Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোমেয়ে – ৬

    ৬.

    আসিয়া যথাসময়ে দীঘারপাড়া গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছাল।

    পরের দিন সকালে নাস্তা খাওয়ার পর হাফিজুর রহমান নাতনির ভালোমন্দ জিজ্ঞাসা করার পর লেখাপড়ার খোঁজ-খবর নিলেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, কলেজ বন্ধ কতদিন?

    আসিয়া বলল, পাঁচ সপ্তাহ।

    হাফিজুর রহমান বললেন, একটা কথা তোকে বলব। কথাটা চিঠিতে জানাব ভেবেছিলাম। তোর চিঠি পেয়ে জানতে পারলাম, তুই কলেজের বন্ধে আসছিস। তাই আর চিঠি দিইনি। ঝিনাইদহে একটা ছেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। নাম আবিদ। তারা তিনভাই দু’বোন। আবিদ বড়। গত বছর বি.এ. পাস করেছে। অবস্থা মোটামুটি ভালো। ঝিনাইদহ টাউনে তার বাবার কাপড়ের দোকান আছে। ছোট ভাইবোনেরা লেখাপড়া করছে। আমি নিজে গিয়ে সবকিছু দেখে এসেছি।

    সবাই নামায কালম পড়ে। ছেলের বাবাকে তোর ফটো দিয়ে বললাম, ফটোর থেকে আমার নাতনির গায়ের রং কালো। রঙের কথা শুনে ছেলের মা-বাবা অমত করলেও ছেলে তোকে খুব পছন্দ করেছে। সে কথা ছেলের মা-বাবা জেনে এই কাজে মত দিয়েছে। আমি তাদেরকে বলেছি, আমার নাতনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ে। তাকে আনিয়ে আপনাদের খবর দেব। আপনারা ছেলেসহ তাকে দেখতে আসবেন। দেখে যদি আপনাদের পছন্দ হয়, তাহলে তখন বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হবে। ভাবছি দু’একদিনের মধ্যে তাদেরকে আসার জন্য খবর দেব।

    নানার কথা শুনে আসিয়া খুব চিন্তায় পড়ে গেল। সৈকতের কথাটা কীভাবে শুরু করবে, মাথা নিচু করে চিন্তা করতে লাগল।

    নাতনিকে ঐ অবস্থায় দেখে হাফিজুর রহমান বললেন, কী ব্যাপার কিছু বলছিস না যে?

    আসিয়া নানার দিকে তাকিয়ে জোর করে মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, “তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া এবং কোনো কাজ করা শয়তানের কাজ”। এই হাদিস একদিন আপনিই আমাকে বলেছিলেন। তাই চিন্তা ভাবনা করে আপনাকে জানাব।

    : কিন্তু আমি তো তড়িঘড়ি করি নাই। বেশ কিছুদিন ধরে পাত্রের ও তাদের বাড়ির সম্বন্ধ খোঁজ-খবর নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    : আপনি যা করেছেন ভালো করেছেন। কিন্তু বিয়ের মতামতের ব্যাপারে মেয়েদের স্বাধীনতা আছে। আর সেই জন্যেই গার্জেনরা বিয়ের ব্যবস্থা করলেও বিয়ে পড়াবার আগে পাত্রপক্ষের লোকেরা প্রথমে মেয়ের এজেন নিতে আসে। মেয়ে এজেন দিলে তবে বিয়ে হয়, নচেৎ হয় না। এটা ইসলামের নিয়ম। আমি অনেকদিন আগের একটা “নেদায়ে ইসলাম” পত্রিকায় পড়েছিলাম, দিগ্বীজয়ী বীর নেপোলিয়ান যখন একের পর এক দেশ জয় করে চলেছেন তখন পথে এক মুসুলমান রাজ্য পড়ল। সেই দেশের বাদশা নেপোলিয়ানের কথা শুনে বিনা যুদ্ধে তার বশ্যতা স্বীকার করে নেন। নেপোলিয়ান সেই দেশের সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে তা উপভোগ করার জন্য সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করার কথা বাদশাহকে জানালেন। বাদশা তাঁকে মহাসমাহারে রাখলেন। একদিন নেপোলিয়ান বাদশাহর বন্দীখানা দেখার সময় অপরূপ সুন্দরী একটা যুবতি মেয়েকে দেখে বাদশাহকে জিজ্ঞাসা করলেন, কে এই যুবতি? একে বন্দি করেই বা রেখেছেন কেন? বাদশাহ বললেন, এই সুন্দরী যুবতি এক কামারের মেয়ে। একদিন নগর ভ্রমণ করার সময় একে দেখ আমি আসক্ত হয়ে পড়ি। তারপর তাকে বিয়ে করার জন্য বিয়ের পয়গাম পাঠাই। কিন্তু মেয়েটা প্রত্যাখ্যান করে। তাই তার মত পরিবর্তনের জন্য ওকে বন্দীখানায় এনে রাখা হয়েছে। যতদিন না রাজি হচ্ছে ততদিন ওকে আমি বিয়ে করতে পারি না। তবে বন্দীখানায় রাখলেও আমার শাহী মেহমানের মতো মর্যাদার সঙ্গে রাখা হয়েছে। নেপোলিয়ান শুনে হো হো করে হেসে উঠে বললেন, আপনি পুরুষ না কাপুরুষ? দেশের বাদশাহ হয়েও সামান্য একটা কামারের মেয়েকে বিয়ে করতে পারছেন না, এ কেমন কথা?

    বাদশা বললেন, বাদশা হবার যোগ্যতা আল্লাহ পাক আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমার ধর্মের আইনে, বিয়েতে মেয়েদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। একজন সাধারণ মুসলমান থেকে যত বড় বাদশাহই হোক না কেন? মেয়ের অনুমতি ব্যতীত কেউ তাকে বিয়ে করতে পারবে না। যদি কেউ জোর জবরদস্তি বিয়ে করে, তাহলে সে বিয়ে সিদ্ধ হবে না। ধর্মীয় আইনে সে খুব বড় অপরাধী। আমার ধর্ম ইসলাম। প্রকৃত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা এতবড় আপরাধ কখনো করে না। নেপোলিয়ান ইসলামের আইনের যৌক্তিকতা চিন্তা করে এত অবিভূত হয়ে পড়েন যে, তৎক্ষণাৎ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

    সেই পত্রিকায় আরও লেখা ছিল, কোনো এক যুদ্ধক্ষেত্রে নেপোলিয়ানকে। ছয় লক্ষ সৈন্য নিয়ে নামায পড়তে দেখা গেছে।

    হাফিজুর রহমান সুবহান আল্লাহ বলে বললেন, সেই নেদায়ে ইসলাম পত্রিকাটা তোর কাছে আছে?

    আসিয়া বলল, সেটা আমার রুমমেটের। তার কাছ থেকে নিয়ে পড়েছিলাম।

    হাফিজুর রহমান বললেন, এবারে ঢাকায় গিয়ে পত্রিকাটা চেয়ে রাখবি। আবার যখন আসবি তখন সঙ্গে করে নিয়ে আসবি। আর যদি সে না দেয়, তাহলে কোন সালের কোন মাসের জেনে লিখে এনে আমাকে দিবি। আমি ওদের অফিস থেকে কালেকশান করার চেষ্টা করব। তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বললেন, তোর কথা শুনে মনে হচ্ছে, তুই এখন বিয়ে করতে চাস না। কী ওয়াদা করেছিলি মনে নেই বুঝি?

    : মনে থাকবে না কেন? তবে….বলে থেমে গেল।

    : কিরে থেমে গেলি কেন? তবেটা কী শুনি?

    আসিয়া নানাভাই বলে ওঁর দুটো হাত ধরে বলল, একটা কথা বলব, রাগ করবেন না তো?

    হাফিজুর রহমান নাতনির মনের খবর একটু আন্দাজ করতে পারলেন। বললেন, ভালো কথা বললে রাগ করব কেন? হাত ছেড়ে বস দেখি, তোর কথা শোনার আগে আমি তোকে কিছু কথা বলছি মন দিয়ে শোন। এসব কথা তোর জানা দরকার। তুই তোর মায়ের কাছে বোধ হয় শুনেছিস, তোর একজন মামা আছে। সে আমার কথা শুনেনি বলে তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখিনি। সে ঢাকাতে গিয়ে বিয়ে-শাদি করে বসবাস করছে। কিন্তু কেন এরকম হলো সব কথা জানিস না। তার নাম ফায়জুর রহমান। সে আমার প্রথম স্ত্রীর গর্ভে জন্মায়।

    নাম শুনে আসিয়া চমকে উঠল। তখন তার সৈকতের কথা মনে পড়ল। তার বাবার নামও ফায়জুর রহমান। তিনিও বিয়ের ব্যাপার নিয়ে বাবার সঙ্গে মনোমালিন্য করে অনেক কষ্টে লেখাপড়া করে মানুষ হয়েছেন।

    নাতনিকে চমকে উঠে গম্ভীর হতে দেখ হাফিজুর রহমান জিজ্ঞাসা করলেন, কিরে চমকে উঠলি কেন?

    আসিয়া ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করে বলল, না কিছু না, আপনি বলুন।

    হাফিজুর রহমান বললেন, মন দিয়ে শোন। তারপর ছোট ভাই হামিদুরের বিয়ের ঘটনা থেকে শুরু করে নাবিলা বেগম ও হামিদুরের মৃত্যু, হামিদুরের বিধবা স্ত্রী সাজেদা বেগমকে নিকে করা, সাজেদা বেগমের সঙ্গে ফায়জুরের দুর্ব্যবহার, তার ঢাকায় কলেজে পড়ার কারণ, রাবুর সঙ্গে তার বিয়ে দেবার ও তার অমতের কথা এবং শেষমেষ রাগারাগি করে যা ঘটেছে তা সব বললেন। আরও বললেন, ফায়জুরকে আমি ত্যাজ্যপুত্র করতে চেয়েছিলাম। আল্লাহকে ভয় করে তা করিনি। তবে সেই থেকে তার কোনো খোঁজ খবর রাখিনি। তারপর একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন, আমার আর কিছু বলার নেই। এবার তুই যেন কী বলবি বলছিলি বল।

    আসিয়া নানার সব কথা শুনে তার অনুমানটা আরও দৃঢ় হল। ভাবল, খুব সম্ভব সৈকতের আব্বাই আমার মামা। সৈকতের কাছে তার বাবার পরিচয় জানতে হবে। নানাকে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলতে দেখে বুঝতে পারল, নানার একমাত্র পুত্র থেকেও নেই, সেই কথা ভেবে আজও দুঃখের আগুনে দগ্ধ হচ্ছেন। মনে মনে আল্লাহকে জানাল, আল্লাহপাক, সৈকতের আব্বাই যদি মামা হন, তা হলে আমি মামাকে না আনতে পারলেও তার ছেলে সৈকতকে স্বামী করে যেন নানার কাছে আনতে পারি, সেই সৌভাগ্য তুমি আমার তকদীরে রেখ।

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে হাফিজুর রহমান বললেন, কী ভাবছিস? বলবি না?

    আসিয়া বলল, ঢাকাতে একটা ছেলের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। সেও মেডিকেল কলেজে পড়ে, তবে আমার চেয়ে এক বছরের সিনিয়র। আপনার সাথে দেখা করতে চায়। এবারে আমার সঙ্গে আসতে চেয়েছিল। আমি বলেছি। আপনার অনুমতি নিয়ে তারপর নিয়ে আসব।

    হাফিজুর রহমান এতটুকুতেই যা বোঝার বুঝে গেলেন। রসিকতা করার জন্য বললেন, আমার সঙ্গে কেন দেখা করতে চায়, জিজ্ঞেস করিসনি?

    : তার মনের কথা আমি বলব কী করে, আপনি অনুমতি দিলে, তাকে নিয়ে আসব, তখন তার কাছেই শুনবেন।

    : তা না হয় শুনব; কিন্তু শুধু পরিচয় থাকলে কোনো ছেলে কোনো মেয়ের গার্জেনের সঙ্গে দেখা করতে চায় না। পরিচয়ের সাথে আরও কিছু থাকলে আলাদা কথা। আমার তো মনে হচ্ছে, তার সঙ্গে তার পরিচয় ছাড়াও এমন কিছু সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যার ফলে সে ঢাকা থেকে এই সুদূর পল্লিগ্রামে এসে

    আমার সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছে।

    আসিয়া মাথা নিচু করে বলল, সে আমাকে বিয়ে করতে চায়।

    : তাই নাকি? তা সোজা কথাটা এত ঘুরিয়ে বললি কেন? তা তুই তাকে কী বলেছিস?

    : আমি আবার কী বলব? বলেছি আমার গার্জেন আমার নানা, তিনি যা করবেন তাই হবে।

    : তাই তিনি আমার সাথে দেখা করতে চান, তাই না? আচ্ছা তুই আমাকে কী মনে করিস? বুড়ো হয়ে গেছি বলে কি বুদ্ধিও লোপ পেয়েছে? না মনে করেছিস, তোর চালাকি আমি ধরতে পারব না। আরে বুদ্বু, মানুষ বুড়ো হলেও তার মন বুড়ো হয় না। এতই যদি তোর মনে, তাহলে নেপোলিয়ান আর সেই বাদশার গল্প শোনাবার কী দরকার ছিল? সরাসরি বললেই তো পারতিস, তুই তোর নাগরের সন্ধান পেয়েছিস?

    আসিয়া উঠে পিছন থেকে হাফিজুর রহমানের দু’চোখ দু’হাতে বন্ধ করে বলল, নানা, অসভ্যের মতো কথা বলবেন না বলছি। কেউ প্রস্তাব দিলে সে নাগর হয়ে যায় বুঝি?

    : আহ্ ছাড় ছাড়, বস। মনের মানুষকেই নাগর বলে। আর যারা প্রকৃত নাগর হয় শুধু তারাই বিয়ের প্রস্তাব দেয় বুঝলি। শোন, তাকে নিয়ে আসার অনুমতি দিলাম।

    আসিয়া নানাকে ছেড়ে দিয়ে সামনে এসে বসে বলল, আমি জানতাম আমার নানা খুব ভালো মানুষ।

    : তাই নাকি? অনুমতি না দিলে নিশ্চয় খারাপ মানুষ হয়ে যেতাম, তাই না?

    : তা তো বটেই, বলে জিভ কেটে বলল, থুড়ি তা হবেন কেন? আমি তো অন্যায় কিছু আব্দার করিনি যে, অনুমতি পাব না।

    :ছেলেটা নিশ্চয় দেখতে শুনতে খুব ভালো?

    : আসিয়া মাথা নেড়ে সায় দিল।

    : তার বাবার অবস্থা নিশ্চয় খুব ভালো?

    : আসিয়া হেসে উঠে আবার মাথা নেড়ে সায় দিল।

    : ছেলেটার নাম কী?

    : মনসুর, ডাক নাম সৈকত।

    : বাহ, দু’টো নামই খুব সুন্দর, মনসুর মানে বিজয়ী। তোকে জয় করে নামের সার্থকতা রেখেছে। আর সৈকত মানে সাগরের বেলাভূমি। বিয়ের পর তোরা কক্সবাজারে বেড়াতে যাবি। সৈকতের সঙ্গে সাগর সৈকতে বেড়িয়ে খুব মজা পাবি।

    : নানা, আপনি কিন্তু অসভ্যতা করে আমাকে লজ্জা দিচ্ছেন। যাই পালাই বলে উঠে দাঁড়াল।

    : আরে বস বস, এসব অসভ্য কথা হবে কেন? বরং খুশির কথা। তা তাদের বাড়িতে গেছিস নাকি?

    : সৈকত নিয়ে যেতে চেয়েছিল, আমি যাইনি।

    : তাহলে তার মা-বাবা তোকে দেখেনি?

    : না।

    : এবার হাফিজুর রহমানের মুখ একটু গম্ভীর হয়ে গেল। বললেন, সৈকত কি তার মা-বাবাকে তোর কথা বলেছে?

    আসিয়া নানার পরিবর্তন লক্ষ্য করে বলল, হ্যাঁ বলেছে। ওঁরা ছেলের অমতে কিছু করবেন না।

    : কিন্তু আমার যেন মনে হচ্ছে, তোকে দেখলে রাজি হবে না।

    : সে কথা আমি সৈকতকে বলেছিলাম। শুনে বলল, দুনিয়ার কোনো কিছুর বদলে আমাকে সে হারাতে পারবে না। দরকার হলে মা-বাবাকে ও তাদের বিপুল ঐশ্বর্য ছেড়ে আমাকে বিয়ে করবে।

    হাফিজুর রহমান চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ বসে রইলেন। তারপর বললেন, তুই নিশ্চয় সে কথার প্রতিবাদ করিসনি?

    : এই কথা শোনার আগে, মানে পরিচয় হবার পর ঐসব কথা অনেক আলোচনা করে প্রতিবাদ করেছি। তাতে কাজ না হলে আমি চিরকুমারী থাকার সিদ্ধান্তের কথাও বলেছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। শেষে বলল, আমিও চিরকুমার থেকে তোমাদের গ্রামে গিয়ে গরিবদের চিকিৎসা করে জীবন কাটিয়ে দেব।

    হাফিজুর রহমান হু বলে আবার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, তোরা দুজনেই অনেক দূর এগিয়ে গেছিস। এরপর আমাকে খুব সাবধানে এগোতে হবে। একটু ভুল হলে, তোদের দুজনেরই জীবন দুঃখের সাগরে ভাসবে। তুই এত বুদ্ধিমতী হয়েও একথা ভাবলি না, নিজের স্বার্থের জন্য তার মা-বাবার কাছ থেকে তাকে কেড়ে নেয়া উচিত না? যাক গে, যা হবার হয়েছে। সে আগে আসুক, তার সঙ্গে কথাবার্তা বলে দেখি, তারপর ভেবে চিন্তে যা করার করা যাবে।

    নানা, নাতনি কথা বলতে বলতে কখন যে দুপুর হয়ে গেছে তাদের খেয়াল নেই। এক সময় রাবু এসে আব্বাকে বলল, আব্বা, নাতনির সঙ্গে আর কত গল্প করবে? এদিকে দুপুর হয়ে গেছে। এবার গোসল করে নাও। তারপর মেয়েকে বলল, যা তুইও গোসল করে নে।

    মেয়ের কথা শুনে হাফিজুর রহমান হেসে উঠে বললেন, তোর মেয়ে ঢাকায় পড়তে গিয়ে যে কীর্তিকলাপ করে এসেছে, সেসব শুনলে তোরও সময়ের জ্ঞান থাকবে না।

    আসিয়া মেকী রাগ দেখিয়ে বলল, মাকে সেসব বললে ভালো হবে না বলছি নানা।

    হাফিজুর রহমান হাসতে হাসতেই বললেন, তুই পাগল হয়েছিস, নাতনি নাতজামাইয়ের গোপন কথা কি মাকে বলা যায়?

    আসিয়া বড় বড় চোখ বের করে নানাকে শাসনের ভঙ্গি করে ছুটে পালিয়ে গেল।

    হাফিজুর রহমান হাসতে হাসতে মেয়েকে বললেন, লুঙ্গি-গামছা এনে দে, গোসল করে আসি।

    রাবু লুঙ্গি-গামছা এনে আব্বার হাতে দেবার সময় বলল, তখন নাতজমাইয়ের কথা কী যেন বললে?

    হাফিজুর রহমান বললেন, তোর মেয়েকে একটা ছেলে পছন্দ করেছে। সে আমার সঙ্গে দেখা করতে চায়। ছেলেটা বড়লোকের। সেও মেডিকেলে পড়ে।

    : তাহলে ঝিনাইদহের ছেলেটার সম্বন্ধে কী হবে।

    : এটা এখন হাতে থাক। ঢাকার ছেলেটাকে তোর মেয়েরও পছন্দ। প্রথমে তাকে দেখি, তারপর যা ভালো বুঝব করব। অন্য এক সময় তোর সাথে এ ব্যাপারে কথা বলব। কথা শেষ করে তিনি পুকুরে গোসল করার জন্য চলে গেলেন।

    নানার কাছে ফায়জুর মামার সব কথা শুনে আসিয়ার কেবলই মনে হতে লাগল, সৈকত তার মামাতো ভাই। প্রত্যেক নামাযের পর কেঁদে কেঁদে আল্লাহপাকের কাছে ফরিয়াদ করতে লাগল, “হে আল্লাহ, তুমি দয়ার সাগর, আমি যা আশা করছি, দয়া করে আমার সেই আশা পূরণ কর। আমাকে নিরাশ কর না।”

    একদিন রাবু মেয়েকে কাছে বসিয়ে বললেন, তোকে কয়েকটা কথা বলছি মন দিয়ে শোন। তোর নানাকে যে ছেলেটার কথা বলেছিস, ভালো করে তার পরিচয় নিয়েছিস? শহরের বড় লোকের ছেলেরা খুব উশৃঙ্খল হয়। তারা মেয়েদের সঙ্গে কিছুদিনের জন্য ভালোবাসার অভিনয় করে তাদের সর্বস্ব লুটে নিয়ে সরে পড়ে।

    আসিয়া বলল, তুমি তোমার মেয়ের উপর বিশ্বাস রেখ মা। আমাকে যেভাবে তোমরা মানুষ করেছ, তাতে করে ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা আল্লাহপাক আমাকে দিয়েছেন। ওসব নিয়ে আমি চিন্তা করি না। নানার কাছে মামার সব কথা শুনে এবং ঐ ছেলেটার কাছ থেকে তার যতটুকু পরিচয় পেয়েছি, তাতে মনে হচ্ছে, ঐ ছেলেটাই ফায়জুর মামার ছেলে। সে পরিচয় দেবার সময় বলেছিল, তার বাবার পছন্দমত মেয়েকে বিয়ে করেননি বলে তার বাবা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তারপর অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেন এবং শ্বশুরের সাহায্যে ব্যবসা করে বড়লোক হয়েছেন।

    রাবুর আগের জীবনের সব কথা মনে পড়ল। তখন তার চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল। চোখ মুছে ভিজে গলায় বলল, তোর অনুমান যেন আল্লাহপাক সত্যে পরিণত করেন। এবারে ঢাকায় গিয়ে তুই ছেলেটার কাছ থেকে তার বাবার সবকিছু জেনে নিবি। আবার যখন আসবি তখন তাকে সাথে করে নিয়ে আসবি।

    আসিয়া বলল, নানাও তাকে নিয়ে আসতে বলেছেন। আমার অনুমান যদি সত্য হয়, তাহলে নানা শেষ বয়সে অন্ততঃ কিছুটা শন্তি পাবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }