Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জোচ্চোর – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প50 Mins Read0
    ⤶

    জোচ্চোর – ৩

    ৩

    আমি কিন্তু খুব অবাক হয়ে যাচ্ছি নেবুমাসি। রাত্রে খাটে পা ঝুলিয়ে বসে সুদত্তা বলল।

    না, আর মাসিমা নয় যথাযথ নিয়মে দিদিমাও নয়, সেই নেবুমাসিতেই এসে পৌঁছে গেল এই ঘণ্টা কয়েকের মধ্যে। হয়তো সেটাই আশ্চর্যের কারণ।

    এই পুরনো বাড়ির ঘরে ঘরেই কালো কালো পালিশ উঠে যাওয়া বড়ো বড়ো জোড়া খাট পাতা, তবে নেবুমাসির ঘরে স্বতন্ত্র ব্যবস্থা। একখানা সোরু চৌকিতে নেবুমাসির স্বল্প উপকরণ যুক্ত বিশুদ্ধ শয্যা।

    সেই ঘরেরই ফাঁকা দেওয়ালের ধারে অন্য কোনো ঘর থেকে একটা সোরু খাট আনিয়ে পাতা হয়েছে, এবং ফর্সা চাদর বালিশ সম্বলিত বিছানা পাতা হয়েছে।

    ঘরে ঢুকে চারিদিকে তাকিয়ে দেখল সুদত্তা—শূন্য শূন্য ঘরগুলোর দেয়ালেও বড়ো বড়ো এক একখানা আর্শি বসানো আছে, এ ঘরে তার কিছুই না। এ ঘরের আসবাবের মধ্যে একটা মাত্র আলনা, তাতে নেবুমাসির দু—একটা থান ও ধুতি ও সেমিজ লম্বমান।

    নেবুমাসি বলেছিলেন, পাশেই আয়না—টেবিলওয়ালা সাজানো ঘর রয়েছে ভাই, কিন্তু এই বুড়ো বুড়ো জানলা দরজাওলা বৃহৎ পুরনো ঘরে একা তোর ভালো লাগবে না, ভয় লাগবে। তাই এই বুড়ির ঘরেই স্থাপনা করলাম তোকে।

    তারপর দুষ্টু হাসি হেসে বলেছিলেন, তোরা যে আমার আশায় ছাই দিলি। নাতবৌ এলো বলে আহ্লাদে ভাসছি, তা নয় এখনো হবু। এখনকার যে সব কায়দা হয়েচে নেকাপড়া না শেষ করে বে করব না। ইদিকে নেকাপড়ারও শেষ হবার নাম নেই। মেয়ে পুরুষ সবাই বিদ্যের জাহাজ হবে এই পণ! তা যাক, এই বুড়ি বেঁচে থাকতে থাকতে শুভ কাজটা সেরে ফেলে একবার আসিস ভাই। সাধ মিটিয়ে—চুপ করে গেলেন।

    সুদত্তা এই নিশ্চিত বিশ্বাসের দিকে তাকিয়ে বলতে পারেনি, তুমি যত সিওর নেবুমাসি আমরা নিজেরা এখনো ততো নই। এখনো আমরা নিজেদের মন বুঝতে পারছি না।

    সুদত্তা তাই ও পথ এড়িয়ে গিয়ে বলেছিল, বেঁচে থাকতে থাকতে মানে? একশো বচ্ছরের আগে আপনাকে পৃথিবী থেকে নড়তে দিচ্ছে কে?

    নেবুমাসি হাসলেন, তা অসম্ভবও নয়। বাল্যবিধবার পরমায়ু পাথর দিয়ে বাঁধানো থাকে টসকাতে জানে না। নইলে দ্যাক এই আশী বচর বয়সেও তোদের মতন যুবিদের থেকে তিন গুণো খাচ্ছি, তিন টপকায় সিঁড়ি ভাঙছি। তবে মরতেও তো পারি।

    ঘর বিছানা দেখিয়ে দেবার সময় এ সব আলোচনা। এখন শুতে এসে সুদত্তা খাটে পা ঝুলিয়ে বসে বলল, আমার কিন্তু খুব অবাক লাগছে নেবুমাসি।

    নেবুমাসি বললেন, কেন বল তো?

    ভাবছি আপনারা তো পুরনো কালের লোক, পুরনো সংস্কার, এ ভাবে একটা ছেলে আর একটা মেয়েকে একসঙ্গে ঘুরতে দেখে রাগ করলেন না, বিরক্ত হলেন না, নিন্দে করলেন না বরং এত ভালোবাসছেন—

    নেবুমাসি হেসে উঠে বললেন, যে কালে যে ধর্ম, আমরা পুরনোরা রাগ করলে আর নিন্দে করতে বসলেই কি কাল তার স্বধর্ম হারাবে? আমাদের আমলে সাহেব মেমরা কোটশিপ করত, এ আমলে তোরা করচিস। জিনিসটা আমাদের অজানা নাকি?

    আমরা কিন্তু মোটেই এটা ভাবিনি নেবুমাসি। একসঙ্গে পড়ি, বেড়াই—টেড়াই এই পর্যন্ত।

    নেবুমাসি ঈষৎ গভীর গলায় বলেন, ও কথা বলিসনে ভাই, ছেলেটার মুখ চোখ দেখতে পাসনে? তোর পানে তাকালেই বিভোর—

    সর্বনাশ! নেবুমাসি এই সব দেখছেন আপনি? ধ্যেৎ! কক্ষনো না।

    দেখব বলে কি আর দেখচি রে বাপু। চোকে পড়ে গেলে করব কি? যাকগে। একটা কতা ভাবছি সারাদিন—

    কি ভাবচেন? কাল সকাল থেকে রাত অবদি কি কি খাওয়াবেন আপনার আদরের অতিথিদের?

    নেবুমাসি হেসে ফেলে বললেন, তাও ভাবছি, তবে আরো একটা কতা ভাবছি, থাক কাল বলব।

    প্রবালের আশ্রয় জুটেছিল সরোজমোহনের ঘরে। অনেক রাত পর্যন্ত তার উচ্চ হাসি আর উচ্চরবের সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল, সুদত্তা ভাবছিল এই ভেঙে পড়া প্রাসাদের মধ্যে এই জীর্ণ বিবর্ণ সব আসবাব পত্রের আবেষ্টনে, দিনরাত্রির খাজনা জুগিয়ে চলা ছাড়া আর তো কোনো কাজ নেই বুড়ো ভদ্রলোকের—তবু এত প্রাণশক্তি আসে কোথা থেকে?

    মহিলাটির কথা তবু আলাদা। তিনি তাঁর পিতৃকুলের কুলমর্যাদা, বংশমর্যাদা, আচার—আচরণ সবকিছুর দায়িত্ব বহন করে চলে আসছেন, তার মধ্যে কর্তৃত্ব গৌরব রয়েছে। রয়েছে সংসার করার সুখও।

    হলেও সে সংসারের সদস্য সুখী, সুখীর মা, চিরকালের প্রজা ঘর, বিনা ভাড়ায় বাসিন্দা রিকশাওলা নন্দ, আর পুরনো সরকার মণি পালের নাতি বাচ্চু। সংসারের ঠাট তো আছে। বাড়িটাই সংসার।

    তবে প্রকাণ্ড এক প্রশ্নচিহ্নের মতো বিরাজ করছেন ওই বৃদ্ধ।

    অনেক রাত্রে শুনতে পেল সুদত্তা, নেবুমাসি গলা তুলে কাকে যেন বলছেন, আজ রাতে কী আর ঘুমুতে—টুমুতে হবে না? বলি ঘুমের কমতিতে ছেলেটার শরীর বিগড়ালে?

    কত রাত এখন? প্রবাল এখনো জেগে ছিল?

    হঠাৎ খুব একটা ব্যাকুল আবেগ অনুভব করল সুদত্তা। ইচ্ছে করলেই সুদত্তা স্বর্গলোকের একখানি টিকিট কিনে ফেলতে পারে।

    ৪

    ঘুম ভাঙল সুদত্তার রিকশাওলা নন্দর ডাক—হাঁকে।

    দাদাবাবু গাঁ দেখতে বেরোবেন নাকি? গাড়ি মজুত আচে।

    নেবুমাসি কখন উঠে গেছেন কে জানে। দেখল ওঁর বিছানাটি পরিপাটি করে ঝাড়া ঠিক করা। আস্তে বেরিয়ে এসে ভিতর দালানের জানালার ধারে দাঁড়াল সুদত্তা। দেখতে পেল উঠোনের ওপারে বারান্দায় প্রবালও সদ্য নিদ্রোত্থিত ভাবে দাঁড়িয়ে।

    অপূর্ব একটা আনন্দরসে ভরে উঠল মন। নিজেকে হঠাৎ নববিবাহিতা বধূর মতোই মনে হল সুদত্তার। প্রবালের মুখে চোখেও বুঝি সেই একই অভিব্যক্তি। ইশারায় বলল, যাচ্ছি ওদিকে।

    আর এই সময় নেবুমাসির চড়া গলার প্রশ্ন শোনা গেল—এই অতি সকালে গাঁ দেকাতে নিয়ে যেতে এসেছিস মুকপোড়া? একটু বোধ—গ্যান নেই? বলি বিচানা থেকে তুলে নিয়ে যাবি নাকি? অ্যা!…কাগে এখনো বাসা ছাড়েনি। এখনো এসেচ গাড়ি নিয়ে!

    নন্দ সতেজে বলল, আমার কি দোষ? দাদু কাল বলে থুয়েছে ভোরে আসবি নন্দ। বেলা করে বেরোলে ফিরতে রোদ চড়া হয়ে যাবে।

    অ তাই বল। আমিও তাই ভাবচি, নন্দ এমন সাতসকালে কাঁথা মাদুর ছেড়ে এয়েচে! যা, এখন যা, এক ঘণ্টা বাদ আসবি।

    খোয়া খাপরা রাস্তা দিয়ে রিকশা চলার শব্দ শোনা গেল। এবং নন্দ বিদায় পর্ব সমাধা হতে না হতেই সরোজমোহনের বিরক্ত গলা শোনা গেল, দেওয়া হল তো বিদেয় করে? নাও দেখ এখন কোন বেলায় আসে। ওদের এক ঘণ্টা মানেই তিন ঘণ্টা।

    সুদত্তা আর প্রবাল দুজনে দু’দিক থেকে ঝুঁকে একই দৃশ্য দেখতে পায়।

    লাল টুকটুকে সিমেন্টের দাওয়া বোধ হয় সদ্য ধোওয়া হয়েছে, ঈষৎ দূরত্ব রেখে মুখোমুখি দুখানি আসন পেতে চা খেতে বসেছেন। সদ্যস্নাতা নেবুমাসির পরণে কেটে থান, গায়ে একটা মটকা চাদর।

    নেবুমাসির সামনে একটি উঁচু পাথরের গেলাসে চা। ঢ্যাঙার সামনে অবশ্য কাঁচের গ্লাস। চায়ের আসল সরঞ্জাম নামেনি। তার মানে এটি ওদের বলতে গেলে বেড—টী।

    আচ্ছা, মুখের ভাবে তো পরিতৃপ্তির কোনো অভাব নেই। তবে গলার স্বর এই সক্কালবেলাতেই এমন কড়া কেন? নেবুমাসিরই অধিক।

    তবে আর কি, হাত মুখ ধোবে না, চা জল খাবার খাবে না, বিচানা থেকে উঠেই গাঁ দেখতে বেরোবে। কী একেবারে তাজমহল দেকবার দেশ!

    তাহলে আর ঘটা করে দেখতে যাওয়াই বা কেন? সরোজমোহন প্রায় খিঁচিয়ে ওঠেন, ফেরার সময় রোদ চড়বে সেটাই বলা হয়েছে। গোঁসাইবাগানে যাবে, সিদ্ধেশ্বরীর মন্দিরে যাবে—

    যাবে তাতে আর কী? তোর সব তাতেই উটোন সমুদ্দুর ঢ্যাঙা। আমি এই নিত্য দিন সিদ্ধেশ্বরীর মন্দিরে যাই, তোর বচরে এ্যাকদিন হয়ে ওঠে না। রিশকোয় যাবে আসবে—বলি ওটা হচ্চে যে?… গেলাশটা পাত। বাটিতে চা আচে আরো।

    বাঁ হাতের কাছে একটা ঢাকা দেওয়া বাটিতে বোধ হয় বাড়তি চা মজুৎ। ঢ্যাঙা সেইদিকে দৃষ্টিপাত করে বলেন, ওই তো ওইটুকু, থাক ও থেকে আর তোর দাতব্য করতে হবে না, নিজের গলায় ঢাল।

    রাগ বাড়াসনে ঢ্যাঙা। কেন? সবটুকু আমার গলায় ঢালতে হবে কেন? মরুভূমি হয়ে আচে বলেচি?

    তবে দে বাবা দে! গেলাসটা পাতলেন সরোজমোহন।

    নেবুমাসি আঁচলের কোণ দিয়ে বাঁ হাতে বাটিটা ধরে দুটো গেলাশেই একটু একটু ঢেলে নিলেন।

    সরোজমোহন একটু কোমল হাসি হেসে বললেন, এই সকালের চাটুকুই চা! এ চায়ের সঙ্গে সুখীর মা’র হাতের চা। হুঁঃ!

    চা সাঙ্গ করেই উঠে গলা তুললেন সরোজমোহন, ওহে প্রবালবাবু, উঠেছেন নাকি?

    উঠে পড়ে নেবুমাসিও গলা তুললেন, হল ডাক—হাঁক শুরু? কাল তো মাজ রাত্তির অবদি বকবক করে ছেলেটাকে ঘুমুতে দাওনি—

    তবে ঘুমোক। যা বরং নাতির গায়ে আঁচল চাপা দিয়ে বসগে যা। এই মেয়েছেলেগুলোই হচ্ছে দেশের সর্বনাশের মূল। মায়ায় মরে গিয়ে বেটাছেলেদের আর বেটাছেলে হতে দেয় না।

    নেবুমাসির হি হি হাসি ধ্বনিত হলয়, ওঃ, কী আমার পণ্ডিতমশাই বুদ্দি চূড়োমণি এলেন গো! তো বলি, তোর জন্যে তো জম্মোজীবনে কেউ মায়ায় মরেনি ঢ্যাঙা, তুই কেন ইয়া বীরপুরুষ হয়ে যুদ্দে গেলি না। ঘরকুনো কুড়ের সর্দার।…নে, ওষুদটুকু খেয়ে নিয়ে যা ইচ্ছে করগে যা।

    রোজ রোজ কিসের ওষুধ? খাব না, যাঃ।

    মদু দিয়ে মেড়ে ফেলেচি ঢ্যাঙা, আজ খেয়ে নে। কাল থেকে খাসনে।

    এ কথা তো রোজ বলিস।

    কি করব? হাঁপানির টান উটলে আমারই তো দুদ্দশা! এই ব্যাধিটি যদি না থাকত, নেবু এই দৌলতপুরের মাটি আঁকড়ে পড়ে থাকত? চাটি—বাটি উঠিয়ে কাশীবাস করতাম গিয়ে।

    সরোজমোহনের বিদ্রূপের গলা আকাশে ওঠে, থাম নেবু, আর বাকতাল্লা মারিস না। তুই নইলে আর কাশীবাসী হবে কে? বলে একটা তেল মাখার বাটি হারালে বাড়ি মাথায় করিস, এই বৃহৎ পুরী দু’বেলা ঝাড়ু না পড়লে রাজ্য রসাতলে যায় তোর, আবার বৈরিগী বুলি!…আমার ব্যাধি আমার আছে, তোর কি?

    তা তো নিশ্চয়। নেবুমাসি গম্ভীরভাবে বলেন, কতাতেই আছে মামার শালা পিসের ভাই তার সঙ্গে সম্বন্ধ নাই। তা এ তো আবার পিসের ভাইপো। ওদের ছোটো কাল থেকে দেখচি বলেই এ্যাকটা বিবেক—বোদ।

    ওরে বাপ! শুধু বৈরাগ্য নয়, আবার বিবেক। যাত্রা পালা একেবারে। আর এক গেলাশ চা গলায় ঢাল নেবু। নইলে মাথা পরিষ্কার হবে না। বলে হা হা করে হেসে ওঠেন সরোজমোহন।

    গোঁসাইবাগানের পথে যেতে যেতে নন্দ বলে, আজন্মো এক ঠাঁই রইল তবু দুটো মনিষ্যি যেন সাপে নেউলে। দেখতেচেন দাদাবাবু?

    দেখতেচি।

    ব্রেদ্ধ হয়েচে, এখনো সেই ছোটোকালের ঝুটোপুটি ঝগড়ার অব্যেস গেল না। আমরা দেখি আর হাসি। অথচ এমনিতে দুটো মানুষই খুব ভালো। বাচ্চু বলে দুজনারই বোধ হয় কোঁদল লগ্নে জম্মো!

    হাত চালাও নন্দদা। মানে পা চালাও। প্রবাল বলল, আগে যখন বাড়িতে আরো লোকজন ছিল। তখন এমন ছিল না বাবা। কে কোথায় থাকত। এখন ফাঁকা বাড়িতে চেঁচামেচির খুব সুবিধে হয়েছে।

    সুদত্তা অদ্ভুত হেসে বলল, চেঁচামেচির সুবিধে নয়, চেঁচামেচিটাই সুবিধে।

    তা চেঁচামেচিও থাকল, হাসি গল্পও থাকল পুরো দমে। খাওয়া দাওয়ারও মহোৎসব চলল। যাওয়ার আগের দুপুরে নেবুমাসি সেই কাল বলব বলে তুলে রাখা কথাটি ব্যক্ত করেন।

    কবে আছেন কবে নেই তিনি বলা তো যায় না। তাই প্রবালের ভাবী বৌয়ের আশীর্বাদ পর্বটা সেরে রাখবেন তিনি। অতএব—

    হ্যাঁ সেই অতএবটাই আসল। শরদিন্দুনিভাননীর বাবার দেওয়ালে পোঁতা চোরাসিন্ধুক থেকে তাঁর গহনার বাক্সটি বার করে দিতে হবে।

    আমার সেই গিণির মালাটা আমি মনে মনে পলার বো’র জন্যে তুলে রেকেচি। নেবুমাসী বললেন।

    গিণির মালা, প্রবাল লাফিয়ে ওঠে। ক্ষেপেছ না পাগল হয়ে গেছ? নাকি আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে চাইছ নেবুমাসি? আজকালকার দিনে গিণির মালা! ঢ্যাঙা দাদু, তুমি আমায় এ বিপদ থেকে উদ্ধার করো।

    নেবুমাসি সতেজে বলেন, আমার জিনিস, আমি যদি স্বেচ্ছায় কাউকে উপকার দিই, তাতে থানা পুলিশের কথা আসে কেন রে?

    কেউ বিশ্বাস করবে না নেবুমাসি! গিণির মালা! এক একখানা গিণির এখন কত দাম জানো?

    জানিনে। জানতে চাইওনে। আমি তো কিনতে যাচ্চিনে। বাবা দিয়েছিল, ও তো আমার স্ত্রীধন। যাকে ইচ্ছে দেব। দিইনি কী? কতজনাকে কত দিয়েচি আগে আগে। গহনা তো কম ছিল না। বুঝলি খুকু, ওজন করে দু’সের সোনা দিয়েছিল বাবা—

    দু’সের! সুদত্তা হেসে উঠে বলল, সোনার সের!

    তোদের একালে ভাতের চাল ভরি দরে বিকোয় আমাদের সেকালে অবস্তাপন্নের ঘরে সোনার হিসেব ওই রকমেই হতো বাছা। মাতা থেকে পা অবদি সোনায় মোড়া বৌ গিয়ে দুধে আলতার পাতরে গিয়ে দাঁড়াল। … আর তো যাইনি, সকল সোনা বাবার ওই চোরা সিন্দুকের মধ্যে। তো একে একে বিলিয়েচি অনেক। যতজনের বে হয়েচে, একেকখানা করে গহনা দিয়েচি। চর বাজুবন্দ, চিক সিঁতিপার্টি, সীতাহার, পুষ্পহার, গোট, বিছে, অনন্ত, তাগা, ইয়া মকরমুকো বালা, ফাঁস হার রতনচুর—

    নেবুমাসি! প্রবাল বলে ওঠে, এই সব তুমি দাতব্য করেছ? শুনে আমার মাথা ঘুরছে। দিলে কোন প্রাণে?

    হেসে ওঠেন নেবুমাসি, কি ছেলেবয়েসের বুদ্ধি। বিধবা মানুষ গহনা নিয়ে কী করব? তা যাক, একনো যা আচে অনেক। পালিশপাতের চুড়ি, বারোমেসে গোখরিচুড়ি, মানতাশা, ও গিণির মালাটা—তো বাক্সটা তুই আমায় বের করে দে দিকিনি ঢ্যাঙা।

    ঢ্যাঙা অম্লান মুখে বলেন, কত কাল থেকে বলছি না, চাবিটা হারিয়ে গেছে। লোকজন ডেকে চাবি বানাও।

    নেবুমাসি ক্রুদ্ধ গলায় বললেন, শুনছিস পলা বেআক্কেলের কতা! লোকজন ডেকে আমি চোরাসিন্দুক দেকাই। পর দিন বাড়িতে ডাকাত পড়বে না?

    ঢ্যাঙা অবিচল, তবে আমি নাচার!

    নাচার বললেই নাচার? আমি বড় মুক করে বললাম গিণির মালা দিয়ে আশীর্বাদ করব পলার হবু বৌকে—

    তুমি দিলেই কি আমি নিতাম নেবুমাসি? প্রবাল বলে।

    নিতিস না?

    পাগল তো নই! তাছাড়া তুমি তো স্বপ্নে বাগান বানাচ্ছ। তোমার ওই খুকু আমার বৌ হতে রাজী হবে কিনা সে—গ্যারান্টি আছে?

    বটে? নেই গ্যারান্টি? ডাকত দেকি তাকে—খুকু!

    থাক থাক—ঢ্যাঙা বলে ওঠেন, জিনিসটা যখন দিতেই পারছ না—

    দিতেই পাচ্ছি না? সাফ জবাব? তুই বুড়ো ধাড়ি ছেলে, সিন্দুকের চাবিটা হারিয়ে বসে আচিস। তা, একটু হায়া লজ্জা নেই? চাবি না থাকে পলাতে তোতে চাড় দিয়ে খোল।

    প্রবাল আর সরোজমোহনের চোখে চোখে একটা ইশারা খেলে যায়। এবং প্রবাল প্রবল স্বরে বলে, চাড় দিয়ে? সেকালের বিলিতি কোম্পানির দেয়ালে গাঁথা আয়রণ সেফ চাড় দিয়ে খুলবে তুমি নেবুমাসি? বরং তোমার বাবার এই বাড়িখানা চাড় দিয়ে খুলতে পারতে পারো—ওটিকে পারবে না।

    তবে কি তোরা বলতে চাস, আমার সেই গহনার কাঁড়ি, সেই গিণির মালা দেয়ালের মধ্যে গুমখুন হয়ে মরে পচবে? ও সব শুনতে চাই না ঢ্যাঙা, গিণির মালা আমার চাই—ই চাই।

    চাই বললেই চাই? আজ দশ বছর ধরে তো সেই চাবি খুঁজছি রে বাপু। না পেলে?

    পাশের ঘরে সুদত্তা। শুনতে পেয়েছে সবই।

    স্তব্ধ হয়ে বসে ভাবে, তাকে কেন্দ্র করে এ কী ভয়ানক একটা কলঙ্কিত ইতিহাসের পৃষ্ঠা খুলে পড়ল? সুদত্তা কি ছুটে গিয়ে বলবে, আমি এক্ষুনি চলে যাব। ফুল ভেবে যা ধরতে যাচ্ছিলাম, সেটা এমন ভয়ঙ্কর একটা সাপ?

    ওই বৃদ্ধ ভদ্রলোক! কিন্তু তাই কি সম্ভব? এত বড় ভয়ানক অপরাধ করে এমন নিশ্চিন্ত ভাবে বসে থাকতে পারে কেউ?

    চাবি তুই হারালি কেন?

    ইচ্ছে করে কেউ হারায়? তুই আমায় দিতেই বা গিয়েছিলি কেন? নিজে রাখলেই পারতিস।

    আমি ও সব কলকব্জা জানি? ইংরিজি ইংরিজি অক্ষর সব ঘোরাতে হয়, কতা তৈরি করতে হয়, সে কি আমার কম্মো?

    তবে যেমন কম্ম তেমনি ফল ভোগ কর। বাপ ভাইকেই লোকে বিশ্বাস করে চাবি দেয় না, আর আমি একটা পরস্য পর, আমার হাতে চাবি দিতে এলি। বেশ হয়েছে, ঠিক হয়েছে। এখন কী করবি কর। পুলিশ ডেকে হাতকড়া দিতে ইচ্ছে হয়েছে!

    বলেছি আমি সে—কতা?

    পাকে প্রকারে বলছিস। চাবি হারিয়ে গেচে। গিণির মালা পাওয়া যাবে না, ব্যস—বলে সরোজমোহন নামের ব্যক্তিটি ঘর থেকে বেরিয়ে যান।

    নেবুমাসি চেঁচাতে থাকেন, এত অহঙ্কার ভালো নয় ঢ্যাঙা। আমায় মনিষ্যি বলেই মনে করচিস না। লম্বা লম্বা পা ফেলে চলে গেলি—

    প্রবাল এ ঘরে এসে বলে, সত্যি কথাটা বলে ফেলুন না দাদু! দারুণ চটেছেন নেবুমাসি।

    সরোজমোহন একটু রহস্যের হাসি হেসে বলেন, সত্যি কথাটা শুনলে আরও চটবে রে পলা। যখন শুনবে ওর জন্যেই আমার এই অকম্মো তখন—

    কিন্তু আপনার এই ডিসিশান নেওয়াটা কিন্তু সত্যিই অদ্ভুত ঢ্যাঙা দাদু।

    সরোজমোহন গম্ভীর ভাবে সিগারেটে টান দিতে দিতে বলেন, উপায় কী বল? রাজকন্যের যে অনুষ্ঠানের ত্রুটি হবার জো নেই। বাড়ি ভেঙে ওয়ার হচ্ছে, তবু ঠাট—বাটটি বজায় থাকা চাই। দোল—দুর্গোৎসব চাই, গোটা চারেক দাসদাসী চাই—এখনো লোকলৌকিকতার বাহারটি সমান রাখা চাই। পাড়ায় কারো বাড়িতে ভাত পৈতে বিয়ে হোক না, এ বাড়ি থেকে সেরা মাল যাবে। আকাশ থেকে পড়বে টাকা? কিন্তু এতদিন বেচারা জানতেন তার বাক্সভর্তি গহনা আছে, হঠাৎ যদি টের পান সব হাওয়া, হার্টফেল করে বসবেন না? সেই ভয়েই তো চাবিটাকে হারাতে হয়েছে রে ভাই।

    কিন্তু ভয়টার কি সত্যিই কোন মূল্য ছিল? না অমূলক?

    নইলে এরা যখন চলে আসছে, তখন কি না বলে ওঠেন নেবুমাসি, থাক হয়েছে। আর চাবি খোঁজা চাবি খোঁজা চাবি খোঁজা খেলা খেলতে হবে না ঢ্যাঙা। এরা এগোচ্চে, বেরিয়ে আয় ঘর থেকে। চাবি বেরোলেই কি আর আমার সেই গিণির মালা বেরোবে? ও নির্ঘাৎ তুই তলে তলে বেচে খেয়েচিস! নচেৎ দশ বচর ধরে নাকি লোকে চাবি খুঁজে মরে পায় না। ….. সন্দ আমার হয়েচে কবে থেকেই, লপচপানি চলচে কোথা থেকে? নেবু যখন গা হুকুম করচে তামিল হচ্চে। নেবুর বাপের জমিদারী তো ওদিকে ঢুঁ ঢুঁ হয়ে এয়েচে।….. অমনি হচ্চে? কত ধানে কত চাল বোজে না নেবু? কিন্তু তোর দুঃসাহসকে বলিহারী দিই ঢ্যাঙা। এ বার্তা পাঁচ কান হলে লোকে তোকে কি বলবে ভেবে দেকেচিস?

    ঢ্যাঙা বিশ্ব নস্যাতের ভঙ্গীতে বলেন, দেখব না আবার কেন? তুই যা বলছিস, তাই বলবে। বলবে চোর।

    কি? কি বললি? আমি তোকে চোর বলেচি?

    চোর না হয় জোচ্চোর বলেছিস।

    নেবুমাসি চড়া গলায় বলেন, তা বলবই তো, জোচ্চোরকে জোচ্চোর বলব না তো কি মহাপুরুষ বলব? বল তো পলা—বল তো বাছা খুকু?

    সুদত্তা প্রণাম করছিল। প্রণাম করে উঠে দাঁড়িয়ে একটু হেসে বলে, হ্যাঁ, এ বিষয়ে আমি আপনার সঙ্গে একমত নেবুমাসি!

    রিকশায় চলতে চলতে প্রবাল বলল, আসার সময় ওই কথাটা বলা তোমার ঠিক হয়নি সুদত্তা। শুনতে খারাপ লাগল।

    কোন কথাটা? সুদত্তা সচকিত হয়।

    ওই নেবুমাসির সঙ্গে একমত হওয়া।

    সুদত্তা হেসে উঠে বলে, সত্যি কথাগুলোই সব সময় শুনতে খারাপ লাগে প্রবাল। চিরদিনই তো লোকটা জোচ্চুরী করে এসেছে। নিজের সঙ্গে, ভালোবাসার লোকের সঙ্গে।

    ⤶
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্যোদয় – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article উনিশশো ঊনআশিতেও – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }