Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶

    কালোমেয়ে – ৯

    ৯.

    আসিয়ার রেজাল্ট বেরোবার দিন থেকে এই কয়েকদিন সৈকতের চিন্তায় ছটফট করছে। রেজাল্ট বেরোবার দুদিন আগে সৈকতের সঙ্গে কাফে ঝিলে দু’আড়াই ঘণ্টা গল্প করেছে। অথচ আজ ছয়-সাত দিন হতে চলল তার পাত্তা নেই। কোথাও তাকে আসিয়া খুঁজে পাচ্ছে না। যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। তবে তাদের বাড়িতে খোঁজ নিতে সাহস করেনি। আসিয়ার ধারণা হলো, সৈকতের নিশ্চয় কোনো কঠিন অসুখ হয়েছে, নচেৎ আমার রেজাল্টের দিন থেকে আসছে না কেন? এই কথা ভেবে আরও বেচায়েন হয়ে পড়ল। একদিন। অনেক খোঁজাখুঁজি করে ফরিদার দেখা পেয়ে বলল, রেজাল্টের দিন থেকে সৈকতের সঙ্গে দেখা হচ্ছে না। তার কি কোনো অসুখ করেছে?

    বেশ কিছুদিন আগে সৈকত আসিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা ও তার। পরিচয় বলে বলেছিল, এসব কথা কাউকে বলবি না। এখন আসিয়ার কথা শুনে ফরিদা খুব অবাক হয়ে বলল, সে কী? সৈকত ভাই গতকালও তো আমাদের বাড়িতে গিয়েছিল। তার মুখেই তো শুনলাম, প্রিন্সিপাল আপনাকে বিদেশে পাঠাবার ব্যবস্থা করে দেবেন বলেছেন। অথচ এতদিন আপনার সাথে দেখা করেনি। খুব আশ্চর্যের কথা? তারপর আসিয়ার করুণ মুখ দেখে বলল, ঠিক আছে, আজই তার সঙ্গে দেখা করে আপনার কথা বলব।

    সৈকত সুস্থ আছে তবু আমার রেজাল্টের কথা শুনেও দেখা করল না কেন, এই কথা চিন্তা করে আসিয়া মনে খুব ব্যথা পেল। চোখে পানি এসে গেছে বুঝতে পেরে মাথা নিচু করে বলল, আপনি তাকে আমার কথা কিছু বলবেন না। এই অনুরোধটা আপনাকে রাখতেই হবে। তারপর সে আর সেখাকে দাঁড়াল না। হোস্টেলে নিজের রুমে এসে বালিশে মুখ গুঁজে ফুলে ফুলে কাঁদতে লাগল। সেদিন সারারাত সৈকতের না আসার কারণ চিন্তা করতে লাগল। তার কেবলই মনে হতে লাগল, আমি কালো মেয়ে বলে সৈকত সরে গেল। বড়লোকের ছেলেদের সম্বন্ধে অনেক আজেবাজে কথা শুনেছে। তা হলে, সৈকতও কি তাদেরই একজন? রাত আড়াইটার সময় তাহাজ্জুদের নামায পড়ে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে মোনাজাত করল, “হে রাব্বল আলামিন, এই পাপী বান্দির সারাজীবনের গুনাহ খাতা মাফ কর। তুমি মাফ না করলে, কে করবে? তুমি তোমার সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে মানব জাতিকে সর্বশ্রেষ্ঠ করে পয়দা করেছ। আমিও সেই শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির একজন নাদান বান্দি। তুমি আমার মনে যে আশার বীজ বপন করিয়েছিলে, তা থেকে আমাকে বঞ্চিত কর না। আর সেই আশা যদি পূরণ হওয়া আমার তকদীরে লেখা না থাকে, তা হলে আমাকে সবর করার তওফিক দাও। তোমার ইশারাতেই আমার মনে আশার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল। আবার তোমার ইশারাতেই যদি সেই অঙ্কুর বিনাশ হয়, তা হলে তুমি সবর করার তওফিক না দিলে আমি বাঁচব কেমন করে? তোমার হাতে কুলমখলুকাতের। জীবন মরণ। তোমার ইচ্ছার উপর আমি নিজেকে সঁপে দিলাম। তবু তোমার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির একজন হয়ে তোমার কাছে ফরিয়াদ করছি, তুমি আমার মনের নেক বাসনাগুলো পূরণ কর। তোমার হাবিবে পাকের উপর শত কোটি দরুদ ও সালাম জানিয়ে বলছি, তুমি আমার দোয়া কবুল কর। আমিন, সুম্মা আমিন।”

    আসিয়া মোনাজাত শেষ করে কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করতে লাগল। তারপর ফজরের আজান হবার পর নামায পড়ে সৈকতের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল।

    আসিয়ার রুমমেট কুলসুমও পাস করেছে। সে রেজাল্ট বেরোবার পরের দিন বাড়ি চলে গেছে। বেলা ন’টার সময় হোস্টেলের একজন পরিচারিকা নাস্তা খাওয়ার জন্য আসিয়াকে ডেকে জাগিয়ে দিয়ে গেল।

    আসিয়া গোসল করে রুমে এসেছে, এমন সময় দারোয়ান তাকে একটা স্লিপ দিয়ে গেল।

    আসিয়া স্লিপটা পড়তে লাগল–

    “প্রাণের আসিয়া, ভালো জামা কাপড় পরে অতি সত্ত্বর চলে আসবে। আমি গেটে অপেক্ষা করছি।

    স্লিপটা পড়ে আনন্দে আসিয়ার হৃদয় ছলকে উঠল। সেই সাথে চোখ পানি এসে গেল। বিড়বিড় করে বলল, আল্লাহপাক, তোমার কুদরত বোঝা মানুষের অসাধ্য। তোমার প্রশংসা করে শেষ করতে পারব না। তবু তোমার পাক দরবারে জানাই শতকোটি শুকরিয়া।

    তখন তার সৈকতের উপর খুব অভিমান হল। তাকে দেরি করে শাস্তি দেবার জন্য প্রথমে নাস্তা খেয়ে এল। তারপর ধীরে সুস্থে স্যুটকেস থেকে গত ঈদের জামা কাপড় বের করে পরে গেটের কাছে আসতে একঘণ্টা সময় লাগাল।

    সৈকত স্লিপ পাঠিয়ে অপেক্ষা করতে করতে অধৈর্য হয়ে পড়েছে। তার মনে হল, কারো জন্য অপেক্ষা করার মতো কঠিন কাজ বুঝি পৃথিবীতে আর নেই। সে এতক্ষণ পায়চারি করছিল আর চিন্তা করছিল, এতদিন তার সাথে দেখা করিনি বলে আসিয়া হয় খুব রেগে আছে অথবা ভীষণ অভিমান করেছে। তাই দেরি করে শাস্তি দিচ্ছে। একঘণ্টা পার হয়ে যেতেও যখন আসিয়া এল না তখন আবার একটা স্লিপ লিখে দারোয়ানকে দিতে যাচ্ছিল। এমন সময় আসিয়াকে আসতে দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    আসিয়া কাছে এসে থমথমে মুখে সালাম দিল।

    সৈকত তার চোখের দিকে চেয়ে বুঝতে পারল, দেরি করার কৈফিয়ত চাইলে চোখ দিয়ে পানি পড়বে। এই কয়েকদিন যে ভালো করে ঘুমায়নি তাও বুঝতে পারল। তাই সালামের উত্তর দিয়ে বলল, আমার অপরাধ গুরুতর, তবু কি ক্ষমা পেতে পারি না?

    আসিয়া কোনো কথা বলতে পারল না। সৈকতের মুখের দিকে চেয়ে রইল। এক সময় তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল।

    সৈকত এগিয়ে এসে তার হাত ধরে গাড়িতে বসাল। তারপর নিজেও উঠে গাড়ি ছেড়ে দিয়ে বলল, একটা ব্যাপারে এই কয়দিন খুব ব্যস্ত ছিলাম। তাই তোমার রেজাল্টের এতবড় খবর জেনেও আসতে পারিনি। সে জন্যে আবার ক্ষমা চাইছি। আর ক্ষমা যদি করতে না পার, তা হলে তোমার মনে যা চায়, তাই শাস্তি দিও। তবু চুপ করে থেক না। তোমার গলার স্বর শোনার জন্য খুব অস্থির হয়ে আছি।

    আসিয়া ভিজে গলায় বলল, বারবার ক্ষমা চেয়ে আমাকে বেশি অপরাধী কর না। তারপর আর কথা বলতে পারল না। কান্নায় তার গলা বুঝে এল।

    সৈকত আর কোনো কথা না বলে একদম কাজী অফিসের সামনে গাড়ি পার্ক করল। তারপর আসিয়াকে নিয়ে ভিতরে ঢুকে সালাম দিল।

    কাজী সাহেব ও জহির সালামের উত্তর দিল।

    আসিয়া দেখল, সেখানে জহির ফরিদা ও তার মুখচেনা একটা ছেলে রয়েছে। খুব অবাক হয়ে সবাইয়ের দিকে একবার চেয়ে সৈকতের মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল। এমনকি সে সালাম জানাতেও ভুলে গেল।

    ফরিদা সৈকতকে উদ্দেশ করে বলল, ভাইয়া তোমরা এত দেরি করলে কেন?

    সৈকত কিছু বলার আগে জহির বলল, সে কৈফিয়ত পরে হবে। আগে বিয়ের কাজ মিটে যাক। তারপর সৈকতের দিকে কাবিননামা এগিয়ে দিয়ে বলল, পড়ে দেখ, তোদের আসতে দেরি দেখে আমি কাজী সাহেবকে দিয়ে তোর কথামত সব লিখিয়ে রেখেছি। এখন তোরা শুধু সই করলে বিয়ে পড়ানোর কাজটা সেরে ফেলব।

    গতকাল সৈকত একটা কাগজে নিজের ও আসিয়ার নাম-ধাম ও দেনমোহরের টাকা লিখে জহিরের হাতে দিয়ে বলেছিল, তোর জানাশোনা একটা ছেলেকে নিয়ে আজ নটার দিকে এখানে আসবি।

    সৈকত কাবিননামার উপর একবার চোখ বুলিয়ে বলল, ঠিক আছে। তারপর সেটা আসিয়ার হাতে দিয়ে বলল, তুমি পড়ে সই কর, পরে আমি করব।

    আসিয়ার মনে হলো, সে স্বপ্ন দেখছে। একইভাবে সৈকতের দিকে তাকিয়ে রইল।

    সৈকত তার অবস্থা বুঝতে পেরে বলল, এমনি আমরা আসতে অনেক দেরি করে ফেলেছি; তারপর আর দেরি করা ঠিক হচ্ছে না। এরা সেই ন’টা থেকে আমাদের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে। এরপরও যখন আসিয়ার পরিবর্তন হল না তখন সৈকত তার কানের কাছে মুখ নিয়ে অনুচ্চ স্বরে বলল, এই চুপ করে দাঁড়িয়ে রয়েছ কেন? একটা সারপ্রাইজ দেব বলে এবং এই ব্যাপার নিয়ে খুব ব্যস্ত ছিলাম। সেইজন্য তোমার সঙ্গে দেখা করিনি।

    সৈকতের কথা শুনে আসিয়ার খুব লজ্জা পেল। তবু কাবিননামা পড়ে সই করল।

    তারপর সৈকতও সই করে কাবিননামা কাজী সাহেবকে দিল।

    কাজী সাহেব শমতো বিয়ে পড়িয়ে দিলেন।

    কাজী অফিস থেকে বেরিয়ে সৈকত সবাইকে নিয়ে একটা হোটেলে গিয়ে বিরানী খাইয়ে ওদেরকে বিদায় দেবার সময় ফরিদাকে বলল, কী রে, তুই আমাদের সঙ্গে যাবি নাকি?

    ফরিদা জিজ্ঞেস করল, তোমরা এখন কোথায় যাবে আগে বল।

    : বোকার মতো কথা বলছিস কেন? বিয়ের পর মা-বাবার দোয়া নিতে হবে না?

    : তা হলে নিশ্চয় যাব।

    জহির ও যে ছেলেটা তার সাথে এসেছিল, তারা চলে যাবার পর সৈকত আসিয়া ও ফরিদাকে নিয়ে গাড়িতে উঠল। বাড়িতে যখন তারা পৌঁছাল তখন বেলা প্রায় দু’টো।

    হেমা ও ফায়জুর রহমান খাওয়া-দাওয়ার পর সৈকতকে বিদেশে পড়াতে পাঠাবার কথা আলোচনা করছিলেন।

    এক সময় ফায়জুর রহমান বললেন, তা হলে সৈকতের ঘাড় থকে সেই কালো মেয়েটা নেমে গেছে?

    হেমা বললেন, আমার তো তাই মনে হয়। তা না হলে কী যে হতো বলা যায় না। তবে মেয়েটা কালো হলে কী হবে, খুব ব্রিলিয়্যান্ট ছাত্রী। ফরিদার মুখে শুনলাম, স্কলারশিপ নিয়ে পাস করেছে। কলেজের প্রিন্সিপাল নিজে তাকে বিদেশে পড়তে পাঠাবার ব্যবস্থা করে দেবেন বলেছেন।

    ফায়জুর রহমান বললেন, তাই নাকি? তা হলে তো মেয়েটার ভাগ্য খুব ভালো?

    ঠিক সেই সময় সৈকত মা বলে ডেকে আসিয়া ও ফরিদাকে নিয়ে ঘরে ঢুকল।

    হেমা ও ফায়জুর রহমান ছেলের সঙ্গে ওদের দুজনকে দেখ বেশ অবাক হলেন।

    হেমা সামলে নিয়ে বললেন, তোরা ডাইনিং রুমে যা, আমি আয়াকে দিয়ে খাবার ব্যবস্থা করছি।

    সৈকত বলল, আমরা বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি। তারপর আসিয়াকে ইশারা করে প্রথমে বাবাকে ও পরে মাকে কদমবুছি করে বলল, আসিয়াকে আজ বিয়ে করে নিয়ে এলাম। তোমরা আমাদেরকে দোয়া কর।

    ঘরের ভিতর বজ্রপাত হলেও বোধ হয় এতটা ওঁরা অবাক হতেন না। ছেলের কথা শুনে দু’জনেই চমকে উঠে বোবা দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের দিকে একবার তাকিয়ে গম্ভীর হয়ে বসে রইলেন।

    আসিয়া পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে এলে ফায়জুর রহমান পা সরিয়ে নিয়ে রাগে লাল হয়ে বললেন, খবরদার, আমাদেরকে সালাম করবে না। তোমার মা ও নানির জন্য আমি সবকিছু হারিয়েছি। তারা আমার জন্মদাতা বাবাকেও কেড়ে নিয়েছে। তুমি আবার আমাদের ছেলেকে কেড়ে নিতে এসেছ? তোমাদের এ বিয়ে আমি স্বীকার করি না। বেরিয়ে যাও এখান থেকে। নচেৎ তোমাকে। আমি এক্ষুনি খুন করে ফেলব। যাও বেরিয়ে যাও। আর কখনো এদিকে আসবার চেষ্টা করলে পুলিশের হাতে তুলে দেব।

    আসিয়া লজ্জায় ও অপমানে মাথা নিচু করে চোখের পানি ফেলতে লাগল। তার তখন মনে হলো, এর থেকে মৃত্যু অনেক ভালো ছিল।

    বাবার কথা শুনে সৈকত খুব রেগে গেলেও ধৈর্য হারাল না। দৃঢ়কণ্ঠে বলল, বাবা তুমি এসব কী বলছ? ও তোমার ভাগ্নি না? তাছাড়া ওকেই বা বকছ কেন? ও তো স্বেচ্ছায় এখানে আসেনি। আমিই ওকে নিয়ে এসেছি। ও এখন তোমাদের পুত্রবধূ। ওর মা-নানি কী করেছেন না করেছেন, সেটা এতদিন তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করনি কেন? আমি আসিয়ার পরিচয় পাবার আগে তাকে ভালোবেসেছি। আসিয়াও আমার পরিচয় পাবার আগে আমাকে ভালোবেসেছে। সে তো প্রথমে আমাকে পাত্তাই দেয়নি। শেষে যখন আমি নাছোড়বান্দার মতো ওর পিছনে লাগলাম তখন সেও আমাকে ভালো না বেসে পারেনি। অনেক আগে মায়ের কাছে তোমার দেশের বাড়ির কিছু কথা শুনেছিলাম। সেসব একরকম ভুলেই গিয়েছিলাম। আসিয়ার সঙ্গে ভালোবাসা হবার পর তার পরিচয় জেনে। কেমন যেন একটু সন্দেহ হয়। তখন মায়ের কাছ থেকে আবার তোমার দেশের বাড়ির সব খবরাখবর জেনে সন্দেহটা আরও বেড়ে যায়। তারপর একদিন দীঘিরপাড়ায় গিয়ে দাদা, দাদি ও ফুপুর সঙ্গে দেখা করি। তারা আমার পরিচয় পেয়ে হাতে যেন কোটি কোটি টাকার গুপ্তধন পেলেন। তোমার জন্য তাদের কান্না দেখে আমিও কেঁদে ফেলি। দাদা আমাকে তার ও তোমার পুরো ইতিহাস বলেছেন। শুনে তখন তোমার প্রতি আমার খুব দুঃখ হল। ভাবলাম, বাবা এতবড় শিক্ষিত লোক হয়ে কী করে দাদার প্রতি এতবড় অবিচার করল। আমি কখনও গ্রামে যাইনি। সেইজন্য গ্রামের মানুষকেও চিনতাম না। সেবারে গিয়ে জানলাম, গ্রামের মানুষ কত সৎ কত ভালো। মায়ের কথায় আসিয়াকে একদিন এখানে এনেছিলাম। তাকে দেখে মা আমাকে তোমার কথা বলে রাগারাগি করে এবং তার কাছ থেকে সরে আসতে বলে। কিন্তু ততদিনে আমি তার সংস্পর্শে এসে আমাদের ধর্মকে জানতে পারি। আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দঃ)-কে চিনতে পারি। তোমরা তো আমাকে তাদেরকে চিনবার মতো শিক্ষা দাওনি। অথচ তুমি একজন আলেমের ছেলে। তুমি দাদার রাগকে বড় করে দেখলে? আলেম লোকের ছেলে হয়ে বাবার দোষ ধরলে। তারপর এতবছর পর্যন্ত তিনি বেঁচে আছেন, না মারা গেছেন, তাও খোঁজ নাওনি। এটা কি কোনো উচ্চশিক্ষিত ছেলের কাজ?

    ফায়জুর রহমান ছেলের স্পর্ধা দেখে যেমন অবাক হলেন, তেমনি আরও বেশি রেগে গিয়ে গর্জন করে বললেন, সৈকত, তুই একটা কালো মেয়েকে ভালোবেসে এত নিচে নেমে যাবি ভাবতেও পারছি না। তোর এতবড় সাহস, তুই তোর বাবার ভালোমন্দ বিচার করছিস? তোর মতো নীচ মনের ছেলের আমি বাবা, সে কথা ভাবতে আমার ঘৃণা হচ্ছে। তুইও বেরিয়ে যা এখান থেকে। তোর মুখ আমি আর দেখতে চাই না। জানব, আমাদের ছেলে অ্যাকসিডেন্ট করে মারা গেছে। এক্ষুনি বেরিয়ে যা আমার সামনে থেকে। কোনোদিন আর এ বাড়িতে আসবি না। যদি আসিস, তাহলে তোকেও আমি গুলি করে মেরে ফেলব।

    সৈকত ধরা গলায় বলল, আসিয়াকে এখানে স্থান না দিলে, তুমি না বললেও আমি চলে যেতাম। দাদা, দাদি ও ফুপুর উপর কেন তোমার এত রাগ এবং কেন তুমি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছ, সবকিছু দাদা আমাকে বলেছেন। ফুপু কালো বলে তাকে তুমি বিয়ে করতে চাওনি। ছোট দাদা মারা যাবার সময় বড় দাদিও মারা যান। তারপর দাদা ছোট দাদিকে শরীয়ত মোতাবেক নিকে করেছিলেন। তুমি শরীয়তের কোনো কিছু জানতে না। তাই এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে দাদা ও ছোট দাদির উপর তোমার খুব রাগ। তোমার বোঝা উচিত ছিল, দাদা এই নিকে করে কোনো অন্যায় করেননি। ফুপু কালো বলে তার বিয়ে দেয়া খুব সমস্যা ছিল। যদিও একজন রাজি হয়েছিল, সে ছোট দাদার অংশ মতো সব সম্পত্তি দাবি করেছিল। দাদা রাজি হননি। তিনি ভেবেছিলেন, অর্ধেক সম্মত্তি বেরিয়ে গেলে, সংসারের অবস্থা সচ্ছল থাকবে না। তাই তোমার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে দাদা ফুপুর সঙ্গে তোমার বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। আর ছোট দাদিও ভাসুরকে নিকে করতে একদম রাজি ছিলেন না। বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। রাবু ফুপুর কথা চিন্তা করে তা করেননি। শেষে তার বাবা নিজের দুরবস্থার কথা বলে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে এই কাজ করিয়েছিলেন। আর তুমি কিনা সবাইকে ভুল বুঝে তাদেরকে দুশমন ভেবে আজ পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ খবর রাখনি। তোমার জন্য সাজেদা দাদির কান্না দেখে মনে হলো, নিজের পেটের ছেলে মারা গেলেও কোনো মেয়ে অমন করে কাঁদেনি। তুমি বোধ হয় কখনো চিন্তা করে দেখনি, তোমাকে এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হবে? আমিও তোমার মতো শুধু স্কুল, কলেজের এডুকেশন নিয়ে গ্রামের মানুষকে অসভ্য ইতর ভাবতাম। গরিবদেরকে মানুষ বলে গণ্য করতাম না। আল্লাহপাকের মেহেরবানীতে আসিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়ে তারই অনুরোধে ইসলামিক বই পুস্তক পড়ে আমার সেই অজ্ঞানতা দূর হয়েছে। তোমাদেরকেও বলছি, তোমরাও ইসলামিক বই পুস্তক পড়ে ইসলামকে জান, আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দঃ) এর পরিচয় এবং নিজেদের পরিচয় জানার চেষ্টা কর। জেনে রাখ বাবা, সবাইকে একদিন না একদিন মরতেই হবে। তোমরাও তা থেকে রক্ষা পাবে না। তখন তোমাদের এই বাড়ি, গাড়ি ও টাকা পয়সা কী হবে চিন্তা করেছ?

    ফায়জুর রহমান আর রাগ সহ্য করতে পারলেন না। উঠে আলমারি থেকে পিস্তল বের করে এনে সৈকতের দিকে তাক করে বললেন, এই মুহূর্তে ঐ কালো মেয়েটাকে নিয়ে বেরিয়ে যা। আর যদি একটা কথা বলিস, তা হলে তোদের দু’জনকেই কুকুরের মতো গুলি করে মেরে ফেলব।

    আসিয়া দ্রুত সৈকতের সামনে এসে তাকে আড়াল করে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলল, মামা, এই কালো মেয়েটাকে মেরে ফেলুন। আমার জন্য আপনার একমাত্র সন্তানকে হারাবেন কেন? আমি আপনার দুশমনদের একমাত্র বংশধর। আমাকে মেরে ফেললে আর কেউ কোনোদিন আপনাকে বিরক্ত করতে আসবে না। এরপর আমার বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। আমাকে মেরে ফেলুন মামা, মেরে ফেলুন। আমি আর বাঁচতে চাই না। তারপর দুহাতে মুখ ঢেকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    ফরিদা এতক্ষণ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আসিয়ার কথা শুনে তাড়াতাড়ি এগিয়ে এসে তাকে আড়াল করে বলল, ফুপা আপনি একি করছেন? এদেরকে মারার আগে আমাকে মেরে ফেলুন। এদের কিছু হলে আমি আপনাকে ক্ষমা করব না। তারপর ফুপুকে বলল, ফুপু তুমি ফুপার হাত থেকে পিস্তল কেড়ে নাও।

    ফরিদা আড়াল না করলে ফায়জুর রহমান হয়তো এতক্ষণ গুলি করে ফেলতেন। রাগ তখনও পড়েনি। বললেন, ফরিদা, তুমি সরে যাও। আমি ওদেরকে গুলি করে …… কথাটা আর শেষ করতে পারলেন না। দরজা দিয়ে আব্বা, চাচি ও রাবুকে ঢুকতে দেখ ভূত দেখার মতো চমকে উঠে হাঁ করে তাদের দিকে চেয়ে রইলেন।

    হাফিজুর রহমানের গতকাল সবাইকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। তাই একটা হোটেলে উঠেছিলেন। আজ সকালে নাস্তা খাওয়ার পর স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে একটা বেবিতে করে আসিয়ার হোস্টেলের গেটে এলেন। তিনি মেয়েদের হোস্টেলের নিয়ম কানুন আগে কয়েকবার এসে জেনেছেন। তাই একটা স্লিপ লিখে দারোয়ানের হাতে যখন দিলেন তখন বেলা এগারোটা।

    দারোয়ান এখানে অনেকদিন দারোয়ানি করছে। হোস্টেলের অনেক মেয়েদেরকে যেমন চিনে, তেমনি মেয়েদের সঙ্গে যারা দেখা করতে আসে, তাদের অনেককেও চিনে। হাফিজুর রহমানকেও চিনে। তাই স্লিপটা হাতে নিয়ে বলল, আসিয়া আপা প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে একটা ছেলের সঙ্গে বাইরে গেছে।

    : আপনি ছেলেটাকে চেনেন?

    : জ্বি চিনি। সৈকত ভাইয়ের সঙ্গে গেছে।

    হাফিজুর রহমান ঠিক আছে, বলে ওদের কাছে বললেন, আসিয়া হোস্টেলে নেই। ঘণ্টাখানেক আগে সৈকতের সঙ্গে বেরিয়ে গেছে। আমরা তার বাড়িতে যাই চল।

    রাবু বলল, তাই চল আব্বা।

    বেবির জন্য অপেক্ষা করতে করতে হাফিজুর রহমান পকেট হাতড়াতে লাগলেন। তাই দেখে রাবু জিজ্ঞেস করল, কী খুঁজছ?

    হাফিজুর রহমান বললেন, বাড়ি থেকে বেরোবার সময় সৈকতের ঠিকানাটা পকেটে রেখেছিলাম। মনে হয় কোথাও পড়ে গেছে।

    রাবু বলল, ঠিকানাটা আমি একবার পড়েছিলাম। বাড়ির নাম্বার মনে নেই। তবে জায়গাটার নাম মনে আছে, ধানমণ্ডি দশ নাম্বার লাইন।

    হাফিজুর রহমান বললেন, ওতেই হবে। ওখানে গিয়ে বাড়ি খুঁজে বের করব। তারপর একটা বেবিতে করে তাদেরকে নিয়ে উঠলেন।

    ধানমণ্ডির দশ নাম্বার লাইনের মোড়ে বেবি বিদায় করে প্রত্যেক বাড়ির গেটে দারোয়ানের কাছে সৈকতের কথা জিজ্ঞেস করতে করতে এক সময় তাদের বাড়ির খোঁজ পেলেন। দারোয়ানকে বললেন, আমরা সাহেবের আত্মীয়, দেশ থেকে এসেছি।

    দারোয়ান কিছুক্ষণ আগে ছোট সাহেব ও ফরিদা আপার সঙ্গে একজন বোরখা পরা মেয়েকে যেতে দেখছে। ভাবল, ইনি মুরুব্বি মানুষ, সঙ্গে দু’জন বোরখাপরা মহিলা। ইনারা হয়তো আগের বোরখা পরা মহিলার কোনো আত্মীয়। তাই অচেনা কাউকে ভিতরে যেতে দেওয়া বড় সাহেবের নিষেধ সত্ত্বেও তাদের যেতে দিল।

    হাফিজুর রহমান স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বারান্দায় এসে ফায়জুর রহমানের গলার উচ্চ আওয়াজ শুনে সেই দিকে এগোলেন। রুমের দরজার কাছে এসে পর্দার আড়াল থেকে ছেলের ও নাতির তর্কাতর্কি শুনতে লাগলেন।

    ফায়জুর রহমান যখন ফরিদাকে সরে যেতে বলে গুলি করার কথা বলতে যাচ্ছিলেন তখন হাফিজুর রহমান ওদেরকে নিয়ে পর্দা ঠেলে রুমের ভিতরে ঢুকলেন।

    তাদেরকে দেখে সবাই চমকে অবাক হয়ে তাদের দিকে চেয়ে রইল। হাফিজুর রহমান আগেই ভূত দেখার মতো চমকে উঠেছিলেন। তিনি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলেন না। নির্বাক হয়ে আব্বার দিকে তাকিয়ে স্ট্যাচুর মতো দাঁড়িয়ে রইলেন। রুমের মধ্যে পিনপতন নীরবতা বিরাজ করতে লাগল।

    এক সময় ফায়জুর রহমানের হাত থেকে পিস্তলটা পড়ে গেল।

    হাফিজুর রহমান এগিয়ে এসে পিস্তল উঠিয়ে ছেলের দিকে বাড়িয়ে ধরে বললেন, নে, এবার আমাদের প্রত্যেককে গুলি করে শেষ করে দে। শত্রুর শেষ রাখতে নেই। শুধু সৈকতকে মারবি না। ও আমার বংশের একমাত্র চেরাগ। দেরি করছিস কেন? চালা, চালা গুলি। জানিস না, শত্রু হাতের মুঠোয় এলে দেরি করতে নেই?

    এত বছর পর আব্বাকে দেখে এবং তার কথা শুনে ফায়জুরের ভাবান্তর হলো। কোনো কথা বলতে পারলেন না। এক সময় চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল। তারপর বসে পড়ে আব্বার পা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }