Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একশ বছরের সেরা গল্প – সমরেশ মজুমদার (সম্পাদিত)

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প988 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মর্তের পা : একশ বছরের সেরা গল্প

    মর্তের পা
    দেবেশ রায়

    মর্তে খ্রিস্টজন্মের প্রায় দুহাজার বছর ও বুদ্ধজন্মের আড়াই হাজার বছরেরও বেশি অতিক্রান্ত হবার পরও রাজনীতিতে পঞ্চশীল, অশোকস্তম্ভ, ক্রিস্টমাস দ্বীপ, খ্রিস্টান ডিমোক্রেটিক পার্টি ইত্যাদি নাম ব্যবহার করে মানবজাতি এই দুই মহামানবের প্রতি আজও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে, এশিয়া-আফ্রিকা বিভিন্ন দেশ স্বাধীনতা পেয়েছে, পৃথিবীর মুক্তি নামক একটা অজ্ঞাত ব্যাপার নিয়ে অন্তরীক্ষে যুদ্ধ চলছে।

    স্বর্গরাজ্যে সেদিনও সকাল হয়েছে। অরুণ সূর্যদেবকে তাঁর সাত ঘোড়ার রথে চড়িয়ে দৈনন্দিন সফরে বেরিয়েছেন জয়া-বিজয়া নিজেদের বাড়ি ছেড়ে শিবের আলয়ে এসে পার্বতীকে সাজাবার জন্য ফুল তুলছেন। নন্দী-ভৃঙ্গীর একজন শিবের বলদকে ভূষি খাওয়াচ্ছেন, আর-একজন তাঁর কাঁধ পরিষ্কার করছেন। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বর্গ কর্মমুখর হয়ে উঠবে। তখন শচীর সদ্যনিদ্রোখিত কাজলহীন চোখ ও রক্তিমাহীন অধরোষ্ঠ, ইন্দ্রাণীর লালিমাহীন কপোল ও কুঙ্কুমবিন্দুশূন্য সঙ্গমসব ত্রুটি সংশোধিত হয়ে যবনিকা উত্তোলনের পর মঞ্চের মত দেখাবো তবে কোটি-কোটি বৎসর পূর্বের স্বর্গ থেকে আজকের স্বর্গের কোনো তফাৎ নেই। এখানে সবই অনাদি ও অনন্ত। নিজেদের কাজকর্ম শেষ করার পর দেবদেবীরা মারা যান আবার পরদিন জন্মগ্রহণ করেন। তাই একদিন গতদিনের উপসংহার বা আগামীদিনের উপক্রমণিকা নয়। স্বৰ্গ শুধু সেদিনের, সেইদিনের, বর্তমানের।

    যে-সব দেবদূতদের জন্ম ও যমদূতদের মৃত্যু ঘটানোর দায়িত্ব, তারা এসে নির্দিষ্ট ঘরে অপেক্ষা করছে। চিত্রগুপ্ত এইমাত্র এসেছেন। তিনি খাতা খুলে হিসাব-নিকাশ ঠিক করে দিনের ডিউটি ভাগ করে দেবেন। প্রতিদিন একই ডিউটি। কিন্তু প্রতিদিন তাঁদের একবার করে মৃত্যু হয় বলে দেবদেবীর কিছু মনে থাকে না।

    যমদূতদের চেহারাই অপেক্ষাকৃত ভাল। তাদের গায়ে আকাশ-রঙের নীল কোর্তা। যখন মর্তে নামবে, তখন আকাশের রঙের সঙ্গে মিশে যেতে পারবে ও মর্তবাসীরা দেখতে পাবে না, এইজন্যই এ সতর্কতা। কলারের দুই কোণায় মহিষের দুই শিঙ আঁকা, যমরাজার প্রতীক। মাথার চুল ঢেউ খেলানো, ঘাড়ের কাছে সমান করে ছাঁটা। দাড়িগোঁফ নির্মল। বয়স বোঝা যায় না। মর্তের হিসাবে সাতাশ-আটাশ মনে হয়। যমদূতরা এমনভাবে হাসিঠাট্টা করছিল যেন। দেবদূতদের চেহারা তারা কেয়ারের মধ্যেই আনে না।

    দেবদূতদের চেহারা বালক-বালক। তাদের গায়ে কোনো পোশাক নেই, কিন্তু অভ্রের ওপর রোদ পড়লে যেরূপ দেখায়, তদ্রুপ এক জ্যোতিদ্বারা তারা আবরিতা যখন মর্তে নামবে তখন সূর্যের কিরণের সঙ্গে (ও মেঘলা দিনে কুয়াশার সঙ্গে মিশে যেতে পারবে ও মর্তবাসীরা দেখতে পাবে না এইজন্যই এই সতর্কতা তাদের বুকের ওপরে পদ্মের পাপড়ি আঁকা-ব্রহ্মার প্রতীক। মাথার চুল এলোমেলো। বয়স বোঝা যায় না। মর্তের হিসাবে কাউকেই বার বৎসরের অধিক বলে মনে হয় না। চোখেমুখে দাঙ্গার সময়কার কিশোরদের মত ভাব কথিত আছে, দেবদানব যুদ্ধের সময় বৃত্রাসুরের ভয়ে গর্ভবতী দেবীগণ ভয়ে ঐরূপ বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিলেন বলে তারপর থেকে দেবদূতদের চেহারা ও-রকম পাণ্ডুবর্ণ।

    একজনকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল না সে যমদূত না দেবদূতা তার হাবেভাবে একটা ডোন্ট পরোয়া ভাব। স্বর্গের কোনো দেবের ঔরসে, এক মানবীর গর্ভে এর জন্ম। তার দুঃশীলা মানবী মাতা একে স্বর্গে এনে ফেলে দিয়ে গেছে। অভিশাপেও ভয় পায় নি তখন থেকে এর জন্য ‘উপদেব’ নামক একটি নতুন শ্রেণীর পত্তন করতে হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যে যখন যা বেশী হয়, এ তখন সেই কাজ করে।

    ‘দেবদূত নাগসেন’—চিত্রগুপ্তের দরজায় দাঁড়িয়ে বেয়ারা হাঁকল। এই বেয়ারাটা মর্তে বহু পাপ করেছিল, কিন্তু নরকে খুব ভাল ব্যবহার করায় তাকে স্বর্গের সীমান্তে হরিজন পল্লীতে থাকতে দেয়া হয়েছে।

    একমাত্র ঐ উপদেব আর এই বেয়ারা—এ দুজনেরই স্মৃতি ও মন আছে। স্বর্গে আর সবাই অনাদি ও অনন্ত।

    ‘এই তোকে ডাকছে—’, সেই জারজ দেবদূত নাগসেনকে ধাক্কা দেয়।

    নাগসেন চমকে ‘অ্যাঁ’ বলে উঠে দাঁড়ায় ও দরজার দিকে এগোয়।

    কিছুক্ষণ পর বেয়ারা দরজা খুলে দিল—নাগসেন উড়ে বেরিয়ে গেল।

    ‘যমদূত বিল্বধর’—

    ‘এই বেলে, যা—’ উপদেব যমদূতদের একজনকে ধাক্কা দিল। জন্মের পরই নাকি এই যমদূত গাছ থেকে পড়া একটি বেল লুফেছিল, তাই তার এই নামা কিছুক্ষণ পর বেয়ারা দরজা খুলে। ধরল, বিল্বধর উঠে বেরিয়ে গেল।

    ‘দেবপুত্র উদকসম্ভব’—উপদেব একজন দেবদূতকে ধাক্কা দিলা ধাক্কা খাওয়া জায়গার হাত বোলাতে বোলাতে সে ঘরের দিকে চলে গেল। জলক্রীড়ার সময় নাকি কোন দেবীর গর্ভ থেকে উদকসম্ভব পড়ে যায়, তাই তার ঐ নাম।

    চিত্রগুপ্তের বেয়ারা একজন করে দেবদূত ও একজন করে যমদূতকে ডেকে নিয়ে যেতে লাগল। দেবদূত ও যমদূতরা চিত্রগুপ্তের কাছ থেকে হুকুম নিয়ে বেরিয়ে যেতে লাগল পৃথিবীতে জন্মমৃত্যু ঘটাতো নিজেরা জন্মের পর থেকে অবিকৃত ও অমর হয়ে থেকেও পৃথিবীর গতিকে নিয়মিত রাখতে এরাও ব্যস্ত।

    ধীরে ধীরে দুদিকের বেঞ্চই খালি হয়ে গেল। বেয়ারা হাঁকল, ‘দেবমানব্যোঙবোপদেব।’

    ‘সে ত বুঝতেই পারছি, আর যখন কেউ নেই-ই তখন এ নাম আমার না হয়ে আর কার হবে? আচ্ছা বল ত, এই দেবতাগুলোর ত জিভ দিয়ে কথা সরে না, মাথায় কামধেনুর গোবর ভরা, কোন দুঃখে ওরা এত বড় বড় নাম রাখো ভুতুর বদলে যদি বেলে যায়, তবে ঐ চিত্রগুপ্ত বুড়ো ধরতে পারবে?

    দেবমানব্যোঙবোপদেব চিত্রগুপ্তের সামনে এসে দাঁড়ালা চিত্রগুপ্তের টেবিলের ওপরে একটি বিরাট মানচিত্র। তার বাঁ হাতের কাছে দুটি বাক্স—একটাতে কালো ব্যাজ আঁটা আর একটাতে শাদা ব্যাজ আঁটা পিন সামনের মানচিত্র অস্ট্রেলিয়ার ম্যাপের মত সরলরেখায় বিভক্ত। চিত্রগুপ্তের ডান হাতে একটি পেন্সিল এক-একজন দেব বা যমদূত ঢুকছে। তাকে কালো (যমদূতদের) বা শাদা দেবদূতদের একটা ব্যাজ দিয়ে, পৃথিবীর মানচিত্রের এক-একটা কোঠায় পেন্সিলের টিক দিচ্ছেন ও রেজিস্টারে সেই দেব বা যমদূতের নামের বিপরীতে কোন অঞ্চলে তাকে পাঠানো হল সেই অঞ্চলের নাম লিখে রাখছেন। সেই উপদেবকে দেখে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে চিত্রগুপ্ত একবার রেজিস্টারের দিকে তাকালেন—কোনো নামের পাশে এন্ট্রি বাকি নেই, একবার পিনের বাক্সের দিকে তাকালেন—কোনো পিন অবশিষ্ট নেই, একবার ভূমণ্ডলের দিকে তাকালেন—কোনো অঞ্চলও বাকি নেই। তবে?

    তোমার নাম?’ চিত্রগুপ্ত জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘বলো।’—উপদেব বেয়ারার দিকে তাকাল।

    বেয়ারা নাম বলল। শুনে রিফিউজিদের ক্যাশডোল দেয়া কেরানীর মত মুখ করে, চিত্রগুপ্ত তাক থেকে রাজশেখর বসু-র ‘চলন্তিকা খুলতেই বেয়ারা নতজানু হয়ে বলল, ‘ও আর কী দেখছেন স্যার, সেই মর্তের মেয়েছেলেটা—‘

    চিত্রগুপ্তের দুই ভুরুর মাঝখানের রেখাগুলি ভুরুর ওপরে উঠে গেল, তারপর কোর্টের পেশকারের মত চোখ অর্ধেক বুজে বললেন, ‘আর কোনো জায়গা খালি নেই, তোমার আজ অফ।’

    উপদেব বলে উঠল, ‘আমি অফ-টফ চাই না।’

    চিত্রগুপ্ত খেকিয়ে উঠলেন, ‘মানে?

    বেয়ারা এসে চিত্রগুপ্তের পদচুম্বন করে বলল, ‘প্রভু, আপনি বিস্মৃত হয়েছেন যে এই উপদেবকে আপনি সংরক্ষিত রাখেন। বর্তমানে পৃথিবীতে কখনো জন্ম, কখনো মৃত্যু আকস্মিক ভাবে বেড়ে যায়—‘

    চিত্রগুপ্ত যাত্রাদলের ঘুম-পাওয়া বালকের মত জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেন?’

    ‘প্রভু, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছে, তা দমনের জন্য ও পরবর্তী মহাযুদ্ধের অস্ত্র পরীক্ষার জন্য—একসঙ্গে সহসা অনেক লোক মারা যাচ্ছে, আর কোনো কোনো দেশে নাকি মৃত্যুভয় এত বেশি বেড়ে গেছে যে, অবৈধ সন্তান উৎপাদনের মধ্য দিয়েই তারা কোনোরকমে বেঁচে থাকতে চাইছে। তাছাড়া নিত্য নৈমিত্তিক মহামারী-দুর্ভিক্ষ ত আছেই। ফলে পৃথিবীতে জন্ম ও মৃত্যুর কোনো ব্যালান্স বর্তমানে নেই। এই উপদেবকে পাঠিয়ে দিন, ইনি জন্ম বেশি দেখলে দেবদূতদের ও মৃত্যু বেশি দেখলে যমদূতদের সাহায্য করবেন।’।

    চিত্রগুপ্ত বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর ফোস করে একটি নিশ্বাস পড়ল। সেই শব্দ শুনে বেয়ারা বলল, ঐ ত ‘তথাস্তু’ বলেছেন, যাও।’ দেবমানব্যোঙবোপদেব কোনো একদিন ইন্দ্রসভায় শোন। মেনকার একটি গান শিস দিতে দিতে বেরিয়ে গেল। চিত্রগুপ্ত ইজিচেয়ারে হেলান দিলেন, দেবদূত-যমদূতরা ফেরা পর্যন্ত নিদ্রা। বেয়ারা বাসার দিকে রওনা হল।

    অন্যান্য দিন এই দুপুর বেলাটায় স্বর্গে একটু মন্থরতা আসে। গাত্ৰকণ্ডুয়নরত মৃগ, প্রেমরত দেবদেবী ও নিরালায় তপস্যারত দু-চারজন সাধুসন্ন্যাসী গোছের দেবদেবী, প্রত্যেকে একটু আধটু ঝিমিয়ে নেয়।

    কিন্তু সেদিন হঠাৎ ঘন কালো মেঘে সূর্য আড়ালে চলে গেলেন। একটা বিরাট জীবন্ত বৃক্ষের মত কালো ধোঁয়া মাটিতে শিকড় চাড়িয়ে হু-হু করে স্বর্গের দিকে বাড়তে লাগল। সেই ধোঁয়ার বনস্পতি বিস্তৃততর হয়ে ঊর্ধ্বে উঠতে লাগল। এত বেগে উঠতে লাগল ও এত বেশি বাড়তে লাগল যে মনে হল এই ধোঁয়ার স্কুপের মাথা স্বর্গ ছাড়িয়ে উঠবে। তারপর একমুহূর্ত বিলম্ব না করে সমগ্র পৃথিবী উপড়ে স্বর্গের কাঁধে ভেঙে পড়ে স্বর্গ ও পৃথিবী শুদ্ধ এই ব্রহ্মাণ্ডটাকে নিয়ে অতল শূন্যতার মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

    মদনদেবের নেতৃত্বে সাধারণত স্বর্গে অকালবসন্তেরই আবির্ভাব হয়। স্বর্গের সিংহদুয়ারে যে প্রহরী আছে, তার ও সিংহদুয়ারের ঘণ্টার শরীরে যথাক্রমে বাত ও মরচে। একমাত্র সেই প্রহরীই স্বৰ্গমুখী কালো ধোঁয়ার স্তূপকে দেখতে পেয়েছিল, আর-আর সবাই স্বর্গের ভেতর থেকে সেই কালো ধোঁয়ার ফলে অন্ধকারে খানিকটা বিস্মিত হয়েছিল মাত্রা প্রহরী প্রথমে ভেবেছিল দেবদেবীর কোনো নতুন লীলা হয়ত-বা, কিন্তু সেই কালো ধোঁয়ার স্তূপ যে প্রচণ্ড বেগে ওপরে উঠছিল তাতে তাকে দেবতাদের চেয়েও শক্তিশালী বলে মনে হচ্ছিল এবং প্রহরী ভয় পেয়ে সেই বহুদিনের মরচে ধরা ঘণ্টাটা নাড়াতে লাগল। তার ফলে একটা ফাটা বাঁশের মত আওয়াজ উঠল, যেন ঐ ধোঁয়া দেখে ঘন্টাটারও গলা ভেঙে গেছে। শেষে, বিরক্ত হয়ে প্রহরী তার রান্নাঘর থেকে একটা থালা ও শিলনোড়ার নোড়া নিয়ে এসে, নোড়া দিয়ে থালায় ঠুকতে লাগল।

    কোকিলের কূজন, মুগের গাত্ৰকয়ন, মৌমাছির গুঞ্জন ও দেবদেবীর যৌবনউদ্ভিন্ন হওয়ার শব্দের মাঝখানে সেই থালার আওয়াজ শুনে পঞ্চশরের মত নিরাপদ শগুলিতেই যাঁরা দিনে একবার করে মুমূর্ষ হয়ে পড়েন তাঁরা মৃত্যুমুখেই পতিত হতেন, কিন্তু তাঁদের বাপঠাকুর্দারা কেউ কেউ অমৃত খেয়েছিলেন বলে তাঁরা বেঁচে রইলেন।

    পাগলাঘণ্টির আওয়াজ শুনে সব দেবদেবী সভাগৃহের দিকে ছুটলেন। ব্ৰহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর সস্ত্রীক মঞ্চের ওপর। তাঁদের প্রত্যেকের দুপাশে দুটি অপ্সরী বিরাট পাখা নিয়ে ব্যজন শুরু করলা ইন্দ্র এসে পড়তেই সভার কাজ শুরু হল। এই সভার পরিকল্পনা করেই বিশ্বকর্মার নাম সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্ৰহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর তিনজন আর ইন্দ্র—এই দুইপক্ষের মধ্যে কে বড় কে ছোট এই প্রশ্নের মীমাংসা না করেও সবাইকে আঁটিয়ে দিয়েছেন। দেবতাদের বাঁ দিকে আর ডান দিকে দুটো মঞ্চ, সমান উঁচু, সমান লম্বা, সমান চওড়া, সমানসংখ্যক অপ্সরীবেষ্টিত।

    ইন্দ্র এসে সিংহাসনে বসে বললেন, ‘নাচফাচের ব্যাপার যা আছে সেরে নাও।’

    ভরতমুনি বললেন, ‘হে সহস্ৰমার্তণ্ডময় দেবরাজ ইন্দ্র, যাঁর প্রভায়—‘

    ‘আরে ঐসব বিশেষণগুলো বাদ রেখে ক্রিয়াগুলো আগে করো, দেখছ না কালো ধোঁয়ায়’, শিব খেঁকিয়ে উঠলেন।

    ভরত বললেন, এই বিপকালে কোন গন্ধর্ভ বা অপ্সরাই নৃত্যে সম্মত হচ্ছে না, পাছে কোনো দেব বা দেবী তাঁদের অভিশাপ দেন এবং এই প্রলয়কালে তাঁদের আবার মর্তে যেতে হয়।’

    ইন্দ্র বললেন, ন্যাকামি! কেন? অভিশাপ দেয়ার পর ত আবার কাটিয়েই দেয়া হয়। যা নিয়ম, মানতেই হবে। যাও শুরু করো তাড়াতাড়ি।’

    মুরজ মুরলী মৃদঙ্গ করতাল বীণা সেতার সব একসঙ্গে বেজে উঠল এবং হাস্যবিনিন্দিতবদনে জার-দিয়ে-পাকানো যাত্রাদলের সখীদের মত একদল অপ্সরা এসে নৃত্য করতে লাগল কিন্তু তাদের দৃষ্টি ছিল সভাদ্বারের দিকে। সমস্ত ঐক্যতানের মধ্যেও সেই পাথর দিয়ে থালা বাজানোর আওয়াজ প্রত্যেকের কানে এসে বাজছিল। কে জানে সেই কালো ধোঁয়া এতক্ষণ কতদূর উঠল।

    বিষ্ণু শচীর কানে কানে বললেন, নাও, অভিশাপটা দিয়ে দাও।’

    শচী ক্রোধে রক্তবর্ণ হবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন, এমন সময় একদল প্রহরী হুড়মুড় করে সভাগৃহে প্রবেশ করল। শচী ‘উঃ মাগো’ বলে বিষ্ণুর কোলে ঢলে পড়লেন। বীজনরত এক অপ্সরা পাখা ফেলে দৌড় দিল, সেই পাখায় ভরতমুনি চাপা পড়লেন নারদ তাঁর বীণা ও খড়ম। নিয়ে বাহনশালার দিকে দৌড়লেন বিষ্ণু ‘প্রাণাধিকে’ ‘প্রাণাধিকে’ বলে শচীকে ডাকতে লাগলেন। বিষ্ণু মহাদেবের কানে কানে বললেন, ‘কী ব্যাপার, স্বর্গ কি আক্রান্ত হল?

    মহাদেব বললেন, ‘কিছু একটা নিশ্চয় হয়েছে।’

    বিষ্ণু বললেন, ‘চট করে একটা শাড়ি পরে তিলোত্তমা সাজব নাকি?’

    মহাদেব বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘তুমি আর কিছু চির-খোকাটি নও, তখন দাড়ি ওঠেনি, মানিয়ে গিয়েছিল, এখন সাজলে—’

    এমন সময় মহাদেবের গালবাজানোর মত একটা বোম-বোম ধ্বনি উঠতেই বিষ্ণু বলে উঠলেন, ‘ও আবার আপনি কী শুরু করেছেন!’

    শিব বললেন, ‘আমি না ত—‘

    তবে?

    তবে?

    সেই গালবাজানোর শব্দ ধীরে ধীরে উচ্চ থেকে উচ্চতর নাদে উঠতে লাগল। এবং শেষ পর্যন্ত সমুদ্রতঙ্গের ভেঙে পড়ার মত শব্দ করে ভেঙে পড়ল সেই সভাগৃহে। এস্ত-বিক্ষিপ্ত-বিপর্যস্ত পলায়নপর অজ্ঞান দেবতারা সেই সভাগৃহে ছড়িয়ে আছেন যত্রতত্র আর অগণ্য অসংখ্য উলঙ্গ মেয়েদের এক শোভাযাত্রা সভাগৃহে প্রবেশ করল। তাদের সামনে একটা লাল ফেস্টুন। তাতে লেখা, ‘বিশ্ব গর্ভিণী সমিতি’। আর তাদের হাতে অসংখ্য পোস্টার। সেই ফেস্টুনের নীচে দেবমানব্যোঙবোপদেব—সেই জারজ উপদেবা আর সেই উলঙ্গ মেয়েদের বিরাট শোভাযাত্রার মাঝখানে নদীর জলে ফেনার মত ভাসছে সেই কয়েকটি দেবদূত। ভয়ে তারা মারাই যেত, কিন্তু নেহাত দেবতা বলে প্রেস্টিজে লাগে। সেই জারজ উপদেব শোভাযাত্ৰিণীদের বলল, তোমরা বসো।’ সঙ্গে সঙ্গে শোভাযাত্রিণীরা বসে পড়ল, পোস্টারগুলো উঁচু করে তুলে ধরে।

    তারপর জারজ উপদেব দ্রুত দেবদেবীদের কাছে গিয়ে বলল, ‘এরা সব মর্তের পোয়াতি মেয়ে। আপনাদের কাছে আর্জি নিয়ে এসেছে। শিগগির নিজের নিজের আসনে ঠিক হয়ে বসুন।’

    দেবদেবীরা তাড়াতাড়ি নিজ-নিজ আসনে বসলেন শচীকে স্ট্রেচারে করে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মহাদেবের আদেশানুযায়ী মদনকে সভায় থাকতে দেয়া হল না। তার আবার যখন-তখন শর নিক্ষেপ করার অভ্যাস। শেষে এই পোয়াতি মেয়েদের মধ্যে কাউকে শর নিক্ষেপ করলেই সর্বনাশা

    ইন্দ্র বললেন, ‘দেবমানব্যোঙবোপদেব, তুমিও দেবও বটে, মানবও বটে, তুমিই আমাদের মধ্যে দোভাষীর কাজ করো। বল, কেন এই নারীগণ স্বর্গে এসেছে? কেন যুগযুগান্তের নিয়ম ভঙ্গ করে এতগুলো নারী একসঙ্গে সশরীরে স্বর্গে এল?

    উপদেব বলল, ‘তপস্যা করলে দর্শন দেবার জন্য আপনাদের কাউকেই আর কোনোদিন মর্তে যেতে হত না।’

    ‘কেন? কেন?’

    ‘মর্ত ধ্বংস হয়ে যাবো।’

    ‘কেন? কেন? কী হয়েছে মর্তের? কোনো প্রলয়? কোনো দানবের অত্যাচার?

    ‘সেখানে কি স্বর্গের শাসন শিথিল হয়েছে?

    ‘দেবদ্বিজেকি আর মর্তবাসীর বিশ্বাস নেই?

    ‘দেবগণ, অসুবিধা এই যে, মর্তে সময় আছে, আপনারা সময় কাকে বলে জানেনই না। সেই ঘটনাসঙ্কুল সময়কে মর্তে ইতিহাস বলে এই ইতিহাসের এক যুগসন্ধি এসেছে।’

    ‘যুগসন্ধি কাকে বলে?

    ‘গত প্রায় বিশ বৎসর ধরে পৃথিবীতে যুদ্ধ নেই, অথচ যুদ্ধের আবহাওয়া ক্রিয়াশীল। একবার ভেবে দেখুন দেবগণ, মৃত্যুর কোনো প্রত্যক্ষ কারণ নেই, তবু যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ, কাল সে প্রেতাত্ম হয়ে বাতাসে মিশে গেল। ভেবে দেখুন দেবগণ, তরণীতে বিক্ষুব্ধ বৈতরণী পারাপারের সময় একটা কানায় সব ভার দিয়ে নৌকাটাকে ডোবাবার কিনারায় নিয়ে বিশবছর চলতে থাকলে, একটিও যাত্রী কি অনাগত আশঙ্কিত মৃত্যু থেকে বাঁচার তাগিদে মৃত্যুর মুখে ঝাঁপ দেবে না ? দেবগণ, বিশ বৎসরের অভিজ্ঞতায় যে মায়ের জানা আছে, হয়তবা গর্ভ থেকে শিশুটি মাটিতে এলে হত্যাকারী আকাশ থেকে অসংখ্য অদৃশ্য সব ছাই উড়ে এসে এসে তার সেই শিশুটাকে ছাই করে দেবে, সে মা কি প্রসবের ভূমিগামী বেদনাকে উধ্বগামী করতে চাইবে না? অথবা হে দেবগণ, স্বর্গের দেবশিশু হাওয়া-ঝরা ফুলের মতন, পৃথিবীকে ভালবেসে পৃথিবীরই শিশু হতে যদি পৃথিবীতে নেমে যেতে চান, আর অন্তরীক্ষে যদি থাকে বোমাফাটা ছাইয়ের সাগর, তবে আর-কোনো শিশু পৃথিবীতে কোনোদিন ভালবেসে জন্ম নিতে চায়? দেবগণ, এতদিন মৃত্যু ছিল খিড়কি দোর। কাল অন্ধকারে ফাঁদ পেতে, ওৎ পেতে, লোভ দেখিয়ে জীবনকে মারত, লুঠত। নিশ্চিত তবুও কুণ্ঠিত ইতিহাসে তার কুণ্ঠা কখনো ঘোচেনি। জীবনের সিংহদ্বার ভেঙেচুরে চুরমার, খান খান, ইটের সে ভগ্নস্তূপে ‘জীবন’ আজ প্রত্নের সংবাদ মৃত্যু, মৃত্যু, মৃত্যু খিড়কি দোরের সেই ওৎপাতা গুপ্তঘাতকের করদরাজ্যে জন্ম তাই প্রত্যাখ্যাত, কেউ বাঁচবে না, জন্ম নিতে চায় না।’

    হঠাৎ সেই উলঙ্গ নারীদের শোভাযাত্রা উঠে দাঁড়াল। তাদের কেউ একদিন, কেউ দশ মাসের পোয়াতি তাদের কালো নাভিতল উঁচু কিনা বোঝাই যায় না, কারো গর্ভ এত স্ফীত যে মনে হয় সেই গর্ভের ভারে এখুনি হুমড়ি খেয়ে পড়বে কারো-কারো প্রসব বেদনা উঠেছে। তারা দাঁড়িয়ে উঠে দুই হাতে নিজেদের চুল ছিড়ছে। কোনো-কোনো নারীর চোখের মণি প্রায় আড়ালে চলে গেছে। কারো-কারো স্তন ঝুলে পড়েছে, কারো কারো দুধের বোঁটার পাশে ঘন ছাই রঙের ছোপ ধরেছে। আবার কারো-কারো স্তনে দুধ এত বেশি জমেছে যে ফোঁটা ফোঁটা দুধ তার ফোলা পেটের ওপর পড়ে গর্ভের শিশুটিকে ঢেকে রাখা চামড়ার ওপর দিয়ে গড়িয়ে দুই উরুর মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, যেন গর্ভের শিশুটি জন্মেই যাতে সাঁতার কাটতে পারে সেজন্য রমণী দুধনদী রচনা করছে।

    ঠিক সেই সময় চিত্রগুপ্তের সেই বেয়ারার নেতৃত্বে যমদূতরা রাশি রাশি মৃতদেহ নিয়ে সভায় প্রবেশ করল। ইন্দ্ৰ চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘একী, একী, একী, তোমরা মৃতদেহ নিয়ে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করেছ কেন? তোমাদের যমপুরীতে কি স্থানাভাব?’

    চিত্রগুপ্তের বেয়ারা হাত জোড় করে বলল, হ্যাঁ প্রভু, বড়ই স্থানাভাব। আজ পৃথিবীতে যে পরিমাণ মৃত্যু হবার ছিল, তার তেষট্টিগুণ বেশি মৃত্যু হয়েছে, যমরাজার ভাগ যমরাজা রেখে বাকিটা আপনাদের পাঠিয়ে দিলেন।’

    কেন? কেন?হঠাৎ মৃত্যু বাড়ল কেন?

    ‘প্রশান্ত মহাসাগরে খ্রিস্টমাস নামক দ্বীপখণ্ডে পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা হচ্ছে। কিছুক্ষণ আগে কি কালো ধোঁয়ায় আকাশ আচ্ছন্ন হতে দেখেননি?

    ‘দেখেছি, দেখেছি।’

    ‘সেই পরীক্ষার তেজস্ক্রিয় কণাপাতে—

    দেখতে দেখতে যমদূতরা রাশি রাশি শবদেহ এনে জমা করতে লাগল। সেই স্তূপ ধীরে ধীরে বড় থেকে বড় হতে লাগল অবশেষে একটা পাহাড়ের মত হল। দেবগণের বাঁ পাশে বাচ্চাভরতি ফোলা পেট ন্যাংটো মেয়েরা, ডান পাশেমৃতের পাহাড় দুই পাহাড়ের গিরিবর্ত্তে দেবগণ।

    পোয়াতি মেয়েদের সেই পাহাড়টা নড়ে উঠল। তারপর পিকাসোর আঁকা ‘যৌবন’ ছবির উলঙ্গ পবিত্র ভাস্বর নীলবর্ণ এক চিরকালের স্বপ্নের মত গর্বিত ভাবে দাঁড়ালা তারপর তাদের শিরা ওঠা, ক্ষয়ে-যাওয়া, অসংখ্য কর্মের অভিজ্ঞানে শালীন হাত দুটোকে নিজেদের ফোলা পেটের ওপর রাখল, যেন-বা স্নেহ জানাচ্ছে নিজের গর্ভস্থ সন্তানদের, দুগ্ধবতীদের দুগ্ধধারা দুই উরু ভেঙে, জানু ভেঙে জাহ্নবীর মত ভূমিতে নামল, তারপর সেই বিরাট পাহাড়টা ঠোঁট ফাঁক করল, তারপর তাদের পেটের ভেতর থেকে একদিনের দুদিনের তিনদিনের বীজ, একমাস দুমাস তিনমাসের জ্বণ, চারমাস পাঁচমাস ছমাসের অগঠিত দেহ, আটমাস নমাস দশমাসের পূর্ণদেহ গর্ভস্থ শিশুরা কচি কচি অস্পষ্ট কণ্ঠে তারস্বরে চিৎকার করে উঠল, ‘আমরা জন্ম নেব না।’ এই চিৎকারের শব্দে সেই পোয়াতি মেয়েদের মুখে একরকমের হাসি ফুটে উঠল। সেই অগম্য অসংখ্য নারীরা ধীরে ধীরে একটিমাত্র দেহ, একটিমাত্র চরিত্র হয়ে উঠছিল। তারা তাদের হাড় জিরজিরে, ময়লা, পোকায় কাটা, ঘেয়ো পা বামনাবতারের প্রথম পদক্ষেপের মত দেবতাদের। ওপর দিলা দেবতারা পাটখড়ির পুতুলের মত ভেঙে গেল। তারপর তারা দুনিয়ার সমস্ত অজাত শিশুকে গর্ভে ধারণ করে সিংহবাহিনী দুর্গার মত নতুন অসুর বধ করতে চলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅগ্নিরথ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article কার্ভালোর বাক্স – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }