Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প32 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালিদাস কাহিনী – ৩

    ৩

    এর পর কয়েক বছর কেটে গেল। মহারাজ বিক্রমাদিত্য ছিলেন তখন উজ্জয়িনীর রাজা। তাঁর রাজসভায় শিল্পী, কবি ও পণ্ডিতদের যেমন সমাবেশ হয়েছিল, তেমনটি আর এর আগে ভারতের কোনো রাজসভাতেই হয়নি। কবি কালিদাস এই রাজসভায় স্থান পেলেন রাজকবি হিসাবে। তিনি হলেন নবরত্নের শ্রেষ্ঠ রত্ন, রাজার অত্যন্ত প্রিয়পাত্র।

    মহারাজ বিক্রমাদিত্যের রানী ছিলেন ভানুমতী। একবার রাজা রাজশিল্পীকে আদেশ করলেন রানী ভানুমতীর একখানা অপূর্বসুন্দর ছবি এঁকে দিতে।

    রাজনির্দেশে শিল্পী পরমযত্নে রানীর ছবি এঁকে আনলেন। সভাসদ্‌গণ যাঁরা রানীর ছবি দেখলেন, তাঁরাই খুব প্রশংসা করলেন। রাজা নিজেও ছবি দেখে মুগ্ধ হলেন। রাজসভা শিল্পীর প্রশংসায় মুখর হ’য়ে উঠলো। শুধু সভাকবি কালিদাস একবার দু’ চোখ তুলে ছবিটার দিকে তাকিয়ে আবার মুখ গুজে লিখতে শুরু করলেন। তিনিই কিছু বললেন না।

    বিস্মিত হ’য়ে রাজা জিজ্ঞেস করলেন কালিদাসের অভিমত। কালিদাস বললেন :

    ‘নিখুঁত হয়নি এ ছবি।’

    রাজশিল্পীর মুখ মলিন হ’য়ে গেলো। তিনি অধোবদনে দাঁড়িয়ে রইলেন।

    কালিদাস যখন হাত নেড়ে কথা বলছিলেন, তখন তাঁর হাতের কলম থেকে এক ফোঁটা কালি ছিট্‌কে পড়েছিলো ছবিটার মধ্যে। কালিদাস তখন বলে উঠলেন :

    ‘হ্যাঁ, এবার নিখুঁত হ’লো তোমার আঁকা ছবি, রাজশিল্পী।’

    রানী ভানুমতীর দেহে ছিল একটা তিল—রাজশিল্পী সেই তিলের সন্ধান জানতেন না বলেই ছবিতে সে তিল আঁকতে পারেননি। কালিদাসের কলম থেকে ছিট্‌কে-পড়া কালিতে সেই তিলের সৃষ্টি হয়েছিলো।

    রাজা প্রথমে অবাক হয়েছিলেন, পরে ক্রুদ্ধ হলেন। তিনি ভাবলেন : কালিদাস কোন দিন প্রকাশ্যে ভানুমতীকে দেখেননি, তবে কি ক’রে জানলেন সেই তিলের খবর!

    ক্রুদ্ধ হ’য়ে রাজা মন্ত্রীকে আদেশ দিলেন—কালিদাস যেন কোনদিন আর রাজার সামনে না পড়েন। তিনি আর তাঁর মুখদর্শন করবেন না।

    মন্ত্রী মহা বিপদে পড়লেন। ভাবলেন : কালিদাস এমন গুণী ব্যক্তি, তাঁকে হত্যা করাও সঙ্গত নয়, আবার তাড়িয়ে দেওয়াও অনুচিত। একসময় রাজার রাগ প’ড়ে যেতে পারে, তখন হয়তো তিনি কালিদাসের জন্য দুঃখ করতে পারেন।

    এই ভেবে মন্ত্রী কালিদাসকে লুকিয়ে রাখলেন নিজের অন্তঃপুরে। কালিদাস তখন থেকে নারীবেশেই মন্ত্রীর অন্তঃপুরে বাস করতে লাগলেন!

    এদিকে এক ঘটনা ঘটলো।

    মহারাজ বিক্রমাদিত্যের পুত্র রাজকুমার বীরকেশরী। বীরকেশরী একদিন বেরিয়েছেন মৃগয়ায়। সারা অরণ্যে ঘুরে ফিরে রাজকুমার অত্যন্ত ক্লান্ত হ’য়ে এক পুকুরের তীরে বড় একটা গাছে ঘোড়া বেঁধে নিজেও বিশ্রাম করতে বসলেন। সঙ্গীরা তখনও এসে পৌঁছায়নি বলে রাজকুমার উঠতেও পারছেন না।

    এদিকে বেলা প’ড়ে এলো। সূর্য প্রায় ডুবু ডুবু। এমন সময় নিবিড় মেঘে সারা আকাশ ছেয়ে গেলো। প্রবলবেগে বায়ু বইতে লাগলো। ভয় পেয়ে ঘোড়াও ছুটে পালালো।

    রাজকুমার কি করবেন ভেবে পেলেন না। আকাশে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। সেই বিদ্যুতের আলোকে তিনি দেখতে পেলেন— তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে বিরাটাকার এক বাঘ।

    ভয় পেয়ে রাজকুমার দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নিলেন এক গাছে। কিন্তু গাছের উপর উঠেও চমকে উঠলেন। দেখলেন গাছের ডালে শুয়ে আছে এক ভালুক!

    বিহ্বল হ’য়ে ভাবছেন রাজপুত্র—কি করবেন তিনি। গাছে আছে ভালুক, আবার নীচে ওঁৎ পেতে আছে বাঘ। বাঘ তাঁকে খাবার জন্য পাগল হয়ে উঠেছে। তখন রাজকুমার ভাবলেন : এই দুই শত্রুর মধ্যে আপাততঃ বাঘই ভীষণতর। কাজেই এর হাত থেকে আত্মরক্ষাই এখন প্রধান কর্তব্য—এই ভেবে তিনি গাছে থাকাই শ্রেয়ঃ বিবেচনা করলেন।

    রাজকুমারের মনে হঠাৎ এক বুদ্ধি এল। তিনি ভাবলেন যে, ভালুক আর বাঘ উভয়ে উভয়ের শত্রু—অতএব নিজের স্বার্থে ভালুকের সঙ্গে সন্ধিস্থাপন করা কর্তব্য। এই বিবেচনা ক’রে রাজকুমার আস্তে আস্তে ভালুকের গায়ে হাত দিয়ে তার ঘুম ভাঙিয়ে বললেন :

    ‘বন্ধু, শত্রু নিকটে, এখন আর ঘুমিয়ো না, ওঠ।’

    রাজপুত্রের ডাক শুনে ভালুক তাড়াতাড়ি উঠে বসলো। নীচের দিকে তাকিয়েই সে দেখতে পেলো বিরাট সেই বাঘ। তখন ভালুক ভয়ে ভয়ে রাজপুত্রের পরিচয় জিজ্ঞেস করলো।

    রাজপুত্র তাঁর নিজের পরিচয় দিলে ভালুক সন্তুষ্ট হ’লো, অনেকটা আশ্বস্তও হ’লো। তারপর ধর্ম সাক্ষী ক’রে রাজপুত্র আর ভালুক উভয়ে বন্ধুতা করলো। তারা প্রতিজ্ঞা করলো পরস্পর পরস্পরকে বিপদ্ থেকে আর শত্রু থেকে রক্ষা করবে।

    তারপর ঠিক হ’ল দু’জনেই পালা করে গাছের ডালে ঘুমোবে। রাজপুত্র অত্যন্ত ক্লান্ত হ’য়ে আছেন দেখে ভালুক প্রস্তাব করলো :

    রাজপুত্র এখন ঘুমোবেন, আর ভালুক জেগে থেকে তাঁকে পাহারা দেবে। তারপর শেষ রাতে ভালুক রাজপুত্রকে ডেকে জাগিয়ে দেবে, তখন রাজপুত্র জেগে থেকে ভালুককে পাহারা দেবেন, আর ভালুক ঘুমোবে।

    কথামত রাজকুমার একটা ডাল আশ্রয় করে অতি সাবধানে শুয়ে পড়লেন। তারপর শীঘ্রই গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন হলেন।

    রাজকুমারকে ঘুমুতে দেখে বাঘ ভালুককে ভয় দেখিয়ে, অনুরোধ ক’রে নিজের স্বপক্ষে আনবার চেষ্টা করলো। কিন্তু ভালুক নীতিধর্ম বিসর্জন দিয়ে রাজপুত্রের বিরোধিতা করতে রাজী হ’লো না। ভালুক বললো :

    ‘ভীরুকে ভয় থেকে রক্ষা করা এবং শরণাগতকে আশ্রয় দেওয়াই প্রত্যেকের কর্তব্য।’

    ভালুকের কথা শুনে বাঘ ভীষণ তর্জন-গর্জন ক’রে তাকে শাসাতে লাগলো। সেই গর্জনে রাজপুত্রের ঘুম ভেঙে গেলো! ভালুক তাঁকে সান্ত্বনা দান ক’রে এবার নিজে ঘুমোবার উদ্যোগ করলো। রাজপুত্র জেগে পাহারা দিতে লাগলেন।

    ভালুক যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হ’লো, তখন বাঘ রাজপুত্রকে লক্ষ্য করে বললো :

    ‘রাজপুত্র, তুমি ঐ বেল্লিক ভালুকটাকে ঠেলে ফেলে দাও, আমি ওর রক্তমাংস আহার ক’রে পরিতৃপ্ত হ’য়ে চলে যাই—তুমি নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে বাড়ি ফিরে যাও। আমি তোমাকে অভয় দিচ্ছি তোমার কোন অনিষ্ট করবো না। আর যদি আমার কথা না শোন, তবে যখন তুমি গাছ থেকে নামবে তখনই আমি তোমার ঘাড় মট্‌কাবো।’

    বাঘের কথা শুনে রাজপুত্র ভীষণ ভয় পেলেন। তিনি আর অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না ক’রেই ভালুককে এক ধাক্কা দিয়ে গাছ থেকে ফেলে দিতে চাইলেন।

    ভালুক পড়তে গিয়েও তার লম্বা লম্বা নখ দিয়ে গাছের ডাল আঁকড়ে ধ’রে বেঁচে গেলো। তারপর রাজপুত্রকে সম্বোধন ক’রে বললো :

    ‘তুমি চপলস্বভাব বালক, এখনও ভালো-মন্দ বোধ জাগেনি; তাই তোমাকে ক্ষমা করলুম।’

    এদিকে ভোর’ হয়ে এসেছে। রাজপুত্রের সঙ্গীগণ তাঁর খোঁজে এদিকে আসছে। দূর থেকে তাদের কোলাহল এবং ঘোড়ার শব্দ শোনা গেল। সেই সাড়া পেয়ে বাঘ বনে ঢুকে পড়লো।

    ভালুক তখন এক হাতে রাজপুত্রের ঝুটি ধরলো, আর এক হাতে সজোরে তাঁর গালে চাপড় দিতে লাগলো। স-সে-মি-রা—ভালুক একটা ক’রে অক্ষর বলে, আর একটা ক’রে চাপড় দেয়। তারপর সে গভীর অরণ্যে পালিয়ে গেল।

    সঙ্গীরা এসে রাজপুত্রকে খুঁজে পেলো। কিন্তু রাজপুত্র তখন পাগল হ’য়ে গেছেন। তিনি কেবলি বলছেন ‘স-সে-মি-রা’। তাঁর মুখে শুধু এই এক রব—‘স-সে-মি-রা’ কোনদিকে তাঁর দৃষ্টি নেই, মুখে আর অন্য কোন কথা নেই।

    সঙ্গীরা রাজকুমারকে রাজধানীতে নিয়ে গেলো। রাজা পুত্রের অবস্থা দেখে অত্যন্ত কাতর হ’য়ে পড়লেন। তিনি রাজপুত্রকে যতই জিজ্ঞেস করেন :

    ‘কি হয়েছে?’

    রাজপুত্র শুধুই বলেন :

    ‘স-সে-মি-রা’।

    রাজপুরীতে যত আত্মীয় ছিলেন, বন্ধু ছিলেন, সবাই এলেন রাজপুত্রের মুখে স্বাভাবিক কথা ফুটিয়ে তুলতে। কিন্তু কারো চেষ্টাই সফল হ’লো না। রাজপুত্র কেবলি বলতে লাগলেন :

    ‘স-সে-মি-রা’।

    রাজা যখন দেখলেন, কিছুতেই রাজপুত্র সুস্থ এবং স্বাভাবিক হচ্ছেন না, তখন তিনি সমস্ত রাজ্যে ঘোষণা ক’রে দিলেন :

    ‘রাজপুত্রকে যে ভাল করতে পারবে, তাকে লক্ষ মুদ্রা পুরস্কার দেওয়া হবে।’

    লক্ষ মুদ্রার লোভে কত দেশ থেকে কত বৈদ্য এলেন, চিকিৎসক এলেন, এলেন কত জ্ঞানী গুণী ব্যক্তি। কিন্তু কেউ আর রাজপুত্রের মুখে অন্য কোন কথা ফোটাতে পারলেন না। রাজপুত্রের রোগ কি, আর কেনই বা তিনি এমন করছেন—কেউ তার কোন হদিশ পেলো না।

    রাজা নিরুপায় হ’য়ে মন্ত্রীকে ডেকে বললেন :

    ‘মন্ত্রি, বিপদে আপদে তুমিই আমার পরিত্রাতা। এবারও তুমি যদি একটা ব্যবস্থা না কর, তবে আমারও আর বাঁচার আশা দেখি না। তুমি যাহোক একটা বিহিত কর।’

    রাজার কাতরোক্তি শুনে মন্ত্রী তাঁকে সান্ত্বনা দান করে বললেন :

    ‘ভেবে দেখি কি হয়!’

    মন্ত্রী বাড়ি চ’লে গেলেন।

    পরদিন খুব ভোরে স্নান পুজো পাঠ ইত্যাদি শেষ ক’রে মন্ত্রী গেলেন রাজসভায়। সভাসদ্‌গণও সভায় উপস্থিত আছেন। সবাই ব্যাকুলচিত্তে অপেক্ষা করছিলেন মন্ত্রীর জন্যে—মন্ত্রী কি উত্তর দেন রাজাকে, তাই শুনবার জন্যে।

    মন্ত্রী এসে বললেন :

    ‘আমার বৌমা আমাকে জানিয়েছেন যে, মন্ত্রতন্ত্র কিংবা ওষুধপত্তর ছাড়াই শুধু কথার দ্বারা রাজকুমারের রোগ দূর করবেন।’

    মন্ত্রীর কথা শুনে রাজার আর তর সয় না। তিনি তখুনি পাঠালেন মন্ত্রীকে, তাঁর বৌমাকে নিয়ে আসবার জন্যে। মন্ত্রীর বাড়িতে দোলা পাঠানো হ’লোঁ।

    রাজসভার একদিকে পর্দা টাঙানো হ’লো। পর্দার আড়ালে বসবেন মন্ত্রীর বধূমাতা—তিনি তো আর রাজসভায় প্রকাশ্যভাবে উপস্থিত হ’তে পারেন না!

    কিছুকাল পর মন্ত্রী তাঁর বৌমাকে সঙ্গে নিয়ে রাজসভায় উপস্থিত হলেন। পর্দার আড়ালে বসলেন মন্ত্রীর বধূমাতা।

    এবারে রাজা বসলেন রাজকুমারকে কাছে নিয়ে। রাজার পারিষদ্বর্গও যার যার আসন নিয়ে বসলেন।

    পর্দার আড়াল থেকে শোনা গেল বধূর কণ্ঠ। তিনি মধুর ভাষায় বলতে লাগলেন বনের সব ঘটনা।

    সভার সকলেই অবাক্ হ’য়ে শুনলেন বাঘ-ভালুক আর রাজকুমারের কাহিনী, শুনলেন রাজপুত্রের বিশ্বাসঘাতকতার কথা।

    রাজা জিজ্ঞেস করলেন রাজপুত্রকে :

    ‘সত্যি কি বনে এই ঘটনা ঘটেছিল?’

    রাজপুত্র উত্তর করলেন :

    ‘স-সে-মি-রা’।

    রাজা কপালে করাঘাত করলেন। গল্প শুনেও তো রাজকুমার সুস্থ হলেন না। তবে বুঝি আর তাঁর রোগ সারবে না।

    এবার পর্দার ওপার থেকে শোনা গেলো একটি শ্লোক :

    ‘সদ্ভাব বজায় রেখে যেই দেয় কোল।
    তার সাথে বঞ্চনায় হয় গণ্ডগোল ॥’

    অদ্ভুত ব্যাপার? এই শ্লোক শোনবার সঙ্গে সঙ্গেই রাজপুত্রের মুখের বুলি পালটে গেলো। এবার তিনি বলতে লাগলেন :

    ‘সে-মি-রা, সে-মি-রা’।

    এর পর শোনা গেলো আর একটি শ্লোক :

    ‘সেতুবন্ধে সিন্ধুণীরে গঙ্গায় সাগরে।
    ব্রহ্মঘাতী লভে মুক্তি, মিত্রদ্রোহী মরে।।’

    শ্লোক শুনে রাজা তাকালেন পুত্রের মুখের দিকে। রাজপুত্রের বুলি আরও সংক্ষিপ্ত হ’লো। এবার তিনি বলতে লাগলেন :

    ‘মি-রা, মি-রা’।

    বিস্মিত হলেন রাজা, বিস্মিত হলেন সভাসদ্গুণ—তাঁরা সব উৎকর্ণ হ’য়ে শুনলেন পরবর্তী শ্লোক :

    ‘মিত্রদ্রোহী, কৃতঘ্ন ও বিশ্বাসঘাতক।
    যতদিন চন্দ্র সূর্য ভুগিবে নরক।।’

    ফল ভালই দেখা গেলো। রাজপুত্রের বুলি থেকে আর একটি অক্ষর কমলো। এবার রাজপুত্র শুধু বলতে লাগলেন :

    ‘রা, রা’।

    অবশেষে উচ্চারিত হ’লো শেষ শ্লোক :

    ‘রাজা আর রাজপুত্র কল্যাণ ইচ্ছায়।
    কাটাইবে কাল শুধু দানে ও পূজায়।।’

    রাজপুত্রের মুখ থেকে ‘স-সে-মি-রা’ খ’সে গেলো। অবিলম্বে সুস্থ ও স্বাভাবিক হ’য়ে উঠলেন রাজপুত্র। সভার সকলে বিস্ময়ে হতবাক্ হ’য়ে গেলেন।

    রাজা বললেন মন্ত্রীকে :

    ‘এমন আশ্চর্য শ্লোক এক কালিদাস ছাড়া আর কারো মুখে শুনিনি কোন দিন! ইনি কি সাক্ষাৎ সরস্বতী, তোমার ঘরে বধূরূপে আবির্ভূতা হয়েছেন, যাহোক্, মন্ত্রি, তুমি অনুমতি দিলে আমি তোমার বধূকে দুই একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবো।’

    মন্ত্রী বললেন :

    ‘বিলক্ষণ! এতে আর আপত্তির কি আছে, মহারাজ!’

    রাজা তখন বধূকে লক্ষ্য ক’রে প্রশ্ন করলেন :

    ‘ঘরে থাকো চারু-অঙ্গী নাহি যাও বনে;
    ঋক্ষ-ব্যাঘ্র-নরকথা জানিলে কেমনে ॥’

    রাজার প্রশ্নে পর্দার ওপার থেকে ভেসে এলো উত্তর :

    ‘দেব গুরু প্রসাদেতে জিভে সরস্বতী।
    যে ভাবে জানিনু তিল কোথা ভানুমতী।।’

    একথা শুনেই রাজা বুঝতে পারলেন কি ব্যাপার। আর লজ্জা-সংকোচ না ক’রেই তিনি পর্দার ওপারে ঢুকলেন। গিয়ে দেখলেন, মন্ত্রীর বধূমাতা নয়, মহাকবি কালিদাস বসে আছেন। তিনি তাঁকে জড়িয়ে ধ’রে নিয়ে এলেন সভাগৃহে।

    সভাশুদ্ধ লোক ধন্য ধন্য ক’রে উঠলো। রাজা জোড়হাতে ক্ষমা চাইলেন মহাকবির কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }