Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প566 Mins Read0
    ⤶

    ৫০. সময় পলাতক প্রেমিকের মতো

    ৫০

    সময় পলাতক প্রেমিকের মতো। শরীর আর মনে ক্ষতচিহ্ন এঁকে দিয়ে যায়। পারুরও আজকাল তেমনই মনে হয়। এই যে সময়, আড়ালে-আবডালে কখন যে এত চিহ্ন রেখে গেল, যেন টেরই পেল না সে। অনেক চেষ্টা করেও মাকে আর দেশে আনতে পারেনি। তবে চারু মাঝেমধ্যেই আসে। থাকে তার কাছে। এখনো আছে। এতে অবশ্য পারুর খানিক সুবিধাই হয়। ছায়া-কে নিয়ে তার দুশ্চিন্তা খানিক কমে। তবে মাকে অনেক বুঝিয়েও লাভ হয়নি। তার এক কথা, দেশে যদি ফেরেনই, তবে ঢাকায় বা অন্য কোথাও কেন? তিনি যাবেন ভুবনডাঙায়ই। ভুবনডাঙা ছাড়া বাংলাদেশের আর কোথাও ফিরবেন না তিনি। যদি সম্ভব হয়, মৃত্যুর আগে একবারের জন্য হলেও ভুবনডাঙার ওই উঠোনে দাঁড়াতে চান তিনি। বুক ভরে নিতে চান ফেলে যাওয়া জীবনের ঘ্রাণ। কিন্তু ভুবনডাঙা কী করে ফিরবে পারু? সেই সাধ্য কি তার আছে?

    ছায়া বড় হয়ে উঠেছে। স্কুলেও যেতে শুরু করেছে বেশ কয়বছর। কেমন তরতর করে বেড়ে উঠছে সে। মাঝে মাঝে পারুর বিশ্বাসই হয় না, এ সত্যি সত্যিই তার মেয়ে! তবে ছায়া প্রায়ই কিছু প্রশ্ন করে। সেই প্রশ্নের উত্তর পারুর কাছে থাকে না।

    ‘আমার বাবা কই মা?’

    “বাবা?

    হুম।

    বাবা নেই।’

    ‘নেই কেন?

    ‘বাবা কি সবার থাকে?

    ‘থাকে তো।

    ‘কে বলল?

    ‘কেউ বলেনি।

    তাহলে?

    স্কুলে দেখেছি।

    কী দেখেছো?’

    “আমার সব বন্ধুদেরই তো বাবা আছে মা।’

    এই কথায় চুপ করে যায় পারু। দীর্ঘ সময়। সে জানে না এই প্রশ্নের উত্তরে সে কী বলবে! মাঝে মাঝে মনে হয় ছায়াকে সব বুঝিয়ে বলে। এই লুকোচুরির জীবন আর ভালো লাগে না তার। সবকিছু ভেঙেচুরে এলোমেলো করে দিতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এইটুকু এক বাচ্চাকে কী বলবে সে? কীভাবে বলবে?

    সবারই বাবা থাকে, এই কথা সত্য না মা। পারু বলে।

    সত্য না?

    উঁহু। কই? আমারও তো বাবা নেই। আছে?

    মায়ের কথা শুনে থমকে যায় ছায়া। আসলেই তো, মায়েরও তো বাবা নেই। তাহলে স্কুলের সবাই যে বলে, তার একারই কেবল বাবা নেই! এ কথা তো সত্য নয়। সে মায়ের এই উত্তরটা স্কুলের বন্ধুদের বলে। কিন্তু তার কথা শুনে সবার সে কী হাসি! যেন এমন বোকা বোকা কথা এ জীবনে আর কখনো শোনেনি তারা।

    ছায়াকে স্কুলে ভর্তি করাতে কিছু সমস্যাই হয়েছিল। তবে সেই সমস্যা মিটিয়েছে তরু। কিছু ভুলভাল তথ্য, লুকোচুরি গল্প তাদের বানাতে হয়েছিল। পারুর অবশ্য এখন এসবে অভ্যাস হয়ে গেছে। তার তো লুকোচুরিরই জীবন।

    তবে আজকাল আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মাঝে মাঝে খুব অবাক লাগে তার! যেন ভুবনডাঙার সেই ফ্রক পরা, বেণি দোলানো মেয়েটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়েই টুপ করে অন্য কোথাও চলে গেছে। তার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে আরেকটি মেয়ে। সেও দেখতে খানিকটা তারই মতো। কিন্তু হুবহু সে নয়। কিন্তু কোথায় গেল সে? কেনই বা গেল? আর গেলেও কিছুই জানিয়ে গেল না কেন?

    নিজেকেই যখন নিজের অচেনা লাগে, অন্য মানুষ মনে হয়, তখন তারচেয়ে দুঃখের বোধকরি আর কিছুতেই নেই। পারুরও মাঝে মাঝে তেমনই মনে হয়। আয়নার সামনে দাঁড়ানো ওই মানুষটাকে ভীষণ অচেনা লাগে। একটু মেদ জমেছে শরীরে। চিবুকের কাছটা ভারী হয়েছে। বয়স কত হলো তার? ছাব্বিশ, না সাতাশ? না আরো বেশি? পারু জানে না। সময়ের হিসেব আর করে না সে।

    সময়ের হিসেব করবে তারা, যাদের জন্য কেউ অপেক্ষায় থাকে। দিন ফুরালে যাদের ঘরে ফেরার তাড়া থাকে। দরজা-জানলা খোলা থাকে। কেউ এলেই বন্ধ করে আড়াল হবে। আপন হবে গোপন কোথাও। আগলে রাখবে বুকের ভেতর। এমন তো কেউ নেই তার!

    ফলে তার সময়ের হিসাব থাকে না। হিসাব থাকে না জীবনেরও। কেবল ওইটুকু এক ছায়া, সে-ই মাঝেমধ্যে তার সামনে জীবনের ধূসর, মলাটবদ্ধ খেরো খাতাটাকে কারণে-অকারণে খুলে রাখে। সেই খাতা থেকে ঘ্রাণ ছড়াতে থাকে। স্মৃতির ঘ্রাণ, প্রীতির ঘ্রাণ। বিভৎস বিস্মৃতির ঘ্রাণ।

    ‘আমার বাবাও কি তবে মরে গেছে মা?

    মরে কেন যাবে?

    কারণ, তোমার বাবা তো মরে গেছে বলে নেই। আমার বাবাও কি তবে…?

    এই প্রশ্নের কি উত্তর দেবে পারু? সে চুপ করে থাকে। কিন্তু ছায়া চুপ থাকে। না। সে সময়ে-অসময়ে, কারণে-অকারণে জীবনের জং ধরা বিস্মৃত অতীতের গহিন কোটর থেকে খুঁড়ে বের করে নিয়ে আসতে থাকে অসংখ্য অস্তগামী দুঃখ। সেসব আবার সজীব হয়। প্রবল আলোয় উদ্ভাসিত করে চারপাশ। তার দগদগে আগুনে দগ্ধ হতে থাকে পারু। তার তখন খুব কান্না পায়। কিন্তু সে কাঁদতে চায় না। আচ্ছা, সত্যি সত্যিই কেমন আছে ফরিদ? কোথায় আছে সে? আছমা আর তার কী হয়েছে? ছেলে, না মেয়ে? নিশ্চয়ই খুব ভালো আছে তারা? প্রবল জোছনায়। ভুবনডাঙায় নৌকা করে ঘুরতে বেরোয় তারা? বৃষ্টিতে ভেজে? প্রবল কুয়াশায় লীন হয়ে থাকে? কেমন আছে ভুবনডাঙা? তাদের ছোট্ট সেই ঘর? ঘরের কোণে আলো? আলোর ভেতর দিন। দিনের ভেতর রাত্রি। কেমন আছে সব?

    ফরিদ কি কখনো কবিতা শোনায় আছমাকে?

    ‘কিছু কিছু কিনে নেই দামে, কিছু কিছু ঘামে, কিছু কিছু মূল্যবিহীন।

    একটা জীবন তবু জানে, কার কাছে রয়ে যায় কতটুকু ঋণ?

    ফরিদ কি জানে কার কাছে কতটুকু ঋণ তার? তার কি একটুও মন খারাপ হয় না পারুর জন্য কান্না পায় না? যখন সে তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যায়, যখন ভুবনডাঙা স্টেশন ছেড়ে চলে যায় সন্ধ্যার ট্রেন, যখন দূর কোথাও থেকে ভেসে আসে মন কেমনের সুর। তখনো কি তার পারুর কথা মনে পড়ে না? বুকের ভেতরটা হুহু করে ওঠে না? কান্না পায় না? নাকি সব ভুলে সে ডুবে আছে আরেক জীবনের গল্পে। সেই গল্পে কেবল আলো আর আনন্দ। প্রাপ্তি আর পূর্ণতা।

    ওই প্রাপ্তি আর পূর্ণতার গল্প রেখে কে আর শূন্যতার হাহাকার শুনতে চায়? কেউ না।

    পারু দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কখনো লুকায়। তবে কাঁদে না সে। কখনো কখনো চোখের কোণে অশ্রু জমে। সে আঙুলের ডগায় সেই অশ্রু ফোঁটা টুপ করে মুছে ফেলে। কিন্তু কাঁদে না। এই জীবনে আর কখনো কাঁদবে না সে। কেন কাঁদবে? কাঁদলে কী হয়? জগতে এমন কিছু কী আছে, কান্নায় যা বদলে যায়? নেই।

    আর নেই বলেই পারু হয়ে থাকে বুকভার যন্ত্রণার বিষাদিত হাসিমুখ। ওই মুখের আড়ালের গল্পগুলো কখনোই পড়া হয় না কারো। খোলা হয় না সেই সব গল্পের বন্ধ বইয়ের মলাট। সেখানে ক্রমশই ধুলো জমে জমে ধূসর হতে থাকে অনুভবের চোরাগলি। অক্ষর, শব্দ, কথা। কে জানে, কোনো একদিন হয়তো সেই সব অক্ষর মুছে যাবে। শব্দরা হয়ে যাবে নৈঃশব্দ্য। আর পারু হয়ে রইবে অনুভূতিহীন নির্জীব, নিস্তব্ধ এক মানুষ।

    তবে তার এই নিস্তরঙ্গ, নির্বাক জীবনে একদিন অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনা হঠাৎই জাগিয়ে তোলে ধূসর সেই পাণ্ডুলিপি। জীবনের আবছায়া গল্প। সরব হয়ে ওঠে মরা নদী।

    .

    রাত বারোটার দিকে অফিস থেকে খবর এলো এখুনি হাসপাতালে যেতে হবে তাকে। ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে প্রায় বিশজন। সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে তারও প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু এই রাতে এত মানুষকে সেবা দেয়ার মতো ডাক্তার-নার্স হাসপাতালে নেই। ফলে যারা বাড়িতে রয়েছেন তাদেরও জরুরি ভিত্তিতে ডাকা হয়েছে।

    হাসপাতালে গিয়ে রীতিমতো দিশেহারা বোধ করতে থাকে সে। এমন বিভৎস দৃশ্য এর আগে খুব কমই দেখেছে। আহত মানুষের যন্ত্রণা আর নিহত মানুষের স্বজনের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। ডাক্তার, নার্সসহ হাসপাতালের অন্য স্টাফদের ছোটাছুটিতে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাকিটা রাত আর এক মুহূর্তের জন্য কোথাও বসতে পারল না সে। ছোটাছুটি করতে হলো এই বেড থেকে ওই বেড অবধি। এই ছোটাছুটি সহসা শেষ হলো না। দিনের পর দিন চলতেই লাগল। পারু অবশ্য তাতে একটুও বিরক্ত হলো না। বরং সকল কষ্ট-ক্লান্তি ভুলে একটানা কাজ করে যেতে লাগল সে। এই কাজ করতে গিয়েই ঘটনাটা ঘটল।

    সেদিন কেবল জ্ঞান ফিরেছে সাত নম্বর ওয়ার্ডের রোগীর। প্রাথমিক সেবা শুশ্রূষা শেষে তার সঙ্গে কথা বলতে গেল সে। আর তখুনি বুকটা ধক করে উঠল। রোগীর পরিচয় জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল, তার নাম শফি খা। বাবার নাম আশরাফ খাঁ। বাড়ি ভুবনডাঙার পাশের উত্তরপাড়া গ্রামে। পারুর হঠাৎ মনে হলো তার মাথা ঝিমঝিম করছে। শরীর কাঁপছে তিরতির করে। এই লোকটার বাড়ি ভুবনডাঙার পাশে? সে আশরাফ খাঁর ছেলে? বাবার কাছে মানুষটা সম্পর্কে অনেক শুনেছে সে। কিন্তু সেই আশরাফ খাঁর ছেলে এখানে, এই অবস্থায়?

    পরের কয়েকটা দিন পারু যেন আর ঘরেই ফিরতে চাইল না। সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে চাইল এই মানুষটার পাশে। একটু ঘ্রাণ নিতে চাইল ভুবনডাঙার। একটু কথা শুনতে চাইল। বুঝতে চাইল, কেমন আছে সব? সেই ফেলে আসা মনভূমি? সেই স্মৃতির মিনার? সেই ফরিদ? তার নতুন ঘর, গৃহ-গৃহস্থালি? কেমন আছে সব?

    .

    তা সে জানলও। তবে সেই জানা হয়ে উঠল অন্য এক গল্প। তার আগে অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠতে হলো শফিকে। পারু তখনো তাকে কিছুই বলেনি। কেবল যতটুকু সম্ভব সেবা করার চেষ্টা করেছে। তবে সেই সেবায় আর দশজনের চেয়ে যেন একটু বেশিই মায়া ছিল। একটু বেশি যত্নও। তা শফি খাঁ একদিন কথাটা বললও, আপনে যা করলেন, এইটা কেউ কারো আপন মায়ের পেটের ভাইয়ের জন্যও করে না আপা।

    পারু হাসল, ভাই কি শুধু মায়ের পেটেই হয়? তা ছাড়া হয় না?

    ‘তা হয় বইন। তাতো হয়ই। না হইলে কি আর জগৎ-সংসার চলত?

    হুম। তবে আপনাকে এমন আলাদা যত্ন করার একটা কারণও কিন্তু আছে।

    কী কারণ?

    ‘আপনার যে গাঁয়ে বাড়ি, তার পাশের গায়ে আমার এক পরিচিত ছিলেন।

    কী বলেন? নাম কী?

    মহিতোষ স্যার। উনি আমার বাবার কলেজের বন্ধু ছিলেন। ইচ্ছে করেই মিথ্যে কথাটা বলল পারু। কিন্তু তার কথা শুনে যেন চমকে উঠল শফি। বলল, ‘কী বলছেন আপা?’

    হুম। চেনেন ওনাকে?

    জি। চিনি।

    ‘কেমন আছেন ওনারা? বহুদিন কোনো যোগাযোগ নেই।

    এই কথায় চুপ করে রইল শফি। দীর্ঘ সময়। তারপর স্নান গলায় বলল, ‘উনারা তো আর দেশে নাই আপা। প্রায় বছর দশেক আগেই দেশ ছাইড়া চইলা গেছে।’

    ‘কোথায়?

    কলিকাতা। সপরিবারে।

    এরপরের ঘটনাও বলল শফি। তার বাবা আশরাফ খ মারা গেছেন প্রায় বছর পাঁচেক হয়েছে। তবে তিনি যে ওই পরিস্থিতিতেও মহিতোষ মাস্টারের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাঁর সাধ্যমতো ন্যায্য মূল্যে তাঁর জমি কিনেছিলেন, সে কথাও বলল সে। পারু অবশ্য বুঝল না, তার বাবার কাছে ঠিক কী কারণে কৃতজ্ঞ ছিলেন আশরাফ খাঁ। কারণটা সেদিন আর জিজ্ঞেসও করল না সে। তবে সব মিলিয়ে যেন একটা মনখারাপের আবহ তৈরি হলো। পারু অবশ্য ইচ্ছে করেই করল কিছুটা। সে আসলে ভুবনডাঙার কথা জানতে চায়। জানতে চায় আরো অনেক কিছুই।

    ফলে রোজই নানা অজুহাতে এটা-সেটা জিজ্ঞেস করে সে। আর জেনে নিতে থাকে নানা গল্প। সেই সব গল্পে জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, কামাল আর এছাহাকের পালাবদলের ঘটনা যেমন থাকে। তেমনি থাকে ঘটনাচক্রে আছমার খুন হয়ে যাওয়া আর ফরিদের অসমাপ্ত জীবনের বিয়োগান্তক অধ্যায়ও। পারু জানে না কেন, আছমার কথা শুনে আচমকা মেঘের মতো ভারী হয়ে যায় বুক। থমথমে কী ব্যথা জমে থাকে। ওই ব্যথাভার বুক আর হালকা হয় না। আসলেই তো, সময়ের চেয়ে নিষ্ঠুর আততায়ী আর কিছু নেই। কী অবলীলায় সে খুন করে যেতে থাকে কত কত জীবন, সম্পর্ক, পরিচয়, পরিণয়।

    সময় এমন কেন?

    .

    শফি সুস্থ হয়ে গেছে পুরোপুরি। সে চলে যাবে পরদিন ভোরে। রাতে শেষবারের মতো তাকে দেখতে এলো পারু। পরদিন ছায়ার স্কুলে বিশেষ অনুষ্ঠান থাকায় ছুটি নিয়েছে সে। কিন্তু একটা প্রশ্ন বেশ কিছুদিন ধরেই খচখচ করছিল তার মনে। কিন্তু করা হয়নি। আজ শেষ মুহূর্তে আচমকা প্রশ্নটি করল সে। বলল, আচ্ছা, একটা কথা বলি?

    হুম।

    আপনি বলছিলেন, আপনার বাবা মহিতোষ মাস্টারের কাছে কৃতজ্ঞ ছিলেন। কিন্তু কী কারণে কৃতজ্ঞ ছিলেন?

    শফি কথাটা বলার জন্য একটু সময় নিল। তারপর বলল, এই কথা আমি তাঁরে জিজ্ঞেস করছি। তিনি অত খোলাসা কইরা কিছু বলেন নাই। তবে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কথাবার্তায় যতটুকু শুনছি, আমার আব্বা অল্প বয়সে একবার কলিকাতায় বিরাট বিপদে পড়েছিলেন। হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় জীবন-মরণের সমস্যা। তখন তাঁরে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়া একজনে বাঁচাইছিলেন। তিনি হইলেন মহিতোষ মাস্টারের বাবা। আমার আব্বায় লোক ভালো আছিলেন। তাঁর সম্বন্ধে দশগ্রামের লোকে জানে। তারা এক কথায় রায় দেবে, তিনি মানুষ হিসাবে এক শ তে এক শ আছিলেন। তার একটা প্রমাণ বলব?

    কী প্রমাণ?

    তিনি যে মানুষ হিসেবে এক শ তে এক শ আছিলেন।

    ‘প্রমাণ দিতে হবে না। আমি বিশ্বাস করেছি।’

    না। তারপরও শোনেন। তিনি মরার আগে কী অছিয়ত কইরা গেছে জানেন?

    কী?

    তিনি অছিয়ত কইরা গেছেন যে, মহিতোষ মাস্টারের বংশধররা যদি কেউ আবার এই দেশে আসে। এই দেশে থাকতে চায়, তাইলে যেন আমরা তার বাড়িঘরসহ জমি-জমা সব ফেরত দিই। তাতে সে যে দাম দেয়, তাই সই। এইটা কোনো কথা বলেন? জমির দাম বাড়ে বছরে নয়গুণ। সোনার চাইতেও জমির দাম বেশি।’

    বর্তমান বাজার মূল্যে ওই জমির দাম কত? স্থির, নিষ্কম্প কণ্ঠে প্রশ্নটা করল পারু।

    “কেন?’

    “এমনি জানতে চাইছি। কৌতূহল।

    শফি অবাক হলেও কিছু বলল না। সে হিসাব করে জমির দাম বলল। পারু শান্ত গলায় বলল, মহিতোষ মাস্টারের বড় মেয়ে যদি ওই জমি ন্যায্য দাম দিয়ে কিনতে চায়, আপনি তা বিক্রি করবেন?

    শফি কথা বলল না। সে পারুর কথা কিছুই বুঝতে পারছে না। তবে তার এখন কেন যেন মনে হচ্ছে এই মেয়েটাকে এখানে দেখার আগেও অন্য কোথাও মুহূর্তের জন্য হলেও দেখেছে সে। কিন্তু কোথায় দেখেছে সেটা মনে করতে পারছে না। এমনও হতে পারে, এটা তার মনের ভুল। তবে তারপরও সে বলল, আপনার নাম কী? আপনে কি মহিতোষ মাস্টারের বড় মেয়ে পারু?

    পারু কথা বলল না। তবে মৃদু হাসল।

    ৫১

    হেমন্তের বিষণ্ণ সন্ধ্যা।

    খানিক আগেই ভুবনডাঙা স্টেশন ছেড়ে সাইরেন বাজিয়ে চলে গেছে সন্ধ্যার ট্রেন। তারপর থেকে অদ্ভুত নৈঃশব্দ্য। সুনসান নীরবতা। একটা হলুদ পাতা হঠাৎ উড়ে এসে পায়ের কাছে পড়তেই পারু ম্লান চোখে তাকায়। কী রুক্ষ, প্রাণহীন চারপাশ! যেন ক্রমশই নেমে আসছে মৃত্যু। গাঢ় অন্ধকার। মুখভার থমথমে আকাশও মিশে গেছে দূরে কোথাও। কিন্তু পারুর খুব ইচ্ছে হয়, ওই আকাশটাকে টুপ করে বুকের ভেতর লুকিয়ে ফেলতে। এমন আকাশ কি আর কোথাও আছে? এমন মন কেমনের সন্ধ্যা? ওই যে দূরের গ্রাম, শুকনো খড়ের মাঠ, ভেজা ঘাসের মেঠোপথ? ওই যে ভুবনডাঙা নদী? এই যে সে বসে আছে পুকুরপারে, ওই যে সামনে শান বাঁধানো ঘাট, স্বচ্ছ জলের আয়না, তুলসীতলার মায়া, বাঁশবাগানের মাথার ওপর চাঁদ, এমন কি আর কোথাও কিছু আছে?

    পারু দীর্ঘশ্বাস ফেলতে গিয়েও লুকায়। মানুষ হওয়ার এই এক যন্ত্রণা। জীবনভর কেবল লুকাতে হয়! মিহি কুয়াশার ভেতর থেকে গায়ে এসে বিঁধে সুচের ফলার মতো তীক্ষ্ণ হিমেল হাওয়া। জড়সড় চারু ডাকে, দিদি।

    হুম?’ সাড়া দেয় পারু।

    ‘এত বছর বাদে আবার এখানে এসে বসতে তোর কেমন লাগছে দিদি?

    জানি না?

    ‘তোর মনে হচ্ছে না, এখুনি ঠাকুমা তোকে ডাকবে?

    পারু জবাব দেয় না। চারু বলে, ‘ডেকে বলবে, ও পারুল তোর বাপ এহনো আসে না কেন? রাইত-বিরাইত ঘরে ফেরনের অভ্যাসটা আর তার গেল না?’

    পারু এবারও কথা বলে না। চারু বলে, বাবা এসে কলতলায় পা ধুতে শুরু করবে। আর মা পিলসুজের ওপর কুপি নিয়ে দাঁড়িয়ে তোর আর আমার নামে নালিশ করতে থাকবে।

    হুম।’ পারু অস্ফুটে বলে।

    ‘ধূপের গন্ধটা তখনো ঘুরে বেড়াতে থাকবে বাড়িজুড়ে। আর কালুটা হঠাৎ গোয়ালঘর থেকে তারস্বরে হাম্বা ডাকতে থাকবে।’

    পারু ছোটবোনের দিকে তাকায়। চারুর বয়স কত হলো? তার থেকে বছর চারেকের ছোট সে। কিন্তু মাথাভর্তি চুল। চুপচুপে তেলে বেণি করে নিয়েছে সে। তাকিয়ে আছে ফ্যাকাশে চোখে। পারুর হঠাৎ মনে হলো, আচ্ছা, ঠিক এই দৃশ্যটা সে এর আগে কি কখনো দেখেছে? আজ থেকে বহু বহু বছর আগে? অবিকল এই দৃশ্যটা? সে আলগোছে উঠে দাঁড়ায়। ঘরদোরগুলো ভেঙেচুরে ঝোঁপঝাড় হয়ে গেছে। সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে আবার সব গোছাতে হবে। কিন্তু বাড়ির দিকে যেতে যেতেই তার হঠাৎ মনে হলো, তুলসীগাছের তলায় সন্ধ্যার আরতি দিচ্ছেন মা। তার পাশেই ঠাকুরঘর। ওই যে বাঁশের কঞ্চি কেটে বানানো ঠাকুরমার লাঠিটা ওখানে। তার পাশে কাঠের খড়ম। দরজার কাছে জলচৌকি। ঘরের টিনের চালের ওপর ডালপালা ছড়ানো আমগাছ। গোয়ালঘর থেকে গলগল করে ধূপের গন্ধ। বেরুচ্ছে। সন্ধ্যা হলেই মশা তাড়াতে ধূপ জ্বেলে দেন মা। কালো রঙের বড় গাইটা। কেমন অসহায়ের মতো তাকিয়ে আছে। তার চোখ কি ভেজা?

    পারু জানে না। তবে সে দু-পা এগিয়ে গোয়ালঘরটার দিকে যাবে বলে পা বাড়ায়। এই মুহূর্তে তার সামনে এসে দাঁড়ায় ছায়া। তারপর ডাকে, মা?

    হুম? যেন বহু বহু দূর কোনো পৃথিবী থেকে উত্তর দেয় পারু।

    একটা লোক এসেছে।

    ‘লোক?

    হুম।

    কী চায়?

    “তোমার সঙ্গে দেখা করতে চায়।

    ‘কেন?

    তাতো জানি না।’

    কী নাম?

    ফরিদ।

    কী?

    ফরিদ।

    ফরিদ?

    হুম।

    পারু আর কথা বলল না। ছায়াও না। তবে পারুর পেছনে একজন লোক এসে। দাঁড়াল। খানিক দূরে। ছায়া সেই লোকটার দিকে তাকিয়ে রইল। লোকটাকে সে চেনে না। কিন্তু তার কেন যেন মনে হচ্ছে লোকটার নাম শোনার সঙ্গে সঙ্গেই শান্ত জলের পুকুরে হঠাৎ কম্পনের মতো কেঁপে উঠেছে মা। তার চোখের কোলে চকিতে উঁকি দিয়ে গেছে এক অন্তহীন বিষাদের নদী। কিন্তু সেই নদীতে ঢেউ উঠল না। মা বরং ধীরে ধীরে যেন নির্জীব হয়ে গেল। স্থির, অনড়। পেছনের মানুষটাও। ছায়ার হঠাৎ মনে হতে থাকে, কে এই মানুষটা? মা এমন করছে কেন?

    তারা দুজনই অযুত বাধার অজস্র পথ পেরিয়ে এসেও যেন হাতছোঁয়া দূরত্বের ওই পথটুকুই আর পেরোতে পারছে না। ডিঙাতে পারছে না অনভ্যাসে অগম্য হয়ে ওঠা অকর্ষিত অভিমানি মনভূমিটুকু। কোনো এক প্রাগৈতিহাসিক নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তির। প্রাচীরে গন্তব্যহীন অন্ধকার হয়ে সেঁটে রইল তারা। কিন্তু তাদের মন ও শরীর। আলগোছে হাওয়ায় ছড়িয়ে দিতে লাগল স্মৃতির সুবাস। সেই সুবাস কি ডিঙিয়ে যেতে পারবে এই অলঙ্নীয় দ্বিধার দেয়াল?

    দূর কোথাও থেকে ভেসে আসছে অদ্ভুত হাহাকারের সুর। বুকের ভেতর আলগোছে নেমে আসছে মেঘ কিংবা কুয়াশা। কিংবা গাঢ় শীতল অন্ধকার। নাম না জানা দুঃখ। সেই দুঃখের ভেতর মন কেমনের হাওয়া। সেই হাওয়ায়–ওই বিষাদ অন্ধকারে যেন স্থির হয়ে আছে প্রাচীন পাথরে খোদাই করা দুটি মূর্তি।

    .

    কী আশ্চর্য, সেই মূর্তির বুকেও হঠাৎ জলের ঢেউয়ের মতো ছলাৎ ছলাৎ শব্দ হতে থাকে!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    সাদাত হোসাইন

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    August 11, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }