Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একশ বছরের সেরা গল্প – সমরেশ মজুমদার (সম্পাদিত)

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প988 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বীর্যশুল্কা : একশ বছরের সেরা গল্প

    বীর্যশুল্কা
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাজকুমারী সুমিত্রার আর কিছুতেই বর পছন্দ হয় না। দেশ-দেশান্তর থেকে রাজারা লিপি পাঠান–রাজকন্যার পাণিপ্রার্থনা জানিয়ে কিন্তু লিপি গ্রাহ্য হয় না। রাজদূত নিরাশ হয়ে ফিরে যায়।

    সুন্দরকান্তি রাজপুত্রেরা আসেন রাজকন্যার প্রাসাদের সুমুখে ঘোড়ায় চড়ে ঘোরাঘুরি করেন। তাঁদের কোমরে রত্নখচিত অসি ঝলমল করে, কিরীটের হীরা সূর্যকিরণে ঝকমক করে। কিন্তু কুমারী সুমিত্রার মন টলে না। তিনি সখীদের ডেকে বাতায়ন থেকে আঙুল দেখিয়ে বলেন, ‘সখি, দ্যাখ দ্যাখ, কতগুলো মোমের পুতুল ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে! সূর্যের তাপে গলে যাচ্ছে না কেন এই আশ্চর্য!’ এই বলে কোকিলকণ্ঠে হেসে ওঠেন। রাজপুত্রেরা তাঁর হাসি, কথা শুনতে পান তাঁদের মুখ রাঙা হয়ে ওঠে।

    আর্যাবর্তময়—দক্ষিণে অবন্তীরাজ্য থেকে পূর্বে কাশী-কোশল পর্যন্ত রাষ্ট্র হয়ে গেছে যে, তক্ষশীলার শক রাজকুমারী যেমন অপরূপ সুন্দরী তেমনি গর্বিতা। তাঁর রূপ-লাবণ্য দেখে যাঁরা তাঁকে বিয়ে করতে আসেন, তাঁর দর্পের কাছে পরাভূত হয়ে তাঁরা ফিরে যান, আর্যাবর্তের কোনও রাজা বা রাজপুত্রকে তাঁর মনে ধরে না।

    সুমিত্রার বাবা রুদ্রপ্রতাপ তক্ষশীলার রাজা–রুদ্রের মতই তাঁর প্রতাপ। তিনি শক-বংশীয়। শক বংশের অনেক ক্ষত্ৰপ তখন ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে রাজত্ব করছিলেন বহুকাল আর্যাবর্তে থাকার ফলে তাঁরা অনেকটা আর্যভাবাপন্ন হয়ে পড়েছিলেন কিন্তু শক-রক্তের প্রভাব সম্পূর্ণ মুছে যায়নি শক নারীরা তখনও তরোয়াল নিয়ে দ্বন্দ্বযুদ্ধ করতে ভালবাসত, অশ্বচালনায় পুরুষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতা রাজকুমারী সুমিত্রা ছিলেন সেই জাতের মেয়ে যেমন রূপসী তেমনি তেজস্বিনী।

    রাজা রুদ্রপ্রতাপ যখন দেখলেন কোনও বরই মেয়ের পছন্দ হয় না তখন তিনি মেয়েকে কাছে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোর আঠারো বছর বয়স হল তুই কি বিয়ে করবি না? স্বয়ংবর-সভা ডাকব?

    সুমিত্রা মাথা নেড়ে বললেন, টনা, স্বয়ংবর-সভায় তো কেবল রাজা আর রাজপুত্রেরা আসবে। তাদের আমি দেখেছি—তারা সব ননীর পুতুল। তাদের কারুর গলায় আমি মালা দিতে পারব না। আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, বীর্যশুল্কায় যে আমাকে কিনে নিতে পারবে, তাকেই আমি বিয়ে করব—তা সে শূদ্রই হোক, আর চণ্ডালই হোক।’

    শুনে রুদ্রপ্রতাপ খুশি হলেন সেকালে শূদ্রকে কেউ এত ঘৃণা করত না,—অনেক শূদ্র রাজা বাহুবলে সিংহাসন অধিকার করেছিলেন। রুদ্রপ্রতাপ হেসে বললেন, ‘আমিও তাই চাই। কিন্তু তা হবে কী করে?’

    কুমারী বললেন, ‘আমার প্রতিজ্ঞা এই-যে পুরুষ তিনটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবেন, আমি তাঁকেই বরমাল্য দেব। আপনি রাজ্যে এই কথা ঘোষণা করে দিন।’

    ‘বেশ! কী কী বিষয়ে পরীক্ষা হবে?’

    ‘বাহুবল, হৃদয়বল আর বুদ্ধিবলের পরীক্ষা হবে। আমি নিজে পরীক্ষা করব।’

    রাজা মেয়ের পিঠে হাত রেখে আদর করে বললেন, ‘সুমিত্রা, তুই শক-দুহিতার উপযুক্ত কথা বলেছিস। আজই আমি দেশ-বিদেশে ঢেঁড়া দিয়ে দিচ্ছি।’

    রাজ্যে-রাজ্যে আবার ঘোষণা হয়ে গেল। আবার অনেক রাজা, রাজপুত্র, সেনাপতি, অমাত্য এলেন কিন্তু সকলকেই ব্যর্থ-মনোরথ হয়ে ফিরে যেতে হল। কেউ বাহুবলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন কিন্তু বুদ্ধিবলে উত্তীর্ণ হতে পারলেন না আবার কেউ বা বুদ্ধিবলে উত্তীর্ণ হলেন কিন্তু হৃদয়বলে অর্থাৎ সাহসিকতায় বিফল হলেন। সকলেই অধোবদনে ফিরে গেলেন, রাজকুমারীকে লাভ করতে পারলেন না।

    এমনিভাবে কিছুদিন কেটে গেল একদিন সকালবেলায় মন্ত্রগুহের দ্বিতলে রাজা রুদ্রপ্রতাপের সভা বসেছে। চারিদিকে পাত্রমিত্র, সেনাপতি, শ্ৰেষ্ঠী, সামন্ত রয়েছেন, রাজা স্বয়ং সিংহাসনে আসীন রাজার ডানপাশে মর্মর-পদ্মাসনে কুমারী সুমিত্রা সভা যেন তাঁর রূপের ছটায় আলোকিত হয়ে গেছে। তাঁর গর্বিত গ্রীবাভঙ্গী আর তীক্ষ্ণ কটাক্ষে সভার বড় বড় বীরের পৌরুষও যেন সঙ্কুচিত হয়ে পড়েছে।

    সভার তোরণের কাছে প্রতীহার-ভূমিতে হঠাৎ একটা গোলমাল শুনতে পেয়ে রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, “কিসের গণ্ডগোল?মকরকেতু, দেখ তো!’

    মকরকেতু রাজ্যের একজন সেনানী। তিনি যুবাপুরুষ বিশাল তাঁর দেহ, তাঁর চেহারা দেখেই শত্রু ভয়ে আধমরা হয়ে যায়। তিনি সভাদ্বারে গিয়ে দেখলেন, একজন দীনবেশ যুবক জোর করে সভায় প্রবেশ করতে চায় কিন্তু চার-পাঁচজন প্রতীহারী তাকে আটকে রাখবার চেষ্টা করছে। যুবক নিরস্ত্র, কিন্তু এমন ভয়ঙ্করভাবে সে হস্তপদ সঞ্চালন করছে যে, বর্মাবৃত শূলধারী প্রতীহারীরা তার সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছে না। কিন্তু পাঁচজনের সঙ্গে একজনের যুদ্ধ কতক্ষণ সম্ভব? অবশেষে দ্বাররক্ষীরা তাকে মাটিতে ফেলে তার হাত বেঁধে ফেললে।

    মকরকেতু রাজাকে এসে খবর দিলেন, শুনে রাজা হুকুম করলেন, কী চায় লোকটা? তাকে এখানে নিয়ে এস।’

    তখন দু’জন প্রতীহারী লোকটিকে নিয়ে রাজার সুমুখে হাজির হল। রাজা তার চেহারা আর বেশভূষা দেখে আশ্বর্যান্বিত হয়ে গেলেন তার মাথায় উষ্ণীষ নেই, হাতে অস্ত্র নেই, পরিধানে নিখুঁত বস্ত্রও নেই—রক্ষীদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে ছিঁড়ে গেছে। সর্বাঙ্গে ধূলা। কিন্তু তবু, ছিন্ন আর ধূলির আভরণের ভিতর দিয়েও অপরূপ সুঠাম দেহ-প্রভা প্রকাশ পাচ্ছে। দেহ রোগাও নয়, মোটাও নয়। পেশীগুলি প্রতি অঙ্গসঞ্চালনে সাপের মত খেলে বেড়াচ্ছে। মাথার কোঁকড়া চুল কাঁধ পর্যন্ত এসে পড়েছে গায়ের রং নূতন কচি ঘাসের মত শ্যাম। মুখে একটা খামখেয়ালি বেপরোয়া ভাবা।

    রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কে? তোমার দেশ কোথায়?

    বন্দী একবার রাজার দিকে চাইলে, একবার রাজকন্যার দিকে চাইলে তারপর বললে, ‘আমি এ রাজ্যে আগন্তুক। আমার দেশ বঙ্গ।’

    রাজা বললেন, ‘বঙ্গদেশের নাম শুনেছি বটে, আর্যাবর্তের পূর্ব সীমান্তে সেই রাজ্য। শুনেছি সে দেশের লোকেরা পাখির ভাষায় কথা বলে।’

    বন্দী গম্ভীরভাবে বললে, ‘মহারাজ ঠিক ধরেছেন। বঙ্গদেশের লোক কোকিলের ভাষায় কথা বলল। এত মধুর ভাষা পৃথিবীতে আর নেই।’

    রাজা উত্তর শুনে ভারি আশ্চর্যান্বিত হলেন, একটু খুশিও হলেন। প্রতীহারীদের বললেন, বাঁধন খুলে দাও।’

    বন্ধন-মুক্ত হয়ে যখন সে সোজা হয়ে দাঁড়াল, তখন এই ছিন্নবেশ বিদেশী যুবার চেহারা দেখে কুমারী সুমিত্রার তীব্রোজ্জ্বল চোখদুটি ক্ষণকালের জন্য নত হয়ে পড়ল। তিনি উত্তরীয়টি ভাল করে গায়ে জড়িয়ে নিলেন।

    রাজা বললেন, ‘বিদেশী, তুমি বহুদূর থেকে এসেছ তোমার বস্ত্র ছিন্ন দেখছি। তুমি কি অর্থ চাও?

    বিদেশী হাসল বললে, না মহারাজ, আমি অর্থ চাই না—অর্থের আমার প্রয়োজন নেই। আমি অন্য এক মহার্ঘ রত্নের সন্ধানে এ রাজ্যে এসেছি।’

    বিস্মিত রাজা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার নাম কী? পরিচয় কী?’

    বিদেশী বললে, ‘আমার নাম চণ্ড। আমি তালীবনশ্যাম সমুদ্র মেখলা বঙ্গভূমির একজন অজ্ঞ সন্তান—এইটুকুই আমার পরিচয় বলে ধরে নিতে পারেন।’

    রাজা বললেন, ‘ভাল। এখন, জোর করে আমার সভায় ঢুকতে চেয়েছিলে কেন? তার কারণ বল।’

    চণ্ড বললে, ‘মহারাজ, আপনার রাজ্যে প্রবেশ করে শুনলাম যে কুমারী সুমিত্রা বীর্যশুল্কা হতে চান। তাই আমি নিজের বীর্যের পরীক্ষা দিয়ে তাঁকে লাভ করতে এসেছি। ‘ বলে, পূর্ণদৃষ্টিতে সুমিত্রার দিকে তাকাল।

    শুনে কুমারীর মুখ লাল হয়ে উঠল। মন তাঁর ক্ষণকালের জন্য বিদেশীর প্রতি কোমল হয়েছিল, আবার কঠিন হয়ে উঠল। একজন সামান্য লোক তাঁকে লাভ করবার দুরাশা রাখে! সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে পড়ল যে, ভারতবর্ষের সকল রাজ্য থেকেই রাজা বা রাজপুত্র তাঁর পাণিপ্রার্থী হয়ে এসেছে—শুধু বঙ্গদেশ থেকে কেউ আসেনি। বঙ্গদেশের রাজপুত্রেরা কি এতই দর্পিত যে, নিজেরা না এসে একজন ভিক্ষুককে তাঁর পাণিপ্রার্থী করে পাঠিয়েছে? অপমানে তাঁর দু’চোখ জ্বলে উঠল।

    সভাসদরাও চণ্ডের এই অদ্ভুত স্পর্ধা দেখে মুহূর্তের জন্য স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর সকলের সমবেত অট্টহাস্যে সভা ভরে গেল।

    রাজা রুদ্রপ্রতাপ কিন্তু হাসলেন না। তিনি আর চোখে মকরকেতুকে আঙুল দেখিয়ে বললেন, ‘এটাকে সভার বাইরে নিক্ষেপ করা’

    মকরকেতু সবচেয়ে বেশি জোরে হাসছিলেন, হাসির ধাক্কায় তাঁর বিরাট দেহ দুলে দুলে উঠছিল। তিনি হাসতে হাসতেই চণ্ডকে সভার বাইরে নিক্ষেপ করতে অগ্রসর হলেন। কিন্তু তার গায়ে হাত দিতে-না-দিতেই এক অদ্ভুত ব্যাপার হল। চণ্ড দুই হাতে মরকেতুর কোমর ধরে তাকে মাথার ঊর্ধ্বে তুলে অবলীলাক্রমে গবাক্ষের পথে নিচে ফেলে দিয়ে রাজার সুমুখে ফিরে এসে বললে, ‘মহারাজ, আপনার আজ্ঞা পালিত হয়েছে।’

    সভা নির্বাক রুদ্রপ্রতাপের মুখে কথা নেই। চণ্ড এমনভাবে এসে দাঁড়িয়ে আছে, যেন সে বিশেষ কিছুই করেনি, এরকম সে রোজই করে থাকে।

    সকলে ভাবছে—এ কী আশ্চর্য ব্যাপার! মকরকেতুকে যে ব্যক্তি একটা তুলোর বস্তার মত তুলে ফেলে দিতে পারে, তার গায়ে কী অসীম শক্তি! সভাসুদ্ধ লোক বিস্ফারিত চোখে চণ্ডের মুখের পানে চেয়ে রইলা।

    এতক্ষণে সুমিত্রা কথা কইলেন নিস্তব্ধ সভাগৃহে তাঁর কণ্ঠস্বর বীণার মত বেজে উঠল। ঈষৎ জভঙ্গী করে তিনি ধীরে ধীরে বললেন, ‘বিদেশী, তোমার দেশে কি রাজা নেই?

    চণ্ড বললে, ‘রাজা আছেন বৈকি রাজকুমারী তাঁর প্রতাপে প্রাগজ্যোতিষ থেকে কোশল পর্যন্ত কম্পমান।’

    সুমিত্রা বললেন, বটে! তবে কি তিনি প্রবীণ?

    চণ্ড বললে, ‘হ্যাঁ, তিনি প্রবীণ।’

    সুমিত্রা প্রশ্ন করলেন, তাঁর কি পুত্র নেই?’

    চণ্ড মৃদু হাসল, ‘আছে। শুনেছি যুবরাজ ভট্টারক পরম রসিক। তবে তিনি পিতার মত বীর কি বলতে পারি না।’

    সুমিত্রার কণ্ঠের চাপা শ্লেষ এতক্ষণে স্ফুরিত হয়ে উঠল তিনি তীক্ষ্ণ হাসি হেসে বললেন, ‘তাই বুঝি তোমাদের রসিক যুবরাজ একজন মল্লকে তাঁর প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছেন?’

    চণ্ড মাথা নেড়ে বললে, ‘না, আমি স্বেচ্ছায় এসেছি। তাছাড়া আমি মল্ল নই। আমার দেশের সকলেই আমার চেয়ে বেশি বলবান, তাই আমি লজ্জায় দেশ ছেড়ে চলে এসেছি।’ এই বলে কপট লজ্জায় মাথা নিচু করলে।

    কুমারী সুমিত্রা অধর দংশন করলেন। এই লোকটার সঙ্গে কথাতেও পারবার জো নেই। যে ব্যক্তি এইমাত্র মহাকায় মকরকেতুকে জানলা দিয়ে গলিয়ে ফেলে দিয়েছে, তার মুখে একথা পরিহাস ছাড়া আর কিছু নয়। কুমারী অল্পকাল চিন্তা করে বললেন, ‘ভাল! তুমি মল্ল হও বা না হও, ভার উত্তোলন করতে পার বটে। আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, তিনটি পরীক্ষায় যে উত্তীর্ণ হতে পারবে, তাকেই আমি বরমাল্য দেব, তা সে পামরই হোক আর চণ্ডালই হোক। কিন্তু ভার উত্তোলন করাই বাহুবলের প্রমাণ নয়, উষ্ট্রও ভার বহন করতে পারো তুমি বাহুবলের আর কী প্রমাণ দিতে পার?

    চণ্ড বললে, “মানুষের যা সাধ্য আমিও তাই পারি।’

    ‘পার? বেশ, আমার এই মুঠির মধ্যে একটি মুক্তা আছে…মুঠি খুলে মুক্তাটি নিতে পার?’ এই বলে সুমিত্রা মৃণালের মত ডান হাতখানি বাড়িয়ে দিলেন।

    অনেক রাজপুত্ৰই রাজদুহিতার মুঠি খুলতে না পেরে লজ্জায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। চণ্ড তাঁর সামনে গিয়ে দাঁড়াল, ক্ষুব্ধস্বরে বললে,—‘রাজকুমারী, এ পুরুষের উপযুক্ত পরীক্ষা নয়, আমাকে অকারণ লজ্জা দিচ্ছেন কেন?’ এই বলে সে বাঁ-হাতের দুটি আঙুল দিয়ে রাজকুমারীর মুঠির দু’দিক চেপে ধরলো রাজকুমারী একবার শিউরে উঠলেন, তারপর তাঁর মুঠি আস্তে আস্তে খুলে গেল।

    মুক্তাটি হাত থেকে তুলে নিয়ে চণ্ড বললে, ‘আজ থেকে এই মুক্তাটি আমার কর্ণের ভূষণ হল।’ রাজকুমারীর মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল তিনি কিছুক্ষণ বিহুল চক্ষে নিজের পানে চেয়ে রইলেন। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে অবরুদ্ধ স্বরে বললেন, ‘প্রথম পরীক্ষায় তুমি উত্তীর্ণ হয়েছ। বাকি দুই পরীক্ষা আজ অপরাহ্নে হবে।’ এই বলে তিনি দ্রুতপদে সভা ছেড়ে চলে গেলেন।

    নিজের শয়নঘরে গিয়ে রাজকুমারী বিছানায় শুয়ে কাঁদতে লাগলেন এমন লাঞ্ছনা তিনি জীবনে ভোগ করেননি। কোথাকার এক পরিচয়হীন অখ্যাত লোক এসে অবহেলাভরে বাঁ-হাতে তাঁর মুঠি খুলে দিলে! কী কঠিন তার আঙুল! যেন লোহা দিয়ে তৈরি! সেই আঙুল রাজকুমারীর মুঠি স্পর্শ করামাত্র যেন অবশ হাত আপনি খুলে গেল। কেন এমন হল? ও কি ইন্দ্রজাল জানে?

    চোখ মুছে সুমিত্রা পালঙ্কে উঠে বসলেন। তাঁর লুষ্ঠিত অভিমান আহত সর্পের মত আবার ধীরে ধীরে মাথা তুলতে লাগল। তিনি গালে হাত দিয়ে ভাবতে লাগলেন কী করে আজ বাকি দুই পরীক্ষায় চণ্ডকে পরাস্ত করবেন!

    * * * *

    বেলা তৃতীয় প্রহরের তূর্য-দামামা বাজবামাত্র রাজা আর রাজ্যের বড় বড় প্রবীণ অমাত্যেরা রাজ-উদ্যানে সমবেত হলেন। রাজকুমারী বেণী দুলিয়ে ফুলের মালা গলায় দিয়ে নিজের প্রাসাদ থেকে নেমে এলেন চণ্ডও উপস্থিত হল। এখন আর তার ধূলি-ধূসর বেশ নেই, পরিধানে পট্টবস্ত্র,

    বুকে লোহার বর্ম, হাতে ধনুঃশরা ডান কানে সেই মুক্তাটি বেলফুলের কুঁড়ির মত দুলছে।

    রাজ-উদ্যানটি প্রকাণ্ড, চারিদিকে উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। তাতে বড় বড় ফল-ফুলের গাছে, আম্র জম্বু বকুল পিয়াল কদম্ব শোভা পাচ্ছে। মাঝে মাঝে সরোবরা মাঝে মাঝে বুক পর্যন্ত উঁচু স্বচ্ছ স্ফটিকের দেওয়াল বাগানের পুষ্পিত অংশকে ঘিরে রেখেছে। চারিদিকে পোষা হরিণ, শশক, ময়ুর চরে বেড়াচ্ছে।

    একটি পাথরের বড় বেদীর উপর রাজা আর অমাত্যেরা আসন গ্রহণ করলেন সুমিত্রা দু’জন সখীর সঙ্গে অদূরে আর একটি বেদীতে বসলেন। চণ্ড দাঁড়িয়ে রইল।

    কুমারী একবার আয়ত উজ্জ্বল চোখ তুলে চণ্ডের দিকে চাইলেন তারপর গ্রীবা হেলিয়ে একজন সখীকে ইঙ্গিত করলেন। সখীর হাতে একটা সোনার কলস ছিল, সে গিয়ে সেই কলসটি স্ফটিকের দেয়ালের পিছনে রেখে এল।

    কুমারী তখন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বিদেশী, তুমি তীর ছুঁড়তে জান?’

    মুখ টিপে হেসে চণ্ড বললে, ‘ছেলেবেলায় শিখেছিলাম—অল্পস্বল্প জানি।’

    ‘ভাল। এবারে তোমার বুদ্ধিবলের পরীক্ষা হবে। স্ফটিক-কুড্যের ওপারে ঐ ঘট দেখতে পাচ্ছ? তুমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছ সেইখান থেকে তীর দিয়ে ঐ ঘট বিদ্ধ করতে হবে। যদি পার বুঝব তুমি কৌশলী বটে!

    রাজা এবং পারিষদেরা সকলেই অবাক হয়ে রইলেন। এ কী অদ্ভুত পরীক্ষা! এদিক থেকে ঘট বিদ্ধ করা কি সম্ভব কখনও? মাঝে পাঁচ আঙুল পুরু স্ফটিকের দেয়াল রয়েছে সে দেয়াল ভেদ করে তীর ছোঁড়া মানুষের সাধ্য নয়।

    চণ্ড বললে, ‘এ কি মানুষের কাজ? এ-রকম লক্ষ্যভেদ যে দেবতাদেরও অসাধ্য?’

    সুমিত্রা বিদ্রুপ-স্বরে বললেন, ‘তবে কি তুমি চেষ্টার আগেই পরাভব স্বীকার করছ?’

    চণ্ড বললে, ‘না না, তা আমি বলছি না। আমি বলছি যে, আপনি মানুষের অসাধ্য কাজ দিয়ে আমাকে দেব-পদবী দান করছেন।’

    রাজকুমারী তীক্ষস্বরে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তবে কি তুমি পারবে বলে মনে হয়?’

    চণ্ড হেসে বললে, ‘পারা না-পারা দৈবের অধীন। তবে এ পরীক্ষা বঙ্গীয় ধনুর্ধরের উপযুক্ত বটে।’

    চণ্ড সযত্নে ধনুকে গুণ পরালো ঈষৎ টঙ্কার দিয়ে দেখলে গুণ ঠিক হয়েছে কি না। তারপর আকাশের দিকে চেয়ে আস্তে আস্তে ধনুকে শর-সংযোগ করলে।

    গাছের পাতা নড়ছে না, বাতাস স্থির। দর্শকেরাও চিত্রার্পিতের মত বসে দেখছেন। চণ্ড ধীরে ধীরে ধনুক ঊর্ধ্বে তুললে। একবার সুবর্ণ ঘটের দিকে চেয়ে দেখলে তারপর জ্যা-মুক্ত তীর আকাশের দিকে ছুটে চলল।

    তীর আতসবাজির মত সোজা আকাশে উঠে, পাক খেয়ে নক্ষত্ৰবেগে নিচের দিকে মুখ করে নেমে আসতে লাগল। ঠং করে একটা শব্দ হল। সকলে মুগ্ধ হয়ে দেখলেন, তীরটি সোনার কলসের গায়ে বিঁধে আছে।

    রাজকুমারী এতক্ষণ রুদ্ধশ্বাসে বসে দেখছিলেন, তাঁর বুক থেকে একটি কম্পিত দীর্ঘশ্বাস বার হয়ে গেল। বুক দুরুদুরু করে কাঁপতে লাগল—আশঙ্কায় কি আনন্দে বুঝতে পারলেন না। চণ্ডের কপালেও ঘাম দেখা দিয়েছিল। সে ঘাম মুছে জিজ্ঞাসা করলে, ‘রাজকন্যা, আদেশ পালন করতে পেরেছি কি?’

    রাজকন্যার গলা কেঁপে গেলা। তিনি বললেন, ‘পেরেছ।‘ একটু থেমে বললেন, ‘এবারে শেষ পরীক্ষা।’

    চণ্ড যেন একটু ক্ষুণ্ণ হয়ে বললে, ‘এরই মধ্যে শেষ পরীক্ষা! আমার ইচ্ছা হচ্ছে সারা জীবন ধরে আপনার কাছে পরীক্ষা দিই।’

    সুমিত্রার বুক আবার দুরুদুরু করে উঠল, কিন্তু তিনি নিজেকে সংযত করে বললেন, ‘শেষ পরীক্ষা এই—আমি এই বনের মধ্যে দৌড়ে যাব। দশ গুনতে যতক্ষণ সময় লাগে ততক্ষণ পরে তুমি আমার পশ্চাদ্ধাবন করবো তোমার হাতে একটা তীর আর ধনুক থাকবে তুমি যদি আমাকে স্পর্শ করতে পার, তাহলে তোমার জিত, আর আমি যদি ফিরে এসে এই বেদী স্পর্শ করতে পারি, তাহলে তোমার হার। আমার গতি রোধ করবার জন্য তুমি অস্ত্র নিক্ষেপ করতে পার। কিন্তু যদি আমার অঙ্গ থেকে একবিন্দুরক্ত বার হয়, তাহলে তদ্দণ্ডেই তোমার প্রাণ যাবে।’

    চণ্ড বললে, ‘মানবী-মৃগয়া আমার জীবনে এই প্রথমা ভাল, তাই হোক।’

    * * * *

    হরিণীর মত ক্ষিপ্র চঞ্চল পদে কুমারী সুমিত্রা বনের গাছপালার মধ্যে মিলিয়ে গেলেন। দশ। গণা শেষ হলে চণ্ড তীরধনুক হাতে শিকারীর মত তাঁকে অনুসরণ করলে।

    চণ্ডও খুব দ্রুত দৌড়তে পারে কিন্তু রাজকুমারীর সঙ্গে পাল্লায় সে পেছিয়ে পড়তে লাগল। ক্রমে উদ্যানের গাছপালা যতই ঘন হতে আরম্ভ করল, ছায়াও তত গভীর হতে লাগল। তার ভিতর দিয়ে পলায়মান সুমিত্রার শুভ্র অঞ্চল আর উড্ডীন বেণী দেখা যেতে লাগল। কিন্তু ক্রমে আর তাও দেখা যায় না। চণ্ড বুঝলে, সুমিত্রার সঙ্গে দৌড়ে সে পারবে না। হাজার হোক, তিনি নারী—তাঁর শরীর লঘু। এদিকে চণ্ডের গায়ে লৌহ-বর্ম, এ অবস্থায় কেবল পশ্চাদ্ধাবন করে কুমারীকে ধরা অসম্ভব।

    চণ্ড তখন যে-পথে রাজকুমারীর ফেরবার সম্ভাবনা সেই দিকে যেতে লাগল। ছায়ায় অস্পষ্ট বন, ফুলের গন্ধে বাতাস যেন ভারী হয়ে আছে। অগণ্য গাছের শ্রেণীতে বেশি দূর পর্যন্ত দেখা যায় না। সংশয়ভরা মন নিয়ে খানিকদূর যাবার পর হঠাৎ চণ্ড দেখলে, সুমিত্রা তার দিকেই ছুটে আসছেন। কিন্তু কাছাকাছি এসে সুমিত্রাও চণ্ডকে দেখতে পেলেন। উচ্চ হাস্য করে তিনি আবার বিপরীত দিকে ছুটলেন কিন্তু চণ্ড তখন তাঁর খুব কাছে এসে পড়েছে, তার দৃষ্টি ছাড়িয়ে পালানো আর সম্ভব নয়।

    তবু চণ্ড পেছিয়ে পড়তে লাগল। দশ হাতের ব্যবধান পনেরো হাতে দাঁড়াল। সুমিত্রার পা যেন মাটিতে পড়ছে না—তিনি যেন পাখির মত শূন্যে উড়ে চলেছেন। মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়িয়ে পিছু ফিরে চাইছেন, আর কলকণ্ঠে হেসে আবার দৌড়চ্ছেন। ক্রমশ ব্যবধান যখন আরও বেড়ে গেল, তখন চণ্ড মনে মনে স্থির করে নিলে—আর রাজকুমারীকে চোখের আড়াল করা চলবে না। সে দৌড়তে দৌড়তে ধনুকে শর-যোজনা করলো তারপর শুভ মুহূর্তের জন্য সতর্ক হয়ে রইল।

    এবার একটা মোটা গাছের পাশ দিয়ে যেতে যেতে সুমিত্রা নিমেষের জন্যে থেমে পিছু ফিরে চাইলেন। এই সুযোগের জন্যই চণ্ড অপেক্ষা করছিল পলকের মধ্যে তার তীর ছুটল। সুমিত্রা যখন আবার পা বাড়ালেন তখন দেখলেন, তাঁর চলার শক্তি নেই। চণ্ডের তীর তাঁর বেণী ভেদ করে গাছের গুড়িতে বিঁধে গেছে।

    চণ্ড ছুটে এসে তীর উপড়ে রাজকুমারীর বেণী মুক্ত করে দিল। হাসতে হাসতে তাঁর মুখের দিকে চেয়ে দেখলে—তাঁর চোখে জল।

    চণ্ডের মুখ বিষণ্ণ হয়ে গেল, সে ক্ষণকাল চুপ করে থেকে আস্তে আস্তে বললে, ‘দেবী, আমি এখনও আপনার অঙ্গ স্পর্শ করিনি। যদি আপনি আমার মত লোকের গলায় মালা দিতে না চান—আমি শেষ পরীক্ষায় হেরে যেতে রাজী আছি। আপনি যান—বেদী স্পর্শ করুন গিয়ে।’

    সুমিত্রা নতজানু হয়ে সেইখানে বসে পড়লেন, বাষ্পরুদ্ধ স্বরে বললেন, ‘প্রথম দর্শনেই আমার মন বুঝেছিল যে তুমি আমার স্বামী। শুধু অহঙ্কার আমাকে অন্ধ করে রেখেছিল আর্যপুত্র, বীর্যশুল্কে তুমি আমাকে জয় করেছ, তবু স্বেচ্ছায় আমি তোমার পায়ে আত্মসমর্পণ করছি।’

    চণ্ডের মুখ হাসিতে ভরে গেল। সুমিত্রাকে ধরে তুলে সে বললে, ‘সুমিত্রা!’

    সুমিত্রা গলা থেকে মালা খুলে তার গলায় পরিয়ে দিলেন তারপর আবার নতজানু হয়ে বরকে প্রণাম করলেন।

    চণ্ড হেসে বললে, ‘সুমিত্রা, তুমি রাজকন্যা দরিদ্রের পর্ণকুটীরে তোমার কষ্ট হবে না?’

    সুমিত্রা চোখ নিচু করে বললেন, ‘তোমার মত স্বামী যার, পর্ণকুটীরে থেকেও সে রাজরাজেশ্বরী। আর্যপুত্র, আমাকে তোমার তালীবনশ্যাম বঙ্গদেশে নিয়ে চল।’

    চণ্ড বললে, ‘সুমিত্রা, তোমার সঙ্গে আমি প্রতারণা করেছি। বলেছিলাম মনে আছে— বঙ্গদেশের রাজকুমার রসিক? আমি তোমাদের সঙ্গে একটু রসিকতা করেছি। আমার সত্যিকার নাম—চন্দ্র। আমার একটি ছোট্ট বোন আছে, সে চন্দ্র উচ্চারণ করতে পারে না, চণ্ড বলে, তাই—’

    বিস্ময়-উৎফুল্ল চোখে চেয়ে সুমিত্রা বললেন, ‘তুমিই তবে বঙ্গের রাজপুত্র?’

    ‘হ্যাঁ কিন্তু রাজপুত্র বলে তোমার মালা ফিরিয়ে নিয়ো না যেন।’

    সুমিত্রা মুগ্ধ নেত্রে কিছুক্ষণ চণ্ডের মুখের পানে চেয়ে থেকে মৃদুস্বরে বললেন, ‘রাজপুত্র যে এমন হয়, তা জানতাম না!’

    তারপর দুজনে হাত-ধরাধরি করে, যেখানে রুদ্রপ্রতাপ স-পারিষদ বেদীতে ছিলেন, সেইদিকে চললেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিরথ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কার্ভালোর বাক্স – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }