Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প32 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালিদাস কাহিনী – ৪

    ৪

    রাজকুমারকে নীরোগ ক’রে দেবার পর রাজা কালিদাসকে আদর আপ্যায়ন ক’রে কথামত লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দান করলেন।

    কালিদাস মহাজ্ঞানী ব্রাহ্মণ—অর্থে তাঁর কোন লোভ নেই। তাই উপহার পাওয়া সব অর্থই তিনি দানে ব্যয় করতে লাগলেন। আগে দান নেবার জন্য রাজবাড়িতে খুব লোকের ভিড় হ’তো। এখন তিনি এইভাবে দান করছেন ব’লে কয়দিন ধ’রে সেরূপ ভিড় হয় না।

    রাজা প্রতিদিন যে শত সুবর্ণমুদ্রা দান করতেন, প্রার্থীর অভাবে তাও রাজা দান করবার সুযোগ পেলেন না। তাতে রাজা বিরক্ত হ’য়ে বললেন :

    ‘এখন থেকে তাহ’লে কালিদাসই দান-ধর্মাদি করুন, দরিদ্র-ভিক্ষুকের দুঃখদুর্দশা মোচন করুন!’

    রাজার বিরক্তির কথা কালিদাসও শুনতে পেলেন! তিনি বুঝলেন—রুষ্ট নৃপতির কাছাকাছি থাকা সংগত নয়, অতএব কিছুদিনের জন্যে গা-ঢাকা দেওয়া উচিত।

    এই ভেবে কালিদাস রাজার কাছে জানালেন :

    ‘মহারাজ! পুরুষ যদি দীর্ঘদিন একস্থানে থাকে, তবে সে কুয়োর ব্যাঙ-এর মতো স্বল্পজ্ঞানী হয়। এই কারণে দেশভ্রমণ পুরুষের পক্ষে একান্ত কর্তব্য। অতএব আমিও ভেবেছি, কিছুদিনের জন্য বাইরে যাবো।

    রাজা বললেন :

    ‘বেশ, অল্পকাল আপনি ঘুরে ফিরে আসুন!’

    কালিদাস, কোথায় যাবেন, ভাবতে গিয়ে ঠিক করলেন যে, রানী ভানুমতীর পিত্রালয়ে যাবেন।

    ভানুমতীর পিতা ভোজরাজ বড় খেয়ালী মানুষ। তিনি ঘোষণা করেছেন, যে কেউ তাঁকে নতুন কবিতা শোনাতে পারবে, তাকেই তিনি চারি লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার দেবেন। ভোজরাজার সভায় আছেন কয়েকজন শ্রুতিধর পণ্ডিত। তাঁরা একবার কোন কিছু শুনলেই তা মুখস্থ ক’রে রাখতে পারতেন।

    পুরস্কারের লোভে অনেক কবিই রাজসভায় এসে নতুন কবিতা পাঠ করেন। কিন্তু শ্রুতিধর পণ্ডিতগণ পরমুহূর্তেই আবার সেই কবিতা আবৃত্তি ক’রে বলেন যে, ঐ কবিতা বহু পুরোনো আর তা’ অনেক কাল তাঁদের মুখস্থ আছে।

    তার ফলে সকল কবিই এখান থেকে ব্যর্থ হ’য়ে ফিরে যান।

    কালিদাস ভাবলেন : ভোজরাজের সভায় গিয়ে তিনি পণ্ডিতদের জব্দ ক’রে দান করবার জন্য অনেক অর্থ নিয়ে আসবেন।

    এই ভেবে কালিদাস ভোজদেশে যাত্রা করলেন।

    যথাসময়ে কালিদাস ভোজরাজের সভায় উপনীত হ’য়ে একটি কবিতা আবৃত্তি করলেন। কবিতাটির অর্থ হ’লো : ‘ভোজরাজের পিতা যজ্ঞদত্ত কালিদাসের কাছ থেকে অমুক সালের দশই বৈশাখ তারিখে আঠার লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা ধার নিয়েছেন। তাঁর পুত্র বড় হয়ে এই ধার শোধ করবেন। তাঁর সভায় অমুক অমুক পণ্ডিত এর সাক্ষী।’

    রাজা এবং রাজসভার শ্রুতিধর পণ্ডিতগণ তো এ কবিতা শুনে একেবারে থ’। তাঁদের আক্কেল গুড়ুম হ’য়ে গেলো। যদি কবিতাটি ঘুরোনো ব’লে স্বীকার করেন, তবে রাজাকে আঠার লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা ধার শোধ করতে হয়। আর যদি কবিতাটি নতুন ব’লে স্বীকার করেন, তাহ’লেও কথামত চার লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দিতে হয়। তাঁরা পড়লেন উভয় সংকটে।

    কালিদাস তাগিদ দিতে লাগলেন : ‘কোথায় মহারাজ, বলুন,—এ কবিতা কি নতুন, না পুরোনো!’

    পণ্ডিতেরা কানাকানি করতে লাগলেন। রাজাও খানিকক্ষণ চুপ ক’রে থেকে পরে বললেন :

    ‘আজ আপনি বিশ্রাম করুন, পরে বিবেচনা ক’রে আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবো।’

    কালিদাস জানতে চাইলেন—এই বিবেচনার মেয়াদ কত দিন।

    রাজা বললেন :

    ‘মাত্র আজ রাত্রি।’

    তখন কালিদাস রহস্য ক’রে বললেন :

    ‘বেশ, তাই হোক্‌! তবে এই সাক্ষীদের আটক ক’রে রাখুন, —কি জানি আবার রাত্রে যদি পালিয়ে যায়।’

    এই ব’লে কালিদাস বিশ্রাম করবার জন্য চ’লে গেলেন।

    কালিদাস চলে গেলে পর, রাজা শ্রুতিধর পণ্ডিতদের নিয়ে সভা করতে বসলেন। রাজা অবাক্ হ’য়ে বললেন :

    ‘আমি ভোজবাজির রাজা ব’লে জগদ্বিখ্যাত, আর এই ব্যক্তি এসে আমার উপর ভোজবাজি দেখিয়ে গেল! কি জানি, হয়তো আমার জামাতা বাবাজিরও এ ব্যাপারে কিছুটা যোগাযোগ থাকতে পারে। যাহোক্, এ বিষয়ে আমার কি কর্তব্য আপনারা আমাকে উপদেশ দিন।’

    সভাবিচক্ষণ নামে এক পণ্ডিত তখন রাজাকে এক গল্প শোনালেন :

    “এক বনে ছিল ধূর্তশিরোমণি নামে এক শেয়াল। সেই বনে ছিল এক বাঘ আর বাঘিনী। বাঘ আর বাঘিনীর এঁটো কাঁটা যা কিছু প’ড়ে থাকে, শেয়াল তাই খেয়েই দিন কাটায়।

    শেয়ালের মনে বড় লোভ—ওদের কাছ থেকে টাকা তাজা মাংস কিছু খেতে পেলে হ’তো। তখন সে এক মতলব ঠিক করল। একদিন বাঘ শিকারের জন্যে গুহা থেকে বেরিয়ে গেছে—এমন সময় চারদিকে তাকাতে তাকাতে চুপি চুপি শেয়াল গেল বাঘিনীর কাছে।

    মাটিতে চেপে ব’সে শেয়াল লেজ নাড়াতে নাড়াতে বাঘিনীকে ধকে ধকে বলতে লাগলো :

    ‘ব্যাটা বেল্লিক বাঘ গেল কোথায়? আমার কাছ থেকে মাংস ধার নিয়েছিল, সে ধার কবে শোধ করবে সে। দেখি তোর ঘরে কি মাংস আছে, আজ সব নিয়ে যাবো তবে ছাড়বো।’

    শেয়ালের ধমকে বাঘিনী গেল বেজায় ঘাবড়ে। সে আঁকুপাঁকু ক’রে বললো :

    ‘আপনি একটু অপেক্ষা করুন : আমি তো এসব কিছু জানিনে— কর্তা আসুক, তখন যা হবার হবে।’

    এখন, বাঘের আসা পর্যন্ত শেয়াল যদি অপেক্ষা করে, তবে তার প্রাণ যাবে। কাজেই তাড়াহুড়ো করে বিদায় হবার জন্যে সে আবার বললো :

    ‘স্বামী ঘরে না থাকলে গিন্নীকেই সব কিছু দেখাসাক্ষাৎ করতে হয়। যাহোক আমার আর আজ অপেক্ষা করবার সময় নেই। ঘরে যা কিছু মাংস আছে, নিয়ে আয়। আজ এই নিয়েই চ’লে যাই। হিসেবপত্র পরে যথাসময়ে করা যাবে’খন!’

    বাঘিনীও ভাবলো : ভাই ভালো; যত শীঘ্র আপদ দূর করা যায়, ততই মঙ্গল!—এই ভেবে, ঘরে অল্পস্বল্প যা মাংস ছিল, তাই দিয়ে দিলো শেয়ালকে। শেয়ালও টাট্‌কা তাজা মাংস পেয়ে খুব খুশি হ’য়ে চ’লে গেলো।

    বাঘ তার গুহায় ফিরে এলো রাত্তিরে। বাঘিনী তাকে সারাদিনের খবর জানালো, কিন্তু ভুলে গেলো শেয়ালের কথা বলতে!

    পরদিন আবার বাঘ বেরিয়ে গেলে পরে শেয়াল এসে তম্বি করতে লাগলো। এদিনও বাঘিনী শেয়ালকে কিছু মাংস দিয়ে বিদায় করলো।

    এই ভাবে দিনের পর দিন যায়—শেয়াল রোজই এসে মিথ্যে দেনার কথা ব’লে বাঘিনীর কাছ থেকে মাংস নিয়ে যায়। বাঘের আর মনে কাছে শেয়ালের কথা বলতে বাঘিনীর কোনদিনই আর থাকে না।

    হঠাৎ বাঘিনীর একদিন মনে হ’লো শেয়ালের কথা। তখন সে শুনে তো বাঘ চটে অস্থির। সে বাঘকে শেয়ালের কথা জানালো।

    বাঘিনীকে বললো :

    ‘তুমি একবার চোখ পাকালেই দেখতে শেয়াল কোথায় পালিয়ে যায়। তা’ না ক’রে ভয়েই অস্থির। এত ভীতু হ’লে কি সংসার চলে!’

    বাঘের কথায় বাঘিনীর অভিমান হ’লো। তার চোখ থেকে জলের ধারা বইতে লাগলো।

    বাঘ এবার তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো :

    ‘ঠিক আছে! তুমি আমাকে দেখিয়ে দেবে ঐ ব্যাটাকে—আমি ওকে শায়েস্তা করবো।’

    বাঘিনী শান্ত হ’য়ে এবার বললো :

    ‘আচ্ছা! কাল তুমি বনে না গিয়ে ঐ বড় গাছটার আড়ালে থেকো! তারপর যখন শেয়াল আসবে, তখন যা করবার তাই করো।’

    পরদিন বাঘ আর বনে গেলো না—সে তার গুহার কাছে একটা গাছের আড়ালে লুকিয়ে রইলো।

    তারপর যথাসময়ে অন্য দিনের মতই শেয়াল এলো চারদিকে তাকাতে তাকাতে। যখন বাঘকে ধারে কাছে সে দেখতে পেলো না, তখনই সে গুহার কাছে এসে মাটিতে লেজ আছড়াতে আছড়াতে হাঁক ছেড়ে জিজ্ঞেস করলো :

    ‘ব্যাটা বেল্লিক বাঘ কোথায় গেলো, ও কি আমার ধার শোধ করবে না?

    বাঘ শুনতে পেলো শেয়ালের ঐ আস্ফালন। সে বেরিয়ে এলো গাছের আড়াল থেকে।

    বাঘিনী শেয়ালকে ডেকে বললো :

    ‘ওগো মহাজন, এই যে তোমার খাতক আসছে ঋণ শোধ করতে।’

    বাঘের দিকে একবার আড়চোখে তাকিয়েই শেয়াল লেজ গুটিয়ে পড়ি তো মরি ক’রে দিল এক ছুট্‌।

    বাঘ বললো :

    ‘ওরে ব্যাটা, আমার এঁটো কাঁটা খেয়ে তোর দিন চলে, আর তুই কিনা আমায় ভাঁড়িয়ে মহাজন সেজে বসেছিস। দাঁড়া, বার করছি তোর মহাজনি!’

    এই না ব’লে, বাঘও শেয়ালের পিছু পিছু ধাওয়া করলো।

    শেয়াল দৌড়তে দৌড়তে তার গর্তের কাছে এসে পড়লো। বাঘ ও তাকে ধরে ফেললো আর কি।

    এখন, একটা বটগাছের নীচেই ছিল শেয়ালের গর্ত। আর গর্তের মুখের কাছেই ছিল পাশাপাশি দু’টো বটের শিকড়। শেয়ালের ছোট্ট দেহখানা শিকড় দু’টোর মাঝখান দিয়ে অনায়াসে গ’লে বেরিয়ে যেতো।

    শেয়াল দৌড়তে দৌড়তে শিকড়ের মাঝখান দিয়ে একেবারে গর্তে ঢুকে গেলো।

    পিছু পিছু ছুটে আসছে বাঘ। শেয়ালকে গর্তে ঢুকতে দেখে সেও শিকড়ের মাঝখান দিয়ে গর্তে ঢুকতে চাইলো।

    কিন্তু বাঘের এই বিরাট দেহ শিকড়ের মাঝখান দিয়ে গলবে কেন? কোনরকমে মাথাটা ঢুকে গলা আটকে গেলো শিকড়ের মাঝে।

    বাঘ আর এগুতেও পারছে না আবার পিছনেও হতে পারছে না। তার গলায় ফাঁস লেগে গেলো। গলা দিয়ে কতক্ষণ ঘর্ ঘর্ করে আওয়াজ বেরুলো। বাঘের গর্জন শুনে শেয়াল ভয়ে দু’চোখ বন্ধ ক’রে প’ড়ে রইলো মড়ার মত।

    খানিক বাদে বাঘের গর্জন গেলো থেমে—শিকড়ের ফাঁসেই বাঘের মরণ ঘটলো।

    অনেকক্ষণ আর বাঘের গর্জন শুনতে না পেয়ে শেয়াল ভাবলো, বাঘ ব্যাটা কি তবে চ’লে গেছে!

    সে আস্তে আস্তে এসে গর্তের বাইরে ঊকি দিলো। দেখলো, গর্তের মুখেই প’ড়ে আছে বাঘ। সে ভাবলো, বাঘটা বুঝি ওখানে ঘুমিয়ে আছে। ভয়ে শেয়াল আবার গর্তে ঢুকলো।

    কিন্তু বাঘের তবু আর কোন সাড়াশব্দ নেই। শেয়ালের মনে সন্দেহ জাগলো, সে ভাবলো : বাঘ যদি ঘুমিয়ে থাকে তবে তো নাকি ডাকবে, কিন্তু তাও তো শুনতে পাচ্ছিনে। আবার একটু এগিয়ে এলো শেয়াল। এবার সমস্ত লক্ষণ দেখে বুঝলো যে শিকড়ের ফাঁসে ব্যাটা বাঘ অক্কা পেয়েছে।

    শেয়ালের মুখে হাসি আর ধরে না। সে দৌড়ে গেলো বাঘিনীর কাছে—তারপর তাকে ডেকে বললো :

    ‘কেমন রে, তোর কর্তাকে তো পাঠিয়েছিলি আমার পেছনে। এখন আয়, দেখে যা, ব্যাটা বেল্লিকের অবস্থা। ঘাড় মটকে একেবারে খতম করে রেখে দিয়েছি আমার দরজায়।’

    দৌড়ে এলো বাঘিনী। শেয়ালের গর্তের সামনে ম’রে প’ড়ে আছে বাঘ—দেখেই তো বাঘিনী হাউমাউ করে কান্না শুরু ক’রে দিলো।

    শেয়াল তখন তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো :

    ‘আর কেঁদে কেটে কী হবে! যা তোর কপালে ছিল তাই হয়েছে। এখন আয়, আমার সঙ্গেই ঘরকন্না করবি, আমিই তোর দেখাশোনা করবো।’

    বাঘিনী ভয়ে আর আপত্তি করতে পারলো না। তারপর থেকে সে শিয়ালের সঙ্গেই বাস করতে লাগলো। বাঘিনী শিকার ক’রে আনে, আর শিয়াল পরমানন্দে দিন কাটায়।’

    এ অবধি ব’লে সভাবিচক্ষণ রাজাকে বললেন :

    ‘তাহ’লে দেখুন মহারাজ, মিথ্যা ঋণের অপবাদেও কী সাংঘাতিক ফল হ’তে পারে! কাজেই ঋণের অপবাদ রাখবেন না। ঐ ধূর্তশিরোমণির ঋণ স্বীকার করুন।

    রাজা মন-মরা হ’য়ে বললেন :

    ‘তাহ’লে কি ঐ কবিই ধূর্তামো ক’রে আমার ওপর ভোজবাজি দেখিয়ে যাবে!’

    পণ্ডিত বললেন :

    ‘না মহারাজ, তারও উপায় করতে হবে। ঐ নতুন কবি মিথ্যাচরণ করেছেন, কাজেই তাঁর সঙ্গে যদি মিথ্যাচরণ করা যায়, তাহ’লেও দোষ হবে না।—কালিদাস আপনার জন্যে যে ফাঁদ পেতেছেন তাঁকেই ঐ ফাঁদে ফেলবো।’

    তখন পরামর্শ করে স্থির হ’লো যে রাজা কালিদাসের নিকট পিতার ঋণের কথাই স্বীকার করবেন।’

    তারপর কি ভাবে কালিদাসকে ফাঁকি দিতে হবে—সেই সম্বন্ধে সমস্ত আলোচনা হ’লো।

    পরদিন প্রাতঃকালে রাজা এবং পণ্ডিতগণ যথাসময়ে তৈরী হ’য়ে রাজসভায় আসন গ্রহণ করলেন।

    খানিক পরেই কালিদাস এলেন রাজসভায়। তারপর তিনি পূর্বদিনের কবিতাটি আবার আবৃত্তি করলেন।

    শ্রুতিধর পণ্ডিতেরাও সঙ্গে সঙ্গেই কবিতা পুনরায় আবৃত্তি ক’রে বললেন যে—এই কবিতা কোনক্রমেই নতুন নয়। এ কবিতা অনেক পুরোনো। কালিদাস অপরের লেখা কবিতা নিজের নামে চালিয়ে কবিত্বখ্যাতি লাভ করতে চাইছেন।

    তখন কালিদাস বললেন :

    ‘আপনারা যখন এ কবিতার সাক্ষী তখন মহারাজ তাঁর পিতৃঋণ শোধ করবার জন্যে আমাকে আঠার লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দিতে ধর্মতঃ বাধ্য।’

    শ্রুতিধর পণ্ডিতেরাও কালিদাসের কথা সমর্থন ক’রে বললেন :

    ‘হ্যাঁ মহারাজ! উপযুক্ত পুত্র অবশ্যই পিতৃঋণ শোধ করবেন! মহারাজ, আপনি ঋণ শোধের ব্যবস্থা করুন।’

    রাজা তখন তাঁর স্বর্গীয় পিতৃদেবের লেখা একখানি পত্র এনে কালিদাসের হাতে দিলেন। পত্রখানি প্রকৃতই ভোজরাজের পিতা যজ্ঞদত্তের লেখা ছিল। এতে লেখা ছিল :

    ‘অয়নাংশমতে আষাঢ় সংক্রান্তির মধ্যাহ্নকালে এই নারিকেল গাছের উপর আমি অনেক স্বর্ণ রাখলুম। আমার পুত্র প্রাপ্তবয়স্ক হলেই এই অর্থ গ্রহণ করবে—নইলে দিব্য রইলো।’

    এই পত্রের মর্ম-অনুযায়ী ভোজরাজা অনেক পূর্বেই নারিকেল গাছের উপর অর্থ অনুসন্ধান করেছেন—কিন্তু কোন অর্থ সেখানে পাওয়া যায়নি। রাজা সেই কথা গোপন রাখলেন। পণ্ডিতদের পরামর্শে কালিদাসকে ঠকানোর জন্যে তাঁর হাতে এই পত্রখানি তুলে দেওয়া হ’লো।

    রাজা বললেন : ‘আপনি এই অর্থ উদ্ধার ক’রে আপনার পাওনা নিয়ে নিন।’

    কালিদাস পত্রখানি প’ড়ে তার মূল অর্থ বুঝে নিলেন। তারপর রাজাকে বললেন :

    ‘আপনি পিতার সৎপুত্র, কুলপ্রদীপ। আপনি আপনার উপযুক্ত কাজই করেছেন। আমি আপনার স্বর্গীয় পিতার নির্দেশমতই অর্থ গ্রহণ করবো। কিন্তু চিঠিতে অর্থের কোন পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। এতে ঋণের সব অর্থ আদায় হবে কিনা বুঝে উঠতে পারছিনে।’

    রাজাও রহস্য ক’রে বললেন :

    ‘অর্থের পরিমাণ যদি আপনার ঋণ-অপেক্ষা বেশি হয় তবে আপনি সেই অতিরিক্ত অর্থ আমাকে ফিরিয়ে দেবেন।’

    কালিদাস বললেন :

    ‘সাধু সাধু? অবশ্য‍ই তাই তবে। কিন্তু যদি সেখানে আমার প্রাপ্য সমুদয় অর্থ পাওয়া না যায়, তবে নিশ্চয়ই বাকী টাকা দিতে আপনি বাধ্য থাকবেন।

    রাজা তাই স্বীকার করলেন।

    কালিদাস চিন্তা করতে লাগলেন—অয়নাংশমতে আষাঢ়-সংক্রান্তির মধ্যাহ্নকালে নারিকেল বৃক্ষের ছায়া ঠিক তার গোড়ায় থাকে। ছায়ারূপে গাছের অগ্রভাগ তার মূলে থাকে—কাজেই গাছের গোড়াই খুঁড়ে দেখা দরকার।

    এই ভেবে তিনি গাছের গোড়া খুঁড়ে গাছ উপড়ে ফেলে দিলেন। নীচে পাওয়া গেলো পাঁচটি তামার ঘড়া-বোঝাই স্বর্ণমুদ্রা।

    কালিদাসের বুদ্ধি দেখে সকলেই অবাক হলেন, অপ্রস্তুত হলেন! তাঁরা কল্পনাই করতে পারেননি— গাছের নীচে প্রকৃতই ধন পোঁতা আছে, এবং কালিদাস সেই ধন পেয়ে যাবেন। কিন্তু এখন আর কিছুই করবার নেই। কালিদাসকে ফাঁকি দিতে গিয়ে রাজা ভোজ নিজেই ফাঁকে পড়লেন!

    পাঁচটি ঘড়ায় স্বর্ণমুদ্রা ছিল সব শুদ্ধ পাঁচ লক্ষ। আঠার লক্ষ স্বর্ণমুদ্রার এখন অনেক বাকী।

    কালিদাস ভোজরাজকে লক্ষ্য ক’রে বললেন :

    ‘মহারাজ! এখনও অনেক অর্থ আপনার ঋণ রয়ে গেলো। তা’ শোধ করবার উপায় কি বলুন!’

    রাজা এবং তাঁর সভাপণ্ডিতগণ নীরব হ’য়ে রইলেন।

    তখন কালিদাস আবার বললেন :

    ‘এতদিন ধ’রে বহু কবিকে ঠকিয়েছেন; তার প্রায়শ্চিত্ত-স্বরূপ আপনার এই পাঁচ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা গেলো। আমি আর অর্থ চাইনে। কিন্তু প্রতিজ্ঞা করুন যে, ভবিষ্যতে আর কখনও কাউকে ঠকাবেন না। যদি কোন কবি প্রকৃতই আপনাকে নূতন কবিতা শোনাতে পারেন, তবে তাঁকে কথামত অর্থ দান করলেই আপনি ঋণমুক্ত হ’তে পারবেন। নতুবা পাপের ফলভাগী হ’তে হবে।’

    রাজা লজ্জায় আর মুখ তুলতে পারলেন না। মাথা নীচু করেই কালিদাসের কথায় সায় দিলেন।

    এই ভাবে ভোজরাজকে উপযুক্ত শিক্ষা দান করে কালিদাস আবার নিজের দেশে ফিরে এলেন।

    অল্পকালের জন্য কালিদাস রাজসভা ত্যাগ করলেও রাজা বিক্রমাদিত্য কালিদাসের প্রতি আবার প্রসন্ন হ’য়ে উঠেছিলেন। কাজেই কালিদাস যখন ভোজরাজ্য থেকে ফিরে এলেন, তখন রাজা তাঁকে খুব সমাদরে গ্রহণ করলেন।

    তারপর রাজা যখন শুনলেন যে, কালিদাস ভোজরাজকেও ঠকিয়ে এসেছেন, তখন তিনি খুব পুলকিত হলেন। তিনি খুঁটে খুঁটে সমস্ত ঘটনা শুনলেন; তারপর কালিদাসের অসাধারণ বুদ্ধি ও চাতুরীর কাহিনী শুনে তাঁকে আলিঙ্গন করলেন।

    কালিদাস নির্লোভ ব্রাহ্মণ। তিনি যে ভোজরাজকে ঠকিয়ে পাঁচ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা এনেছিলেন, তা’ কেবল তাঁকে শাস্তি দেবার জন্যেই, নিজের ব্যবহারের জন্যে নয়। ভাই, তিনি এই স্বর্ণমুদ্রা নিজে ভোগ করলেন না। তিনি রাজার অনুমতি চাইলেন, এই ধন ব্রাহ্মণদের দান করবেন। রাজা খুব খুশী হলেন। পত্রদ্বারা ব্রাহ্মণদের নিমন্ত্রণ ক’রে আনলেন রাজসভায়। কালিদাস তখন সমস্ত ধন ব্রাহ্মণদের দান ক’রে দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }