধিকিধিকি জ্বলিতেছিল। সুহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার আমলে যথেষ্ট দেওয়ানী আযাদির আবহাওয়া বিদ্যমান থাকায় ঐ ব্যাপারে প্রবল জনমত ফাটিয়া পড়িল। জনগণের চাপে আইন-পরিষদের মেম্বাররাও এক ইউনিট ভাংগিয়া প্রদেশগুলির পূনঃ প্রবর্তনের পক্ষে মত দিলেন। এই সময় রিপাবলিকান পার্টিই পশ্চিম পাকিস্তানের রুলিং পার্টি। এই পার্টির এক সভায় জাবেদা ভাবে এক-ইউনিট ভাংগিয়া স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশগুলি পুনঃ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহীত হইল। এই দেখিয়া অপযিশন পার্টি মুসলিম লীগ দলও ঐ একই রকম প্রস্তাব গ্রহণ করিলেন। ফলে পশ্চিম পাকিস্তানের তিনটি পার্লামেন্টারি দল যথা মুসলিম লীগ, রিপাবলিকান ও ন্যাপ সকলেই একমত হইয়া পরিষদে এক-ইউনিট ভাংগার পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণ করিলেন। এক-ইউনিট করার সময় আওয়ামী লীগ উহার বিরোধিতা করিয়াছিল। তাদের যুক্তি ছিল অগণতান্ত্রিক পন্থায় ঐ ব্যবস্থা মাইনরিটি প্রদেশসমূহের উপর চাপাইয়া দেওয়া হইয়াছে। আওয়ামী লীগ বরাবর বলিয়াছে, ব্যাপারটা সম্পূর্ণরূপে পশ্চিম পাকিস্তানীদের ব্যাপার। পূর্ব পাকিস্তানীরা উহাতে সম্পর্কিত শুধু এই কারণে যে যদিও পূর্ব-পাকিস্তানীদের মোকাবিলা পশ্চিম-পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে সংঘবদ্ধ করিবার সংকীর্ণ উদ্দেশ্য হইতেই পাঞ্জাবী নেতারা ও অফিসাররা এই ফন্দি আবিষ্কার করিয়াছিলেন, তথাপি পশ্চিম পাকিস্তানের একটি যোনাল ফেডারেশন-গোছের ঐক্যবদ্ধতা লাহোর প্রস্তাব ভিত্তিক পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের সহিত অচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।

    সুতরাং পশ্চিম পাকিস্তানের সব প্রদেশের সকল দলের নেতারা সেই এক ইউনিট ভাংগিয়া দিবার প্রস্তাব কায় আওয়ামী লীগের এবং পূর্ব-পাকিস্তানীদের স্কুল দৃষ্টিতে খুশী হওয়ার কথা। খুশী হইলামও। কিন্তু আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী সহরাওয়াদী আমাদের বিবেচনায় বিস্ময়কর রূপে উন্টা বুঝিলেন। এ সম্পর্কে কথাবার্তা ও আলাপ-আলোচনা আগে হইতে চলিতে থাকিলেও সরকারী দল, রিপাবলিকান পার্টি ও অপযিশন দল মুসলিম লীগ পার্টি একমত হইয়া যখন ফরম্যালি এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন, তখন প্রধানমন্ত্রী ও আমরা কতিপয় পূর্ব-পাকিস্তানী মন্ত্রী পূর্ব-বাংলা সফর করিতেছি। এই সংবাদ খবরের কাগযে প্রকাশ হওয়ার দুই একদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী করাচি ফিরিয়া গেলেন। পূর্ব-পাকিস্তান হইতে প্রধানমন্ত্রীর বিদায়-উপলক্ষে আমিও মফস্সল হইতে ঢাকায় ফিরিয়া আসিলাম। পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জনাব আতাউর রহমান সাহেবও প্রধানমন্ত্রীর বিদায়-প্রাক্কালে গবর্নমেন্ট হাউসে উপস্থিত থাকিলেন। আমাদের কথাবার্তায় স্বভাবতঃই পশ্চিম পাকিস্তানী নেতাদের ঐ প্রস্তাবের কথা উঠিল। প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ করিলেন যে প্রেসিডেন্টের সহিত তাঁর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত আলাপ-আলোচনা হইয়া গিয়াছে। করাচি ফিরিবার পরই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী একই সময়ে এ বিষয়ে রেডিও ব্রডকাস্ট করিবেন।

    এমন রাজনৈতিক ব্যাপারে মির্যার নাম শুনিয়া আমি ঘাবড়াইয়া গেলাম। কারণ এ ব্যাপারে মির্যা ষড়যন্ত্র করিতেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভূল বুঝাইবার সাধ্যমত চেষ্টা করিতেছেন, এসব কথা আমি অনেকের মুখে, এমনকি কোনও-কোনও সহকর্মী মন্ত্রীর মুখেই শুনিয়াছিলাম। কাজেই আমি স্বভাবতঃই কৌতূহলী হইয়া প্রশ্ন করিলাম : প্রস্তাবিত ব্রডকাস্টে তাঁরা কি বলিবেন? প্রধানমন্ত্রী জানাইলেনঃ প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই ইউনিট ভাংগিবার বিরোধিতা করিবেন। আমার আশংকা সত্য হইল। গবর্নমেন্ট হাউসে উপস্থিত আমরা সকলে সমবেতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে এই ধরনের রেডিও-বক্তৃতা হইতে বিরত থাকিতে অনুরোধ করিলাম। অনেক যুক্তি-তর্ক দিলাম! প্রধানমন্ত্রী অটল রহিলেন। প্রেসিডেন্টের সহিত তাঁর কথা হইয়া গিয়াছে। তাঁর সাথে ত তিনি ওয়াদা খেলাফ করিতে পারেন না। অতঃপর আমরা মির্যার ষড়যন্ত্রের কথা বলিলাম। প্রমাণাদি পেশ করিলাম। তাঁকে খানিকটা নরম লাগিলেও আমার আশংকা দূর হইল না। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে চড়িয়া আমি এয়ারপোর্টতক তাঁর সাথে গেলাম। তাঁর হাত চাপিয়া ধরিয়া কাকুতি-মিনতি করিয়া দুইটা অনুরোধ করিলাম। প্রথম, তিনি কেবিনেটে আলোচনা না করিয়া রেডিও-ব্রডকাস্ট করিবেন না। দুই, করাচি এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলিবেন? এ ব্যাপারে পশ্চিম পাকিস্তানী জনগণের রায়-মতই কাজ হইবে। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ধমক দিলেন : ‘তুমি আমাকে রাজনীতি শিখাইতে আসিয়াছ? কি ভাবে সাংবাদিকদেরে ফেস্ করিতে হয়, তাও তুমি আমাকে শিখাইবে? লিডারকে আমি চিনি। তিনি আমার উপর এমন রাগও করেন, আবার কথাও মানেন। আমি তাঁর ধমকে রাগ বা গোস্বা না করিয়া হাসিয়া বলিলাম : আপনেরে আমি কি শিখাইব? আপনার কাছে আমি যা শিখিয়াছি, তাই আপনেরে স্মরণ করাইয়া দিতেছি মাত্র। তিনি তাঁর স্বাভাবিক আকর্ণ-বিস্তৃত নিঃশব্দ হাসি হাসিয়া বলিলেন : আগের কথা ভুলিয়া যাও আবুল মনসুর, এখন আমি মনে করি, এক-ইউনিট ভাংগিবার অর্থ পাকিস্তান ভাংগিয়া যাওয়া। আমি স্তষ্ঠিত হইলাম। এই ভাষা আমার কাছে চিনা লাগিল। মনে পড়িল প্রেসিডেন্ট-হাউসে প্রেসিডেন্ট মির্যা ও ডাঃ খান সাহেবের মুখে এই ভাষাই শুনিয়াছিলাম। লিডার তবে সত্য-সত্যই মির্যার খপ্পরে পড়িয়াছেন! আমি মির্যার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলিলাম। তার মধ্যে এও বলিলাম যে মির্যা শুধু প্রধানমন্ত্রীকে দিয়াই বক্তৃতা করাইবেন; অসুখ বিসুক বা অন্য কোনও অজুহাতে তিনি গা ঢাকা দিবেন। কথাটা আমি নিতান্ত যিদের বশে বলিলাম। নিজেও ওতে বিশ্বাস করি নাই। কাজেই প্রধানমন্ত্রী আমাকে বধ্যৎবলিয়া উড়াইয়া দিলেন। তবু আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অর্থাৎ বিমানের সিঁড়িতে খানিকদূর আগাইয়া মুসাফের সময় খুব জোরে হাত চাপিয়া বলিলাম : স্যার, আমার অনুরোধ দুইটা রক্ষা করিবেন। তিনি যেন হাতের ধাক্কায় আমার শেষ কথাটা মাটিতে ফেলিয়া দিয়া সেই হাতই আরও উঁচা করিয়া সালাম দিতে-দিতে জাহাজে ঢুকিয়া পড়িলেন। আমি মনে-মনে অস্বস্তি বোধ করিতে লাগিলাম। নিশ্চয় লিডার মির্যার খপ্পরে পড়িয়া একটা কাণ্ড করিয়া বসিবেন। এই সময় আমরা পূর্ব-পাকিস্তানী মন্ত্রীরা প্রায় সবাই টুওরেছিলাম। বন্ধুবর যহিরুদ্দিনকে ব্যাপার বুঝাইয়া করাচি পাঠাইলাম পরদিনই। তিনি মুহূর্তকাল বিলম্ব না করিয়া চলিয়া গেলেন। প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি হইতে টেলিফোনযোগে আমাকে জানাইলেন : আশংকিত বিপদের সম্ভাবনা কতকটা দূর হইয়াছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী জ্বরে শয্যাগত। রেডিও-বক্তৃতা করা সম্ভব নয়।

    কতকটা আশ্বস্ত হইলাম। লিডারের কাছছাড়া না হইতে বন্ধুকে উপদেশ দিলাম। পরবর্তী টেলিফোনেই আবার চিন্তিত হইলাম। যহিরুদ্দিন জানাইলেন, রেডিও পাকিস্তানের যন্ত্রপাতি ও কর্মচারিরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হাযির।

    রেডিওর পরবর্তী বৈঠকেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রচারিত হইয়া গেল। পার্থক্য শুধু এই প্রধানমন্ত্রীরটা তাঁর নিজ গলায়। প্রেসিডেন্টেরটা তাঁর নিজ গলায় নয়। রেডিওর বুলেটিন রিডারের গলায়।

    আশংকা সত্যে পরিণত হইতেছে দেখিয়া টুওর প্রোগ্রাম বাতিল করিলাম। করাচি ফিরিয়া গেলাম। প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলিয়া বুঝিলাম, ওয়ান-ইউনিটের ব্যাপারকে তিনি মূলনীতির প্রশ্ন করিয়াছেন। দৃঢ়-সংকল্প হইয়াছেন। সে সংকল্পের সামনে আমার সমস্ত যুক্তি অর্থহীন হইয়া গেল। তিনি এক কথায় বলিলেন: এজন্য তাঁর মন্ত্রিত্ব গেলেও তিনি পরওয়া করেন না। তাঁর মন্ত্রিত যাওয়া শুধু একটা মন্ত্রিসভার পতন নয়, সাধারণ নির্বাচন ভণ্ডুল হইয়া যাওয়া, একথাও তাঁকে স্মরণ করাইয়া দিলাম। তিনি বলিলেন : আমার আশংকা অমূলক ও অতিরঞ্জিত।

    লিডার এই পথে আরও অগ্রসর হইলেন। পশ্চিম পাকিস্তানের তিনটি পার্লামেন্টারি পার্টিই একমত হইয়া এক-ইউনিট ভাংগিয়া পূর্বতন স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশে ফিরিয়া যাইতে রাখী হইয়াছেন, এটা যে পশ্চিম পাকিস্তানের জনমতের বিরুদ্ধে, তা প্রমাণের জন্য তিনি টুওর প্রোগ্রাম করিলেন। পাঞ্জাব ও বাহওয়ালপুরেই প্রথম সফর। আমরা নিশ্চিত পতনের অপেক্ষায় ঘরে বসিয়া থাকিলাম। প্রতিদিন খবরের কাগযে প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ-লক্ষ লোকের বিরাট জনসভায় প্রাণস্পর্শী বক্তৃতার রিপোর্ট পড়িতে লাগিলাম। সে সব বক্তৃতায় তিনি এক ইউনিট বিরোধীদের পাকিস্তানের অনিষ্টকারী বলিয়া বর্ণনা করিতে লাগিলেন। এইসব সভায় প্রায় সবগুলিই রিপাবলিকান পার্টির মন্ত্রীদের দ্বারা আমাোজিত এবং তাঁদের উপস্থিতিতেই সমবেত। পরে দুই-একজন কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মন্ত্রী কাঁদ-কাঁদ ভাষায় আমাকে বলিয়াছিলেন : ‘আমাদের চেষ্টায় ও টাকায় আয়োজিত সভায় আমাদের টাকায় সজ্জিত মঞ্চে বসিয়া আমাদের-কেনা মালা গলায় লইয়া আমাদের সামনে আমাদেরে দেখাইয়া আমাদের ভোটারদেরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলিয়াছেন : এরা পাকিস্তানেরদুশমন। লজ্জায়-ঘৃণায় আমাদের মাথা হেট হইয়াছে।

    ৫. রিপাবলিকান দলে প্রতিক্রিয়া

    করাচিতে এর ফল ফলিল। প্রেসিডেন্ট আমাকে ডাকিলেন। তিনি কয়েকজন পশ্চিম পাকিস্তানী মন্ত্রীর-লেখা পত্র আমাকে পড়িতে দিলেন। সব কয়টাতেই লেখা, প্রধানমন্ত্রী তাঁদেরে এবং তাঁদের পার্টিকে ট্রেটর বলিয়া গাল দিয়াছেন। এ অবস্থায় তাঁরা এই প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করিতে অনিচ্ছুক। এই সব পত্রে এক-ইউনিট ছাড়াও অন্য ব্যাপারের উল্লেখ বা ইংগিত আছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের প্রতি কবে এমন অভদ্র ব্যবহার করিয়াছিলেন, তারও উল্লেখ আছে। প্রধানমন্ত্রীর রিপাবলিকান দলের বিরুদ্ধে নবাব গুরমানী-পরিচালিত মুসলিম লীগ পার্টির সহিত ষড়যন্ত্রেরও অভিযোগ আছে। প্রেসিডেন্ট ডাঃ খান সাহেব-সহ কতিপয় রিপাবলিকান নেতার টেলিগ্রামও আমাকে দেখাইলেন। তাতে লেখা ছিলঃ তাঁরা সবাই পরের দিন করাচি আসিতেছেন একটা হেস্তনেস্ত করিতে।

    সেদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যুগোশ্লাভ ভাইস-প্রেসিডেন্টের একটা স্টেট রিসেপশন ছিল। পূর্বাহ্নেযুগোশ্লাভিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্টের সহিত প্রেসিডেন্ট হাউসের দুতলায় দরবার হলে আমার ইন্টারভিউ। এটা হওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাথে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আরেকটা কি গুরুতর কাজে ব্যাপৃত থাকায় আমার উপরই এই মোলাকাতের ভার পড়ে। প্রায় দুই ঘন্টা মোলাতের পর নিচে নামিয়া দেখিলাম ডাঃ খান সাহেব, সৈয়দ আমজাদ আলী, তাঁর সহোদর শাহ ওয়াজেদ আলী ও কতিপয় কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মন্ত্রী প্রেসিডেন্টের সহিত দরবার করিতেছেন। আমাকে গোপন করিবার চেষ্টা করিলেন না। বরঞ্চ ডাকিয়া তাঁদের দরবারে নিলেন। প্রেসিডেন্টের সামনেই এবং স্পষ্টতঃ তাঁর অনুমোদনক্রমে বলিলেন, তাঁরা আমাদের লিডারের প্রধানমন্ত্রিত্ব আর সমর্থন করিবেন না, স্থির সিদ্ধান্ত করিয়াছেন। আমার কর্তব্য তাঁকে পদত্যাগ করিতে পরামর্শ দেওয়া। আমি সাধ্যমত তাঁদের সাথে তর্ক করিলাম। যুক্তি তর্ক দিলাম। সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয় বেশ নরম ভাবও দেখাইলেন। কিন্তু অন্যান্যেরা অনমনীয় থাকিলেন। কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী আসিতেছেন। কাজেই ইচ্ছাকরিয়াই আমি দেরি করিলাম। প্রধানমন্ত্রী আসিলেন। প্রেসিডেন্টের সহিত গোপন পরামর্শ করিলেন। আমরা বারান্দায় ও সম্মুখস্থ বিশাল সেহানে পায়চারি করিতে-করিতে গ্রুপ ডিসকাশন করিতে লাগিলাম।

    প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের সহিত আলাপ শেষ করিয়া বাহির হইলেন। সকলের সহিত হাস্য-রসিকতা করিয়া আমার হাত ধরিয়া বাহির হইয়া গাড়ি-বারান্দায় আসিলেন। আমি কোনও প্রশ্ন করিবার আগেই নিতান্ত স্বাভাবিক সহজ গলায় যুগোস্লাভিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্টের সহিত আমার মোলকাতের কথা জিগ্গাসা করিলেন। কি কি বিষয়ে আলাপ হইল, তার খুটিনাটি জানিতে চাহিলেন। আমি নিজের অধৈর্য গোপন করিয়া তাঁর সব কথার সংক্ষিপ্ত জবাব দিয়া আসল কথা পাড়িলাম। প্রেসিডেন্টের সহিত তাঁর কি কথা হইল? তিনি হাতের ধাক্কায় আমার কথাটা উড়াইয়া দিলেন। বলিলেন : ওটা কিছু না, সব মিটিয়া গিয়াছে।

    ৬. সিকান্দরের জয়

    সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী-ভবনে স্টেট-রিসেপশন। অভিজাত জন-সমাবেশ। আলোক মালায় সজ্জিত বিশাল আংগিনা লোকে লোকারণ্য। সবাই আসিয়াছেন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানী মন্ত্রীরা একজনও আসেন নাই। টোটাল বয়কট। কেউ সেটা লক্ষ্য করিবার এবং কানাঘুষা আরম্ভ হইবার আগেই প্রধানমন্ত্রী ফাংশন শুরু করিলেন। উভয় রাষ্ট্র নেই.পরস্পরের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করিয়া বক্তৃতা করিলেন এবং টোস্ট প্রস্তাব ও স্বাস্থ্য পান করিলেন। খাওয়ার ধুম লাগিল।

    কিন্তু সাংবাদিকরা খাওয়ায় ভুলিবার পাত্র নন। তাঁরা তাঁদের কাজ শুরু করিলেন। এ-ওর কাছে, মন্ত্রীদের কাছে এবং বিশেষ করিয়া আমার নিকট, নানারূপ প্রশ্ন করিতে লাগিলেন। বিদেশী সম্মানিত অতিথির সহিত আলোচনায় রত বলিয়া প্রধানমন্ত্রী তাঁদের নাগালের বাইরে। সুতরাং আমাদের উপরই শিলাবৃষ্টি হইতে লাগিল। কি হইল? কেন পশ্চিম পাকিস্তানী মন্ত্রীরা পার্টিতে আসিলেন না। তাঁরা নাকি একযোগে পদত্যাগ করিয়াছেন। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং পদত্যাগ করিয়াছেন কিংবা করিবেন কি না? তিনি নয়া মন্ত্রিসভা গঠন করিবেন কি না? ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন। আসন্ন অবশ্যম্ভাবী বিপদের আশংকায় আমারও বুক কাঁপিতে ও গলা শুকাইয়া আসিতে লাগিল। কিন্তু অতি কষ্টে সব গোপন করিয়া হাস্য-রসিকতা করিয়া সাংবাদিকদের বুঝাইতে চাহিলাম তাঁরা যা শুনিয়াছেন সব ভূল। তাঁরাও ছাড়িবার পাত্র নন। আমিও হারিবাঃ পাত্র নই।

    এমনি করিয়া অনেক রাত হইয়া গেল। আস্তে-আস্তে মেহমানরা এবং ফলে সাংবাদিকরাও চলিয়া গেলেন। থাকিলাম আমরা মাত্র পূর্ব-পাকিস্তানী দুইজন মন্ত্রী মিঃ দেলদার আহমদ ও আমি এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল প্রাইভেট সেক্রেটারি মিঃ আফতাব আহমদ খান। আমাদের সাথে পরামর্শ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর চেম্বারে নিয়া গেলেন। দরজা বন্ধ করিয়া তিনি আমাদেরে প্রেসিডেন্ট মির্যার একটি পত্র দেখাইলেন। তাতে প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান পার্টির অনাস্থার কথা জানাইয়া প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের উপদেশ দিয়াছেন। কিছুক্ষণ পরামর্শ করিবার পর প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের পত্রের জবাব মুসাবিদা করিলেন। আমরা সকলে তাঁর সাথে একমত হইলাম। চিঠি টাইপ হইল। তাতে বলা হইল, প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ডাকুন। পার্লামেন্টের মোকাবিলা না করিয়া প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিতে পারিবেন না। প্রেসিডেন্টের কাছে এই পত্র পাঠান হইল। সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্যও দেওয়া হইল।

    পরদিন রিপাবলিকান বন্ধুরা বলিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর জবাবটা খবরের কাগযে দিয়া সর্বনাশ করিয়া ফেলিয়াছেন; নইলে একটা আপোস-রফা হইতে পারিত। এখন আর তার সম্ভাবনা নাই। কিন্তু আমরা বুঝিলাম ওটা বাজে কথা। পশ্চিমারা জোট বাঁধিয়াছেন। কিছুতেই সুহরাওয়ার্দী সাহেবের প্রাধান্য মানিবেন না। আমরা আভাস পাইয়াছিলাম আগের রাত্রেই। লিডার সত্য-সত্যই গুরমানী-দণ্ডলতানা গ্রুপের উপর রসা করিতেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপে বুঝিলাম, তিনি গতরাত্রের ঐ চিঠির পরে সত্যসত্যই প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র দিয়াছেন। এ সম্বন্ধে বেশী ঘাটাঘাটি করিতে আমাদের মানা করিলেন। আমাকে গোপনে বলিলেন, ঐ পদত্যাগপত্রে কিছু ক্ষতি হয় নাই। কুদ্ধ রিপাবলিকানদের মোকাবিলায় প্রেসিডেন্টের হাত শক্ত করিবার। জন্যই তিনি তা করিয়াছেন। তাঁর কথায় বুঝিলাম, প্রেসিডেন্ট তাঁকে বুঝাইয়াছেন, ঐ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা মানেই মুসলিম লীগর্কে মন্ত্রিসভা গঠন করিতে আহ্বান করা। মুসলিম লীগ মানেই গুরমানী দওলতানা। ‘তোমরা যদি তাই চাও, আমি তাই করিব। প্রেসিডেন্টের এই কথা শুনামাত্র রিপাবলিকানরা প্রেসিডেন্টকে এবং প্রয়োজন হইলে শহীদ সাহেবকে খোশামূদ করিয়া শহীদ সাহেবের মন্ত্রিসভা বজায় রাখবেন।

    লিডারের যুক্তি ও পন্থাটা আমার খুব না পসন্দ না হইলেও আমি ওটা বিশ্বাস করিতে পারিলাম না। কিন্তু দেখিলাম লিডার মির্যার এই আশ্বাসে খুবই বিশ্বাস করিয়াছেন। এতটা বিশ্বাস করিয়াছেন যে তিনি ইতিমধ্যে পোর্ট ফলিও রদ-বদল করিবার চিন্তা, হয়ত বা, আলোচনাও শুরু করিয়াছেন। এমনকি আমাকে শিল্প বাণিজ্যের বদলে ফাইন্যান্স দিলে কেমন হয়, তাও জিগাসা করিলেন। লিডারের শিশুসুলভ সরলতায় দুঃখিত হইলাম। কিন্তু তাঁর আত্মবিশ্বাস দেখিয়া সাহসও পাইলাম। আমি জানিতাম পশ্চিমা সওদাগর-শিল্পপতিদের ঘা কোথায়। বলিলাম : আপনার মন্ত্রিসভার স্থায়িত্বের জন্য পোর্টফলিও কেন আমি মন্ত্রিত্বও ত্যাগ করিতে পারি। সেজন্য আপনি কোনও ভাবনা করিবেন না। কিন্তু কথা এই যে আমি ফাইন্যান্সের জানি কি? লিডাব্রে তাঁর স্বাভাবিক শ্রুতিকটু কিন্তু ধারাল রসিকতায় বলিলেন : ওহহ, যেন মন্ত্রিত্ব নিবার আগে তুমি শিল্প-বাণিজ্যের একটা এক্সপার্ট ছিলে। মাথায় পড়িলে সবই তুমি পারিবে। তাছাড়া আমি আছি তা ধরিয়া নিলাম পোর্টফলিও রদ-বদলের শর্তে লিডার ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকানদের সাথে রফা করিয়াই ফেলিয়াছেন। খুশীই হইলাম। যে কোনও মূল্যে আগামী ইলেকশন পর্যন্ত শহীদ মন্ত্রিসভার টিকিয়া থাকা দরকার। সেই দরকার মন্ত্রিসভায় থাকিয়া ইলেকশনে সুবিধা করিবার উদ্দেশ্যে নয়। কারণ সে রকম সুবিধায় আমি কোনও দিনই বিশ্বাসী ছিলাম না। ১৯৫৪ সালে মুসলিম লীগের অবস্থা দেখিয়া আরও অনেকের সে বিশ্বাস বদলাইয়াছে। তবু যে আমি সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত শহীদ মন্ত্রিসভার স্থায়িত্ব সারা অন্তর দিয়া কামনা করিতাম, তা শুধু নির্বাচন-প্রথার জন্য। অনেক কষ্টে আমরা যুক্ত নির্বাচন প্রথার আইনটি পাস করিয়াছি। শহীদ মন্ত্রিসভার পতনের সাথে-সাথে যুক্ত নির্বাচন-প্রথা বাতিল হইবে, এ সম্পর্কে আমার আশংকার মধ্যে কোনও ফাঁক ছিল না।

    কিন্তু আমার আশংকাই সত্যে পরিণত হইল সন্ধ্যার দিকে। প্রেসিডেন্টের দফতর হইতে পত্র আসিল তিনি প্রধানমন্ত্রী শহীদ সাহেবের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করিয়াছেন এবং নয়া মন্ত্রিসভা গঠিত না হওয়া পর্যন্ত আগের মতই কাজ চালাইয়া যাইতে বলিয়াছেন। লিডার চিরকালের ‘অসংশোধনীয় আশাবাদী। মির্যা তাঁর সাথে চালাকি করিতেছেন এটা তিনি তখনও বিশ্বাস করিলেন না। করিলেও আমাদেরে জানিতে দিলেন না। বিশেষতঃ চুন্দ্রিগড়-দওলানা সকালে-বিকালে লিডারের সাথে যোগাযোগ করিয়া তাঁর মনের ধারণা আরও দৃঢ় করিতে লাগিলেন। বস্তুতঃ এক সন্ধ্যায় লিডার আমাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন। চুন্দ্রিগড় ও দওলতানা আসিবার কথা। বুঝিলাম, লিডার নাহক আশা করিতেছেন না। সন্ধ্যা আসিল, গেল। রাতও আসিল। কিন্তু চুন্দ্রিগড়-দণ্ডলতানা আসিলেন না। অগত্যা লিডারই টেলিফোন করিলেন। কয়েকবার। শেষে যখন তাঁদেরে পাওয়া গেল, তখন তাঁরা বলিলেন, এই আসিতেছেন। আশা করিলাম নিজেদের মধ্যে কথা একদম ফাইনাল করিয়াই আসিতেছেন। ভালই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা আসিলেন না। বোধ হয় পরের দিনের কথা বলিলেন। লিডার আমাকে বলিলেন : ‘আজ যাও, কাল খবর দিব।

    লিডার আর খবর দিলেন না। তবু প্রতিদিনই যাইতে থাকিলাম। প্রধানমন্ত্রীর অনেকগুলি দফতর। তাছাড়া প্রায় সব দফতরের কতকগুলি ফাঁইলে প্রধানমন্ত্রীর ‘এপ্রুভাল’ দরকার। সেগুলিও জমিয়াছিল। প্রধানমন্ত্রী সে সব ফাঁইলের গাদা লইয়া বসিলেন। আমি ব্যাপার অনুমান করিলাম। তাছাড়া লিডারও বলিলেন : ফাইল জমা থাকিলে ডিসপোযসব করিয়া ফেল। এসব ইশারা বুঝিতে বেশী আকেলমন্দ লাগে না। কিন্তু আমার ফাইল বড়-একটা জমা হইত না। সাধ্যমত ঠিক সময়ে ফাইল ডিসপোয-অব করা আমার অভ্যাস। একরূপ বাতিকও বলিতে পারেন। মুত্তাকী মাযী মানুষ যেমন মাযের ওয়াক্ত হইলে নমায় না পড়া পর্যন্ত একটা বেচায়নি বোধ করেন, আমার ছিল তেমনি অভ্যাস। ফাইল পড়িয়া থাকিলে আমার গায় যেন সূড় সূড়ি লাগিত। কোনও অফিসার যদি বলিতেন : সার, আমার ফাইলটা আজও আপনার টেবিলে পড়িয়া আছে, তবে তখন আমি লজ্জা পাইতাম। আমার দুইজন প্রাইভেট সেক্রেটারি ছিলেন, দুই দফতরের জন্য। দুই জনই পুরান অভিজ্ঞ ও অফিসার শ্রেণীর দক্ষ সেক্রেটারি ছিলেন। তাঁরা তৎপরতার সংগে বিভাগীয় প্রতিযোগিতার ভিত্তিতেই যেন যাঁর-তাঁর দফতরের ফাইল ডিসপোষ করাইতেন। ফেলিয়া রাখার উপায় ছিল না। টুওরে থাকিবার সময়ও রাত্রে এবং ট্রেনে-ভ্রমণের সময় সেলুনে এরা ফাইল নিয়া হাযির।কাজেই প্রধানমন্ত্রীর ইশারার উত্তরে আমি বিশেষ ব্যস্ত হইলাম না। তবু কয়দিন নিয়মিত সময়ের বেশী সময় কাজ করিতে লাগিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআয়না – আবুল মনসুর আহমদ
    Next Article আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }