Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দূর পৃথিবীর ডাক – আর্থার সি. ক্লার্ক

    লেখক এক পাতা গল্প235 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৪. সমুদ্র উদ্যান

    ৪৪. গোয়েন্দা গোলক

    আমাদের আরো এক সপ্তাহ লাগবে ক্যালিপসোকে মেরামত করতে-ডিরেক্টর বলেছিলেন। এবং আমাদের ভাগ্য ভালো যে আমরা জাহাজটা খুঁজে পেয়েছি। থ্যালসায় এটা মাত্র একটিই আছে। আমরা আবার এটাকে হারানোর ঝুঁকি নিতে পারিনা।

    বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ভার্লে ভাবছিলেন, এই লক্ষণগুলো আমার চেনা। এমনকি পৃথিবীর শেষ দিনগুলোতেও কিছু গবেষগুগারের পরিচালকরা তাদের সুন্দর যন্ত্রপাতি ঠিক কাজে ব্যবহার না করে সযত্নে রেখে দিতে চাইতেন।

    –যতক্ষণ ক্র্যাকান অথবা ক্র্যাকানের বাচ্চা গোলমাল না করছে ততক্ষণ তো কোন সমস্যা নেই। এবং ভূতাত্ত্বিকেরা তো বলেছেনই যে আগামী পঞ্চাশ বছরে তার আর কোন সম্ভাবনা নেই।

    -সে ব্যাপারে আমি তাদের সঙ্গে বাজী ধরতে রাজি আছি। কিন্তু আপনি এটাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কেন? কি সংকীর্ণ চিন্তা, ভার্লে ভাবল। যদিও সে, সমুদ্রপদার্থবিদ কিন্তু তারপরেও তো সামুদ্রিক প্রাণী সম্বন্ধে তার নূন্যতম আগ্রহ আশা করা যায়। তবে হয়তোবা আমি তাকে ভুল বুঝেছি। সে হয়তো কিছু বলতে চাইছে…

    -কাঁকড়াগুলো আকর্ষণীয়। বহির্বিশ্বের যে কোন বুদ্ধিমত্তাই একদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখা দিতে পারে। এবং আপনাদের জন্য সেটা আরো বেশী–কারণ ঘটনাটা আপনাদের দরজার সামনেই।

    -আমি সেটা মানি। কিন্তু ভাগ্য ভালো যে আমরা দুই পরিবেশে আছি।

    কিন্তু কত দিন? বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ভাবলেন। যদি মোজেস ক্যালডর ঠিক হয়…

    -আমাকে একটু বলুনতো গোয়েন্দা গোলকটা কি জিনিস? একটা বেশ ষড়যন্ত্রের গন্ধ দিচ্ছে।

    হাজার বছর আগে প্রতিরক্ষা এবং গোয়েন্দা বিভাগগুলো এটা বানিয়েছিল। কিন্তু এর আরো অনেক ব্যবহার আছে। কিছু আছে পিনের মাথার মতো আবার কিছু ফুটবলের মতো বড়। ভার্লে নকশাটা পরিচালকের টেবিলে বিছিয়ে দিলো। এটা হচ্ছে পানির নিচে ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে তৈরী। আমি অবাক হচ্ছি আপনি এটা সম্বন্ধে জানেন না দেখে। কারণ এর আবিষ্কারের সময়কাল দেয়া আছে ২০৪৫। আমরা প্রকৌশল স্মৃতিতে পুরোটা খুঁজে পেয়েছি এবং তৈরী করেছি। প্রথমটা কাজ করেনি। কেন তা আমরা এখনও জানি না। তবে দ্বিতীয়টা খুব ভালো কাজ করেছে।

    এখানে আছে একটা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র, দশ মেগাহার্টজের সুতরাং আমরা মিলিমিটার পর্যন্ত বিবর্ধন পাব। ভিডিও মানসম্পন্ন না হলেও কাজের জন্য যথেষ্ঠ। সংকেত পাঠাবার জিনিসটা বেশ ভালো। যখন গোয়েন্দা গোলক চালু হবে এটা একটা সংকেত পাঠাবে যা বিশ থেকে ত্রিশ মিটারের মধ্যকার সব জিনিসের একটা শব্দের প্রতিচ্ছবি তৈরী করবে। দুইশ কিলোহার্টজের একটা তরঙ্গ এর সংকেত উপরে বয়ার কাছে পাঠাবে। সেটা আবার তা মূল কেন্দ্রে পাঠাবে। প্রথম ছবিটা পেতে দশ সেকেন্ডের মতো লাগবে। তারপর গোয়েন্দা গোলক আবার সংকেত পাঠাবে। যদি ছবিতে কোন পরিবর্তন না হয় এটা শূন্য সংকেত দেবে। কিন্তু কোন পরিবর্তন হলে নতুন ছবির জন্য এটা আবার সংকেত পাঠাবে। তার মানে আমরা প্রতি দশ সেকেন্ডে একটা ছবি পাচ্ছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটা যথেষ্ঠ। যদি আবোরা দ্রুত ঘটনা ঘটতে থাকে তাহলে প্রতিচ্ছবিটা খারাপ হয়ে যাবে। তবে সবকিছুই একসঙ্গে আপনি চাইতে পারেন না। এটা যে কোন জায়গায় কাজ করে। অন্ধকারে এটা খুঁজে পাওয়াও কষ্টকর। আর খরচও বেশ কম।

    পরিচালক যতটাই আগ্রহী লুকিয়ে রাখতেও সে ততটাই চেষ্টা করছে।

    -বেশ চালাক খেলনা, হয়তোবা কাজ দেবে। আপনারা কি এর কয়েকটা দেবেন?

    -হ্যাঁ অবশ্যই। আপনাদের রেপ্লিকেটারে যাতে আপনারা বানাতে পারেন, সেজন্যে আমরা দেখিয়ে দেবো। তবে প্রথম কয়েকটা আমরা কাঁকড়াদের বাসায় ফেলবো। এবং তারপর অপেক্ষা করবো কি ঘটে তা দেখার জন্যে।

    ৪৫. টোপ

    ছবিগুলো ছিল ভাঙ্গা ভাঙ্গা। ভালোভাবে দেখার জন্যে কৃত্রিমভাবে রং দিয়েও মাঝেমাঝে বোঝা যাচ্ছিল না। সমুদ্রের তলদেশের ৩৬০ ডিগ্রী সমতল ভূমি চোখে পড়ছে। দূরে বামে কিছু সামুদ্রিক গুল, মাঝে কিছু পাথর। ডানেও গুল্ম। যদিও ছবিটা স্থির ছবির মতোই কিন্তু বামদিকের নীচে নম্বরের পরিবর্তন সময়ের পরিবর্তন বোঝাচ্ছিল। আর হঠাৎ ছবিটা ঝাঁকি দিয়ে পরিবর্তিত হচ্ছিল যখন কিছু নড়ে যাচ্ছিল। টেরা নোভার মিলনায়তনে আমন্ত্রিত অতিথিদের ড, ভার্লে বলেছিলেন,

    –আপনারা দেখছেন কোন কাঁকড়া এখানে ছিল না। কিন্তু তারা আমাদের জিনিস ফেলাটা বুঝেছিল বা শুনেছিল। এক মিনিট বিশ সেকেন্ড পর প্রথম পরিদর্শক এসেছিল।

    এখন ছবিটা দশ সেকেন্ড অন্তর অন্তর বদলাচ্ছে এবং প্রতি ছবিতে কাঁকড়ার সংখ্যা বাড়ছে। আমি এই ছবিটা ধরে রাখছি, যাতে আপনারা ভালো বুঝতে পারেন। ডান দিকের কাঁকড়াটা দেখেছেন? এর বাম দাঁড়ার দিকে দেখুন। প্রায় পাঁচটা ধাতুর রিং! এবং মনে হচ্ছে এই হচ্ছে কর্তৃস্থানীয়। পরের ছবিটায় দেখুন অন্য কাঁকড়াগুলো এর জন্য রাস্তা ছেড়ে দিচ্ছে–এখন সে রহস্যময় বস্তুটাকে পরীক্ষা করছে–এটা বেশ ভালো ছবি দেখুন সে কিভাবে দাঁড়া এবং মুখের আঙ্গুলগুলো ব্যবহার করছে–একটা শক্তির জন্য, অন্যটা সূক্ষ্মতার জন্য–এখন সে জিনিসটা টানছে-কিন্তু আমাদের উপহারটা তার জন্য বেশ ভারী–এর আচরণটা দেখুন–কসম করে বলছি এটা নির্দেশ দিচ্ছে, যদিও কোন সিগনাল আমরা পাইনি হয়তোবা তা শব্দ সীমার নীচে এখন আসছে আরেকটা বড়সড়

    ছবিটা হঠাৎ কাত হয়ে গেল।

    –এখন দেখুন তারা টেনে নিয়ে যাচ্ছে জিনিসটা এবং ড. ক্যালডর আপনিই ঠিক-তারা পাথরের পিরামিডের গর্তের দিকে এগুচ্ছে-কিন্তু জিনিসটা ভেতরে নিয়ে যাবার জন্য বেশ বড়, অবশ্য ইচ্ছেকৃতভাবেই এটা করা এবং এটা হচ্ছে আকর্ষণীয় একটা অংশ। কাকড়াদের বেশ ভালোই চিন্তা করতে হয়েছে। যদিও এটা মূলত আবর্জনার তৈরী, কিন্তু সেটা সুচিন্তিতভাবেই বাছাই করা। এখানে আছে স্টীলের, তামার, এলুমিনিয়ামের এবং সীসার পাত, কাঠের টুকরো, প্লস্টিকের পাত এবং টিউব, লোহার চেইনের অংশ, একটা ধাতব আয়না। পুরো স্তূপটার ওজন প্রায় একশ কেজি এবং এমনভাবে সাজানো যাতে কেবল একত্রেই পুরোটা নাড়ানো যায়। গোয়েন্দা গোলকটা এক কোণায় যত্নের সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছে চারটা ছোট আলাদা চেইনের সঙ্গে। এবার দুটো বড় কাকড়া আবর্জনার স্তূপটাকে আক্রমণ করছে। বেশ দৃঢ়সংকল্প এবং বলা যায় সুচিন্তিতভাবেই। তাদের শক্তিশালী দাঁড়া পেচাননা তারগুলোকে ছিঁড়ে ফেলল। এবং তারা কাঠের আর প্লাস্টিকের টুকরোগুলোকেও সরিয়ে ফেলল। বোঝাই যাচ্ছে তারা শুধু ধাতুতে আগ্রহী। আয়নাটা তাদের থমকে দিল। তারা এটাকে তুলে নিজেদের প্রতিচ্ছবি দেখছে।

    আমরা আশা করেছিলাম তারা আক্রমণ করবে। মাছেদের চৌবাচ্চায় আয়না দিলে বেশ ভালো যুদ্ধ শুরু হয়। সম্ভবতঃ তারা তাদের চিনেছে। এটা বুদ্ধিমত্তার বেশ ভালো চিহ্ন।

    কাকড়াগুলো আয়না ফেলে বাকি আবর্জনা সমুদ্র সমতলে বিছাতে আরম্ভ করল। এর পরের ছবিগুলো হতাশাজনকভাবে ধোয়াটে। যখন আবার ছবি আসল তখন ছবিটা পুরো ভিন্ন।

    আমাদের ভাগ্য ভালো যে আমরা যেভাবে চেয়েছি ঠিক সেভাবে হয়েছে। তারা গোয়েন্দা-গোলকটাকে রক্ষী প্রহরারত গর্তের দিকে টেনে নিচ্ছে। তবে এটা তাদের রানীর ঘর নয়- রানী আছে কিনা আদৌ সেটাই বেশ তর্কের ব্যাপার…

    দর্শকরা অদ্ভুত দৃশ্য থেকে বেশ কিছুক্ষণ থমকে রইল। তারপর কেউ একজন বলল, এটা একটা ভাগাড়।

    -কিন্তু কোন একটা উদ্দেশ্য আছে…

    -দেখ, ওটা একটা দশ কিলোওয়াটের মোটর –কেউ নিশ্চয়ই ফেলে দিয়েছে।

    -আচ্ছা এখন বুঝলাম কারা আমাদের নোঙরের শেকল চুরি করে।

    -কিন্তু কোন কিছুই তো বুঝতে পারছি না।

    -কিছু একটা তো ব্যাপার আছেই।

    মোজেস ক্যালডর দৃষ্টি আকর্ষণকারী গলা খাকরানী দিলেন–যেটা অবশ্য প্রায়ই ব্যর্থ হয়।

    -এটা একটা তত্ত্ব মাত্র। তবে দেখা যাচ্ছে নতুন তথ্যগুলো একেই সমর্থন করছে। আপনারা লক্ষ্য করুণ এখানে সবই ধাতু, সতর্কতার সঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে জড়ো করা।

    এখন একটা বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণীর কাছে ধাতু হলো রহস্যময় একটা জিনিস। সমুদ্রের অন্যান্য যে কোন জিনিস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দেখা যাচ্ছে তারা প্রস্তর যুগেই রয়ে গেছে এবং আমাদের পৃথিবীর স্থলচর প্রাণীদের মতো তারা সেখান থেকে এগুতে পারছে না। জলের ভিতর আগুন ছাড়া তারা একটা প্রাযুক্তিক কানা গলিতে পরে গেছে। আমার মনে হয় আমরা এখানে বহু আগের পৃথিবীরই পুরোনো একটা ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। আপনারা কি জানেন আদিম মানুষ কোথায় তার প্রথম লোহা পেয়েছিল? আকাশ থেকে! আপনাদের আশ্চর্য হওয়াতে আমি অবাক হচ্ছি না। কিন্তু খাঁটি লোহা প্রকৃতিতে কখনো পাওয়া যায় না। খুব শিগগিরই মরিচা পড়ে যায়। প্রাচীন মানুষের এক মাত্র উৎস ছিল উল্কা। কোন অবাক ব্যাপার নয় যে সেগুলোর উপাসনা হতো। আশ্চর্যের নয় যে আমাদের পূর্বপুরুষরা আকাশের বাইরে দেবতায় বিশ্বাস করত। এখানেও কি সেই একই প্রক্রিয়া চলছে? আমি আপনাদের ব্যাপারটা সতর্কতার সঙ্গে ভাবতে বলি। আমরা এখনও জানিনা কাঁকড়াগুলো কি পরিমান বুদ্ধিবৃত্তির অধিকারী। এমনও হতে পারে তারা কেবল তাদের–কি বলব যাদুকরী সম্পদের লোভে ধাতু যোগাড় করে। কিন্তু তারা কি আবিষ্কার করতে পারবে কিভাবে এগুলো প্রদর্শনীর চাইতেও বেশী কাজ করতে পারে। তারা কতদূর এগুতে পারবে? তারা ঠিক ওখানেই বসে থাকবে সবসময়?

    বন্ধুরা, আমার মনে হয় আপনাদের কাঁকড়া সম্বন্ধে যতটুকু জানা যায় জেনে রাখা ভালো। এমনও হতে পারে আপনারা আরেকটি বুদ্ধিমান প্রাণীর সঙ্গে এই গ্রহটি ভোগ করছেন।

    আপনারা কি শান্তি অথবা যুদ্ধ বেছে নেবেন? এমনকি কাঁকড়াগুলো যদি খুব বুদ্ধিমান নাও হয় তাহলেও হতে পারে মারাত্মক হুমকি অথবা কার্যকর যন্ত্র। হয়তো আপনারা এর চাষ করবেন। আপনারা রেফারেন্সের জন্য কার্গো বিশ্বাস-এ দেখতে পারেন।

    এই গল্পের পরবর্তী অধ্যায় জানতে পারলে আমি খুশি হতাম। সেখানে কি কাঁকড়া দার্শনিক আছে?

    এমনকি এখন গুল্মের জঙ্গলে বসে তারা আমাদের সম্পর্কে কি করতে চাচ্ছে? সুতরাং দয়া করে ডিপ-স্পেস এন্টেনাটা ঠিক করবেন। ম্যাগেলানের কম্পিউটার আপনাদের তথ্যের জন্যে অপেক্ষা করবে যাতে সাগান-২ এ আমরা দেখতে পাই।

    ৪৬. ঈশ্বর যেখানেই থাক…

    –ঈশ্বর কি? মিরিসা জিজ্ঞেস করল।

    ক্যালডর শতাব্দীর প্রাচীন প্রদর্শনী থেকে ফিরে তাকাল।

    –এহ হে, তুমি আবার এটা জিজ্ঞেস করছ কেন?

    -কারণ লোরেন গতকাল বলছিল, “মমাজেস চিন্তা করছে কাঁকড়াগুলো ঈশ্বর খুঁজছে।”

    -সে তাই বলেছে? আমি তার সঙ্গে কথা বলব পরে। এবং দ্র মহিলা তুমি আমাকে যা জিজ্ঞেস করেছ, তা মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে হাজার বছর ধরে আছন্ন করে রেখেছে এবং মানব ইতিহাসে যে কোন বিষয়ের চাইতে বেশী কথা লেখা হয়েছে। এই সকালে তোমার হাতে কতটুকু সময় আছে?

    মিরিসা হাসল-অন্ততঃ এক ঘন্টা। তুমি একবার বলেছিলে যে কোন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস একটি মাত্র বাক্যে বলা যায়।

    –উমম্ হ্যাঁ। আমি বেশ বড়, প্যাচালো কিছু বাক্য জানি। এখন কোত্থেকে শুরু করি…

    সে তার চোখ দুটো লাইব্রেরীর জানালা দিয়ে বাইরের প্রথম অবতরণের নিস্তব্ধতার দিকে মেলে দিল।

    এখানে এই গ্রহের মানব জীবন শুরু হয়েছিল, এটাকে সে জন্যই আমার ইডেনের মতো লাগে। আর আমি কি সেই সাপ, যা এর সরলতা ভাঙ্গতে চলেছি?

    কিন্তু মিরিসার মতো বুদ্ধিমান মেয়েকে তো আমি এমন কিছু বলিনি যা সে জানে বা অন্ততঃ আন্দাজ করে না। সে আস্তে আস্তে শুরু করল,

    …ঈশ্বর শব্দটার সমস্যা হচ্ছে যে, এটা কখনোই দু’জন মানুষের কাছে এক অর্থ প্রকাশ করে না, অন্ততঃ দার্শনিকদের কাছে তো নয়ই। সেজন্য তৃতীয় সহস্রাব্দে কথাটা উঠেই যাচ্ছিল, কেবল হঠাৎ ব্যাথার প্রকাশ ভঙ্গি ছাড়া। কোন কোন সমাজে এটাকেও অসংস্কৃত হিসেবে ধরা হতো। তার বদলে এটা কিছু বিশেষ শব্দ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে গেল। এটায় লাভ হলো যে মানুষের এটাকে নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়াটা আগের মতো রইল না। ব্যক্তিগত ঈশ্বর যাকে কখনও এক ঈশ্বর বলে ডাকা হতে পরিণত হল আলফায়। এটা হচ্ছে একটা কল্পিত জিনিস যা প্রতিদিন প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি প্রাণীর উপর নজর রাখে। এবং ভাললাদের পুরস্কৃত এবং মন্দদের শাস্তি দেন, সাধারণত মিথ্যেমিথ্যি বর্ণিত মৃত্যুর পরের এক জীবনে। তুমি পূজা বা উপাসনা কর আলফার, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন কর, বিশাল মন্দির, মসজিদ তৈরী কর এর সম্মানে…

    আরেক দলের ঈশ্বর ছিলেন, যিনি এই মহাবিশ্ব তৈরী করেছিলেন কিন্তু তারপর হয়তো কিছু করেছেন অথবা কিছু করেননি এই মহাবিশ্ব নিয়ে। ইনি হচ্ছেন ওমেগা।

    ঈশ্বরের ব্যবচ্ছেদ করতে দার্শনিকরা গ্রীক বর্ণমালার বিশটা বা তারও বেশী বর্ণ ব্যবহার করেছিলেন। তবে আলফা আর ওমেগাই মনে হয় আজকের জন্য যথেষ্ঠ। আমার মনে হয় না দশ মিলিয়ন মানুষের বেশী এর সম্বন্ধে আলোচনা করেছে।

    আলফা ধর্মের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত ছিল–সে জন্যই পরে সেটা ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়ে। এটা অবশ্য পৃথিবী ধ্বংসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবেই টিকে থাকতো যদি বিভিন্ন প্রতিযোগী ধর্মানুসারীরা পরস্পরকে ছেড়ে দিত। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। কারণ প্রত্যেকেই দাবী করত তারাই একমাত্র সত্যকে ধারণ করে আছে। যার ফলে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ধর্মকে ধ্বংস করতে হবে। যার মানে হল শুধু অন্য ধর্মই নয় বরং নিজেদের মধ্যে উপদলগুলোকেও।

    অবশ্য এটা একদম সরলীকৃত। ভালো মানুষও ছিল, যারা পরস্পরের প্রতি সহনশীল এবং বিশ্বাস বিনিময়ে বিশ্বাসী। এবং প্রাথমিক মানব সমাজে ধর্মের প্রয়োজনটা হয়তো অত্যাবশকীয় ছিল। অতিপ্রাকৃতিক বন্ধন ছাড়া হয়তো মানুষ কখনোই গোষ্ঠীসত্ত্বার ওপরে উঠতে পারত না। এবং ক্ষমতা আর সুবিধা দিয়ে নষ্ট হবার আগে এটা সমাজের বিরুদ্ধে যায়নি। কিন্তু এর অনেক ভাললাদিকই ঢেকে গেল বড় খারাপ দিকগুলো দিয়ে। তুমি নিশ্চয়ই কখনো শোননি রোমের-ধর্ম বিচার সভা, ডাইনী-হত্যা অথবা ক্রুসেড আর জিহাদের নাম। তুমি কি বিশ্বাস করবে, এমনকি মহাকাশ যুগেও এমন জাতি ছিল যেখানে বাবা-মা রাষ্ট্রিয় আলফার অনুসারী না হওয়ায় তাদের সন্তানদের সরকারীভাবে উৎসর্গ করা হতো। তুমি আহত হয়েছ, কিন্তু এরকম এবং এর চাইতেও জঘন্য ঘটনা ঘটেছে–যখন আমাদের পূর্ব পুরুষরা মাত্র সৌর জগতে পা ফেলছিল। তবে মানবজাতির সৌভাগ্য যে আলফা ২০০০ এর প্রথম দিকে ম্লান হয়ে আসছিল। এটা অবশ্য শেষ হয়ে গিয়েছিল সংখ্যাতাত্ত্বিক ধর্মতত্ত্বের দ্রুত বিকাশের ফলে। আর কতক্ষণ আছে? বুবি কি অসহিষ্ণু হয়ে ওঠেনি?

    মিরিসা জানালা দিয়ে এক ঝলক তাকাল। ঘোড়াটা শান্তভাবে ঘাস খাচ্ছে।

    -যতক্ষণ খাবার আছে ততক্ষণ এটা ঠিক আছে। সংখ্যাতাত্ত্বিক ধর্মতত্ত্বটা কি জিনিস?

    -শয়তান ব্যাপারে এটাই শেষ আঘাত–যেটা একটা অস্বাভাবিক গোষ্ঠির জন্ম। দিয়েছিল। তারা নিজেদের বলত নব্য ক্ষ্যাপা, কেন বলতো সেটা জিজ্ঞেস করো না। এটা প্রায় ২০৫০ সালে। এবং ঘটনাক্রমে এটাই প্রথম মহাকাশ নির্ভর ধর্ম। যদিও অন্যান্য ধর্মও কৃত্রিম উপগ্রহ দিয়ে ধর্ম প্রচার চালাত কিন্তু এরা কেবলই উপগ্রহ নির্ভর ছিল।

    টেলিভিশনের পর্দা ছাড়া তারা আর কোথাও মিলিত হতো না।

    তবে প্রযুক্তি ছাড়া বাকীটা ছিল বহু পুরোনো ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা। তারাও বিশ্বাস করত আলফা আছে, কিন্তু সে সম্পূর্ণ অশুভ। এবং মানবজাতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে এর মুখোমুখি হয়ে একে ধ্বংস করা। তারা তাদের বিশ্বাসের স্বপক্ষে ইতিহাস। এবং জীববিদ্যা ঘেটে অসংখ্য প্রমাণ জোগাড় করত। আমার ধারণা তারা ছিল অসুস্থ–কারণ তার ঐ সব ভয়ংকর তথ্য জোগাড় করতে মজা পেত।

    যেমন ধরো আলফার অস্তিত্বের এক প্রিয় প্রমাণ ছিল ‘পরিকল্পনার যুক্তি। আমরা এখন জানি যে পুরোটাই ফালতু, কিন্তু তারা এটাকে বেশ বিশ্বাসযোগ্য করে বলত। যদি তুমি একটা সুন্দর পরিকল্পনার ব্যবস্থা পাও, যেমন ডিজিটাল ঘড়ি তখন। তার পেছনে অবশ্যই একজন পরিকল্পনাকারী থাকবে, একজন সৃষ্টিশীল লোক থাকবে এর পেছনে। এখন তুমি তাকাও প্রকৃতির রাজ্যে–এবং তারা সেভাবেই দেখতো, অবশ্য এটা প্রতিহিংসার ভাব নিয়ে। পরজীবিবিদ্যা ছিল তাদের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা-অবশ্য তোমরা জানই না যে, তোমরা থ্যালসানরা কতটা ভাগ্যবান। আমি অবশ্য তোমাকে সেই অসাধারণ সব পদ্ধতি যা দিয়ে বহু প্রাণী অন্য প্রাণীর ভেতরে বিশেষত মানুষের মধ্যে বাস করত, শোষণ করত ধ্বংশ হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত তা বলে বিরক্ত করব না। শুধু তোমাকে তাদের একটা প্রিয় পোষ্য ইফনিউমোন মাছি সম্বন্ধে বলি।

    এই চমৎকার পোকাটি অন্য পোকাদের অবশ করে তাদের ওপর ডিম পাড়ত যাতে তার ছানারা বেরিয়েই একদম তাজা, জ্যান্ত খাবার পায়।

    তারা এভারে ঘন্টার পর ঘন্টা চালাতে পারত। প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে আলফার প্রমাণ হিসেবে দেখিয়ে চূড়ান্ত অশুভ শক্তি হিসেবে দেখানো। যদি তাই নাই হবে, মানুষে মানুষে এতো পার্থক্য হল কিভাবে। আর একটা তাদের প্রিয় প্রমাণ ছিল, ধ্বংসের প্রমাণ। একটা পরিচিত উদাহরণ যা বহুবার হয়েছে, আলফার জন্য সমবেত প্রার্থনারত মানুষ বিপদের সময় বহুবার ভবন ধ্বসে মারা গেছে অথচ ঘরে বসে থাকা মানুষ রক্ষা পেয়েছে।

    এরা প্রচুর ভয়ংকর ঘটনা সংগ্রহ করেছিল, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম পুড়ে যাওয়া, ভূমিকম্পে শিশুদের স্কুল তলিয়ে যাওয়া, অগ্ন্যুৎপাত বা প্লাবনে শহর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার বিশাল সে তালিকা। অবশ্যই আলফার লোকজনও বসে ছিলনা। তারা সমান সংখ্যক উদাহরণ বিপরীতে সংগ্রহ করেছিল। বিশ্বাসীদের বাঁচাতে যে চমৎকার সব ঘটনা ঘটেছে তার তালিকা।

    এভাবে বহু হাজার বছর এটা চলছিল। কিন্তু ২১ শতাব্দীতেই, নতুন তথ্য প্রযুক্তি এবং সংখ্যা তাত্ত্বিক গবেষণা আর বিস্তৃত অনুমানতত্ত্ব ব্যাপারটার ফয়সালা করে।

    কয়েক দশক লেগেছিল উত্তরটা আসতে এবং আরও কয়েক দশক সব বুদ্ধিমান মানুষের স্বীকার করতে যে খারাপ জিনিস ভালো জিনিসের মতোই আসে। অনেক আগে থেকেই যা সন্দেহ করা হচ্ছিল, তাই সত্যি- মহাবিশ্বও সহজভাবে গানিতিক সম্ভাবনাকে মেনে চলে। আসলেই সেখানে কোন অতিপ্রাকৃত শক্তির অস্তিত্ব নেই না ভালো না মন্দ। তাই অশুভ শক্তির ব্যাপারটা আর রইল না। মহাবিশ্বকে দয়ালু ভাবার মানেটা হচ্ছে ভাগ্য নির্ভর একটা খেলার প্রতিটিতে জেতা।

    অবশ্য তারপরও কোন কোন ধর্মগোষ্ঠী তাদের আলফাঁকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। তারা উচ্চ কণ্ঠে বলত আলফার ধর্ম অভিন্ন এবং একটা ঘন্টার মতো রূপক তাদের বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে দেখাত। বলাই বাহুল্য এতো বিমূর্ত জিনিস খুব বেশী উৎসাহ আনেনা। গণিতের আরেকটা জিনিস আলফাঁকে আঘাত করেছিল। একজন প্রতিভাবান তেরান, কূট গোডলে প্রমাণ করে যে জ্ঞানের মৌলিক কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবেই। তাই সর্বজ্ঞানী সত্ত্বা যা কিনা আলফার একটা সংজ্ঞা যুক্তিসম্মত নয়।

    শেষ সহস্রাব্দের মাঝে আলফা মানুষের মন দিয়ে প্রায় মুছেই গেল। সব চিন্তাশীল মানুষই মহান দার্শনিক লিওক্রিস্টাসের কঠিন মন্তব্যের সঙ্গে একমত হলেন, সমস্ত ধর্মই আসলে অনৈতিক, কারণ অলৌকিক বিশ্বাস ভালোর চাইতে খারাপটাই বেশী ছড়িয়েছে। যদিও কিছু পুরোনো বিশ্বাস টিকে ছিল একদম শেষ পর্যন্ত, তবে পুরোটাই পাল্টে গিয়ে। শেষ দিকে মর্মন এবং নবীর মেয়েরা নিজেরাই বীজবহনকারী মহাকাশযান বানিয়েছিল। আমার জানতে ইচ্ছে হয়, সেগুলোর কি অবস্থা।

    আলফা মুছে গেলে, টিকে ছিল ওমেগা, সব কিছুর স্রষ্টা। একে মোছা সহজ ছিল, এবং মহাবিশ্ব কিছুটা প্রমাণ দিত। দিত কি? একটা পুরোনো দার্শনিক কৌতুক বলি– যেটা আসলে বেশ সূক্ষ্ম। প্রশ্ন মহাবিশ্ব এখানে কেন? উত্তর, আর কোথায় এটা থাকতো? আমার মনে হয় এক সকালে এই যথেষ্ঠ।–ধন্যবাদ মোজেস, মিরিসা বলল। তাকে সামান্য বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল। তুমি এগুলোর সবই আমাকে বলেছ। নয় কি?

    -অবশ্যই বহু বার। এবং প্রতিজ্ঞা করো।

    -কি?

    -আমি যা বলেছি তার একফোঁটাও বিশ্বাস করোনা। কোন জটিল দার্শনিক সমস্যার কখনোই সমাধান হয় না। ওমেগা তো এখনও টিকে আছে। আর মাঝে মাঝে আমি অবাক হয়ে ভাবি আলফা…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২০১০ : ওডিসি টু – আর্থার সি. ক্লার্ক
    Next Article ২০০১ : আ স্পেস ওডিসি – আর্থার সি. ক্লার্ক

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }