Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একশ বছরের সেরা গল্প – সমরেশ মজুমদার (সম্পাদিত)

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প988 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাড়ির কর্তা : একশ বছরের সেরা গল্প

    বাড়ির কর্তা
    সুমথনাথ ঘোষ

    বৈঠকখানার পাশে যে ছোট ঘরটা তাতে থাকেন মহেশবাবু। ঐশ্বর্য দূরে থাক, বিলাসিতার তুচ্ছতম উপকরণও একটা চোখে পড়ে না কোথাও। এত বড় বাড়ি, যার দোতলা ও তিনতলা মিলিয়ে বারো-তেরোখানা ঘর, তার কর্তা যে ওইভাবে বাস করতে পারেন তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত। বাস্তবিক ঘরটার মধ্যে ঢুকলে মনে হয় না যে এ বাড়ির কর্তা ওই মহেশবাবু, আর ওরই পয়সায় তৈরি এই প্রাসাদোপম অট্টালিকা। লেক অঞ্চলের ওই অতি আধুনিক পরিবেশের মধ্যে এ যেন একটা সাক্ষাৎ ছন্দ-পতন! খাটো ধুতির ওপর সাদা ফতুয়া গায়ে ও পায়ে একজোড়া চটি দিয়ে মহেশবাবু একটা হাতলভাঙা ইজিচেয়ারে দিনের বেশির ভাগ সময় শুয়ে থাকেন মুখে গড়ার লম্বা নলটা লাগিয়ে। আর চোখে চশমা দিয়ে সংবাদপত্র, ধর্মগ্রন্থ। প্রভৃতি পড়েন।

    বিলাসিতার মধ্যে আছে ওই তামাক খাওয়াটুকু। চাকরি জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে যখন উঠেছিলেন তখন যে তামাক যে দোকান থেকে কিনে খেতেন আজো সেই দোকানের সেই তামাক খাওয়ার অভ্যাসটুকু শুধু ছাড়তে পারেন নি যদিও এ নিয়ে স্ত্রী মনোরমার সঙ্গে তাঁর উঠতে বসতে ঠোকাঠুকি লাগো মনোরমা বলেন, এত দামী তামাক খেয়ে মিছিমিছি পয়সা। পুড়িয়ে দেওয়ার কোন অর্থ হয় না! অর্থ হয় কি না হয় তা নিয়ে বৃথা তর্কাতর্কি করেন না মহেশবাবু। শুধু ফি-মাসে পেনসন নিয়ে ফেরবার পথে একেবারে তামাকের ঠোঙ্গা হাতে করে নিয়ে বাড়ি ঢোকেনা অম্বুরী তামাকের সুগন্ধ সমস্ত বাড়িটার আবহাওয়ার সঙ্গে এমন ভাবে মিশে থাকে যে পা দিলেই আগে যেন তা স্মরণ করিয়ে দেয় বাড়ির কর্তার কথা।

    কিন্তু ওই পর্যন্ত যারা আসে তারা নিচের সেই ঘরটার দিকে পিছন করে ওপরে উঠে যায়। মহেশবাবুর স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ও নাতি-নাতনিদের কলগুঞ্জন মুখরিত সংসার। সেখানে তাদের কত হাসি-উচ্ছ্বাস, কত পরিচিত-অপরিচিতের নিত্য আনাগোনা। সে যেন একটা স্বতন্ত্র জগৎ, যার সঙ্গে মহেশবাবুর কোন যোগাযোগ নেই। সত্যি, মহেশবাবুকে দেখলে দুঃখ হয়। তার নিজের সংসারে নিজের অস্তিত্বটা এখন বড় অদ্ভুত এক বিরাট বৃক্ষের মূলের মত তিনি যেন আছেন শুধু অদৃশ্যে, কেউ তাঁকে দেখে না, গ্রাহ্য করে না, অথচ তাঁরই যারা ডালপালা ফুল-ফল তাদের নিয়ে যত মাতামাতি, সংসারের যত প্রয়োজন। এমন কি স্ত্রী, যাঁর ওপর তাঁর দাবি সবচেয়ে বেশি, তিনিও এখন কেমন করে যেন সবচেয়ে বেশি পর হয়ে গিয়েছেন। নাতি-নাতনীদের দিয়ে পাঁচবার ডেকে পাঠালেও একবার তাঁর সময় হয় না, ওপর থেকে এসে তাঁর সঙ্গে দেখা করার। হয়তো কখনো কাউকে দিয়ে বলে পাঠান, কি দরকার ঠাকুমা বলতে বলে দিয়েছেন—এখন তাঁর সময় হবে না আসবার!

    কি দরকার! বলে মহেশবাবু একটু ইতস্তত করে আবার বলেন, না থাকা কোন দরকার নেই! হয়ত বা একটা গভীর নিশ্বাস বুকের মধ্যে চেপে নিতে নিতে গড়ার নলটা আবার মুখে তুলে দেন। মনোরমাও সংসারের নানা ঝঞ্চাটে সে কথা ভুলে বসে থাকেন, তিন-চারদিন চলে গেলেও হয়ত খেয়াল হয় না কর্তা কেন ডেকে পাঠিয়েছিলেন। ঠাকুর-চাকর আছে—তারা তাঁকে খেতে দেয়, তাঁর ঘর সাফ করে—তাঁর ফাইফরমাশ খাটো

    শুধু টাকার প্রয়োজন হলে আর ডাকতে হয় না মনোরমাকে একেবারে সোজা স্বামীর ঘরে তিনি এসে হাজির হন। আর কারুর কাছে হাত পাতাতে তাঁর যেন মাথা কাটা যায়। রোজগারী ছেলে, বিবাহিতা মেয়ে, জামাই, নাতি-নাতনী সকলকে যেন তখন পর বলে মনে হয়। অন্তত ঠিক তা মনে না হলেও নিঃসঙ্কোচে তাদের কাছে হাত পেতে টাকাপয়সা চাইতে যেন তাঁর কেমন বাধ বাধ ঠেকে। অথচ তিনি অনায়াসে মহেশবাবুর কাছে গিয়ে জুলুম করার ভঙ্গীতে বলেন, দেখি। পঁচিশটা টাকা শিগগির!

    কোথায় পাবো, এত টাকা! পেনসনের টাকা সব তোমার হাতে এনে দিয়েছি, এর মধ্যে সব খরচা হয়ে গেল? বলে মহেশবাবু গঙ্গড়ার নলটা হাতে টেনে নিতে নিতে তার মুখের দিকে তাকান।

    রাগতসুরে মনোরমা বলেন, খরচ হয়ে না গেলে কি তোমার কাছে আবার টাকা চাইতে আসতুম?

    কিন্তু কিসে এত টাকা খরচ করলে শুনি? এই ত গেল মাসে সত্তরটা টাকা দিলুম, বললে মেয়েদের কলেজ যাওয়ার ভাল শাড়ী ছিল না বলে ধার করে কিনেছিলে, এখন কাপড়ওয়ালা তাগাদা করছে! আবার এ মাসে কি?

    এবার ঝঙ্কার দিয়ে উঠলেন মনোরমা–তোমার মেজ মেয়ে যে বাচ্ছাকাচ্ছা নিয়ে এসে রয়েছে এখানে আজ একমাস, তা কি চোখে দেখতে পাও না? তাদের জন্যে যে বেশি দুধ নিতে হয়েছে তার দাম দিতে হবে না?

    তাই বলো! ও মিনু এখানে রয়েছে বটে, ভুলেই গিয়েছিলুম! বলে মহেশবাবু সুড়সুড় করে উঠে গিয়ে বাক্স থেকে পঁচিশটা টাকা এনে স্ত্রীর হাতে গুঁজে দেন।

    টাকাটা হাতে নিয়ে এবারে মনোরমা বলেন, মেয়েরা বিয়ে হলে পর হয়ে যায় শুনেছি, কিন্তু বাপ-মার কাছে ত তারা চিরকাল তেমন থাকে। আমি তো কই কোনদিন তাদের ভুলতে পারি না! আর তুমি বাপ হয়ে কি করে যে মেয়ের কথা ভুলে থাকো এভাবে তা ঈশ্বর জানেন! বলতে বলতে মহেশবাবুর ঘাড়ে সমস্ত অপরাধের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান মনোরমা।

    অবশ্য মহেশবাবুকেও এর জন্যে দোষ দেওয়া যায় না। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে অনেকদিন। তাছাড়া যে মেয়ে যেদিন প্রথম বাপের বাড়ি আসে সেদিন একবার বাপের ঘরে ঢুকে তাঁকে প্রণাম করে জিজ্ঞাসা করে, বাবা কেমন আছো, তোমার শরীর এখন কেমন? তিনিও তার উত্তরে যথারীতি সংক্ষেপে শুধু এইটুকু প্রতিবার বলেন, আর শরীর! এখন কি আর ভাল থাকার কথা মা—এখন গেলেই হয়!

    কি যে বলো বাবা, তোমার এমন কি বয়েস হয়েছে! বলতে বলতে ঘর থেকে বেরিয়ে মেয়েরা সেই যে ওপরে মায়ের ঘরে গিয়ে ওঠে, তারপর আর বাপের সঙ্গে কোনরকম সম্পর্কই থাকে না। মা-ই যেন তাদের সব। মায়ের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, ওঠা-বসা, সিনেমা দেখা, এখানে ওখানে ট্যাক্সি করে বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপর যেদিন সেই মেয়ে আবার শ্বশুরবাড়ি যায়, ফটকে ট্যাক্সি এসে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেজেগুঁজে বাপের ঘরে ঢুকে একবার ঢিপ করে একটা প্রণাম করে ভারী গলায় শুধু বলে, বাবা আমি যাচ্ছি!

    ‘এসো মা’ বলে তিনি যখন আশীর্বাদ করেন, তখন মেয়ে আক্ষেপের সঙ্গে বলে, একবার ত তুমি আমার ওখানে গেলে পায়রা বাবা—তোমার জামাই কত দুঃখু করে! বলে এতদিন বিয়ে হয়েছে একবারও এলেন না আমাদের এখানে! মেয়ে-জামাই ত তোমার পর নয় বাবা?

    তা ঠিক। আচ্ছা দেখি মা, এবার যাবার চেষ্টা করবো। এই বলে মহেশবাবু বিদায় দেন। মেয়েকে। কিন্তু ওখানেই শেষ। তারপর মেয়েও আর বাপের খবর নেয় না—বাপও মেয়ের কথা ভুলে বসে থাকেন।

    ছোট মেয়ে দুটো বাড়িতেই আছে কিন্তু তাদের সঙ্গেও তাঁর কোন সম্পর্ক নেই বললেই চলে। তারা কলেজে পড়ে। তাছাড়া তাদের আছে গানের ক্লাস, নাচের স্কুল, সেতার শেখা, জলসা, সিনেমা, ইদানীং আবার অতিরিক্ত উপদ্রব বেড়েছে ছেলেদের মত খেলার মাঠে যাওয়া—আজ ফুটবল, কাল ক্রিকেট, পরশু এন.সি.সি. তার পরদিন অলিম্পিক ইত্যাদি ইত্যাদি। তারা কখন বাড়িতে থাকে বা কখন না থাকে, তার খোঁজই রাখেন না মহেশবাবু বা তাঁর রাখবার উপায় নেই। তবু যদি কোনদিন জিজ্ঞেস করেন, হ্যাঁগো, কাল তোমার ছোট মেয়ে সন্ধ্যের পর সেজেগুঁজে একটি ছোকরার সঙ্গে কোথায় যাচ্ছিল? গিন্নীর কাছ থেকে হয়ত তখনই জবাব আসে, তা জেনে তোমার লাভ কি?

    মহেশবাবু গড়ার নলটা মুখ থেকে নামিয়ে নিয়ে বলেন, না, মানে ছোকরার চালচলনটা আমার ভাল মনে হলো না, সোমত্ত মেয়ে আমার—ওর সঙ্গে বেশি মেলামেশা করাটা আমি পছন্দ করি না। তুমি রেবাকে ডেকে বলে দিয়ো।

    ঘর থেকে বেরুতে গিয়ে মনোরমা থমকে দাঁড়িয়ে বলেন, ওমা, তুমি কার সম্বন্ধে কি বলছো। জানো? ও যে আমাদের ব্যারিস্টার রায়ের ছেলে অতনু! সামনের সেপ্টেম্বরে ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকা যাচ্ছে! আমাদের এ অঞ্চলে অমন ভাল ছেলে কটা আছে!

    মহেশবাবু সব শুনে বললেন, ভাল ছেলে হলেই যে একেবারে ভীষ্ম কি যুধিষ্ঠির হবে তার কি মানে আছে! অপবাদ একটা রটতে কতক্ষণ! তাই বলছিলুম, তুমি মেয়েকে একটু সাবধান করে দিয়ো—অন্তত আমার নাম করে!

    তাঁর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে মনোরমা বলেন, থাক, ও নিয়ে আর তোমায় মাথা ঘামাতে হবে না —তোমার মেয়ে কচি খুকি নয়—আজ বাদে কাল বি.এ. পাশ করবে! বলতে বলতে তিনি গৃহান্তরে চলে যান।

    মহেশবাবুর কর্তৃত্ব এ সংসারে কেউ মেনে না নিলেও তিনি যে বাড়ির কর্তা, এবাড়ির প্রতিটি সুখ-দুঃখের দায়িত্ব যে তাঁর স্কন্ধে, কেউ না মানলেও সে কথা তিনি যেন কিছুতেই ভুলতে পারেন না।

    হঠাৎ কোনদিন ডাক্তারবাবুকে ব্যাগ হাতে করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে দেখলে তাঁর বুকটা ধড়াস করে ওঠো চাকরবাকর বা ছেলেপিলে যাকে সামনে দেখতে পান ডেকে জিজ্ঞেস করেন, এই শোন, কার অসুখ করেছে রে!

    হয়তো শোনেন মেজ ছেলের বড় মেয়েটার প্যারাটাইফয়েড কিংবা বড় মেয়ের ছোট ছেলেটার বুকে সর্দি বসেছে! নাতি-নাতনীর অসুখ শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন মহেশবাবু, তখনই মনোরমাকে ডেকে পাঠান। তিন-চারবার ডেকে পাঠাবার পর হয়তো তাঁর সময় হয়, তিনি এক সময় ঘরে ঢুকে বলেন, কি হয়েছে, এত ডাকাডাকি করছো কেন?

    মহেশবাবু চিন্তিত মুখে বলেন, ‘হ্যাঁগো, শুনলাম বাবলুর নাকি বুকে সর্দি বসেছে—তাই বলছিলুম কি, হোমিওপ্যাথি না দেখিয়ে ভালো একজন এলোপ্যাথকে দেখালে কেমন হয়?

    কোন ডাক্তারকে দেখালে ভালো হয় সে তার মা-বাপ রয়েছে, তারা বুঝবে তোমাকে তা নিয়ে কে মাথা ঘামাতে বলেছে তা ত জানি না! তুমি তোমার নিজের চরকায় তেল দাও! বলে ‘মার চেয়ে ব্যেথিনী তারে বলি ডান’! বলতে বলতে স্বামীর মুখের ওপরে একটা তীক্ষ্ণ কটাক্ষ হেনে ঘর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যান মনোরমা।

    কিন্তু তবু তাঁর ভাবনা যায় না। তিনি ডাক্তারের আসা-যাওয়া লক্ষ্য করেন, তেমনি উদ্বেগের সঙ্গে রোগীর অবস্থা জিজ্ঞেস করে বেড়ান বাড়ির ছোট-বড় সকলকে। হ্যাঁরে, কেমন আছে। আজ বাবলু?

    ওদিকে বড় বা মেজ ছেলের দর্শন পাওয়াও মহেশবাবুর কাছে একটা দুর্লভ সৌভাগ্য বিশেষ! যদি কোন কারণে কোনদিন তাদের ডেকে পাঠান ত তারা চেষ্টা করে বাপকে এড়িয়ে যেতে! তারা মনে ভাবে, বাবা বুঝি টাকার তাগাদা করবেন বলে এত ডাকাডাকি করছেন! বড় ছেলে ছোট আদালতে ওকালতি করো ছেলে-মেয়েদের হাওয়া বদলাতে বিদেশে নিয়ে যাবার সময় মহেশবাবুর কাছ থেকে তিন মাসের কড়ারে পাঁচশো টাকা নিয়েছিল কিন্তু তিন বছর কেটে গেছে সে টাকা আজো শোধ দেয়নি। তাই বাপকে ভুল বুঝে লুকিয়ে বেড়ায়। আর মেজ ছেলে ব্যবসায়ী। বি.এ. ফেল করে এক্সপোর্ট ইমপোর্টের কারবার করে মোটা লাভের অর্ডার দেখিয়ে মহেশবাবুর কাছ থেকে একাধিকবার টাকা চেয়ে নিয়েছে। মোটা লাভও হয়তো সে করেছে কিন্তু মহেশবাবুকে তাঁর টাকা শোধ দেওয়া আজো পর্যন্ত তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সবচেয়ে মজা, কোনদিন যদি এ নিয়ে তিনি গিন্নীকে কিছু বলতে যান ত উল্টো ফল হয়। তাড়া দিয়ে ওঠেন মনোরমা বলেন, ছেলেরা কি তোমার পর যে কাবলিওয়ালার মতো তাদের কাছে টাকার তাগাদা দিতে হবে?যখন তাদের সময় হবে তখন নিশ্চয়ই তারা তোমায় দিয়ে দেবে।

    ছেলেমেয়েরা না এলেও নাতি-নাতনীরা আসে বৈকি। এক-একদিন নাতি-নাতনীগুলোর জ্বালায় অস্থির হয়ে পড়েন মহেশবাবু। কোন দিন খবরের কাগজ খুঁজে পান না, কোনদিন বা চশমা, কখনো বা ফাউনটেন পেনটা হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকি করেন ছোট ছেলের নাম ধরে। বাপি, ওরে বাপি?

    তিনতলার চিলকুঠুরীতে বসে টেস্ট-পরীক্ষার পড়া তৈরি করতে করতে ছুটে নেমে আসে বাপি। তারপর এঘর ওঘর খুঁজে খুঁজে কাগজটা এনে দিয়ে যায় মহেশবাবুর হাতে। মহেশবাবু নাতি-নাতনীদের শাসন করেন, ফের যদি কোন দিন তোরা কেউ আমার জিনিসে হাত দিবি ত মেরে গায়ের ছাল-চামড়া তুলে দেবো!

    ছেলেমেয়েগুলো দাদুকে ভেংচি কাটতে কাটতে তাঁরই কথার পুনরাবৃত্তি করে লুকিয়ে পড়ে আনাচে কানাচে। একদিন চশমাটা অনেকক্ষণ ধরে খুঁজে না পেয়ে মহেশবাবু একেবারে রাগে অগ্নিমূর্তি হয়ে উঠলেন একটা নাতির হাত ধরে বললেন, এ নিশ্চয়ই তোর কাজ, শিগগিরি বের করে দে কোথায় রেখেছিস, তা না হলে মেরে হাড় ভেঙে দেবো।

    দাদুর ক্রদ্ধ মুখের দিকে চেয়ে ভ্যাঁ করে সে কেঁদে ফেললো তারপর চোখ রগড়াতে রগড়াতে বললে, আমি বুঝি নিয়েছি! দুলু তো নিয়েছিল!

    সঙ্গে সঙ্গে তার হাত ছেড়ে দিয়ে মহেশবাবু চীৎকার করে উঠলেন, দুলো—এই দুলো হারামজাদা, শিগগির শোন এদিকে!

    শঙ্কর ছুটে গিয়ে সিঁড়ির নিচ থেকে দুলুকে টানতে টানতে এনে হাজির করে দাদুর কাছে। বলে, এই যে দাদু লুকিয়েছিল ও সিঁড়ির তলায়! তারপর তার হাফপ্যান্টের পকেট থেকে শঙ্কর চশমাটা টেনে বার করে যেই মহেশবাবুর হাতে দিলে অমনি তিনি দুলুর কান মলে দুই গালে দুই চড় কষিয়ে দিয়ে বললেন, হারামজাদা, ফের আমার জিনিসে হাত দিয়েছিস! সেদিন না আমার কলমের নিবটা তুই ভেঙেছিস!

    কাঁদতে কাঁদতে দুলু একেবারে ওপরে মার কাছে চলে গেল।

    মা ছেলেকে বুকে টেনে নিয়ে ভোলাচ্ছে, এমন সময় হঠাৎ মনোরমা সেখানে গিয়ে পড়লেন। বললেন, কি হয়েছে রে মেজবৌ, ও এত কাঁদছে কেন?

    মেজবৌ একটু চুপ করে থেকে বললে, দেখুন না, বাবা ওকে কি রকম মেরেছেন, দুটো গাল একেবারে লাল হয়ে উঠেছে। তারপর আবার একটু থেমে আপন মনেই বলে ছেলেকে, তুই যাস কেন দাদুর কাছে দাদু তোকে দু’চোখে দেখতে পারে না, জানিস ত?

    মনোরমা প্রতিবাদ করে বলেন, ওকি কথা গা মেজবৌ, ওর সামনে ওসব বলতে আছে! ও বালক, ওর কি মনে হবে বল দেখি!

    যা সত্যি তা আর কতদিন চেপে রাখব মা? ও বালক বলে কি এটুকু বোঝবার শক্তি ওর নেই? এখনো কি রকম ফোঁপাচ্ছে দেখুন না? বলতে বলতে মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিয়ে আবার গর্জে উঠলো, আমি বরাবর লক্ষ্য করেছি, বাবা একেবারে আমার ছেলেকে দেখতে পারেন না! কোন অন্যায় কোন দোষ কেউ করলে, তিনি আগে বলে ওঠেন, এ ঠিক সেই দুলোব্যাটার কাজ!!

    ক্রোধে অগ্নিমূর্তি হয়ে তখনি মনোরমা একেবারে মহেশবাবুর ঘরে নেমে গেলেন। তারপর বললেন, তুমি কেন দুলুকে অমন করে মেরেছো? দিন-দিন তোমার যেন ভীমরতি হচ্ছে!

    মহেশবাবু স্ত্রীর মুখের দিকে চেয়ে বললেন, বারে, ওরা যা তা অসভ্যতা শিখবে, আর আমি চোখে দেখেও ওদের শাসন করতে পারবো না?

    মনোরমা ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলে উঠলেন, না। এই আমার দিব্যি রইল, আজ থেকে যদি আর কোন ছেলের গায়ে হাত দিয়েছো, তাহ’লে হয় তুমি এ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে, নয় আমি!

    এর ওপর আর কোন কথা বলতে না পেরে মহেশবাবু শুধু অস্ফুটস্বরে বললেন, বেশা। তোমাদের ভাল হোক, মন্দ হোক, কখনো সেদিকে আর আমি ফিরেও তাকাবো না। তবে এর ফল পাবে একদিন, মনে থাকে যেন। সেদিন আমি দেখতে আসবো না কিন্তু তখন বুড়োটার শাসনের কি মূল্য বুঝবে হাড়ে হাড়ে।

    মহেশবাবু এর পর থেকে চুপ করেই থাকেন, কোন কথা কন না। নিজের ইজিচেয়ারটায় বসে গঙ্গড়ার নলটা মুখে দিয়ে ভুড়ুক ভুড়ুক আওয়াজ তুলতে তুলতে কখনো ঝিমোন, কখনো বা খবরের কাগজটা বুকের ওপর দিয়ে নাক ডাকাতে থাকেনা নলটা কিন্তু সব সময়ই তাঁর হাতে। ধরা থাকে—তাঁর জীবনের ঐ বুঝি শেষ সম্বল।

    সেদিন চাকরটাকে ডেকে ডেকে তাঁর গলা ধরে গেল। ওরে হারা, কোথায় গেলি, তামাকটা দিয়ে যা—হারা–-ও হারা!

    বার আষ্টেক-দশ ডেকেও কিন্তু ও তরফের কোন সাড়া পাওয়া গেল না। এ ব্যাটার গায়েও এ বাড়ির হাওয়া লেগেছে দেখছি! বলে আবার একটু পরে তিনি হারা—ও হারা তামাক দিয়ে যা’ বলে বারকতক হাঁক পাড়লেনা তখনো হারাধনের কাছ থেকে কোন উত্তর না পেয়ে স্টুষের আগুনের মত ভেতরে ভেতরে তিনি জ্বলতে লাগলেন ঘর থেকে বাইরে এবং বাইরে থেকে ঘরে বারকতক পায়চারি করে সবে ইজিচেয়ারটায় হেলান দিয়ে বসেছেন এমন সময় হারাধন কলকে হাতে প্রবেশ করলো।

    তাকে দেখেই মহেশবাবু একেবারে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন। বললেন, হারামজাদা, আমার ডাক কি তোর কানে যায় না! আমাকে মনিব বলে গ্রাহ্য করিস না—কে ডাকছে ত কে ডাকছে!

    হারাধন কি বলতে যাচ্ছিল, সঙ্গে সঙ্গে ধমক দিয়ে তাকে চুপ করিয়ে দিলেন মহেশবাবু। বললেন, চোপরও বদমায়েশ কোথাকার, আবার মিথ্যে কথা বলার চেষ্টা হচ্ছে। বেরোও, আভি নিকালো, এক্ষুনি বেরিয়ে যা আমার বাড়ি থেকে—এই মুহূর্তে আমার হুকুম!

    চাকর গম্ভীর মুখে সেখান থেকে বেরিয়ে গেল বটে তবে বাইরে নয়। একেবারে সোজা তেতলায় গিন্নীমার কাছে গিয়ে হাজির হলো। তার মুখ থেকে বাবুর হুকুমের কথা শুনে তখনি। দ্রুতপদে নেমে এলেন মনোরমা। তারপর স্বামীর ঘরে ঢুকে গম্ভীর স্বরে বললেন, তুমি নাকি হারাধনকে জবাব দিয়েছো বলেছে—এক্ষুনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে?

    মহেশবাবুর রাগ তখনো কমেনি জোরালো স্বরে বললেন, হ্যাঁ, দিয়েছি ত, ওকে ভয় করবো নাকি? ব্যাটা চাকর, তার এতবড় আস্পদ্দা যে ডেকে ডেকে আমার গলা ধরে গেলেও তবু আমার কথার উত্তর দেয় না! মনিব বলে তার মনে এতটুকু ‘সমীহ’ নেই! এখনি ওর যা মাইনে বাকি আছে ওকে চুকিয়ে বিদেয় করে দাও—ও চলে যাক!

    মনোরমা এবার চড়াস্বরে উত্তর দিলেন, তোমার হুকুম মেনে কাজ করতে গেলে ত আমার চলে না। বলি তোমার তামাক সাজবার জন্যে ত আর আমি চাকর রাখিনি। সকালবেলা তোমার তামাক সাজাটা আগে না বাসন-কোসন মাজাটা, তাই শুনি?ঠাকুরের ওদিকে উনুন জ্বলে যাচ্ছে, তাকে যোগাড় না দিলে ছেলে-মেয়েদেরই স্কুল-কলেজের, আপিস-আদালতের ভাত সময়ের মধ্যে হয় কি করে? বলি, এতটুকু আক্কেল-বিবেচনাও কি তোমার নেই? আমি বলে কতদিন ধরে সাধ্যিসাধনা করে জামাইবাবুকে খোশামোদ করে তাঁর কাছ থেকে এই চাকর আনিয়েছি—এখন তাকে না তাড়ালে তোমার বুঝি চলছে না? বলি ও চলে গেলে আমার সংসারের কাজগুলো কি তুমি করে দেবে?

    একটা দুরন্ত রাগ ভেতরে ভেতরে চেপে নিয়ে মনোরমা বললেন, ফের যদি কোনদিন আমার চাকরের ওপর কোন মেজাজ করেছো ত তোমার একদিন কি আমার একদিন! উনি বাড়ির কর্তা —মনিব! শুধু বসে বসে তামাক খাওয়া ছাড়া আর কিছু বোঝেন না! অত যদি তামাক খাবার শখ ত নিজে সেজে খেতে পারো না? তারপর কতকটা স্বগতভাবেই বলে উঠলেন, এত বড় সংসারের কাজ করতে বলে দুটো লোক হিমসিম খেয়ে যায়—তাই একা ওই হারাধন হাসিমুখে করে দিচ্ছে, তা বুঝি তোমার সহ্য হচ্ছে না? এত যদি অসহ্য বোধ হয় ত অন্য কোথাও গিয়ে থাকো

    গে! তোমার ওই মনিবগিরি এখানে ফলাতে এসোনা, তা আমি স্পষ্টই বলে দিচ্ছি! মনোরমা ঘর থেকে চলে যেতে চুপচাপ ইজিচেয়ারে শুয়ে মহেশবাবু ভাবতে থাকেন। তাঁর জীবনে কোথায় যেন কি একটা গোলমাল ঘটেছে। তা নাহলে একদিন এই বাড়ির চাকরবাকর থেকে ছেলেমেয়ে, স্ত্রী, মাছিমশা পর্যন্ত তাঁর হুকুমে উঠতো বসততা, অথচ আজ আর তারা কেউ তাঁকে মানে না কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিরথ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কার্ভালোর বাক্স – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }