Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইলিয়াড – হোমার

    পার্থ সারথী দাস এক পাতা গল্প473 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. হেক্টরের মৃত্যু

    দ্বাবিংশ পর্ব
    হেক্টরের মৃত্যু

    ভীরু পলাতক মৃগশিশুর মত ট্রয়বাসীরা নগরমধ্যে প্রবেশ করে ক্লান্ত দেহগ্রাত্র হতে ঘর্মবিন্দুগুলো অপনোদন করল। প্রাণভরে জলপান করে তৃষ্ণা নিবারণ করল। তারপর দুর্গপ্রাকার মধ্যস্থিত নিরাপদ আশ্রয়ে বিশ্রাম গ্রহণ করতে লাগল তৃপ্তি সহকারে। এদিকে নগর প্রাচীরের বাইরে স্কন্ধে ঢাল নিয়ে সজাগ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল গ্রীকসেনারা। কিন্তু কঠোর নিয়তির নিষ্ঠুর বিধানে হেক্টর যেখানে ছিলেন সেখানেই রয়ে গেলেন। ইলিয়াম নগরীর মধ্যে প্রবেশ না করে বাইরে স্কীয়াম তোরণদ্বারেরর সামনে আগের মতই দাঁড়িয়ে রইলেন।

    ওদিকে এজিনররূপী অ্যাপোলোর তখনো পশ্চাদ্ধাবন করে বেড়াচ্ছিলেন অ্যাকেলিস। পথে প্রান্তরে নদীতীরে ক্রমাগত অ্যাকেলিসকে ছুটিয়ে নিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে অ্যাপোলো বললেন, হে পেলেউসপুত্র, কেন একজন মানুষ হয়ে একজন দেবতাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছ? তুমি কি কখনো বুঝতে পার নি যে তুমি একজন দেবতার পিছনে ছুটে চলেছ? অথচ ট্রয়বাসীরা সকলে নগরমধ্যে ঢুকে পড়েছে এবং তাদের কাছ থেকে দূরে সরে এসেছ। কিন্তু যেহেতু আমি একজন অমর দেবতা, তুমি আমাকে কখনই হত্যা করতে পারবে না।

    অ্যাকেলিস তখন ক্রুদ্ধ হয়ে উত্তর করলেন, সমস্ত দেবতার মধ্যে তুমি সবচেয়ে হিংসাপরায়ণ। তুমি আমাকে প্রতারিত করে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে এসেছ। তা না হলে ইতিমধ্যে আরো অনেক ট্রয়বাসী নগরমধ্যে প্রবেশ করার আগেই প্রাণ হারাত। তবে আমার যতদূর শক্তি আমিও প্রতিশোধ নেব এর। ট্রয়বাসীদের রক্ষা করে আমাকে যে জয়ের গৌরব থেকে বঞ্চিত করেছ আমি তা অর্জন করবই।

    রথচালনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী রথাশ্বের মত তার স্নায়ুকে চরমভাবে নিয়োজিত করে নগরপথে ছুটে যেতে লাগলেন অ্যাকেলিস। এইভাবে অ্যাকেলিসকে যথাসম্ভব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে প্রথম দেখলেন রাজা প্রিয়াম। শীতকালে ফসল ওঠার সময় যে নক্ষত্রের কিরণ সবচেয়ে প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং যার কিরণ অশুভ লক্ষণের এক জ্বলন্ত প্রতীক, সেই ওরিয়ন নক্ষত্রের মত তেজোদ্দীপ্ত বর্ম পরিধান করে এক অগ্রসারী বিক্রমের আগ্নেয় প্রচণ্ডতার সঙ্গে ঊর্ধ্বশ্বাসে প্রধাবিত হতে লাগলেন অ্যাকেলিস। তাঁকে সেভাবে অগ্রসর হতে দেখে রাজা প্রিয়াম মস্তকে করাঘাত করতে করতে চিৎকার করে তাঁর প্রিয় পুত্র হেক্টরকে ডাকতে লাগলেন। কিন্তু অ্যাকেলিসের সঙ্গে যুদ্ধ করার এক অসমসাহসিক ঔদ্ধত্যে জমাট বেঁধে সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলেন হেক্টর। হেক্টরের কাছে গিয়ে বৃদ্ধ প্রিয়াম বলতে লাগলেন, হে আমার প্রিয় পুত্র, এখানে দাঁড়িয়ে থেকো না, তাদের প্রিয় ওই ভয়ঙ্কর লোকটি তোমার থেকে বেশি শক্তিমান এবং ওর সঙ্গে তুমি একা যুদ্ধ করতে যেও না। ও আমার অনেক বীর পুত্রকে হত্যা করেছে অথবা সমুদ্রপারের কোন সুদূরতম দ্বীপে বিক্রি করে দিয়েছে। বর্তমানে আমি আমার রাণী লাওমীর গর্ভজাত লাইকাওন ও পলিডোরাস নামে দুজন পুত্রকে খুঁজে পাচ্ছি না। ও যেদিন ভূতলশায়ী হবে এবং ওর দেহটা যেদিন কুকুর শকুনিরা ছিঁড়ে খাবে সেইদিন আমার বুক থেকে এই ভারী দুঃখের বোঝাটা অপসারিত হবে। আমার এই দুজন পুত্র যদি আজও বেঁচে থাকে তাহলে প্রচুর সোনার উপঢৌকন দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে আনব, আর যদি মৃত্যুপুরীতে গমন করে থাকে তাহলে তাদের পিতামাতাদের দুঃখ অনেক বেড়ে যাবে। তবে তুমি যদি অ্যাকেলিসের হাতে নিহত না হও তাহলে অন্যান্য পুত্রদের মৃত্যুশোক দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে আমার মনে। সুতরাং চলে এস, হে আমার প্রিয় ট্রয়রমণী ও শিশুদের পরিত্রাতা। তুমি না এলে তোমার জীবন হারাবে এবং পেলেউসপুত্রকে এক বিরাট জয়ের গৌরব অর্জনে সহায়তা করবে তার দ্বারা। যার মধ্যে শেষ জীবনের কিছু অবশিষ্টাংশ আজও বিরাজ করছে তোমার সেই বৃদ্ধ পিতার উপর দয়া করো। ক্রোনাসপুত্র জিয়াসের ইচ্ছানুসারে তোমার পিতা বার্ধক্য জর্জরিত অবস্থাতেই লাভ করবে ভয়ঙ্কর এক শোচনীয় মৃত্যু। সে মৃত্যুর আগে আমার চোখের সামনে আমার পুত্রেরা হবে নিহত, আমরা কন্যারা শক্তহস্তে নিগৃহীত হবে বন্দিনীরূপে, আমার স্বর্ণবাসর হবে কলুষিত, আমার পুত্রবধুরা অপহৃত হবে নিষ্ঠুর গ্রীকদের দ্বারা, কঠিন ভূমিপরে নিষ্পেষিত হবে তাদের শিশুদের দেহ। পরিশেষে কোন শত্রুসৈন্যের বর্শা অথবা তরবারির আঘাতে আমার প্রাণপাখি দেহপিঞ্জর হতে বিতাড়িত হবার সঙ্গে সঙ্গে আমারই নগরদ্বারে আমারই খাদ্যে পুষ্ট শিকারী কুকুরেরা ছিঁড়ে খাবে আমার মৃতদেহটিকে। কোন যুবক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণত্যাগ করলে তার দেহটি যদি এভাবে নিগৃহীত হয় তাহলে এমন কিছু অস্বাভাবিকতা থাকতে পারে না তার মধ্যে। কিন্তু যদি কোন বৃদ্ধ এমনি শোচনীয়ভাবে নিহত ও নিগৃহীত হয়, যদি তার পক্ককেশ ও শ্মশ্রুমণ্ডিত মস্তক ও দেহের গোপনাঙ্গটিকে প্রকাশে ছিঁড়ে খায় পশুতে তাহলে তার থেকে সকরুণ দৃশ্য আর কিছুই হতে পারে না।

    কথা বলতে বলতে মাথার চুল ছিঁড়তে লাগলেন প্রিয়াম। তবু তাতে কিছুমাত্র বিচলিত হলেন না হেক্টর। তারা মাতাও কাঁদতে কাঁদতে বললেন, হে আমার প্রিয় পুত্র, যদি আমি তোমায় কোনদিন আবার বক্ষ হতে স্তনদুগ্ধ দান করে তোমার তৃপ্তকরে থাকি তাহলে তার কথা স্মরণ করো আমার উপর। তুমি নগরপ্রাচীরের মধ্যে চলে এসে ওই ভয়ঙ্কর আক্রমণকারীর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করো। ও যদি তোমায় হত্যা করে তাহলে তোমার বহু যৌতুকাবহ স্ত্রী ও আমি তোমার মৃতদেহটিকে নিয়ে শোক করতে পারব না, কারণ সে দেহটিকে গ্রীকজাহাজে নিয়ে যাওয়া হবে এবং তাদের কুকুরেরা ছিঁড়ে খাবে।

    এইভাবে বৃদ্ধ রাজা-রাণী অনেক অশ্রুপাত করে অনকে অনুনয় বিনয় করা সত্ত্বেও কিছুমাত্র বিচলিত হলেন না হেক্টর। বিষকুম্ভ কোন ভয়ঙ্কর সর্প যেমন এক অন্ধ হিংস্রতায় উন্মত্ত হয়ে কোন মানবের জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে তার পার্বত্য গুহার আঁধারে, হেক্টরও তেমনি এক অপরিসীম প্রতিহিংসায় মত্ত ও স্তব্ধ হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে রইলেন অ্যাকেলিসের প্রতীক্ষায়।

    আপন মনের বলতে লাগলেন হেক্টর, হায়, আজ যদি আমি নগরমধ্যে প্রবেশ করি তাহলে পলিডেমাস আমাকে বিদ্রূপ করবে। কারণ সেই ভয়াবহ রাত্রিতেই দীর্ঘ যুদ্ধবিরতির পর অ্যাকেলিস যখন আমাদের বিরুদ্ধে পুনরাবতীর্ণ হয় যুদ্ধক্ষেত্রে, পলিডেমাসই তখন ট্রয়সেনাদের নগর মধ্যে প্রবেশ করতে দেওয়ার আদেশদানের জন্য পরামর্শ দেয় আমাকে। কিন্তু তার সে পরামর্শ তখন আমি শুনি নি। শুনলে ভালই হত। আমার নির্বুদ্ধিতার ফলেই এত ট্রয়বাসী প্রাণ হারানোর ফলে কোন ট্রয়বাসীর মুখের সামনে গিয়ে তার চোখে চোখ রেখে তাকাতে পারছি না। ভাবছি যে হয়ত আমার মুখের সামনে বলবে, হেক্টর তার আত্মবিশ্বাসের আতিশয্যবশত আমাদের প্রিয়জনদের ধ্বংস ডেকে এনেছে।

    সুতরাং আমি যদি অ্যাকেলিসের সঙ্গে যুদ্ধ করে তাকে হত্যা করি অথবা তার হাতে নিহত হই তাহলে আমার সে মৃত্যু হবে গৌরবময়। আর আমি যদি আমার ঢাল, শিরস্ত্রাণ ও বর্শা নামিয়ে রেখে অ্যাকেলিসের কাছে নিরস্ত্র অবস্থায় যাই তাহলেই বা ক্ষতি কি? যদি আমি তার কাছে গিয়ে হেলেন ও তার সঙ্গে আনীত সমস্ত ধনসম্পদ প্রত্যার্পণের প্রতিশ্রুতি দিই তাকে, তাহলে বা ক্ষতি কি? এবং তার সঙ্গে যদি ট্রয়নগরীর সমস্ত ধনসম্পদের অর্ধাংশ দান করি? কিন্তু একথা কেন ভাবছি আমি? নিরস্ত্র অবস্থায় তার কাছে গেলে অসহায় নারীর মত সে আমাকে হত্যা করবে, কোন দয়া-মায়া দেখাবে না। তার থেকে তার সঙ্গে যুদ্ধ করে জানা ভাল কে জয়ী হবে আমাদের মধ্যে।

    এইভাবে দাঁড়িয়ে যখন আপন মনে চিন্তা করছিলেন হেক্টর, অ্যাকেলিস তখন সাক্ষাৎ রণদেবতা অ্যারেসের ভঙ্গিতে এগিয়ে এলেন তাঁর কাছে। অ্যাকেলিস এবার একটি বর্শা নিক্ষেপ করতেই উদীয়মান সূর্যরশ্মি বা জ্বলন্ত অগ্নিসদৃশ তেজে মণ্ডিত হয়ে সে বর্শা তীরবেগে এগিয়ে যেতে লাগল হেক্টরের দিকে। তা দেখে ভীত হয়ে পালিয়ে গেলেন হেক্টর আর পর্বতবাসী এক বাজপাখির মত শিকার সংকল্পে দৃঢ় হয়ে তাঁর পশ্চাতে ধাবমান হলেন অ্যাকেলিস।

    এইভাবে ধাবিত হতে হতে তাঁরা স্কামান্দার নদীর ধীরে যেখানে দুটি প্রস্রবণ এসে মিলিত হয়েছে নদীবক্ষে সেখানে উপনীত হলেন। একটি প্রস্রবণের জল উষ্ণ এবং তার থেকে নিয়ত বাষ্প নির্গত হয়ে ধুম্রসদৃশ কুহেলিজালে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল স্থানটিকে। অন্য প্রস্রবণটির জল আবার তুষারের মত শীতল। এই সব প্রস্রবণে তাদের বস্ত্র ধৌত করতে আসত ট্রয়রমণীরা যুদ্ধের আগে। সেখানেও থামলে না তারা। কোন মৃতদেহের সম্মানার্থে অনুষ্ঠিত ক্রীড়ায় অংশগ্রহণকারী জীগিন্ধ দুই প্রতিযোগীর মত ছুটতে লাগলেন দুইজনেই।

    তাঁদের দেখে জিয়াস দেবতাদের বললেন, যে হেক্টর আমাকে বহুবার আইডা পর্বতে ও ট্রয়নগরীতে আমার উদ্দেশ্যে পশুবলি দিয়েছে তার প্রতি স্বভাবতই করুণা অনুভব করছি আমি। এখন অ্যাকেলিস তাকে ট্রয়প্রাচীরের বাইরে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। তোমরা এখন স্থির করে তাকে অ্যাকেলিসের কবল থেকে রক্ষা করবে কিনা।

    এথেন তখন বললেন, হে বিদ্যুৎ, মেঘ ও বাত্যাধিপতি পরম পিতা জিয়াস, কী বলতে চাও তুমি? যার মৃত্যু বহু আগেই বিধিনির্দিষ্ট হয়ে আছে তাকে কেন বাঁচাতে চাও তুমি?

    জিয়াস উত্তর করলেন, আমি গুরুত্বহীনভাবেই একথা বলেছি। যা ভাল বোঝ করো। আমি কোন বাধা দেব না।

    অলিম্পাস হতে তীরবেগে যখন নেমে গেলেন এথেন, অ্যাকেলিস তখন মৃগশিশুর পশ্চাতে ধাবমান শিকারি কুকুরের মত ছুটে চলেছিলেন হেক্টরের পশ্চাতে। এমন সময় স্বর্গলোকে দেবরাজ জিয়াস জয়-পরাজয়ের দাঁড়িপাল্লায় মানদণ্ডটি সমানভাবে ধরে দেখলেন হেক্টরের ভাগ্য মৃত্যুপুরীর দিকে অর্থাৎ নিচের দিকে ঝুঁকে গেল। সঙ্গে সঙ্গে ফীবাস অ্যাপোলো হেক্টরকে ত্যাগ করে চলে গেলেন আর এথেন অ্যাকেলিসের কাছে এসে বললেন, হেক্টরের রণ-পিপাসা চিরতরে নিবৃত্ত করে এক বিরাট জয়ের বস্তুকে অবশ্যই নিয়ে যাবে গ্রীকরণতরীতে। হেক্টরের আর পরিত্রাণ নেই। তুমি এখানে দাঁড়িয়ে একটু হাঁপ ছাড়, ইত্যবসরে আমি হেক্টরের কাছে গিয়ে তাকে থামতে বলি।

    এথেনের কথামত সেখানে তাঁর বর্শার উপর হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন অ্যাকেলিস। এথেন তখন হেক্টরের কাছে গিয়ে দীফোবাসের রূপ ধারণ করে তার কণ্ঠে বললেন, হে আমার প্রিয়তম ভ্রাতা, এতক্ষণ তুমি অ্যাকেলিসের দ্বারা তাড়িত হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছিলে, এবার দাঁড়াও, তাকে আসতে দাও।

    হেক্টর উত্তর করলেন, প্রিয়াম ও হেকুবাপুত্র হে দীফোবাস, সব ভাইদের থেকে তুমিই আমার কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয়। তোমার প্রতি আমার সে ভ্রাতৃপ্রেম আরও বেড়ে যাবে আজ থেকে, অন্য সকলে যখন নগরমধ্যে গিয়ে বিশ্রাম করছে, তখন একমাত্র তুমিই ছুটে এসেছ আমার কাছে।

    এথেন বললেন, আমার পিতামাতা আমাকে সেখানে থাকতেই বলেছিলেন কিন্তু তোমাকে দেখে বেদনার্ত হৃদয়ে ছুটে আসি আমি। সুতরাং এখানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকব আমরা দুজনে।

    এইভাবে তাঁর চাতুর্যের দ্বারা হেক্টরকে উত্তেজিত করতে লাগলেন এথেন। অ্যাকেলিস তাঁর কাছে এলে তাঁকে হেক্টর বললেন, এর আগে তিন তিনবার আমি তোমার সম্মুখীন না হয়ে পালিয়ে গিয়ে ট্রয়নগরীকে প্রদক্ষিণ করেছি, কিন্তু আর পালাব না। এখন হয় তোমাকে হত্যা করব অথবা তোমার দ্বারা আমি নিহত হব। তবে এস আমরা এক প্রতিজ্ঞাবদ্ধনে আবদ্ধ হই। জিয়াসের কৃপায় যদি আমি তোমাকে হত্যা করতে সমর্থ হই তাহলে তোমার বর্ম খুলে নিয়ে কোনরূপ অসম্মান না করে তোমার মৃতদেহ অর্পণ করব আমি গ্রীকদের হাতে।

    কিন্তু তাঁর দিকে অগ্নিদৃষ্টিতে তাকিয়ে উত্তর করলেন অ্যাকেলিস, নির্বোধ তুমি, মানুষ ও সিংহ, নেকড়ে ও মেষ দ্বারা পরস্পরকে ঘৃণার চোখে দেখে তাদের মধ্যে কোন চুক্তি হতে পারে না। আমাদের দুজনের মধ্যে তেমনি কোন চুক্তি বা বোঝাঁপড়া হতে পারে না। সুতরাং শক্তি সংহত করে এগিয়ে এসে বীরত্বের পরিচয় দাও। আমার বর্শার মাধ্যমে এথেনই তোমাকে পরাজিত করবেন। তুমি আমার সহকর্মীকে হত্যা করে যে দুঃখ আমার প্রাণে দিয়েছ তার জন্য তোমাকে শাস্তি পেতেই হবে।

    একথা বলতে বলতে বর্শাটি একবার সঞ্চালন করে নিক্ষেপ করলেন অ্যাকেলিস হেক্টরের প্রতি। কিন্তু হেক্টর তা দেখতে পেয়ে সরে যেতে সে বর্শা তার মাথার উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে মাটিতে পড়ে গেল। হেক্টর তখন অ্যাকেলিসকে বললেন, তোমার লক্ষ্য ব্যর্থ হলো অ্যাকেলিস, তুমি মিথ্যাবাদী, তুমি আমার শক্তি হরণের উদ্দেশ্যে বলছিলে আমার মৃত্যুর দিন আগত। কিন্তু তুমি তার কিছুই জান না। এবার আমি তোমার সামনে দাঁড়াচ্ছি, আবার বর্শা নিক্ষেপ করো, তারপর তোমার শক্তি থাকে তো আমার বর্শার আঘাত সহ্য করো। তোমার মৃত্যু ঘটতেই এ যুদ্ধের আমার জয় হবে অতীব এক সহজসাধ্য ব্যাপার।

    একথা বলতে বলতেই বর্শাটি একবার সঞ্চালন করে অ্যাকেলিসের প্রতি নিক্ষেপ করলেন হেক্টর। হেক্টর নিক্ষিপ্ত সে বর্শা একেবারে ব্যর্থ হলো না, কারণ তা অ্যাকেলিসের ঢালের মধ্যভাগে লাগল। কিন্তু তা প্রতিহত হয়ে ফিরে এল, ঢালটিকে বিদ্ধ করতে পারল না। হেক্টরের নিকট দ্বিতীয় বর্শা না থাকায় ভীত হয়ে উঠলেন তিনি। চিৎকার করে দীফোবাসকে ডেকে তার কাছ থেকে একটি বর্শা চাইলেন। কিন্তু দীফোবাসের কোন চিহ্নই নেই কোথাও। তখন তিনি আসল তথ্য জানতে পেরে আপন মনে বললেন, হায়, দেবতারা ধ্বংসের পথে মন্ত্রমুগ্ধ করে নিয়ে চলেছেন। আমি ভেবেছিলাম দীফোবাস এসেছে আমার কাছে। কিন্তু তার বেশেই এথেনই প্রতারিত করেছে আমাকে। আগে আমাকে জিয়াস ও অ্যাপোলো রক্ষা করলেও আজ এটাই হয়ত তাদের ইচ্ছা। যাই হোক, আজ আমার মৃত্যু আসন্ন হলেও বিনা যুদ্ধে কোন অগৌরবের গ্লানি নিয়ে মরব না। মৃত্যুর আগে আমি এমন এক কৃতিত্ব প্রদর্শন করব যার কথা অনন্তকাল ধরে কথিত হবে মানুষের মুখে মুখে।

    একথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোন মেষ বা খরগোসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়া ঈগল পাখির মত মুক্ত তরবারি হস্তে অ্যাকেলিসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন হেক্টর। তাঁর বুকের সামনে আশ্চর্য সেই ঢালটি ধরে অ্যাকেলিসও তীরবেগে এগিয়ে গেলেন তার দিকে। চারটি ধাতব স্তর দিয়ে নির্মিত শিরস্ত্রাণটি তাঁর মাথায় কাঁপছিল। তাঁর গতিবেগের তালে তালে আর যে সব সোনালী চুল দিয়ে মণ্ডিত ছিল শিরস্ত্রাণটি সেগুলো ছড়িয়ে পড়েছিল তার চারিপাশে। স্তব্ধ অন্ধকার রাত্রিতে কিরণদানরত সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল সন্ধ্যাতারকার মত উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল অ্যাকেলিসের হস্তদ্বারা সঞ্চালিত বর্শাটি। হেক্টরের মৃত্যুচিন্তা তখন একান্তভাবে আচ্ছন্ন করে ছিল তাঁর মনকে। হেক্টরের সর্বাঙ্গ বর্মদ্বারা আবৃত থাকায় অ্যাকেলিস খুঁজে দেখতে লাগলেন তার দেহের কোথাও কোন অনাবৃত অংশ আছে কি না। অবশেষে হেক্টরের ঘাড়ের কাছটি অনাবৃত দেখে কৌশলে সেইখানে তাঁর বর্শাফলকটি বসিয়ে দিলেন। কিন্তু সে আঘাতে হেক্টর মাটিতে পড়ে গেলেও তার কণ্ঠনালীটি ছিন্ন হয়নি তখনো। তাই তিনি কথা বলতে পারছিলেন। অ্যাকেলিস তখন তাঁকে বিদ্রূপ করে বলতে লাগলেন, হেক্টর, আমি তখন প্যাট্রোক্লাসের সঙ্গে না থাকায় তুমি ভেবেছিলেন তাকে হত্যা করে অক্ষত অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু নির্বোধ, আমি তার শক্তিমান সহকর্মী, এতদিন জাহাজে ছিলাম। আর এসে ধরাশায়ী করলাম তোমাকে। যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে প্যাট্রোক্লাসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করবে গ্রীকরা। কিন্তু তোমার দেহটাকে ছিঁড়ে খাবে পথকুকুর আর শকুনিতে।

    হেক্টরের জীবনদীপ তখন নির্বাপিত হয়ে আসছিল। তবু তিনি বললেন, আমি নতজানু হয়ে তোমার পিতা-মাতার নামে প্রার্থনা করছি, গ্রীকজাহাজে আমার দেহটিকে নিয়ে গিয়ে কুকুরদের দ্বারা খাইয়ো না, বহু ধনরত্নের বিনিময়ে আমার দেহটিকে আমার রাজভবনে পাঠিয়ে দিও যাতে ট্রয়বাসীরা যথাযথভাবে আমার মৃত্যুর পর আমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে।

    আগুন ঝরে পড়ছিল যেন অ্যাকেলিসের চোখ থেকে। তিনি বললেন, কুকুর কোথাকার, নতজানু হওয়া বা আমার পিতা-মাতার কথা আর বলবি না। তুই আমার যা ক্ষতি করছিস, তার জন্য আমি যদি তোর দেহের মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেতে পারতাম তাহলে শান্ত হত আমার মন। তোর পিতা দার্দাসপুত্র প্রিয়াম যদি তোর প্রস্তাবিত ধনরত্নের কুড়ি গুণ দেয় অথবা তোর গোটা দেহটা ওজন করে সমপরিমাণ সোনা আমায় দান করেন তাহলেও আমি ছাড়ব না, তোর দেহটাকে কুকুর ও শকুনি দিয়েই। খাওয়াবই।

    হেক্টরের কথা শেষ হতেই তাঁর দেহ ছেড়ে তার আত্মা চলে গেল মৃত্যুপুরীতে। হেক্টর তার দুর্ভাগ্যবশত তাঁর জীবনযৌবন আর ভোগ করতে পারলেন না, এই খেদ বুকে নিয়ে অকালে বিদায় নিল তাঁর আত্মা। তাঁর মৃহদেহটিকে উদ্দেশ্য করে অ্যাকেলিস তখন বললেন, আমার ভাগ্যে জিয়াস ও অন্যান্য দেবতার ইচ্ছায় তা ঘটে ঘটুক, তুমি এখন মরো।

    এই কথা বলেই হেক্টরের দেহ থেকে বর্শাটি বার করে সেটি পাশে নামিয়ে রেখে বর্মটি খুলে নিলেন। ইতিমধ্যে অন্যান্য গ্রীকসেনারা হেক্টরের পতন দেখে তাঁর অমিত শক্তি ও সৌন্দর্যসম্পন্ন আশ্চর্য দেহটি চাক্ষুষ করার জন্য ছুটে এল। এরা পরস্পরের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, জীবিত হেক্টর ছিল কত ভয়াবহ, অথচ এখন দেখ কত নির্জীব। এই কথা বলে প্রত্যেকেই তাদের বর্শা দিয়ে নতুন করে আঘাত করতে লাগল হেক্টরের মৃতদেহটাকে।

    এবার অ্যাকেলিস গ্রীকসেনাদের বললেন, বন্ধুগণ, যেহেতু আমরা আমাদের সর্বাপেক্ষা ক্ষতিকারক শত্রুকে হত্যা করেছি, এখন স্থির করো ট্রয়নগরী আক্রমণ করে ট্রয়বাসীদের মনোভাব জানবে কি না। আমাদের জানতে হবে তারা আমাদের নগর ত্যাগ করে পালিয়ে যাবে না হেক্টরের পতন ঘটলেও তারা আমাদের প্রতিরোধ করবে নগর রক্ষার জন্য। কিন্তু প্যাট্রোক্লাসের মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে এসব কথা আমার চিন্তা করা অন্যায়। সাধারণত মানুষ মৃত ব্যক্তিদের প্রতি কর্মাকর্মের কথা সব ভুলে যায়। আমি কিন্তু প্যাট্রোক্লাসের কথা মৃত্যুপুরীতে গিয়েও ভুলতে পারব না। হেক্টরকে ট্রয়বাসীরা দেবতার মত পূজা করে, তাকে হত্যা করে আমরা এক বিরলতম বিজয়গৌরব অর্জন করেছি। সুতরাং বিজয় সঙ্গীত গাইতে গাইতে চল আমরা আপাতত জাহাজে ফিরে যাই।

    এই বলে হেক্টরের মৃতদেহটিকে তার রথের পিছনে বেঁধে ফেললেন অ্যাকেলিস। হেক্টরের পা দুটি রথের উপর দিকে বেঁধে মাথাটিকে মাটিতে ফেলে রাখলেন। রথ চলতে শুরু করলে ধূলিমলিন ও কালো হয়ে উঠল হেক্টরের অপূর্বসুন্দর মুখমণ্ডল। তাঁর মাথার চুলগুলো ছড়িয়ে পড়ল চারিদিকে।

    হেক্টরের মৃতদেহের প্রতি এই শোচনীয় অপমানের দৃশ্য দেখে মাথার চুল ছিঁড়তে লাগলেন তাঁর মাতা। তার বৃদ্ধ পিতা এবং সকরুণ আর্তনাদে ফেটে পড়ে নগরবাসীদের বলতে লাগলেন, বন্ধুগণ, তোমরা আমাকে দয়া করে একবার গ্রীকজাহাজে যেতে দাও। আমি সেই নিষ্ঠুর লোকটিকে একবার অনুরোধ করব। তার পিতাও আমার মতই বৃদ্ধ। দেখি আমার মত একজন বৃদ্ধের অনুভূতিকে সে শ্রদ্ধা করে কি না। হায়, সে যদি আমাদের কোলে শৈশবে প্রাণত্যাগ করত, তাহলে অন্তত তার মৃতদেহ নিয়ে আমরা শোক প্রকাশ করতে পারতাম।

    এইভাবে যখন শোকে অশ্রু বিসর্জন করছিলেন প্রিয়াম তখন ট্রয়বাসীরাও অশ্রু বিসর্জন করতে লাগল তাঁর সঙ্গে। রাণী হেকুবা আর্তনাদ করে বলতে লাগলেন, হায় পুত্র, আর আমার পুত্রগর্বে গর্বিত হবার মত কিছুই রইল না। সারা ট্রয়নগরীর মধ্যে তুমি ছিলে এক বিরাট শক্তির স্তম্ভ, এই ভেবে অহির্নিশ গর্ব ও গৌরব বোধ করতাম আমি। ট্রয়ের নরনারী দেবতাজ্ঞানে ভক্তি ও শ্রদ্ধা করত তোমায়। যতদিন জীবিত ছিলে, তুমি ছিলে তাদের গর্বের বস্তু। কিন্তু আজ মৃত্যু তোমার অকালে ছিনিয়ে নিয়ে গেল তাদের কাছ থেকে।

    হেক্টরের স্ত্রী অ্যান্ড্রোমেক তখনো পর্যন্ত হেক্টরের মৃত্যু সম্বন্ধে কিছুই জানতেন না, কারণ তাঁকে হেক্টর যে নগরদ্বারের বাইরে ছিলেন একথা কেউ বলে নি। তিনি তখন অন্তঃপুরের একটি ঘরে বসে পুষ্পখচিত এক সূচিশিল্পের কাজ করছিলেন। সেই কাজের ফাঁকেই একসময় তিনি তাঁর দাসীদের হেক্টরের স্নানের জন্য জল গরম করতে বললেন। কিন্তু হেক্টর যে ইহজগতে নেই, অ্যাকেলিসের অস্ত্রের মাধ্যমে দেবী এথেন তাঁকে বধ করেছেন তার কিছুই জানতেন না তিনি। এমন সময় নগরপ্রাচীরের সন্নিকটস্থ স্থান হতে এক করুণ ক্রন্দনধ্বনি শুনে তিনি তাঁর সহচরীদের বললেন, আমার মনে হচ্ছে আমি আমার স্বামীর মাননীয় মাতার ক্রন্দন শুনতে পাচ্ছি। আমার অন্তরাত্মা বুকের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে মুখে, আমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশ হয়ে আসছে, আমি চলতে পারছি না। কোন-না-কোন প্রিয়ামপুত্র নিশ্চয় কোন বিপদের কবলে পড়েছেন অথবা অ্যাকেলিস হয়ত রণপ্রান্তরের মধ্যে হেক্টরের একাকীত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। হেক্টরের বড় দোষ সে দলবদ্ধভাবে থাকে না কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে; সে একাকী সম্মুখ সারিতে এগিয়ে গিয়ে সম্মুখীন হয় শত্ৰুবীরদের।

    এই কথা বলে সহচরীদের সঙ্গে নিয়ে ঘর থেকে বেগে বেরিয়ে গেলেন অ্যান্ড্রোমেক। দুর্গপ্রাকারের উপর গিয়ে দেখলেন, অ্যাকেলিসের রথাশ্বগুলো হেক্টরের মৃতদেহটিকে নির্মমভাবে টেনে নিয়ে যাচ্ছে গ্রীকরণতরীগুলোর অভিমুখে। এ দৃশ্য দেখামাত্র চোখে অন্ধকার নেমে এল অ্যান্ড্রোমেকের। মূৰ্ছিত হয়ে পড়লেন তিনি। তাঁর বিবাহের দিন দেবী আফ্রোদিতে সে অবগুণ্ঠনটি পতিব্রত্যের লক্ষণস্বরূপ তাঁর মাথায় চাপিয়ে দেন সে অবগুণ্ঠনটি ছিঁড়ে ফেলে দিলেন অ্যান্ড্রোমেক। অ্যান্ড্রোমেককে আত্মহত্যায় উদ্যত দেখে তাঁর স্বামীর অন্যান্য স্ত্রী ও বোনেরা ঘিরে ফেলল তাঁকে। অবশেষে সম্বিৎ ফিরে পেয়ে আপন মনে বিলাপ করতে লাগলেন অ্যান্ডোমেক। বললেন, হায় হেক্টর, একই ভাগ্য দুজনের ভোগ করার জন্য জন্মলাভ করেছিলাম আমরা। কিন্তু তুমি চলে গেলে অকালে। অরণ্যসমাচ্ছাদিত প্লেকাস পর্বতের পাদদেশে থবস নগরী এলিয়নের প্রাসাদে এই জন্যই জন্ম হয়েছিল আমার? আজ আমাকে একা বিধবা অবস্থায় ফেলে রেখে তুমি যাচ্ছ মৃত্যুপুরীতে। তোমার একমাত্র শিশুপুত্র অ্যাসটিয়ানাক্সকে অনাথ করে গেলে। তুমি না থাকতে তাদের রাজ্য দখল করে নেবে বিদেশীরা, তোমার পুত্রের আর কোন সমাদর থাকবে না কোথাও। দুঃখের অন্ধকারে ভরে উঠবে তার হতভাগ্য জীবন। আজ তোমার কত মূল্যবান পোশাক তোমার ঘরে থাকা সত্ত্বেও তুমি নগ্ন অবস্থায় পড়ে আছ গ্রীকজাহাজে। তোমার সে নগ্ন অসহায় দেহটিকে তাদের কুকুরেরা ছিঁড়ে খাবে। তোমার দেহটিকে না পেয়ে তোমার সম্মানার্থে তোমার পোশাকগুলোকেই আমি ট্রয়রমণীদের চোখের সামনে পুড়িয়ে ফেলব।

    এইভাবে শোকে বিলাপ করতে করতে অশ্রু বিসর্জন করতে লাগলেন অ্যান্ড্রোমেক। অন্যান্য ট্রয়রমণীরাও সে বিলাপে যোগদান করল তার সঙ্গে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleওডিসি – হোমার
    Next Article বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    Related Articles

    পার্থ সারথী দাস

    ইলিয়াড – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ওডিসি – হোমার

    October 13, 2025
    পার্থ সারথী দাস

    ওডিসি – হোমার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }