Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান

    নিল গেইম্যান এক পাতা গল্প680 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমেরিকান গডস – ১৫

    অধ্যায় পনেরো

    ঝুলাও আমায়, ফাঁসির কাষ্ঠে; মরে গিয়ে চলে যাব,
    ঝুলাও আমায়, ফাঁসির কাষ্ঠে; মরে গিয়ে চলে যাব।
    করব না রাগ, পার করেছি অনেক লম্বা সময়,
    কবরে শুয়ে রয়েছি অনেক কাল।

    –পুরনো গান

    .

    গাছের সাথে ঝোলার প্রথম দিনটায় কিছুটা অস্বস্তি বোধ করেছিল কেবল শ্যাডো। আস্তে আস্তে সেটা রূপ নিলো ব্যথার, ভয়ের আর মাঝে মাঝে একঘেয়েমি আর নির্লিপ্ততার মাঝামাঝি এক অনুভূতিতে…যেন কিছু একটার অপেক্ষা ঝুলে রইল ও।

    বাতাসও স্থির হয়ে আছে।

    কয়েক ঘণ্টা পর, চোখে লাল আর সোনালি রঙের ঝলকানি দেখতে পেল সে। প্রতিটাই এমনভাবে নড়ছে যেন জীবন্ত!

    আস্তে আস্তে হাত আর পায়ের ব্যথা হয়ে উঠল অসহ্য। নরম করলে, লগব্যাগ করে দুলতে শুরু করে ওর দেহ। শক্ত করলে চাপ পড়ে গলায়, কাঁপতে শুরু করে দুনিয়া। তাই গাছটার কাণ্ডের সাথে নিজেকে আটকে রাখল ও। বুকের ভেতর চাপ অনুভব করছে, হৃৎপিণ্ড সম্ভবত ভুলে গেছে তার কাজ। মাঝে মাঝেই মিস করছে হৃৎস্পন্দন…

    চোখের সামনে এখন নেচে বেড়াচ্ছে নীলকান্তমণি, রুবি আর পান্না। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে লম্বা বিরতি নিচ্ছি দুই শ্বাসের মাঝখানে। পিঠে ঘষা লাগছে গাছের রুক্ষ বাকল। বিকালের শীতলতা কাঁপিয়ে দিচ্ছে শ্যাডোকে।

    ব্যাপারটা একেবারেই সাধারণ, কেউ যেন ওর মনের ভেতরে বলে উঠল। হয় সহ্য করো, আর নয়তো মরো।

    ভাবনাটা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিল ওকে, বারবার কথাটা আওড়াতে শুরু করল ও। মন্ত্র বানিয়ে নিলো যেন।

    ব্যাপারটা একেবারেই সাধারণ। হয় সহ্য করো, আর নয়তো মরো।
    ব্যাপারটা একেবারেই সাধারণ। হয় সহ্য করো, আর নয়তো মরো।
    ব্যাপারটা একেবারেই সাধারণ। হয় সহ্য করো, আর নয়তো মরো।
    ব্যাপারটা একেবারেই সাধারণ। হয় সহ্য করো, আর নয়তো মরো।

    সময় বয়ে চলল, সেই সাথে চলল মন্ত্র জপা। আচমকা শ্যাডোর মনে হলো, কেউ যেন শব্দগুলো পুনরুচ্চারণ করছে! যখন ওর মুখের ভেতরটা শুকিয়ে এলো, যখন জিহ্বা হয়ে গেল সাপের ছেড়ে যাওয়া খোলসের মতো ককর্শ, তখনই কেবল বন্ধ হলে সেই অন্য কারও মন্ত্র জপা। পা দিয়ে ধাক্কা মেরে নিজেকে গাছ থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়াস পেল ও, প্রয়াস পেল বুক ভরে শ্বাস নেবার মতো সোজা হবার।

    বেশ কিছুক্ষণ পর, আবার হাল ছেড়ে দিতে হলো ওকে। আর পারছে না। আবারও ঝুলতে শুরু করল ও গাছ থেকে।

    খিটখিট শব্দ শুরু হলো আচমকা, মনে হলো যেন কেউ একসাথে তীব্র রাগ আর তীব্র আমোদে শব্দটার জন্ম দিচ্ছে। সাথে সাথে মুখ বন্ধ করে ফেলল শ্যাডো, বুঝতে পারছে যে শব্দটার উৎস ও নিজেই। কিন্তু না, তারপরেও বন্ধ হলো না ওটা। তাহলে এই বিশ্বই আমাকে নিয়ে হাসছে, ভাবল শ্যাডো। ওর মাথাটা কাত হয়ে গেছে একপাশে। ‘রাটাটস্ক,’ হঠাৎ কেউ বলে উঠল ওর কানে। নামটা নিজে উচ্চারণ করতে চাইল শ্যাডো, কিন্তু জিহ্বা পারল না ওর আদেশ পালন করতে। আস্তে আস্তে মাথা ঘোরাল যুবক, চোখ পড়ল এক কাঠবিড়ালির ধূসর-বাদামি চোখে। নজরে এলো প্রাণিটার চোখা দুই কান।

    কাছ থেকে দেখলে যে কাঠবিড়ালির চেহারা খুব একটা দৃষ্টি-নন্দন নয়, সেটা সেদিন বুঝতে পারল সে। ইঁদুরের মতো দেখতে প্রাণিটার আচরণে কেমন একটা প্রচ্ছন্ন হুমকির আভা, দাঁত দুটোও বেশ তীক্ষ্ণ মনে হয়। শ্যাডো ভাবল, এখন আমাকে খাবার বা হুমকি মনে না করলেই হয়। কাঠবিড়ালি মাংসাশী প্রাণী হবার কথা না…কিন্তু বিগত কিছু দিনের অভিজ্ঞতায় নিজের জ্ঞানের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলেছে বেচারা…

    ঘুমিয়ে পড়ল শ্যাডো।

    .

    পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় বেশ কবার ঘুম ভাঙ্গল ওর, প্রতিবার ব্যথার দমকে। অশুভ একটা স্বপ্নের মাঝখান থেকে যেন ওকে টেনে তুলল ব্যথা। সেই স্বপ্নে পুনর্জীবিত হয়েছিল মৃত বাচ্চারা, ওদের চোখগুলো ফোলা ফোলা… ঠিক ফুলে ওঠা

    মুক্তার মতো। শ্যাডোর কাছে এসে অনুযোগ করে বলছিল, ওদের প্রতি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে যুবক। একটা মাকড়সা ওর মুখের উপর হাঁটতে শুরু করায় আরেকবার ঘুম ভেঙে গেল ওরা। ওটাকে ঝটকা মেরে ফেলে দিয়ে, আবার ফিরে গেল স্বপ্নে। এবার দেখতে পেল হাতির মাথার এক স্ফীত উদরের লোক। সে বসে আছে একটা বিশালাকায় ইঁদুরের পিঠে, তার একটা গজদন্ত ভাঙা। হাতি- মাথার লোকটা শুঁড় বাঁকিয়ে শ্যাডোকে বলল, ‘তোমার এই যাত্রা শুরু করার আগে আমার সাহায্য চাইলে সম্ভবত কষ্ট কমাতে পারতাম।’ বলেই হাতে তুলে নিলো সে ইঁদুরটাকে। অবাক হয়ে শ্যাডো খেয়াল করল, আকার পরিবর্তন না করেই প্রাণিটা একেবারে ক্ষুদ্র হয়ে গেছে। চারহাতি হাতি-মাথার দেবতা এক হাত থেকে অন্য হাতে নিয়ে লোফালুফি করতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর যখন সবগুলো হাত খুলে দেখাল, তখন একদম অবাক হলো না শ্যাডো…যদিও চারটি হাতই খালি! নিস্পৃহ চেহারায় শ্যাডোর দিকে তাকাল দেবতা।

    ‘শুঁড়ের ভেতর আছে,’ বলল শ্যাডো, মনোযোগ দিয়ে দেখছিল সবকিছু।

    বিশাল মাথাটা নাড়াল হাতি-মাথা দেবতা। ‘ঠিক ধরেছ, ট্রাঙ্কেই আছে। মন দিয়ে শোনো, অনেক কিছু ভুলে যাবে তুমি। অনেক কিছু ফেলে যেতে হবে। তবে এই জিনিসটা কথাটা হারিয়ো না। ঠিক তখনই শুরু হলো বৃষ্টি। ঠান্ডা পানিতে ভেজা শ্যাডোর দেহ কেঁপে কেঁপে উঠল। গভীর ঘুম থেকে এক ঝটকায় পূৰ্ণ সজাগ হয়ে উঠল ও। আস্তে আস্তে কাঁপুনিটা এতটাই তীব্র আকার ধারণ করল যে ভয় পেয়ে গেল শ্যাডো। এমনভাবে যে কারও দেহ কাঁপতে পারে, তা ওর ধারণাতেই ছিল না। প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি খাঁটিয়ে কাঁপুনি বন্ধ করার চেষ্টা করল সে, কিন্তু ব্যর্থ হলো। দেহটা যেন অবাধ্য হয়ে গেছে, কোনো কথাই মানছে না। কাঁপুনির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করল ব্যথা। যেন ছোটো ছোটো অগণিত ক্ষতের জন্ম দিচ্ছে একটা ছুরি। অসহ্য ব্যথা দখল করে নিলো শ্যাডোর সত্তাকে।

    .

    হাঁ করে পড়ন্ত বৃষ্টির ফোঁটা মুখের ভেতরে নেবার চেষ্টা করছে শ্যাডো। ফেটে যাওয়া ঠোঁট আর শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাওয়া জিহ্বা কিছুটা হলেও শান্তি পেল তাতে। সেই সাথে ভিজে গেছে ওকে বেঁধে রাখা দড়িও। আচমকা গর্জে উঠল আকাশ, বজ্রের আলোতে ঝলসে গেল শ্যাডোর চোখ, যেন কোনো অদৃশ্য ইঙ্গিতে আগের চাইতে দ্বিগুণ বেগে পড়তে শুরু করল বৃষ্টি। বৃষ্টির আর রাতের আগমন টের পেয়েই হয়তো বিদায় নিলো ছুরিটা, কমে এলো কাঁপুনি। এখন আর ঠান্ডা লাগছে না শ্যাডোর। উহু, ভুল হলো। ঠান্ডা এখন ওর অংশে পরিণত হয়েছে।

    শ্যাডোকে ঝুলন্ত অবস্থায় রেখে আকাশে নেচে বেড়াচ্ছে বজ্ৰ। গুড়গুড় শব্দ এখন চিরস্থায়ী, বজ্রপাত উধাও হয়েছে। তবে একেবারে বিদায় নেয়নি, এখনও অনেকক্ষণ পরপর চিৎকার করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছে সে। যুবকের দেহকে নিয়ে খেলছে এখন বাতাস, চাইছে ওকে গাছ থেকে টেনে নিচে নামাতে, চাইছে ওর চামড়া তুলে নিতে, হাড়গুলোকে করতে টুকরা টুকরা। শ্যাডোর অন্তরাত্মা বুঝতে পারল, এতক্ষণে শুরু হয়েছে প্রকৃত ঝড়।

    অদ্ভুত এক আনন্দ দখল করে নিলো ওর মন, হাসতে শুরু করল প্রাণখুলে। এদিকে বৃষ্টি যেন প্রতি মুহূর্তে শ্যাডোর দেহকে স্পর্শ করবে বলে পণ করেছে। বজ্রের ইচ্ছা, শ্যাডোর হাসির আওয়াজকে ছাপিয়ে দেবে।

    কিন্তু না, পারল না বজ্ৰ।

    আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠল শ্যাডো। বাঁচছে ও, এর আগে কখনও এভাবে বাঁচেনি।

    যদি মারাও যায়, ভাবল সে। যদি এভাবেই…এখানেই…এখনই মারা যায়, তাহলেও আর আফসোস থাকবে না কোন।

    ‘ওই!’ ঝড়কে চিৎকার করে জানাল সে। ‘ওই! এই যে আমি! এখানে!’

    ফাঁকা কাঁধ আর গাছের কাণ্ডের মাঝে কিছুটা পানি আটকে ফেলল শ্যাডো। এরপর মাথা বাঁকিয়ে পান করে নিলো সেটুকু। প্রতিটা ঢোকের সাথে সাথে ওর হাসি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। নাহ, পাগলামির হাসি নয় সেটা। আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের হাসি। একেবারে শক্তিহীন হবার আগ পর্যন্ত হেসেই চলল সে।

    গাছের গোড়ায়, মাটিতে শুইয়ে রাখা চাদরটা ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আছে ওয়েনসডের মৃত, মলিন হয়ে আসা হাত। সেই সাথে ফুটে আছে তার মাথার অবয়ব। জ্যাকুয়েলের টেবিলে শুয়ে থাকা মেয়েটার কথা মনে পড়ে গেল শ্যাডোর। আচমকা উপলব্ধি করল, ঠান্ডা পরিবেশে থাকা সত্ত্বেও নিজেকে উষ্ণ মনে হচ্ছে ওর, গাছের বাকলকে মনে হচ্ছে তুলোর মতো নরম। আবার ঘুমাল শ্যাডো। এই ঘুমের মাঝে যদি স্বপ্ন দেখেও থাকে, সেটা আর মনে রইল না ওর।

    .

    পরের দিন সকালের কথা, ব্যথাটা আর নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে নেই। এখন সেটা ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেহ জুড়ে।

    ক্ষুধা লেগেছে শ্যাডোর, থেকে থেকে পাকস্থলী খামচে ধরছে ব্যথা। মাথাটা ও দপদপ করছে। মাঝে মাঝে যুবকের মনে হতে লাগল: বুঝি শ্বাস নিতে ভুলে গেছে ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড ভুলে গেছে স্পন্দিত হতে। তখন দম বন্ধ করে ফেলত ও, হৃৎস্পন্দনের আওয়াজ সমুদ্রের ঠেউয়ের মতো কানে আঘাত না করা পর্যন্ত ছাড়ত না।

    শ্যাডোর মনে হতে লাগল, গাছটা বুঝি নরক থেকে স্বর্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। মনে হলো যেন চিরকাল ধরে গাছটা থেকে ঝুলছে ও। মাথার ওপরে গাছটাকে কেন্দ্ৰ করে উড়ে বেড়াচ্ছে বাদামি একটা বাজপাখি। ওর কাছেই, একটা ভাঙা ডালে এসে বসল কিছুক্ষণের জন্য। তারপর আবার উড়াল দিল পশ্চিম দিকে।

    ভোরে বন্ধ হয়ে যাওয়া ঝড়টা আবার ফিরে এলো দিন গড়াবার সাথে সাথে। এদিক-ওদিক…দুই দিগন্তই দখল করে নিলো ধূসর কালো মেঘ। শুরু হলো টিপটিপ বৃষ্টি দিয়ে। শ্যাডোর মনে হলো, গাছের নিয়ে শুইয়ে রাখা দেহটা যেন আস্তে আস্তে নিজে থেকেই কুঁচকে উঠছে।

    কখনও জ্বলছে শ্যাডোর দেহ, কখনও ঠান্ডায় জমে যাচ্ছে।

    বজ্রপাতের শব্দকে ড্রামের আওয়াজ বলে মনে হলো শ্যাডোর। হৃৎপিণ্ডে চলছে ছোটো ড্রামের বাজনা আর মাথার ওপরে বড়ো ড্রামের!

    ব্যথাগুলোকে রং বলে কল্পনা করল ও, লাল-নীল-আর সবুজ। কাঠবিড়ালিটা গাছের কাণ্ড থেকে লাফিয়ে শ্যাডোর কাঁধে এসে নামল। ‘রাটাটস্ক!’ খিটখিটিয়ে বলল প্রাণিটা। ওর জিহ্বাকে স্পর্শ করল কাঠবিড়ালির নাক। ‘রাটাটস্ক।’ আবার লাফিয়ে কাণ্ডে উঠল ওটা। শ্যাডোর মনে হচ্ছে যেন ওর ত্বকে কেউ ছোটো ছোটো পিন দিয়ে খোঁচা দিচ্ছে। অনুভূতিটা অসহ্য।

    পুরো জীবন চোখের সামনে দেখতে পেল সে। আক্ষরিক অর্থেই যেন মাটিতে বিছিয়ে দিয়েছে কেউ। এই তো ওর মা নরওয়ের আমেরিকান অ্যাম্বাসিতে অদ্ভুত দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছে; ওই যে লরা…বিয়ের পোশাকে কী সুন্দর দেখাচ্ছে…

    শুষ্ক ঠোঁটে ফাটল ধরল, হাসছে শ্যাডো।

    ‘হাসছ কেন, পাপি?’ জানতে চাইল লরা।

    ‘আমাদের বিয়ের দিনে,’ উত্তর দিল যুবক। ‘অর্গান-বাদককে ঘুস দিয়েছিলে তুমি। লোকটা কনে হেঁটে আশার সময় সচরাচর যে সুর বাজানো হয়, সেটা না বাজিয়ে স্কুবি ডুর সুর বাজিয়েছিল! মনে আছে?’

    ‘অবশ্যই মনে আছে, প্ৰিয়।’

    ‘তখন তোমাকে খুব ভালোবাসতাম।’

    শ্যাডো টের পেল, লরার নরম আর ভেজা ঠোঁট চেপে বসেছে ওর ঠোঁটে সাথে সাথে বুঝতে পারল, আরেকটা হ্যালুসিনেশন হচ্ছে ওর। ‘তুমি আসলে এখানে নেই, তাই না?’ প্রশ্ন করল সে।

    ‘না,’ উত্তর দিল মেয়েটা। ‘কিন্তু শেষ বারের জন্য আমাকে ডাকছ তুমি। চিন্তা করো না, আসছি আমি।’

    শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এখন শ্যাডোর।

    ‘ঘুমাও, পাপি।’ বলল লরা। তবে কণ্ঠটা নিজের বলে মনে হলো ওর।

    স্ত্রীর কথা শুনল সে, ঘুমিয়ে পড়ল।

    .

    ভারী আকাশে তারচেয়েও ভারী পয়সার মতো ঝুলে আছে সূর্য। শ্যাডো বুঝতে পারল: জেগে আছে ও। ঠান্ডা বাসা বেঁধেছে ওর শরীরে। মস্তিষ্কের যে অংশটা এখনও শক্ত আছে, সেটা যেন অনেকদূর থেকে ফিসফিস করে বলছে ওকে কিছু। সেই অংশটা বুঝতে পারছে, ওর মুখ আর গলা জ্বলছে…ব্যথায় হাল ছেড়ে দিতে চাইছে সবকিছু। দিনের আলোতেই আকাশ থেকে তারা খসে পড়তে দেখছে শ্যাডো। আবার মাঝে মাঝে দেখছে বিশালাকার কিছু পাখি, উড়ে আসছে ওর দিকে। কিন্তু কিচ্ছু ওকে স্পর্শ করতে পারছে না, পারছে না প্রভাব ফেলতে।

    ‘রাটাটস্ক, রাটাটস্ক।’ খিটখিটে কণ্ঠে এখন রাগের ছাপ।

    ধপ করে শ্যাডোর কাঁধে নামল কাঠবিড়ালিটা, তীক্ষ্ণ নখর গেঁথে বসল ওর মাংসে। এক দৃষ্টিতে ওর দিকেই তাকিয়ে রইল প্রাণিটা। শ্যাডোর সন্দেহ হলো, সম্ভবত ভ্রম হচ্ছে। কেননা কাঠবিড়ালি সামনের দুই থাবায় ধরে আছে একটা খেলনা কাপ। ওটাকে শ্যাডোর ঠোঁটের সাথে লাগিয়ে দিল সে। শ্যাডো টের পেল, কাপের ভেতরে পানি রয়েছে! অবচেতন মনেই চুমুক দিল কাপে, পানিটুকু ফাটল ধরা ঠোঁট আর শুষ্ক জিহ্বা ভিজিয়ে দিলো। অল্প যেটুকু বাকি রইল, সেটা গিলে ফেলল ঢক করে।

    গাছে ফিরে গেল কাঠবিড়ালি। এরপর হয়তো সেকেন্ড…মিনিট…বা ঘণ্টা বাদে ফিরে এলো আবার। সময়টা ঠিক ধরতে পারল না শ্যাডো, ওর মনের ভেতরে থাকা ঘড়িটার কল-কব্জা নষ্ট হয়ে গেছে। কাঠবিড়ালিটা আবার ফিরে এসেছে তার কাপটা নিয়ে, এবারের পুরোটা গিলে ফেলল ও।

    কেমন যেন কাদাময়-ধাতব স্বাদ পেল মুখে, অথচ শান্ত হয়ে গেল তৃষ্ণার্ত গলাটা। উন্মাদনা আর ক্লান্তিও যেন দূর হয়ে গেল অনেকটাই।

    তৃতীয় কাপটা পান করার পর, তৃষ্ণা একেবারেই উধাও হয়ে গেল শ্যাডোর।

    আচমকা নড়ে উঠল সে, চেষ্টা করল দড়ির বাঁধনট ছেঁড়ার। ছিলে গেল শ্যাডোর দেহ; নিচে নামার…পালিয়ে যাবার চেষ্টা করল। কিন্তু না, পারল না।

    বেশ দক্ষ হাতে বাঁধা হয়েছে, দড়ি দেখে বোঝাই যায় না ওটা কতটা শক্তিশালী। খুব দ্রুতই আবারও ক্লান্ত হয়ে পড়ল সে।

    .

    আছন্ন অবস্থায় নিজেকে গাছ বলে ভ্রম হলো শ্যাডোর। মাটির অনেক গভীরে চলে গেছে তার শেকড়, গভীরে গেছে সময়েরও…লুক্কায়িত কয়েকটা ঝরনায় গিয়ে শেষ হয়েছে। উর্ডের ঝরনার পানির স্বাদ অনুভব করতে পারছে সে, সেটাকে অতীতের ঝরনাও বলে হয়। মহিলা বিশালাকৃতি, মেয়ে-দানো। সে যে ঝরনাটাকে পাহারা দিয়ে রেখেছে, তাকে ‘কালের জলধারাও বলা হয়’। আরও শিকড় আছে ওর, সেগুলো শেষ হয়েছে অন্যান্য ঝরনায়। এদের মাঝে অনেকগুলোই গোপন। তৃষ্ণা পেলেই শিকড় ব্যবহার করে পানি তুলে নেয়।

    একশটা হাত আছে ওর, প্রতিটা আবার ভাগ হয়েছে শত-সহস্র আঙুলে। সবগুলোই আকাশের দিকে ইঙ্গিত করছে। সারা আকাশের ভার তার কাঁধে।

    ব্যথা একেবারে মিলিয়ে গেছে বলা যাবে না, কিন্তু ব্যথাটা ওকে ভোগাচ্ছে না। ভোগাচ্ছে ওর সাথে ঝুলতে থাকা দেহটাকে। এই মুহূর্তে উন্মাদ শ্যাডো, গাছে ঝুলতে থাকা মানুষটার চাইতে অনেক বড়ো কিছু। যুবক এখন নিজেই ওই গাছ, সেই সাথে ওটার ডালের ফাঁকে ফাঁকে বয়ে চলা বাতাসও। কালো মেঘের ভারে ক্লান্ত আকাশ? সেটাও শ্যাডো। রাটাটস্ক নামের কাঠবিড়ালি, যেটা বারবার আসা- যাওয়া করছে, সেটাও শ্যাডো। একেবারে ওপরের ভাঙা ডালে বসে থাকা পাগলাটে বাজপাখিটাও সে নিজে। গাছের একেবারে হৃদয়ে আবাস গেড়ে বসা পোকাটাও শ্যাডো ছাড়া আর কিছু নয়।

    আকাশের তারাগুলো নড়তে শুরু করেছে। শত হাতের সবগুলো উজ্জ্বল তারার দিকে বাড়িয়ে দিলে ও। হারিয়ে গেল সেগুলো ঔজ্জ্বল্য…

    .

    উন্মাদনা আর ব্যথার মাঝে এলো সুস্থতার একটা মুহূর্ত। শ্যাডো জানে, এই মুহূর্তটা দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে। সূর্যের আলো ওর চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। চোখ মুদল সে, যদি লাভ হয়…

    .

    বেশিক্ষণ বাকি নেই তার জীবনের, শ্যাডো নিজেও জানে ব্যাপারটা।

    চোখ খুলে দেখতে পেল, এক যুবক ওর ডালে বসে আছে।

    ছেলেটার ত্বক গাঢ় বাদামি। কপাল উঁচু, কালো চুলগুলো কোঁকড়ানো। মাথা কাত করে যুবকের দিকে তাকিয়ে রইল শ্যাডো। বুঝতে পারল, ছেলেটা বদ্ধ উন্মাদ।

    ‘তুমি নগ্ন,’ ভাঙা ভাঙা কণ্ঠে বলল পাগল। ‘আমি নগ্ন।’

    ‘তা তো দেখতেই পাচ্ছি।’ কোনোক্রমে বলল শ্যাডো।

    পাগলটা কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল ওর দিকে, তারপর মাথাটা বার বার ঘোরাতে লাগল। অনেকক্ষণ এই কাজ করার পর আচমকা জানতে চাইল, ‘আমাকে চেনো?’

    ‘না।’ উত্তর দিল শ্যাডো।

    ‘আমি তোমাকে চিনি, কায়রোতে দেখেছি। আমার বোন তোমাকে পছন্দ করে।’

    ‘তুমি…’ নামটা ভুলে গেল শ্যাডো। যে গাড়ি চাপা পড়া জন্তু খায়… মনে পড়েছে। ‘হোরাস।’

    মাথা নাড়ল পাগল। ‘হোরাস। আমি সকালে শ্যেন, বিকালে বাজপাখি। আমি তোমার মতোই…সূর্য। আমি জানি রা-এর প্রকৃত নাম। আমার মা বলেছিলেন।’

    ‘ভালো তো,’ নম্র কণ্ঠে বলল শ্যাডো।

    পাগল যুবক তীব্র মনোযোগের সাথে মাটির দিকে তাকিয়ে রইল, বলল না কিছুই। তারপর আচমকা গাছ থেকে নেমে পড়ল।

    পাথরের মতো টুপ করে ডাল থেকে পড়ল বাজপাখিটা, একেবারে শেষ মুহূর্তে ছড়িয়ে দিল ডানা। উড়ে এসে বসল শ্যাডোর কাছের একটা ডালে, তীক্ষ্ণ নখর থেকে একটা খরগোশের বাচ্চা ঝুলছে।

    ‘তুমি ক্ষুধার্ত?’ জানতে চাইল পাগল।

    ‘না,’ বলল শ্যাডো। ‘হওয়া উচিত, তবে আমি ক্ষুধার্ত নই।’

    ‘আমার ক্ষুধা লেগেছে।’ বলে দ্রুত খরগোশটাকে খেয়ে ফেলল সে। কিছুক্ষণের মাঝেই প্রাণিটার হাড় আর চামড়া ছাড়া কিছু বাকি রইল না। খাওয়া শেষে শ্যাডোর দিকে এগিয়ে এলো পাগল, বসল মাত্র এক হাত দূরত্বে। ওর চোখে শূন্য দৃষ্টিতে তাকাল প্রথমে, এরপর সেখানে স্থান করে নিলো সাবধানতা আর যত্ন। পাগলটার থুতনিতে রক্ত লেগে আছে, সেই সাথে বুকেও। হাতের চেটো ব্যবহার করে ওগুলো মুছল হোরাস।

    শ্যাডোর মনে হলো, কিছু একটা বলা দরকার ওর। ‘হেই।’

    ‘হেই,’ বলল পাগলটাও। ডালের ওপর উঠে দাঁড়াল সে, এরপর অন্য দিকে ঘুরে প্রস্রাব করল। তলপেট খালি করল ছেলেটা অনেক সময় ধরে। কাজ শেষ করে আবার শ্যাডোর দিকে ঘুরে বসল।

    ‘তোমার নাম কী?’ জানতে চাইল সে।

    ‘শ্যাডো।’

    মাথা নাড়ল পাগল। ‘তুমি শ্যাডো। আমি আলো। সবকিছুরই শ্যাডো, মানে ছায়া আছে। ভালো কথা, দ্রুতই লড়তে শুরু করবে ওরা। ওদেরকে আসতে দেখেছি।’

    কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর ছেলেটা বলল। ‘তুমি মারা যাচ্ছ, তাই না?’

    শ্যাডোর আর জবাব দেবার উপায় নেই। বাতাসে ভাসল বাজপাখি, আস্তে আস্তে ওপরে উঠে হারিয়ে গেল মেঘের আড়ালে।

    .

    চাঁদের আলো।

    কাশির দমকে কেঁপে উঠল শ্যাডোর অবয়ব, বুকে আর গলায় তীব্র ব্যথা অনুভব করছে সে। শ্বাস টানতে পারছে না।

    ‘হাই, পাপি।’ পরিচিত একটা কণ্ঠ বলল।

    নিচের দিকে তাকাল শ্যাডো।

    চাঁদের আলোয় রুপালি লাগছে চারপাশ। তবে পূর্ণিমা বলে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে চারপাশটা। মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটাকে পরিষ্কার দেখতে পেল শ্যাডো, দেখতে পেল মেয়েটার মলিন চেহারা।

    ‘হাই, পাপি।’ আবারও বলল সে।

    কথা বলতে চাইল শ্যাডো, কিন্তু শব্দের পরিবর্তে বেরিয়ে এলো কফ। বেশ অনেকক্ষণ ধরে কাশল বেচারা।

    ‘শুনে তো খুব একটা ভালো লাগছে না।’ বলল মেয়েটা।

    ‘হ্যালো, লরা। কোনোক্রমে মুখ থেকে বের করল বেচারা।

    মৃত চোখজোড়া তাকাল ওর চোখের দিকে, হাসি ফুটে উঠলে মেয়েটার মুখে।

    ‘আমাকে খুঁজে পেলে কী করে?’ জানতে চাইল ও।

    বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে রইল লরা। তারপর মুখ খুলল, ‘জীবনের কাছাকাছি বলতে একমাত্র তুমিই আছ আমার। তুমিই আমার শেষ আস্থার স্থান, তুমিই একমাত্র রঙিন অংশ। আমাকে চোখ বেঁধে সাগরের গভীরে ফেলে দিলেও, ঠিকই তোমাকে খুঁজে বের করতে পারব। শত শত মাইল মাটির নিচে কবর দিলেও জানব তুমি কোথায় আছ।’

    মেয়েটার দিকে তাকাল শ্যাডো, অশ্রু বেরিয়ে এলো চোখে।

    ‘তোমাকে কেটে নামাব?’ কিছুক্ষণ পর জানতে চাইল লরা। ‘তোমাকে উদ্ধার করতেই আমার অনেক সময় বয়ে যায়, তাই না?’

    আবারও কাশল যুবক। ‘নাহ, এভাবেই রেখে যাও। কাজটা শেষ করতেই হবে।’

    ওর দিকে মুখ তুলে চাইল লরা। মাথা নেড়ে বলল, ‘তুমি আসলে পাগল। মরার জন্য এখানে ঝুলে আছ! বেঁচে থাকলেও, পঙ্গু হবে নিশ্চিত।’

    ‘হয়তো। কিন্তু বাঁচছি বটে।’

    ‘হুম,’ এক মুহূর্ত পর বলল লরা। ‘তা বাঁচছ।’

    ‘আমাকে একটা কথা বলে ছিলে, মনে আছে? গোরস্তানে?

    ‘কয়েক দিন আগের কথাও এখন অনেক বছর আগের কথা বলে মনে হয়, পাপি।’ বলল লরা। ‘এখানে আমার ভালো লাগছে, ব্যথা করছে না আগের মতো। আমার কথা বুঝতে পারছ?’

    আচমকা বেড়ে গেল বাতাসের গতি, লরার গন্ধ নাকে এলো শ্যাডোর: পচে যাওয়া মাংস, অসুস্থতা আর ক্ষয়ের গন্ধ। বাজে, বিকৃত একটা ঘ্রাণ।

    ‘আমার চাকরি চলে গেছে,’ বলল মেয়েটা। ‘রাতের শিফটের কাজ ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ জানালো, মানুষ নাকি অভিযোগ দিচ্ছে। ওদের বললাম, আমি অসুস্থ। কিন্তু পাত্তা দিল না তারা। তৃষ্ণা পেয়েছে খুব ‘

    ‘ওই তিন বোনের কাছে,’ মেয়েটাকে বলল শ্যাডো। ‘পানি আছে। খামার বাড়িতে।’

    ‘পাপি…’ লরার কণ্ঠ ভয়ার্ত শোনাল।

    ‘ওদেরকে বলো…আমি তোমাকে পানি দিতে বলেছি…’

    মলিন চেহারাটা ওর দিকে তাকাল। ‘আমি যাই।’ বলেই মুখ কোঁচকাল লরা। ঘাসের উপর থুথুর সাথে কী যেন ফেলল। মাটিতে পড়ার সাথে সাথে জিনিসটা নড়তে শুরু করল।

    শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে প্রায়। শ্যাডোর মনে হচ্ছে, ওর বুকের ওপর যেন ভারী কিছু একটা বসে আছে।

    ‘থাকো,’ কোনোক্রমে বলল ও। কে জানে, মেয়েটা শুনতে পেয়েছে কি না। ‘দয়া করে যেয়ো না,’ আবারও কাশতে শুরু করল ও। ‘রাতটা থেকে যাও।’

    ‘কিছুক্ষণ থাকি নাহয়।’ বলল লরা। তারপর এমন কিছু কথা যোগ করল, যেগুলো বাচ্চাকে শান্ত করতে মায়েরা বলে থাকে। ‘আমি যতক্ষণ এখানে আছি, ততক্ষণ তুমি নিরাপদ, জানো তো?’

    উত্তর দিতে গিয়ে কেশে ফেলল শ্যাডো। মাত্র এক মুহূর্তের জন্য চোখ মুদল ও, অন্তত নিজে সেটাই ভেবেছিল। কিন্তু যখন চোখ খুলল আবার, তখন চাঁদ বিদায় নিয়েছে।

    একাকী হয়ে গেছে সে…

    .

    দপদপানিটা এখন সহ্যের বাইরে চলে গেছে। এই ব্যথার কাছে মাইগ্রেন কেন, অন্য কিছুই দাঁড়াতে পারবে না। চারপাশের সবকিছু যেন পরিণত হয়েছে ছোটো ছোটো প্ৰজাপতিতে।

    লাশের সাথে জড়িয়ে থাকা চাদরটা পতপত করে উঠছে সকালের বাতাসে। সময় যেন প্রবাহিত হতে ভুলে গেছে, শ্বাস নেওয়ার দরকারবোধ করছে না শ্যাডো। অনুভব করতে পারছে না বুকের ভেতরে হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকানি।

    এবার যে অন্ধকারের মাঝে প্রবেশ করল ও, সেটা গভীর। আলো বলতে একটা মাত্র তারার ঔজ্জ্বল্য।

    এই অন্ধকার…সম্ভবত শেষ অন্ধকার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান
    Next Article নর্স মিথোলজি – নীল গেইম্যান

    Related Articles

    নিল গেইম্যান

    স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    September 5, 2025
    নিল গেইম্যান

    নর্স মিথোলজি – নীল গেইম্যান

    September 5, 2025
    নিল গেইম্যান

    আনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }