Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গুহামানবী – আফজাল হোসেন

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি কুকুর ও আমি

    বাগানের বেড়ার ধারে দাঁড়িয়ে যতদূর দৃষ্টিটা যায় আমি সামনের দিকে মেলে দিলাম। দূরে একটা খড়ের বড়ো ঘর চোখে পড়ল, তার আশেপাশে ছোটো ছোটো কয়েকটা খড়ের চালা, মনে হয় ওটা একটা খামার। একটি মেয়ে, বোধ হয় বউ হবে, কাপড় মেলছে। তার মূর্তি দূর থেকে এত অস্পষ্ট দেখাচ্ছে যে, মনে হচ্ছে যেন ঘোমটা পরা একটা পুতুল।

    নির্জনতার জন্যই এই বাড়িটা আমার পছন্দ হয়েছিল, কিন্তু জায়গাটা যে এত নির্জন তা আগে বুঝতে পারিনি। ছোট্ট বাড়ি। দুটো ঘর, রান্না ঘর, স্নানের একটু ঘেরা জায়গা, পায়খানা আর সামনের দিকে একফালি বাগান। আমার একার পক্ষে লোভনীয়। চারদিকের নিঃসঙ্গতা আমার সত্যিই ভালো লেগেছিল। দূরে ওই কামারের মালিকই আমার একমাত্র প্রতিবেশী, আর কোনো ঘরবাড়ি চোখে পড়ে না। সবচেয়ে কাছের গ্রাম ধরালি, আমার বাড়ি থেকে প্রায় এক মাইল। যা রসদ আমি সঙ্গে করে এনেছিলাম, এই চারদিনে তা ফুরিয়ে এসেছে, আজকালের মধ্যেই গ্রামে জিনিসপত্র সওদার জন্য যেতে হবে। তার আগে বাগানটা একটু পরিষ্কার করা দরকার, অনেকদিন অযত্নে পড়ে থাকায় বড়ো বড়ো ঘাস ও বুনো আগাছায় চারদিক ভরে গেছে।

    মেয়েটি বোধ হয় ওই খামারের মালিকের বউ। কাপড় মেলা শেষ করে সে আবার চলে গেছে। তাকে যতক্ষণ দেখা যাচ্ছিল আমি যেন একজন মানুষের সান্নিধ্য অনুভব করছিলাম। এখন আবার নিজেকে বড়ো নিঃসঙ্গ মনে হচ্ছে।

    আমি উপুড় হয়ে বসে খুরপি দিয়ে বড়ো বড়ো ঘাস তুলতে লাগলাম। বাগানটা যে অবস্থায় আছে তাতে মনে হয় বাড়িটা অনেকদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। মাটির তলায় একটা শক্ত কিছুতে ঠোকা লেগে খুরপিটা আমার হাত থেকে ছিটকে গেল। আমি হাঁটু ভেঙে ঘাসের ওপর বসে বাঁ-হাত দিয়ে ডান হাতের কবজি আলতোভাবে টিপতে টিপতে অলসভাবে চারদিকে চোখ বুলোতে লাগলাম। হঠাৎ এক অতিথির আবির্ভাবে আমি সজাগ হয়ে উঠলাম।

    একটা কুকুর আমার দিকে এগিয়ে আসছে। কুচকুচে কালো, বেশ হৃষ্টপুষ্ট আর পরিচ্ছন্ন। আমার থেকে সামান্য দূরে পা মুড়ে কুকুরটা বসে পড়ল, তারপর মাথাটা একদিকে হেলিয়ে যেন লক্ষ করতে লাগল আমাকে। আমি শিস দিয়ে ওটাকে ডাকলাম। কুকুরটার কান দুটো খাড়া হয়ে উঠল। কুকুরটার গলায় একটা চামড়ার গলাবন্ধ;;গলাবন্ধের সঙ্গে আবার পেতলের একটা চাকতি ঝুলছে। চাকতির এক পিঠে খোদাই করা রয়েছে ‘লালু’, আর উলটোদিকে ‘মাধব, আদর্শ কুটির’। আমার বুঝতে দেরি হল না যে, কুকুরটার নাম লালু আর ওর মালিক আদর্শ কুটিরের মাধব নামে এক ব্যক্তি।

    কুকুরটা দু-পা পিছিয়ে এদিক-ওদিক তাকাতে লাগল, যেন কিছু খুঁজছে। তারপরই ছুটে ঘন এক ঝোপ থেকে একটা শক্ত রবারের বল মুখে করে আমার কাছে ছুটে এল। বলটা আমার পায়ের সামনে নামিয়ে জায়গা নিয়ে দাঁড়াল। এইভাবে কিছুক্ষণ খেলা চলার পর কুকুরটা যেন হঠাৎ ক্লান্ত হয়ে হাঁটা দিল। ঝোপঝাপের আড়ালে মিলিয়ে গেল ওর দেহটা। আমি বাড়ির ভেতর ফিরে গেলাম।

    স্টোভে জল চাপিয়ে আমি যখন অপেক্ষা করছি তখন আমার মনে হল মাধব নামটা কোথায় যেন আমি শুনেছি, কিন্তু কোথায় তা কিছুতেই মনে করতে পারলাম না। চা বানিয়ে পেয়ালা হাতে নিয়ে আমি চেয়ারে বসলাম। মাধব নামটা ঘুরে-ফিরে আমার মাথায় ঝিলিক খেলতে লাগল, আর একটা অস্বস্তিতে মন ভরে উঠল আমার। আদর্শ কুটিরের মাধব। কোথায় যেন একটা চেনা সুর আমার কানে ঠেকছে। কিন্তু আবার হারিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ কালো মেঘ সূর্যকে ঢেকে ফেলল। বৃষ্টির আশঙ্কা করে বাগানে ফেলে আসা যন্ত্রপাতি কুড়িয়ে আনতে ছুটলাম আমি। কোদাল আর নিড়ানিটা পেলাম, কিন্তু খুরপিটা আমার চোখে পড়ল না। আমি বড়ো বড়ো ঘাসের ফাঁকে খুঁজতে লাগলাম। বৃষ্টি এসে পড়ায় অগত্যা আমাকে বাড়ির ভেতর আশ্রয় নিতে হল।

    ঘরে বসে একটা কাগজ পেনসিল নিয়ে আমি ফর্দ করতে বসে গেলাম। গাঁয়ের মুদিখানায় ওটা দিতে হবে। পেছনদিকের দরজায় কেউ যেন নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে। দরজাটা খুলতেই লালু ঘরে ঢুকল। শরীরটাকে সজোরে ঝাড়া দিয়ে ও এদিক-সেদিক শুঁকল। তারপর আমার পাশে এসে দাঁড়াল। ওর সঙ্গ পেয়ে আমি মনে মনে খুশিই হলাম।

    ওকে দেবার মতো দুটো বিস্কুটও আমার নেই, সব ফুরিয়ে গেছে। ফর্দের মধ্যে আমি বিস্কুটও ঢুকিয়ে দিলাম। লালু সারা ঘরটা একবার চক্কর দিয়ে এক কোনায় গুঁড়িসুড়ি মেরে শুয়ে পড়ল। বাইরে বৃষ্টি চেপে নেমেছে। আমি জানলা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বৃষ্টি দেখতে লাগলাম। বাগানে জল জমে গেছে, বৃষ্টি থামলে আবার যে কাজ শুরু করব তার উপায় নেই। বরং গ্রামে গিয়ে কেনাকাটা সারব। আমি ভাবতে লাগলাম ফর্দে আর কিছু যোগ করার আছে কি না।

    একটা নীচু গোল টেবিলের ওপর থেকে ছোট্ট একটা ব্রোঞ্জের মূর্তি আমি হাতে তুলে অন্যমনস্কভাবে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম। আমার আগে যিনি এ বাড়িতে ছিলেন মূর্তিটা বোধ হয় তাঁরই। আরও কিছু জিনিস মায় আসবাবপত্র সমেত বাড়িটা আমি কিনেছিলাম। আগে যিনি ছিলেন তিনি কেন এসব নিয়ে যাননি তা আগেও আমার মনে জেগেছিল।

    মূর্তিটা আবার টেবিলের ওপর আমি রেখে দিলাম। লালু উঠে দাঁড়িয়েছে, আড়মোড়া ভেঙে ও লেজ নাড়তে লাগল। বাইরে বেরিয়ে দেখলাম বৃষ্টি ধরে এসেছে। গাঁয়ের দিকে যাবার জন্য প্রস্তুত হয়ে আমি লালুকে খুঁজলাম, কিন্তু ও কখন যে চলে গেছে টের পাইনি।

    মেঠো পথ ধরে আমি গাঁয়ে পৌঁছুলাম। মুদির দোকানে ফর্দটা দিতেই যে লোকটি জিনিস বিক্রি করে সে আমার দিকে মুখ তুলে তাকাল। মুদিখানায় আর কোনো ক্রেতা ছিল না। ছোটো গ্রাম। নতুন মানুষ দেখেই বোধ হয় লোকটির দু-চোখে একটু কৌতূহলের ছায়া। আমি তাঁকে বললাম যে, এখানে নতুন এসেছি। শান্তি কুটিরের আমি নতুন মালিক। শান্তি কুটিরের নাম শুনেই লোকটি যেন চমকে উঠল, তারপর তার মুখ ফসকেই বেরিয়ে গেল, ‘ও-লোকটি যেন চমকে উঠল, তারপর তার মুখ ফসকেই বেরিয়ে গেল, ‘ও বাড়িটার তবে এতদিনে গতি হল।’

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওটা কি অনেকদিন খালি পড়ে ছিল?’

    লোকটি একটু ইতস্তত করে বলল, ‘হ্যাঁ, তা মাস ছয়েক তো বটেই।’

    আমি অবাক হলাম, বললাম, ‘আজকাল এতদিন কোনো বাড়ি খালি পড়ে থাকে না তো!’

    ‘কাছাকাছি লোকজন নেই বলেই বোধ হয় বাড়িটা খালি পড়ে ছিল,’ লোকটি মাথা নীচু করে বলল। তারপর হঠাৎ মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনার কোনো অসুবিধে হচ্ছে না তো?’

    আমি বললাম, ‘না,’ তারপরই হঠাৎ আমি প্রশ্ন করলাম, ‘অসুবিধে হবার কোনো কারণ আছে কি?’

    লোকটি যেন চমকে উঠল, মুখ নীচু করে বলল, ‘না…না…!’

    দোকানের মালিক এই সময় এলেন, আমার পরিচয় পেয়ে আমাকে আদর করে বসালেন, তারপর দোকানের লোকটিকে আমার জন্য চা আনতে বললেন। লোকটি চলে যেতেই তিনি বললেন, ‘এক সময় এ জায়গাটা লোকজনের ভিড়ে ভরে উঠেছিল। শান্তি কুটিরই অবশ্য তাদের প্রধান আকর্ষণ ছিল। এদিকটা যেমন নিরিবিলি তেমন শান্ত, তাই ওই বাড়িতে খুন হওয়ায় বেশ সাড়া পড়ে গিয়েছিল।’

    আমার রক্ত চলাচল যেন বন্ধ হয়ে গেল। খুন! শান্তি কুটিরে!

    মালিক ভদ্রলোক বলতে লাগলেন, ‘বিনোদবাবু ও বাড়িটা ভাড়া নেবার মাত্র তিনমাস পরই ব্যাপারটা ঘটেছিল। ভদ্রলোক ছবি আঁকতেন, বেশ সুপুরুষও ছিলেন। মাধব হল আপনার বাড়ি থেকে যে খামারটা চোখে পড়ে তার মালিক। তার বড়ো আদরের কুকুর লালু কেন জানি না বিনোদবাবুর বাধ্য হয়ে পড়ে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওটা শান্তি কুটিরে পড়ে থাকত। কুকুরটা অন্য একজনের ভক্ত হয়ে পড়ায় মাধব খুব বিরক্ত হয়েছিল। আমার দোকানে জিনিস কিনতে এসে একদিন স্পষ্ট সেকথা বলেই ফেলেছিল। ওর ধারণা হয়েছিল বিনোদবাবু কোনো কৌশলে তার কুকুরকে বশ করেছেন। ঘটনা হয়তো আর বেশিদূর গড়াত না যদি না মাধবের বউ কুকুরটাকে ডাকতে শান্তি কুটিরে আনাগোনা শুরু করত।’

    এতক্ষণে আমার মনে পড়ল। মাধব আর আদর্শ কুটির— বিচারের সময় কাগজে যে খবর বেরিয়েছিল তা আমার নজর এড়ায়নি, তাই ও নাম দুটো ঘুরে-ফিরে আমার কানে বাজছিল।

    দোকানের মালিক বলে চললেন, ‘কুকুরটাই সমস্ত অনিষ্টের গোড়া বলতে পারেন। ওটা ওই শান্তি কুটিরে না গেলে মাধবের বউ হয়তো কোনোদিন ওই বাড়িতে পা দিত না। কুকুরকে নিয়ে ঝগড়াটা চরমে উঠল খুনের আগের দিন। বিনোদবাবু সন্ধেবেলা এখানে এসেছিলেন। মাধবও সেই সময় এসে পড়ে। দু-জনের মধ্যে তর্কাতর্কি, তারপরই একটা মারামারি হয়ে যায়। মাধবের পেটা শরীর, জোয়ান মানুষ। বিনোদবাবুকে সে মেরে মাটিতে শুইয়ে দেয়, খুন করবে বলেও শাসায়।

    পরদিন কী ঘটেছিল তা ঠিক কেউ জানে না। যে ছেলেটি বিনোদবাবুর কাজকর্ম করত সে-ই প্রথম দেখতে পায় তার মনিব শোবার ঘরে চিত হয়ে পড়ে আছে। ও ভয় পেয়ে আমাদের কাছে ছুটে আসে।

    ‘বিনোদবাবুর কপালে একটা গর্ত আর তার চারপাশে বারুদের দাগ আমরা সবাই দেখেছিলাম।’

    ‘পুলিশ সেদিনই মাধবকে গ্রেপ্তার করে। একজন রাখাল তাকে নাকি খুব ভোরে শান্তি কুটির থেকে বেরুতে দেখেছিল। মাধব অবশ্য পুলিশের কাছে বলেছিল সে বিনোদবাবুর সঙ্গে ব্যক্তিগত ব্যাপারে দেখা করতে গিয়েছিল। ও যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে তখন বিনোদবাবু চেঁচাচ্ছিলেন। রিভলভারের গুলিতেই যে বিনোদবাবু মারা গিয়েছিলেন সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই কিন্তু রিভলভারটা কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। মাধব নিশ্চয়ই ওটা লুকিয়ে রেখেছিল। ও কোথা থেকে ওটা জোগাড় করেছিল জানা যায়নি।’

    ‘বিচারের সময় জানা যায় মারা যাবার দু-দিন আগে বিনোদবাবু শহরে এক ডাক্তারের পরামর্শ নিতে গিয়েছিলেন। ডাক্তারবাবু তাঁকে পরীক্ষা করে দেখেছিলেন। উনি পেটে ক্যান্সার রোগে ভুগছেন, আয়ু আর বেশিদিন নেই। তিনি নাকি বিনোদবাবুকে একথা বলেওছিলেন। বুঝতেই পারছেন, মাধব মিছিমিছি খুন করেছিল, আর কিছুদিন ধৈর্য ধরে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার রোগে বিনোদবাবুর মৃত্যু হত। মাধব যদি রিভলভারটাও বিনোদবাবুর হাতে গুঁজে দিত কিংবা ঘরে ফেলে রাখত, তবে হয়তো সমস্ত ঘটনা বদলে যেত। ডাক্তারবাবুর কাছে সব শোনার পর জীবনের প্রতি তাঁর আর মায়া ছিল না, তাই আত্মহত্যা করেছেন এই কথাটা ফেলে দেওয়া যেত না। বেচারা মাধব এখন জেলে পচছে, বিচারে ওর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল।’

    ‘ব্যাপারটা তবে এই ঘটেছিল!’ আমি উঠে দাঁড়িয়ে বললাম।

    মুদিখানার মালিক মাথা দোলাতে দোলাতে বললেন, ‘দলে দলে লোক এই ঘটনার পর এখানে এসেছিল। একজন শিল্পী, ছবির মতো একটা বাড়ি,— যেন একটা উপন্যাস।’

    ভদ্রলোক নিজের রসিকতায় নিজেই হেসে উঠলেন।

    আমি ফেরার পথ ধরলাম। যাবার সময় আমার যা সময় লেগেছিল ফেরার সময় কিন্তু তার চাইতে অনেক বেশি সময় লাগল, পা দুটো যেন আর চলতে চাইছে না।

    লালু যেন আমার জন্যই বাগানে অপেক্ষা করছিল। আমাকে দেখামাত্র কাঠের গেটের ওপর সামনের দু-পা তুলে জিভটা বের করে আমার মুখের দিকে তাকাল। আমি একটু থমকে দাঁড়ালাম। কেন জানি না ওকে আদর করার ইচ্ছেটা আর হচ্ছিল না। আমি গেট খুলে ভেতরে ঢোকামাত্র ও আমার গা ঘেঁষে দাঁড়াল, আমি বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করলে আমার সঙ্গে সঙ্গে চলল। আমার খালি মনে হতে লাগল বিনোদবাবুর সঙ্গেও হয়তো কুকুরটা এই একই আচরণ করেছে। তাঁরও গা ঘেঁষে চলেছে। তাঁর মৃত্যুর কারণও হল এই কুকুরটা। কেন জানি আমার মনে হচ্ছিল শান্তি কুটির আমার পক্ষে আর নিরাপদ নয়। এটা আসলে বিনোদবাবুর বাড়ি, আসবাবপত্র তাঁরই, আমি যেন এখানে অনাহূত। কোন ঘরটায় ভদ্রলোক খুন হয়েছিলেন! বাড়ির আনাচেকানাচে তাঁর স্মৃতি যেন জ্বলজ্বল করছে। কেন জানি না আমার শরীরটা কেঁপে উঠল। লালু যেন আমার মনের ভাব বুঝতে পেরেছে। আমার মুখের দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে ও যেন কিছু বলতে চাইছে।

    হঠাৎ কীসের একটা তাড়নায় আমি পেছন ফিরে তাকালাম আর তখুনি মাধবের বউকে আবার দেখতে পেলাম। যে কাপড়গুলি সে মেলে দিয়েছিল, সেগুলি তুলছে। আমি দূর থেকে তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। বউটি একটা হলুদ রঙের শাড়ি পরেছে। অল্প বয়স মনে হয়, কিন্তু দূরের জন্য ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। হঠাৎ বউটি এ বাড়ির দিকে তাকাল আর আমার হৃৎপিণ্ডটা লাফিয়ে উঠল। লালু এখানে আছে টের পেলে বউটি কি ওকে ডাকবার জন্যে এখানে আসবে? আমার ধমনীতে দ্রুত রক্ত চলাচল শুরু হয়ে গেল, অতীত যেন আমাকে গ্রাস করতে চাইছে। বিনোদবাবু বেঁচে থাকতে যেসব ঘটনা ঘটেছিল আবার কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে, আর এবার ঘটনার নায়ক হব আমি!

    তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে আমি ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়লাম।

    খাওয়া-দাওয়ার পর একটু বিশ্রাম করে আবার আমি বাগানের কাজে হাত লাগালাম। বাড়ি থেকে বাইরে থাকতেই আমার মন চাইছে। ভেতরে যদি হঠাৎ অশরীরী বিনোদবাবুর সঙ্গে আমার দেখা হয়ে যায়! লালু সেই যে আমি বাড়ি ফেরার পর সঙ্গে এসেছিল তারপর থেকে ওকে আর দেখতে পাচ্ছি না।

    বিকেলের দিকে মুদির দোকান থেকে আমার জিনিসপত্র এসে গেল। যে নিয়ে এসেছিল, সে চলে যাবার পর আমি সেগুলো গুছিয়ে তুলতে লাগলাম। এই সময় হঠাৎ আমার খেয়াল হল ব্রোঞ্জের মূর্তিটা টেবিলের ওপর নেই। আমার কেমন যেন খটকা লাগল। আজ সকালেই আমি ওটা নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি। নীচু ছোটো গোল টেবিলটার ওপর ওটাকে আমি আবার রেখে দিয়েছিলাম সে-বিষয়ে আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই। কোথাও ওটাকে খুঁজে পেলাম না। আশ্চর্য! ওটা কি উবে গেল! কেউ কি আমার অবর্তমানে বাড়ির মধ্যে ঢুকেছিল? কিন্তু মূর্তিটা ছাড়া আর কিছু খোয়া গেছে বলে আমার নজরে পড়ল না।

    বেরুবার আগে আমি দরজা টেনে দিয়েছিলাম, কারণ আমার স্পষ্ট মনে আছে ফিরে আসার পর চাবি দিয়ে আমাকে দরজা খুলতে হয়েছিল। বাড়িটা যিনি তৈরি করিয়েছিলেন তাঁর রুচিবোধ আছে বলতে হবে। বিলিতি কায়দায় দরজা বাইরে থেকে টানলেই লক হয়ে যায়, চাবি ছাড়া খোলা যায় না। ওটার চাবি বাড়ি কেনার সময় আমার দখলে এসেছিল, বিনোদবাবুই নিশ্চয়ই ওটা ব্যবহার করতেন। হঠাৎ একটা চিন্তা আমার মাথায় ঝিলিক খেলে গেল। এইসব দরজার সাধারণত দুটো চাবি থাকে যাতে একটা হারিয়ে গেলে অসুবিধেয় পড়তে না হয়। বিনোদবাবু যখন বাড়িটা ভাড়া করেছিলেন তখন তাঁকে নিশ্চয় দুটো চাবিই দেওয়া হয়েছিল। মুদির দোকানের মালিক সকালে কথায় কথায় বলেছিলেন যে, বাড়িটা কিনবেন বলেই নাকি বিনোদবাবু প্রথমে ভাড়া নিয়ে একটা ট্রায়াল দিচ্ছিলেন। দ্বিতীয় চাবিটা তবে কোথায় গেল?

    তখুনি আমার মনে পড়ল সকালে খুরপিটাও রহস্যজনকভাবে উধাও হয়েছে। আমি বাগানে ফিরে গিয়ে যেখানে ওটা হারিয়েছিলাম সে-জায়গাটা আবার খুঁজতে শুরু করলাম। লালু এসে আমার পাশে দাঁড়াল। ওর আসা যাওয়া যেন বাতাসের মতো, এই আছে এই নেই।

    খুরপিটাকে কোথাও খুঁজে পেলাম না। খুরপি আর ব্রোঞ্জের মূর্তি, দুটোই যেন হাওয়া হয়ে গেছে। আমার কেন জানি মনে হতে লাগল এ দুটো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, একটা অদৃশ্য হাত যেন কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই এ কাজ করেছে। আমি যেন পাকচক্রে এই বাড়ির অতীত ঘটনাবলির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছি, একটা বিপদের মুখে যেন আমাকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।

    লালু হঠাৎ কোথা থেকে বলটা মুখে করে আমার সামনে দাঁড়াল। ও বোধ হয় আবার খেলা শুরু করতে চায়। কিন্তু বলটা ওর মুখ থেকে নেবার জন্য আমি হাত বাড়াতেই ও কয়েক পা পিছিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। ওর কান দুটো খাড়া হয়ে উঠেছে। তারপরই ও পেছন ফিরে কিছুটা দৌড়ে গেল। আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ও যেন আমাকে ওর অনুসরণ করতে আহ্বান জানাচ্ছে। আমি সম্মোহিতের মতো ওর পিছু নিলাম।

    ঝোপঝাড় ডিঙিয়ে ও মাঠের মধ্যে নেমে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমার একবার মনে হল ও যেন আমাকে খামারবাড়ির দিকে নিয়ে চলেছে, যেখানে আছে মাধবের বউ। কিন্তু একটু পরেই আমার ভুল ভাঙল, ও চলেছে অন্যদিকে। একটু গিয়েই ও থেমে আমার দিকে মুখ করে দাঁড়াচ্ছে, আমি কাছাকাছি যেতেই আবার এগিয়ে যাচ্ছে।

    বেশ কিছুটা গিয়ে একটা ঘন ঝোপের সামনে কুকুরটা থামল, তারপর পা দিয়ে ঝোপের এক জায়গা সরিয়ে বলটা মুখ থেকে ফেলে দিল। তারপর কয়েক পা দূরে সরে জিভ লকলক করতে করতে অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমার মুখের দিকে তাকাল, যেন ওর চোখ কথা বলছে। বলছে এ জায়গাটা ভালো করে দেখো। আমি হাঁটু গেড়ে বসে হাত দিয়ে ঝোপ সরালাম।

    ঝোপের মধ্যে একটু জায়গা আশ্চর্যরকম পরিষ্কার। বাইরে থেকে বোঝবার উপায় নেই। বলটা প্রথমেই আমার চোখে পড়ল, তারপর খুরপি আর ব্রোঞ্জের মূর্তিটা। আরও কিছু আমার নজরে এল। ছবি আঁকবার একটা তুলি, এক পাটি চটি আর একটা রিভলভার। একটা কুকুর মুখে করে আনতে পারে এমন সব জিনিস। আমি স্তম্ভিত হয়ে বসে রইলাম। বিনোদবাবু মারা যাবার পর কুকুরটা যদি রিভলভারটা মুখে করে এখানে এনে লুকিয়ে রাখে তবে আত্মহত্যার প্রশ্নটা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    আমি রুমাল দিয়ে সন্তর্পণে রিভলভারটা তুলে নিলাম, ওটার হাতলে যদি আঙুলের ছাপ অক্ষত থাকে তবে তার গুরুত্ব অনেক। ঘন ঝোপের ভেতর থাকায় ঝড় জলের হাত থেকে ওটা রক্ষা পেয়েছে। আমি উঠে গিয়ে এপাশ-ওপাশ চোখ ফেরালাম, কিন্তু লালুকে আর দেখতে পেলাম না। নিজের দুষ্কর্মের জন্য নিজেই ধরা দিয়ে ও যেন লজ্জায় পালিয়েছে।

    পরদিন সকালেই আমি শহরে গিয়ে থানায় দারোগাবাবুর সঙ্গে দেখা করলাম, সব কথা খুলে বললাম তাঁকে। তিনি নীরবে আমার কথা শুনলেন, তারপর একজন সাব ইনস্পেকটরকে ডেকে পাঠালেন। তাঁর কাছেও ঘটনার আগাগোড়া বললাম। তিনি সব শোনার পর রুমালে জড়ানো রিভলভারটা সতর্কভাবে টেবিলের ওপর রাখলেন।

    ‘এই রিভলবারটা নিশ্চয়ই বিনোদবাবুর মৃত্যুর ব্যাপারে নতুন আলোকপাত করবে,’ আমি তাঁদের গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম।

    দারোগাবাবু আস্তে আস্তে মাথা দুলিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ, তা করবে।’ তারপরই তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি শান্তি কুটিরে নতুন এসেছেন, তাই না?’

    আমি ঘাড় নেড়ে সায় দিলাম।

    দারোগাবাবু সাব ইনস্পেকটরের মুখের দিকে তাকালেন, তাঁদের চোখে যেন কী কথা হয়ে গেল। তারপর দারোগাবাবু বড়ো একটা নিশ্বাস নিয়ে বললেন, ‘বিনোদবাবুর আঙুলের ছাপ যদি এটাতে পাওয়া যায়, পাওয়া যাবেই বলে আমার বিশ্বাস, তবে নতুন করে আবার কেসটা খাড়া করতে হবে। আপনি কীভাবে রিভলভারটার সন্ধান পেলেন তারও একটা রিপোর্ট দাখিল করতে হবে আমাদের। তবে আমাদের রিপোর্টটা বেশ ভেবেচিন্তে করতে হবে।’

    ‘ভেবেচিন্তে কেন?’ আমি একটু অবাক হয়েই দারোগাবাবুর মুখের দিকে তাকালাম!

    ‘মুশকিল যে কুকুরটাকে নিয়ে,’ দারোগাবাবু চিন্তিত মুখে জবাব দিলেন।

    আমি ততোধিক বিস্ময়ে বললাম, ‘আমি তো আপনাদের কথা কিছুই বুঝতে পারছি না। কুকুরটা আবার কী মুশকিল করল?’

    দারোগাবাবু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে শান্ত কণ্ঠে বললেন, ‘কুকুরটা মাধবের বড়ো ন্যাওটা ছিল। মাধবকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবার পর থেকেই ও অনশন শুরু করে, কিছুই মুখে দিত না। না খেয়ে খেয়েই শুকিয়ে মরে গেল কুকুরটা, সে আজ প্রায় ছ-মাস আগের কথা।’

    দারোগাবাবু থামলেন। কিন্তু আমি যেন কথা বলার শক্তি পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপার্থিব প্রেয়সী – আফজাল হোসেন
    Next Article ক্যামিল – পিয়ের লেমেইত

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }